নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমারো খুব ইচ্ছে মরার আগে স্বর্গের আগের ষ্টেশনের দেখা পাওয়া, আর তাই নিয়ে লেখা। কথাটা শ্যামলের।আমারো।তেমন একটা ভূবন যে আমিও দেখতে চাই।

মাহমুদ রহমান (মাহমুদ)

কেন লিখি জানি না।

মাহমুদ রহমান (মাহমুদ) › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিমল করের স্মৃতিচারণে শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়।

৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ৮:২৯

শ্যামল আমার চোখে দেখা মানুষ,কম করে হলেও বছর পচিশ ওকে দেখছি।বিচিত্র ছেলে।অবশ্য আজ তাকে ছেলে বললে ও লজ্জা পাবে,বলবে,পঞ্চাশ বছর বয়েস হয়ে গেল বিমলদা,আজও ছেলে! তা ঠিক,কিন্তু আমার কাছে সে এখনও যে অনেকটা পুরনো শ্যামল।

ছবি- সাহিত্যিক বিমল কর।

অন্য দশজনে সাধারণত যা পারবে না-শ্যামল তা অনায়াসে পারে।কে যেন বলেছিল,শ্যামল কোথায় এক ইন্টারভিউতে বলেছে- ''কুবেরের বিষয় আঁশয়'এর মত বই লিখতে হলে ডস্টয়েভস্কির আমরক্ত হয়ে যেত।জানি না,এমন কথা শ্যামল বলেছিল কিনা!তবে যদি বলে থাকে-তবে তার মুখেই এসব মানায়।
শ্যামলকে যারা চেনে তারা জানে শ্যামল খেয়ালের মাথায় দুম দাম অনেক কিছু বলতে পারে,করতেও পারে।এই খেপামি তার আছে।কিন্তু মুখে যে যাই বলুক তার মন অন্যরকম।
আগেই বলেছি -শ্যামল তখন টালিগঞ্জের মধুরাথা বিদ্যাপিঠে মাস্টারী করে,একদিন স্কুলে যাওয়ার সময় দেখল,বরেন(বরেন গঙ্গোপাধ্যায়,বাংলা সাহিত্যের আরেক কৃতি লেখক)কথা নেই বার্তা নেই শ্যামল বরেনকে বগলদাবা করে বাসে ঊঠল।তারপর স্কুলে নিয়ে নিয়ে হেডমাস্টার মশাইকে বলল,স্যার আমার বন্ধু বরেন গঙ্গোপাধ্যায়,সাইন্স গ্রাজুয়েট।একে আমাদের স্কুলের টিচার করতে হবে।ওকে বসিয়ে দিন।

শ্যামলের সুপারিশ অমান্য করার সাধ্য হেডমাস্টারের ছিল না।বরেনের চাকরি হয়ে গেল।এই রকম আরও কত যে নাটকীয় কান্ড করেছে শ্যামল কে জানে।ওর মধ্যে অল্প বয়স থেকেই একটা মজার ভাব ছিল।সেটা বয়েসের ব্যাপার।খানিকটা তার স্বভাবের।শুনেছি,সত্যেনকে একবার টালা পার্কে নিয়ে গিয়েছিল তারাশংকরবাবুকে দেখাতে।তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায় বাইরে এসে দাঁড়াতেই শ্যামল একেবারে অন্তরঙ্গ গলায় বলল,জেঠামশাই,'এ আমাদের সতু।আপনাকে দেখতে চাইছিল, ওকে নিয়ে এলাম।সতু,জেঠামশাইকে প্রণাম কর।'এই রকম অজস্র গল্প আছে শ্যামলকে নিয়ে।তার বন্ধুরাই বলে।একবার নাকি শংকর(শ্যামলের বন্ধু ও আরেকজন লেখক)শ্যামলকে বলল,এই সিগারেট কিনে আন।'শ্যামল বলল-পয়সা নেই। শংকর বলল- এত লোক যাচ্ছে রাস্তা দিয়ে চেয়ে নে।'শ্যামল সঙ্গে সঙ্গে রাস্তার লোকের কাছে হাত পেতে দাড়াল।পথচারী অবাক।ব্যাপার কী?বিনীত গলায় শ্যামল বলল,' শংকর সিগারেট খাবে।ওই যে দাঁড়িয়ে আছে শংকর।'

আমি যে শ্যামলকে দেখি তখন তার বয়েস কত আর? চব্বিশ- পচিশ বড় জোর।তাজা ছেলে।একাবারে যুবক।সুন্দর চেহারা ছিল শ্যামলের।মাথায় লম্বা,গড়াপেটা স্বাস্থ্য,দোহারা,পরিস্কার মুখ, যেমন স্পষ্ট নাক তেমনি চোখ।পুরুষালি চেহারা বলতে যা বোঝায়-সেই রকম।শ্যামল তখন আনন্দবাজার পত্রিকায় এসেছে।সাংবাদিক হয়ে।

ছবি- যুবক শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

তখন যে শ্যামল ঘন ঘন লিখত তাও হয়ত নয়।কম লিখত।কিন্তু আমাদের সঙ্গে তার মেলামেশা ছিল খুবই।কলেজ স্ট্রিটের আড্ডায় শ্যামল আসত,গল্পগুজব করত, জ্যোতির্ময়কে খেপাত,শংকরের সাথে এক-আধা বার মজার কান্ড করত।সপ্রতিভ ছেলে।কোনো কিছু রেখে ঢেকে বলত না,যা বলত স্পষ্টাপষ্টি।ওর কাছে- ওদের পুরনো স্কুলের গল্প,বাড়ির গল্প শুনতে শুনতে আমরা হাসতাম।ওর দাদাকে শ্যামল ভয় পেত খুব।শ্যামল নাকি তার হাতে বেদম মার খেয়েছে বেশি বয়সেও।সত্যি কিনা কে জানে!

আমাদের যেমনভাবে চলছিল শ্যামলেরও সেইভাবে দিন কাটত।ধীরে ধীরে শ্যামল সংসারী হয়ে গেল।শ্যামলকে অনেক সময় খেয়ালী,খানিকটা বদরাগী মনে হলেও ওর মধ্যে বন্ধু বান্ধবদের জন্যে কোমলতাও যে লক্ষ করিনি তা নয়।শংকরকে ভালবাসত খুব।ছেলেবেলার বন্ধু ছিল শংকর।মিহির মুখোপাধ্যায়কেও পছন্দ করত যথেষ্ট।অনেক দিনের বন্ধু।একটা ঘটনা মনে পড়ছে।সে সময় আমি কিছুদিন রোগে- ভোগে কাহিল হয়ে পড়েছিলাম।একদিন অফিস থেকে যখন বেরুলাম,শরীর আর বইছিল না।মাথা ঘুরছিল।হাত পা কাপছে।একা পাচ পা হাটাও অসম্ভব।তার উপর বৃষ্টি পড়ছে টিপটিপ করে।কেমন করে বাড়ি ফিরব ভাবছি।কোনো রকমে কলেজ ষ্ট্রীটে পৌঁছতে পারলেও বাচি।বীরেনবাবু,প্রবোধদের সঙ্গে বাড়ি ফেরা যাবে।অফিসের নিচে নেমে দাঁড়িয়ে আছি।ভীষণ দুর্বল লাগছিল।
একসময় দেখি শ্যামল অফিসে ঢুকছে। ভিজতে ভিজতেই।তার শিফট শুরু।
'কি হয়েছে বিমলদা?'
'শরীর বড় খারাপ লাগছে।মাথা ঘুরছে।'
একটা ট্যাক্সি ডেকে দেব?
পাবে কী!
'দাড়ান,দেখছি।
শ্যামল আবার বেড়িয়ে গেল বৃষ্টিতেই।
তখন কলকাতা শহরে ট্যাক্সি পাওয়া আজকের মত এত তপস্যাসাধ্য ব্যাপার ছিল না।তবে চাইলেই যে পাওয়া যেত বিকালের দিকে তাও নয়।শ্যামল প্রায় জবাকুসুম হাউস পর্যন্ত হেটে গিয়ে এক ট্যাক্সি ধরে আনল।ভিজে নেয়ে গিয়েছে।আমায় ট্যাক্সিতে তুলল।বলল,'চলুন,আপনাকে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে আসি।
সে কি তোমার অফিস?
পরে আসব।না হয় কামাই হবে!
'আমাকে কলেজ স্ট্রিট পর্যন্ত পৌঁছে দাও।ওখানে প্রবোধরা আছে-।
না।বাড়ি পৌঁছে দেব।আপনাকে খুব সিক দেখাচ্ছে।
শ্যামল কিছুতেই শুনল না আমাকে বাড়ি পৌঁছে দিল।
এটা এমন কিছু বড় ঘটনা নয়।তুচ্ছ ঘটনা।শ্যামল হয়ত ভুলেই গিয়েছে।আমার মনে আছে।আমাদের জীবনে অনেক তুচ্ছ ঘটনা থেকেই পরস্পরের সম্পর্ক ও মনের ভেতরটা প্রকাশ হয়ে পড়ে।অন্তত সৌজন্য, মানবিক বোধ।
শ্যামল একবার বাড়িতে গুরুজনের কাছে বকুনি খেয়ে আমার কাছে মুখ শুকনো করে বলেছিল,এই বয়সেও বকুনি খেতে হয় বিমলদা! ওর কথা শুনে মজাও লেগেছিল।মনে হয়েছিল,গুরুজনের বকুনি ওর কাছে যতটা না লজ্জার ততটা যেন অভিমানের বিষয়।
বৃহৎ পরিবারের মানুষ শ্যামল।আদি বাড়ি পুর্ববঙ্গে।থাকত টালিগঞ্জে।বিয়ে করার বেশ কিছুদিন পরে চলে গেল চম্পাহাটি।শ্যামলের সে আর এক পর্ব। চম্পাহাটি গিয়ে তার কি হয়েছিল জানি না,কিন্তু সে বদলে যেতে লাগল।

আমি তার চম্পাহাটির ভাড়া বাড়িতে গিয়েছি,তার নিজের বাড়িতেও ওকে মনোযোগ দিয়ে দেখার চেষ্টা করেছি।কিছু বুঝতে পারিনি। শ্যামল নিজেই বলে,সে একটা ব্যাপারে জড়িয়ে পড়েছিল।সেটা হল জমি।কিন্তু শুধু কি জমি? না,তার কাছে জমির অন্য অর্থ ছিল।ও বলে জমি মানে আশ্রয়,অংকুর। নবজন্ম।এই শহরে থেকে সে চলে গিয়েছিল পুর্ণজন্ম লাভ করতে।লেখক হিসেবে কী? শ্যামল একবার লিখেছিলঃ 'আকাশের নিচে নির্জনে কত মাঠ পড়ে থাকে।তাদের ওপর দিয়ে হাটবার সময় অদ্ভুত লাগে।প্রান্তরের সাতটা তালগাছ পাশাপাশি দাঁড়িয়ে।ধানক্ষেত খূড়ে লোকে কচ্ছপ বার করছে।পুকুর কাটতে গিয়ে বারো হাত নিচে নৌকার গলুই পাওয়া গেল।একদা তাহলে এখানে নদী ছিল।জমির অনন্ত রহস্যঃতার সাথে কোর্ট কাছারি।দলিল দস্তাবেজ।উকিল মুহুরিঃলোভ।শরিকানি।অন্তহীন।'

নিজেকে এমনভাবে জড়িয়ে মিশিয়ে দিল শ্যামল সেই জমি মাটি ফসল প্রকৃতি মানুষজনের সঙ্গে যে বোঝা গেল তার লেখার জাতটাই পাল্টে যাচ্ছে।এই সময় শ্যামল এমন গল্প লিখেছে যার তুলনা দেখি না।তার চন্দনেশ্বরের মাচানতলায় কত নিখুঁত,কত সুন্দর,কী আবেশকরা গল্প কেমন করে বলব!কন্দর্প বলে যে গল্পটা পড়েছিলাম তার রেশ ছিল কত দিন ধরে।এ রকম গল্প শ্যামলের আরো আছে।রয়েছে তার ' কুবেরের বিষয় আশয়'-উপন্যাস।ধারাবাহিকভাবে যখন পড়তাম মাঝে মাঝেই বলতে হত, বারে!বড় সুন্দর লিখেছে তো?কোনো সন্দেহ নেই,শ্যামল যে শহর ছেড়ে তফাতে গিয়ে বাসা বেধেছিল তা নেহায়েতই জমির জন্য নয়।তার লেখার জন্য।সে ব্যর্থ হয়নি।অন্তত আমার তাই ধারণা।

তবে জীবন ত একখাতে বয় না।শ্যামল আবার ফিরে এসেছে শহরে।লিখেছেও কম নয়।তার কোনো কোনো উপন্যাস,যেমন ঈশ্বরীতলায় রুপোকথা','চন্দনেশ্বর জংশন'-এসব লেখায় শুধু যে তার ক্ষমতার পরিচয়ই রয়েছে তা নয়, সাহিত্য পাঠকের কাছেও সমাদৃত হয়েছে।আমাদের এক পুরনো বন্ধু,একদার নামকরা কবি,শ্যামলকে চেনেন না,আমাকে বলেছিলেন,এই ভদ্রলোক উপন্যাসের ধর্মটা বোঝেন।ওর আঁকা চরিত্রগুলো একেবারে জ্যান্ত।কত চরিত্র!ভাই,আমি ভদ্রলোকের লেখার এডমায়ার।

শ্যামল যে কৃতী লেখক ,বিশিষ্ট লেখক- একথা কে স্বীকার করছে আর না করছে তা নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই।একটা বিষয় নিশ্চিত-শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়কে না পড়লে হাল আমলের বাংলা উপন্যাসের একটা বড় দিক না পড়াই থেকে যাবে।শ্যামল শুধু ক্ষমতাবান নয় তার দেখাশোনা অনুভবের মধ্যে ফাকি নেই।সে যা দেখল না তা নিয়ে লেখে না।সাজানো গল্প তার হাতে আসে না।সে পছন্দও করে না।তার মানে এই নয় যে,শ্যামল ইমাজিনেটিভ নয়।যার ইমাজিনেশান নেই,সে কোনো দিন ''চন্দনেশ্বরের মাচানতলায়' লিখতে পারে না।
আমাকে একজন বলেছিলেন-শ্যামল লিখতে লিখতে আগোছালো হয়ে যায়।
জবাবে আমি বলেছিলাম,শ্যামলের গল্প তো খুঁটিয়ে বাধা গরু নয় যে দড়ির মাপ ছেড়ে বাইরে যেতে পারবে না!
কথাটা মুখ থেকে বেড়িয়ে গিয়েছিল।তেমন কিছু ভেবেও বলিনি।পরে আমার মনে হয়েছে শ্যামলের স্বভাব ও লেখা - দুই -ই বোধহয় ওই রকম।সে কোথাও বাঁধা থাকে না,থাকতে রাজী নয়।

মন্তব্য ৩৮ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৩৮) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ৯:০৪

জেন রসি বলেছেন: আপনি নিশ্চয় শ্যামল বাবু থেকে বড় কেহ একজন? ;)

৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ৯:৩৭

মাহমুদ রহমান (মাহমুদ) বলেছেন: উনার কমেন্ট চালান করে দেয়া হইছে। যেখানে চালান হইছে ওখানে উত্তর দেয়া আছে । ;)

২| ৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ৯:০৫

জেন রসি বলেছেন: শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় সম্পর্কে আপনার ধারনা জানতে চাই।

৩| ৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ৯:১৭

শায়মা বলেছেন: শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়, বিমল কর, তারাশঙ্কর, শংকর সবাই বন্ধু ছিলো দেখছি .....

৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ১০:০৫

মাহমুদ রহমান (মাহমুদ) বলেছেন: না আপু ওরকম কিছু না। বিমল কর উনাদের সিনিয়র।তারাশঙ্কর ত সবার সিনিয়র।
শংকর বলতে যে শংকরকে আমরা চিনি,মানে মনিশংকর- পোষ্টের শংকর তিনি নন।
উনিও একজন বিশিষ্ট লেখক।শ্যামলের বন্ধু।উনাদের তুলনায় বেশ আগেই মারা যান।

৪| ৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ৯:৩৪

জেন রসি বলেছেন: আপনি নিশ্চয় শ্যামল বাবু থেকে বড় কেহ একজন?

ব্লগার চাঁদগাজীর এই সহজ সরল প্রশ্ন সম্বলিত মন্তব্য কেন রিপোর্ট করে মুছে ফেলা হলো জনাব? শ্যামল , বিমল কর নিয়ে আলোচনার পূর্বে এই প্রশ্নের সুরাহা হওয়া প্রয়োজন। :P

৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ৯:৫২

মাহমুদ রহমান (মাহমুদ) বলেছেন: উনার সরলতায় মুগ্ধ হয়ে রিপোর্ট করলাম।
এবং যেখানে যেখানে উনার সরলতা দেখিব ইহা অব্যাহত থাকিবে। B-)
ধানে মাজরাপোকা রাখিতে নাই।

৫| ৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ৯:৪৮

জেন রসি বলেছেন: উনার কমেন্ট চালান করে দেয়া হইছে। যেখানে চালান হইছে ওখানে উত্তর দেয়া আছে । ;)

এসব চুদুর বুদুর জবাব দিলে হবেনা। প্রশ্নটা খুব সহজ সরল জিজ্ঞাসা ছিল। আপনি নিজেকে শ্যামলের চেয়ে বড় মনে করেন কি করেন না? আপনি করলেন রিপোর্ট। কোন নীতিমালায় এই মন্তব্য আটকায়? ;)

৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ৯:৫৪

মাহমুদ রহমান (মাহমুদ) বলেছেন: সহযোগিতা অপশনে ক্লিক করুন।
সাথে চাঁদসোনাকেও একটু দেখিয়ে দিয়ে আসুন। ;)

৬| ৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ১০:০৮

নেওয়াজ আলি বলেছেন: লেখা নিয়ে মন্তব্য বাদ দিয়ে চাঁদকে নিয়ে টানাটানি । কয়লা সাদা হয় না।

৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ১০:১৫

মাহমুদ রহমান (মাহমুদ) বলেছেন: খুবই ইরিটেটিং পারসন তিনি। কেউ প্রাসঙ্গিক মন্তব্য করতে পারলে করবেন,না হলে নাই।
উনারে সবাই সহ্য করে বলেই আজকে উনার এই হালত।

৭| ৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ১০:২১

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, " উনার সরলতায় মুগ্ধ হয়ে রিপোর্ট করলাম। এবং যেখানে যেখানে উনার সরলতা দেখিব ইহা অব্যাহত থাকিবে। B-) ধানে মাজরাপোকা রাখিতে নাই। "

-ধান থাকলে খারাপ হতো না, এই করোনার সময়ে মনটা ভরে যেতো; আমি তো দেখছি জমিতে শুধু আগাছা

০১ লা জুলাই, ২০২০ রাত ১২:০৮

মাহমুদ রহমান (মাহমুদ) বলেছেন: অনেক গরুকে শখ করে লাল চশমা পড়ানো হয়। ফলতঃগরুটি সবুজকে লাল দেখে।উহা নিজের গরুত্বের প্রমাণস্বরুপ জোরে জোরে হাউকাউ বলিয়া চিৎকার করিয়া থাকে।
আপনি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হলে আপনার আচরণেই তার প্রমাণ হত।

৮| ৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ১০:৩৮

জেন রসি বলেছেন: লেখক বলেছেন: খুবই ইরিটেটিং পারসন তিনি। কেউ প্রাসঙ্গিক মন্তব্য করতে পারলে করবেন,না হলে নাই।
উনারে সবাই সহ্য করে বলেই আজকে উনার এই হালত।


এভাবে কেহ যদি কেহকে সহ্য না করিতে পারে তবে পোস্টেত সহমত মন্তব্য ছাড়া আর কিছুই থাকিবে না জনাব।

খুবই ইরিটেটিং পারসন তিনি। কেউ প্রাসঙ্গিক মন্তব্য করতে পারলে করবেন,না হলে নাই।
উনারে সবাই সহ্য করে বলেই আজকে উনার এই হালত।


শ্যামল কে নিয়ে লিখেছেন। সেখানে কেউ রাইসু স্টাইলে জিজ্ঞাসা করতেই পারে আপনি বড় না শ্যামল বড়? তা কিভাবে অপ্রাসঙ্গিক হয় জনাব? :P

৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ১১:১৭

মাহমুদ রহমান (মাহমুদ) বলেছেন: রাইসু হইলে ত অনেক আগেই কোরবানি হয়ে যাইত ভাগ্য ভাল মামাটা ফেবুতে নাই।.. ;) .
যার যার স্টাইল তার তার বইলা গেছেন আবদুস সাত্তার। B-)
সহমত ভাইদের আমি ভালবাসি :D

৯| ৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ১০:৩৯

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

চমৎকার স্মৃতিচারণ।
সাহিত্যের এক দিকপালকে
নিয়ে আর এক দিকপালের স্মৃতিচারণ
মুগ্ধ হয়ে পাঠ করলাম। ধন্যবাদ লেখককে।


অ.ট. গতি এত স্লথ কেন?
দুই বছরে চার পোস্ট ব্ড্ড বেমানান!!

০১ লা জুলাই, ২০২০ রাত ১:১৬

মাহমুদ রহমান (মাহমুদ) বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ প্রিয় নুরু ভাই।
আপনাদের ভাল লাগলেই লেখা সার্থক।
শুভেচ্ছা রইল।

১০| ৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ১১:৫০

জেন রসি বলেছেন: আপাতত সব তাত্ত্বিক আলোচনা লাটে তুলে রাখলাম। সন্ধ্যার পর থেকে কোন এক ব্ল্যাক ম্যাজিকে আমার মোবাইল খানা অফ মুডে চলে গেছে। উহা আর অন হচ্ছেনা। আপাতত এই রহস্য মাধানে অতিশয় তৎপর আছি। B-)

০১ লা জুলাই, ২০২০ রাত ১:১৮

মাহমুদ রহমান (মাহমুদ) বলেছেন: গ্যালারিতে পপকর্ণ।
;)

১১| ৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ১১:৫৪

রাজীব নুর বলেছেন: আসলে আমি এত কম জানি যে মন্তব্য করতে সাহস পাচ্ছি না।

০১ লা জুলাই, ২০২০ রাত ১:১৯

মাহমুদ রহমান (মাহমুদ) বলেছেন: চাঁদমাখানো কমেন্ট আসে নাই এইটাই আমার সাত জনমের ভাগ্যরে ভাই B-)
ভাল থাকবেন প্রিয় রাজিব ভাই।
শুভকামনা।

১২| ০১ লা জুলাই, ২০২০ রাত ১:২৬

জেন রসি বলেছেন: যাইহোক, সন্মানিত ব্লগার চাঁদগাজি সাহেবকে নিয়ে অনেক অপ্রাসঙ্গিক ম্যাও প্যাঁও মন্তব্য হইছে।এবার পোস্টে আসা যাক।

শ্যামলের কিছু লেখা পড়েছি। সেভাবে পড়া হয়নি। তিনি জা যেভাবে উপলব্ধি করেছেন সেভাবেই লিখেছেন বলে মনে হয়। আপনার কোন এক লেখায় হুমায়ূন আহমেদ আর শ্যামলের লেখা নিয়ে একটা তুলনামূলক আলোচনা পড়েছিলাম। দুজনের উপলব্ধির জায়গায় কি কোথাও একটা মিল আছে বলে মনে করেন?

০১ লা জুলাই, ২০২০ রাত ২:৫২

মাহমুদ রহমান (মাহমুদ) বলেছেন: কৌতুহল।

১৩| ০১ লা জুলাই, ২০২০ রাত ২:১৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, " অনেক গরুকে শখ করে লাল চশমা পড়ানো হয়। ফলতঃগরুটি সবুজকে লাল দেখে।উহা নিজের গরুত্বের প্রমাণস্বরুপ জোরে জোরে হাউকাউ বলিয়া চিৎকার করিয়া থাকে।
আপনি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হলে আপনার আচরণেই তার প্রমাণ হত। "

-আপনি নিশ্চয় মুক্তিযুদ্ধ দেখেননি, এবং কোন মুক্তিযোদ্ধাকে কাছের থেকে জানার সুযোগ পাননি।

০১ লা জুলাই, ২০২০ রাত ২:৩৩

মাহমুদ রহমান (মাহমুদ) বলেছেন: ধন্যবাদ। মন্তব্যটা আপনি বলার আগে দেয়া হয়ে গিয়েছিল।
হ্যা,দেখিনি।তবে জানার সুযোগ হয়েছে যথেষ্ট।অনেকেই মারা গেছেন।কিছু বেচে আছেন।বাস্তবতার খাতিরে অনেকে অনেক কিছু বলতে চান না।এদিকে সময় আর বেশি নেই।হয়ত ২০-২৫ বছর পর জীবিত কোন মুক্তিযোদ্ধা থাকবে না। আপনার বিষয়টাও বুঝতে পারছি।অনেকে অখুশী হবেন এটাও ঠিক। তবু বলব- কিছু লিখুন।মানুষ কিছু সত্য হলেও জানুক।
আমাদের অনুরোধ করারও একসময় কেউ থাকবে না।
শুভরাত্রি।

১৪| ০১ লা জুলাই, ২০২০ রাত ২:১৮

রাকু হাসান বলেছেন:


ভাইয়া কেমন আছেন ? ;)

০১ লা জুলাই, ২০২০ রাত ২:৩৩

মাহমুদ রহমান (মাহমুদ) বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ ভালো।
আপনি কেমন ? :)

১৫| ০১ লা জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৪৬

রাকু হাসান বলেছেন:

লেখক বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ ভালো।
আপনি কেমন ? :)

আমিও ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ্.... আপনার পোস্টের সাথে একমত। বিশেষ কর বিমল কর সাহেব কম আলোচনায় থাকে। উনার কিশোর রহস্য গল্পগুলো তে অসাধারণ।

০১ লা জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৪৯

মাহমুদ রহমান (মাহমুদ) বলেছেন: হ্যা, বিমল করের ছোটগল্পগুলাও বেস্ট।
ভাল থাকবেন রাকু ভাই।

১৬| ০১ লা জুলাই, ২০২০ দুপুর ১:৫৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: মাহমুদ ভাই, আপনি ব্লগে অ্যাক্টিভ, এটা খুব আনন্দের। আমি শুরুতেই একটু কনফিউশনে পড়েছি- লেখাটা কি আপনি বিমল করের বয়ানে লিখেছেন, নাকি এটা বিমল করের লেখা। যার লেখাই হোক, লেখা ইটসেলফ অসাধারণ।

আমি দুঃখিত, বিমল কর বা শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়ের কোনো লেখা পড়ি নাই। আমার পড়ার ব্যাপ্তি অনেক কম। বিমল মিত্রের সাথে নাম গুলিয়ে ফেলেছিলাম, যার অনেক লেখা পড়া হয়েছে। তবে, এটুকু বলা যায়, ভুলেভাট্টে বিমল করের লেখা পড়ে থাকতে পারি, নাম বিভ্রাটে শুধু বিমল মিত্রের কথাই মনে পড়ছে।

আপনি মৌলিক লেখায় ফিরে আসুন। আগামী বইমেলায় বই বের করার কথা ভাবুন।

কোনো এক ফাঁকে আবার ব্লগ থেকে হাওয়া হইয়া যাইয়েন না

০১ লা জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:৩৯

মাহমুদ রহমান (মাহমুদ) বলেছেন: এটা বিমল করের লেখা,ছাই ভাই।
ছোটগল্পঃনতুন রীতি মুভমেন্টের জন্য বাংলা সাহিত্য উনাকে মনে রাখবে।
বিমল মিত্র আমার অন্যতম পছন্দের লেখক। উনি হৃদয় দিয়ে লিখেন।
পরামর্শগুলো মাথায় রাখলাম।যতদিন পারি ইনশাআল্লাহ আছি। '
ভাল থাকবেন প্রিয় ছাই ভাই।

১৭| ০১ লা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:৩৩

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:





এখানেও (তদগোত্রীয় লেখকের একটি পোস্ট পড়ে এসেছি) লেখার পরপরই যেবিষয়টিতে দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে তা হলো, মন্তব্য। সহব্লগার চাঁদগাজীর মন্তব্য, যা অন্যের মন্তব্য থেকে সেচে বের করলাম। এসব করে পোস্ট লেখককে হেনস্তা করা মানতে পারছি না, কারণ আরও ভালোভাবে সেটি করা উচিত। ;)

তারপরই যা দেখলাম, তা হলো শ্যামলবাবুর ক্লোজআপ ছবিখানি, যা পোস্ট লেখকের বলে সন্দেহ হচ্ছে।

মহান মাহমুদ রহমান! মেহেরবানি সন্দেহমুক্ত করে বাধিত করবেন B-)

০১ লা জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০০

মাহমুদ রহমান (মাহমুদ) বলেছেন: হাহাহ।বিভিন্ন জায়গায় ফখরুদ্দিন বিরিয়ানীতে আপনার জাফরান বিতরণ উপভোগ করছি।গুড জব।চালিয়ে যান ;)
মনে করলেই না হেনস্তা বা অচলাবস্থা। :D শুনলাম অক্সিজেন সরবরাহ ক্রিটিকাল,তাই যে কদিন আছি শহরে যহন আইলামই চাচার নামে মামলা কইরা দিয়া যাই টাইপ ব্লগিং করব এই আইডি থেকে B-) ।বাকীটা আল্লারো হাওলা। মডু ভাইয়ের একটা কথা আছে- কাউরে চাইরহাত চুবাতে চাইলে আমি আগে নিজে দুইহাত নামি।তারপর কাজ শুরু করি। =p~
এখানে অবশ্য সুবিধাই হচ্ছে।গোত্রীয় লেখকরা আগেই নিজদায়িত্বে আমাকে দুইহাত নিচে নামাচ্ছেন।পরে নিজেরা পানিতে তলিয়ে গেলে মন্তব্য ডিলিট মারছেন।উপভোগ করছি। :P ফেয়ার এন্ড লাভলী আর গল্পের শানে নুযুল জানলে আপনারো
হাসি কান্না একসাথে আসবে।এর আগেই যখন লঞ্চ ডুবে যাচ্ছে,থাকুক না বাকিটা গোপন। ;)
মহান মাহমুদ এখন লিলিপুটিয়ান স্টেজে আছে। যখন গালিভার হবে তখন সন্দেহমুক্ত করা হবে। B-)
ভাল থাকবেন প্রিয় মইনুল ভাই।
এখন ত সময় উপভোগের। B-))

১৮| ০১ লা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:১১

মেহবুবা বলেছেন: বিমল কর , শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়, শংকর এদের কোন বিষয়ে কোন কথা পড়লে বা দেখলে মুগ্ধ হতে হয়!আরো কত জন !

আমার শেষ পোষ্ট মনিশংকর এর শেরীফ হবার সংবাদ সংশ্লিষ্ট, মজার বিষয় ।

০১ লা জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৬

মাহমুদ রহমান (মাহমুদ) বলেছেন: হ্যা। উনাদের পারস্পরিক আন্তরিকতারও তুলনা নেই। আপনার পোষ্ট পড়লাম।নতুন পোষ্ট চাই আপনার কাছ থেকে
শুভেচ্ছা সতত ।

১৯| ০১ লা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:১৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় সম্পর্কে জানা গেল। বিমল কর তার বহুল পঠিত কড়ি দিয়ে কিনলাম দিয়ে বেশ পরিচিত। সুন্দর পোস্ট ।

২০| ০১ লা জুলাই, ২০২০ রাত ৮:২৭

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
দু:খজনক অনেক কবি সাহিত্যিক মৃত্যুর পর গ্রহণযোগ্য হন, জনপ্রিয় হন, আলোচিত হন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.