| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হুমায়ূন লিটন
অনেক খুঁজেছি আমি। বিনিময়ে কি পেয়েছি তা ভাবতে ভাবতে অনেকটা সময় পার করে দিচ্ছি। অনেক খুঁজেও যা কক্ষনো খুঁজে পায়নি তা পেয়েছিলাম না খুঁজেই। কিন্তু কক্ষনো বুঝিনি আমি খুঁজে পেয়েছি। কিন্তু তখনই খুঁজে পেয়েছি যখন বুঝেছি খুঁজে পেলেও কোন লাভ নেই। কারণ সেটা ইতিমধ্যে ধরাছোঁয়ার বাইরে। জানি কোন দিন আর পাব না । এরপরও খুঁজে ফিরছি। যেমন সবাই খুঁজে ফিরছে চাঁদকে । কিন্তু সে কি আর ধরা দিবে! কিন্তু তাই বলে তো আর সবাই বসে থাকে না! মা পরম যত্নে তার আদরের সন্তানকে চাঁদ এনে দিচ্ছে! পাগল প্রেমিক তার প্রেয়সীকে কল্পনার চাঁদ এনে দিচ্ছে তার হাতে! কিংবা তার কপালে চাঁদের টিপ পড়িয়ে দিচ্ছে! কিংবা চাঁদের আলোয় চাঁদকে সাক্ষী রেখে তার ঠোঁটে একে দিচ্ছে ভালোবাসার চিহ্ন। কিংবা প্রেয়সী চাঁদের আলোতে বসে বসে তার ভালোবাসার মানুষটির জন্য পরম যত্নে তৈরি করছে তার ভালোবাসার স্মারক-রূমাল। হয়তোবা সে তার ভালোবাসার মানুষটির সাথে গভীর অথচ কাল্পনিক ভালোবাসায় মগ্ন জানালার পাশে দাড়িয়ে কিংবা নিস্তব্ধ কিন্তু গভীর চন্দ্রালোকিত ছাঁদে। না হয় আমি মা হলাম। আমার কাল্পনিক সন্তানের সাথে সাথে আমিও খুঁজে পেলাম আমার খুঁজে-না-পাওয়া কে। আমি যদি প্রেমিক হয়ে আমার খুঁজে-না-পাওয়া কে আমার অশরীরী প্রেয়সীর হাতে তুলে দেই তাতে তো কোন দোষ দেখিনা। কিংবা চন্দ্রালোকিত জানালার পাশে বসা প্রেমিকা হয়ে না হয় কিছু সময় অলীক প্রেমালাপে মত্ত থাকলাম। তাতে তো ভুল কিছু নাই।
এটা সান অফ আ বিচ আলী আব্বাস জাফরের ফেচবুক একাউন্টঃ https://www.facebook.com/ali.a.zafar.5?fref=ts চলুন কুত্তার বাচ্চাকে রিপোর্ট করে ওর একাউন্ট অকেজো করে দেই.
দয়া করে ক্ষমা করবেন গালাগালি ব্যবহার করার জন্য।
১২ ই মার্চ, ২০১৪ ভোর ৬:০৪
হুমায়ূন লিটন বলেছেন: দাদা, এটা আপনার ভুল ধারণা। আমরা ভারতের অবদান অবশ্যই স্বীকার করি। আর ভারত তাঁর স্বার্থেই বাংলাদেশকে স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহায্য করেছিল। ভারতের দুই পাশে ফাকিস্তানের( পাকিস্তানের) দুই অংশ থাকলে ভারতেরই সমস্যা। এজন্য দেরীতে হলেও ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেছিল। কিন্তু এর মানে এই নয় যে ভারতের কোন অবদান নেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে। বরং যথেষ্ট অবদান আছে। ভারতের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহনের কারনেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন অনেক তাড়াতাড়ি হয়েছে। ভারতের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ না থাকলে হয়ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা অরজনের জন্য আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হত। আর প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের আগে কয়েক লক্ষ বাংলাদেশিদেরকে ভারত যে আশ্রয় গ্রহণ করেছিল সেটাও ছিল খুবই ইতিবাচক। এজন্য আমরা অবশ্যই ভারতের কাছে কৃতজ্ঞ। এবং এই কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে আমাদের কোন দ্বিধা নাই। পাকিস্তানপন্থী একটি সাম্প্রদায়িক দল বাদে সকল বাংলাদেশই ভারতের অবদান স্বীকার করে বলেই আমার বিশ্বাস।
কিন্তু আলী আব্বাস জাফরের ছায়াছবিতে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছে যেটা কোন দেশপ্রেমিক ব্যক্তিই মেনে নিতে পারেন না তা যে দেশেরই হোন না কেন। যেমন উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি ভারত-পাকিস্তান খেলার সময় কিছু কাশ্মীরি ছাত্রকে বহিষ্কার করার ঘটনায়। ভারতীয় হওয়ার পরও স্বাধীনতার ও সার্বভৌমত্বের ক্ষুদ্র আশঙ্কা থাকার কারণে তাঁদেরকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আর একটি দেশের ইতিহাস বিকৃতি অবশ্যই এর চেয়ে অনেক বড় একটা বিষয়।
আর সবচেয়ে বড় কথা, আমার এই ছোট্ট পোস্টটিতে ভারত বিরোধিতার কি খুঁজে পেলেন আমার বোধগম্য নয়। ভারতের কথাই আমি বলিনি। ভারত-বিরোধিতা তো অনেক দূরের বিষয়। আমি শুধু ভারতের একজন নাগরিক( যিনি আমার দৃষ্টিতে অপরাধী) কে শূয়রের বাচ্চা বলে গালি দিয়েছি। আর এক কুলাঙ্গার ভারতীয়কে গালি দেয়াকে যদি ভারতবিরোধিতা মনে করেন তাহলে তো আমার কিছু করার নাই। আশা করি বুঝতে পেড়েছেন।
২|
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১১:৫০
rakibmbstu বলেছেন: @সর্বহাটের কাটালিকলা : দাদা কলকাতার কোথায় থাকেন?
৩|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ৩:৩০
কামরুল ইসলাম রুবেল বলেছেন: সর্বহাটের কাটালিকলা ওরে হারামি আমরা আজ স্বাধীন না হলে তোমাদের দেশ আর ভুটানের মধ্যে কোন পার্থক্য থাকত না?
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১০:১৪
সর্বহাটের কাটালিকলা বলেছেন: ভারতের ২০হাজার সৈন্যের রক্ত যখন তোমাদের স্বাধীনতার আনতে খুইয়েছিল,তার মূল্য তোমরা কতটা দিয়েছ।বরঞ্চ আজ ভারতের কৃতঞ্জতা তো দূর,আজ সেই ভারত বিরোধী বাংলাদেশীদের আওয়াজে কান পাতা দায়।