নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চলছে চলবে

হাসান কালবৈশাখী

আমি দুর্বার, আমি ভেঙ্গে করি সব চুরমার। আমি কালবৈশাখীর ঝড়! আমার ফেসবুকইডি www.facebook.com/norwstorm

হাসান কালবৈশাখী › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশ কবে জংলি মুক্ত হবে?

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৫৪

ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত দেখলাম টিভিতে বলছে ইনিয়েবিনিয়ে ,এটা জংগিদের কাজ না, তামিলটাইগার আর ভারতের দিকে ইংগিত করল। অতচ এই সাখাওয়াতই হলি আর্টিজানের ঘটনায় জোরালো ভাবে আইএস আইএস করে গেছিল। উনি বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নিহত (শহিদ) জংগীদের মুখে বেহেস্তি হাসি আবিষ্কার করেছিলেন।

দেশে কি জংি আছে? না নাই?

দেশে জংলী বা জংলী সমর্থক আছে না নাই বোঝা যায় BBC বাংলা পেইজে গেলে বা ইউটিউবে। জংলীদের একটা পোষ্টেই ১৫k আমিন, যত আমিন তত সোয়াব।


ডন কিহোতের মত হাওয়ার ভেতর শত্রু খুজে লাভ হবে না।

সবাইকে ইসলামের শত্রু ভাবা ছাগলামি ছাড়া কিছু না।
১৪০০ বছরে ইসলাম এমন কোন শক্তি হয়ে উঠেনি যে তার পেছনে লাগতে হবে।
ইরান বাদে সবগুলো ইসলামি দেশই পশ্চিমাদের উপর নির্ভরশীল হয়ে পাচাটা গোলাম হয়ে আছে।

আর সবচেয়ে বড় কথা ইসলাম নিজেই এখনো কোন সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি কোনটা সঠিক ইসলাম। যে কারনে প্রতিটি ইসলামি দেশেই অসংখ্য বিভক্ত ইসলামি দল।
১৪০০ বছরেও এমন কোন ইসলামী দেশ গড়ে ওঠেনি যাকে স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী দেশ বলা যায়।

যে কারনে কোন ইসলাম প্রধান দেশই অন্য ইসলামি দেশের সাথে মিল নেই, সামরিক জোট নেই। সভ্য দুনিয়ার এই বালছালরে ভয় পাওয়ার কি টা আছে?
এগুলারে প্রকৃতই ভয় পাইলে আমেরিকায় শত শত মসজিদ এলাও করত না। যে মসজিদে মোনাজাতে প্রতিদিন ইসলামের শত্রু ইহুদি-নাসারাদের ধ্বংশ কামনা করা হয়।

দু'একটা ছ্যাচ্চোর দল পাকিয়ে এখানে সেখানে কিছু আতসবাজি ফুটায়,আর একদল ফেবুকিয় আবাল 'আমিন আমিন' করে। ভুয়া ফটোশপ ভুয়া ভিডিও বানিয়ে নেকির পরিমান বৃদ্ধি করে।
২০১৪ দিকে সিরিয়া ইরাকে আইএস উত্থানের সময়টাতে এই আবালগুলা আবুবকর বাগদাদিকে প্রায় নবীর পর্যায়ে নিয়ে গেছিলো। ভাগ্যিস মহানবী (s) নিজেকে শেষ নবী ঘোষণা করে গেছিলেন। নইলে কি যে হত!
নিজেরা অস্ত্র বানাতে তো দূরের কথা গুলি ত বাদ গুলির খোসাটাও বানানোর ক্ষমতা নাই, এরা নাকি সারা পৃথিবী দখল করে ইসলাম কায়েম করবে? হাসবেন?
তখন ওরা এমনটাই ভাবতো। এখন চিপা হাসি দিয়ে বলে আমেরিকার শৃষ্টি।


শৃলংকায় নৃশংস হামলার পর
এখন শুরু হয়েছে একের পর এক ইহুদী-নাসারা, ভারত বিরোধী ষড়যন্ত্র পোষ্ট। একজন নর্থসাউত অধ্যাপককে দেখাগেল হাস্যকর ভাবে বৌদ্ধদের ষড়যন্ত্র আবিষ্কার করছে!

বাংলাদেশ জংলী মুক্ত হবে কবে?

মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:০১

রাজীব নুর বলেছেন: জঙ্গী সমস্যা শুধু বাংলাদেশে না পৃথিবীর অনেক দেশেই।
আন্তর্জাতিক ভাবে এর মোকাবেলা করতে হবে।

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৪৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
জঙ্গী সমস্যা শুধু বাংলাদেশে না পৃথিবীর অনেক দেশেই।

এজন্যই বাংলাদেশ ও পৃথিবীর অন্যান্য দেশ আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা ও সহযোগিতার অংশ হিসেবে ‘ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন ফর দ্যা সাপ্রেশন অব দ্য ফাইন্যান্সিং অব টেরোরিজম’ এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশনসমূহ প্রতিপালনে বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন, প্রতিরোধ ও দমনে পদক্ষেপ গ্রহণসহ সম্ভাব্য সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিআইএ, এফবিআই ও হোমল্যান্ড সিকুরিটির সাথেও নিবিড় ভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ।
সম্পুর্ন মার্কিন সহায়তায় সন্ত্রাস দমন বাহিনী সোয়াট ও সোয়ার্ড গঠিত হয়েছে, এসএসএফ প্রশিক্ষন হয়েছে।
সন্ত্রাস তথ্য বিনিময় হচ্ছে প্রায় প্রতিদিন।

জাতিসংঘের সন্ত্রাস-বিরোধী কনভেনশন/প্রটোকলের ১৪টির মধ্যে ১৪টিতেই বাংলাদেশ সম্মতি জ্ঞাপন করেছে।
এছাড়া জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন কমিটি, সন্ত্রাস দমন কমিটির নির্বাহী কার্যালয়, অনুমোদন পরিবীক্ষণ বিভাগ এবং সন্ত্রাস দমন বাস্তবায়ন টাক্সফোর্স এরসাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এছাড়া আমাদের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ, ফাইনানসিয়াল অ্যাকশন টাক্স ফোর্স ও ব্রাসেলস ভিত্তিক 'এগমন্ট গ্রুপের' সাথে অত্যন্ত ঘনিষ্টভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সপ্তাহ খানেক আগে আমেরিকাও সতর্ক বার্তা পাঠিয়েছিল শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও মালয়েশীয়াকে।
বাংলাদেশ কিছুটা অসন্তুষ্ট হলেও দ্রুতই ব্যাবস্থা নিয়েছিল গুলশান-বারিধারাতে বিপুল সংখক সোয়াট র‍্যাব পুলিশের তল্লাসিচৌকি বসিয়ে। সাংবাদিকদের প্রশ্নে বলেছিল, কিছু না রুটিন চেক।
হামলার বিষয়ে শ্রীলঙ্কাকে আগাম সতর্ক করে দিয়েছিল ভারতও। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, হামলার ব্যাপারে শ্রীলঙ্কাকে ৪ এপ্রিল ও ২০ এপ্রিল দুই দিন সতর্ক করা হয়েছিল।
ভারতীয় ও মার্কিন গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক নির্দিষ্ট ভাবে বলতে পারেনি ঠিক কোথায় হামলা হবে।
কোটি কোটি ফোনকল এনালাইসিস করে সন্ত্রাসিদের সাংকেতিক কথা ডিকোড করে বোঝা যাচ্ছিল এই রিজিয়নে (শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ বা মালয়েশীয়া) কিছু একটা বড় জঙ্গি হামলা প্রস্তুতি হচ্ছে।
কিন্তু শ্রীলঙ্কা পুলিশ খুব একটা গুরুত্ব দেয় নি, মালয়েশিয়া, বাংলাদেশও দেয় নি। কারন মাসে মাসেই দুএকটা এরকম বার্তা আসেই। এরপরও না পারতে বিমানবন্দর ও সরকারি ভবনে পাহারা বাড়িয়েছিল। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গুরুত্ত দেয় নি।

২| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:১৬

বলেছেন: বাংলাদেশে জঙ্গি নেই কিন্তু জংলি গোষ্ঠীরা আস্তানা গেড়েছে।।

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৫০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
একদম খাটি কথা বলেছেন ভাই।

দেশে জঙ্গি নেই কিন্তু জংলিতে দেশ ভরে গেছে।
শিক্ষিত সুট টাই পরা জংলিও অনেক। মিডিয়া হাউস গুলোও ইটিপি বাড়াতে উম্মাদ জংলিদের দিগম্বর অবস্থা।

৩| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:০৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াতের সাহস দেইখা চমকিত হইলাম। তবে শুধু ব্রিগেডিয়ার সাব নয়, বিভিন্ন গনমাধ্যমের ইশারাও সেই দিকে। শ্রীলংকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি যে কতটা নাজুক ও দুর্নীতিপরায়ন তা এই ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে। এত মানুষের মৃত্যূর পরও তারা সত্য বলতে অপারগ। বরং ক্রাইস্টচার্চের ঘটনার প্রতিশোধ নিতে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে এই জাতীয় আজগুবি তত্ব শ্রীলংকার মন্ত্রীমহাশয় সামনে আনার পর নিউজল্যন্ড সেই বক্তব্য পুরোপুরি প্রত্যাখান করেছে।

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:২৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ধন্যবাদ ঢাবিয়ান ভাই।
আপনে ঠিক ধরতে পেরেছেন।
এই সাখাওয়াত ২০০১ এর দিকে ভোরের কাগজে লিখতো, একটা লাদেন সমর্থক লেখা পড়ে অবাক হয়ে গেছিলাম।

৭-৮ জন তরতাজা যুবক মোদি বা ট্রাম্পের কথায় একটা ফালতু কামে নিজের মুল্যবান জীবন বিসর্জন দিবে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না।
ফালতু কাম বলছি কারন এই নিরহ মানুষ মেরে হামলায় কোন অর্জন নেই, যুদ্ধ জয়ও হয় নি, জনপ্রীয়তা বাড়েনি,
ইসলামের ক্ষতিও করতে পারেনি, কারন কোন ইসলামি দেশই আইএস-বালকায়দা প্রশ্রয় দেয় না।

কথিত মোদি বা ট্রাম্পের কথায় ৭-৮ জন তরতাজা যুবক আত্নঘাতি না হয়েও সহজেই ভিন্ন ভাবে কাজটা সারতে পারতো।
ভিডিওতে দেখলাম ব্যাটা পিঠে ব্যাগ নিয়ে হন হন করে হেটে যাচ্ছে ... হলরূমে ঢুকলো, এরপর বিস্ফোরন।

সে ইচ্ছা করলে ইজিলি ব্যাগটা পায়ের কাছে রেখে চেয়ারে বসতে পারতো, ৫ মিনিট বয়ান শুনে পাশের জনকে বলতো, "ভাই সিটটা রাইখেন, আমি একটু পেচ্ছাপ করে আসি। এরপর হোন্ডা নিয়ে ভো .. এরপর বিষ্ফোরন, এটাই ছিল সহজ।
কি পরিমান ধর্মউম্মাদ হলে, কি পরিমান জান্নাত লোভে ব্রেনওয়াশ হলে একটা তরতাজা যুবক অকারনে জীবন দিতে পারে?
ধুর্ত ব্রিগেডিয়ার দের কাছে এসব কখনোই বিবেচিত হবে না।

৪| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৮

বাংলার মেলা বলেছেন: প্রতিশোধের শিকার হয় কেবল নিষ্পাপেরাই।
https://www.youtube.com/watch?v=fnyGlSEF9u8

৫| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:১৪

আখ্যাত বলেছেন:
আসলেই,
এটা কোন জঙ্গীর কাজ হতে পারেনা
এটা সুস্পষ্ট সন্ত্রাসী কাজ

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৪৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: - একজ্যাক্টলি।

৬| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৪৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


প্রশ্নফাঁস জেনারেশনের মাঝে জংগী মনোভাবের তরুণের সংখ্যা বেড়ে চলেছে, কমার সম্ভাবানা কম।

২৫ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:০৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
জংগী মনোভাবের তরুণের সংখ্যা বেড়ে চলেছে, সত্য।

শ্রীলঙ্কায়ও আত্মঘাতী হামলায় অংশ নেওয়া তরুণ-যুবকদের অধিকাংশই উচ্চ-শিক্ষিত এবং উচ্চ-মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান।
হামলাকারীদের একজন ব্রিটেনএ উচ্চশিক্ষা শেষ করে দেশে ফিরে স্থায়ীভাবে বসবাস করছিলো।
যে আটজন আত্মঘাতী হামলাকারী তাদের মধ্যে দুজন সহোদর। এই দুই ভাই কলম্বোর ধনী ব্যবসায়ীর দুই ছেলে।
হামলাকারি সবাই মোসলমানের বাচ্চা।

বাংলাদেশেও হোলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলায় জড়িতদের প্রায় সবাই বিদেশে লেখাপড়া করেছিল।
বাংলাদেশে জংগী মনোভাবাপন্ন তরুণের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও জঙ্গি সমর্থক সংখা কম।
কট্টর ইসলামি বা জঙ্গি সমর্থক ৩০% বেশী হবেনা।
ব্লগার হত্যা তাবেলা সিজার হোসেকুনিও সহ বিদেশী হত্যা চলছিল। কিন্তু হোলি আর্টিজান বেকারিতে ২২ জন নৃসংস জবাইএর পর বাংলার মানুষ তীব্র ভাবে ঘুড়ে দাঁড়ায়, আগুন সন্ত্রাসের মত জঙ্গিবাজিও বিরুদ্ধেও জনমত তৈরি হয়।
অনেক পিতামাতারা জঙ্গিদের কানে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

৭| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: জঙ্গী কারা হয়?
দরিদ্র মানুষেরা টাকার লোভে জঙ্গী হয়।

আমার মন্তব্যের সুন্দর উত্তর দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৫০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: - ধন্যবাদ রাজীব ভাই।

৮| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৩

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: আচ্ছা! তাই নাকি?
ভারত আর ইহুদীদের বিরুদ্ধে যখন কেউ লিখে তখন খুব গায়ে লাগে না?
সত্যটা বললেই দোষ?
দালালী বন্ধ করে বিবেক জাগ্রত করেন।

৯| ৩০ শে মে, ২০১৯ রাত ১২:১১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
“চমকে যাবেন আপনিও, চমকে যাবে বিশ্ব..!!

শ্রীলঙ্কা, কলম্বোয় মুসলিম চিকিৎসক ডাঃ 'সিগু সিয়াব্বীন মোহাম্মদ সাফি' সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের সময় ৪,০০০ (চার হাজার) বৌদ্ধ ও হিন্দু নারীর জরায়ু লুকিয়ে অপসারণ করেছিলো। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসলে গত 25/5/2019 তারিখে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে ।

প্রচুর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির মালিক সাফি এই ঘটনা স্বীকার করেন এবং বলেন .. একটি 'অর্গানাইজেশন থেকে এই কাজের জন্য 400 (চারশ) মিলিয়ন অর্থ পেয়েছে।

কি অদ্ভুত মনস্তত্ত - স্পষ্ট..হিন্দু ও বৌদ্ধদের বংশবিস্তার কমানো। ইসলামিদের বাড়ানো।
আমাদের রহিংগাদেরও একই মনস্তত্ত।


আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.