নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সেফ উমরের ব্লগ :)

"সকল বস্তু তার বিপরীত বস্তুর মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে উঠে"

উমর

হে আল্লাহ! তুমি আমায় হক রাস্তা দেখাও, হকের অনুসরণ করারও প্রতি মদদ কর, বাতিলকে বাতিলরুপে দেখাও এবং বাতিল হতে বেঁচে থাকার প্রতি সাহায্য কর। আর হকের হক রুপে দেখাও এবং তার অনুসরণ করার জন্য এমনভাবে মদদ কর যেন হক বা সত্য কথা আমার জন্য উহ্য না থাকে। হে আমার রব! তুমি জিবরাঈল, মিকাঈল, ইসরাফিল-এর পরওয়ারদিগার, আসমান-যমীনের একমাত্র সৃজনকারী, তুমি প্রকাশ ও অপ্রকাশ সবকথা ও কাজ সম্পর্কে অবগত আছ, তোমার বান্দাহগণ আপোষে যে মতভেদ করে তার মধ্যে মূল সত্য ও আসল হকের ফায়সালা তুমিই করতে সক্ষম। তুমি আমায় ঐ সমস্ত মতভেদের মদ্যে যা খাঁটি সত্য, আসল হক তাই আমায় হিদায়াত করতে থাক। একমাত্র তুমিই তোমার বান্দাহকে সঠিক পথের হিদায়াত করতে পার। আমীন।

উমর › বিস্তারিত পোস্টঃ

***একটি বড় শিরক বা শিরকে আকবরের সচিত্র প্রতিবেদন***

২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:১৪

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম

সকল প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্যে। আল্লাহর তাআলার রহমত ও বরকত রাসূল ﷺ এর উপর, তার পরিবার ও সাহাবীদের উপর এবং কিয়ামত পর্যন্ত যারা তাদের অনুসরণ করবে তাদের উপর অর্পিত হোক। আমিন।



মানুষের সকল ইবাদত হতে হবে একমাত্র আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যে। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ



“তাদের হেদায়েতের দায়িত্ব তোমার উপর নয়, তবে আল্লাহ তাআলা যাকে চান তাকেই সঠিক পথ দেখান, তোমরা যা দান সদকা করো এটা তোমাদের জন্যেই কল্যাণকর, (কারণ) তোমরা তো এ জন্যেই খরচ করো যেন আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারো।” (সূরা বাকারাঃ ২৭২)



যারা তাদের মালিকের সন্তুষ্টি লাভের জন্যে ধৈর্য্য ধারণ করে, যথারীতি নামায কায়েম করে, আমি তাদের যে রিযিক দিয়েছি তা থেকে তারা (আমারই পথে) খরচ করে-গোপনে কিংবা প্রকাশ্যে, যারা (নিজেদের) ভালো (কাজ) দ্বারা মন্দ (কাজ) দূরীভূত করে, তাদের জন্যেই রয়েছে আখিরাতে শুভ পরিণাম।” (সূরা রাদঃ ২২)



“অতএব (হে ঈমানদার ব্যক্তি), তুমি আত্মীয় স্বজনকে তার অধিকার আদায় করে দাও, অভাবগ্রস্থ মোসাফেরদেরও (নিজ নিজ পাওনা বুঝিয়ে দাও), এ (বিষয়টি) তাদের জন্যে ভালো যারা (একমাত্র) আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি কামনা করে, (আর সত্যিকার অর্থে) এরাই হচ্ছে সফলকাম।” (সূরা রুমঃ ৩৮)



“যা (কিছু ধন সম্পদ) তোমরা সুদের উপর দাও, (তা তো এজন্যেই দাও) যেন তা অন্য মানুষদের মালে সাথে (শামিল হয়ে) বৃদ্ধি পায়, আল্লাহ তাআলার দৃষ্টিতে তা (কিন্তু মোটেই) বাড়ে না, অপরদিকে যে যাকাত তোমরা দান করো তা (যেহেতু একান্তভাবে) আল্লাহ তাআলাকে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে দান করো, তাই বরং বৃদ্ধি পায়।” (সূরা রোমঃ ৩৯)



“যে (আল্লাহকে) বেশী বেশী ভয় করে তাকে আমি বাচিয়ে দিব, যে ব্যক্তি নিজেকে পরিশুদ্ধ করার জন্যে (আল্লাহর পথে অর্থ সম্পদ) ব্যয় করেছে, (অথচ) তোমাদের কারোই তার কাছে এমন কিছু ছিলো না, (যার জন্যে) তোমদের কোন রকম প্রতিদান দেয়া হবে, (হাঁ, পাওনা) এটুকুই সে শুধু তার মহান মালিকের সন্তুষ্টিই কামনা করেছে। (এ কারণে) অচিরেই তার মালিক (তার উপর) সন্তুষ্ট হবেন।” (সূরা লাইলঃ ১৭-২১)



রাসূল ﷺ শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যে ইবাদত করা জোর তাগিদ দিয়েছেন কেননা আল্লাহর সন্তুষ্টি ব্যতীত অন্য কারো সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যে ইবাদত করলে তা বড় শিরক বা শিরকে আকবর হয়ে যাবে। রাসূল ﷺ বলেনঃ



“আল্লাহ তাআলা শুধু সে আমলই গ্রহণ করেন, যা ইখলাছের সাথে এবং আল্লাহকে সন্তুষ্টি করার উদ্দেশ্যে করা হয়”। (নাসায়ী)

“যে জ্ঞান অর্জন করা হয় আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তা যদি কেউ পার্থিব স্বার্থ লাভের উদ্দেশ্যে করে তাহলে সে কিয়ামত দিবসে জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না” (আবু দাউদ)



“সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা) যখন অসুস্থ হয়ে গিয়েছিলেন তখন রাসূল ﷺ তাকে বলেছিলেনঃ তুমি যদি এরপর বেঁচে থাক এবং কোন ভাল আমল কর তাহলে তারা দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করবে” (বুখারী ও মুসলিম)



“আল্লাহ তাআলা জাহান্নামের উপর ঐ ব্যক্তিকে হারাম করেছেন যে ব্যক্তি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলবে এবং এর মাধ্যমে সে আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করবে”। (বুখারী ও মুসলিম)



“খাব্বাব বিন আরদ (রা) বলেন, আমরা রাসূল ﷺ এর সাথে হিজরত করেছিলাম মক্কা থেকে মদীনায় আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে”। (বুখারী ও মুসলিম)



প্রত্যেকটি আমল(কর্ম) নিয়তের উপর নির্ভরশীল বা সকল কাজের ফলাফল নিয়ত অনুযায়ী পাবে। (বুখারী ও মুসলিম)



কাজেই যে ব্যক্তি ইবাদত বা কোন কাজের শুরুতে নিয়ত করে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সে ব্যক্তি সে অনুযায়ী আল্লাহর নিকট প্রতিদান পাবে আর যে ব্যক্তি কোন ইবাদত করে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে সে ব্যক্তি শিরকে আকবর বা বড় শিরকে লিপ্ত হবে ।

এখন নীচের ছবিটি লক্ষ্য করুনঃ





এটি শায়খুল হাদীস যাকারিয়্যা (রহ) এর রচিত 'ফাযায়েলে আমল' বইয়ের ভূমিকা থেকে নেওয়া হয়েছে। লাল বর্ডার দেওয়া লেখাগুলো লক্ষ্য করুন, ‍"এইরুপ বুযুর্গগণের সন্তুষ্টি হাসিল করা আমার মত গোনাহগারের জন্য গোনাহ-মাফী ও নাজাতের ওসীলা - এই আশায় দ্রুত রচনা করতঃ এই উপকারী কিতাবখানি খেদমতে পেশ করিতেছি" এখানে আল্লাহর সন্তুষ্টি ব্যতীত অন্যের সন্তুষ্টি কামনা করা হয়েছে এবং সেই অন্যের সন্তুষ্টির ওসিলায় গোনাহ মাফের আশা করা হয়েছে, যা স্পষ্ট শিরক। এটি হচ্ছে বড় শিরক বা শিরকে আকবর, যা একজন ব্যক্তির সকল ইবাদত তথা আমলকে নষ্ট করে দেয়। এই রকম আকীদা সম্পন্ন একজন লেখকের বই যারা পড়বে তাদের অবস্থা কি হবে? আল্লাহ তাআলা আমাদের রক্ষা করুন।



লেখক আবার নিজেই লিখেছেন -

নামায-রোযা ত্যাগ করার বিষয় কি বলিব যখন লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রকাশ্য কুফর ও শিরকে লিপ্ত রহিয়াছে। সবচেয়ে মারাত্মক ব্যাপার হইল যে, তাহারা ইহাকে শিরক ও কুফর বলিয়া মনে করে না।



বাস্তব কথা, উনি নিজেই শিরকে লিপ্ত অথচ ইহাকে শিরক বলিয়া মনে করেন নাই!



আল্লাহ তাআলা বলেনঃ

“অথচ (হে নবী), তোমার কাছে এবং সেসব (নবীদের) কাছেও যারা তোমার আগে অতিবাহিত হয়ে গেছে, এ (মর্মে) ওহী পাঠানো হয়েছে, যদি তুমি আল্লাহ তাআলার সাথে (অন্যদের) শরীক কর তাহলে অবশ্যই তোমার (সব) আমল নিস্ফল হয়ে যাবে এবং তুমি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থদের দলে শামিল হয়ে যাবে।” (সূরা ঝুমারঃ ৬৫)



"আমি তাদের কৃতকর্মের প্রতি লক্ষ করব অত:পর সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করব।" (সূরা আল-ফুরকান: ২৩)

যে সকল কাজ খালেছ আল্লাহর জন্যে করা হয় না কিংবা শরীয়তের অনুমোদিত পন্থায় পালন করা হয় না তা বাতিল বলে গণ্য- সন্দেহ নেই। (তাফসীর ইবনে কাসীর)



রাসূল ﷺ বলেছেন, আল্লাহ তাআলা বলেন: আমি শরীকদের শিরক থেকে একেবারেই বে-পরওয়া। যদি কোন ব্যক্তি কোন আমল করে এবং এতে আমার সাথে অন্য কাউকে শরীক করে তাহলে আমি তাকে ও তার শিরকী কাজকে প্রত্যাখ্যান করি। (মুসলিম)





এই লেখার উদ্দেশ্য কাউকে হেয় করা নয়, কাউকে ছোট করা নয়, এই লেখার উদ্দেশ্য যেন আমাদের মুসলিম ভাইয়েরা সংশোধন হয়ে শিরকমুক্ত হয়ে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে সচেষ্ট হোন। ইবাদত হতে শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে আর অন্য কারো সন্তুষ্টির জন্যে নয়। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে শিরকের মতো জঘন্য পাপকর্ম থেকে হিফাজত করুন, আমিন।

মন্তব্য ২৮ টি রেটিং +৭/-৩

মন্তব্য (২৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:১৮

হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে শিরকের মতো জঘন্য পাপকর্ম থেকে হিফাজত করুন, আমিন।

২| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:১৯

সিটিজি৪বিডি বলেছেন: শিরকমুক্ত সমাজ গঠনে আপনার সুন্দর উপস্থাপনা অনেক উপকারে আসবে।

৩| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৪৩

ভাবসাধক বলেছেন: হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে শিরকের মতো জঘন্য পাপকর্ম থেকে হিফাজত করুন, আমিন।

৪| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৪৭

সাদী বলেছেন: চমৎকার এই লেখাটির জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।++

৫| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৪৯

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: ভাই, আমি মনে করি আপনার বোঝার ভুল হয়েছে। দেখুন তিনি কিন্তু বান্দার সন্তুষ্টিকে নাজাতের উপায় মনে করেননি, ওছিলা মনে করেছেন মাত্র। ভালভাবে খেয়াল করুন-

‍"এইরুপ বুযুর্গগণের সন্তুষ্টি হাসিল করা আমার মত গোনাহগারের জন্য গোনাহ-মাফী ও নাজাতের ওসীলা-......."

২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৩১

উমর বলেছেন: প্রথমত, এইরুপ বুযুর্গগণের সন্তুষ্টি হাসিল করা -- কোন মানুষের সন্তুষ্ট হাসিল করার জন্যে আমরা ইবাদত করি? না, আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির জন্যে করি।
“খাব্বাব বিন আরদ (রা) বলেন, আমরা রাসূল ﷺ এর সাথে হিজরত করেছিলাম মক্কা থেকে মদীনায় আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে”। (বুখারী ও মুসলিম)

দেখুন এখানে সাহাবী কিন্তু বলতে পারতেন, আমরা রাসূল ﷺ এর সন্তুষ্টির জন্যে হিজরত করলাম, তা কিন্তু বলেন নি, বলেছেন আমরা রাসূল ﷺ এর সাথে হিজরত করেছিলাম মক্কা থেকে মদীনায় আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে

দ্বিতীয়ত, গোনাহ মাফের বা নাজাতের জন্যে কোন মানুষের সন্তুষ্টি ওসিলা হতে পারবে না, যদি কেউ করে তা হবে শিরকী। কেউ যদি মনে করে যে অমুকের অছিলায় আমি জান্নাতে যাব তাহলে সে শিরক করবে। কারণ, কেউ কাউকে জান্নাতে যাওয়ার গ্যারান্টি দিতে পারে না। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর বংশের লোক এবং তাঁর মেয়ে ফাতিমা (রা) কে বলেছিলেন, জাহান্নামের আগুণকে ভয় কর আমি তোমাদের বাঁচাতে পারবো না।
‍"এটা সেই দিন, যেদিন কারোও জন্য কিছু করার সাধ্য কারো থাকবে না। সেই দিন ফয়সালার চূড়ান্ত ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর এখতিয়ারে থাকবে।" (সূরা আল ইনফিতার:১৯)

৬| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:২৮

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: আপনি এই বিষয়ে এতবড় আক্রমনাত্মক পোষ্ট দিলেন অথচ পুরো বিষয়টি আপনার বোঝার ভুল। আমি মনে করছেন ঔ লাইনটি শুধু আপনার নজরেই পড়েছে, এযাবত কোনো আলেমের নজরে পড়ে নাই!

কোরআন-হাদীস শিক্ষার উদ্দেশ্য আল্লাহ তা'য়ালার সন্তুষ্টি অর্জন। কিন্তু ক্লাসে আমরা শিক্ষকের সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যেও তা পড়ি এবং লিখি। কারন শিক্ষার্থীরা মনে করে শিক্ষকের এই সন্তুষ্টি অর্জন, আল্লাহ তা'য়ালার সন্তুষ্টি অর্জনএর উসিলা হবে।এই দুই 'সন্তুষ্টি অর্জন'-কে আপনি কি এক করে দেখবেন?

২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৩২

উমর বলেছেন: “খাব্বাব বিন আরদ (রা) বলেন, আমরা রাসূল ﷺ এর সাথে হিজরত করেছিলাম মক্কা থেকে মদীনায় আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে”। (বুখারী ও মুসলিম)

দেখুন এখানে সাহাবী কিন্তু বলতে পারতেন, আমরা রাসূল ﷺ এর সন্তুষ্টির জন্যে হিজরত করলাম, তা কিন্তু বলেন নি, বলেছেন আমরা রাসূল ﷺ এর সাথে হিজরত করেছিলাম মক্কা থেকে মদীনায় আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে।

৭| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৩৩

হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: ইবনে হাবীবের কথায় যুক্তি আছে।

৮| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৫৮

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: "গোনাহ মাফের বা নাজাতের জন্যে কোন মানুষের সন্তুষ্টি ওসিলা হতে পারবে না, যদি কেউ করে তা হবে শিরকী। "


সন্তানের জন্য মাতা-পিতার সন্তুষ্টি অর্জন, স্ত্রীর জন্য স্বামীর সন্তুষ্টি অর্জন কি গোনাহ মাফের বা নাজাতের ওসিলা হতে পারেনা?
একে আপনি শিরক বলবেন?

৯| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:০৭

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: "কোন মানুষের সন্তুষ্ট হাসিল করার জন্যে আমরা ইবাদত করি?"


হ্যা করি।
সন্তানের জন্য মাতা-পিতার সন্তুষ্টি অর্জন, স্ত্রীর জন্য স্বামীর সন্তুষ্টি অর্জন পরোক্ষ উদ্দেশ্য থাকলেও প্রত্যক্ষ উদ্দেশ্য থাকে মুলত: আল্লাহ তা'য়ালার সন্তুষ্টি অর্জন।

১০| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:২০

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: অনেকে মৃত পীরের মাজারে যায় ঐ পীর যেন তার নাজাতের উসিলা হয়ে যায়। এটা স্পষ্ট শিরক।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪২

উমর বলেছেন: ভাই, আপনার নিকট যদি ফাযায়েল আমল বইটা থাকে পড়ে দেখবনে, যদি পড়ে মনে করেন যা লিখেছে সব ঠিক আছে তাহলে আমার কিছু বলার নাই। অযথা যুক্তি তর্ক করে সময় নষ্ট করতে আমি রাজি না। মন্তব্য করার জন্যে ধন্যবাদ।

১১| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪৯

কঠিনলজিক বলেছেন: ভাই আপাততঃ পড়াশুনা চালিয়ে যান ।

অপরিপূর্ণ ডাক্তার রোগীর জিবনাশংকা সৃস্টি করে,
অপরিপূর্ণ আলেম ঈমান রক্ষার পরিবর্তে ইমান নাশের কারণ হয়।

লক্ষ্য,উসিলা,মাধ্যম,কারণ, উদ্দেশ্য,রাস্তা আর গন্তব্যের মধ্যের পার্থক্য কি? এবং কিভাবে? বুঝার চেস্টা করুন ।

শিরক কি ? শিরক এ আকবর কি ? কুফর কি ? জানুন।

কোন মুসলমান কে মুশরিক বলা কুফর, জেনে নিন।
সব চেয়ে জঘন্য অপবাদ অন্যায় ভাবে কাউকে কাফের,মুরতাদ বা মুশরিক বলা । এজন্য মুশরিক বা কাফের ফোতোয়া দেওয়া সবচেয়ে ঝুঁকিপুর্ণ ।
উপমহাদেশের এক জন প্রথম সারির আলেম কে মুশরিক বলার মত ঝুঁকি নিতে পারেন এত বড় আলেম আপনে কোথায় বা কেমনে হলেন?

শায়খুল হাদীস যাকারিয়্যা (রহঃ) বাংলায় বইটি লিখেন নি, মূল বইয়ে কি শব্দ ব্যবহার করেছেন সেটা আমার জানা নাই ।
যদিও সন্তুষ্টি লিখতে কোন সমস্যা নাই তারপরেও যেহেতু শিরোনাম "প্রতিবেদন" আবার অত্যন্ত গম্ভীর অভিযোগ তাই অনুসন্ধানের গুরুত্ব বুঝাতে বলতে চাই , মূল শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ কি সন্তুষ্টি ? নাকি খুশি করা বা অন্য অর্থ হতে পারি কিনা ? যাচাই করেছেন? অনুবাদকের শব্দচয়নের ভুল হল কিনা ?

নিজের ক্ষমতা কে যাচাই করুন তার পর ক্বোরআন হাদীস পড়ুন , না হলে ৫০ টা আয়াত আর ২০ টা হাদিস পইরা বাজারে গেলে মনে হবে বাংলাদেশের ১২ কোটি মুসলমানই কাফের ।

৫ টন ওজনের ভার বহন করার আগে ট্রাকের টায়ার আর বডি ফিটনেস পরিক্ষা না করে নিলে, ওজন বহন দুরের কথা ঐ ট্রাক বহন করার জন্য ক্রেন লাগবে। এলেম অনেক ভারী জিনিষ নিজের ফিটনেস ঠিক না করে এলেম নিয়া উল্টায়া পরবেন দোষ এলেমের না দোষ আলেমের ফিটনেসের ।







১২| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২১

তামীম বলছি বলেছেন: @কঠিনলজিক, কঠিন একখান কথা কইছেন।

১৩| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:১৮

উমর বলেছেন: @কঠিনলজিক, ভাই আপনার নামের সাথে আপনার মন্তব্যের যথার্থতা রয়েছে, মাশাআল্রাহ, চমৎকার বলেছেন।

আরবীতে একটা কথা আছে "হাতেবুল্লাইলিন" যার মানে হলো রাত্রের বেলা লাকড়ী কুড়ানো। দিনের বেলা লাকড়ী কুড়ালে কোন সমস্যা নেই, ঠিকমতো লাকড়ী কুড়িয়ে ব্যাগে বা বস্তায় রাখা যায় কিন্তু রাত্রের বেলা অন্ধকারে লাকড়ী কুড়ালে বিপদে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে যেমন লাকড়ী কুড়াতে কুড়াতে কেউ সাপকে লাকড়ী মনে করে বস্তায় ভরে নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে আর তখন সাপের দংশনে মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ঠিক তেমনি কিছু মানুষের বই এরকম, আপনি পড়তে পড়তে অনেক কিছু শিখতে পারবেন কিন্তু হঠাৎ এমনকিছু শিখবেন বা জানতে পারবেন যা আপনার সমস্ত ইবাদতকেই বাতিল করে দিবে।

কারো যদি আকীদাতে ভুল থাকে সে যেমন ভাল কথা বলবে ঠিক তেমনি শিরকী ও বিদআতী কথাও বলবে।
নীচের ছবি দুটি লক্ষ্য করুনঃ




এখন কেউ যদি বলে ইয়া রাসূলাল্লাহ মেহেরবাণীপূর্বক একটু দয়া ও রহমতের দৃষ্টি নিক্ষেপ করুন। এটা কি শিরক নয়? আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নিকট দয়া ও রহমত কামনা করা! নিঃসন্দেহে শিরকে আকবর।
এরপর বলা হল, আমাদের মতো দূর্ভাগা হইতে আপনি কি করিয়া গাফিল থাকিতে পারেন।
তারপর, বলা হল, আপন সৌন্দর্য ও সৌরভের দ্বারা সারা জাহানকে সঞ্জীবিত করিয়া তুলুন। আপনার চেহারার ঝলকে আমাদের দিনকে কামিয়াব করে দিন। দূর্বল ও অসহায়দের সাহায্য করুন।
এগুলো কি বাড়াবাড়ি নয়? এগুলো কি শিরক নয়?

দ্বিতীয় ছবিতে বলা হল, রাসূল ﷺ হাত বের করে দিয়েছিলেন। সাহাবাদের জন্যে কোনদিন হাত বের করে দিলেন না। আর উনার জন্যে বের করে দিলেন। এরকম জালিয়াতি কথা বলে মানুষের আকীদা নষ্ট করার মানে কি? এরকম বহু শিরকের উদাহরণ ফাযায়েল আমলে রয়েছে। আবার অনেক সহীহ কথাও রয়েছে। সহীগুলো মানতে কোনই আপত্তি নেই কিন্তু কেউ যদি ভাল কাজ মনে করে শিরক করে তাকে কি সাবধান করা উচিত নয়?
যারা এগুলো পড়বে তারপর রাসূল ﷺ এর কবরের কাছে যেয়ে যদি বলে, ইয়া রাসূলাল্লাহ মদদ, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমি দূর্বল সাহায্য করুন। তাহলে কি সে শিরক করবে না? এগুলো থেকে মানুষকে সাবধান করা কি উচিত নয়? কাউকে ধ্বংস করা বা কারো কুৎসা রটানো বা মানহানি করা এখানে উদ্দেশ্য নয়, উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যক্তি যেই হোক আমরা যেন শিরককে শিরক বলতে শিখি, মানুষকে কুরআন ও সুন্নাহ’র দিকে আহবান করি। আল্লাহ তাআলা আমাদের শিরক থেকে হিফাজত করুন, সত্য বুঝার তৌফিক দান করুন, আমিন।

১৪| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৪৭

কঠিনলজিক বলেছেন: ভাই আরবী শব্দ টা ""হাতেবুল্লাইলিন" নয়, "হাতেবুল লাইল" হবে।
জন্ম যেহেতু আরব দেশে এবং দির্ঘ সময় কাটিয়েছি তাই সংশোধন করে দিলাম ।

আপনি মনে হয় একরকম জোর করেই কিছু একটা বলে ফেলতে চাইছেন ।
প্রথম ছবি টা ভাল করে খেয়াল করেন শুরুর লাইনে যে দুইটা পংতি দেখছেন তা কিন্তু আরবী ভাষা নয় এবং লেখার ধরণে পরিস্কার বুঝা যাচ্ছে এটা কোন কবিতা যা নিশ্চয় অন্য কারো এবং শেখ যাকারিয়া তা উদৃত করেছেন শুধু । নিচে বাংলা লেখাটার শিরোনাম "অনুবাদ" তা প্রমান করে।
যদি কবিতা সাহিত্যের ন্যুনতম ধারণা থাকে তো আপনার জানা থাকার কথা কবিতা মানুষের বিশ্বাস কে প্রতিফলিত করে না বরং কল্পনা বা যা হবার নয়, বা হয় নাই , বা যদি এরকম হত, জাতীয় বিষয় প্রাধান্য পায়।
আবেগী কবিতার বেলায় প্রায় ৯৯% ভাগ ই এরকম আপনি যে কোন ভাষার কবিতা থেকে উদাহরণ নিতে পারেন ।
কবিতার শিরিক তখন শিরিক গন্য হবে যখন বক্তব্য পাস্ট ভার্বে ব্যাবহৃত হবে ।
যদি বলে এরকম হলে এরকম করতাম তাহলে গুনাহ হবে তবে শিরিক হবে না।
যেমন কোন মুসলমান যদি বলে কালকে আমি অমুক ধর্ম গ্রহন করব তা হলে সে গুনাহগার হবে তবে আজকে তাকে কাফের বা মুশরিক বলা যাবে না ।

"দ্বিতীয় ছবিতে বলা হল, রাসূল ﷺ হাত বের করে দিয়েছিলেন। সাহাবাদের জন্যে কোনদিন হাত বের করে দিলেন না। আর উনার জন্যে বের করে দিলেন।"

আপনার এই প্রশ্ন ঠিক আছে যে "সাহাবাদের জন্যে কোনদিন হাত বের করে দিলেন না। আর উনার জন্যে বের করে দিলেন। "(?? !!)
এটার উত্তর আমার জানা নেই । তবে হাত মুবারক বের হবার সাথে আক্বীদার কি সন্পর্ক? মানুষের আকীদা নষ্ট হবে কেন ?
বিষয় টা কোন হাদিস কোরান নয় ইতিহাস স্বরুপ একটা ঘটনা, সত্য না হবার সমূহ সম্ভাবনা আছে ,তবে এটা কোথাও থেকে উনি উদৃত করেছেন মাত্র । উনার নিজের কথা নয় আবার বিশ্বাস করা মোটেও জরুরি নয় ।

"যারা এগুলো পড়বে তারপর রাসূল ﷺ এর কবরের কাছে যেয়ে যদি বলে, ইয়া রাসূলাল্লাহ মদদ, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমি দূর্বল সাহায্য করুন। তাহলে কি সে শিরক করবে না?"
এখানেও সেই পুরোনো কথায় ফিরে যাই ।
শুধু এরকম আংশিক এলেম গ্রহন করা মানুষ এ রকম করতেও পারে তবে যে করবে তার অপরিপুর্ন এলেমের কারণে করবে লেখকের কিছুই করার নাই।
শেখ যাকারিয়া শেষ জিবন টা মদিনা শরিফে কাটিয়েছেন উনার কবর জান্নাতুল বাক্বি তে , উনি নিজে এই ঘটনার লিখক কিন্তু উনি কখনো "কবরের কাছে গিয়ে বলেন নি, ইয়া রাসূলাল্লাহ মদদ" ।
আমি ধারণা থেকে বলছি না আমি তখন সউদি আরবেই ছিলাম এবং ব্যাক্তিগত ভাবে মদিনার এমন অনেক কে চিনি যারা উনাকে চিনত এবং জানত।

কবরের কাছে গিয়ে যদি কেও বলে, ইয়া রাসূলাল্লাহ মদদ, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমি দূর্বল সাহায্য করুন। তাহলে অবশ্যই শিরক হবে সন্দেহের অবকাশ নাই।
কেউ যদি ভাল কাজ মনে করে শিরক করে তাকে সাবধান করা উচিত। সম্পূর্ন একমত ।

আপনার উদ্দেশ্য কে সমর্থন করি
"উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যক্তি যেই হোক আমরা যেন শিরককে শিরক বলতে শিখি, মানুষকে কুরআন ও সুন্নাহ’র দিকে আহবান করি। আল্লাহ তাআলা আমাদের শিরক থেকে হিফাজত করুন, সত্য বুঝার তৌফিক দান করুন, আমিন। "

আমার এত লম্বা মন্তব্যের উদ্দশ্য হচ্ছে শেখ যাকারিয়া সন্মর্কে আপনার বক্তব্য
"আল্লাহর সন্তুষ্টি ব্যতীত অন্যের সন্তুষ্টি কামনা করা হয়েছে এবং সেই অন্যের সন্তুষ্টির ওসিলায় গোনাহ মাফের আশা করা হয়েছে, যা স্পষ্ট শিরক। এটি হচ্ছে বড় শিরক বা শিরকে আকবর" ।

আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে অবশ্যই শিরিক সম্মর্কে মানুষ কে সচেতন করুন তবে তা করতে গিয়ে কারো ব্যাপারে নিজের মতামত দিতে সতর্ক থাকুন।

যত গুরুতর বিষয় তত বেশী সতর্কতা কাম্য।



১৫| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৮

উমর বলেছেন: @কঠিনলজিক,
কবিতাটির আগে কিছু কথা ছিল সেটা আমি এখানে দেইনি নাই, এখন দিচ্ছি, এই ছবিটা দেখুন তারপর অনুবাদটি আবার পড়ুন বুঝতে সুবিধা হবে-



এরপর দেখুন বিষয়টি তাহলে কি দাড়াল?

১৬| ০১ লা মে, ২০১০ রাত ৩:৫৮

কঠিনলজিক বলেছেন: বিষয় টি আপনিই দেখুন , লেখক নিজেই বলছেন কাসিদা মানে কবিতা আর মুখে বলা কেচ্ছা। লেখকের বলার ধরণ গল্পচ্ছলে বলার মত এর মধ্যে শিরকের মত সিরিয়াসনেস কোথায় দেখলেন ? আমি কনফিউসড।

১৭| ০১ লা মে, ২০১০ সকাল ৯:৪০

উমর বলেছেন: @কঠিনলজিক, ভাই আপনি কি ছবিটার প্রথম দিকে ভালো করে পড়ে দেখেন নি, এই কাসিদা লেখার জন্যে উনি স্বপ্নে আদেশ প্রাপ্ত হয়েছেন এবং তিনি এটাকে একটা মহৎ কাসিদা হিসেবেই ফাযায়েল আমলে স্থান দিয়েছেন যে কাসিদা শুনে রাসূল ﷺ এর হাত বেড়িয়ে এসেছিল। আপনি তো লজিকের মানুষ, বলুন মৃত্যুর পর কারো হাত বেড়িয়ে আসে, আপনি এটা বিশ্বাস করবেন? যাকারিয়া সাহেব যদি বিশ্বাস নাই করতেন তাহলে এই কিচ্ছা কাহিনী ফাযায়েল আমলে স্থান দিতেন না। কারণ, উনি নিজেই বলেছেন এই কিচ্ছা আমার শোনা এবং স্মরণ থাকার মধ্যে কোনই সন্দেহ নাই।

সত্য প্রকাশের জন্যে দলীল প্রয়োজন আছে, কোনআন এবং সহীহ সুন্নাহ থেকে সে দলীল হতে হবে। কিন্তু তিনি কোন দলীল ছাড়াই কাসিদা ছেপে দিলেন এখন কোন মানুষ যদি এই কাসিদা পড়ে শিরকে লিপ্ত হয় তার দায়ভার কে নেবে? ইসলামে কিচ্ছা কাহিনীর স্থান নাই। আপনি লজিকওয়ালা মানুষ এবং মাশাল্লাহ ভালো লজিক স্থাপন করেন এবং আপনার মন্তব্য থেকে বুঝতে পেরেছি আপনি আল্লাহর রহমতে ইসলাম সম্পর্কে পড়াশুনাও করেন। ঠিকআছে ধরলাম এগুলো মিথ্যা ভিত্তিহীন কাহিনী, তাহলে তো এগুলো প্রচার করা রাসূল ﷺ সম্পর্কে মিথ্যা প্রচার করার শামিল।

১৮| ০১ লা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৪

কঠিনলজিক বলেছেন: দলীল প্রমান ছাড়া বা কিচ্ছা কাহীনির ইসলামে স্হান নাই, এই ব্যাপারে আপনার সাথে কোন প্রকার দ্বীমত প্রকাশ করার সুযোগ নাই ।

আমি শিরক/শিরকে আকবর এবং শেখ যাকারিয়্যা (রঃ) মুশরিক বলার নিয়ে আপনার সাথে দ্বিমত পোষণ করি এবং তাই লিখেছিলাম ।

আরেকটা বিষয় আমি গত কাল খোঁজ নিয়ে নিশ্চিৎ হলাম, ফাযায়েলে দরুদ চ্যাপটার কে লেখক জিবদ্বশায় মূল কিতাব থেকে বাদ দিয়ে দেন । ১৯৮৬ সাল থেকে এখন কোন ফাযায়েলে আমলেই ফাজায়েলে দরুদ অন্তর্ভুক্ত নয়।
হ্য়ত এই ভুল বা এরকম আরো ভুলের কারণেই , ভূল হওয়া দোষের না যদি ভুল কে স্বীকার করে সংশোধন করা হয় ।

আপনি মনে হয় সে রকম কোন আগেকার এডিশন থেকে এই কপি পেয়েছেন ।

০১ লা মে, ২০১০ রাত ৯:১৪

উমর বলেছেন: আমি ফাযায়েল আমল এই লিংক থেকে ডাউনলোড করেছি, এটার মাঝে প্রতিনিয়ত বই আপডেট করা হয়, ইজতেমার বয়ান আপডেট করা হয়।

হক কথা বলেছেন, ভুল হওয়া দোষের না যদি ভুলকে স্বীকার করে সংশোধন করা হয়। তাবলিগ জামাতের সাথে আমার এমন কোন আক্রোশ নেই যে আমি তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করব, বরং তারা কিছু ভালো কাজ করে যেমন, বেনামাযী মানুষকে নামাজের দিকে আহবান করে, তাদেরকে কালেমা শিক্ষা দেয়, কিছু সহীহ সুন্নাত অনুসরণ করে। এই বড় জামাতটি যদি সংশোধন হয় তাহলে সেটা খুবই উত্তম হতো। তার জন্যেই এই প্রয়াস। আল্লাহ তাআলা আমাদের হক বুঝার তৌফিক দান করুন। আমিন।

১৯| ০১ লা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৩

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: ভাই, আপনার কমেন্টগুলো দেখে মনে হচ্ছে আপনি ভুল সংশোধনের নিয়তে নয় বরং 'ছিদ্রান্বেষান'-এর জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন। আপনি আমার কমেন্টগুলোরও জবাব দেননি। জবাব না দিয়েই আপনি অন্য প্রসংগে চলে এসেছেন।

ব্যাক্তিগত ভাবে আমিও বর্তমান প্রচলিত তাবলিগ জামাতের কিছু কাজকে আপত্তিকর মনে করি। কিন্তু এর জন্য যাকারিয়া রহ. বা ইলিয়াস রহ. কে কোনভাবেই দায়ী করা যায়না।

০১ লা মে, ২০১০ রাত ৯:২০

উমর বলেছেন: ওছিলা নিয়ে ইনশাল্লাহ ভবিষ্যতে একটা পোস্ট দিব, সেই পোস্টে আপনার সাথে আলোচনা হবে।

ছিদ্রান্বেষান - এইটা আপনার নিকট মনে হতে পারে, কিন্তু ছিদ্রান্বেষান আমার উদ্দেশ্য না।

২০| ০১ লা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৯

স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: ভাল আলোচনা চলছে। পর্যবেক্ষণে রাখলাম :)

২১| ০১ লা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৪

শেলী বলেছেন: ইবনে হাবীব,আমি শুধু একটা কথাই বলব।ওসীলা বলে কোনো কিছু মানাও শিরক। রাসুল(সঃ) এর আমলে মুশরিকরা বলত তারা ফেরেশতাদের ইবাদাত করেনা,শুধু ওসীলা আর নাজাত লাভের উপায় মনে করে। যা কোরানে নিষেধ করা হয়েছে।

আর কাউকে সন্ত্তষ্ট করার কথা চিন্তা করতে গেলেই সমস্যা হয়। এজন্য শুধু আল্লাহর কথা ভাবাই যথেষ্ট।আর কেউ খুশি হল কিনা দেখার দরকার নাই।

২২| ০১ লা মে, ২০১০ রাত ৯:১৬

স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: বর্তমানে ফাজায়েলে আমল এর পরিস্কার ছাপা অফসেট সংস্করণ পাওয়া যায়। লেখক এত পুরনো ছাপার কপি কোথায় পেলেন জানতে ইচ্ছা করছে....

০১ লা মে, ২০১০ রাত ৯:২৩

উমর বলেছেন: আমি ফাযায়েল আমল এই লিংক থেকে ডাউনলোড করেছি, এটার মাঝে প্রতিনিয়ত বই আপডেট করা হয়, ইজতেমার বয়ান আপডেট করা হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.