নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মেটাফর

মোমবাতি হয়ে বেঁচে না থেকে একদিন গ্রেনেড হয়ে ফেটে যাবো।

মেটাফর › বিস্তারিত পোস্টঃ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে নব্য চুলকানী ওঠা সুশীলদের উদ্দেশ্যে।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:২৮

মানিক নিয়া লাফান কেন? ওই মিয়ারা, মানিকরে কি সরকার, পুলিশ, জনগন ক্যাম্পাস থাইকা বাইর করসিলো? জাহাঙ্গীরনগর ভার্সিটির সাধারণ স্টুডেন্টরা এইসব কুলাঙ্গাররে ক্যাম্পাস থেকে বের করসিলো। মানিক এবং তার সাঙ্গপাঙ্গ লেজ গুটিয়ে ভাগসিলো সেইদিন। আমাদের ক্যাম্পাসের সাধারন ছাত্ররা তখন ব্লগ, ফেসবুকে বইসা গা উজাড় করেনাই।



আমি র‍্যাগিং-এর সাপোর্টে না। প্রশ্নই আসেনা। র‍্যাগিং একেবারে সোজাসুজিভাবে মানসিক এবং যৌন হয়রানি। আমরা প্রথম বর্ষে র‍্যাগিং যেভাবে দেখেছি, আমাদের জুনিয়ররা এতটা দেখেনাই। সত্যিকার অর্থেই এখন র‍্যাগিং অনেকটা কমে গেছে। এখনো জিনিসটা শেষ হয়ে যায়নাই এটা একটা বড় আক্ষেপ এবং লজ্জার বিষয়। তবে বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি, আমি আমার ডিপার্টমেন্ট বা অন্য ডিপার্টমেন্টের কোন বান্ধবীকে বলতে শুনিনি যে তারা র‍্যাগিং-এর শিকার হয়েছে। ছেলেদের হলগুলোতে র‍্যাগিং এখনো চলে, কিন্তু মেয়েদের ব্যাপারে ঘটনাটা পুরাই ভিন্ন। রাস্তায় মেয়েদের র‍্যাগিং, অতি অসম্ভব। যদি এরপরেও আপনার কথা বলার জন্য মুখ চুলকাতে থাকে, একদিন ক্যাম্পাসে এসে চেষ্টা করে দেইখেন। হলে আমাদের ব্যাচেরই ৪টা ছাত্রলীগ এক বছর করে বহিষ্কারাদেশ খেয়েছিলো শুধু খাবার দোকানে বসে জুনিয়র ছেলেকে র‍্যাগিং-এর জন্য। মেয়েদের র‍্যাগ দেবে রাস্তায়? আপনারা জাহাঙ্গীরনগরকে কি মনে করেন জানিনা। হয়তো অনেক Inferiority Complex থেকে আসে এগুলা।



এখন আসি ফেসবুকে দেয়া সেই পোস্ট নিয়ে, 'মেয়েদের টিকে থাকতে হলে শরীর বিকিয়ে দিতে হয় মানে?' তাও এই কথা শোনা ইডেন কলেজের একজন আপুর কাছ থেকে? এইটারে রেফারেন্স ধরে কথা বলতে লজ্জা করেনা? অথর্ব-অক্ষমতার একটা সীমা আছে। আপনারা কি জানেন যে জাবি এখনো পর্যন্ত একমাত্র ক্যাম্পাস যেখানে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত কোন শিবির নাই? অন্য ক্যাম্পাসের বদনাম করিনা, এই জিনিসটা শিখিনাই। ছাত্রলীগ গত কয় বছরে ক্যাম্পাসের পরিবেশ আরো খারাপ করে ফেলেছে, এটারে ডিফেন্ড করছিনা; কিন্তু একই কথা সারা দেশের(এবং সব শিক্ষাঙ্গনের জন্য) প্রযোজ্য। এই সমস্যাগুলার পেছনে রাজনৈতিক ঢাল না থাকলে আরো আগেই এগুলা উঠে যেত।



"কিন্তু জুনিয়র মেয়েদের রাস্তায় বা হলে র‍্যাগিং; মেয়েদের শরীর বিকিয়ে দিতে হয়"-এগুলা বইলা যদি ঝাঁপায়া পড়তে চান, পড়েন। সামনে পইড়েন না, মাড়িয়ে দেব। একটা স্পর্শকাতর ইস্যু নিয়ে মিথ্যা অপবাদ দেয়ার পর, আপনাদের চিন্তাধারার সাথে একজন ধর্ষকের ফ্যান্টাসির আমি কোন পার্থক্য দেখিনা।



বিঃদ্রঃ ফেবুতে যথেষ্ট পরিমান গদাম দিয়া মেজাজ পুরাই বিলা। ফালতু-অযৌক্তিক কমেন্ট করলে উত্তরে ভদ্রতা আশা করবেন না।

মন্তব্য ৪০ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৪০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:৪০

স্বপনবাজ বলেছেন: শুভকামনা থাকলো আগামী দিনের জন্য ! বাকী লজ্জা টা ও মুছে যাক !
আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি কিংবা জাবির আগের ইতিহাসের কারণেই যখন ঘটনা টা গুজব বলা হয় তখন আর অনেক্র মতই আমার ও বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়েছে , না জানি আবার ক্ষমতার বলে চাপা দেয়া হচ্ছে গুমড়ে থাকা কান্না ! ঘটনা সত্যি না মিথ্যা সেটা আমি নিশ্চিত ভাবে বলতে পারছিনা ,অনেকেই পারছেন না , দুর্নিতীর এই দেশে কাগজে , কলমে , মান সম্মানের ভয় দেখিয়ে , কিবা জীবনের ভয় দেখিয়ে অনেক কিছুই চাপিয়ে রাখা সম্ভব ! ভয় টা সেখানেই ! আশা করি ঘটনাটি গুজব , যা হবার তা হয়েছে , কিন্তু এই গুজবেই জন সমর্থন কি প্রমাণ করেনা ওখানে পরিস্থিতি কিছু টা ধোয়াটে ! আশা করি এই গুজব কে সত্য ভেবে র‍্যাগিং এর বিষয়ে প্রশাসন আরো বেশী সচেতন হবে ! কিন্তু অনেক অনেক অন্যায় কিন্তু চাপা পড়েছে ক্ষমতার আড়ালে , কেউ ইচ্ছা করে খারাপ হয় না , ক্ষমতার স্বার্থে , লোভে খারাপ বানানো হয় , জাবির ভৌগলিক অবস্থানের কারণে সেখানকার অনেক কিছুই সামনে আসেনা এটা ও সত্য ! আর র‍্যাগিং কেন্দ্র করে যেসব বিষয় ঊঠে আসছে তার ব্যাপারে জাবির ছাত্র ছাত্রীরা যারা সমালোচনা করছে , তারা আরো বেশী সচেতনতার বাণি ক্যাম্পাসে প্রচার করলেই পারে , খারাপ পরিবেশের কথা যদি মানুষ জানে ভালো হলে সেটা ও জানবে !শুভকামনা থাকলো অনিন্দ্য সুন্দর জাবির সুন্দর ইমেজের জন্য !

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:০২

মেটাফর বলেছেন: আপনার সুন্দর কথাগুলোর জন্য ধন্যবাদ। পরিস্থিতি একেবারে চমৎকার, এ কথা আমি বলছিনা। র‍্যাগিং-এর ব্যাপারে জাবি ক্যাম্পাসের দুর্নাম আগে থেকেই ছিলো। তবে আমাদের সিনিয়র কিছু ব্যাচ থেকেই প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ব্যাপারটা কমে এসেছে। জাবির ছাত্ররা সবাই হঠাৎ করে ভালো হয়ে গেছে ঘটনাটা তা না। প্রায় সব ক্ষেত্রেই ব্যাপারটা এমন হয় যে, "আমি র‍্যাগ খাইসি, আমি দিমুনা কেন?"

এই ধরনের একটা রোষ থেকে র‍্যাগিং সংস্কৃতি চলে এসেছে। প্রশাসন এবং বিশেষ করে অসংখ্য সিনিয়রের কাছে আমি অশেষ কৃতজ্ঞ, যারা এই চক্রটাকে ভাঙ্গার জন্য এগিয়ে এসেছেন। গত কয় বছরে র‍্যাগিং-এর প্রকোপ অনেক কমে এসেছে। এখনো আশা করছি, ক্যাম্পাস ছেড়ে যাওয়ার আগেই র‍্যাগিং পুরো বন্ধ দেখে যাবো।

তবে হ্যাঁ, উপরের সব কথাগুলোই ছেলেদের হলের জন্য প্রযোজ্য। হলের ভেতরে বা বাইরে মেয়েদের র‍্যাগিং আমি ক্যাম্পাসে কখনো দেখিনাই, বা শুনিনাই। হঠাৎ করে এইভাবে এই কালচারটা শুরু হয়ে গেছে আমি বিশ্বাস করতে পারিনাই। আমি ঘটনাটার সত্যতা যাচাই করতে চেষ্টা করেছি, এবং আসলেই কোন সত্যতা পাইনি। যদি পেতাম, আজকে দুপুরে আমি রেজিস্টার বিল্ডিং-এর সামনে মানবন্ধনে দাঁড়িয়ে থাকতাম; হয়তো এখন, এই মুহূর্তে র‍্যাগিংবিরোধী পোস্টার লিখতাম।

আবারো ধন্যবাদ স্বপনবাজ ভাই।

২| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:৪১

অতন্দ্র তওসিফ বলেছেন: এইসব নব্য সুশীল জাতির বিবেকদের কাছে আমার সনির্বন্ধ অনুরোধঃ কম্বল থেকে লোম বাছবেন ভাল কথা, দয়া কইরা লুঙ্গিটা আগে সামলায়েন।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:০৩

মেটাফর বলেছেন: সহমত।

৩| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:৪৩

খাটাস বলেছেন: মেয়েদের টিকে থাকতে হলে শরীর বিকিয়ে দিতে হয় মানে?' তাও এই কথা শোনা ইডেন কলেজের একজন আপুর কাছ থেকে???
কথা তা ব্যাখ্যা করলে ভাল হয়।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:০৬

মেটাফর বলেছেন: যে ফেসবুক পোস্ট থেকে এই বিতর্কের শুরু, সেখানে লেখা ছিলো জাবি ক্যাম্পাসে মেয়েদের টিকে থাকতে হলে পলিটিক্যালদের কাছে শরীর বিকোতে হয়। কথাটি লেখক শুনেছেন তার এক ইডেনপড়ুয়া আপুর কাছে।

আমি পুরো পোস্টটুকু quote করে আনতে পারতাম, কিন্তু কেন জানি ওই পোস্টটা আরেকবার পড়তে রুচি হচ্ছেনা। একটু সার্চ দিয়ে দেখেন, ব্লগেই পাবেন।

ধন্যবাদ।

৪| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:৪৬

স্বাধীকার বলেছেন:
ভাই এই যে প্রচারণা সেটার পেছনে সূদূর প্রসারী একটি পরিকল্পনা। জাবি অপবিত্র হয়ে গিয়েছে, সেখানে মওদুধী কিতাব বাস্তবায়ন না করা পর্যন্ত পবিত্র করা যাচ্ছেনা। কিন্তু কিছু দায়িত্বশীল ব্লগারের অতীত ক্ষোভ থাকতে পারে, তাই এ গুজবের সুযোগে একটু মজা নিতে চাওয়া আরকি। তাদের দোষ দিচ্ছিনা। আপনারা যারা ক্যাম্পাসে আছেন তাদের কাছে অনুরোধ থাকবে, চোখ কান খোলা রাখুন, কোনো পটভূমি যেন তৈরী না হয়, তাতে কোনো অপশক্তি এখানে মাথাচাড়া দিয়ে উঠে.........

জাবিতে শিবিরকে বৈধতা দিলেই এসব থাকবেনা-এমন একটা প্রচারণা আড়ালে চলছে বহু দিন। যেকোনো মূল্যে ছাত্রশিবির জাবি ক্যাম্পাস দখল করতে চায়। দুই বার ঘুমন্ত অবস্থায় দখল করতে পারলেও সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের প্রতিরোধের মুখে পালিয়ে গিয়েছে।
বাংলাদেশের একমাত্র ক্যাম্পাস যেখানে মৌলবাদী রাজনীতিমুক্ত, চিরতরে নিষিদ্ধ। ছাত্রশিবিরের অন্যতম টার্গেট হলো জাবি ক্যাম্পাস দখল করা, যাতে ঢাকাকে অবরোধ করতে ৩৮টি জেলার সংযোগ ঢাকা-আরিচার রোডটি নিয়ন্ত্রণ নেওয়া যায়। তৎকালীন শিবিরের বহু ডায়েরীতে আমরা তাদের বহু পরিকল্পনার ছক দেখেছি। এখন আড়াল থেকে জাবিকে কলংকিত করে সেখানে মওদুধীবাদী কিতাব কায়েম করতে হবে, পবিত্র করার তাগিদে নিজেরা ক্যাম্পাসে ঢুকার বৈধতা আনার ধান্ধায় এসর পরিকল্পিত প্রচারণা চালাচ্ছে। সাধারণদের বুঝানোর চেষ্টা করছে জাবি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। সাধারণরা ভিতরের অবস্থা জানেনা। জাবি খারাপ এটা নাকি বাংলাদেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই জানে-অথচ আমরা সেখানে পড়ে জানতে পারলাম না, আফসোস!!

জাবির ছাত্রদল, ছাত্রলীগ, ছাত্রফ্রন্ট, ছাত্রইউনিয়ন, ছাত্রফেডারেশন, জাবি থিয়েটার, ধ্বনি, সংকীর্তন যতদিন আছে-ততদিন কোনো মৌলবাদী পরিকল্পনাই বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হবেনা। ক্যাম্পাসের পেছনের গ্রামে বিয়ে করেও সংসার পেতেও শিবির জাবি দখল করতে পারেনি। পারবেনা, যত মিথ্যাচারই করুক। মানিক ধর্ষক -তাকে ক্যাম্পাস ছাড়া করেছে সেদিনের নির্ভিক শিক্ষার্থীরা, বিশ্ববিদ্যালয়প্রশাসন, সরকার সব মানিকের ফেবারে থাকার পরও আমরা আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছি, টিয়ার গ্যাস খেয়েছি, রাতে হলে ঘুমাতে পারিনি, ভিসির বাড়ীর গেইটে সারারাত অবরুদ করে রেখেছি। আমিতো বলবো বহু জঘন্য ছাত্রনেতা বহু ক্যাম্পাসে আছে মানিকের মতো-তারা তার উচ্ছেদ করতে পারেনি। কিন্তু জাবির শিক্ষার্থীরা সকল প্রতিকূলতার মধ্যেই মানিককে ক্যাম্পাস ছাড়া করেছে, ১৭জনের ছাত্রত্ব বাতিল করেছে, আজীবন বহিস্কার করতে বাধ্য করেছে।

জাবি সম্পর্কে মন্তব্যকারী সচেতন ব্লগারদের বলবো-শিবিরীয় প্রচারণায় আবেষিত হয়ে জাবিকে গালি দিয়ে নিজের অতীত ক্ষোভ মেটাতে পারবেন, কিন্তু সমস্যার সমাধান হবেনা। বিশ্ববিদ্যালয়ে যেকোনো অপশক্তির বিচরণ অসম্ভব কিছু নয়, র‌্যাগিং হয়নি কখনো-সেটাও নয়। কিন্তু আমাদের সহযোগিতা করবেন আন্তরিকভাবে, ঘৃণা করে নয়। যাতে আমরা এর প্রতিকার করতে পারি। অন্যথায় যারা এ ধরণের প্রচারনায় লাভবান হতে চায়, তারা সেখানে ঢুকার বৈধতা চাইবে, বিশ্ববিদ্যালয় গুলো কওমী এতিমখানা হয়ে যাবে। বিশ্ববিদ্যালয় গুলো মুক্তচিন্তার সার্বজনীন বিশ্বজনীন দৃষ্টিভঙ্গি হারাবে। যেকোনো অপসংস্কৃতির বিরোদ্ধে সচেতন ব্লগারদের উৎকণ্ঠাকে সাধুবাদ জানাই, সহযোগিতা চাই এর অবসানে। কিন্তু ঘৃণা বা বিদ্বেষমূলক মন্তব্য আমাদের অন্য ইঙ্গিত দিতে পারে, প্লিজ যৌক্তিক মন্তব্য আশা করছি, কাম্য পরামর্শ প্রত্যাশা করছি। অনলাইন হিরো হতে গিয়ে অনেকেই দায়িত্বশীলতার সীমালংঘন করছেন, নিজেকে ছোট করছেন-যা কাম্য নয়।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:২৫

মেটাফর বলেছেন: ভাই, আপনি মানিক উচ্ছেদ আন্দোলনে ছিলেন। আপনাকে সালাম। তখন প্রথম বর্ষে পড়ি; দোসরা আগস্টের দিনে মুক্তমঞ্চে অনেকগুলো মোমবাতি দেখে, নাটক হচ্ছে ভেবে গেলাম। আসলে তখন স্মৃতিচারণ পর্ব চলছিলো। অদ্ভুত বাক্যহীন হয়ে কথাগুলো শুনেছিলাম সেদিন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন কেমন হবে এ নিয়ে অনেকগুলো আশাভঙ্গ হয়েছিলো প্রথম থেকে(রুম সংকট, বাস সংকট, ছাত্র রাজনীতি এইসব); কিন্তু আমার স্পষ্ট মনে আছে ঠিক ওইদিন, ঠিক ওইদিন আমার মনে হয়েছিল-না ঠিকই আছে। এইটাই আমার ক্যাম্পাস। এইটাই ভার্সিটি লাইফ। বিশ্ববিদ্যালয় মানে শুধু ছাত্র রাজনীতি, রুম পলিটিক্স না; বরং এগুলোকে ধাক্কা দিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো। খুব কষ্টে কিংবা খুব আরামে হলের দিনগুলো গিয়েছিলো তা বলবোনা, কিন্তু জীবনের অনেক বড় একটা শিক্ষা পেয়েছিলাম ওইদিন।

আর শিবিরের যে ব্যাপারটা বললেন ভাই, এই জাবি ক্যাম্পাসটাই আছে যার গায়ে কিনা এখনো পর্যন্ত কোনদিন শিবির শাসন চলেনি। ছাত্রলীগ বা ছাত্রদল খুব ভালো বলবো না। বলা সম্ভব না। কিন্তু শিবিরের ধর্মরাজনীতি এখনো দেখতে হয়নি, এবং এখনো পর্যন্ত তাতে কোন বিরাট ক্ষতি হয়ে যায়নি। এখন এইসব ধূর্ত অথবা মাথামোটা সুশীলরা এ ধরনের গুজব নিয়ে এভাবে যখন লাফিয়ে ওঠে, তখন এদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন জাগে।

অনলাইন হিরো হতে গিয়ে সীমা লঙ্ঘন - শতভাগ সহমত।

ভালো কথা ভাই, আমি ৩৭

আপনার মন্তব্য দেখে খুব ভালো লাগলো। দোয়া করবেন ভাই।

৫| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:৪৮

বিডি আইডল বলেছেন: বাংলাদেশের আর কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে রেগিং বন্ধে বিলবোর্ড আছে কেউ জানাতে পারবেন??

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:৩৬

মেটাফর বলেছেন: ভাই, আমি আপনার মোটামুটি ভক্তগোছের একজন ব্লগার। আপনার কথা সরাসরি ফেলে দিতে পারিনা।

কিন্তু এক লাইনে আপনি কি বোঝাতে চেয়েছেন, আমি বুঝিনাই।

আমি কিন্তু একবারও বলিনাই, জাবিতে র‍্যাগিং নাই। পুরো পোস্ট(যদি পারেন মন্তব্যও) পড়ে দেখেন। জাবি র‍্যাগিং-এর জন্য কুখ্যাত না, তাও বলিনাই। র‍্যাগিং বন্ধে বিলবোর্ড দেয়ার কারন হচ্ছে, র‍্যাগিং-এর শেষ শেকড়টুকু উপড়ে ফেলা। প্রতিবার জুনিয়রতম ব্যাচ আসার সময় ক্যাম্পাসে একটা পরিবর্তন হয়। এবার দিয়েছে এই বিলবোর্ড আর ক্যাম্পাসের রাস্তায়/মাঠে কাগজ ফেলার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা। এখন এইটাকেও যদি আপনি বাঁকা মন্তব্যের নিচে ফেলে একটা গুজবকে সমর্থন দিতে চান, তাহলে আমার পরের প্রশ্ন হবে আপনার মন্তব্যের পেছনে উদ্দেশ্য নিয়ে

কিন্তু জাবিতে রাস্তায় বা ডিপার্টমেন্টে একজন ছাত্রীকে বলে দেবে, "যাও ভাইয়াদের কাছে মাপ নিয়ে আসো" এইটা সম্ভব না। সব সম্ভবের যুগে তারপরেও খোঁজ নিয়ে দেখেছি, এই ঘটনা আসলেও ঘটেনাই।

এরপরেও যদি অন্ধের মতো জাবির উপরে কাদা ছুঁড়ে মারতে চান(আমি চাইছি আপনার কাছ থেকে এ ব্যাপারটি না আসুক); আপনার কাদা ছোঁড়াছুঁড়িতে আমি অংশ নেবো না।

৬| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:২১

অতন্দ্র তওসিফ বলেছেন: @স্বাধীকারঃ জাবিকে ছাগুমুক্ত করার পেছনে আপনাদের অবদানের কারণেই আমরা দেশের সবচেয়ে প্রগতিশীল ক্যাম্পাসে পড়তে পেরেছি। আশা করি আপনার এই মন্তব্য পড়ে জাতির বিবেকদের চোখ থেকে টিনের চশমা খুলে যাবে।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:৩৯

মেটাফর বলেছেন: স্বাধীকার ভাইরে সালাম। উনার যুক্তিগুলোও অখন্ডনীয়। আশা করি উনার মন্তব্য পড়ে লোকজনের চিন্তাধারার কিছুটা পরিবর্তন হবে।

৭| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:২৫

ফিরোজ রিয়েল বলেছেন: লেখককে ধন্যবাদ জাবি র প্রকৃত অবস্থা টা সবার সামনে উপস্থাপন করার জন্য ।
আর বিডি আইডলের মত সব চুলকানী ওঠা সুশীলদের বলতে চাই, এখানে না জেনে তত্ত্বকথা না বলে জাবি তে বেড়াতে আসেন । আমার হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে এসে দেখে যান প্রথম বর্ষের ছাত্ররা কেমন আছে । আপনাদের ভুল ধারণা আর থাকবেনা ।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:৪৩

মেটাফর বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। বিডি আইডল ভাই সিনিয়র এবং আমার খুব পছন্দের একজন ব্লগার। তার ব্যাপার কিছুটা আলাদা, আমি আশা করছি উনি ঝোঁকের বশে মন্তব্য দিয়ে ফেলেছেন। আমি আশা করছি।

৮| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:৫৫

অরিন্দম007 বলেছেন: দয়া করে আমাকে বলুন,

১. সারা বাংলাদেশের অন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিং -এর জন্য এত সুন্দর ও সুদৃশ্য বিলবোর্ড কি বসানো হয়েছে ?

২. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এমন একটা বিশ্ববিদ্যালয় যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী ও শিক্ষকের সম্পর্ক নিয়ে বাংলাদেশের এক প্রক্ষ্যাত মনোচিকিৎসক পর্যন্ত একটা মনোবৈজ্ঞানিক উপন্যাস লিখেছেন । উপন্যাস হলো ডা. মোহিত কামালের "সুখ পাখি আগুন ডানা" । সারা বাংলাদেশে আরো তো বিশ্ববিদ্যালয় আছে, কিন্তু এই বিশ্ববিদ্যালয়কে প্লট ধরে কেন এই উপন্যাস লিখতে গেলেন ?

উপন্যাসটা ২০০৮ সালের বই মেলায় পাঠক প্রিয়তা পেয়েছিলো ।এই তথ্য উপন্যাস প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান বিদ্যাপ্রকাশের কর্মধারের ও পত্রিকাগুলো

৩. সারা বাংলাদেশে আরো অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে আরো ছেলেমেয়ে পড়ে । কিন্তু আমরা কোথাও শুনি নাই, বন্ধু বান্ধবীকে ধর্ষণ করে আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেরা তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে ?

তাও আবার ১-১১ এর জরুরী অবস্হার সময় ।

এই দেখুন তার প্রমাণ : Click This Link

৪. ছাত্রী শিক্ষকের কারণে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয় । এব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিরব থাকে ।

এই দেখুন তার প্রমাণ :
Click This Link


৫. ছাত্র-ছাত্রীদের লিভ টুগেদার পরিনতি ছাত্রীর আত্মহত্যা । উল্লেখ্য ছাত্রের দাবি তারা স্বামী স্ত্রী । কিন্তু কোন কাবিন নামা ছিলো না ছাত্রটির কাছে ।
এসম্পর্কে সামান্য তথ্য আছে : Click This Link


সারা বাংলাদেশে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আছে । অথচ এই বিশ্ববিদ্যালয়ে হিডেন বিয়ে জনপ্রিয় । হিডেন বিয়ে হলো লিভ টুগেদার করার জন্য ও বিভিন্ন সমস্যা এড়ানোর জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের জুটিরা মানিকগন্জ, সাভার, আমিনবাজর ও ধামরাই-য়ের কাজি অফিসগুলো হতে ভুয়া কাবিননামা সংগ্রহ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশে পাশে বাড়ি ভাড়া করে স্বামী স্ত্রী হিসেবে থাকার বৈধতা লাভ করা ।

আরো কিছু লিখতে চেয়েছিলাম । জবাব আশা করছি ।


২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৪:১৮

মেটাফর বলেছেন: অরিন্দম, আপনার প্রশ্নগুলোর এক এক করে জবাব দিচ্ছিঃ

১। বিডি আইডলের মন্তব্যের উত্তর দেখুন।

২। ড. মোহিত কামালের লেখা কয়টি বই আপনি পড়েছেন আমি জানিনা। মোহিত কামাল যখন "আমার দেশ"-এর প্রথমদিকে যখন কলাম লেখা শুরু করেন, তখন আমি তার লেখা পড়া শুরু করি। বইমেলায় বের হওয়া তার দু'টি বইও আমি পড়েছি। আমার অনেস্ট অপিনিওন হচ্ছে, মোহিত কামালের পরের লেখাগুলো অনেকটা চটি লেখকের পর্যায়ে পড়ে।

৩। প্রমাণে দেয়া লিঙ্কটি ডেড। চেক করে দেখুন।

৪। আপনি একটা ব্লগের লিঙ্ক দিয়েছেন। নির্ভরযোগ্য কোন সোর্স দেখলাম না। শিক্ষক আত্মহত্যায় বাধ্য করেছে আর ভার্সিটি চুপ থেকেছে আমি হজম করতে পারলাম না। শুধুমাত্র ফ্লার্ট করার চেষ্টার কারনে বহিষ্কার হতে হয়েছে জাবির শিক্ষককে। আমি ক্যাম্পাসে ঢোকার পরপরই নাট্যতত্ত্বের শিক্ষক(সানি-পুরো নামটা মনে আসছে না) বিরোধী আন্দোলন দেখেছি। এর আগে ব্যবসায় প্রশাসনের তানভীর একই কারনে আন্দোলনের মুখোমুখি এবং বহিষ্কার হয়েছে। সেখানে জাবি ক্যাম্পাসের ছাত্র-ছাত্রীরা এ ধরনের ইস্যু ধামাচাপা দিয়ে ফেলেছে, আপনি কি মজা করার চেষ্টা করছেন?

৫। লিভ টুগেদার নিয়ে আত্মহত্যা, এখানে আপনি ক্যাম্পাস কিভাবে টানলেন বুঝলাম না। ক্যাম্পাসের হলে যদি লিভ টুগেদার করার সুযোগ থাকে তাহলে আপনি এই প্রসঙ্গ টানতে পারেন। আর যদি তারা শুধু জাহাঙ্গীরনগরের ছাত্রছাত্রী হবার কারনে এই দোষ ক্যাম্পাস কিংবা আমাদের উপর বর্তায়, তাহলে শুধুমাত্র বাংলাদেশের নাগরিক হবার কারনে আপনি এবং আপনার পরিবার এই আত্মহত্যায় সমানভাবে দোষী। আমার মতো আপনিও শাস্তি প্রাপ্য।

আর শেষে যে কথাগুলো লিখলেন, আমি এখানে গত পাঁচ বছর পড়েও এই সম্ভাবনার কথা একবারও মাথায় আসেনি। হ্যাঁ, আমারও প্রিয় মানুষ আছে। আমি ধরে নিচ্ছি আপনি জাবির ছাত্র না। শেষে এই কথাটা টানার পর আপনার পরিবার পরিচয় নিয়ে কিছু কথা মাথায় আসছে। এড়িয়ে গেলাম।

আপনি যদি আরও কিছু লিখতে চান, আমার ক্যাম্পাস নিয়ে কাদা ছুঁড়তে চান, আপনার ক্যাম্পাসের নামটি লিখবেন দয়া করে। আপনার মুখে ছুঁড়ে মারার জন্য কাদা বের করতে গুগলে কিছু সময় নষ্ট করতে হবে এই যা। কিছু সমস্যা সব জায়গার জন্য খাটে, দুঃখের বিষয় এই যে; কিছু বোকা অথবা ধূর্ত লোক সমাধান না খুঁজে সমাধানের চেষ্টার সমালোচনা করতে ব্যস্ত।

৯| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:৫৫

স্বাধীকার বলেছেন:

৥ মেটাফোর
৥ অতন্দ্র তওসিফ
৥ ফিরোজ রিয়েল

আমি ২৩ তম ব্যাচ।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৪:৩১

মেটাফর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। সামনে ক্যাম্পাসে আসলে অবশ্যই জানাবেন ভাই।

স্কাইপি(ই-মেল এড্রেস ব্লগে দিলাম না)
alphonse.mkp

১০| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৪:০১

অরিন্দম007 বলেছেন: আপনার পোস্টে একজন মন্তব্য করেছেন : জাহাঙ্গীরনগর নাকি দেশের সেরা প্রগতিশীল ক্যাম্পাস ।

প্রগতিশীলতার সংগা কি ?

জাহাঙ্গীরনগর প্রগতিশীল হলে নর্থ সাইথ, ব্রাক, এআইইউবি, ইস্টওয়েস্ট - তাহলে কি ?

যদি বলেন পড়াশোনায় প্রগতিশীল । তাহলে বুয়েট, ঢাকা, ইপসা, বিএইউ, বিএসএমএমইউ .....গুলোকে কি বলা যায় ।

যদি বলে গবেষণা জার্নাল প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রগতিশী, তাহলে জাহাঙ্গীরনগরের অবস্হান কি ?

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৪:২৪

মেটাফর বলেছেন: অপ্রাসঙ্গিক এবং ক্রমাগত Hate Comment-এর কমেন্ট যদি বন্ধ না করতে পারেন, অন্যখানে যান।

প্রগতিশীলতার একক কোন সূচক আছে বলে আমি জানিনা। তবে যদি কিছু সূচকে মাপতে যান, জাবি'র নাট্যতত্ত্বে এসে একবার ডিপার্টমেন্টের ধূলি মাথায় নিয়ে যাবেন।

১১| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৪:০৬

অরিন্দম007 বলেছেন: আমি একটা বিষয় বোঝতে পারছি না, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ব্লগাররা একের পর এক পোস্ট দিচ্ছেন । একই মন্তব্য বিভিন্ন পোস্টে কপি পোস্ট করছেন । এর কারণ কি ?

ব্যাপারটা এমন হয়ে গেলো না : ঠাকুর ঘরে কে রে আমি কলা খাই না ।

এপর্যন্ত আমার চোখে জাহাঙ্গীরনগরের ছাত্র বা ছাত্র দাবিকারীদের ৩০ টা পোস্ট চোখে পড়েছে । আর কাল হতে আজ পর্যন্ত জাহাঙ্গীরনগরের র‍্যাগিং নিয়ে ১০ টা পোস্ট পড়েছে । তার মধ্যে ৫ টাই কপি পেস্ট ।


আমি মনে করি, আপনারা হীনমন্যতাবোধে আক্রান্ত হয়েছেন । নচেৎ ব্লগে জাহাঙ্গীরনগর নিয়ে কি লিখলো তা নিয়ে আপনাদের মাথা ঘামানোর চেয়ে আপনাদের পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত থাকা গুরুত্বপূর্ণ হতো ।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৪:২৮

মেটাফর বলেছেন: এহ্‌ হে, এতক্ষনে আপনার ব্লগ একটু চেক করে দেখলাম। ঘটনা তো পরিষ্কার। ভাই শিবির, জাবি নিয়া কথা বলার যোগ্যতা উপরওয়ালার কাছ থেকে আপনি নিয়া আসেন নাই। পাকিস্তান চলে যান।

গদামসহ ব্লক। সকল শিবিরের চুলকানীর উত্তর আমার চেয়ে অনেক ভালোভাবে লিখে দিয়েছেন স্বাধীকার ভাই।

নিজেরেই স্টুপিড লাগতেসে, এক শিবিরের কমেন্ট রিপ্লাই করলাম রাত জেগে।

১২| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৪:৪৪

রক্তাক্ত সাগর বলেছেন: @অরিন্দম007 ,
ছাত্র মানেই যে সারাদিন পড়তে হবে তা কি কোথাও লেখা আছে? NSU AIUB এসব university র ছেলেরা সারাদিন পড়ে??
একি মন্তব্য কয়েক জায়গায় কপি পেস্ট করা হয়ে থাকতে পারে যেগুলা reference হিসেবে ব্যবহার করা হয়। reference আপনি কপি পেস্ট করেন না?
আপনি প্রাসঙ্গিক ভাবে কোনো যুক্তি তুলে ধরতে পারছেন না বলেই কি আক্রমন করে কথা বলছেন??
আপনার কমেন্ট আমি বহু জায়গায় দেখেছি, সব জাবি বিরোধি এবং Hate Comment। জাবির প্রতি কোনো ব্যাক্তিগত ক্ষোভ আছে নাকি আপনার???

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৫:০০

মেটাফর বলেছেন: ভাই, আপনি অনেক গুছিয়ে এই উত্তরটা দিলেন। এইসব ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে আসা অপ্রাসঙ্গিক আক্রমন; অর্বাচীন শিবিরের কাজকর্ম দেখে মেজাজই খারাপ হয়ে গেছে।

জাবি ক্যাম্পাস এদের ভালো লাগবেই না। লাগার কথাও না।

১৩| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৪:৫৩

রক্তাক্ত সাগর বলেছেন: @মেটাফর

ভাই সুন্দর পোষ্ট।

সুশিল সমাজ যাতে জাবির প্রকৃত অবস্থা বোঝে এই আশা রাখি।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৫:০২

মেটাফর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই। সুযোগ পেলেই, হাওয়ার উপরে একজন মানুষ আরেকজনের ঘাড় চেপে ধরে এইটাই খারাপ লাগে। রাতভরে ব্লগ লেখার একটাই কারন।

সুশিল সমাজ যাতে জাবির প্রকৃত অবস্থা বোঝে এই আশা রাখি।

১৪| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:৩৮

পরিযায়ী বলেছেন: অরিন্দম007 যতগুলা পয়েন্ট দিয়েছে তার কোনটার ই উত্তর দিতে পারলেন না সঠিক ভাবে। সুধু ১টা পয়েন্ট এর কথা বলি ৪ নম্বর পয়েন্টটা আমি পত্রিকায় পরেছি।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:০৮

মেটাফর বলেছেন: আপনি অন্ধ না গোঁয়ার আমি বুঝলাম না। কোন প্রশ্নের উত্তরটা আমি দেইনি? সরাসরি মিথ্যা বলতে লজ্জা লাগেনা?

কোন উত্তরটা আপনার কাছে সঠিক মনে হয়নি? যে উত্তর আপনার মন মতো হবে শুধু সেটার জন্যই অপেক্ষা করছেন কি?

১৫| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৪১

আবু সাইফ শেখ বলেছেন: সামনে পইড়েন না, মাড়িয়ে দেব ।ভাই মেজাজ অতি খারাপ কাইল রাইত থাইকা।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:০৭

মেটাফর বলেছেন: কাইল রাইতে ঘুমাইসি সাড়ে ছয়টায়। আবার সকালে উঠে এই কিচ্ছাই চলতেসে। সামনে পড়লে আসলেই মাড়িয়ে দেবো।

১৬| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:২২

ফিরোজ রিয়েল বলেছেন: @স্বাধীকারঃ ভাইয়া, আমি ৩৮ তম ব্যাচের । সময় করে একদিন আসেন ক্যাম্পাসে । আপনার সাথে গল্প করতে খুব ভালো লাগবে ।
আমার ই-মেইলঃ [email protected]
আপনার কন্টাক্ট অ্যাড্রেস মেইলে জানালে খুব খুশি হব ।

ভালো থাকবেন ভাইয়া ।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৭

মেটাফর বলেছেন: রিয়েল, আমিও একটা মেইল পাঠিয়ে রাখছি :)

১৭| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:১৩

স্বাধীকার বলেছেন:
৥ মেটাফোর
৥ অতন্দ্র তওসিফ
৥ ফিরোজ রিয়েল
অবশ্যই আসার আগে মেইল দিয়ে জানাবো, মোবাইল দিয়ে তোমাদের খুজেঁ নিবো, তোমাদের কেএফসি-কাদের ফুট...। খাওয়াবো। আমি অবশ্য লতিফের ওখানেই বেশী খাই। তোমাদের নিমন্ত্রণ তোমাদের বাড়ীতে.......

ভালো থেকো তোমরা। আমরা এখনো জেগে আছি, থাকবো সব সময়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে না পড়তে পারলে ছাত্রজীবন এত স্মৃতিময়, এতটা মধুর কোনোদিন জানতে পারতাম না। সেই ক্যাম্পাস আমাকে দ্বিতীয় শ্রেনীর সার্টিফিকেট দিলেও, সৌন্দর্যবোধকে ধারণ করার জন্য দিয়েছে প্রথমশ্রেনীর সার্টিফিকেট। শুভ কামনা তোমাদের জন্য।

[email protected]

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৫

মেটাফর বলেছেন: আমিও লতিফ ভায়ের দোকানেই খাই। তাহলে এই কথাই রইলো ভাই। লতিফ ভায়ের দোকানে একদিন একসাথে লাঞ্চের দাওয়াত :)

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৬

মেটাফর বলেছেন: আপনাকে মেইল পাঠাইতেসি ভাই।

১৮| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:২২

ফিরোজ রিয়েল বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই । আপনাদের সাথে লাঞ্চের অপেক্ষায় রইলাম । :) :) :)

১৯| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:৪৪

সময়ের কন্ঠস্বর বলেছেন: সহমত! :)

২০| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:৪২

রেজোওয়ানা বলেছেন: বিষয়টা গুজব প্রমাণিত না হলে অবশ্যই জাবি প্রাক্তন বর্তমান সকল ছাত্ররাই এর বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতো, 'প্রতিবাদ' আমাদের ঐতিহ্য।
আমরা মানিক বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি, আমরা কিলার গ্রুপের বিরুদ্ধেও আন্দোলন করেছি, আমরাই প্রথম সকল শিক্ষাঙ্গনে যৌননিপিড়ন বিরোধী আইনের জন্য সোচ্চার হয়েছি! সুতরাং যারা বলে বেড়াচ্ছেন এটাকে গুজব বলে জাবি শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছে, তাদের জন্য করুনা! সেটা হলে জাবির প্রাক্তন বর্তমান ছাত্রছাত্রীরা এই ঘটনার শুরু থেকেই কথিত ভিক্টিমকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসতো না!
ধামাচাপা নীতিতে জাবি বিশ্বাস করে না, করলে এই সব ঘটনা আপনারা কোনদিনই জানতে পারতেন না, ধামাচাপাই হয়ে থাকতো।

মূল বিষয় হলো জাশিদের পরম গুরু গোলাম আযমের পুত্রকে জাবির ছাত্ররা ১৯৭২ গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে, জামাত শিবির কোনদিনই জাবির ধারে কাছে ঘেষতে পারে নাই! সেই ক্ষোভ এখন তারা ঝাড়ে অনলাইনে, তারা মানুষকে ইমোশনাল ব্ল্যাক মেইল করে, মানুষের মধ্যে আতংকের সৃষ্টি করে। আমার দীর্ঘদিনের ব্লগিং জীবনে দেখেছি প্রতি বছরই ভর্তি পরীক্ষার এবং ক্লাস শুরুর আগে তারা এই ধরনের কাজ করে! ভাবখানা এমন জাবি অপবিত্র হয়ে গিয়েছে, সেখানে মওদুধী কিতাব বাস্তবায়ন না করা পর্যন্ত পবিত্র করা যাচ্ছেনা। তবে আমরাও কিন্তু আছি অনলাইনে এটা আপনারা মনে রাইখেন। এবং আরও আশার কথা এখন ইন্টারনেট ব্যাবহারে সুনির্দষ্ট আইন আছে, কারো কোন উদ্দেশ্য মূলক মন্তব্যে, কথায় কোন ব্যাক্তি, প্রতিষ্ঠান বা রাস্ট্র অফেন্ডেড মনে করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা আইনগ্রন্থে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:১০

মেটাফর বলেছেন: এই জামাত শিবিরগুলা সরাসরিভাবে না পেরে এখন এইসব রাস্তা ধরছে।

আর মানিকের সেঞ্চুরীর ধুয়াটা মানুষ কেমনে এত সহজে নেয় আমি বুঝিনা। আমি ওইসময়ের ছাত্র না, কিন্তু এইটুক বুঝার বুদ্ধি আমার আছে যে একটা ভার্সিটি ক্যাম্পাসে একশোটার উপরে রেপ হয়ে যাবে তারপর মিডিয়া হঠাৎ ব্যাপারটা জানতে পারবে এইটা স্বাভাবিক না। মিথ, জাশির উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার; আর সুশীল ছাগুগুলার লাফালাফি-রাবিশগুলার একটা গতি হওয়া দরকার। সামনে ক্যাম্পাসে প্রতিবাদ সমাবেশ/র‍্যালী আয়োজন করা হয়েছে দেখলাম। প্রশাসন থেকেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেবার কথা শুনলাম। ভালো, এইসব বিকারগ্রস্তগুলার একটা গতি হোক।

২১| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৯:৪৮

আম জনতা০৭ বলেছেন: জাহাঙ্গীরনগর নিয়ে একটু বাড়িয়ে বলে কেন সবাই?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.