| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মেসি০০৭০০৭
আমি একজন স্টুডেন্ট তাই ভালো কিছু করতে চাই।
আজ ভাবতেও অবাক লাগে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে আমরা বাঙালীরাই হত্যা করলাম, তাও সপরিবারে! এই লজ্জা, এই কালিমা বাঙালী জাতিকে তাড়া করবে শত বছর ধরে! একাত্তরে পরাজিত পাকিস্তানী এজেন্টরা বাংলাদেশকে আবার পাকিস্তানে রূপান্তরিত করার জন্য রাতের আঁধারে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে এ মাসে হত্যা করেছিল। ভেবেছিল বঙ্গবন্ধু ছাড়া বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের অপমৃত্যু ঘটবে, বাংলাদেশ আবার পাকিস্তান হয়ে যাবে! কিন্তু তাদের সেই স্বপ্ন সফল হয়নি, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে, বাঙালী আজ প্রমাণ করেছে ‘মৃত বঙ্গবন্ধু জীবিত বঙ্গবন্ধুর চেয়ে শক্তিশালী!’ বাঙালী জাতির কুলাঙ্গার, এ দেশীয় পাকিস্তানী এজেন্ট, বঙ্গবন্ধুর খুনীরা ইতোমধ্যেই কঠিন শাস্তি পেয়েছে, জাতি আজ কলঙ্কমুক্ত হয়েছে! অবশিষ্ট খুনীরা প্রাণের ভয়ে পথহারা কুকুরের মতো এদিক-সেদিক পালিয়ে বেড়াচ্ছে! তাই এই শোকের মাসের অঙ্গীকার পালিয়ে থাকা খুনীদের ধরে এনে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝোলানো হোক। এই শোকের মাসের আরও অঙ্গীকার হোক ‘বঙ্গবন্ধুর স্বাধীন দেশে রাজাকার-আলবদর-স্বাধীনতা বিরোধীদের কোন ঠাঁই নেই!’ ত্রিশ লাখ নরনারীর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত দেশে ‘মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষ’ বলে কিছু থাকতে পারে না! ’৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর পরাজিত পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে ‘স্বাধীনতাবিরোধী (বিপক্ষ) শক্তির মৃত্যু হয়েছে!’ তাই বাংলাদেশে থাকার অধিকার থাকবে একমাত্র মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির, অন্যদের দেরিতে হলেও আজ বিদায় নেবার সময় হয়েছে। একাত্তরের আত্মস্বীকৃত খুনী রাজাকার গোলাম আযমের রায় এবং সুপ্রীমকোর্টে জামায়াতে ইসলামের নিবন্ধন বাতিলের পর পাক সরকার এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রতিবাদের মাধ্যমে এটা প্রমাণিত হলো যে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম পাকিস্তানের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ! তাই জামায়াতে ইসলামকে বেআইনী ঘোষণা করে এখনি বিলুপ্ত করা হোক আর সেই সঙ্গে এই দলের অঙ্গসংগঠন এবং নেতা-কর্মীদের বাংলাদেশের বাইরে পাঠিয়ে দেয়া হোক। তা হলেই বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মা শান্তি পাবে আর কলঙ্কমুক্ত হবে বাঙালী জাতি।
©somewhere in net ltd.