নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সত্যানুসন্ধানী

সত্যানুসন্ধানী

মালেক০০১

কোরআন ও সুন্নাহর অনুসারী।সকল ধরণের লজিকাল বিতর্কে আগ্রহী।

মালেক০০১ › বিস্তারিত পোস্টঃ

অদূর ভবিষ্যতে নাস্তিকরা কোরআনের যে ভুলটি ধরতে পারে.................

১৮ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:৪৮

সূরা বাকারার ২৯ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেছেনঃ



He it is who created for you all that is on earth. Then He Istawa (rose over) towards the heaven and made them seven heavens and He is the All-Knower of everything.



উপরোক্ত আয়াতে সাতটি হেভেনের কথা বলা হয়েছে, সাধারণভাবে যা বোঝা যায় তা হল, আল্লাহ তায়ালা সাত-তবক আসমান জমিন সৃষ্টি করেছেন।



যারা সাইন্টিফিক আর্টিকেল নিয়ে গুতাগুতি করে থাকেন তারা ইতিমধ্যেই “M Theory” –এর কথা শুনে থাকবেন। “M Theory” বর্তমান সময়ে “মহাবিশ্ব সৃষ্টি ও তার অবস্থা” সম্পর্কিত সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য থিওরি যা গাণিতিকভাবে প্রমাণিত। যেহেতু এটি গাণিতিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে তাই বিজ্ঞানীরা অনেক বেশি আশান্বিত যে অদূর ভবিষ্যতে এই থিওরি পরীক্ষামূলকভাবে প্রমাণ করা সম্ভব হবে।



M Theory



“M Theory” অনুযায়ী, আমাদের এই পুরো মহাবিশ্ব আসলে অনেক অনেক মহাবিশ্বের সমষ্টি এবং এই মহাবিশ্বগুলোর প্রত্যেকটি এক একটি আলাদা আলাদা মেমব্রেনের মধ্যে সীমাবদ্ধ।



“M Theory” যদি পরীক্ষামূলকভাবে প্রমাণিত হয় তাহলে কিছুদিন পরে সূরা বাকারার ২৯ নম্বর আয়াতের অর্থ করা হবেঃ



He it is who created for you all that is on earth. Then He Istawa (rose over) towards the heaven and made them many heavens and He is the All-Knower of everything.



আর তখনই ইসলাম বিরোধীরা উচ্চস্বরে বলে উঠবে যে কোরআনের অর্থ ইচ্ছামত পরিবর্ত করা হয়েছে।



এখন আসুন আরবিতে সেভেনের কি কি অর্থ আছে তা ১৮৬৯ সালে Edward William Lane রচিত “Arabic- English Lexicon” থেকে জেনে নিই। নিচের ছবিতে লাল দাগ দেয়া অংশটুকু পড়ুন।







ঊপরের ছবি থেকে দেখা যাচ্ছে আরবিতে সাতের অর্থ “সাত” আবার সাতের অর্থ “অনেক” হতে পারে। ব্যাপারটা অনেকটা চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করার মত যেখানে চৌদ্দ বলতে সাংখিক চৌদ্দ বুঝায় না।



সুতরাং ইহা প্রমাণিত হল যে সূরা বাকারার ২৯ নম্বর আয়াতের অর্থ পরিবর্তন করা হলেও তা ইচ্ছামত করা হবে না।



এখন প্রশ্ন হল, সহীহ হাদিসেতো ১ম, ২য়, ৩য় এভাবে সাত আসমানের কথা বলা আছে। সেক্ষেত্রে, আমাদের উত্তর হবে, হাদিসে শুধুমাত্র প্রথম সাতটি আসমান নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে, বাকি গুলো নিয়ে করা হয়নি।



নাস্তিকরা হয়তো এখানেও সন্দেহের অংগুলি নির্দেশ করবেন। কিন্তু লাভ নেই। মেরাজ সম্পর্কিত অন্য একটি সহীহ হাদিস থেকে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, ফেরেশতাগণও আল্লাহর সকল সৃষ্টি সম্পর্কে অবগত নন।



মেরাজ রজনীতে উর্ধাকাশে নবী(সাঃ) যখন জিবরাইল (আঃ) -এর সাথে ভ্রমণ করছিলেন তখন অন্য একজন ফেরেশতাকে দেখে নবীজী জিজ্ঞাসা করলেন উনার নাম কি। তখন জিবরাইল (আঃ) উত্তর দিয়েছিলেন যে, ঐ ফেরেশতাকে তিনি পূর্বে কখনও দেখেননি, তাই তাঁর নাম তিনি জানেন না। (হাদিসটির রেফারেন্স দিতে পারলাম না বলে দুঃখিত)।



ধন্যবাদ।

মন্তব্য ২৮ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (২৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই জুন, ২০১১ রাত ১:০৯

বল্টু মিয়া বলেছেন: হাই আসিফ।

২| ১৮ ই জুন, ২০১১ রাত ১:১৫

স্মৃতির নদীগুলো এলোমেলো... বলেছেন: আমি বুঝলামনা কেন ৭ দিয়েই অনেক বুঝাতে হবে? গোজামিল দিয়ে কিছু কোরানে বোঝানো হবেনা। কিন্তু আপনার চেস্টাটা গোজামিলের মত লাগলো। আমি কিন্তু চরম ভাবেই আস্তিক। বুঝতে পারিনি হয়তো। ব্যক্তিগত আক্রমন হিসেবে নেবেন না, বরং আমার বোঝার অক্ষমতা হিসেবে নেবেন।

১৮ ই জুন, ২০১১ রাত ১:১৯

মালেক০০১ বলেছেন: আল্লাহ কেন সরাসরি বলেননি সেইটাতো কইবার পারুম না। তয় আফনে পারলে আল্লাহ তায়ালার কাছ থিক্যা জিগাই লন।

৩| ১৮ ই জুন, ২০১১ রাত ১:৩১

রিফাত হোসেন বলেছেন: ৭ অর্থ আরবীতে তা মানি । কিন্তু আমার কথা হলে ৭ মানেই সাত । অনেক এর অর্থ আরবীতে ছিল তার পরেও তা ব্যবহার না করে ৭ ব্যবহার করা হয়েছে কেন ?

দুইটা কারণ এক ৭ ই হবে । দুই - চরণ মিলানোর জন্য । কিন্তু আসল অর্থ অনেক !

১৮ ই জুন, ২০১১ রাত ১:৫৮

মালেক০০১ বলেছেন: হইতারে................

৪| ১৮ ই জুন, ২০১১ রাত ১:৩৫

ঠোঁট কাটা বন্ধু বলেছেন: আল্লার গণিত জ্ঞান যে সাংঘাতিক রকমের খারাপ সেটা বুঝার জন্য সম্পত্তির বাটোয়ারা সংক্রান্ত আয়াত পড়লেই বুঝা যায়।

আরেকখান কথা, কোরানের ভিতর এত জ্ঞান থাকতে বিগ ব্যাং থিওরী কন আর এম থিওরি কন, সব আবিষ্কার করতাসে ইহুদী-নাসারা-রা। কোরান বিশারদ দাড়িওলা রামছাগল গুলা কি াল ফালাইতাসে? তারা কিছু আবিষ্কার করতে পারে না?

জ্ঞান বিজ্ঞানে মুসলমানরা বর্তমানে আদিবাসীদের কাছাকাছি অবস্থানে আছে।

১৮ ই জুন, ২০১১ রাত ২:০২

মালেক০০১ বলেছেন: সম্পত্তির বাটোয়ারা সংক্রান্ত আয়াতগুলোর সমাধান হাজার বছর পূর্বেই হইয়া গিয়াছে। নতুন করিয়া উপলব্ধি না করিলেও চলিবে..............

মুসলমানরা কিছু আবিষ্কার করিতে না পারিলে তাহা মুসলমানদের দো্ষ, আল্লাহ তায়ালা কিংবা আল-কোরআনের দোষ নহে....................

৫| ১৮ ই জুন, ২০১১ রাত ২:০২

স্পুতনিক বলেছেন: আচিপ মামু ও গন্নাকাটা (যারা মাতৃগর্ভ হতে ঠোঁট কাটা অবস্থায় জন্মে তাদেরকে গন্নাকাটা বলে), একছিল কুয়ার ব্যাঙ, সে ঐটাকে সর্ব-বৃহত জলাশয় হিসাবে জানতো!!!

৬| ১৮ ই জুন, ২০১১ দুপুর ২:১৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: আপনারা বিজ্ঞান দিয়ে ধর্মকে প্রমান করতে যান কেন ?
ধর্ম হচ্ছে বিশ্বাস ও আস্থার ব্যাপার।
পৃথিবীতে ধর্ম আছে হাজার হাজার। পাসের দেশ ভারতে হিন্দু ছাড়াও পাচশতাধিক ছোট বড় ধর্ম আছে, আফ্রীকায় আছে হাজারের উপরে।

তবে মানুষ সাধারনত পিতৃধর্ম চেঞ্জ করেনা, শত নিপিড়নে … মরে গেলেও না। এমন কি স্বধর্মে চাক্ষুস ভুল আছে জানার পরও!

লোভে পড়ে বা তলোয়ারের ভয়ে ধর্মান্তরিত হলেও মনের ভেতর আগের বিশ্বাসই ধারন করে কয়েক জেনারেশন পর্যন্ত।
মানুষ যার যার ধর্ম পালন করবে এটাই সাভাবিক, এতে কোন সমস্যা নেই।

সুতরাং কেরামতি, ভেলকিবাজি বা বিজ্ঞান দেখিয়ে কোন লাভ নাই।

ধর্মকে ধর্মের মত চলতে দেন, ভেজাল কইরেন না।

বিজ্ঞান মুক্তমনের মানুষের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত ভাবে চলবে .. অবিরাম

১৮ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৪:২৪

মালেক০০১ বলেছেন: লা'কুম দিনুকুম ওয়ালইয়া দ্বীন.........................

৭| ১৮ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৪:০১

নাফাজি বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টের জন্য। অনেকে বলে যে মুসলিমরা বিজ্ঞান দিয়ে ধর্মকে প্রমান করতে চায়, এটা আসলে ঠিক না। মুসলিমরা বলতে চায় যে কুরআনে বিজ্ঞান বিষয়ক যে সব আয়াত আছে সেগুলো প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞানের সাথে সাংঘর্ষিক নয়। যা কুরআনের সত্যতাকেই প্রমাণ করে।ধর্ম বা আদর্শ খালি বিশ্বাস ও আস্থার ব্যাপার নয়। ধর্ম বা আদর্শকে যুক্তি দিয়ে বিচার করতে হবে, তারপরই বিশ্বাস করতে হবে।আমার মতে কুরআন বিজ্ঞানকে উৎসাহিত করে, উৎসাহিত করে তাদের যারা চিন্তা করে, চিন্তা করে এই সৃষ্টজগতকে নিয়ে। আর এই আয়াতগুলো তারই প্রমাণ। কুরআনের একই আয়াতকে অনেকভাবে অনুবাদ বা ব্যাখ্যা করা যায়। এটাই কুরআনের মহীমা।কুরআন সকল যুগের, সকল সময়ের, সকল মানুষের জন্য।

৮| ১৯ শে জুন, ২০১১ রাত ১১:০২

ঠোঁট কাটা বন্ধু বলেছেন: @লেখক: মুসলমানেরা কিছু আবিষ্কার করতে পারে না ভালো কথা, মাগার কিছু আবিষ্কার হইলেই সেইডারে কোরানের আয়াত দিয়া প্রমাণ করতে যায় ক্যান?

সম্পত্তির বাটোয়ারা আইনে ভুল ছিল দেইখাই তো আলী সেইডারে সংশোধন করসে। ভুল না থাকলে তো সংশোধনের দরকারই লাগতো না।

দুনিয়া গোল না সমতল হেইডাই আল্লা কইতারেনা, আইসে M Theory মারাইতে।

২৩ শে জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২২

মালেক০০১ বলেছেন: নিচের কমেন্টগুলা পড়েন আর নিজের জুতা দিয়া নিজের মাথা বাইড়াইতে থাহেন B-)) =p~ তাইলে যদি মাথা ঠিক হয় আরকি। উল্টাপাল্টা ইতিহাস আর আরবি সম্পর্কে অজ্ঞতাই আফনাগো বলদামীর মূল কারণ..............

৯| ২১ শে জুন, ২০১১ দুপুর ১:১০

নাফাজি বলেছেন: কুরআনে পৃথিবীর আকৃতির বর্ননা দেওয়া হয়েছে এইভাবে,
“তিনি পৃথিবীকে এর পরে বিস্তৃত করেছেন।” সূরা নাযিআত -আয়াত ৩০

একই আ্য়াতের আরেকটি অনুবাদ এইরূপ,
"তিনি পৃথিবীকে ডিম্বাকৃতি করে তৈরী করেছেন।" সূরা নাযিআত -আয়াত ৩০

এই আয়াতে ব্যবহৃত دحاها এর একাধিক অর্থ আছে। একটি অর্থ হলো উঠপাখির ডিম।উটপাখীর ডিমের আকৃতির মতই পৃথিবীর আকৃতি মেরুকেন্দ্রিক চেপ্টা। অন্য অর্থ হল ‘বিস্তৃত করা’।
এভাবেই কুরআন পৃথিবীর আকৃতি বিশুদ্ধভাবে বর্ণনা করেছে।অথচ যখন কুরআন নাযিল হয় তখন প্রচলিত ধারনা ছিল পৃথিবী হচ্ছে চেপ্টা।

১০| ২১ শে জুন, ২০১১ দুপুর ১:১৭

নাফাজি বলেছেন: “তুমি কি দেখনা আল্লাহ রাতকে দিনের মধ্যে এবং দিনকে রাতের মধ্যে প্রবেশ করান?" [পবিত্র কুরআন সূরা লোকমান - আয়াত ২৯]

অর্থাৎ রাত আস্তে আস্তে এবং ক্রমান্বয়ে দিনে রূপান্তরিত হয়, অনুরূপভাবে দিন ও আস্তে আস্তে এবং ক্রমান্বয়ে রাতে পরিবর্তিত হয়। পৃথিবী গোলাকৃতির হলেই কেবল এ ঘটনা ঘটতে পারে ।

নিম্নের আয়াত দ্বারাও পৃথিবী যে গোলাকার তা বুঝা যায়,

"তিনি আসমান ও জামিন কে সৃষ্টি করেছেন যথার্থভাবে। তিনি রাতকে দিন দ্বারা আচ্ছাদিত করেন এবং দিনকে রাত দ্বারা আচ্ছাদিত করেন।” [পবিত্র কুরআন সূরা যোমর - আয়াত ৫]

আয়াতে ব্যবহৃত كور (আরবী) শব্দের অর্থ হলো কুন্ডলী পাকানো বা কোন জিনিসকে প্যাঁচানো । যেমন করে মাথায় পাগড়ী প্যাঁচানো হয়। রাত ও দিনের আবর্তন তখনই সম্ভব যখন পৃথিবী গোলাকার হয়।

১১| ২২ শে জুন, ২০১১ রাত ২:০৪

Abdullah Arif Muslim বলেছেন: নাস্তিক তথা কাফেরগুলা হইলো বিচার মানি তালগাছ আমার টাইপের। হেতানেগো ব্রেইন ওয়াশ করছে জারজ আলী মাতবর, আহমেদ শরীফ সহ কিছু বি অজ্ঞ লোকজন। হেরা এখন ওয়াশ করা বেরেইন লইয়া ফালাইতেছে। হেরা খালি বিজ্ঞানের বই বলতে একটাই বুঝে উইলিয়াম ক্যাম্বেলের বই। হেইটা ছাড়া হেরা চোখে কিছু দেখে না।

উইলিয়াম ক্যাম্বেলের বই পইড়া ব্লগে হ্যাডাম তথা গেয়ানী সাজার চেস্টা করে। আল্লাহ এদের হেদায়েত দান করুন। আমীন।

১২| ২৪ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৩:১০

মালেক০০১ বলেছেন: নাফাজি ভাইকে বলছি, আমরা সব সময়ই ইসলামকে নিয়ে খোলামেলা এবং অত্যন্ত ক্রিটিক্যাল আলোচনা করবো যাতে কখনো এবং কোন সময়ই ইসলাম বিরোধীরা সুযোগ নিতে না পারে।

دحاها এর একটি অর্থ ‘বিস্তৃত করা’।
কিন্তু অপর অর্থটি "উটপাখির ডিম" নয় বরং উটপাখির ডিম পাড়ার স্থান।

ডাঃ জাকির নায়েক সাহেবও এই ভুলটি করেছেন।

তবে পরের মন্তব্যের كور (আরবী) এর অর্থ সঠিক । নাস্তিকরা শেষমেষ এখানেও ধরা খেল। অর্থাৎ كور (আরবী) শব্দ দ্বারা( যার অর্থ - কুন্ডলী পাকানো বা কোন জিনিসকে প্যাঁচানো যেমন করে মাথায় পাগড়ী প্যাঁচানো হয়) দ্বারা রাত ও দিনের আবর্তনের উদাহরণের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, পৃথিবী গোলাকার।

১৮৬৯ সালে Edward William Lane রচিত “Arabic- English Lexicon” থেকে শব্দ দুটির অর্থ নিচে দিলাম। ছবিতে লাল দাগ দেয়া অংশটুকু পড়ুন।





ধন্যবাদ।



১৩| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০৬

মোত্তালিব দরবারি বলেছেন: তবে মানুষ সাধারনত পিতৃধর্ম চেঞ্জ করেনা, শত নিপিড়নে … মরে গেলেও না। এমন কি স্বধর্মে চাক্ষুস ভুল আছে জানার পরও!

লোভে পড়ে বা তলোয়ারের ভয়ে ধর্মান্তরিত হলেও মনের ভেতর আগের বিশ্বাসই ধারন করে কয়েক জেনারেশন পর্যন্ত।
মানুষ যার যার ধর্ম পালন করবে এটাই সাভাবিক, এতে কোন সমস্যা নেই।

সুতরাং কেরামতি, ভেলকিবাজি বা বিজ্ঞান দেখিয়ে কোন লাভ নাই।

ধর্মকে ধর্মের মত চলতে দেন, ভেজাল কইরেন না।

বিজ্ঞান মুক্তমনের মানুষের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত ভাবে চলবে .. অবিরাম

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৫৬

মালেক০০১ বলেছেন: বিজ্ঞান কারো বাপ-দাদার সম্পত্তি না । বুঝছেন ?

১৪| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৮

সজীব আকিব বলেছেন:
M theory কোরানে ঢুকাইছেন, এটা কি ইদের বিনুদন?
কোরান কি অলৌকিক গ্রন্থ?

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৫৭

মালেক০০১ বলেছেন: পুরান ক্যাচাল।

সো, লা-কুম দিনুকুম ওলিয়াদীন ।

১৫| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:১১

সুপান্থ সুরাহী বলেছেন:
ধন্যবাদ...

সুন্দর পোস্ট...
মনে রাখবেন কুত্তার লেজে সোজা হবার নয়....

১৬| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:৪৬

সিবাক বলেছেন: "কোরআন" অতি উচ্চ স্তরের কিতাব। খুবই সহজ ভাষায় নাযিলকৃত, কিন্তু সঠিক ভাবে না পড়া গেলে অনেক জিনিসই বুঝতে পারবেন না, তখন সেটাকে ভুল হিসেবে ব্যখ্যা দেয়া হয়।

আর অব্যসই কোরআন সর্বস্রেষ্ঠ কিতাব।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.