| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি যথেষ্ট সম্মান রেখে বলছিঃ
মুক্তিযুদ্ধে বাবার বয়স ছিল ১০ আর দাদা ছিলেন ৬০,তারা মুক্তিযুদ্ধে যাননি...এই কি মোর আপরাধ । এই অপরাধের কারনেই আজ আমার চেয়ে খারাপ রেসাল্ট করেও আমার বন্ধু ভাল স্কুল, কলেজ ,এমনকি মেডিকেল চান্স পেয়ে গেল কারন তার জন্য আছে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ।কোটা পদ্ধতি তাদের জন্য যারা সুবিধাবঞ্ছিত ,পশ্চাতপদ যেমন: প্রতিবন্ধী,উপজাতি কিংবা আদিবাসী । আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা অসহায় নাকি প্রতিবন্ধী,এই কোটা পদ্ধতির মাধ্যমে আমরা কি মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবন্ধী, সুবিধাবঞ্ছিত ,পশ্চাতপদের দলে ফেলে দিচ্ছিনা ,এতে কি তাদের সম্মান বাড়ছে ।বরং নতুন প্রজন্ম তাদের সুবিধাবাদী
হিসেবে চিনছে ,পূর্বে মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের সন্তান দের জন্য কোটা থাকলেও
এখন তা নাতিনাতনি পর্যন্ত বারানো হয়েছে।শুধু শিক্ষাক্ষেত্রে না চাকরিক্ষেত্রেও এই কোটা রয়েছে যারা শিক্ষাক্ষেত্রে কোটা সুবিধা পেল তারা
চাকরিক্ষেত্রেও একি সুবিধা পাচ্ছে । কারন তারা মুক্তিযোদ্ধার
সন্তান যোগ্যতা না থাকলেও তাদের ত কোটা রয়েছে । আজকাল আবার আরো অনেক রকম কোটা যেমন শিক্ষা অফিস কর্মকর্তার সন্তান কোটা ,সাংসদ কোটা চালু হয়েছে কিংবা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ।এতে করে মেধাবিরা বঞ্চিত হচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানানোর আরও অনেক উপাই আছে তাই
যুদ্ধাহত ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও উপজাতি ছাড়া সকল কোটা অবিলম্বে বাতিল করা উচিৎ
২|
১৪ ই জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৩:২৪
নীল জানালা বলেছেন: আপ্নে দুঃখ কৈরান্না। আপ্নে এম্নিতেও খারাপ রেজান্ট করতেন। শব্দটা কোঠা না, কোটা। এইটা ল্যাটিন শব্দ। তবে আমরা এইটারে আংরেজি থেইকা আমদানি করসি। এর অর্থ নিশ্চয়ই ভাইংগা কৈতে হৈবোনা। আর কোঠা একটা বাংলা শব্দ, প্রকোষ্ঠ হৈল এইটার প্রতিশব্দ।
ব্যাক্তিগতভাবে আমি সব ধরনের কোটা'র বিপক্ষে। বিসিএস বা যে কোন চাকরির ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটা একটা কালো আইন। অবিলম্বে এর নিরসন দরকার। কিন্তু কে হোনে কার কথা। দেশটাতো আর মানুষে চালায়না। দেশ চালায় আম্লিগ নামের ভয়ানক জন্তু জানোয়ারেরা।
১৪ ই জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৩:৪০
বাংলার দামাল ছেলে মাহবুব বলেছেন: ভুলটি ধরিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। তবে মাত্র একটি বানানের মাধ্যমে কাওকে যাচাই করা সমীচীন নয়
৩|
১৪ ই জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৪:২৭
পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: সরকারের দুর্নীতির কথা তুলে মুখে ফেনা তোলে আমাদের মধ্যবিত্ত সুশীল সমাজ। অথচ মধ্যবিত্ত এই সুশীলদের মানসিকতা আসলে ফকিরনির পুতদের মতোই। দরিদ্রদের মানসিকতা এদের থেকে হাজার গুণ উত্তম।
মধ্যবিত্তরাই বিসিএস কেরানী হয়ে ঘুষ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের সুযোগ নিতে মড়িয়া হয়ে উঠে। দরিদ্ররা নয়। মধ্যবিত্ত শিক্ষিতদের উচিত ছিল সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখা। কিন্তু সার্টিফিকেট ধারী শিক্ষিত (মূলত অশিক্ষিত) চুদির ভাইরা সমাজ পরিবর্তন তো দূরের কথা, সমাজের সুবিধা নেওয়ার জন্য মড়িয়া হয়ে উঠেছে। আর যেসব মধ্যবিত্ত বিসিএসে আবেদন করেননি তাদের কেও এই আন্দোলনের পক্ষে এবং কেও বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। সব শালার মানসিকতা ফকিরনিরপুতদেরই মতো। সে জেনারেল কোটাই হোক আর অন্য কোটাই হোক। আমাদের মনে রাখতে হবে মধ্যবিত্ত এই আচুদা শ্রেণীই বিসিএস কেরানী হয়ে সমাজটাকে লাটে উঠিয়েছে। ফালতু যতসব।
মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ফালতু মানসিকতা এবং তাদের ধর্মীয় মূল্যবোধ নিয়ে আমি একটি গদ্য রচনা করেছি। যারা পড়েননি পড়ার আহবান জানাই
ভণ্ড ভণ্ড ভণ্ড
Click This Link
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৩:১১
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
পোস্টে ++++।
সম্ভভ হলে এই দেশ ছেড়ে চলে যেতাম।
যেখানে কোন বিচার নেই।