নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ছাওয়াল কালে মনেমনে কথা বলে স্থির সিদ্ধান্ত করেছিলাম, আর কিছু করতে না পাড়লেও অন্তত অনেক বড় কবি এবং লেখক হব। হতে পারিনি। আপসোস করে লাভ হবে না জেনে বাস্তবিক হয়েছি, কাজ করলে মনে সুখ এবং হাতে পয়সা থাকে। স্বত্ব মো.আ.হা [https://bookorebook.com]

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক

অন্তত একবার সত্যকে তার সম্বন্ধে কিছু বলতে দাও। আমরা কে কী, অন্যরা তা জানতে এবং দেখতে পারবে।

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক › বিস্তারিত পোস্টঃ

সত্য প্রেম (উপন্যাস) ১-৩

১৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:৫৩



অলীক হলেও সত্য, রমণে রমণীয় হয় রমণী এবং রত্নশিল্পীর কলাকৌশলে নীল পাথর হয় নীলকান্তমণি। কিংবদন্তি হলেও রত্নবনিকরা বিশ্বাস করে এবং বাতাসে কানাঘুষো, নীলগিরির গুপ্ত গুহায় সংগুপ্ত নবরত্ন আছে। তাদের কথা শোনে পর্ণিকরা হাসে আর বলে, এসব আজগুবি গুজব গ্যাঁজালে হাভাতে হয়ে মরবে, পর্ণাহারে পরিপুষ্ট হলে মনে থাকে যেন, নালিতা শাক পুষ্টিবর্ধক হলেও পর্ণিকরা রত্নবনিক হতে পারে না। হয়তো তাদের কথা সত্য, কিন্তু কোটারি যেমন কর্ণকুহরে প্রবেশ করতে পারে তদ্রুপ নীলগিরিতেও রত্নের খনি থাকতে পারে। সত্যাসত্য সম্বন্ধে নিশ্চিত হতে হলে নীলগিরির গুপ্ত গুহায় প্রবেশ করতে হবে। সাধকরা জানে, যে যার সন্ধানে থাকে সে তার সন্ধান পায়। যেমন, আত্মান্বেষীরা আত্মদর্শন করে কৃচ্ছ্রসাধনায় এবং পরমসত্য অন্বেষণে সত্যান্বেষীরা চিন্ময় হয় ধর্মোপাসনায়। তত্ত্বানুসন্ধানে সমাজতাত্ত্বিক না হতে পারলেও মনস্তাত্ত্বিক অথবা প্রত্নতাত্ত্বিক হওয়া যায় এবং আপখোরাকির জন্য স্বার্থান্বেষীরা তক্কেতক্কে ঘুরায়। এমন এক অন্বেষক জাঁকজমকপূর্ণ সামাজিক অনুষ্ঠানের অলোকসুন্দরী উপস্থাপিকার কণ্ঠহারের মধ্যমণি দেখে নবরত্নের অন্বেষী হয়। তার নাম আনীল। বই অভিধান ঘেঁটে নবরত্নের নাম জানলেও নিশ্চিত হতে পারেনি, নীলাচলের নীলগিরি না ওড়িশার নীলগিরিতে তা লুক্কায়িত। বিধায় নবরত্নের সন্ধানে সন্ধ্যানী হয়। সে কোথায় থাকে এবং কী করে তা কেউ জানে না। হঠাৎ একদিন সিলেট শহরে আবির্ভূত হয় এবং নীলা নামক যুবতীর মুখোমুখি হলে উদ্ভট কাণ্ড ঘটে। তার হাবভাবে বিস্মিত নীলা বিলুণ্ঠিত হয়। তখন ভরদুপুর ছিল। আনীল চোখ বুজে বাতাসে হাত বুলায়, তার হাতের ছায়া মুখের উপর পড়লে সংজ্ঞাপ্রাপ্ত হয়ে নীলা চোখ বুজে চিৎকার করে। লোকজন জড়ো হলে নিলীয়মান আনীলের কণ্ঠ নীলার কানে প্রতিধ্বনিত হয়, ‘নভোনীল শাড়ি পরে নীলা হয়েছ তুমি নীলিমা হতে পারনি। আনীলে নীল মিলে নীলিমা হলেও নীলাঞ্জনাকে নীলা ডাকা যায় না। অলোকসুন্দরীর নয়ন নীল হলে ওকে নীলনয়না না ডেকে নীলা ডাকা মানানসই।’
বিস্মায়াভিভূত নীলার জন্ম নীলাচল, লেখাপড়ার জন্য সিলেট এসেছে। অনিল নামক যুবকের সাথে চোখাচোখি হলে তার বন্ধুরা ইয়ারকি করে বলে, নীলাকে তুই পাবে না রে বন্ধু। নীলাকে পেতে হলে আনীল হতে হবে। সমস্যা হলো তুই তো বাতাস। বন্ধুদের ব্যঙ্গোক্তি শুনে অনিলের মন টলে। অসহায়ের মত নীলার দিকে তাকিয়ে বুক কাঁপিয়ে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে। সাদরে দাদি তাকে অনিল ডাকেন। আনীল ডাকার জন্য কত মিনতি করেছে কিন্তু দাদি তাকে অনিল নামেই ডাকেন। নীলনয়ানারা নাকি কুহকিনী। নীলনয়নাদের সাথে দূরত্ব বজায় রাখার জন্য তাকে আদেশ করেছেন। নীলা আড়চোখে তাকালে চোখ বুজে সে শিউরে উঠে এবং তার কানে আদেশাজ্ঞা প্রতিধ্বনিত হয়। গ্রীষ্মের ছুটিতে দাদা দাদিকে দেখার জন্য অনিল গ্রামে যায়। ফজরের নামাজ পড়ে জানালা খুলে পরিপার্শ্বে তাকিয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করছিল। সূর্যের তেজে কোয়াশা বাষ্প হয়ে আস্তেধীরে পরিবেশ পরিষ্কার হয়। বারোমাসি বড়ুইর ডালে নতুন পাতা গজিয়েছে। শিশিরধৌত ফুল কুঁড়িরা শীতল বাতাসের স্পর্শে ফুরফুরে হয়। পলাশডালে বসে পাখিরা ভোরাই গায়। টোনাটুনির টুনটুন ভোরকে প্রাণবন্ত করে। হঠাৎ ছোট্ট পাখি তার সামন দিয়ে উড়ে যায়। দেখতে সোনা চড়াইর মত। টুনটুনি ভেবে চকিত হলেও পরক্ষণে অত্যাশ্চর্য হয়। ডানে বাঁয়ে তাকিয়ে দ্রুত দরজা খুলে ঘর থেকে বেরোয়। সাতসকালে হন্যের মত হাঁটতে দেখে দাদি হেঁকে বললেন, ‘অনিল! কোথায় যাচ্ছিস? পাকঘরে আয়, আমার সাথে নাস্তা খাবে।’
‘জি দাদিজান আসছি।’ বলে অনিল দৌড়ে পাকঘরে যেয়ে বলল, ‘দাদিজান, আমাদের গ্রামে নুরি আসল কোথা থেকে?’
‘পূবের বাড়ির নুরির কথা বলছিস নাকি? তোকে দেখার জন্য এসেছে হয়তো। তোর পছন্দ হল বিয়ের আলাপ নিয়ে এখুনি যাব।’
‘ও আম্মা গো, এ কী করলাম গো?’
‘মুখে বুজে গণ্ডে-পিণ্ডে গিল গরম চা ঠাণ্ডা হচ্ছে। মনে রাখিস, বেপাড়ায় মস্তানি করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।’ বলে দাদি বিদ্রুপ হাসেন। অনিল কথা না বলে চার আনা তিন সিকি মানত করে নাস্তা খেয়ে পাকঘর থেকে বেরিয়ে বেড়াতে যায়। বন বাগানে কাঁচপোকারা ভনভন করে। বভ্রু ফুলের সাথে ভ্রমরীরা ভাব জামাতে ব্যস্ত। দোরসা জমিতে ধান এবং রাই চাষ করা হয়েছে। ধানের শিষে ঢেউ তুলে রাই রেনুর সুবাসে সুবাসিত বাতাসে অনিল প্রাণবন্ত হয়। পল্লি বাংলার প্রাকৃতিক পরিবেশে কত জীবনীশক্তি আছে তা অনুভব করতে হলে বাংলার বাতাসে মন ভাসাতে হয়। অনিল তাই করেছে এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে বিমুদ্ধ হয়ে হেঁটে দেখছিল। পাড়াকুঁদুলি নুরি তাইরে নাইরে করে নেচে বেড়াচ্ছিল। দুজন চোখাচোখি হলে ভ্রু দিয়ে ইশারা করে চোখ টেপে নুরি বলল, ‘বাতাস বন্ধু, এক কাহনে কয় কড়া বলতে পারলে তোকে আমি বিয়ে করব না।’
হঠাৎ ঠাঠা ফাটার বিকট শব্দে চমকে উঠে অনিল দৌড়াতে চাইলে খিল খিল করে হেসে নুরি বলল, ‘ভুল উত্তর বললে বাসর-ঘরে ঠিকঠাক করব।’
‘তাইলে ঠিকাছে, তুই যা আমি হিসাব কষে তোকে জানাব।’ বলে অনিল বিড়বিড় শুরু করে, ‘কার্ষাপণের অর্থ ষোলো পণ অথবা এক কাহন। এক পণে কুড়ি গণ্ডা। কুড়ি শব্দের অর্থ বিশ এবং গুণ্ডা শব্দের অর্থ চার। কুড়ি গণ্ডায় চব্বিশ না আশি? মহা সমস্যা, নুরির বাসরে বসতে চাই না রে মনা।’
‘বাতাস বন্ধু! আমার বাগিচায় আয়, নিম্বু ফুলে গাঁথা মালা তোর গলে দেব।’ বলে নুরি হাত দিয়ে ইশারা করলে অনিল বলল, ‘কুঞ্জে অঞ্জুকে না পেয়ে মঞ্জু রেগে সঞ্জুকে সঞ্জে পাঠিয়ে রঞ্জু এবং অঞ্জুকে দিয়ে দই ঘুটিয়ে ঘোল বার করিয়েছিল কেন?’
নুরি মুখ বিকৃত করে বলল, ‘উড়ে এসে ঘুঘুটা বসেছিল গাছের ডালে, ছায়ে টাটু, দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক দৃশ্যে দালানটা হয়েছিল দৃষ্টিকটূ।’
অনিল… ‘আমি তোকে প্রশ্ন করেছিলাম।’
নুরি… ‘কবিতার ভিড়ে কবিতা হারায় কবির ভিড়ে কবি, আয়নার ভিতর ছায়া লুকালে হয় ছবি।’
অনিল… ‘জয়োস্তু! অবশেষে সবশেষ করে কবিতার ভূতরা তোকে জেঁতেছে।’
নুরি… ‘কবিতা পড়লে কবিতা লিখতে হয়। কয়টা লিখেছিস?’
অনিল… ‘জলে চাঁদ ঝিকমিক করে রাতে ঝিঁঝি পোকার ডাকে মাথা ঝিমঝিম করে। ঠায় দাঁড়ালে হাত পা ঝিনঝিন করে জানি ঝিরঝিরে বাতাসে মন ফুরফুরে হলেও রিমিকি-ঝিমিকি শব্দে জান চমকে, যদি মাথায় ঠাঠা পড়ে।’
নুরি… ‘আমার উরে আয়, দাদুর মতো আদর করব।’
‘দূর যা।’ ধমকে বলে অনিল হাঁটতে শুরু করলে তালে বৈতালে নুরি গায়, ‘সোনা বন্ধে আমারে উদাসিনী বানাইলো গো, সোনা বন্ধু ও সোনা বন্ধু গো, আকাশ ভেঙে বৃষ্টি পড়ে ছাতি হাতে আসো গো।’
‘আমাকে কিছু বলছিস নাকি?’ বলে অনিল কপাল কুঁচ করলে বিদ্রুপহেসে সুর-ছন্দে নুরি বলল, ‘বাতাস বন্ধু ও বাতাস বন্ধুরে আর কত জ্বালাবে আমারে? রোদে জ্বলি আগুনে জ্বলি আরো জ্বলি রোষানলে, ও বাতাস বন্ধুরে আর কত জ্বালাবে আমারে?’
‘তোর গান শুনলে গুনগুন করে কাঁদে ভোমরে, দৌড়ে বাড়ি যা নইলে চেঁচাড়ি মারব তেড়ে।’ বলে অনিল চোখ পাকালে নুরি তার সামনে যেয়ে হাসার চেষ্টা করে বলল, ‘আমার এক বন্ধুর প্রয়োজন, যে সফলতার মাথায় হাত বুলাতে চায়। নিঃসঙ্গতা আমার সঙ্গি হয়েছে। এমন এক বন্ধু চাই, যে আমার সাথে মন খুলে কথা বলবে, সুখের ষোলোকলা জানতে চাইবে বুঝতে চাইবে এবং শিখতে চাইবে। আমি কারো সাথে মন খুলে কথা বলতে চাই, যে আমার সাথে কথা বলতে চায়, যে নতুন কিছু করতে এবং জানতে আগ্রহী।’
অনিল... ‘আড়াই প্যাঁচে বেশি সমস্যা। আমি জানি নদীতে জোঁক এবং কুমিররা বসবাস করে। আমার একমাত্র ভরসা হলো পায়ের খরম। পায়ে না থাকলে জলে নামবে কেমনে?’


বানান এবং ব্যাকরণে সমস্যা ধরা পড়লে দয়া করে মন্তব্যে জানাবেন, উপকৃত হব।

সত্য প্রেম (উপন্যাস)
প্রথম প্রকোশ ২০/১২/২০১৭
Copyright © 2017 by Mohammed abdulhaque
ISBN-13: 978-1982087326

মন্তব্য ৩৫ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৩৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:১৬

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আব্দুল হাক ভাই
সত্য প্রেম (উপন্যাস) এর
সফট কপি প্রকাশ করার জন্য
আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
উপন্যাসটির ১-৩ পর্ব কি
এখানেই শেষ?

১৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:১৭

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: এখানে ১ থেকে ৩ পৃষ্টা দিয়েছি।

২| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:২২

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনার উপন্যাসের ভাষা ও প্রকাশ-ভংগি অনেক পাঠককে দুরে রাখবে, মনে হয়।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:২৫

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: জি, আমিও জানি। যথেষ্ট চেষ্টা কষ্ট করেও সরল করতে পারি না :(

এই জন্য ফেলে রেখেছি। একলা আর পারি না। ভেবেছিলাম দেশে যেয়ে সম্পাদকদের দিয়ে কাজ করাব, এখন তাও আর হবে না। :(

৩| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৮:৩০

নীল আকাশ বলেছেন: লেখাটা পড়া শুরু করলাম, যেরকম কথা দিয়েছি। অনুসরণেও রেখে দিলাম যেন সিরিজের কোন পোস্ট মিস না হয়।
পড়া শেষ হবার পর আবারও ফিরে আসবো।
শুভ সকাল।

২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৩৫

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: পড়া শুরু করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

৪| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: বইটা আমাকে এক কপি পাঠিয়ে দেন।

২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৪০

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: রাজীব ভাই, আমি সকল বই আমাজনে প্রকাশ করেছি, আমার সাইটে ই বই আছে।

মন্তব্যে লিংক দিতে পারিছিনা কেন জানিনা, তিন বার চেষ্টা করেও বিফল হয়েছি।

৫| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:৩৭

নীল আকাশ বলেছেন: যাহা বলিব সত্য বলিব-
১। লেখার শব্দচয়ন, ব্লগে আর দশজনের লেখার সাথে মিল না থাকায়, বেশ কিছু অপ্রচলিত শব্দ এবং বাক্যের ব্যবহারের জন্য পড়াটা বেশ সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। ব্লগে সবাই পড়তে আসে কাজের ফাঁকে ফাঁকে। এতটা ধৈর্য্য নিয়ে কী কেউ পুরোটা পড়বে?

২। আপনার লেখা বানান এবং ব্যকরণ ভুল ধরা আমার পক্ষে সম্ভব না। এখানকার বেশ কিছু শব্দের বানান আমি নিজেই জানি না।

৩। ব্লগে সবাই ছোট গল্প এবং ট্যুইস্ট দেয়া লেখা পছন্দ করে।

৪। বেশ অনেক আগের পটভূমি/সময় কাল নিয়ে লেখা। অনেকেই এই সময়কালের সাথে পরিচিত নয়।

৫। ২ প্যারার মধ্যে এক লাইন গ্যাপ দিবেন। পড়ার সময় আরাম পাওয়া যায়।

ধন্যবাদ।

২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৪৮

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: আপনি সকল রোগের নাম ঠিকঠাক লিখেছেন। আপনি নিশ্চয় জানেন আমি লণ্ডন শহরে থাকি? জীবন এখানে যান্ত্রিক, বাতাসে প্রশান্তি আছে কিন্তু মানুষের জীবনে নেই। আমি কার্টুন দেখি, অলিক এবং আজগুবি কাণ্ড। গল্প কবিতা উপন্যাস পড়ি যন্ত্রণা থেকে দূরে থাকার জন্য। আমিও আমার গল্প কবিতায় তা করতে চাই, পাঠককে দূরে নিতে চাই, মনের পৃথিবীতে অলিক হলেও বাস্তবতা আছে। হয়তো সফল হতে পারি না।

আপনার মন্তব্য সত্যি উপকৃত হয়েছি। গ্যাপ দেওয়ার চেষ্টা করব। আমি আসলে কাজের ফাকে ফাকে মন্তব্য এবং লেখা পোসট করছি।

৬| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৩৬

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: আমাদের বান্দরবানের নীলগিরিতে কি রত্নখনি রয়েছে? নলিতা শাকের নামটা আগে শুনিনি, খাইতে কেমন?

২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৪১

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: জি, নবরত্ম দেশেই আছে। নালিতা শাক খাননি, কী কন? পাটের কচিপাতার নামইতো নালিতা।

৭| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৩৮

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: ভেবেছিলাম দেশে যেয়ে সম্পাদকদের দিয়ে কাজ করাব, এখন তাও আর হবে না।[/sb.......হবে না কেন ভাই, দেশে কি আর আসবেনই না!!

২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৪২

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: হয়তো আপনার সাথে লন্ডনই দেখা হবে। যত দিন যাচ্ছে দেশভ্রমণ আমার জন্য অসম্ভব হচ্ছে। নিরাপত্তা নেই।

৮| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৪২

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: ২য় পর্ব দেইখা ১মে চলে এলাম। আপনার জাদুকরি লেখাগুলো কতোদিন যাবৎ পড়া হয়ে উঠে না।

২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:০০

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: আমার নাতনি দাঁতের ডাক্তার হইতে চায়। ওরে কইছি আপনি আমার লেখা পড়তে শুরু করেছেন! শুনে যারপরনাই খুশি হইছে।
আমি যখন আমার লেখা সম্পাদনা করি তখন আপনার কথা মনে পড়ে।

৯| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৪৩

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: পাটের কচি পাতা তো খাইছি, তয় নাম বদলাইয়া বলেন ক্যান হাক ভাই?

২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:০১

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: আমার অঞ্চলে নাইল্লা শাক ডাকেন, শব্দকোষে নালিতা, তাই ভাবলাম উপন্যাসে যোগ দিলে অন্তত পাটের দাম কমলেও শাকের দাম বাড়বে, কী কন?

১০| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৩

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: নাইল্লা কইলে তো আমি এক নামেই চিনে নিতাম, নাইল্লারে যাতে উঠাইতে গিয়া তো আমার ডিকশনারি ফেল মাইরা গেছেগা

২১ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:৫৩

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: হায়রে কপাল

১১| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:২৬

নেওয়াজ আলি বলেছেন: ভালো লাগলো খুব

২১ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:৫৩

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা

১২| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: রাজীব ভাই, আমি সকল বই আমাজনে প্রকাশ করেছি, আমার সাইটে ই বই আছে।

মন্তব্যে লিংক দিতে পারিছিনা কেন জানিনা, তিন বার চেষ্টা করেও বিফল হয়েছি।

ওকে খুজে নিব।

২১ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:৫৪

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: https://bookorebook.com

২১ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:৫৪

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: আমার সাইটের লিংক দিলাম

১৩| ২১ শে জানুয়ারি, ২০২০ ভোর ৬:২৩

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: পড়লাম। ভালোই লাগছে। কিন্তু লেখাগুলো বড় কঠিন মনে হচ্ছে। ভাবাভাবির ব্যাপার আছে। কাগুজে বই হলে পড়ে আরাম পাওয়া যেত।

২১ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:৫৭

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: দেশে প্রকাশ করার চিন্তা বাদ দিয়েছি। আমাজনে আছে তবে তা দেশের জন্য আনেক দাম পড়বে। ইবই আছে, চাইলে আমার সাইট থেকে নামাতে পাড়বেন। পড়ে মন্তব্য করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।

১৪| ২১ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৪০

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: আপনার প্রকাশিত একটা দাঁতভাঙ্গা বই আমার কাছে আছে। কিন্তু আমার ভাগ্নি কয় এই বই পড়ে সে নাকি ব্যপক ভাইটামিন পাইছে।

২১ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:১৫

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: আম্মাজান নিশ্চয় বাংলাকে ভালোবাসেন?

আমার বইয়ে আর কিছু না থাকলেও বাংলা শব্দ আছে ;)

১৫| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:৪৪

নিভৃতা বলেছেন: প্রথম পর্ব পড়লাম। বাব্বাহ! কী কঠিন ভাষা! দাঁত ব্যথা হয়ে গেলো যে। মনে হচ্ছিল বঙ্কিম পড়ছি যেন। কিন্তু ভালো লেগেছে খুব। একটু অন্যরকম। অনেক অনেক শুভকামনা রইল।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১:৪৩

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা। আসলে আমি চলিত বাংলায় লিখতে চেয়ে ব্যর্থ হয়েছি। শব্দের প্রতিশব্দ আছে, এবং সকলের ভাষার অভিধান আছে।

আমরা অভিধান এবং শব্দকোষ ব্যবহার করি না। অনেকে মনে করে আমি অন্যগ্রহ থেকে এসেছি।

১৬| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৪৭

নিভৃতা বলেছেন: আপনি ভীষণ ভালো লিখেন। আর আপনার শব্দ ভাণ্ডার সমৃদ্ধ। সবাই তো একই রকম লেখে। অন্যরকম লিখতে পারাটা সহজ কম্ম না।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:৫৬

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: আপনি সাধিকা, বিধায় সাধনার কদর জানেন। আপনার সফলতা কামনা করি।

১৭| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:২২

আহমেদ জী এস বলেছেন: মোহাম্মাদ আব্দুলহাক,




উপন্যাসের শুরুটা যে ঢংয়ে ও ভাষায় করেছিলেন সেটা বজায় থাকেনি শেষের দিকে।

নীল আকাশতার মন্তব্যের ১নম্বরে অনেকটা ঠিকই বলেছেন। ভেবে দেখবেন। সহজ সরলীয়া ভাষায় উপন্যাস হলে তা পাঠকের নজর ও মনযোগ কাড়ে।

অনেক পর্বে লেখা। যাবো ধীরে ধীরে।
শুভেচ্ছান্তে।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ২:৫৭

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: আপনি ঠিক ধরেছেন, আমি আসলে সংলাপের সাথে কাজ করেছি। পরে আরবার রিরাইট করব। সহজ সরল অবশ্য করতে পারব না কারণ বাংলা শব্দের দুই আদল সরল এবং গরল।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.