নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মঞ্জুর চৌধুরী

আমি ঝন্ঝা, আমি ঘূর্ণি, আমি পথ-সমূখে যাহা পাই যাই চূর্ণি’। আমি নৃত্য-পাগল ছন্দ, আমি আপনার তালে নেচে যাই, আমি মুক্ত জীবনানন্দ। আমি হাম্বার, আমি ছায়ানট, আমি হিন্দোল, আমি চল-চঞ্চল, ঠমকি’ ছমকি’ পথে যেতে যেতে চকিতে চমকি’ ফিং দিয়া দিই তিন দোল; আমি চপলা-চপল হিন্দোল। আমি তাই করি ভাই যখন চাহে এ মন যা, করি শত্রুর সাথে গলাগলি, ধরি মৃত্যুর সাথে পান্জা, আমি উন্মাদ, আমি ঝন্ঝা! আমি মহামারী আমি ভীতি এ ধরিত্রীর; আমি শাসন-ত্রাসন, সংহার আমি উষ্ন চির-অধীর! বল বীর - আমি চির উন্নত শির!

মঞ্জুর চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

সাড়ে চৌদ্দ শ বছর আগের আরব ভূখন্ডের এক ভদ্রলোক যেখানে এত স্মার্ট ছিলেন, সেখানে দুই হাজার ষোল সালে তাঁর ফলোয়াররা এত গর্ধব কেন হয়ে গেলেন সেটা বিরাট চিন্তার বিষয়।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১০:০২

অ্যামেরিকায় প্রতিবছর টর্নেডো হয়। টেক্সাসের টর্নেডোতো পৃথিবী খ্যাত। যদিও প্রতিবেশী স্টেট ওকলাহোমারগুলির ক্ষতির পরিমান হয় বেশি।
তা এইসব টর্নেডোতে গুটি কয়েক মানুষতো মরেই। দশজনের বেশি মরলেই দেশজুড়ে হায় হায় রব উঠে। প্রানের মূল্য এদেশে অনেক বেশি! সাথে ক্ষতি হয় বিলিয়ন ডলারের সম্পত্তির। যেখানে আমাদের দেশের যেকোন মৌসুমী সাইক্লোনের তুলনায় মৃতের সংখ্যা এখানে একেবারেই নস্যি, সেখানে অ্যামেরিকার টর্নেডোর খবর প্রথম আলোতে পড়ে আমার বাংলাদেশী ভাইয়েরা বয়ান দেন, "আল্লাহর গজব! পাপের শাস্তি!"
তাহলে নিজের দেশে যা ঘটে সেটা কী?
নেপালে যেদিন ভূমিকম্প হলো, সেদিন অনেক মানুষকে বলতে শুনেছিলাম, "আল্লাহর গজব পড়েছে।"
এখন দেশ কিছুদিন পর পর বড় বড় ভূমিকম্পে কেঁপে কেঁপে উঠছে, আর প্রতিবার এরা কোন না কোন নতুন থিওরি নিয়ে হাজির হচ্ছেন।
যেমন এইবারের থিওরি, "বেশরিয়াতি পহেলা বৈশাখ পালনের জন্য আল্লাহ ওয়ার্নিং দিয়েছেন।"
আরেকটা আরও হাস্যকর বয়ান, "মেয়েরা জিন্স পরে চলাফেরা করে বলেই ভূমিকম্প হয়।"
তাইলেতো ভাই অ্যামেরিকার ২৪ ঘন্টাই কাঁপাকাঁপির উপর থাকার কথা। এইদেশের সুন্দরী ললনারাতো হাঁটুর নিচে কিছুই পড়েনা!
প্রাকৃতিক দুর্যোগ একটা অতি স্বাভাবিক ঘটনা। যেমন চন্দ্র-সূর্যগ্রহণ। যেমন আপনার মলমূত্র ত্যাগ। আপনি যাই করুন না কেন - এইসব ঘটবেই।
আমাদের নবীজির (সঃ) ছেলের মৃত্যু দিনে সূর্য গ্রহণ ঘটেছিল। সাহাবীদের একজন বললেন, "নিশ্চই প্রকৃতিও শোক প্রকাশ করছে।"
পুত্রশোকে মুহ্যমান নবীজি(সঃ) পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝতে পেরেছিলেন। তাই সাথে সাথে সবাইকে ডেকে এনে সাবধান করে দেন, কুসংস্কারে বিশ্বাস করাও শিরক।
সাড়ে চৌদ্দ শ বছর আগের আরব ভূখন্ডের এক ভদ্রলোক যেখানে এত স্মার্ট ছিলেন, সেখানে দুই হাজার ষোল সালে তাঁর ফলোয়াররা এত গর্ধব কেন হয়ে গেলেন সেটা বিরাট চিন্তার বিষয়।
আরেকটা কথা।
অনেককেই দেখি ফেসবুকে ছবি প্রকাশ করতে, "সুনামির পরেও আল্লাহর ঘর মসজিদ অক্ষত। বলুন সুবহানাল্লাহ!"
"ভূমিকম্পের পরেও আল্লাহর ঘর মসজিদ অক্ষত! কয়টা লাইক হবে?"
কথা হচ্ছে, নবীজির আমলেই বন্যায় একবার কাবা ঘর ভেঙ্গে গিয়েছিল। জ্বী, বন্যায়, কাবা ঘর, ভেঙ্গে গিয়েছিল। হোলিয়েস্ট অফ দ্য হোলি প্লেসেস অন আর্থ। সেটাও বন্যায় ভেঙ্গে গিয়েছিল। এই কিছুদিন আগেও বন্যায় কাবা ঘর ডুবে যেত। মানুষ সাঁতরে সাঁতরে হজ্জ্ব-ওমরাহ পালন করতেন। এখন ড্রেনেজ সিস্টেম ভাল হওয়ায় হারাম শরীফে পানি জমে না। নাহলে প্রাকৃতিক ভাবেই এর অবস্থান এমন যে চারদিক দিয়ে পাহাড় ঘেরা, মাঝখানে নিচু ভূমিতে কাবা ঘর। ঠিক যেন বেসিন। পাহাড়ের জমাকৃত সব পানি এসে কাবা ডুবিয়ে দিত। কয়েক বছর পরপরই কাবা ঘর ভেঙ্গে আবারও পুনঃনির্মান করতে হয়। এর মানে এই যে কাবা ঘরের নয়, কাবার মালিকের উপাসনা করতে হয়।
কথা হচ্ছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুহূর্তে গ্যারান্টি নাই যে আপনি মসজিদে আছেন, নাকি মন্দিরে - আপনি এর শিকার হতেই পারেন। কারন সেগুলো স্রেফ একটি ভবন। ওখানে দাঁড়িয়ে আপনি আপনার ঈশ্বরের উপাসনা করেন। ব্যস।
যদি দূর্যোগের সময়ে একটি বহুতল ভবন ধ্বসে পরে, তাহলে সেখানে যেমন একজন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পরা ব্যক্তির মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে, ঠিক তেমনি একজন কট্টর নাস্তিকেরও সম্ভাবনা আছে প্রাণ নিয়ে বেরিয়ে আসার।
কাজেই দূর্যোগের সময়ে আন্দাজে কথা না ছড়িয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে আশ্রয় নিন। আল্লাহর নাম নিন। যদি বিপদ কাটে, তো আলহামদুলিল্লাহ।
আর যদি না কাটে, তাহলেও ভয় নেই। কোন অবস্থায় আপনার মৃত্যু হয়েছে সেটাই বড় বিষয়। হাতে তসবিহ ছিল নাকি বিয়ারের বোতল - সেটার উপরই নির্ভর করবে পরকালে আপনার পরিনতি।
যাই হোক, শেষে আবারও নবীজির (সঃ) সহিহ হাদিসটি মনে করিয়ে দেই। "কুসংস্কারে বিশ্বাস করাটাও শিরক।"
সবাই সাবধানে থাকবেন। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আমিন!

মন্তব্য ৫৪ টি রেটিং +২৩/-০

মন্তব্য (৫৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১০:২০

নতুন বলেছেন: "কুসংস্কারে বিশ্বাস করাটাও শিরক।"

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৪১

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: :)

২| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১০:২৫

সোজোন বাদিয়া বলেছেন: ভাল বলেছেন। ভাল থাকুন।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৪১

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ

৩| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১১:৪৪

বিজন রয় বলেছেন: দুঃখের বিষয় সাড়ে ১৪শত বছরে তারা স্মার্ট হতে পারল না। আর কি পারবে?

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৪১

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: এইটাই চিন্তার বিষয়। :/

৪| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১২:৩৪

বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন: যথার্থ ফলোয়ার হলে এমন হতো না। জ্ঞানের অভাবেই কুসঙ্গস্কার প্রতিষ্ঠা পায়।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৪১

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ১০০% সহমত

৫| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:১১

নাজমুস সাকিব অর্ক বলেছেন: gyaner ovabei tara prokito follower hote pare nai.

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৪২

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: :(

৬| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:২৫

ক্লাউড বলেছেন: ভালো লিখেছেন।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৪২

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ

৭| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:৩১

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন: চমৎকার বলেছেন । ফলোয়াররা বেশি অহেতুক আবেগী তাই এই অবস্থা । আসল ফলোয়ার কয়জন আছে সেটাই দেখার বিষয় ।

ভাল লাগলো লেখাটা ।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৪২

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই।

৮| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:৫৩

ডি মুন বলেছেন: প্রাকৃতিক দুর্যোগ একটা অতি স্বাভাবিক ঘটনা। যেমন চন্দ্র-সূর্যগ্রহণ। যেমন আপনার মলমূত্র ত্যাগ। আপনি যাই করুন না কেন - এইসব ঘটবেই।

ঠিক বলেছেন। গতকালকের ভূমিকম্প নিয়ে কিছু মানুষের আজগুবি কথাবার্তা শুনে আমিও এটাই ভাবছিলাম যে, মানুষ এত গর্ধব কীভাবে হয় !!!

ভালো থাকুন।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৪৩

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: জ্ঞানের অভাব।

৯| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ২:২৫

অপু তানভীর বলেছেন: এই সহজ কথাটা তাদের মাথায় কে ঢুকাবে ?

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৪৩

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: চেষ্টা করে যেতে হবে

১০| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ২:৩১

বিদ্রোহী চাষী বলেছেন: আপনার লেখাটা খুবই ভাল লেগেছে। লেখাগুলোকে চাকচিক্যরে তুলনায় মোলিক হলে ভাল হত, এভাবে সংস্কার হয় না বরং অপকর্মের সুযোগ পায়।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৪৪

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: "লেখাগুলোকে চাকচিক্যরে তুলনায় মোলিক হলে ভাল হত, এভাবে সংস্কার হয় না বরং অপকর্মের সুযোগ পায়।" - বুঝি নাই ভাই।

১১| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৪০

রিদওয়ান হাসান বলেছেন: আপনার কথার সাথে সহমত। শিরোনাম ও লেখার উপস্থাপনাও মনকাড়া। তবে উপমা-উৎপ্রেক্ষার ক্ষেত্রে আপনি ভুল করেছেন। আপনি লিখেছেন- ‘ ঠিক যেন বেসিন। পাহাড়ের জমাকৃত সব পানি এসে কাবা ডুবিয়ে দিত।’ এখানে এই উপমা যুৎসই নয়। বর্ণনাগত মিল থাকলেও মর্যাদাগত একটা ব্যাপার থাকে। কোথায় কাবা আর কোথায় বেসিন? লেখায় এ ধরনের উপমা পরিহার্য- যেটা অন্যের অন্তরে প্রকটভাবে আঘাত হানে।

সর্বোপরি, আপনি গামলার সাথেও উদাহরণ কষতে পারতেন। যার দ্বারা আপনার বক্তব্যও স্পষ্ট হত এবং কারোর মনে আঘাতও হানত না।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৪৬

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: জিওলজিতে "বেসিন" বলে একটা টার্ম আছে ভাই। চারদিকে পাহাড় ঘেরা মাঝের নিচু ভূমি, যেখানে পানি জমে - সেটাই বেসিন।

১২| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০০

সায়ান তানভি বলেছেন: দারুন লিখেছেন।এধরনের লেখা বেশি দরকার। মানুষ বেশি স্থুল কুসংস্কারাচ্ছন্ন। উন্নত সভ্য সমাজ গড়তে সচেতনতা বাড়ানো দরকার মানুষের।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৪৭

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: কথা এখানেই, সাহাবীরা কিন্তু কুসংস্কার মুক্ত ছিলেন। সেই সাড়ে চৌদ্দশ বছর আগে! আমরা এখনও সেটা মুক্ত হতে পারলাম না। :(

১৩| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৩৬

তপোবণ বলেছেন: আসলে বেসিন বলতে লেখক বোঝাতে চেয়েছেন "জল জমা হবার নিম্নভূমি"কে। মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরীর জন্য এমন লেখা আরো দরকার। খুব ভাল লেখা।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৪৮

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ঠিক বলেছেন। ধন্যবাদ!

১৪| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৪২

সাবলীল মনির বলেছেন: যুক্তিপূর্ণ লেখা, ভাল লাগল ।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৪৮

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ! :)

১৫| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫৫

ঢাকাবাসী বলেছেন: দারুণ লিখেছেন। আসলে আমাদের মাঝে অজ্ঞ গর্দভের সংখ্যাই বেশী তাই আজব সব তত্ব বেরোয়! এরা আবার ভাব ধরে একেকজন পন্ডিত আর কি!

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৪৯

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ভাই, আমাদের অলিতে গলিতে ভন্ড পীরের ছড়াছড়ি। আমাদের থেকে কী আশা করেন?

১৬| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: দুর্দান্ত বলেছেন ।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৫১

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ!

১৭| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:১৭

আমিই মিসির আলী বলেছেন: যত গর্জে তত বর্ষে না!
যে শিরোনাম দিলেন সে অনুযায়ী লেখাটা পাইলাম না।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৫২

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: আপনাকে মনোরঞ্জিত করতে পারলাম না বলে দুঃখিত।

১৮| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৯:৩০

বিজন রয় বলেছেন: আমিই মিসির আলী বলেছেন: যত গর্জে তত বর্ষে না!
যে শিরোনাম দিলেন সে অনুযায়ী লেখাটা পাইলাম না।

@]আমিই মিসির আলী .....এই ব্লগারের একটু ওরকম অভ্যাস আছে। এনার শিরোণামে অনেকটাই চমক থাকে। তবে এনার পড়াশোনাও আছে বেশ, তা এনার লেখা পড়লেই বোঝা যায়।

তবে এনার একটি বদঅভ্যাস হলো ইনি প্রতিইত্তর করেন না। তা না হলে ইনি অনেক বড় ব্লগার হতে পারতেন। সম্ভবত ইনি নিজের খুশিতেই ব্লগিং করেন।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৫৪

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ভুল বলেন নাই ভাই। সময় হয়না অন্যের লেখা পড়ার। ব্লগিং আমার কাছে অনেকটা ডায়েরি লেখার মতন। নিজের মনের কথা, উপলব্ধি প্রকাশ করা। লাইক/শেয়ার সীকার ব্লগার হওয়া টার্গেট না। তবে আমাকে ফেসবুকে ফলো করতে পারেন। ওখানে আমি বেশ নিয়মিত। Click This Link

১৯| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৯:৪৮

অলক সাহা বলেছেন: ভালো লিখেছেন

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৫৪

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ!

২০| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:৩৮

রাফা বলেছেন: ৭১-এ ইসলাম ভেঙ্গে দুই টুকরা করে পাকিস্তানের হাতে ধরিয়ে দিলাম ।গজবে তখনি আমাদের পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার কথা!
আমাদের প্রিয় নবী আর কোরআন'কে যদি প্রকৃতই অনুসরন করতো এই ফতোয়াবাজরা তাহোলে ৫০ বছর এগিয়ে থাকতাম আমরা পৃথিবীর অন্য যে কোন দেশের চাইতে।
অল্পবিদ্যা যে কতটা ভয়ংকর তা হারে হারে টের পাইতেছি প্রতিনিয়ত।ধন্যবাদ,মন্জুর চৌধুরী চমৎকার পোষ্টের জন্য।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৫৫

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ!

২১| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:৫০

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: কুসংষ্কারে বিশ্বাসী সঠিক অর্থ না জানা ও বোঝার ফলে।। দায়ী রাজনৈতিক পরিবেশও।।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৫৬

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: সঠিক শিক্ষার অভাব।

২২| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:৫৮

মুজাহিদ অনিক বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো। কিন্তু ওরা বুঝলে তো

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৫৬

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: সেটাই কথা

২৩| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৯:৩৯

মনসুর-উল-হাকিম বলেছেন: মাশাআল্লাহ, সুন্দর লিখেছেন। আলহামদুলিল্লাহ, জাজাকাল্লাহু খাইরান। শুভেচ্ছান্তে ধন্যবাদ।
মহান আল্লাহ আমাদর সবাইকে হেদায়েত দিয়ে দুনিয়া ও আখেরাতে নেক কামিয়াবী দান করুন, আমীন।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৫৬

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: জাজাকাল্লাহু খাইরান

২৪| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ ভোর ৬:৩২

সাগর মাঝি বলেছেন: "বেশরিয়াতি পহেলা বৈশাখ পালনের জন্য আল্লাহ ওয়ার্নিং দিয়েছেন।
"মেয়েরা জিন্স পরে চলাফেরা করে বলেই ভূমিকম্প হয়।"

মূর্খগুলোর কবে যে একটু বুদ্ধি বিবেক হবে।

২৫| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৮:৪৭

গোল্ডেন গ্লাইডার বলেছেন: সহমত

২৬| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:৩৫

চিত্রনাট্য বলেছেন: আপ‌নি খুব চমৎকার যু‌ক্তি দেন ৷

২৭| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:৪৫

মো কবির বলেছেন: আপনার শিরোনামের আলোকে বলছি, বর্তমানে বেশির ভাগ মানুষই দাবি করে, যে আমি তাকে অনুসরণ করি। কিন্তু সেটা শুধুই মুখে কাজে নয়। তাই আমরা তার মতো স্মার্ট হতে পারছি না।

২৮| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:৫৩

মো কবির বলেছেন: আর যারা তাকে শুধু মাত্র মুখেই মানে কাজে নয়, তারাই এই গুলো লিখে আর বিশ্বাস করে।
১। "সুনামির পরেও আল্লাহর ঘর মসজিদ অক্ষত। বলুন সুবহানাল্লাহ!",
২। "ভূমিকম্পের পরেও আল্লাহর ঘর মসজিদ অক্ষত! কয়টা লাইক হবে?"

আর সত্যিকার অর্থে আপনি যদি সত্যিকার ইসলাম এবং সেই স্মার্ট লোক কে মানে দেখতে যান তবে আপনাকে আরবে কিংবা বাহরাইনে জেতে হবে। তারা কখনো কোন প্রমান ছাড়া কাউকে কিছু বলবে না, প্রমানিত হলে আইন অনুযায়ী শাস্তি দিবে আর বাকিরা কিছু শুনলেই গালি গালাজ শুরু করে দিবে। অতচ গালি দেয়া ইসলামে নিষিদ্ধ।

একটু প্রমান দিচ্ছি, দেখেন হুজুর দাড়ি-টুপি, পাঞ্জাবি সবই পড়ে তার পরেও সিগারেট খায়, স্কুল-কলেজের অনুষ্ঠানে মেয়েরা নাচে আর তিনি প্রধান অতিথি হয়ে দেখেন।

শেষ একটা কথা বলি ভাই, ইসলামকে বুঝতে হলে, ইসলাম নাম নিয়ে কি করল সেটা দেখলে ভুল বুঝবেন,বরং আপনাকে দেখতে হবে আসলে ইসলাম গ্রন্থ গুলো কি বলে।

২৯| ২২ শে এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৫০

মহা সমন্বয় বলেছেন: ভাই একটা কথা বলব মইন্ড করবেন কি না জানিনা।
এই পৃথিবীতে কুসংস্কার মুক্ত কোন ধর্ম নাই। ধর্ম থেকেই মূলত যাবতীয় কুসংস্কারের উৎপত্তি।
view this link

৩০| ০১ লা মে, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আরেকটা আরও হাস্যকর বয়ান, "মেয়েরা জিন্স পরে চলাফেরা করে বলেই ভূমিকম্প হয়।"
তাইলেতো ভাই অ্যামেরিকার ২৪ ঘন্টাই কাঁপাকাঁপির উপর থাকার কথা। এইদেশের সুন্দরী ললনারাতো হাঁটুর নিচে কিছুই পড়েনা!
প্রাকৃতিক দুর্যোগ একটা অতি স্বাভাবিক ঘটনা। যেমন চন্দ্র-সূর্যগ্রহণ। যেমন আপনার মলমূত্র ত্যাগ। আপনি যাই করুন না কেন - এইসব ঘটবেই।
আমাদের নবীজির (সঃ) ছেলের মৃত্যু দিনে সূর্য গ্রহণ ঘটেছিল। সাহাবীদের একজন বললেন, "নিশ্চই প্রকৃতিও শোক প্রকাশ করছে।"
পুত্রশোকে মুহ্যমান নবীজি(সঃ) পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝতে পেরেছিলেন। তাই সাথে সাথে সবাইকে ডেকে এনে সাবধান করে দেন, কুসংস্কারে বিশ্বাস করাও শিরক।
সাড়ে চৌদ্দ শ বছর আগের আরব ভূখন্ডের এক ভদ্রলোক যেখানে এত স্মার্ট ছিলেন, সেখানে দুই হাজার ষোল সালে তাঁর ফলোয়াররা এত গর্ধব কেন হয়ে গেলেন সেটা বিরাট চিন্তার বিষয় .

++++++

৩১| ০৭ ই মে, ২০১৬ রাত ১:১১

মোঃ মঈনুদ্দিন বলেছেন: আপনার লেখা পড়ে মোহিত হলাম। চমৎকার আপনার উপস্থাপন স্টাইল। তবে একটা কথা মনে রাখতে হবে আর সেটা হলো, মানুষ বা প্রাণী যাই হোক তার কর্মের প্রতিফল সে ভোগ করবেই। প্রাকৃতিক দুর্যোগ যে আমাদের পাপেরই ফসল তা কিন্তু সত্যি। আমরা নিজেরাই নিজেদের বিপদ ডেকে আনছি। আপনি পৃথিবীতে আপনার কৃতকর্মের জন্য আদালতে বিচারের সম্মুখীন হচ্ছেন। আর যিনি বিশ্ব নিয়ন্তা তিনি বুঝি অন্যায় যে বা যারা করে তাদের শাস্তি ছাড়াই ছেড়ে দিবেন? পাপের শাস্তি পাপীকে তার জীবদ্দশাতেই ভোগ করতে হয় এবং মাত্রাভেদে বিচারের দিনেও তার প্রতিফল থাকবে। কথা হচ্ছে-ভুমিকম্প,জলোচ্ছাস বা অন্য আর যত দুর্যোগ রয়েছে তার সবই যে আমাদের কোন কোন অপরাধের জন্য হচ্ছে তা কে কাকে বলছে? নিছক অনুমান বা অন্ধবিশ্বাস খুবই ক্ষতিকর। বিশ্বাসীরা তাদের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হয় আর সাবধান হয়ে যায়। কিন্তু অবিশ্বাসীরা প্যাঁচ দেয় এবং প্রচার করতে থাকে পরকাল বলে কিছু থাকলেতো বিচার হবে? তারা বেশী সংস্কারবাদী প্রমাণ করতে গিয়ে উল্টো রথে, উল্টো পথে, উল্টো মতে চলবেই। আর অতি আবেগীদের মন্তব্য বা পোস্ট দেখে সমগ্র আলেম-উলেমাদের খাটো করতে পারেননা(আপনার ফলোয়ার এবং বিভিন্ন কমেন্টেটর গণ যেভাবে পাইকারী বলে চলেছেন তাদেরকে মীন করছি)। সবার জ্ঞান, প্রজ্ঞা আর অনুধাবণ এক নয়।। ধন্যবাদ ভালো থাকুন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.