নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সত্যই সুন্দর

আমি সত্য জানতে চাই

কোবিদ

আমি লেখালেখি করি

কোবিদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বাংলাদেশের ১০টি সেরা বহুজাতিক কোম্পানি

১৩ ই মে, ২০১২ সকাল ৯:৪৭



বহুজাতিক কোম্পানি : বাংলাদেশে সেরা ১০ নব্বইয়ের দশক বা তার কিছুটা আগ থেকে সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতিমালায় পরিবর্তন আনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে শুরু হয় বহুজাতিক কোম্পানির বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগ। সে ধারাবাহিকতায় এ দেশের বাজার এখন বিনিয়োগের উপযুক্ত স্থান। প্রায় ১৬ কোটি মানুষের দেশে বিশ্বের নামকরা প্রতিষ্ঠানগুলো ছুটে আসছে ব্যবসা করতে। যদিও স্বাধীনতার আগ থেকেই এ দেশে ছিল বহুজাতিকের উপস্থিতি।

বাংলাদেশে এ মুহূর্তে বিভিন্ন খাতে ব্যবসা পরিচালনা করছে শতাধিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান। এদের মধ্যে ১০ খাতের সেরা ১০ বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত। সেরা কোম্পানিগুলো নির্বাচন করতে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলোর আন্তর্জাতিক অবস্থান, ব্র্যান্ড ভ্যালু, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ইত্যাদি বিষয়।



এ দেশে টেলিকম খাতে ব্যবসা পরিচালনাকারী অধিকাংশ কোম্পানিই বহুজাতিক। আর গ্রাহকসংখ্যা ও ব্র্যান্ড ভ্যালু বিবেচনায় গ্রামীণফোন শীর্ষে। ১৯৯৭ সালে জিএসএম প্রযুক্তি নিয়ে এ দেশে যাত্রা করে তারা। এখন তাদের গ্রাহকসংখ্যা ৩ কোটি ৭৬ লাখেরও বেশি।

নরওয়ের টেলিকম জায়ান্ট টেলিনরের সাবসিডিয়ারি হচ্ছে গ্রামীণফোন। বর্তমানে গ্রামীণফোনে তাদের শেয়ার ৫৫ দশমিক ৮ শতাংশ। ৩৪ দশমিক ২ শতাংশ শেয়ারের মালিক গ্রামীণ ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ টেলিকম করপোরেশনের। বাকি ১০ শতাংশ শেয়ারের মালিক ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী।

টেলিকম খাতে অন্য প্রতিযোগীদের তুলনায় বেশ এগিয়ে গ্রামীণফোন। গ্রাহকসংখ্যা, লভ্যাংশ ও ব্র্যান্ড আনুগত্য— সবমিলিয়ে এ খাতের নেতৃত্বদানকারী প্রতিষ্ঠান তারা।

গ্রামীণফোনে সরাসরি প্রায় ৫ হাজার মানুষ কাজ করছে। পরোক্ষভাবে প্রায় ২ লাখ মানুষ প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে জড়িত। কোম্পানিটি এ খাতে এ পর্যন্ত ১৭ হাজারেরও বেশি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। বর্তমানে তাদের বার্ষিক টার্নওভার ৮ হাজার ৯০৬ কোটি টাকা।



প্রযুক্তি খাতে চীনা কোম্পানি হুয়াউয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৮ সালে। মাত্র দেড় দশকে প্রতিষ্ঠানটি এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম টেলিকম প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। ধারণা করা হচ্ছে আগামী বছরের মধ্যে এ খাতের শীর্ষ কোম্পানি এরিকসনকে ছাড়িয়ে যাবে তারা।হুয়াউয়ে বাংলাদেশে আসে ১৯৯৮ সালে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির কর্মীসংখ্যা ৯০০-এর বেশি। বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরুর আগে দেশের পুরো টেলিকম খাত ছিল এরিকসনের নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু মাত্র এক দশকের মধ্যে এরিকসনকে হটিয়ে এ বাজারের নিয়ন্ত্রণ নেয় তারা। হুয়াউয়ের গণসংযোগ বিভাগের পরিচালক ইউসুফ ইয়াং জানান, টেলিযোগাযোগ খাতে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার বিনিয়োগ করে হুয়াউয়ে। সব বিভাগীয় শহরে হুয়াউয়ের অফিস আছে। এ মুহূর্তে গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি, টেলিটকসহ বাংলাদেশের প্রায় সব সেলফোন ও ফিক্সড ফোন, গেটওয়ে প্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তি সরবরাহ করছে হুয়াউয়ে। দামে সস্তা এবং দক্ষ প্রযুক্তিই তাদের শীর্ষে এনেছে বলে জানিয়েছেন ইউসুফ ইয়াং।



বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নেসলে। বাংলাদেশের কয়েক প্রজন্ম এ প্রতিষ্ঠানের খাদ্যপণ্য খেয়ে বেড়ে উঠেছে। ১৯৯৪ সালে সর্বপ্রথম নেসলে বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে উত্পাদন শুরু করে। ১৯৯৮ সালে স্থানীয় অংশীদারের ৪০ শতাংশ শেয়ার কেনার মাধ্যমে নেসলে বাংলাদেশ লিমিটেডের পূর্ণ মালিকানা নেয় নেসলে এস এ।

ঢাকার ৫৫ কিলোমিটার উত্তরে শ্রীপুরে নেসলের নিজস্ব কারখানায় উত্পাদিত হচ্ছে ইনস্ট্যান্ট নুডুলস, সুপ, কর্নফ্লেক্স, গুঁড়ো দুধ, পানীয় ও বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য। পাশাপাশি নেসলের পণ্য অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করেও এ দেশে বাজারজাত করে প্রতিষ্ঠানটি।



বাংলাদেশে ইউনিলিভারের উপস্থিতি পাকিস্তান আমল থেকে। কয়েক বছর আগ পর্যন্তও চট্টগ্রাম থেকেই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল প্রতিষ্ঠানটি। পণ্যবৈচিত্র্যে ইউনিলিভারের কাছাকাছি নেই বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী কোনো বহুজাতিক। কসমেটিকস, টয়লেট্রিজ ও খাদ্যপণ্যের বিশাল সম্ভারে দেশের ঘরে ঘরে ব্যবহূত হয় তাদের কোনো না কোনো পণ্য। প্রবাদ আছে, ‘একজন মানুষ ঘুম থেকে উঠে ঘুমোতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত কোনো না কোনো সময় ইউনিলিভারের পণ্য ব্যবহার করে।’ বাস্তবতাও তাই। এ দেশে প্রতিষ্ঠানটির সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের নাম লাক্স। আছে লাইফবয়, হুইল, ক্লোজআপ, পেপসোডেন্ট, ফেয়ার অ্যান্ড লাভলী, সানসিল্কসহ নানা পণ্য।

এ দেশে ইউনিলিভার বাংলাদেশের শেয়ার ৬০ দশমিক ৭৫ শতাংশ এবং বাকি ৩৯ দশমিক ২৫ শতাংশ মালিকানা সরকারের। চট্টগ্রামে আছে ইউনিলিভারের সাবান তৈরির কারখানা, পাশেই চা প্যাকেজিং কারখানা। এ ছাড়া ঢাকায় রয়েছে তিনটি ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিট, যেগুলো ইউনিলিভারের হয়ে তৃতীয় পক্ষ পরিচালনা করে।

প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ইউনিলিভারে যুক্ত আছে ১০ হাজারের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী, যার প্রায় শতভাগই বাংলাদেশী। পাশাপাশি প্রায় সমসংখ্যক বাংলাদেশী কর্মকর্তা-কর্মচারী ইউনিলিভারে কর্মরত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।



বাটা শুধু বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানই না, মহান মুক্তিযুদ্ধেও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা। একাত্তরে মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল বাটার জুতা কারখানা। স্বীকৃতি হিসেবে তখনকার বাটা ব্যবস্থাপক উইলিয়াম ওডারল্যান্ড বীর প্রতীকে ভূষিত হন।

প্রায় পাঁচ দশক ধরে টেকসহ ও নির্ভরযোগ্যতার প্রতীক হিসেবে বাটা টিকে আছে নগর-শহর-গ্রামাঞ্চলে। পাকিস্তান আমলে ইপসির (ইস্ট পাকিস্তান সু ইন্ডাস্ট্রি) মতো ছোটোবড় বেশ কয়েকটি জুতা তৈরির কারখানার পাশাপাশি বহুজাতিক এ প্রতিষ্ঠান ১৯৬২ সালে বাংলাদেশে প্রথম শোরুম করে। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সাল থেকে বাটা নতুন করে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে টঙ্গী ও ধামরাইয়ে তাদের দুটি কারখানা রয়েছে, যেখানে প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার জোড়া জুতা তৈরি হয়। পাশাপাশি অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন নিজস্ব ট্যানারি রয়েছে বাটার। বছরে এখানে ৫০ লাখ বর্গফুট চামড়া প্রক্রিয়াজাত হয়।

বর্তমানে সারা দেশে বাটার খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা ২৫০টি। শুধু এখানেই নিয়োজিত আছে প্রায় ১৫০০ মানুষ। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (৯ মাসে) প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক আয়ের পরিমাণ (টার্নওভার) ছিল ৪৮৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। আর ২০১০ সালে ছিল ৫৬৬ কোটি টাকা।



বাংলাদেশে ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। দেশ ভাগের পর তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তান বা আজকের বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটি তাদের কার্যক্রম শুরু করে ১৯৪৮ সালে, চট্টগ্রামে শাখা স্থাপনের মাধ্যমে। নতুন নতুন ব্যাংকিং সেবা প্রচলনের মাধ্যমে সবসময় এ দেশে ব্যাংকিং খাতকে সমৃদ্ধ করে চলেছে এসসিবি। সেই সঙ্গে এ দেশে অন্যান্য বিদেশী ব্যাংকও অধিগ্রহণ করে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে।

বর্তমানে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ২৬টি ব্রাঞ্চ ও ৫৭টি এটিএম বুথের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে। এটিএম সেবা, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ডের মতো সেবার প্রবর্তন করে এ দেশের ব্যাংকিং খাতের পথিকৃত্সম তারা। প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে নিযুক্ত আছে প্রায় ১৩০০ কর্মী।

এসসিবির হেড অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স বিটপী দাস চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বণিক বার্তাকে বলেন, ‘১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে আছি আমরা এবং কখনো ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ করিনি। গ্রাহকদের আর্থিক প্রয়োজনগুলোই আমাদের কাছে গুরুত্ব পায় এবং সে ক্ষেত্রে আমরা চেষ্টা করি সবচেয়ে ভালো সমাধানটি দিতে। ব্যাংকিংয়ের মৌলিক পরিচালন পদ্ধতি এবং গ্রাহকের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমেই আমরা শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখতে পারছি।’



তামাকজাত পণ্য উত্পাদনে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো (বিএটি)। ১৯৪৯ সালে এ বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করে। কয়েক বছর আগ পর্যন্তও দেশের সবচেয়ে বড় অঙ্কের কর প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ছিল তারা।

বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে প্রায় ১ হাজার ১৮৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। এ ছাড়া কৃষক পর্যায়ে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ বিএটির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। পাশাপাশি প্রায় ৯০ হাজার খুচরা ব্যবসায়ী ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর সঙ্গে কাজ করে। বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানটির নেট টার্নওভার ২ হাজার ৩২৭ কোটি টাকারও বেশি।



প্রকৌশল খাতের পরিচিত নাম সিঙ্গার বাংলাদেশ। শুধু সেলাই মেশিন দিয়েই এ দেশের ভোক্তার কাছে পরিচিতি লাভ করে। বিংশ শতাব্দীর বিশের দশকে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি, শোরুম খোলে ঢাকা ও চট্টগ্রামে। দেশ বিভাগের পর সিঙ্গার পাকিস্তান নামে ব্যবসা পরিচালনা করতে থাকে আর স্বাধীনতার পর নাম হয় ‘সিঙ্গার বাংলাদেশ’।

১৯৮৩ সালে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) তালিকাভুক্ত হয়। সে সময় ২০ শতাংশ শেয়ার বাজারে ছাড়ে তারা। এরপর ২০০১ সালে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে সিঙ্গারে কাজ করছে ৯২৬ জন কর্মী। প্রতিষ্ঠানটির ২০১১ সালে টার্নওভারের পরিমাণ ৫৪৬ কোটি টাকারও বেশি। সিঙ্গার ফ্যান, রেফ্রিজারেটর, ওভেন, মোটরসাইকেল, সেলাই মেশিন, ওয়াশিং মেশিনসহ প্রকৌশল ও ইলেকট্রনিক্স খাতের বিভিন্ন পণ্য তৈরি করে। ২০১০ সালে বেক্সিমকো হোল্ডিংস ও বোরাক রিয়েলস্টেটসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এবং কয়েকজন ব্যক্তির কাছে কোম্পানিটি ৫৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির চুক্তি করে। তবে ২০১১ সালে ১৩ মার্চের পর কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ আবার তা বাতিল করে দেয়।



বিশ্ব বাংলাদেশকে চেনে তৈরি পোশাক দিয়ে। বিশ্বের নামকরা অনেক প্রতিষ্ঠান বা ব্র্যান্ড বাংলাদেশে কাজ করলেও এ খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানটির নাম ইয়াংওয়ান। ১৯৮১ সালে চট্টগ্রামে কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। ঢাকায় কারখানা স্থাপিত হয় ১৯৯১ সালে। প্রতিষ্ঠানটির বর্তমানে ২৫টি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে ২০টি ও ঢাকায় পাঁচটি। মাত্র ২৫০ জন কর্মী দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ৪৮ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে ২০ হাজার ও ঢাকায় ৮ হাজার কর্মী কাজ করছেন।

২০১০ সালে ইয়াংওয়ানের বার্ষিক লেনদেন বা টার্নওভার ৪৩ কোটি ডলার (প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা) হলেও পরবর্তী তিন বছরের মধ্যেই তা ৮০ কোটি ডলারে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে তাদের। প্রতিষ্ঠানটি তৈরি পোশাক, তৈরি পোশাকের অনুষঙ্গ, চামড়াজাত পণ্য, পাদুকাশিল্প ও প্লাস্টিকশিল্পে বিনিয়োগ করেছে। এর মধ্যে ইয়াংওয়ান লিমিটেডে এ বিনিয়োগের পরিমাণ ১ কোটি ২৭ লাখ ডলার। ইয়াংওয়ান হাই-টেক স্পোর্টসওয়্যারে ২ কোটি ১০ লাখ ডলার, ইয়াংওয়ান প্যাডিংয়ে ৮৭ লাখ ৫৩ হাজার, ইয়াংওয়ান গার্মেন্ট অ্যাক্সেসরিজে ৫৬ হাজার ৬১ লাখ, ইয়াংওয়ান স্পোর্টসওয়্যার লিমিটেডে ১ কোটি ৬ লাখ ও ইয়াংওয়ান স্পোর্টস সুজে ১ কোটি ৩১ লাখ ডলার বিনিয়োগ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। বিনিয়োগ রয়েছে ইয়াংওয়ান সুজ অ্যাক্সেসরিজে ও ইয়াংওয়ান সিনথেটিক ফাইবার প্রোডাক্টসে।



পাকিস্তান আমলে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে বেশ কয়েকটি বহুজাতিক কোম্পানি এ দেশে কাজ করলেও স্বাধীনতার পর জাতীয়করণের মাধ্যমে তাদের অস্তিত্বের বিলুপ্তি ঘটে। আশির দশকে এ খাতে আবার শুরু হয় বহুজাতিকের উপস্থিতি। আমেরিকান কোম্পানি ইউনিকলের কাছ থেকে জালালাবাদ ও মৌলভীবাজার গ্যাস ফিল্ডের দায়িত্ব নিয়ে শেভরন দেশের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ শুরু করে। বর্তমানে দেশের মোট চাহিদার ৫০ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ করছে প্রতিষ্ঠানটি। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৭ নম্বর ব্লকে এখন তেল-গ্যাস অনুসন্ধান করছে তারা। পাশাপাশি দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের উন্নয়নের কাজও করছে তারা। বর্তমানে শেভরনে কাজ করছে প্রায় ২ হাজার ৩০০ কর্মী।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.