| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আপনাদের কারো খারাপ লাগলে আমার কিছু করার নাই। চোখ বন্ধ করে ইসলামী ব্যাংক, বায়োফার্মা, ইবনে সিনা বন্ধ করে দেয়ার তোড়জোড় আমি সমর্থন করতে পারিনা।
রাজাকারের ফাঁসি চাই, জামাত শিবির নিষিদ্ধ হোক। বাংলার মাটিতে এদের অস্তিত্ত্বের অধিকার নেই।
তবে এমন অনেক পরিবার আছে, যাদের সমস্ত সঞ্চিত টাকা ইসলামী ব্যাংকে রাখা আছে। ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে তারা প্রচলিত ব্যাংকিং ছেড়ে ইসলামী ব্যাংকিং বেছে নিয়েছেন। এমন অনেক পরিবার আছে, যাদের সংসারের একমাত্র রোজগার করা ব্যক্তিটি বায়োফার্মাতে চাকরী করেন।
এতো ভেজালের কিছু না। সরকার যদি ব্যাপারটা গুরুত্বের সাথে নেয়, খালি জামাত-শিবির নিষিদ্ধ করে এর মাথাগুলার ব্যাঙ্ক একাউন্ট Freeze করে দিক। কোম্পানিগুলোতে এদের Ownership সরকার নিজে নিয়ে নিক। বায়োফার্মা, ইবনে সিনা বা ইসলামী ব্যাংক; এদের সব Shareholder, Employee বা Depositor রাজাকার বা পাকিস্তানী না। এদের জীবন নষ্ট করে লাভ কি? পূনর্বাসনের ব্যবস্থা না রেখে এই প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেয়া সমীচীন হবে কি?
বাংলাদেশের মাটিতে এরা শেকড় গজিয়ে বসেছে। গায়ে পচন ধরানোর সুযোগটা আমরাই দিয়েছি। এখন আমরা হাতটাই কেটে ফেলতে পারিনা। পচন সারানোর ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা প্রতিষ্ঠানগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দিতে পারি, ভাংচুর করে শেষ করে দিতে পারি, এতে কোন সন্দেহ নাই। কিন্তু সুষ্ঠু সমাধান করতে পারে সরকার, আমাদের সেইখানে চাপ প্রয়োগ করতে হবে। এইটা একটু কঠিন, কিন্তু সম্ভব।
উপরের কথাগুলো শুধু আমার মাথায়ই এসেছে আমি বিশ্বাস করিনা। আরো অনেকেই হয়তো ব্যাপারটা নিয়ে চিন্তা করেছেন। আমি যদি কোথাও ভুল করে থাকি, আমাকে বোঝান। এর চেয়ে যদি ভালো কোন সমাধান থাকে, জানান।
সবচেয়ে খারাপ হবে যখন জামাত শিবির এই ব্যাপারটাকে নিজেদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করবে। এদের পক্ষে সম্ভব, এরা ধর্মকেও ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে অভ্যস্ত। আমাদের আর কোন ক্ষতি করার সুযোগ না দিয়েই এদের মূল উৎপাটন করতে হবে।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:১২
মেটাফর বলেছেন: ভাই, ফিক্সড ডিপোজিট বলে একটা কথা আছে। আপনি সময়ের আগে তুলে ফেললে আপনার জমা টাকাই উঠে আসবে না। আমার কাছের একজন মানুষের এই সমস্যা হয়েছে বলে আমি জানি।
আর "ব্যাংক রান" বলে একটা কথা আছে। সব ডিপোজিটর যদি একসাথে টাকা উঠাতে যায়, ব্যাংক সেইটা ফেরত দিতে পারবেনা।(একটা বড় অংশ থাকে ব্যাংক ইনভেস্টমেন্টে)
বাংলাদেশ ব্যাংকের রেগুলেশন অনুযায়ী একটা ব্যাংক টোটাল ডিপোজিটের ১০% হাতে রাখতে বাধ্য, বাকিটা সে ইনভেস্ট করতে পারে। এখন আমাকে বলেন, সবাই টাকা উঠাতে চাইলে কি হবে। উত্তরটা আমি আপনাকে দিয়ে দেই, এই ব্যাংককে দেউলিয়া ঘোষনা করা হবে এবং সরকার অনির্দিষ্টকালের জন্য ব্যাংকের সব একাউন্ট ফ্রিজ করে দিবে। যেটা অতীতে হয়েছে ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের ক্ষেত্রে। একটা মানুষের জীবনের সব সঞ্চয় যদি কোনরকম রিটার্ন ছাড়া দশ বছর অচল পড়ে থাকে সেটাকে আপনি কিভাবে জাস্টিফাই করবেন? মুদ্রাস্ফীতির কারনে এই টাকার মূল্য নেমে আসার কথা বাদই দিলাম।
একটু চিন্তা করে উত্তর দিয়েন। আন্দাজে ধাম করে উত্তর দিয়ে দিয়েন না।
জামাতি ছাড়া এইসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় কাউকেই নেয়া হয়না ব্যাপারটা কতটুকু সত্য আমি জানিনা। তারপরেও যদি এখানে পাঁচজনও অজামাতী থাকে, আমার মনে হয় এদের আগে পূনর্বাসনের ব্যবস্থা করা উচিৎ।
২|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৫৫
তীর্থক বলেছেন: @মেটাফর: একমত......
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:১২
মেটাফর বলেছেন: ধন্যবাদ।
৩|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৫৬
স্বাধীনচেতা মানবী বলেছেন: আমি আপনার সঙ্গে পুরোপুরি একমত ।
আমার বড় মামা ইসলামী ব্যাংকে চাকরি করেন, উনি কোন জামায়াতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন । তিনিও বর্তমানে চাকুরি হারানোর ভয়ে আছেন । জানিনা, ব্যাংক বন্ধ হয়ে গেলে মামা কি করবেন ?
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:১৫
মেটাফর বলেছেন: সেইটাই, আমার কিছু কাছের লোকজন আছেন যাদের জীবনের পুরোটা সঞ্চয়ই ইসলামী ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিটে রাখা। এই সঞ্চয় ফ্রিজ হয়ে গেলে রিটায়ারমেন্টের কাছে চলে আসা একজনের সাত সদস্যের পরিবার কিভাবে চলবে এটা কি কেউ ভেবে দেখেছে বা দেখবে?
৪|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:২৭
িলয়া বলেছেন: Arekta kotha procolito banking Islamic niyom mene hoyna...amra jara ribah related j kono kisu eriye colte cai Tara ki korbo ektu somadhan deben....Muslim prodhan desher sorkarer ki Muslim jonogoner kotha mathay reke akta grohonjoggo somadhan site parena....eta ki lojjajonok noy j muslimprodhan desher akta banko Islamic shariyat mene run Korena...jamayater bank e kno jete hoy....
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৭
মেটাফর বলেছেন: ইসলামী ব্যাংক ছাড়াও আরো ব্যাংক আছে যারা এখন ইসলামিক ব্যাংকিং সুবিধা দেয়। কিন্তু, এরা এসেছে পরে। আর যারা ইসলামী ব্যাংকে টাকা ডিপোজিট করে রেখেছে, এদের অবস্থাটা বিবেচনা করা উচিৎ। সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমি নিজেও আগে জানতাম না এইটা জামাত পরিচালিত ব্যাংক। একটা প্রতিষ্ঠানের রাজনৈতিক পরিচয় এর গায়ে লেখা থাকেনা। কয়জন মানুষ আছে একটা ব্যাংক একাউন্ট খোলার আগে তার বোর্ড অব ডিরেক্টরস-এর ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করে নেয়? চাকরি নেবার ক্ষেত্রেও এই কথাটা প্রযোজ্য।
এইজন্যেই আমার মতে সরকারের উচিৎ এগুলার মালিকানা নিজে নিয়ে নেয়া। দেখা যাক।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৩৭
মো: সাব্বীর আলম বলেছেন: জামাতি প্রতিষ্ঠানে জামাতি ছাড়া হাতে গোনা কয়েকজন অজামাতি লোকজনকে চাকুরি দেয়া হয় । আর সব সঞ্চয় এইখানে জমা রাখলে যে অন্য কোন ব্যাংকে রাখা যাবে না এমন কোন কথা আছে । টাকা তুলে অন্য ব্যাংকে রাখলেই তো হয় ... এখন থেকেই শুরু করুক । বেশি দিন তো লাগবে না টাকা তুলে অন্য ব্যাংকে রাখতে ।