নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমিই

আমি ভাই সহজসরল মানুষ , যা বলার সহজে বলে ফেলেন। অযথা পেচাবেন না দয়া করে। আর মুক্তচিন্তা নিয়ে অ্যালার্জি থাকলে দয়া করে দূরে থাকবেন।

হুমায়ূন লিটন

অনেক খুঁজেছি আমি। বিনিময়ে কি পেয়েছি তা ভাবতে ভাবতে অনেকটা সময় পার করে দিচ্ছি। অনেক খুঁজেও যা কক্ষনো খুঁজে পায়নি তা পেয়েছিলাম না খুঁজেই। কিন্তু কক্ষনো বুঝিনি আমি খুঁজে পেয়েছি। কিন্তু তখনই খুঁজে পেয়েছি যখন বুঝেছি খুঁজে পেলেও কোন লাভ নেই। কারণ সেটা ইতিমধ্যে ধরাছোঁয়ার বাইরে। জানি কোন দিন আর পাব না । এরপরও খুঁজে ফিরছি। যেমন সবাই খুঁজে ফিরছে চাঁদকে । কিন্তু সে কি আর ধরা দিবে! কিন্তু তাই বলে তো আর সবাই বসে থাকে না! মা পরম যত্নে তার আদরের সন্তানকে চাঁদ এনে দিচ্ছে! পাগল প্রেমিক তার প্রেয়সীকে কল্পনার চাঁদ এনে দিচ্ছে তার হাতে! কিংবা তার কপালে চাঁদের টিপ পড়িয়ে দিচ্ছে! কিংবা চাঁদের আলোয় চাঁদকে সাক্ষী রেখে তার ঠোঁটে একে দিচ্ছে ভালোবাসার চিহ্ন। কিংবা প্রেয়সী চাঁদের আলোতে বসে বসে তার ভালোবাসার মানুষটির জন্য পরম যত্নে তৈরি করছে তার ভালোবাসার স্মারক-রূমাল। হয়তোবা সে তার ভালোবাসার মানুষটির সাথে গভীর অথচ কাল্পনিক ভালোবাসায় মগ্ন জানালার পাশে দাড়িয়ে কিংবা নিস্তব্ধ কিন্তু গভীর চন্দ্রালোকিত ছাঁদে। না হয় আমি মা হলাম। আমার কাল্পনিক সন্তানের সাথে সাথে আমিও খুঁজে পেলাম আমার খুঁজে-না-পাওয়া কে। আমি যদি প্রেমিক হয়ে আমার খুঁজে-না-পাওয়া কে আমার অশরীরী প্রেয়সীর হাতে তুলে দেই তাতে তো কোন দোষ দেখিনা। কিংবা চন্দ্রালোকিত জানালার পাশে বসা প্রেমিকা হয়ে না হয় কিছু সময় অলীক প্রেমালাপে মত্ত থাকলাম। তাতে তো ভুল কিছু নাই।

হুমায়ূন লিটন › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমার দুর্ভাগ্য ও আমার শিক্ষকগণ

২৯ শে নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:১১

পঞ্চম পর্বের মানোন্নয়ন পরীক্ষার ফলাফল পেলাম গতকাল। ফলাফল পেয়েই আশ্চর্য হলাম। নম্বরপ্রাপ্তির পরিমাণ খুবই কম। ৬০ নম্বরের মধ্যে আমার ভাগ্যে জুটেছে মাত্র ৩২.৭৫ পরীক্ষা কিন্তু খারাপ দেইনি। বরং ভালোই দিয়েছি। ৪০ পাওয়ার আশা ছিল। ভাবলাম খাতা পুনরায় মূল্যায়নের আবেদন জানালাম। কিন্তু জেনে আরও অবাক হলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নাকি খাতা পুনরায় মুল্যায়নের সুযোগ নাই কারণ খাতা দুই জন পরীক্ষক দেখে থাকেন। কিন্তু সবচেয়ে বেশি অবাক হলাম এটা জেনে যে সম্মানিত পরীক্ষকগণ মানোন্নয়নের আশায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের খাতা একটু অন্য দৃষ্টিতে দেখেন! দুই ধরণের মানুষ মানোন্নয়ন পরীক্ষা দিয়ে থাকেন। কেউ অসুস্থতার জন্য- আর কেউ অন্য কোন কারনে পরীক্ষা খারাপ হয়ে থাকলে সেই ক্ষতিটা পুষিয়ে নেয়ার জন্য। দ্বিতীয় পক্ষের জন্য হয়ত ওতটা কষ্টের হবে না কিন্তু প্রথম পক্ষের জন্য এটা মেনে নেয়া যথেষ্ট কষ্টের এবং দুঃখের যে তাঁর খাতাটা যথাযথভাবে মুল্যায়ন করা হচ্ছেনা। তাঁকে শিক্ষক নামের অল্প কিছু বুদ্ধিবেশ্যার শিকারে পরিণত হতে হচ্ছে। অথচ সে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব নিয়ম মেনে পরীক্ষার ফি দিয়ে, পরীক্ষকের খাতা দেখার ফি দিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছেন। কিন্তু তারপরও তাঁর সাথে এই বেঈমানি করছেন কিছু শিক্ষক। তাঁরা এটা না নিলেই পারতেন! শুধু শুধু পরীক্ষা নিয়ে এই ধরণের প্রতারণা করার কোন অর্থ হয়না। জানি না এটা শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগেই হচ্ছে কিনা! শুধু তাই হলে আমি খুবই দুর্ভাগা। কারণ আমার আরও যে মানোন্নয়নের পাহাড় পড়ে আছে সামনে। সেগুলোর সম্মুখীন হব কিনা জানিনা। বড় ভয় হচ্ছে। আমি অবশ্য মেনে নিয়েছি সব কিছুই। যেমন মেনে নিতে হয় যুদ্ধাহত সৈনিককে।

আমার জন্য ইংরেজি বিভাগে এটা নতুন কিছু নয়। এর চেয়ে বড় বাঁশ বিভাগ আমাকে দিয়ে রেখেছে অনেক আগেই। আমি ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় ব্যাচের ছাত্র ছিলাম। কিন্তু সমস্যার কারণে আমি সহ আমার কিছু বন্ধুর পরীক্ষা দেয়া হয়না। বিশ্ববিদ্যালয়ের অদ্ভুত নিয়মকানুন, বিভাগের মহামান্য শিক্ষকদের সেই অদ্ভুত সিস্টেম সম্পর্কে অদ্ভুত অজ্ঞতা, আর আমাদের নিরীহতা আমাদের জীবন থেকে কেড়ে নিয়েছে দুইটা বছর। বিভাগ ইচ্ছা করলে এটা এড়াতে পারত। আমাদের জীবন থেকে কিছুটা সময় কম নষ্ট হত। অবশ্য এটা শুধু আমাদের ক্ষেত্রেই ঘটেনি। আমাদের আগেও ঘটেছিল। কিন্তু তাঁদের পরিণতি এতটা করুণ ছিল না। তাঁদেরকে বিভাগ থেকে কিছুটা লঘু দণ্ড দেয়া হয়েছিল- ১ বছর। আর আমাদের বিভাগ গুরু দণ্ডই দিয়েছিল-দুই বছর শিক্ষা বিরতি দিয়ে চতুর্থ ব্যাচে ভর্তি হয়েছিলাম। তাই মানোন্নয়ন পরীক্ষায় কিছু শিক্ষকদের এই কম নম্বর দেয়াটা আর কষ্টের মনে হয়না আমার কাছে। যেখানে শিক্ষকদের অজ্ঞতা দুই বছর নষ্ট করতে পারে সেখানে পরীক্ষার খাতায় ১০ নম্বর কম দেয়াটা কোন ব্যাপার না। জয়তু আমার ইংরেজি বিভাগ।



আমার কোন বর্ষে পড়ি এটা নিয়ে অনেক মিথ্যা বলতে হয়েছে অনেক বন্ধু-বান্ধবি, পরিবার, হলের বড় ভাই-ছোট ভাই, আত্মীয়স্বজন,শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে। এজন্য আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। আমি কেন একা একা একটা মিথ্যার ভার বহন করব যার দায় সম্পূর্ণ আমার না! এই দায় যতটুকু আমার ততটুকু আমার শিক্ষকদের, আমার বিভাগের। আজ থেকে আমার কোন দায় নেই, নেই কোন অভিযোগ। সবাই আমাকে ক্ষমা করবেন।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:১৫

রানার ব্লগ বলেছেন: :( :( :( :(

২| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৩ রাত ৮:০৪

কালীদাস বলেছেন: পঞ্চম পর্ব মানে কি ফিফথ সেমিস্টার??
এক্সামের খাতা যখন আসে আমাদের কাছে, রোল দিয়ে বুঝা টাফ কে ইমপ্রুভমেন্টে এসেছে। আর দুইজন এক্সামিনারই মার্কস কম দেবে কেন? থার্ড এক্সামিনের সিস্টেম আছেই এই প্রবলেম সলভ করার জন্য।
বাইদ্যাওয়ে, ডিপার্টমেন্টের মেন্টালিটি যদি হয় মার্কস না দেয়ার তাহলে কাউকেই দেয় না, সেটা ইমপ্রুভমেন্টের জন্য কম হওয়ার কথা না আলাদা করে। :(

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৪:২৭

হুমায়ূন লিটন বলেছেন: ধন্যবাদ।

হ্যাঁ, পঞ্চম পর্ব মানে ফিফথ সেমিস্টার।

কিন্তু রোল নম্বর দিয়ে স্পষ্ট বোঝা যায় কোনটা মানোন্নয়ন এর খাতা। উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি আমাদের কলা ভবন এর কথা। এখানে যারা মানোন্নয়ন পরীক্ষা দেয়, তাদের রোল নম্বর থাকে পাঁচ ডিজিট এর। কিন্তু যারা নিয়মিত পরীক্ষার্থী তাদের রোল নম্বর তিন ডিজিট এর। যেমন আমার নিয়মিত রোল নম্বর কলাভবন ৬৪৫ কিন্তু যখন মানোন্নয়ন পরীক্ষা দেই তখন আমার রোল নম্বর হয় কলা ভবন ১০৮০১ , এজন্য রোল নম্বর থেকেই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে মানোন্নয়ন এর বিষয়টা।

তারপর ধরুন থার্ড এক্সামিনার এর বিষয়টা। থার্ড এক্সামিনারকে দিয়ে খাতা দেখানো হয় দুই জন পরীক্ষকের দেয়া নম্বরের ব্যবধান ২০ কিংবা তার বেশি হলে যেটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের রেজাল্ট প্রদানের ক্ষেত্রে ৪ টা গ্রেড এর সমান যা আমার মতে খুবই অযৌক্তিক। তাছাড়া লক্ষ পরীক্ষার্থী বিশিষ্ট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় যেখানে খাতা পুন্রমুল্যায়নের সুযোগ আছে সেখানে মাত্র কয়েক হাজার ছাত্রদের পরীক্ষায় সে সুযোগ না থাকার কোন কারণ দেখি না।
আর , হ্যাঁ। আমাদের বিভাগের বেশীরভাগ শিক্ষকই অপ্রয়োজনীয় কড়াকড়ি আরোপ করেন যা অন্য বিভাগেও নেই।
ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.