নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মঞ্জুর চৌধুরী

আমি ঝন্ঝা, আমি ঘূর্ণি, আমি পথ-সমূখে যাহা পাই যাই চূর্ণি’। আমি নৃত্য-পাগল ছন্দ, আমি আপনার তালে নেচে যাই, আমি মুক্ত জীবনানন্দ। আমি হাম্বার, আমি ছায়ানট, আমি হিন্দোল, আমি চল-চঞ্চল, ঠমকি’ ছমকি’ পথে যেতে যেতে চকিতে চমকি’ ফিং দিয়া দিই তিন দোল; আমি চপলা-চপল হিন্দোল। আমি তাই করি ভাই যখন চাহে এ মন যা, করি শত্রুর সাথে গলাগলি, ধরি মৃত্যুর সাথে পান্জা, আমি উন্মাদ, আমি ঝন্ঝা! আমি মহামারী আমি ভীতি এ ধরিত্রীর; আমি শাসন-ত্রাসন, সংহার আমি উষ্ন চির-অধীর! বল বীর - আমি চির উন্নত শির!

মঞ্জুর চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

কুরআনের বিস্ময়

২২ শে এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১২:৩৫

একটা সময়ে আমি শিক্ষক ছিলাম, আমার ছাত্রদের পড়া বোঝানোর জন্য সহজ সহজ উদাহরণ ব্যবহার করতাম। তারা সহজে পড়া বুঝতে পারতো, রেজাল্ট ভাল করতো, তাঁদের মা বাবারাও এজন্য আমাকে পছন্দ করতেন।
অভ্যাস এখনও রয়ে গেছে। কাউকে কোন কথা বুঝাতে হলে সহজ উদাহরণ ব্যবহার করে বুঝানোর চেষ্টা করি। বেশির ভাগই বুঝতে পারেন।
এরপরেও যখন কেউ কথা বুঝেনা, বা বলা ভাল, ইচ্ছা করেই বুঝার চেষ্টা করেনা, তখন স্বাভাবিকভাবেই মেজাজ খারাপ হয়। কিন্তু সব ছাত্র ভাল হয়না - দুয়েকটা গাধা গর্ধব থাকবেই। রিয়েলিটি, মেনে নেয়া ছাড়া উপায়ও নাই।
এই লেখা সেই গাধা গর্ধব ছাত্রদের জন্য নয়। তবু পড়তে চাইলে পড়তে পারেন।
একটা উদাহরণ আমি সবসময়ে ব্যবহার করি। প্রিয় কবি নজরুলের কবিতা।
"Proclaim, Hero,
proclaim: I raise my head high!
Before me bows down the Himalayan peaks!"
কী সাদামাটা একটা ট্রান্সলেশন! এই লেখা পড়ে কে বলবে এটি স্রেফ বাংলা সাহিত্যেরই না, বরং বিশ্ব সাহিত্যেরই অন্যতম নক্ষত্র? এই কবিতার রস আস্বাদন করতে হলে বাংলায় পড়তে হবে, যে ভাষায় কবি তাঁর হৃদয় নিংড়ে দিয়েছেন -
"বল বীর –
বল উন্নত মম শির!
শির নেহারি’ আমারি নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির!"
কাজেই, কোন বিদেশী যদি নজরুলের কবিতার দুর্বল ইংলিশ ট্রান্সলেশন পড়ে তাঁকে ছোট করার চেষ্টা করে, তাহলে বিদেশী ভদ্রলোকটাকে কী আহাম্মক বলা যুক্তিযুক্ত হবে?
আমার ধারনা হবে।
এই পর্যন্ত ঠিক আছে? বুঝতে কোন অসুবিধা হয়নিতো?
তাহলে একই যুক্তিতে বাংলাদেশের কিছু অতি জ্ঞানী মতান্তরে মহাজ্ঞানী ভদ্রলোক, যারা নিজেকে নিউটনের চেয়েও বেশি বুদ্ধিমান মনে করেন কিন্তু আইনস্টাইনের চেয়ে কিঞ্চিত কম - যখন কুরআন শরীফের অতি দূর্বল ভাষায় রচিত বাংলা ট্রান্সলেশন পড়ে এর সমালোচনা করেন, বলেন, "এটি একটি কবিতার বই, তাও আহামরি কোন সাহিত্য রস খুঁজে পেলাম না" - তখন তাঁকে কী নামে অভিহিত করা যায়?
এইটা ঠিক কুরআন বুঝে পড়া উচিৎ। এবং এইটাও বাস্তবতা যে আরবি অত্যন্ত জটিল একটি ভাষা। তার উপর কুরআন রচিতও হয়েছে ক্লাসিক আরবি ভাষায়, যা বর্তমান আরবদের জন্যও অনেক কঠিন। সেখানে আমাদের দ্বারা আরবি শেখাতো অনেক কঠিন!
আমাদের কাছে একটাই উপায়, এইসব দূর্বল ট্রান্সলেশনের হলেও, সেটা পড়ে অর্থ বুঝা।
এবং তারচেয়ে বড় কথা, যেহেতু ট্রান্সলেশন দুর্বল, তাই কোন অংশে খটকা লাগলে রিসার্চ করে ক্লিয়ার হওয়া। ইন্টারনেটের সহজ লভ্যতার এই যুগে যে কাজটা একদম পান্তাভাত।
এখন আমি তখনই আহাম্মক হব, যখন নিজের বুদ্ধি দিয়ে কুরআনকে সমালোচনা করতে যাব।
"এই যে এখানে এইটা বলে ফেলেছে।"
"ঐ যে, ওখানে ওটা বলে ফেলেছে।"
সবচেয়ে মজার ব্যপার, এরা আমার সহজ ভাবে লেখা "বাংলা" লেখারই ভিন্ন অর্থ দাঁড় করিয়ে ইস্যু বানিয়ে ফেলে, সেখানে তাদের থেকে ভাল কিছু আশা করা যায় কিভাবে?
তা যা বলতে লেখাটা শুরু করেছিলাম, সেটা বলে ফেলা যাক।
কুরআনকে বিশ্ব সাহিত্যের অন্যতম বিস্ময় বলা হয়ে থাকে। মক্কার কুরাইশরা পর্যন্ত স্বীকার করে নিয়েছিল এই বস্তু কোন মানুষের পক্ষ্যে লেখা সম্ভব নয়।
কারন এটি বর্ণিত হচ্ছে এমন একজনের মুখ দিয়ে যে জীবনের চল্লিশটা বছর একটা কবিতার পূর্ণ চরণ নিয়েও হাজির হতে পারেননি।
জ্বী, আমাদের নবীজির (সঃ) কথা বলছি। মক্কার নিরক্ষর, জন্ম থেকেই এতিম, এক সময়ের রাখাল বালক, "আল-আমিন।" যখন মক্কাবাসীর মুখে মুখে কবিতা বানিয়ে ফেলার ক্ষমতা ছিল, ঠিক যেমনটা আধুনিক র‌্যাপারদের আছে, সেখানে আমাদের নবীজির কাব্য প্রতিভা ছিল শুন্য। তিনি কখনই কবিতা রচনা করতে পারেননি। নবী হবার পরেও তিনি যখন মদিনার রাষ্ট্রপতি, একজন সাহাবীকে তাঁর প্রধান কবি পদে নিয়োগ দেয়া হয়। কুরাইশদের কবিতার জবাবে মুসলিমদের পক্ষ্য থেকেও যেন কবিতা লেখা হয়।
ক্যুইক কুইজ, সেই কবির নাম কী?

যাই হোক। এই ব্যপারটা মোটামুটি অসম্ভব যে কুরআন শরিফ আমাদের নবীজির(সঃ) নিজের বানানো কোন সাহিত্য কর্ম। একটু আগেই বলেছি, এত প্রতিভা তাঁর ছিল না। এখনই বুঝতে পারবেন, এত প্রতিভা কারোরই নেই।
কুরআন শরীফের মোট একশ চৌদ্দটি সুরার মধ্যে সবচেয়ে বড় সুরাহ হচ্ছে বাকারা। আয়াত সংখ্যা ২৮৬।
সুদীর্ঘ এই সুরাহ শুরু হয়েছে ঈমানদার, মুনাফিক এবং কাফিরদের (শব্দটা কোন গালি না, আল্লাহর একত্ববাদে অবিশ্বাসীদের আরবিতে "কাফির" বলে, আমাদের দেশে কেউ যদি খারাপ অর্থে ব্যবহার করে, সে ছাগল) মধ্যে পার্থক্য বলতে বলতে। ইন্টারেস্টিং ব্যপার হলো, সুরাহর শেষ আয়াতগুলো - যেখানে আল্লাহর কাছে দোয়া চাওয়া হচ্ছে যাতে তিনি আমাদের ঈমানদার রাখেন, এবং অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে সাহায্য করেন। এখানেও মেইন টপিক ঈমান, মুনাফেক, এবং কাফির। যে টপিকে শুরু, সেই টপিকেই শেষ।
ব্যপারটিকে আরেকটু ইন্টারেস্টিং করতেই আসা যাক সুরাহর দ্বিতীয় আলোচনা টপিকে। আদম (আঃ) - ইবলিসের ঘটনা। মূল বক্তব্য আদম (আঃ) "লোভ" সামলাতে না পেরে বেহেস্তের কোটি কোটি কোটিইইই গাছের ফল ফেলে একমাত্র নিষিদ্ধ গাছটাই খুঁজে বের করে ফল খেলেন।
সুরাহ শেষের সেকেন্ড লাস্ট টপিক হচ্ছে কিভাবে সুদ বর্জন করতে হবে, কিভাবে আল্লাহর পথে ব্যয় করতে হবে, কিভাবে ব্যবসা করতে হবে ইত্যাদি। বলে রাখা ভাল, আল্লাহর পথে ব্যয় মানে স্রেফ মসজিদে দানকেই বুঝায় না। আপনার প্রতিবেশী, যে না খেয়ে আছে, এবং আপনি সেদিকে বিন্দুমাত্র খেয়াল না করে ব্লগিং করে ধর্মের গুষ্ঠী নাশ করছেন - সেই প্রতিবেশিকে খাওয়ানোকেই "আল্লাহর পথে ব্যয়" বলা হয়ে থাকে। কাজেই যদি কেউ বলে "ইসলামে মানবপ্রেম বলে কিছু নেই" - আমি বলবো তার মতন ছাগল পৃথিবীতে নেই।
আমি নিজে এমন একটা মানবপ্রেমিকে চিনতাম যে আল্লাহ-নবীকে গালাগালি করতো, সে দেখি একদিন রিক্সাওয়ালাকে পিটাচ্ছে। অপরাধ, অতি গরমের জন্য রিক্সাওয়ালা কেন ভাড়ার চেয়ে পাঁচ টাকা বেশি চাইলো!
ফেসবুকে এইসব আলগা মানব দরদী দেখলে বলতে ইচ্ছা হয়, "সত্যিই যদি মানব প্রেম থাকতো, তাহলে মানবের উপকার হয় এমন কিছু নিয়েই লিখতা। এই ধর্মের এইটা ঐটা খুঁত না বের করে কিভাবে সন্তানলালন পালন করতে হয়, কিভাবে সুখী দাম্পত্য জীবন চালাতে হয়, কিভাবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হয় - ইত্যাদি নিয়ে লিখতা।"
যাই হোক, তা এই সেকেন্ড লাস্ট টপিকে আল্লাহ বলছেন, "লোভ" সামলাতে। সুদের "লোভ" সামলাও, উপার্জিত অর্থের "লোভ" সামলে মানব উপকারে ব্যয় কর। সেকেন্ড এবং সেকেন্ড লাস্ট টপিক হচ্ছে "লোভ।"
এই পর্যন্ত যারা পড়ে ইন্টারেস্ট পেয়েছেন, তাঁদের জন্য ব্যপারটা আরেকটু ইন্টারেস্টিং হয়ে যায় তৃতীয় এবং শেষ হতে তৃতীয় টপিকে।
তৃতীয় টপিক ইহুদিদের নিয়ে। কিভাবে তাঁদের আইন দেয়া হয়েছিল, এবং তাঁরা কিভাবে তা ভঙ্গ করেছিল।
শেষ হতে তৃতীয়তে কী পাওয়া যায়? মুসলিমদের প্রতি আইন। তোমরা এইটা করতে পারবা, ওটা পারবা না। "আইন!"
প্রথম ও শেষে ঈমান, মুনাফেক, কাফির। দ্বিতীয় ও শেষ হতে দ্বিতীয়তে "লোভ।" তৃতীয় ও শেষ হতে তৃতীয়তে "আইন।"
চতুর্থ ও ষষ্ঠ টপিক "পরীক্ষা।"
চতুর্থ টপিকে আল্লাহ বলেছেন কিভাবে ইব্রাহিমের (আঃ) পরীক্ষা নেয়া হয়েছিল। ষষ্ঠ টপিকে আল্লাহ কথা দিচ্ছেন, আমাদের তিনি সম্পদ, জীবন, ভয়, ক্ষুধা, সন্তান ইত্যাদি দিয়ে পরীক্ষা করবেন।
ব্যপারটি আরেকটু ইন্টারেস্টিং হয়ে যায় ইব্রাহিমের (আঃ) দোয়ায়। যিনি দোয়া করছেন, আমরা যেন নিরাপদে থাকি, এবং খাদ্যের অভাবে না পরি।
আল্লাহ যে পরীক্ষার কথা বলছেন, তিনি সেখানে বলছেন "ভয়" (নিরাপদের বিপরীত) এবং ক্ষুধা (আহারের বিপরীত)।
এখন পঞ্চম বা মধ্যম বা কেন্দ্রীয় টপিক কী হতে পারে?
জ্বী, এখানেই আল্লাহ বলছেন কাবার কথা। ইন্টারেস্টিং ব্যপার হচ্ছে, আমরা পুরো বিশ্বের মুসলিমরা এই কাবাকে কেন্দ্র করেই নামাজ আদায় করি। কাবাকে কেন্দ্র করেই আমাদের ধর্ম। সুরাহর কেন্দ্রীয় টপিক তাই কাবা।
মধ্যম বা পঞ্চম টপিকে এসেছে কাবা প্রসঙ্গ, যেটি তৈরী করেছেন ইব্রাহিম (আঃ)। যিনি বনু ইস্রায়েল (ইহুদি) এবং বনু ইসমাইলের (মুসলিম) "যোগসূত্র" নবী।
এবং সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং আয়াতটি হলো "এমনিভাবে আমি তোমাদেরকে "মধ্যপন্থী" সম্প্রদায় করেছি যাতে করে তোমরা সাক্ষ্যদাতা হও মানবমন্ডলীর জন্যে......"
আল্লাহ আমাদেরএকটি "মধ্যপন্থী সম্প্রদায়" হিসেবে ঘোষণা করেছেন, কত নম্বর আয়াতে? ১৪৩। শুরুতেই বলেছিলাম, বাকারা কয় আয়াতের সুরাহ? ২৮৬। আমাদের মধ্যপন্থী সম্প্রদায় ঘোষণা করা হলো একদম সুরার মধ্য আয়াতে এসে। এর আগে পরে একটা টপিকের সাথে আরেকটা টপিককে সুনিপুন দখ্যতায় গেঁথে ফেলা হলো।
বিস্ময়কর না?
এখন কিছু পয়েন্ট নোট করা হোক।
কুরআন কোন লিখিতাকারে নাজেল হয়নি। সেই সময়ে কাগজ ছিল না। নবীজি (সঃ) লিখতে - পড়তে জানতেন না। কাজেই তিনি যদি বানিয়ে বানিয়ে এসব সুরাহ নাজেল করতেন, তাহলে পুরোটা তাঁর মাথায় সাজাতে হতো। তেইশ বছর ধরে একটি শব্দও এদিক ওদিক না করে মাথায় সাজিয়ে রাখা - কী পরিমান ট্যালেন্টেড কবি হতে হবে বুঝতে পারছেন?
তাও এত পরিশ্রম করেও কিনা সেই কবি বলছেন, "এটা আমার রচনা নয়, উপর হতে নাজেল হয়েছে। আমি কেবল বার্তাবাহক।"
এমন মহাপুরুষেরতো এমনিতেই ফ্যান হয়ে যেতে ইচ্ছা করে।
তারপরেও তিনি বলছেন, "খবরদার! আমার পূজা করো না, একমাত্র উপাসনা আল্লাহর কর। আমিও তোমাদের মতই তাঁর দাস!"
এবং তিনি সেটা নিশ্চিত করতেই তাঁর ছবি আঁকতে দেননি, তাহলে আজকে আমাদের ঘরে ঘরে তাঁর ছবি ঝুলতো, এবং সেখানে মালা ঝুলিয়ে আগরবাতি জ্বলানো হতো। এবং কোন শুভ কাজে যাওয়ার আগে কাপড়ে মোড়ানো কুরআন শরীফের মতন তাঁর ছবিতেও চুমু খাওয়া হতো।
এবং তিনি মৃত্যুর আগে কঠিনভাবে নিষেধ করে গেছেন তাঁর কবরকে যেন "মাজার" বানানো না হয়। কেন, সেটা বুঝতে হলে আমাদের দেশের যে কোন random মাজারে গেলেই চলবে।
তারপরেও তাঁর সমালোচনা করতে মানুষের বাঁধে না।
এবং তারপরেও একদল বলবে, "কুরআন পড়েছি, এতে এত অবাক হবার কী আছে?"
তা উপরে ঐ বিদেশী ভদ্রলোককে যে ডাকে অভিহিত করেছিলাম, সেই ডাকে কী এদের অভিহিত করাটা যুক্তিযুক্ত?
শুরু যেমন করেছিলাম নজরুলকে দিয়ে। শেষটা করি রবি ঠাকুরকে দিয়ে।
রবীন্দ্রনাথ যৌবনে যাওয়ানির জোশে মাইকেলের মেঘনাদ বধের সমালোচনা করে ফতোয়া জারি করেছিলেন, "বস্তুত ইহা কোন মহাকাব্যই নয়।"
প্রাপ্ত বয়ষ্ক হবার পর যখন তিনি উপলব্ধি করলেন তিনি কেমন বেকুবের মতন কাজ করেছিলেন, সাথে সাথে নিজের ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন।
এমনি এমনি কেউ কবি গুরু হয়না।
নিজের ভুল স্বীকার করতে হলেও বিরাট কলিজা থাকা আবশ্যক।
কথা হচ্ছে, আমাদের মধ্যে কয়জনের কলিজা কত বড়?
ডিসক্লেইমার, সুরাহ বাকারার এই মহা পান্ডিত্যময় বিশ্লেষণটি অবশ্যই আমার মাথা থেকে বের হয়নি। বিশ্লেষণ করেছেন ওস্তাদ নোমান আলী খান। অনেক ফ্যানাটিক ছাগুর মতে, তিনি "আধুনিক দাজ্জাল।"

মন্তব্য ২৪ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (২৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১২:৫৪

বিজন রয় বলেছেন: তাহলে একই যুক্তিতে বাংলাদেশের কিছু অতি জ্ঞানী মতান্তরে মহাজ্ঞানী ভদ্রলোক, যারা নিজেকে নিউটনের চেয়েও বেশি বুদ্ধিমান মনে করেন কিন্তু আইনস্টাইনের চেয়ে কিঞ্চিত কম ।

হা হা হা

২২ শে এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৫১

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: :)

২| ২২ শে এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:১০

চিত্রনাট্য বলেছেন: ছোট্ট একটা কবিতার অনুবাদও ব্যাক্তিভেদে অনুভূতির ভিন্নতা প্রকাশ পায়। সেখানে অনেক বছর আগের অনুবাদে একটু পার্থক্য থাকতে পারে।

যারা এই ইসলামকে ভুল প্রমাণ করার জন্য খুত ধরার চেষ্টা করে তাদের আমারও ছাগল মনে হয়। কুরআন নিয়ে বিধর্মীরাও বলেছিলো, এইটা কবিতা।

ভাল্লাগছে। সুরা বাকারার বিশ্লেষণও ভাল্লাগছে।

২২ শে এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৫১

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। :)

৩| ২২ শে এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ২:৪৭

মীর মোহাম্মদ উল্লাহ বলেছেন: কুরআনের মাহাত্য বুঝা সবার পক্ষে সম্ভব নয়। আল্লাহ তায়ালা যাকে তৌফিক দিয়ে থাকেন কেবল সে-ই বুঝতে পারে।
যা-ই হোক আমাদের উচিত কুরআন-সুন্নাহকে অনুসরন করা। অবশ্যই গবেষনা করা বড়ই হিম্মতের কাজ।

পোস্ট ভালো লাগলো। বিশ্লেষণও চমতকার।

২২ শে এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৫২

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ!

৪| ২২ শে এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৩:১৩

মুতাওয়াক্কিল বলেছেন: ভালো লিখেছেন ধন্যবাদ , জাঝাকাল্লাহ্ "

০৬ ই মে, ২০১৬ রাত ৩:০৮

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: জাঝাকাল্লাহ্

৫| ২২ শে এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৫২

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: জাঝাকাল্লাহ্

৬| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৭:০১

শাহজাহান আহমেদ বলেছেন: খুব ভাল লিখেছেন। ধন্যবাদ।

০৬ ই মে, ২০১৬ রাত ৩:০৮

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ!

৭| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৮:১৯

মুক্ত মনের বাক্য বলেছেন: মোবারকবাদ! আকাশের মতো এই হৃদয়টা বিশাল এক বিশ্লেসন খুজে পেলো, যা অনন্ত অসিম

০৬ ই মে, ২০১৬ রাত ৩:০৮

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ! :)

৮| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৯:৫৩

মাহিরাহি বলেছেন: এই জল-স্থল বা মাটি-পানি অর্থাৎ ৩২+১৩ মিলিয়ে আমাদের এই পূর্ণ পৃথিবী। ৩২+১৩=৪৫ স্থল
১০০% পৃথিবী।
পানির পরিমাণ
হল ৩২/৪৫*১০০%=৭১.১১১১,১১১১। অর্থাৎ
পৃথিবীতে পানির পরিমাণ হল ৭১.১১১১,১১১১
ভাগ। এবার মাটির পরিমাণ বের করা যাক। মাটির
পরিমাণ ১৩/৪৫*১০০%=২৮.৮৮৮৮,৮৮৮৯। আর
এটাই হচ্ছে সামগ্রিকভাবে জল ও স্থলের

৯| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৯:৫৮

মাহিরাহি বলেছেন: Prophets

Adam (25 times) Al-Yasa' (6:86 and 38:48) Ayub (4:163, 6:84, 21:83, 38:41)
Dawud (16 times) Dhul-Kifl (21:85, 38:48) Harun (24 times)
Hud (25 times) Ibrahim (69 times) Ismail (12 times) Ilyas (6:85, 37:123 and maybe 37:130) Ishaq (17 times) Isa (59 times total) as Isa (25 times), 'Al-Masih' (11 times) and Ibn Maryam (23 times) Idris (19:56, 21:85) Lut (27 times) Musa (136 times) Moses
Muhammad (4 times: 3:144, 33:40, 47:2, 48:29) Ahmad (61:6) (Muhammad and Ahmad are the same Nuh (43 times) Saleh (9 time Shu'ayb (10 times) Sulayman (17 times)
Yahya (5 times) Ya'qub (16 times Isra'il (43 times) Ya'qub and Isra'il are the same.
Yusuf (27 times) Yunus (4 times: 4:163, 6:86, 10:98, 37:139)
Zakariyya (7 times)

Non Prophets
Azar (6:74) Aziz (12:30, 12:51) Al-Samiri (20:85, 20:87, 20:95)
Abu Lahab (111:1) Dhul-Qarnayn (18:83, 18:86, 18:94) Fir'aun (74 times.)
Haman (28:6, 28:8, 28:38, 29:39, 40:24, 40:36) Imran (3:33, 3:35, 66:12)
Jalut (2:249, 2:250, 2:251)
Maryam (34 times) as the only woman mentioned in the Qur'an by her personal name. (A few scholars (such as Ibn Hazm)[109] see Maryam (Mary) as a Prophet, since God sent her a message via an angel)
Luqman (31:12, 31:13, 31:16) Qarun (28:76, 28:79, 29:39, 40:24)
Talut (2:247, 2:249 Iblis (11 times) Also 'Shaytan' or the Satan.[1]
Uzayr (9:30) Zayd ibn Harithah (33:37)
Abdullah

Angels mentioned with name

Gabriel (2:97, 2:98, 66:4)
Mikael (2:98)
Harut (2:102)
Marut (2:102)
Maalik (43:77)

নবীজি সা পরিবারের কারো নাম নেই!

তা অনেক কিছুই প্রমান করে।

০৬ ই মে, ২০১৬ রাত ৩:০৮

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ভাল বলেছেন।

১০| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৭

শামছুল ইসলাম বলেছেন: আল্লাহ্ আমাদের সকলকে সঠিক জ্ঞান দান করুন। আমীন।

খুব সুন্দর পোস্ট।

ভাল থাকুন।সবসময়।

০৬ ই মে, ২০১৬ রাত ৩:০৯

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: আপনিও ভাল থাকুন।

১১| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:০৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অনেক সময় নিয়ে পড়লাম , ভাল লাগলো ।

০৬ ই মে, ২০১৬ রাত ৩:০৯

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ!

১২| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:৪৮

কালনী নদী বলেছেন: সুন্দর পোস্ট ++++

০৬ ই মে, ২০১৬ রাত ৩:০৯

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: :) :) :)

১৩| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৯:৪১

গ্রিন জোন বলেছেন: লেখক মনে হয় ছাগুদের দোষ দিয়ে গাঁ বাঁচানোর চেষ্টাই করেছেন। কারণ এ ধরণের লেখাকে ছাগুদের লুফে নেয়ার কথা।

০৬ ই মে, ২০১৬ রাত ৩:১১

মঞ্জুর চৌধুরী বলেছেন: লেখকের গা বাঁচানোর অভ্যাস নেই। যা সত্যি তাকে সত্যি এবং যা মিথ্যা, তাকে মিথ্যা বলতে লেখকের ভয় করেনা। লেখক উপরওয়ালা ছাড়া কারও পরোয়া করেনা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.