নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সেফ উমরের ব্লগ :)

"সকল বস্তু তার বিপরীত বস্তুর মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে উঠে"

উমর

হে আল্লাহ! তুমি আমায় হক রাস্তা দেখাও, হকের অনুসরণ করারও প্রতি মদদ কর, বাতিলকে বাতিলরুপে দেখাও এবং বাতিল হতে বেঁচে থাকার প্রতি সাহায্য কর। আর হকের হক রুপে দেখাও এবং তার অনুসরণ করার জন্য এমনভাবে মদদ কর যেন হক বা সত্য কথা আমার জন্য উহ্য না থাকে। হে আমার রব! তুমি জিবরাঈল, মিকাঈল, ইসরাফিল-এর পরওয়ারদিগার, আসমান-যমীনের একমাত্র সৃজনকারী, তুমি প্রকাশ ও অপ্রকাশ সবকথা ও কাজ সম্পর্কে অবগত আছ, তোমার বান্দাহগণ আপোষে যে মতভেদ করে তার মধ্যে মূল সত্য ও আসল হকের ফায়সালা তুমিই করতে সক্ষম। তুমি আমায় ঐ সমস্ত মতভেদের মদ্যে যা খাঁটি সত্য, আসল হক তাই আমায় হিদায়াত করতে থাক। একমাত্র তুমিই তোমার বান্দাহকে সঠিক পথের হিদায়াত করতে পার। আমীন।

উমর › বিস্তারিত পোস্টঃ

***উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) এর ইসলাম গ্রহণ***

০৬ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:০৬

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম।

ওয়াস্সালাতু ওয়াস্সালামু আনা নাবিয়্যিনা মুহাম্মদ ﷺ।



রাসূল ﷺ এর সাহাবী উমর (রা) এর কথা মুসলিম মাত্রই কমবেশী সবাই জানে। উমর (রা) ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা ছিলেন। রাসূল ﷺ এর এই ছাত্র বিদ্যা-বুদ্ধিতে, শক্তিতে অন্যদের চেয়ে অগ্রগামী ছিলেন। বিশাল সম্রাজ্যের খলিফা হওয়া সত্যেও নির্ভিগ্নে গাছতলায় ঘুমাতেন। রোমান রাষ্ট্রদূত যখন মদীনায় উমর (রা) কে খোঁজ করতে এসে গাছের নীচে নির্ভিগ্নে ঘুমাতে দেখলেন তখন তিনি বললেন, “ওহে উমর! তুমি তোমার রাজ্য পরিচালনায় ইনসাফ করেছ আর যার কারণেই তুমি নির্ভিগ্নে ঘুমাতে পারছ”



ইসলাম গ্রহণের পূর্বে উমর (রা) মুসলিমদের দেখতে পারতেন না, একবার তার এক দাসী ইসলাম গ্রহণ করে। তিনি তাকে মারতে মারতে এক পর্যায়ে ক্লান্ত হয়ে বসে পরেন আর দাসীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমি তোমাকে মারা থামিয়ে দিয়েছি এই কারণে নয় যে আমি তোমার প্রতি দুঃখ অনুভব করছি আমি মারা থামিয়েছি কারণ আমি ক্লান্ত হয়ে গেছি। সেই মুসলিম দাসীটি উত্তরে বলেছিল, “আল্লাহ তাআলাই তোমাকে থামিয়ে দিয়েছে”।



কুরাইশরা একবার পরামর্শ সভার আয়োজন করে আর সেখানে সিদ্ধান্ত নেয় মুহাম্মদ ﷺ কে হত্যা করা হবে। তারা এই কাজের জন্যে আবহবান জানায় আর উমর (রা) খোলা তরবারী নিয়ে দাড়িয়ে যান, তারা বললো, হ্যাঁ, তুমিই কাজের জন্যে উপযুক্ত। উমর (রা) খোলা তরবারী নিয়ে রওনা হয়েছেন রাসূল ﷺ কে হত্যা করার জন্যে। একজন সাহাবী যিনি গোপনে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, তিনি উমর (রা) এই অবস্থায় ছুটতে দেখে বুঝতে পারলেন কোন সমস্যা হয়েছে। তিনি উমর (রা) কে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কোথায় যাচ্ছ? উমর (রা) বললেন, মুহাম্মদ ﷺ কে হত্যা করার জন্যে! সাহাবীটি উমর (রা) কে বললেন, মুহাম্মদ ﷺ কে হত্য করলে তুমি কি মনে করেছ ‘আবদে মানাফ’ তোমাকে ছেড়ে দিবে? (আবদে মানাফ হচ্ছে রাসূল ﷺ এর গোত্র আর তৎকালীন যুগে কোন গোত্রের কাউকে হত্যা করলে সেই গোত্রের সকলে মিলে তার হত্যার বদলা নিতো!) উমর (রা) বললেন, তোমার অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে তুমি নিজেই ইসলাম গ্রহন করেছ, তাই যদি হয় তাহলে তোমাকে দিয়েই হত্যা করা শুরু করি! সাহাবীটি বুঝতে পারলেন উমর (রা) কে এভাবে থামানো যাবে না। তাই তিনি বললেন, আচ্ছা! তার আগে তুমি তোমার পরিবারকে রক্ষা কর! উমর (রা) অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কি হয়েছে? সাহাবীটি বললেন, তোমার বোন এবং ভগ্নিপতি ইসলাম গ্রহণ করেছে সে খবর কি তুমি রাখ?



এই কথা শোনা মাত্র উমর (রা) ছুটলেন তার বোন ফাতেমা বিনতে খাত্তাব (রা) এর বাসার দিকে। তিনি যেয়ে যখন দরজার কড়া নাড়ছিলেন তখন বোন এবং ভগ্নিপতি সাইদ বিন যাইদ (রা), খাব্বাব (রা) এর নিকট কোরআন শিখছিলেন। উমর (রা) কে দেখতে পেয়ে খাব্বাব (রা) লুকিয়ে পড়লেন। ফাতেমা (রা) কোরআনের পাতাটিকে লুকিয়ে ফেললেন। উমর (রা) ঘরে প্রবেশ করে জিজ্ঞেস করলেন, গুণগুণ শব্দটি কিসের ছিল যা আমি শুনতে পেলাম? ফাতেমা (রা) বললেন, কিছু না তো! আমরাই কথা বলছিলাম। উমর (রা) বললেন, আমাকে মিথ্যা বলো না, সেই শব্দটি কিসের ছিল আর তোমরা নাকি ইসলাম গ্রহণ করেছ? সাইদ বিন যাইদ (রা) বললেন, ইসলাম তোমার পৌত্তলিক ধর্মের চেয়ে ভাল! এই কথা শুনা মাত্র উমর (রা) সাইদ বিন যাইদ (রা) এর উপর ঝাপিয়ে পড়লেন এবং তাকে মারা শুরু করলেন, বোন ফাতেমা (রা) স্বামীকে বাঁচাতে আসলে উমর (রা) তাকেও আঘাত করেন যার ফলে ফাতিমা বিনতে খাত্তাব (রা) এর মুখ দিয়ে রক্ত গড়িয়ে পরে। এরপর ফাতিমা (রা) বলেন, তুমি আল্লাহর দুশমন! তুমি আমাকে আঘাত করলে শুধু এই কারণে যে আমি আল্লাহকে বিশ্বাস করি; তুমি এটা পছন্দ কর আর না কর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই এবং মুহাম্মদ ﷺ আল্লাহর রাসূল। এখন তোমার যা খুশি তুমি করতে পার। বোনের এই দৃড়তা এবং বোনকে রক্তাক্ত দেখে উমর (রা) অনুতপ্ত হলেন। তিনি সাইদ (রা) এর উপর থেকে সরে গিয়ে বসে পড়লেন। উমর (রা) বললেন, তোমরা যা পড়ছিলেন সেটা আমাকে দাও। বোন বললেন, না, কখনই না! উমর (রা) বললেন, তুমি যা বলেছ তা আমার হৃদয়কে আলোড়িত করেছে, আমি প্রতিজ্ঞা করছি আমি সেটা পড়ার পর তোমাদের নিকট ফিরিয়ে দিব। ফাতিমা (রা) বললেন, তুমি মুশরিক অবস্থায় আছ, তোমাকে প্রথমে গোছল করে পবিত্র হতে হবে। উমর (রা) গোছল করে আসার পর ফাতিমা বিনতে খাব্বাব (রা) তাকে কোরআনের পাতাটি দিলেন। উমর (রা) পড়া শুরু করলেন।

“ত্বা-হা, (হে নবী) আমি (এ) কোরআন এ জন্য নাযিল করিনি যে, তুমি (এর দ্বারা) কষ্ট পাবে, এ (কোরআন) তো হচ্ছে বরং (কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়ার) একটি (উপায়) ও নসীহত মাত্র- সে ব্যক্তির জন্যে, যে (আল্লাহ তাআলাকে) ভয় করে, (এ কিতাব) তাঁর কাছ থেকে অবতীর্ণ, যিনি যমীন ও সমুচ্চ আকাশ সমূহ সৃষ্টি করেছেন; দয়াময় আল্লাহ তাআলা মহান আরশে সমাসীন হলেন। আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে, যা কিছু আছে এ দুয়ের মাঝখানে এবং যমীনের অনন্ত গভীরে, তা (সবই) তাঁর জন্যে। (হে মানুষ) তুমি যদি জোরে কথা বল তা (যেমন) তিনি শুনতে পান, (তেমনি) গোপন কথা- তাও তিনি জানেন। আল্লাহ তাআলা ছাড়া কোন ইলাহ নেই, যাবতীয় উত্তম নাম তাঁর জন্যেই (নিবেদিত)।” (সূরা ত্বাহাঃ ১-৮)



পড়ার পর উমর (রা) বললেন, এটাই কি সেটা যার বিরুদ্ধাচরণ করছে কুরাইশরা? এটা যার নিকট থেকে এসেছে তাকে অবশ্যই Worship করতে হবে। আমাকে বল, কোথায় মুহাম্মদ ﷺ কে পাব? যখন তারা বুঝতে পারলেন উমর (রা) ইসলাম গ্রহণ করার জন্যে খুবই আন্তরিক তখন তারা বলে দিলেন রাসূল ﷺ কে কোথায় পাওয়া যাবে। উমর (রা) বেড়িয়ে পড়লেন, মক্কার রাস্তা ধলে তিনি হেঁটে চলছেন, গলায় ঝুলছে তলোয়ার। সত্যের আলোর সন্ধানে তিনি উদ্ভাসিত, সত্য গ্রহণ করার জন্যে তিনি উদগ্রীব। যিনি কিছুক্ষণ আগে ছিলেন তার শত্রু আর এখন তিনিই হয়ে গেলেন উমর (রা) এর নিকট সবচেয়ে আকাংখিত ব্যক্তি।



রাসূল ﷺ সাহাবীদের নিয়ে বসে আলোচনা করছিলেন। এমন সময় উমর (রা) সেখানে যেয়ে দরজায় কড়া নাড়লেন। তলোয়ার সমেত উমর (রা) কে দেখে সাহাবীরা ভয় পেয়ে গেলেন কিন্তু হামযা বিন আব্দুল মুত্তালিব (রা) বললেন, তোমাদের কি হয়েছে? তারা বললো, উমর (রা) এসেছেন। হামযা (রা) বললেন, সে যদি ভালোর জন্যে এসে থাকে তাহলে তাকে স্বাগতম! আর যদি খারাপ কোন মনোবাসনা নিয়ে এসে থাকে তাহলে আমরা তাকে তার তলোয়ার দিয়েই হত্যা করব! হামযা (রা) একজন সাহসী সাহাবী ছিলেন, তাকে কুইরাশদের ঘোরসাওয়ার বলা হতো। হামযা (রা) দরজা খুললেন, তিনি এবং আরেকজন সাহাবী মিলে উমর (রা) দুই দিক থেকে বাহু ধরে রাসূল ﷺ এর নিকট নিয়ে এলেন। রাসূল ﷺ বললেন, তাকে ছেড়ে দাও! রাসূল ﷺ উমর (রা) জামা ধরে তার নিকট টেনে নিয়ে আসলেন, জিজ্ঞেস করলেন, ওহে খাত্তাবের পুত্র তুমি এখানে কেন এসেছ? তোমাকে আল্লাহ ধ্বংস করার পূর্বে কি তুমি ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা থামাবে না? উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) বললেন, ওহে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর প্রতি এবং তার রাসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করার উদ্দেশ্য ব্যতীত আমি অন্য কোন উদ্দেশ্যে এখানে আসিনি! রাসূল ﷺ সংগে সংগে আল্লাহু আকবর বলে উঠলেন! সাহাবীরা উমর (রা) এর আগমন দেখে লুকিয়েছিলেন, আল্লাহু আকবর ধ্বনি শুনে তারাও সমস্বরে তাকবীর দিয়ে উঠলেন। তারা বিশ্বাস করতেই পারছিলেন না যে উমর (রা) ইসলাম গ্রহণ করেছে! উমর (রা) যখন তার বোন ফাতিমা বিনতে খাত্তাব (রা) এর বাড়িতে কুরআন পড়ছিলেন তখন খাব্বাব (রা) আর লুকিয়ে না থেকে বের হয়ে এসে বলেছিলেন, ওহে উমর, আল্লাহ তাআলা রাসূল ﷺ এর দোয়া কবুল করেছেন। রাসূল ﷺ দোয়া করেছিলেন, ও আল্লাহ! আমর বিন হিশাম অথবা উমর ইবনুল খাত্তাব এই দুইজনের মাঝে যাকে আপনি পছন্দ করেন তাকে ইসলাম গ্রহণ করিয়ে ইসলামকে সম্মানিত করুন।



এই ছিল উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) এর ইসলাম গ্রহণ করার ইতিহাস। আরেকটি ঘটনা বলে এই লেখাটি শেষ করব কারণ অনেকেই হয়তো এই ঘটনাটি জানেন না!

ইসলাম গ্রহণ করার পূর্বে জাহিলী যুগে উমর (রা) মদ্যপান করতেন। একদিন গভীর রাতে তিনি বের হয়েছেন মদ পান করার জন্যে কিন্তু কোন মদের পানশালা খোলা না পেয়ে তিনি ভাবলেন, মদ যখন খেতে পারলাম না তাহলে এক কাজ করি কাবা ঘরের তাওয়াফ করে যাই! কাবা ঘরের নিকট যেয়ে তিনি দেখতে পেলেন রাসূল ﷺ একনিষ্ঠ মনে নামায পড়ছেন। চারদিকে নীরব নিস্তব্ধ, আশেপাশের পৃথিবী তখন ঘুমিয়ে গেছে। উমর (রা) চিন্তা করলেন যেহেতু মুহাম্মদ ﷺ একা আছেন তাই তাকে কিভাবে অতর্কিত আক্রমন করা যায়! তাই তিনি রাসূল ﷺ কাবার যেপাশে ছিলেন তার বিপরীত পাশে চলে গেলেন। বিপরীত পাশে যেয়ে তিনি কাবা ঢেকে রাখা কাপড়ের নীচে নিজেকে লুকিয়ে ফেললেন। তারপর ধীরে ধীরে এগুতে লাগলেন রাসূল ﷺ এর দিকে। যখন তিনি রাসূল ﷺ এর একদম কাছে এসে গেলেন তখন তিনি কুরআনের তিলাওয়াত শুনতে পেলেন। কুরআনের তিলাওয়াত মনোযোগ সহকারে শুনে তিনি মনে মনে বললেন, বাহ! কি চমৎকার, নিশ্চয়ই কোন কবির লেখা। রাসূল ﷺ তখন সূরা আল হাক্বাহ তিলাওয়াত করেছিলেন আর উমর (রা) যখন এই চিন্তা করছিলেন তখন রাসূল ﷺ ঠিক এই আয়াতটি পাঠ করছিলেন, “এটা কোন কবির কাব্যকথা নয়”। উমর (রা) এই আয়াত শুনে চমকে গেলেন, আরে সে কি গণক নাকি, সে কিভাবে আমার মনের কথা বুঝতে পারল! ঠিক এর পরেই রাসূল ﷺ তিলাওয়াত করলেন, “এটা কোন গণক কিংবা জ্যোতিষির কথাও নয়; যদিও তোমরা খুব কমই বিশ্বাস করো, (মূলত) এ কিতাব বিশ্বজগতের মালিক আল্লাহ তাআলার কাছ থেকেই (তাঁর রাসূলের উপর) নাযিল করা হয়েছে”। (সূরা আল হাক্বাহঃ ৪১-৪৩) এই আয়াত শুনে উমর (রা) তার জায়গায় জমে গেলেন এবং চিন্তা করলেন এটা নিশ্চয়ই আল্লাহর কালাম।



আল্লাহ তাআলা আমাদের সাহাবীদের মতো করে ইসলাম বুঝার তৌফিক দান করুন। আমীন।



যারা উমর (রা) এর জীবনী নিয়ে গভীর স্টাডি করতে চান তারা এই ভিডিও লেকচার গুলো ডাউনলোড করে দেখতে পারেন।



ডাউনলোড লিংক

মন্তব্য ১১ টি রেটিং +১৪/-১

মন্তব্য (১১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:২৪

কুয়াশা বলেছেন: সরাসরি প্রিয়তে। একটা ঘটনা বলি। সত্য বা মিথ্যা যাচাই করার সুযোগ হয়নি। সেটা হচ্ছে: - কয়েক বছর আগে কোন একদেশে (জায়গার নাম মনে নাই) পৃথিবীর বিখ্যাত সমাজ বিজ্ঞানি, রাষ্ট্রবিজ্ঞানি, রাজনৈতিক ব্যক্তি, বিভিন্ন ধর্মের জ্ঞানী ব্যক্তিরা এক সেমিনারে মিলিত হয়েছেন। উদ্দেশ্য বর্তমান এই পৃথিবীতে কি ভাবে আবার শান্তি ফিরিয়ে আনা যায়। ৭ দিন ধরে চলল সেই সেমিনা। সবশেষে মডারেটর তার ভাষনে বললেন আলোচনায় যেটা প্রতিয়মান হল বর্তমান পৃথীবির শান্তির জন্য উমরের মত একজন শাসক দরকার। কিন্তু আপনরা সকলে মিলে কতবছর সময় নিলে একজন উমর তৈরী করতে পারবেন? সবাই তখন খামস হয়ে যায়।

আগেই বলেছি ঘটনাটা যাচাই করা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। তবে যিনি এই কথাটা বলেছিলেন তিনি জ্ঞানী একজন ব্যক্তি।

২| ০৬ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৩৬

রাকা ও আমি বলেছেন: ধন্যবাদ। ঘটনাটা জানা ছিলো, তারপর আবার পড়লাম। ভালো লাগল।

৩| ০৬ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৪০

ভাবসাধক বলেছেন: দারুন !

৪| ০৬ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৫৩

উরা-ধুর০০৭ বলেছেন: +++++

৫| ০৬ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:০০

স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: +

৬| ০৬ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:০৩

এক মুসাফির বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার সুন্দর পোস্টের জন্য।
হা কথই না সুন্দর সেই সাহাবাদের জীবন।
ওমর (রাঃ) এবং অন্যান্য সাহাবীদের জীবন থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া আবশ্যক।তারা যেভাবে রাসুলের (সাঃ) কে ভালবেসেন নিজের জীবন দিয়ে,পুংখানু-পুংখানুভাবে রাসুলের (সাঃ) দেয়া আদেশ মেনে চলেছেন,আমাদের উচিত তাদের পথ অনুসরন করা।
তাই আমার রাসুল (সাঃ) বলেছেন-আমার প্রতিটা সাহাবা উজ্ঝল নক্ষত্র,এদের যে কাউকেই তোমরা অনুসরন করতে পার।
আল্লাহ আমাদের রাসুল (সাঃ) তরিকামত চলার তউফিক দান করুক।আমিন।

৭| ০৬ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:২২

অলস ছেলে বলেছেন: হুমম

০৬ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৯

উমর বলেছেন: অলসতা ছেড়ে এই লেখাটি পড়ার জন্যে ধন্যবাদ। আল্লাহ তাআলা আপনাকে সুস্থ রাখুন। আমীন।

৮| ০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:০৭

তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আপনার এই টপিকটাই আমি একটু অন্যভাবে লিখেছিলাম।

ওমর (রা)- আল-কু'রআন যাঁকে বদলে দিয়েছিল!

উমর(রা) বিশ্ব ইতিহাসেরই এক অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব....

০৬ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৪

উমর বলেছেন: আপনি চমৎকার লিখেছেন। আপনার লেখালেখির হাত পাকা। আল্লাহ তাআলা আপনার হাত দিয়ে আরো ভালো লেখা লেখার তৌফিক দান করুন। আমীন।

৯| ০৬ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৮

মিঃ পলাশ বলেছেন: ধন্যবাদ! + সহ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.