নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

\n

মা.হাসান

মা.হাসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

কিরপিনের থাইল্যান্ড ভ্রমন (তৃতীয় পর্ব)

৩১ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫



আগের পর্বের লিংক

কিরপিনের থাইল্যান্ড ভ্রমন (দ্বিতীয় পর্ব)

কিরপিনের থাইল্যান্ড ভ্রমন (প্রথম পর্ব)


আজকের এরোপ্লেনঃ
আজকের পরিকল্পনা কাঞ্চনাবুরি যাবো। ওখানে মূল দর্শনীয় কোয়াই নদীর উপর ব্রিজ। এছাড়া আশ-পাশে কম খরচের মধ্যে যা আছে দেখার ইচ্ছে। ফিরে এসে সন্ধ্যায় ট্র্যাং এর ট্রেন ধরবো, কাল সকালে ট্র্যাং পৌছাবো। । কোয়াই নদীর ব্রীজের উপরে জুন আপার একটা পোস্ট আছে লিঙ্ক এখানেঃ ব্রীজ অন দ্য রিভার কাওয়াই । কোয়াই নদীর উপরের ব্রীজের কথা বলার আগে ইতিহাসের বাতাবি লেবু একটু কচলা কচলি করে নেই।

স্বরচিত ইতিহাসঃ
বার্মা যখন ব্রিটিশ কলোনি হয় তখনই ব্রিটিশরা বার্মা -থাইল্যান্ড রেলপথের অর্থনৈতিক গুরুত্বের কথা বুঝতে পেরেছিল; কিন্তু যাত্রাপথের দুর্গমতার (পাহাড়ি জমি, সাপ, ম্যালেরিয়া, পেটের অসুখ, অপর্যাপ্ত লেবার) কারণে ব্রিটিশরা এই রেলপথ স্থাপনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন থেকে সরে আসে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই অঞ্চল দীর্ঘ সময় জাপানিদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। জাপানিরা এই রেলপথের সামরিক গুরুত্বের কথা বুঝতে পেরে যে কোন মূল্যে এই রেলপথ চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়।



দক্ষিণ-পূর্ব মিয়ানমারের থানবাউযায়েত থেকে ব্যাংকক পর্যন্ত চারশো কিলোমিটার এর কিছু বেশি লম্বা এই রেলপথ থাই-বার্মা রেলপথ নামে বেশি পরিচিত। জাপানিরা এই রেলপথ স্থাপনের জন্য যুদ্ধবন্দিদের লেবার হিসেব কাজে লাগায়। মিত্রপক্ষের ষাট হাজারের কিছু বেশি অফিসার-সৈনিক এবং স্থানীয় প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখ সিভিলিয়ান কে রেলপথ তৈরির কাজে জোর করে লেবার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ব্রিজ তৈরিতে প্রায় ষোল হাজার মিত্র পক্ষের বন্দি এবং প্রায় এক লক্ষ সিভিলিয়ান মারা যায়। এ কারণে এই রেলপথের আর একটা নাম ডেথ রেলওয়ে। এই রেলপথে মোট আটটা ব্রিজ আছে- তার মধ্যে সাতটা ব্রিজ পড়েছে বার্মার ভেতরে, একটা পড়েছে থাইল্যান্ডের কাঞ্চনাবুরিতে । যুদ্ধের শেষের দিকে মিত্রবাহিনর বোমার আঘাতে কাঞ্চনাবুরির এই ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, পরবর্তীতে এটা পুনঃমেরামত করা হয়।


মূল কোয়াই ব্রিজ-- ছবিঃ চুরি করা।

পিটার জন রুল ছদ্ম নামের একজন ফ্রেঞ্চ সিক্রেট এজেন্ট ও এঞ্জিনিয়ার যুদ্ধের আগে এই (মালয়) অঞ্চলে রাবার বাগানে কাজ করছিলেন (ব্লগার পদাতিক চৌধুরীর সাথে ওনার ভালো খাতির ছিল) । যুদ্ধের সময়ে তিনি যুদ্ধে জড়িয়ে এক পর্যায়ে বন্দী হন এবং প্রিজন ক্যাম্পের কোন একটাতে তাকে আটকে রেখে আর সব বন্দির মতো রেলপথ তৈরির কাজে লেবার দিতে বাধ্য করা হয়। যুদ্ধশেষে পিটার জন রুল মুক্তি পান, তিন বছর রাবার প্লানটেশনে কাজ করে স্বদেশে ফিরে আসেন ।


ব্রিজ- এখনকার অবস্থা।

১৯৫২ সালে তিনি তার যুদ্ধ অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি বই লিখেন। বইটি হলো দ্য ব্রিজ অন দ্য রিভার কাওয়াই। ওনার আসল নাম পিয়েরে বুল। বইটি লেখার পরেই হিট হয়ে যায়, ১৯৫৪ সালে ইংরেজিতে অনুবাদ হলে সুপার হিট হয় এবং ১৯৫৭ সালে এখান থেকে ব্রিজ অন দা রিভার কোয়াই নামে একটা সিনেমা করা হয়। সেই সময়ে এই সিনেমাটা সাতটা অস্কার পেয়েছিল। পিয়েরে বুলের বই থেকে আরো একটা সুপারহিট সিনেমা হয়েছিল --প্ল্যানেট অফ দা এপস।

বইটি হিট হওয়ার পর লক্ষ লক্ষ টুরিস্ট থাইল্যান্ডে কোয়াই নদীর উপর ব্রিজ দেখতে আসে। সমস্যা বাধে তখনই, কারণ কোয়াই নদীর উপরে আসলেতো কোন ব্রিজ নেই। আসলে এই ব্রিজটি (বৃষ্টি) যেই নদীর উপরে সেই নদীর নাম 'মায়ে খলং-- Mae Klong'। তবে কঠিন সমস্যার সহজ সমাধান থাকে। থাই কর্তৃপক্ষ নদীটার নামই বদলে কোয়াই নদী করে দিল। ঝামেলা শেষ। নাম বদলের ঘটনা ঘটে ১৯৬০ সালে।

পাঠকের জন্য কুইজঃ কঠিন সমস্যার সহজ সমাধানের আরেকটা সাম্প্রতিক ঘটনার কথা বলতে পারেন? উত্তর পোস্টের শেষে।

কোয়াই ব্রিজ ভ্রমনের শানে নুজুলঃ
সত্তর বা আশির দশকের টেলিভিশনে দা ব্রিজ অন দা রিভার কোয়াই দেখেছিলাম। তবে ভাষার কারণে বিষয়টা অতখানি দাগ কাটতে পারেনি। প্রায় একই সময়ে ব্রিজ অন দা রিভার কোয়াই বইটির একটি ভারতীয় বাংলা অনুবাদ হাতে পেয়েছিলাম। ওই বই পড়ার পরে থেকে মনের মধ্যে কোয়াই নদীর ব্রিজ দাগ কেটে ছিল। কাজেই যখন সিদ্ধান্ত নেই থাইল্যান্ডে যাব, স্বাভাবিকভাবেই আমার লিস্টে এক নম্বরে ছিল কোয়াই নদীর ব্রিজ।


দ্বিতীয় দিনের শুরুঃ
কাঞ্চনাবুরি বা কাঞ্চন নগর যাবার সহজ উপায় হলো ট্রেন। ব্যাংককের মূল রেল স্টেশন হলো হুয়া লামফঙ স্টেশন, তবে কাঞ্চনাবুরির ট্রেন ছাড়ে থনবুরি স্টেশন থেকে। প্রথম ট্রেন সকাল ৭-৫০। স্টেশনের দূরত্ব আমার হোটেল থেকে হাঁটা পথে তিন কিলোমিটারের কিছু বেশি, বাসে প্রায় চার কিলোমিটার। হেঁটে বা বাসে গেলে খরচ কম, কিন্তু অনেক আগে রওনা দিতে হবে। এরা ব্রেকফাস্ট সার্ভ শুরু করে সাতটায়। মনে মনে হিসেব করে দেখি এখান থেকে খেয়ে, তারপর ট্যাক্সি/মটর সাইকেলে রওনা হলে বাইরে সকালের খাবার টাকা যা বাঁচবে, তাতে পুশিয়ে যায়।

আজ সূর্যোদয় সকাল ছটা পাঁচে। ৫-৫০ এ এলার্ম দেয়া ছিল, কিন্তু এর আগেই ঘুম ভেঙে গিয়েছিল। সকালের নামাজ সেরে ব্যাগ গুছিয়ে ফোনে রুট ইত্যাদি আবার দেখে নিচ্ছিলাম। সাতটার আগেই এরা ব্রেকফাস্ট রেডি করে ফেললো। রান্না খাবারের মাঝে শুয়োরের সসেজ ভাজা আর শুয়োরের মাংস দিয়ে নুডুলস। আরেক কোনে ভেজিটেরিয়ান অপশন- পাউরুটি, মাখন, কয়েক রকমের জেলি আর জ্যাম। সাথে চা আর ইনসট্যান্ট কফি। পরের খাবার কখন খাবো জানি না, দশ টুকরা রুটি, খানিকটা মাখন আর সব রকমের জ্যাম জেলি একটু ট্রাই করে চা ঢালতে যেয়ে দেখি গ্রিন টি ছাড়া সব টি ব্যাগ শেষ। বাধ্য হয়ে ইনসট্যানট কফি নিতে হলো। এই হোস্টেলে নিজের প্লেট নিজে ধুয়ে রাখার নিয়ম।

রিসিপসনে যেয়ে বললাম চেক আউট করব, তবে ব্যাগটা রেখে যাওয়া সম্ভব কিনা-- পরে এসে নিয়ে যাব। রিসিপশনিস্ট লেডি বলল কোন সমস্যা নেই (কোন কোন হোটেলে ব্যাগ রাখার জন্য বাড়তি চার্জ নেয়)। এরপর জানতে চাইলাম রেলস্টেশনে যাওয়ার জন্য কম খরচে সহজ উপায় কি। সে grab- ইন্সটল করতে পরামর্শ দিল। লোকাল সিম বলে গ্রাব ইন্সটলে কোন সমস্যা হলো না, তবে প্রথমবার ব্যবহার করার আগে গ্রাব ফাইলে একটা ক্রেডিট কার্ড এড করতে হবে অথবা নিজের ছবি প্রোফাইলে এড করতে হবে। ব্যাগ থেকে আবার ক্রেডিট কার্ড বের করে এড করার বদলে নিজের ছবিই দিতে চাইলাম। বেশ কয়েকবার চেষ্টা করার পরেও গ্রাব বারবার এরর দেখায়-- ইমেজ টু ডার্ক, ইউজ প্রপার লাইট। বন্ধুরা জুতা কেনার সময় আমাকে দেখিয়ে এই কালারের জুতা দ্যান এমনি এমনি বলে না। বিষয়টা সমাধান করতে হবে, মাথায় রাখলাম।

স্টেশনের পথেঃ

থনবুরি ট্রেন স্টেশন

যা হোক, রিসিপশনিস্ট আমার অবস্থা দেখে নিজের ফোন থেকে গ্রাব ডেকে দিল। তার একাউন্টে কিছু ডিসকাউন্ট সুবিধা ছিল, কাজেই মূল ভাড়া ৬০ বাথের বদলে আমাকে ৫৪ বাথ দিতে হবে :#) । ৫ মিনিটের মধ্যে মটর সাইকেল এসে হাজির। পথ মাত্র চার কিলোমেটারের মতো, সময় লাগলো দশ মিনিটের কাছাকাছি। রাস্তায় অনেক সিগন্যাল - না হলে আরো কম লাগতো। রেলস্টেশনের পাশে বিশাল পাইকারি বাজার।


বাজার

বাজার



(থনবুরি স্টেশন এবং বাজারের ছবি টুকলি করা)

কাঞ্চনাবুরি যাবার ট্রেন মূলত একটি প্যাসেঞ্জার ট্রেন, তবে ট্যুরিস্টই বেশি দেখলাম। শেষ স্টেশনের নাম 'নাম টক', এটা বার্মা বর্ডারের কাছে, থন বুরি থেকে প্রায় দুশ কিলোমিটার। পথে থামবে নাখন পাথম, কাঞ্চনাবুরি, কোয়াই নদীর ব্রিজ, থাকিলেন, থাম খ্রাসাই, এবং ওয়াং পো। মোট সময় লাগে সাড়ে চার থেকে পাঁচ ঘন্টা। আমি নামবো কোয়াই ব্রিজ স্টেশনে। ওখানে যেতে সময় লাগার কথা প্রায় তিন ঘন্টা। এই ট্রেনে একটাই ক্লাস, থার্ড ক্লাস। ট্রেনের ভাড়া লোকালদের জন্য এক রকম, ট্যুরিস্টদের জন্য ফ্ল্যাট ১০০ বাথ- যেখানেই নামি না কেন। আমি খানিক ক্ষণ চান্স খুঁজলাম লোকাল কাউকে দিয়ে কম দাম টিকিট কাটা যায় নাকি, পারলাম না :(

থাই ট্রেনগুলো খুব পরিচ্ছন্ন। তবে সাধারণত টাইম মতো চলে না, আধা ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা লেট করা খুব স্বাভাবিক। আটটা দশে একটা ট্রেন আসতে তাতে লাফ দিয়ে ওঠায় পর গার্ড বললো এটা যাবে না। দশ মিনিট পরে আবার বললো এটাই যাবে। মনে হলো জেরোম ক্লাপকা জেরোমের থ্রি ম্যান ইন এ বোটের ওয়াটারলু থেকে কিংস্টন যাবার ট্রেনের মতো ঘটনা।

ট্রেনে লাফ দিয়ে উঠে যুদ্ধ জয়ের হাসি দিয়ে সিটে বসে দেখি ট্রেনের অর্ধেকই খালি। যা লোক উঠেছে তার অন্তত ৬০% ট্যুরিস্ট। স্থানীয়দের প্রায় সবাইই খেটে খাওয়া মানুষ। খুব সাধারণ চেহারা, আরো সাধারণ পোষাক। বিজ্ঞাপনে থাই এয়ার হোস্টেসের চেহারা দেখে যে থাইল্যান্ডের কথা মাথায় আসে বাস্তবে সেই থাইল্যান্ড মাত্র কয়েক কিলোমিটার যায়গায় সীমাবদ্ধ। টিকেট চেকার কিছুক্ষনের মধ্যেই টিকেট চেক করে কি একটা যন্ত্র দিয়ে টিকেটের মাথায় ইংরেজী ভি চিহ্নের মতো একটা অংশ কেটে দিল। বিনা টিকেটের যাত্রি কাউকে দেখলাম না।



টিকেট, তবে এটা ফেরৎ আসার সময়ের কাটা, যাওয়ার টিকেট সংরক্ষণে রাখি নি (বিনা টিকেটে চড়িনি কিন্তু)

রাস্তায় অনেক ফেরিওয়ালা উঠছে, একের পর এক। খাবার বিক্রেতাই বেশি। পোষাক দেখে অনুমান করলাম কয়েকজন মুসলমান। বিক্রেতাদের সবাইকেই খুব গরীব বলেই মনে হলো। একজনের কাছ থেকে আমি কিছু আম এবং বাতাবি-নেবু কিনলাম, কুড়ি আর কুড়ি - চল্লিশ বাথের। ব্যাংককে এটা ষাট যোগ ষাট - একশ কুড়ি বাথ দামে বিক্রি হতে দেখেছি। বাংলাদেশের বাদামের সঙ্গে যে রকম মরিচের গুড়া মিশিয়ে বাদামি রঙের লবন দেয়, ফলের সাথে পেলাম সেরকম লবনের বড় দুটো প্যাকেট। বাতাবি নেবু খাবার জন্য লবনের প্যাকেট খুলে দেখি লবন না, চিনি, সাথে মরিচের গুড়া X(( । লবণের ব্যবহার আসলেই এদেশে কম। বাতাবি লেবু খুব মিষ্টি ছিল, আমটা টক মিষ্টি ছিল।

জানালে থেকে দেখা কাঞ্চনাবুরি স্টেশন।

যদিও ট্রেন প্রায় ত্রিশ মিনিট লেট ছিল, প্রায় রাইট টাইমে, দশটা পঞ্চাশে কাঞ্চনাবুরি এসে পৌছালাম। কোয়াই ব্রিজ স্টেশন এখান থেকে মাত্র চার কিলোমিটার বা আরো কম। ওখানে ভালো হোটেল কম বলে বাক্স প্যাটরা সহ আসা বেশির ভাগ টুরিস্ট এখানেই নেমে গেল। এরা কয়েকদিন থেকে ঘুরবে, আমার মতো এক বেলায় ঘোরার কিরপিন না।


কোয়াই ব্রিজ স্টেশন

অবশেষে আমার গন্তব্যে পৌছে গেলাম। ট্রেন থেকে নেমে আগে ব্রিজের দিকে দৌড়ালাম, ব্রিজ না দেখেই লাইক দিয়েছি, যদি কেউ জেরা করে!! :P

ব্রিজের ছবি






ব্রিজের শেষ মাথা

মিটার গেজ লাইন

ব্রিজ থেকে দেখা ভাসমান রেস্তোরা।


কিরপিনের থাইল্যান্ড ভ্রমন (চতুর্থ পর্ব)


*কুইজের জবাবঃ সম্প্রতি কোনো একটি দেশে লোকে পর্ন গ্রাফিতে আসক্ত হয়ে পড়ার পর কতৃপক্ষ দেশবাসিকে বাচানোর জন্য পর্নোগ্রাফিক সাইট গুলোকে নিষিদ্ধ করার পর দেখা গেল অনেক লোক চুরি করে বিপল্প উপায়ে পর্ন সাইট ভিজিট করছে। সমস্যার সমাধান কল্পে কতৃপক্ষ নিষিদ্ধ সাইটকে বৈধ ঘোষনা করে দেয়। কঠিন সমস্যা, সহজ সমাধান।

মন্তব্য ৩৪ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (৩৪) মন্তব্য লিখুন

১| ৩১ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:৩৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কপাল ভালো......প্রত্যেকবারই প্রথম হওয়ার সুযোগ পাচ্ছি! =p~

৩১ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:৪৯

মা.হাসান বলেছেন: আপনার বারে বারে প্রথম হওয়া থেকে সন্দেহ হয় প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যাচ্ছে না তো! B:-/

২| ৩১ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:১০

আনমোনা বলেছেন: বই পড়ে বা ছবি দেখেই একটি জায়গার পরে আগ্রহ জন্মাতে পারে। পিটার জন রুলের বইটি তার প্রমান।

৩১ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:০৮

মা.হাসান বলেছেন: একবার নাসিরুদ্দিন হোজ্জা এক খরগোশ শিকার করার পর খরগোশের ঝোল রাঁধলো , বহুত উমদা চিজ। তার দোস্ত এই ঝোল খেয়ে মানুষের কাছে গল্প করার পরের দিন আর একজন লোক হোজ্জার দরজায় কড়া নাড়ছে। হোজ্জা জিজ্ঞাসা করলে - বলল আমি আপনার দোস্তের দোস্ত, ঝোলের কথা শুনে এসেছি। হোজ্জা সুপের মধ্যে একটু পানি ঢেলে গরম করে দোস্তের দোস্ত কে খাইয়ে বিদায় দিল। সন্ধ্যায় আর একজনের কড়া নাড়া । দোস্তের দোস্তের দোস্ত। একই কায়দায় হোজ্জা তাকে বিদায় করল। পরেরদিন আরেকজনের কড়া নাড়া। দোস্তের দোস্তের দোস্তের দোস্ত। হচ্ছে এবার খানিকটা নুন হাঁড়ির মধ্যে নাড়ানাড়ি করে সেই পানিটা দোস্তের দোস্তের দোস্তের দোস্ত কে খেতে দিল। দোস্তের দোস্তের দোস্তের দোস্ত জিজ্ঞাসা করল এটা কি? হোজ্জা জবাব দিলো এটা ওই খরগোশের ঝোলের ঝোলের ঝোলের ঝোল। ফরাসি থেকে ইংরেজি হয়ে তারপর কলকাতার বাংলায় অনুবাদ হওয়া বই একটু খটমটেই ছিল। তবে পিয়েরে বুল তালেবর লোক। অনেকদিন আগে মরে গেছে, কিন্তু এখনো তার বই থেকে সিনেমা বানানো হচ্ছে।
ভালো বই হলে ঝোলের ঝোলের ঝোলও দাগ রেখে যেতে, পারে, আপনার কথা একদম সত্য।

৩| ৩১ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:৩২

করুণাধারা বলেছেন: আমার মত মাথা মোটার জন্য রীতিমতো কঠিন পোস্ট! যেমন প্রথমে বুঝিনি, পিয়েরে বুলের সাথে পদাতিক চৌধুরীর কি সম্পর্ক। এটা বুঝতে অনেক সময় লাগালাম। আরো অনেকক্ষণ লাগলো বুঝতে, আপনার বন্ধুরা জুতা কিনতে গেলে আপনাকে দেখিয়ে কেন জুতোর রঙ বোঝায়। আহারে! কিছুদিন ফেয়ার এন্ড লাভলী ব্যবহার করেই দেখুন...

আরেকটা জিনিস বুঝতে পারিনি, আসলে এই বৃষ্টি যেই নদীর উপরে সেই নদীর নাম ' মায়ে খলং-- Mae Klong'। বৃষ্টি মানে কি ব্রিজটি?

বাকি সব জলবৎ তরলং, বলা যেতে পারে মিষ্টি শরবত। ভালোই লেগেছে।

৩১ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:১৯

মা.হাসান বলেছেন: আসলে আমাদের মাথার সাইজ স্বাভাবিক, তবে কিছু অতি চিকন মাথার লোককে দেখলে নিজেদের মাথা মোটা মনে হয়। ওসব মনীষিদের সাথে নিজেকে কোন ভাবেই তুলনা করতে যাবেন না।

জুতা সৈয়দ মুজতবা আলী থেকে চুরি করা। ফেয়ার এন্ড লাভলী প্রসঙ্গ কয়েক ঘন্টা পরের ঘটনায় আসবে।
ওটা বৃষ্টি না হয়ে ব্রিজ হবে, অনেক ধন্যবাদ। স্মৃতি রেখে ঠিক করে দিয়েছি।
শ্যাম দেশে নোনতা কিছু পাওয়া মুশকিল, আপনি মিষ্টি শরবৎ খেলে বলবো থাইল্যান্ডের স্বাদ আস্বাদ করা শুরু করেছেন।
সাথে থাকার জন্য এবং এরকম সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। (কুইজে অংশ নেন নি কিন্তু)

৪| ৩১ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:৪২

জুন বলেছেন: এই পর্বটি মনে হয় একটু তাড়াহুড়ো করে সেরে ফেললেন মা হাসান #:-S আসলে নিজের পোস্টে অনেক ঘ্যানা প্যাচাল পেরেছিতো তাই হয়তোবা এমন মনে হচ্ছে :P ট্রাং এ যাবার অপেক্ষায়।
+৩

৩১ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৪০

মা.হাসান বলেছেন: অসুস্থতার কারণে লিখতে সমস্যা, পোস্ট দিতে দেরি হলো, লিখলামও কম।

অসুস্থতার নাম আলসেমি। ছোট বেলায় বড়রা এর দাওয়াই দিত একটা গাট্টা, অসুখ ভালো হয়ে যেত। এখন অষুধ ডিসপেন্স করার মতো লোক তেমন নেই :(

আসলে পর্ব বেশি বড় হয়ে গেলে অনেক পাঠকের ধৈর্যচ্যুতি ঘটে। বর্ননা না কমিয়ে পরিমান কমিয়ে দিলাম। কেবল ব্রিজে নামলাম। ব্রিজ দেখার বর্ননা এর পরের পর্বে থাকবে।

আপনার পোস্টটিতে হাজারের উপর ভিউ এবং ৪৫টি লাইক প্রমান করে আপনি কি ক্যাটাগরির লেখক, আপনার পোস্টের কথা বলে কোন ভাবে আমাকে লজ্জা দিয়েন না।

হায় ট্রাং :( :(

৫| ৩১ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: ভ্রমনের চেয়ে আনন্দের আর কিছু নাই। নতুন দেশ, সমাজ, কালচার এবং মানুষ জানা জানার মধ্যে বিপুল আনন্দ আছে।
খুব ভালো লিখেছেন। সাথে আছি।

৩১ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৫৫

মা.হাসান বলেছেন: সত্য বলেছেন- ভ্রমনের চেয়ে আনন্দের আর কিছু নাই। একটা নতুন গাছ, নতুন পাহাড়, নতুন নদী দেখার যে আনন্দ, নতুন বাতাসে শ্বাস নেয়ার আনন্দ - এর তুলনা অন্য কিছুর সাথে হয় না। তবে আমি আপনার মতো সাহসী না, বলাকা বাসে ৩+৩ , ছয় ঘন্টা বসে থাকলে আমার মাথায় পানি ঢালা লাগবে।
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

৬| ৩১ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:১৪

শাহিন-৯৯ বলেছেন:





আপনার মোট বাথ শ্রাদ্ধ গিয়েছিল এই ভ্রমণে?
লেখা খুবই চমৎকার লাগলো।
নাসিরুদ্দিন হোজ্জার দোস্ত বিদায়ের কাহিনী পড়ে অনেক্ষণ হাসলাম।


লিখতে থাকুন, সাথে আছি
শুভ কামনা।

৩১ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:৪০

মা.হাসান বলেছেন: শাহিন ভাই, মধ্যবিত্তের জন্য অর্থনৈতিক বিষয়টা একটা গুরুত্বপূর্ন বিষয়। প্রত্যেক পর্বেই খরচের বিষয়টা ইচ্ছে করেই লিখে যাচ্ছি। মোট খরচের বিষয়টা শেষে থাকবে, তবে বিশ্বাস করুন, কক্স বাজারে ১০-১২ দিনের জন্য বেড়াতে গেলে যা খরচ এর চেয়ে খুব বেশি খরচ হয় নি। হোজ্জার কাহিনী ভালো লাগায় আমিও আনন্দিত।

সাথে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আপনার জন্যেও অনেক শুভ কামনা।

৭| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৩৮

আরোগ্য বলেছেন: ট্রেনের তেড়েবেড়ি টাইমিং শুইনা গার্ডের গালে একখান চটকানা বসাইবার মন কইসে। কিন্তু বাংলাদেশ থেইক্কা থাইল্যান্ডে চটকানা পৌছাইতে বেশ কানাকড়ি খরচা যাইবে তাই পকেটের কথা ভাবিয়া চটকানা জমা রাখিলাম।
আনারসগুলা কি ভারতের বদলে থাইল্যান্ড পাচার হয়া গেসে? :P আহারে আম খাইবার ইচ্ছা জাগিলো
আপনার পেটে ব্যামো বাধঁলে মোর কোন দোষ নাই।

পরিশেষে আপনার জ্ঞানগর্ভ প্রশ্নের উত্তর খুজিবার জইন্যে মিয়া খলিফা কিংবা সানি লিওনির শরণাপন্ন হইতে হইবে। ইহার খরচা করিবার জইন্যে প্রয়োজনীয় অর্থ মোর পকেটবিহীন জামার পকেটে নাই। তবে যেহেতু সমাধান আপনি দান করিয়াছেন আর কোন চিনি নাই।

০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:২৬

মা.হাসান বলেছেন: মিয়া খলিফা আর সানি লিওন- এরা কারা? আপনার বন্ধু-বান্ধবী? ক্লাসের ফার্স্ট বয় গার্ল? আপনি ভালো লোকদের সংস্পর্শে থাকেন শুনে মনটা ভরে গেল-- ছোট বেলায় শুনেছি- সোহবতে সোয়ালে তোরা সোয়ালে কুনাদ।

থাই আম ঢাকাতে সারা বছর পাওয়া যায়। বায়তুল মোকাররম মসজিদের পাশের ওভার ব্রিজের উল্টা দিকে আজাদ প্রোডাক্টসের গলিতে দাম অন্যান্য জায়গার তুলনায় কম। কিন্তু দাম আমার ক্ষমতার বাইরে। আপনি খলিফাদের দোস্ত, আপনার সমস্যা হবে না।

৮| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৪১

আরোগ্য বলেছেন: আজকে খালি টাইপো হচ্ছে। শেষের বাক্যে চিন্তা হবে, চিনি না।

ফটুগুলা বলগারের মতনই অইসে, ফটুগেরাফারের মতন মশলাআলা অয় নাইক্কা। ;)

০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩১

মা.হাসান বলেছেন: ভাইরে, আমার কি আর স্যামসাং গ্যালাক্সি এস নাইন আছে, ভাল ফটু কই পামু? মশলা ওয়ালা জিনিস দেশলাই জালাইয়া দ্যাহেন :`>

ছবি হ্যান্ডেল করার অভিজ্ঞতা আমার কম। ফোনের মেমরি ভর্তি হবার পর ট্রান্সফারের পর অনেক ছবি দেখছি নাই। ভালো যে সব ছবি শুধু ব্লগের কথা চিন্তা করে তুলেছিলাম তার অনেকই মুছে গেছে। :(

৯| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:১৮

আখেনাটেন বলেছেন: ইতিহাস-ঐতিহ্য অনেক কিছুই তুলে ধরেছেন পোস্টে। যে কোনো ভ্রমণে চাইলে উপভোগ করার অনেক জিনিস থাকে। আপনি যে ভ্রমণটা উপভোগ করেছেন তা বুঝা যাচ্ছে।

তবে আগের দুই পর্বের তুলনায় এই লেখায় প্রাণ প্রতিষ্ঠায় কিছুটা ঘাটতি রয়েছে মনে হল। এ আমার একান্তই ব্যক্তি মত। তবে নিশ্চয় আমার ভ্রমণ পোস্টের মতো গার্বেজ পোস্ট নয় এটাতে নিশ্চিত থাকুন। :D

লিখতে থাকুন। শুভেচ্ছা।

০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৭

মা.হাসান বলেছেন: গার্বেজ ইন্সপেকটর এখনো এই পোস্ট পরীক্ষা করে মতামত দেয়নি, কাজেই নিশ্চিত হতে পারলাম না। :P

কাজের চাপে সময় বের করতে সমস্যা হচ্চিলো, দুই পর্বের মাঝে তিন দিনের গ্যাপ হয়ে গিয়েছে, আরো দেরি যাতে না হয় সেজন্য কিছু তাড়াহুড়া করেছি। পরের পর্বে চেষ্টা করবো আরো ভালো কিছু করার। সাথে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১০| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: মাঝখান থেকে পড়ে জুত পাচ্ছিনা। আগের পর্ব গুলিও পড়তে হবে !
রিপ্লাইয়ে হোজ্জার গল্পটা প্রথম শুনলাম!

০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৫২

মা.হাসান বলেছেন: লিটন ভাই, আসলেই মাঝ থেকে পড়লে স্বাদ পাওয়া যায় না। সময় পেলে আগের পর্ব পড়ে দেখতে পারেন, লিংক পোস্টে দেয়া আছে।

রম্য গল্প আপনার কাছে নতুন, এটা বড় কম্প্লিমেন্ট। :)

১১| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:২৩

কিরমানী লিটন বলেছেন: আগের পর্বগুলো পড়িনি। শীঘ্রই পড়ার লোভ জন্মালো। আপনার কলমের প্রতি বওনম্র শ্রদ্ধা.....

০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৫৪

মা.হাসান বলেছেন: কিরমানী লিটন ভাই, সময় -সুযোগ পেলে পড়ে জানাবেন প্লিজ। লিংক কিন্তু পোস্টের শুরুতে।
অনেক শুভ কামনা।

১২| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৩২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় মা.হাসানভাই,

এটা কেমন হলো? আমি নিরীহ মানুষ, ভ্রমণ পড়ছিলাম মন দিয়ে হঠাৎ আমাকে নিয়ে টানাটানি কেন? কথা কমু না; অভিমান করেছি। তবে পোস্ট জব্বর হইছে++++++
শুভকামনা জানবেন।

০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৫৮

মা.হাসান বলেছেন: সামুও নির্দোষ পরিচ্ছন্ন সাইট, আপনিও নিরীহ মানুষ!!
কান টানলে মাথা আসবে। পিয়েরে বুল সিক্রেট এজেন্ট ছিলেন, আমি কি করবো? :-&

আপনার আসল নাম কিন্তু ফাঁস করি নি।

আশা করি এতে অভিমান ভাঙলো।
আপনার জন্যেও অনেক শুভকামনা।

১৩| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: দ্যা ব্রীজ অন দ্যা রিভার কাওয়াই দেখে হতাশ হলাম। :( তবে বর্ননা সেটা পুশিয়ে দিয়েছে। এই কারনে ভ্রমন কাহিনীর সাথে আমি ছবি পছন্দ করি না। কারন কল্পনার রাজ্যে হারিয়ে যাবার সুযোগ থাকে না।

০২ রা নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:০৪

মা.হাসান বলেছেন: ভাই, সবাইকে সরকার ব্লাউজ দিয়েছে, মোবাইল দিয়েছে, আমি পাই নাই (বলবেন ব্লাউজ কি করবো, তাও একটা কথা)।
আমার মোবাইল কম দামের, ছবি ভালো আসে না। এজন্য এরকম ছবি, মূল ব্রিজ কিন্তু ছবির চেয়ে সুন্দর । তার পরেও বলবো , এরকম ব্রিজ আমাদের দেশে অনেক দেখেছো। আসলে পিছনের ঘটনার কারনেই ব্রিজটা এত বিখ্যাত, এর নির্মান শৈলি, ডিজাইন কোনোটাই আহামরি না। সুযোগ পেলে সিনেমাটা দেখে নিয়েন, খারাপ লাগবে না।

১৪| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বারে বারে প্রথম হওয়ার আনন্দে লেখার মন্তব্য করতে ভুলে গিয়েছিলাম।
বিভিন্ন কারনে মন আজকাল বিক্ষিপ্ত থাকে। সবসময় চিন্তা করি, দেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে.....এই ফিরিঙ্গিদের দেশে থেকে কি লাভ! বরং দেশের মাল, দেশেই ফিরে যাই। কারন, দিব্যচোখে দেখতে পাই, দেশের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকলে আর কিছুদিন পর এদিককার ফিরিঙ্গিগুলো আমাদের দেশে যাবে রুজি-রোজগারের ধান্ধায়। :P

যাকগে, আপনার পোষ্ট পড়ে দেখি আপনি বিরাট ফুরুট লাভার। আমার ঠিক উল্টা। আমাকে কেউ ফল কেটে প্লেটে সাজিয়ে না দিলে আমার ফল খাওয়াই হয় না। ভালো কথা, পার্সিমন ফলটা আপনি নিশ্চয়ই খেয়েছেন। এখন কি দেশে পাওয়া যায়?

আপনার ধারালো বর্ণনার ধার এ'পর্বে একটু কম। তারপরও মজা পেয়েছি। পরের পর্বে পুষিয়ে যাবে নিশ্চয়ই। :)

০২ রা নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:২০

মা.হাসান বলেছেন: আপনার ধারণা একদম সত্যি। দেশের উন্নয়ন দেখে অনেকের চোখ ছানাবড়া। অনেক দেশ থেকে লোক আসতে চাচ্ছে। নীতি নির্ধারকরা এজন্য যারা আসতে চাচ্ছে তাদের চেতনার পরীক্ষা নিতে পারে। তাতে আপনার সমস্যা নাই, আপনার যা কানেকশন, ওখানেও প্রশ্ন ফাঁস করে আপনি প্রথম হবেন বলেই মনে হয়। :-P
আমার চেতনার অবস্থা ভালা না, ডিপোর্ট কইরা দিতে পারে। আপনি এই দেশে ফিরে আসলে আপনার রেসিডেন পারমিট/পাসপুট আমারে দিতে পারেন, ছবি বদলায়া লাক ট্রাই করতাম।

ওখানে ভেন্ডরের কাটা ফলই খেয়েছি। এয়ারপোর্ট সিকিউরিটির কারনে ব্যাকপ্যাকে ছুরি নেয়া সম্ভব না। থাইল্যান্ডে যেয়ে কিনতে পারতাম, কিন্তু ফেলে আসতে হবে, পয়সা দিয়ে কিনে ফেলে আসার বান্দা এই কিরপিন না। বাতাবি লেবু খুব সুন্দর করে কেটে কোয়া খুলে দানা আলাদা করে প্যাকেটে দেয়।

দেশে পার্সিমন দেখেছি। ঢাকায় সুপার মার্কেটে দেখেছি, ঢাকার বাইরে রংপুরের পৌরসভা বাজারেও দেখেছি। দেশে ফলে কি না শিওর না।
২য় এবং ৩য় পর্ব জমেনি আমিও জানি। কাজের চাপছিল, সময় নিয়ে না লিখায় অনেকটা দায়সারা লেখা হয়েছে। পরের পর্বে ভালো করার চেষ্টা থাকবে।

১৫| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৩৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: মা.হাসান,




"ব্রীজ অন দ্য রিভার কাওয়াই" বেশ সুন্দর একটি ছবি। ব্রীজটির সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ইতিহাস আর ছবিগুলো ভালো হয়েছে।
আখেনাটেন এর মতোই বলতে হয় - প্রানের ঘাটতি আছে এই পর্বে। এটা ডার্ক ইমেজের লেখা হয়েছে , নেকস্ট টাইম প্রপার লাইটস দিয়ে লেখা নামাবেন! ;)

০২ রা নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:২৯

মা.হাসান বলেছেন: আহমেদ জী এস ভাই, লেখায় কিছুটা ফাঁকি ছিল, নিজেও বুঝতে পারছি। পরের পর্বে ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি-চবনপ্রাশ-মকরধ্বজ দিয়ে চেষ্টা করবো।
সাথে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১৬| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৩

নীল আকাশ বলেছেন: মফিজ ভাই কোন ২ নাম্বারই করছেন। না হলে প্রতিবার ১ম হন কিভাবে?
১ম হলে জিলাপি দেন নাকি? আর কেউ বোরিং বললে নাকি কালোজাম দেন? সত্যি নাকি?
ঢাকায় ইমারজেনছি এসেছি। জার্নিতে আছি।
আপাতত ২ পর্বই দেখে গেলাম। কালকে অফিসে ফিরে ভালো করে পড়ব।
ধন্যবাদ।

০২ রা নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:১৩

মা.হাসান বলেছেন: শুধু এই পোস্টে না, করুণাধারা আপার পোস্টেও মফিজ ভাই প্রথম । কোথঅ একটা ভুয়ামি হচ্ছে, কোথায় হচ্ছে বুঝতে পারছি না। কোন একটা জায়গায় প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। উনি ইদানিং বিভিন্ন অহেতুক আবেদন নিবেদন করছেন। হয়তো মডারেটরের কাছে নিবেদন করে আগাম খবর পেয়ে যাচ্ছেন কখন কে ''নতুন পোস্ট লিখুন'' বাটনে ক্লিক করছে, তার পরে চান্সে থাকছেন।

কিরপিনের কাছে জিলাপি বাতাসা কিছু নাই। তবে কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে জীবন যাদের কাছে অর্থহীন, ক্যাচাল না করিলে ইয়ে হয় না, তাদের জন্য জোলাপের ব্যবস্থা আছে।
যাত্রা নিরাপদ হউক।

১৭| ০৩ রা নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:৪৪

এমজেডএফ বলেছেন: অনেকের ভ্রমণকাহিনী শুধু "আমি", "আমরা", "আমাদের"–এগুলোর মধ্যে ঘুরতে থাকে। ভ্রমণকাহিনী থেকে আত্মচর্চা বেশি! আপনার ভ্রমণকাহিনীতে এধরনের নেতিবাচক দিকগুলো নেই। তাছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা পাঠকের জন্য বোনাস। এতে একইসাথে অনেক অজানা তথ্য জানা যায়। তাছাড়া একটু হাসি-টাট্টা! এক ঢিলে তিন পাখি! :)

আপনার পোস্টে থানবাউযায়েত থেকে ব্যংকক পর্যন্ত রেলসড়কের মানচিত্র দেখে থানবাউযায়েত থেকে কক্সবাজারের দুরত্ব কত দেখতে বড় ইচ্ছ হলো। সোজাসুজি ৭৮০ কিমি., রেলপথে হলে হয়তো ১০০০ কিমি. হবে। খুব বেশি না। হ্যাঁ! স্বপ্ন দেখতেই পারি – একদিন কক্সবাজার থেকে ব্যাংকক পর্যন্ত রেল যোগাযোগ হবে। সেদিনের অপেক্ষায় আছি।

আগামী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম। ভালো থাকুন।

০৩ রা নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:০১

মা.হাসান বলেছেন: গল্প শুনেছিলাম জার নিকোলাস মস্কো-সেন্ট পিটার্সবার্গ রেল লাইনের নির্দেশ দেয়ার সময় স্কেল ধরে লাইন টেনেছিলন। এজন্য ঐ রেলপথ সরল রেখার মতো সোজা, শুধু লাইন আঁকার সময়ে স্কেলের যেখানে যেখানে জারের আঙুল পড়েছিল সেই জায়গা গুলো সোজা না হয়ে একটু বেঁকে গিয়েছে। আপনার কক্স বাজার-থানবাউযায়েত লাইন এরকম সোজা । :D
জার্মান-ফ্রান্স সহ প্রায় গোটা ইউরোপ বিশ্বযুদ্ধের ক্ষত ভুলে গিয়ে মুক্ত বানিজ্য, ভিসা ফ্রি জোন তৈরি করেছে। ব্যারিয়ার দিয়ে মানুষ আটকানো যায় না। বাংলাদেশ-ভারত ট্রেন চালু হওয়ায় দুই দেশ অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হয়েছে। এশিয়ার এই অঞ্চলে ভিশন সমৃদ্ধ নেতা কম, অবিশ্বাস বেশি। এর পরেও সম্পর্ক এগিয়ে যাচ্ছে, যদিও গতি ধীর। আমি আশাবাদি, এই লাইন তৈরি হবে, শুধু থাইল্যান্ড না, চিন, লাওস, ভিয়েতনাম, মঙ্গোলিয়া- সবার সাথেই কানেকটিভিটি বাড়বে- সবাই ই এতে লাভবান হবে, মানুষের সাথে মানুষের সৌহার্দ বাড়বে।

আপনার অনেক সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.