নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাউন্ডুলে কথন

অপ বাক

তবু ও মানুষ কাঁদে অধিকার চায় একটি শিশুর তবুও মানুষ বাঁচে কার হাতে অধিকার মানুষ না যীশুর............ অধিকার সবার চাই, মতপ্রকাশের অধিকার নামান্তরে মতদ্বৈততার আধিকার। ইতিহাস সাক্ষী সর্বদা বিজয়ীর ভাষ্য লেখা হয়, রক্তলোলুপ মানুষেরা তরবারি দিয়ে কেটে ইতিহাস লিখে, আমজনতার কথা লিখে রাখে দীক্ষ দ্রাবিড়, সেসব দ্রাবিড়দের মুখপত্র ইতিহাসে ছিলো না, দ্রাবিড়রা কখনই ক্ষমতার বলয়ে যেতে পারে নি, ফিনিশিয়, সুমেরিয় মিশরিয় ,পারসিয় সভ্যতার কিছু কিছু নিয়ে সেমিটিক ধর্মের উদ্ভব, কালের প্রবাহে সেমিটিক ধর্মই টিকে গেছে, অস্ত্রের জোড়ে, শিল্পের জোড় ছিলো না তাদের, আর অনার্য সবাই পৈত্তলিক, শয়তানের অনুচর হয়ে টিকে আছে একত্ববাদী ধর্মগ্রন্থে, আমি এসব দ্রাবিড়দের অধিকার চাই, সভ্যতার ইতিহাসে এরা শিল্পে সংস্কৃতিতে সব সময় গুরুত্বপুর্ন অবদান রেখেছে, তাদের দাবীর সপক্ষে আমি কণ্ঠ মেলালাম।

অপ বাক › বিস্তারিত পোস্টঃ

মহাপ্রলয়ের বাস্তবতা

২৬ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৭:২০

কেয়ামত নিয়ে কেয়ামত হয়ে গেলো গতকাল ব্লগে, যাই হোক কেয়ামত বা মহাপ্রলয়ের ভিন্ন ভিন্ন সংজ্ঞা নিয়ে বিভিন্ন মানুষ হাজির হচ্ছেন, ভালোই লাগছে দেখে, সাদিক প্রথম থেকেই বুখারির হাদিস সংকলনের বিরোধী সুতরাং সাদিকের জন্য বুখারি বা অন্য কোনো সাদিস সংকলন থেকে হাদিস তুলে দিলে সাদিক পছন্দ করবে না, বুখারির পূনরুত্থানের বয়ান নিয়ে সন্দেহ আছে এমন মানুষও কম নয় ,যারা ধর্মপ্রাণ তাদের যদি বলা হয় তারা যেই যুক্তিগুলো দিচ্ছে সেই যুক্তিগুলো ভ্রান্ত তাহলে তাদের আঁতে ঘা লাগে, ওয়ালি এই মাত্র কেয়ামত বা মহাপ্রলয়ের আবশ্যকতা নিয়ে একটা পোষ্ট দিলো, সাদিক কেয়ামত সম্পর্কিত আয়াতের একটা লিংক দিয়েছে ওটাও পড়তে হবে এর আগে ঘরবাড়ী কিছু কথা বলেছে সেই বিষয়ে কিছু কথা বলা ভালো, তবে এই একটা মজার বিষয় ধর্ম সম্পর্কে বিভিন্ন মানুষের বক্তব্য বিভিন্ন, কেউ কারো সাথে একমত নয়, কেয়ামত নিয়ে 3 জন তিনটা লেখা দিয়েছেন কিন্তু সাদিকের মতো কোনো ব্যাখ্যা না দিয়ে কেউ শেষ করেন নি, এই খানেই সাদিকের পোষ্টের মজা, সাদিক কখনই স্পষ্ট কিছু বলতে নারাজ, কোনো বিষয়েই তার স্পষ্ট মত নেই, সব খানেই ভাসাভাসা মন্তব্য করে একটা ধর্মের আবহ ধরে রাখা, আমার পোষ্টটাতে বক্তব্য ছিলো সীমিত, মহাপ্রলয় বলতে আমরা কি বুঝি? এটা কি মহাবিশ্বের অবসান? না কি পৃথিবীভিত্তিক সভ্যতার অবসান? কেয়ামতের হাদিস বর্ননা পড়লে এইটুকু বোধ হয় যে সূর্যের মৃতু্যর সাথে কেয়ামতের বা মহাপ্রলয়ের কোনো সম্পর্ক নেই, তাখন সূর্য টিকে থাকবে, এবং কোনো এক আশ্চর্য কারনে পৃথিবীর কাছাকাছি চলে আসবে, মানুষ জন শেষ বিচারের জন্য যখন সারিবদ্ধ দাড়াবে, যখন সবাইকে আমলনামা দেওয়া হবে হাতে, যারা ডান হাতে আমল নামা পাবে তাদের স্বর্গের দরজায় নিয়ে যাওয়া হবে, যারা বাম হাতে পাবে তাদের নরকে নিক্ষেপ করা হবে, কিন্তু বিচারটা হবে সেই পূনরুত্থানের দিনে। আর পূনরুত্থান হবে মহাপ্রলয়ের পরে। এই পর্যন্ত কি আমার সহব্লগারগনের মেনে নিতে কোনো আপত্তি আছে? থাকলে একটা ফিরতি পোষ্ট ঝাড়েন।

যাই হোক আমার লেখা এবং ঘরবাড়ীর লেখার মধ্যে একটা ঐক্য আছে, সেটা হলো কোনো এক পথভোলা পথিক জোতিস্ক এসে পৃথিবীকে আঘাত করবে এবং এই আঘাতের ফলে মহাপ্রলয় হয়ে যাবে, সুন্দর সমাধান, মহাবিশ্ব থাকবে, সূর্য থাকবে কিন্তু মাঝখান থেকে পৃথিবী হাওয়া হয়ে যাবে। সুতরাং মহাবিশ্ব ধংস হবে না, কেয়ামতের সাথে মহাবিশ্বের ধ্বংসের কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা এই মতে উপনীত হয়ে এখন সাম্ভাব্যতা যাচাই করে দেখি কেয়ামত বা মহাপ্রলয় যদি ঘটেই এই ঘটনা ঘটার আগে আমরা জানতে পারবো কি পারবো না? যদি আমরা জানতে পারি তাহলে আমরা অন্য কোনো সাবধানতা অবলম্বন করতে পারবো কি পারবো না। এবং এই অতিব ক্ষুদ্্র সম্ভবনার মধ্যে পৃথিবী এবং সৌরজগতের 400 কোটি বছর টিকে থাকার সম্ভবনা কতটুকু।

মহাবিশ্বে কোটি কোটি কোটি নক্ষত্র, এত নক্ষত্র, কিন্তু নক্ষত্রগুলোর মধ্যের গড় দুরত্ব কয়েক আলোক বর্ষ, পৃথিবী এবং সূর্যের মাঝের গড় দূরত্ব প্রায় 9 কোটি 30 লক্ষ মাইল। পৃথিবীর কক্ষপথের ক্ষেত্রফল 271578600 কোটি বর্গমাইল, যদি একটা গোলক কল্পনা করি এর সাথে আরও 10 কোটি গুন করতে হবে, সেই হিসেবে পৃথিবী সূর্যের কক্ষপথ নিয়ে আমরা একটা গোলক কল্পনা করলে প্রায় কোটিকোটি কোটি মাইল এর একটা ঘনক আমরা পাবো, পৃথিবীর ব্যাসার্ধ এবং পৃথিবী থেকে সূর্যের ব্যাবধানের মধ্যে অনুপাত 23500 সুতরাং পৃথিবী এবং এ ঘনকের অনুপাত হবে প্রায় 1 লক্ষ কোটির বেশী। কোনো জোতিষ্ক যদি পৃথিবীকে আঘাত করতে চায় এবং এর ব্যাসার্ধ যদি পৃথিবীর সমান হয় তাহলেও এমনটা ঘটার সম্ভবনা 1 লক্ষ কোটি বারে একবার। এখন আমরা অন্য নক্ষত্রপূঞ্জ থেকে আসা জোতিষ্কের পৃথিবীকে আঘাত করার সম্ভবনা যাচাই করতে গেলে আরও 10 এর পরে 40টা শুন্য দিয়ে হিসাব করতে হবে, এত বৃহৎ ঘনকের মধ্যে পৃথিবীকে আঘাত না করে চলে যাওয়ার সম্ভবনা অনেক বেশী বাস্তব। ঘটনার পরের অংহসটা আরও মজার, বেশির ভাগ ধুমকেতুর আগমন হয় যেই বেলট থেকে সেখানে খুজে এমন মারাত্বক গ্রহানু বা ধুমকেতু পাওয়া যায় নি, এমন কি সেই বেলট থেকেও যদি কোনো গ্রহানু বা ঢুমকেতু রওনা দেয় তাহলে হয় ওটা বৃহস্পতির ওখানে গোত্তা খাবে, সম্ভবনা কম তার পরও, কিংবা সূর্যের দেকে ধাবিত হবে, পৃথিবী খুব নগন্য একটা জিনিষ মহাবিশ্বের বিশালতার অনুপাতে পৃথিবী ধুলিকণার চেয়েও ক্ষুদ্্র একটা অস্তত্ব, পৃথিবীর কাছে একটা পরমানু যতটা বড়( অবশ্যই অনুপাতে, মহাবিশ্বের অনুপাতে পৃথিবী সেই পরমানুর তুলনায় খুদ্্র, হয়তো ইলেকট্রন এবং পৃথিবীর অনুপাত করলে পৃথিবী এবং মাহবিশ্বের অনুপাত ছোটো হবে, আমি ঠিক যোগ্য উপমা খুঁজে পাচ্ছি না এই ঘটনার সাম্ভাব্যতার তুল্য কি হতে পারে- খড়ের গাঁদায় সূচ খুঁজে পাওয়া এইটার তুলনায় জলভাত বিষয়, সমুদ্্রে একটা পয়সা ফেলে ঐটা খুঁজে আনাও এই ঘটনার চেয়ে বেশী সম্ভব, এমন কি এখান থেকে লাফ দিয়ে চাঁদে পৌছে যাওয়ার সম্ভবনাও ইএ ঘটনার চেয়ে বাস্তব সম্ভবনা। বলতে হয় এই ঘনটা ঘটার সম্ভবনা সমুদ্্র জমে বরফ হয়ে যাওয়ার মতোই, যখন বাইরের তাপমাত্রা 50 ডিগ্রি সেলসিয়াস এমন সময় বাংলাদেহসের সব নদি নালা পুকুর দীঘি জমে বরফ হয়ে যাওয়া সম্ভব হলে অন্য একটা গ্রহানুর আমাদের অগোচরে পৃথিবীকে আঘাত করে ফেলা সম্ভব।

সবচেয়ে বাস্তব বিষয় বিষয় হলো আমরা পথভ্রষ্ট কোনো জোতিস্কের পৃথিবীকে আঘাত করার খবর পাবো ওটা পৃথিবীর কাছাকাছি আসার কয়েক বছর আগে, সুতরাং অবিশ্বাসিদের ভীত হওয়ার কিছু নেই, আপনার মৌজ মাস্তি করতে থাকেন, ইশ্বর বিশ্বাসীদের অগোচরে মহাপ্রলয় আনতে পারেন কিন্তু যতদিন বিজ্ঞান আছে যতদিন মানুষের বিবেচনায় এই সভ্যতা টিকে থাকে, সূর্যের মৃতু্য না হওয়া পর্যন্ত কোনো বাপের বেটার সাধ্য নাই বিজ্ঞানের চোখ ফাঁকি দিয়ে একটা আস্ত গ্রহানুকে পৃথিবীতেন্নামানোর। এই চ্যালেঞ্জটা নিয়ে আল্লা মিয়া দেখাক যে সে একজন কাবিল ইশ্বর যে মহাকর্ষ না মেনেই সম্পুর্ন অদৃশ্য একটা জোতিষ্ককে পৃথিবীর উপর আছরে ফেলবে।

মন্তব্য ১০ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ১:০৪

অরূপ বলেছেন: অপ বাক,
সবই ভালো ছিল, শেষ দুই লাইন খুব বেমানান মন্তব্য হল। খোচাখুচি আর বিতর্কের সীমারেখা মানা কেন এতো কঠিন ?


Click This Link
..........................................
A preliminary orbit suggests that 2002 NT7 is on an impact course with Earth and could strike the planet on 1 February, 2019 - although the uncertainties are large.

Astronomers have given the object a rating on the so-called Palermo technical scale of threat of 0.06, making NT7 the first object to be given a positive value.

From its brightness, astronomers estimate it is about two kilometres wide, large enough to cause continent-wide devastation on Earth.

২| ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ১:০৪

অরূপ বলেছেন: দুঃখিত, আগের পোস্টের বিবিসির সংবাদের অসংগতি পাওয়া গেছে..

Click This Link


Just as asteroid experts predicted last week, the calculated probability of asteroid 2002 NT7 colliding with Earth on February 1, 2019 has been eliminated -- and the chances for impact at any time in the future are shrinking with every new observation. Click here for more. . .

৩| ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ২:০৪

অপ বাক বলেছেন: ওকে অরূপ সংশোধন করলাম, আসলেও ওটা বাড়াবাড়ি ছিলো, কিন্তু আমি একটু বিরক্ত বোধ হয়, গতকাল একটু মেজাজটা চড়া ছিলো রবি বাবুর গান শোনার উপদেশ পেয়ে, যাই হোক এমন কয়েকটা গ্রহানুকে সাম্ভাব্য হিট লিস্টে রেখেছে বিজ্ঞানীরা, কিন্তু ওটার সম্ভবনা ক্ষীন এবং ওগুলোর ধ্বংস ক্ষমতা পৃথিবীর সকল মানব জাতির বিনাশ করতে পারবে না, সুতরাং ওগুলোকে কেয়ামতের নিয়ামকসূচক জোতিস্ক বলা উচিত হবে না। কিংবা যদি কেয়ামত বলতে বুঝানো হয় আরব জাহানের উপর একটা জোতিস্ক পড়ে আরব জাহানের বিলুপ্তি এটা খুব একটা খারাপ বিষয় না, ঐটুকু এলাকা জুড়ে মহাপ্রলয় হলে আমার বিন্দু মাত্র আপত্তি নেই।

৪| ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৪:০৪

অতিথি বলেছেন: বাউন্ডুলে ভাই আমি আপনাকে শুধু একটা প্রশ্ন করতে চাই।
এই যে বিশ্বজগত সৃষ্টি হলো তা কিভাবে হলো বলে আপনি মনে করেন?
আশা রাখি উত্তরটা আপনি দিবেন এবং যেই উত্তরই দেননা কেন আমি ধরে নেব সেটা আপনি মন থেকে দিয়েছেন।

৫| ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৫:০৪

অতিথি বলেছেন: সাদিক কিছু স্পষ্ট বলে না কেন?

মানুষ যেখানে নিজেরে নিজে চিনে না, যখন মানুষ মায়ের গর্ভে আসার আগে কোথায় ছিলো এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে বিভ্রান্ত ; তখন কোথাকার কোন বেয়াকুব সাদিক কেয়ামত নিয়ে "স্পষ্ট করে" কথা বলার অধিকার রাখে?

খুশি হলাম আমার উপর এত ভরসা এবং আশা শুনে। কিন্তু আমি মহা বেয়াকুব, স্পষ্ট করে প্রকৃতির রহস্যকে এখনও বুঝে উঠতে পারি নি, তাই ব্যাখ্যা করতেও অস্পষ্টতা দৃশ্যমান।

৬| ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ১১:০৪

ঘর বাড়ি বলেছেন: অপ বাক সাহেব লেখাটা মন দিয়ে পড়লাম এই মুহূর্তে যৌতিক কোন মন্তব্য খুজে পাচ্ছিনা,তবে আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে মনে হয় আপনি যত বড় ধরনের হিসাব কষেছেন ঈশ্বর ও সব হিসাব মানবেন না তিনি অনেকটা সৈরাচার ঈশ্বর তার যখন ইচ্ছা তিনি তার সৃষ্টি পৃথিবীকে ধ্বংস করে দিতে পারেন কেয়ামত ঘটাতে পারেন । এজন্যতো সারা পৃথিবী জুড়ে একটা বড় ভুমিকম্প আর সাথে সুনামির মত কিছু একটা হলেই চলে ,আর তাতে পুরা না হলে মানুষের তৈরী পারমানবিক ,সহ বিভিন্ন বোমা এবং বিষ্পরক তো আছেই পৃথিবীর সকল মানবের কেয়ামতের জন্য আমারতো মনে হয় এগুলোই যথেষ্ট ,আপনি কি বলেন ?

৭| ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৬ রাত ২:০৪

অতিথি বলেছেন: কেয়ামত কেয়ামত করে এরা দেখি কেয়ামত করে ফেলতেছে।

৮| ০১ লা মে, ২০০৬ দুপুর ১২:০৫

অপ বাক বলেছেন: মানব সভ্যতা ধ্বংস হবে মানবের হাতে এই কল্পবিজ্ঞানের বিষয়টা আমাকে মাঝে মাঝে চিন্তিত করে, মানুষ নিজেই নিজের বিলোপ করবে এই সম্ভবনা অনেক, তবে আশাবাদী হতে বাধা নেই, কোনো না কোনো ভাবে মানব সভ্যতা টিকে থাকবে, বড় কোনো বিপর্যয়ের পরও টিকে থাকবে, ইশ্বর পৃথিবী ধ্বংস করতে পারেন এই বিশ্বাস আমার নেই, যদি কোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যায়, মানব সভ্যতার প্রতিনিধি কোনো না কোনো মহাকাশ যানে চেপে সভ্যতার নিশানা নিয়ে অন্য কোনো গ্রহে বসত গড়বে, এইটাও একটা বাস্তবতা, আমরা গত কয়েক বছরে মহাশুন্যে চাষাবাদ করেছি, মহাশুন্যে প্রানের বিকাশ নিয়ে গবেষনা করছি, দীর্ঘ সময় মহাকর্ষশুন্য অবস্থায় থাকলে জীবের বিকাশে কিধরনের সমস্যা দেখা যায়, এবং কিভাবে এই সমস্যা দূর করা যায় এই নিয়ে লোকজন গবেষনা করছে, সুতরাং আমরা দিন দিন মহাকাশসভ্যতার জন্য প্রস্তুত হচ্ছি, কল্পবিজ্ঞানের কাছাকাছি সম্ভব না হলেও আগামি শতাব্দিতে মানুষের উপনিবেশ থাকবে অন্য গ্রহে এই সম্পর্কে আমি আশাবাদী।

৯| ০১ লা মে, ২০০৬ দুপুর ১২:০৫

অপ বাক বলেছেন: আশার আলো মহাবিশ্ব সৃষ্টির ক্ষেত্রে এখন কোনো সন্দেহ নাই, মোটামুটি স্ব ীকৃত বিষয় বিগ ব্যাং এর ফলেই মহাবিশ্ব এবং সময়ের শুরু কিন্তু মাঝে সমস্যা আছে বিধায় এখনও বলা যাচ্ছে না আমরা সম্পুর্ন সঠিক ভাবে জানি মহাবিশ্বের বিকাশ কি ভাবে হয়েছে, হয়তো ভবিষ্যতের তথ্য এবং উপাত্ত দিয়ে আমরা মহাবিশ্বের জন্মকাল পর্যবেক্ষন করতে পারবো, বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা আছে, বিজ্ঞান তত্ত্ব দিয়ে এটা ব্যাখ্যা করতে পারলেও এটাকে পরীক্ষাগারে প্রমান করতে পারবে না, সুতরাং সবার ভিতরে একটা সন্দেহ থেকেই যাবে শেষ পর্যনত। কিন্তু একেবারে প্রথম দিকে নির্গত কিছু আলোক কনিকা ধরার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানিরা, সেটা পেলে অনেকটা ব্যাখ্যা করা সম্ভব হবে,

১০| ১৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:১৩

সুমন চৌধুরী বলেছেন:

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.