নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চলছে চলবে

হাসান কালবৈশাখী

আমি দুর্বার, আমি ভেঙ্গে করি সব চুরমার। আমি কালবৈশাখীর ঝড়! আমার ফেসবুকইডি www.facebook.com/norwstorm

হাসান কালবৈশাখী › বিস্তারিত পোস্টঃ

স্যাটেলাইট নিয়ে এত কান্নাকাটি কিসের?

২৪ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৩:০৩

স্যাটেলাইট নিয়ে এত এলার্জি কেন?

বাংলাদেশ ছিল ৫৭ তম স্যাটেলাইট অউনিং দেশ।
সম্প্রতি (গত মাসে) পাশের ছোট দেশ নেপালও স্যাটেলাইট পাঠিয়ে ৫৮ তম হয়েছে।
সেখানে সবাই সন্তুষ্ট। এই স্যাটেলাইট নিয়ে কোন কান্নাকাটি হয়নি, টু শব্দও হয়নি।
বেশ আগে থেকেই পাকিদের ৩ টি স্যাটেলাইট। কারো কোন বিকার নেই।
১৯৭৬ থেকে ইন্দোনেশীয়ার নিজস্য স্যাটেলাইট। ৩০ টার উপর। বর্তমানে চালু ১৯টি। এবছর ফেব্রুয়ারীতে স্পেসএক্সের মাধ্যমে উৎক্ষেপিত PSN স্যাটেলাইট যার সবগুলো ট্রান্সপন্ডার শুধু ইন্টারনেট সেবাদানের জন্য।
ভারতে কোটি কোটি মানুষ দরিদ্র। টয়লেট নেই, মাঠে ঘাটে হাগে। এর পরও তাদের ৮০টার উপরে স্যাটেলাইট। চাঁদেও নভোযান পাঠিয়েছিল, আরো পাঠাবে।
সেখানে কোথাও কেউ স্যাটেলাইট নিয়ে কান্নাকাটি করে না।
বাংলাদেশে একটা নিয়ে এত কান্না কেন?


৭২ সালে যুদ্ধবিধ্বস্ত সদ্য স্বাধীন দেশটি ভাত খাওয়ার পয়শা না থাকলেও বেতবুনিয়া ও তালিবাবাদ ভু-উপগ্রহ কেন্দ্র তৈরি করার ব্যাবস্থা করে, ৭৫এ চালু। সেই যুগে Intelsat-1 স্যাটেলাইট ভাড়া করে দেশটিতে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগের সুচনা।

এই সামু ব্লগেই একবছরে শত শত স্যাটেলাইট বিরোধী পোষ্ট/কমেন্ট দেখা গেছে। বিদেশে থাকা এক পিএইচডি ব্লগার স্যাটেলাইট নিয়ে বিশাল টাকা লস ফিরিস্তি .. এখনো কেন টাকা আয় হচ্ছে না তা নিয়ে বিশাল বিশাল ফর্দ হাজির করেছেন।
ওনার ধারনা এই স্যাটেলাইট শুধু টাকা বানানোর মেশিন হিসেবে আকাশে ছাড়া হয়েছে।

ওনার পোষ্টে কমেন্ট করতে পারিনি। এই গুনধর পিএইচডি ওনার রগকাটার ছবি দিয়ে গুজব ছড়ানোর সময় উনি নির্বিঘে গুজব ছড়ানোর জন্য আমার কমেন্ট মুছে আমাকে কমেন্ট ব্যান করেছিলেন। যদিও আমি কখনো কমেন্টে বাজে কথা লিখি না, গালি তো দুরের কথা। এরপরও এখনো আমি তাহার পোষ্টে কমেন্ট ব্যান।

বিশ্বের কোথাও সরকারি প্রতিষ্ঠান আর্থিক প্রফিট করার জন্য করা হয় না। সেটা বিমান বাংলাদেশ, বিআরটিসি বাস, বাংলাদেশ রেলওয়ে, মালয়েশিয়ান এয়ার লাইন্স বা নিউইয়র্ক সাবওয়ে।


আজ টিভিতে দেখলাম এক (কু) বুদ্ধিজীবি বলছেন, ধান চাষ কৃষকদের জন্য বিশাল ক্ষতি। ধানচাষ বন্ধ রাখাই উচিত। সঞ্চালক গোলাম মুর্তজা অবস্য বাধা দিয়েছেন।

৭১ মুক্তিযুদ্ধের সময় এ ধরনের কুশিক্ষিত কুদ্ধিজীবি ালপাকনা পিএইচডিরা থাকলে মুক্তিযুদ্ধ শুরুই সম্ভব হত না

স্যাটেলাইটের মত ক্রিকেট টেষ্ট স্ট্যটাস নেয়ার সময়ও কিছু নৈরাজ্যবাদিদের বাধা ছিল। ৯৭ এর পেপার খুজে পেলে দেখবেন, পত্রিকার কলাম লেখকদেরও অসন্তোষ ছিল। কিছু পাবলিকও বিদ্রুপ করছিল (কারণ স্ট্যাটাস পাওয়ার সময়টায় বাংলাদেশ একের পর এক হারছিল) খেলায় হারজিত থাকবেই, কিন্তু একটা দেশের মর্যাদা প্রাপ্তিতে বাধা দিবে কেন?
এই স্যাডিষ্টদের, কলামলেখকদের পাত্তা দিলে কেনিয়া টেষ্ট স্ট্যাটাস পেয়ে যেত। আর বাংলাদেশ কেনিয়ার মত রাস্তায় রাস্তায় ভিক্কা করতো।

৯৩ সালে সাবমেরিন ফ্রীতে কেবল ইন্টারনেট কানেক্সান অফার ফিরিয়ে দেয়া হয়েছিল। এই হতাসাবাদিরাই খালেদার কান ভারি করেছিল যে দেশে এত কম্পিউটার নেই, এত কম্পিউটার হবেও না। সাইফুররহমানও বলেছিল আকামের লষ্ট প্রজেক্ট। কোন দরকার নেই। দেশটাকে আইটি খাতে ১৫ বছর পিছিয়ে দিয়েছিল ওরা।

অতচ ৭২ সালে যুদ্ধবিধ্বস্ত সদ্য স্বাধীন দেশটি ভাত খাওয়ার পয়শা না থাকলেও বেতবুনিয়া ও তালিবাবাদ ভু-উপগ্রহ কেন্দ্র তৈরি করে, সেই ৪৮ বছর আগে Intelsat-1 স্যাটেলাইট ভাড়া করে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগের সুচনা করে।
আর এখন উদীয়মান সামর্থবান সক্ষম বাংলাদেশ কি একটি স্যাটেলাইটের মালিক হতে পারে না?

টেকনোলজি বাধা পাকি আমল থেকেই ছিল। একটা রেডিও রাখতে লাইসেন্স লাগতো, বাংলাদেশ আমলেও লাগতো। টিভি রাখতে প্রতি বছর ৫০০ টাকা লাগতো যা বর্তমান ভ্যালু ৩০০০ টাকা।
মোবাইলের দাম লাখটাকার উপর কলচার্জ ও আকাশ্চুম্বি করা হয়েছিল,এর উপর প্রতি বছর পুনরেজিষ্ট্রেশন ৩ হাজার।
টিএন্ডটি ফোনও ৩০ হাজার টাকায়ও পাওয়া মুসকিল। সবাইকে দেয়া হত না, বেশীটাকা দিয়েও না। ব্যক্তিমর্যাদা দেখে ফোন সংযোগ দেয়া হত।
মোটকথা টেকনলজি শুধু ভিআইপি ও ধনীদের। সাধারন জনগনের নাগালের বাইরে, ছুয়ে দেখারও অধিকার ছিলনা।


তারপর ১৯৯৬ সালে সরকার পরিবর্তন হলো। ক্ষমতায় এলো শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।

সিটিসেলের একক ব্যবসার পাশাপাশি ১৯৯৭ সালেই অনুমোদন পেল গ্রামীন ফোন এবং একটেল (বর্তমান রবি)। তৈরী হলো ব্যাবসায়িক প্রতিযোগীতা। অধিক গ্রাহক টানার প্রতিযোগীতায় হু হু করে কমতে শুরু করেছে কলরেট। সরকার ও জনগণের চাহিদার অনুপাতে প্রচুর আমদানী হতে থাকা মোবাইল ফোনের উপর ভ্যাট ট্যাক্সের বোঝা হালকা করে দিল। দ্রুত বাড়তে থাকলো মোবাইল ইউজারের সংখ্যা। মাত্র দুই বছরের মধ্যেই মধ্যবিত্তের হাতের নাগালে চলে এলো মোবাইল ফোন ও কানেকশান।
সাবমেরিন কেবল যখন প্রথম যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব আসে, তখন বি এন পি সরকার তা ফিরিয়ে দেয় এই যুক্তিতে যে, এই কেবল আসলে দেশের অভ্যন্তরীণ তথ্যগুলো বাইরের দেশে পাচার হয়ে যাবে!
অথচ একটা দেশের জন্য ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি খাতে কি কি বিস্ময়কর উন্নয়ন ঘটাতে পারে তথ্য এবং প্রযুক্তি তে তা তারা একবার ও চিন্তা করেনি!




থ্যাংকস গড পরের বার ক্ষমতায় এসে আওয়ামীলীগ সরকার সে সুযোগ হাতছাড়া হতে দেননি!
আজকে বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশের ন্যায় আমরাও এই সেবা পাচ্ছি!
আজকে আপনারা যারা টুজি থ্রিজি নিয়ে ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করেন, এই যতটুকু আছে যতটুকু অবদান সেটুকু ও আওয়ামীলীগ সরকারের!
তাই বলা যায়, এইসব কৃতিত্ব শেখ হাসিনার।
সরকারের কাজ জনগণকে হাতে হাতে মোবাইল ফোন রিলিফ দেয়া নয়।
হাসিনা সরকারের কাজ লোভি বেনিয়াদের একচেটিয়া মুনাফা বন্ধ করে জনগণের জন্য প্রযুক্তি ও পণ্যকে সহজলভ্য করে দেয়া।
শেখ হাসিনা সেই কাজটি খুব ভালভাবে করেছিলেন। তাই, “হাতে মোবাইল পৌছে দিয়েছি” কিংবা “এই মোবাইল ফোন কে দিয়েছে?” কিংবা “মোবাইল ফোন সহজলভ্য করেছি” --- যেভাবেই বলুক না কেন, এই দাবীটা একমাত্র শেখ হাসিনার মুখেই মানায়।


একসময় তারা " ডিজিটাল " শব্দ টাকে প্রহসন হাসি ঠাট্টা হিসেবেই ব্যবহার করতো! এখন অবস্য সব হাসি ভোতা হয়ে গেছে।
ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস, সেই ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে খাম্বা গ্রুপের কর্ণধার 'তারেক পলাতক' ভিডিও কনফারেন্স করে, টাকা উৎপাদন মেশিন তথা নমিনেশন দেয়, প্রার্থী বাছাই করে!
আর নিরাপদ সড়কের আন্দোলনে বাচ্চাদের হাতে প্লাকার্ড তুলে দেয় "ডিজিটাল বাংলাদেশ চাইনা, নিরাপদ সড়ক চাই"



তাদের আমলে শুধু টেকনলজি না। বিদ্যুৎ সংযোগও দরিদ্র সাধারন জনগনের নাগালের বাইরে রাখার প্রবনতা ছিল।
খালেদাও বিএনপি নেতারা টাকা বাচাতে কৃপন .. ভিতু স্বভাবের,
সাইফুর রহমান বলতো সব লষ্ট প্রজেক্ট। প্রচুর টাকা ব্যায়। গ্যাস নেই, চৌদ্য পুরুষেও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের এই টাকা উঠে আসবে না। এত বিদ্যুতের দরকারটা কি?
বিএনপি যখন ২০০৬ এ ক্ষমতা ছাড়ে তখন সম্ভবত মাত্র ৩২০০ মেগাওয়াট ছিল দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা। ১ মেগাওয়াটও বাড়াতে পারেনি। পরের দু বছর তত্তাবধায়ক সময়ও বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হয় নি।
উদিয়মান দেশটিতে এত সামান্য বিদ্যুৎ। ৫+২ = ৭ বছর বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো হল না। ভাব যায়।

২০০৮ এ নবনির্বাচিত সরকার অনেক বাধা অনেক উচ্চমুল্যে সত্তেও বিভিন্ন ধরনের বিদ্যুতকেন্দ্র তৈরি করে, প্রয়জনে ভাড়ায় আনা হয় বেশীমুল্য দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ৫ গুন বৃদ্ধি করেছে, এতে আপাত সরকারের বিপুল অর্থ নষ্ট হয়েছে।
কিন্তু জনগন দেশজ শিল্প, বৃহৎ শিল্প, রপ্তানী, ফ্রীল্যান্সিং, অনলাইন মার্কেটিং, বেশীরভাগ ফ্যাক্টরি আন্তর্জাতিক কমপ্লায়েন্স করন, কৃষি উৎপাদন, মৎস উৎপাদন, গো-ছাগ মাংশ উৎপাদন, সবক্ষেত্রেই বহুগুন বৃদ্ধি করে তার শতগুন প্রতিদান দিয়েছে।

মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয়।
গো-ছাগ উৎপাদন সংখায় ও মাংশ উৎপাদনে ২য়
শাক-সবজি উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ।
চাল উৎপাদনেও বিশ্বে চতুর্থ অবস্থানে

খালেদাও বিএনপি নেতারা টাকা বাচাতে কৃপন .. ভিতু স্বভাবের,
সাইফুর রহমান বলতো সব লষ্ট প্রজেক্ট। প্রচুর টাকা ব্যায়। চৌদ্য পুরুষেও এই টাকা উঠে আসবে না। এত বিদ্যুতের দরকারটা কি?

আদমজি বেচে দাও। চালু থাকলেও লস, বন্ধ রাখলেও লস
অর্থনীতিবিদরা বলেছিল বন্ধ না করলেও চলে, খরচ কমিয়ে লাভলস সমান সমান রাখেন, কিছু লস হলেও সমস্যা নেই।
পরে আর্থিক সক্ষমতা হলে রিনোভেশন করে এটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহত্বম আধুনিক জুটমিল করা যায়।
এছাড়া বন্ধ করলে অনেক সমস্যা, এই কারখানা প্রডাক্ট, অন্যান্য সরকারি বেসরকারি মিল কানেক্টেড। বন্ধ করলে টোটাল সেক্টর বিপুল ক্ষতি হবে।
ভেতরে হাজার হাজার শ্রমিক, পরবার সহ লাখখানেক। ৩টি হাইস্কুল, ৬ সরকারি প্রাইমারি স্কুল, ছাত্ররা কোথায় যাবে? এতগুলো গৃহহীন সমাজে এত বড় চাপ।
কিন্তু সাইফুরের নির্বিকার উক্তি - "আমি কিছু বুঝিনা, লষ্ট প্রজেক্ট। বন্ধ হবে"।

বিম্পি আমলে দেশের বেশিরভাগ মানুষ ছিল বিদ্যুতের সুবিধা বঞ্চিত একেবারে অন্ধকারে।
নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র করতে বিশ্বব্যাঙ্কের শর্ত পিডিবি কে ভেংগে কম্পানী করা আর ভর্তুকি সম্পুর্ন বন্ধ করা। তারপর ফান্ডিং।
সাইফুর রহমান বলতো সব লষ্ট প্রজেক্ট, এত ভ্যাজাল দরকার নেই, সবতো চলছেই, এত দামদিয়া ালের বিদ্যুতের দরকারটা কি।
আমি কি লস দিমু নাকি।

আর এখন সেটা ২০ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। এটা সরলরৈখিক গতির উন্নয়ন নয়।
আওয়ামী লীগ সরকার বুঝিয়ে দিয়েছিলো একটা জাতীর মাথাতুলে দাঁড়ানোর জন্য সবচেয়ে বড়ো নিয়ন্ত্রক হচ্ছে বিদ্যুৎ। বিশাল লস হবে, কিন্তু এনার্জি নিশ্চয়তা পেলে পেলে বাকি ইন্ডাষ্ট্রিয়ালাইজেশন, ইনভেষ্ট এমনিতেই আসবে। কর্মসংস্থান বাড়বে, রপ্তানী বাড়বে। আপাত লস হলেও পরোক্ষ লাভ শতগুন হবে।


১৯৯২ সালে বিনামূল্যে সাবমেরিন কেবল সংযুক্ত হতে পারতো বাংলাদেশ অথচ বিএনপি সরকার বললো,
ফালতু ঝামেলা।
দেশে এত কম্পিউটার আছে নাকি?
দেশের নাকি তথ্য পাচার হয়ে যাবে! তথ্যপ্রযুক্তিতে এভাবেই দেশ ১৫ বছর পিছিয়ে যায়। যখন অন্যান্য দেশ এগিয়ে গেছে আমরা তখন ১৫ বছর নেট বিহীন বা শেষ দিকে খুব অল্প কিছু ডায়ালআপ এ ছিলাম। অথচ ১২ বছর পর সেই সংযোগ নিতে বাংলাদেশকে পরে শত শত কোটি টাকা খরচ করতে হয়।


১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত প্যাসিফিক মোটরস ও ফার-ইস্ট টেলিকমের কর্ণধার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির নেতা মোর্শেদ খান।
বিএনপির মোর্শেদ খানের মালিকানাধীন সিটিসেলের একটা মোবাইল সংযোগ নিতে প্রথম দিকে খরচ হতো তৎকালীন টাকায় এক থেকে দেড় লাখের উপরে। আইন করে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হীন একা একচেটিয়া ব্যাবসা করার সুযোগ দিয়েছিল মন্ত্রী মোর্শেদ খানকে। ফলাফল মাত্র গুটিকয়েক অতি বিত্তবান ছাড়া বাদবাকি বৃহত্তর জনসাধারণের কাছে মুঠোফোন ছিল ধরাছোয়ার বাইরে স্রেফ স্বপ্ন।
বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে চুটিয়ে মুঠোফোনের ব্যাবসা করেছে এই মুর্শেদ খান ও তার প্রতিষ্ঠান প্যাসিফিক মোটরস ও ফার - ইস্ট টেলিকম সিটিসেল। কোন প্রতিযোগীতা নেই। মুঠোফোনের ব্যাবসায় কোন প্রতিদন্ধিতা নেই। একচেটিয়া ব্যাবসা করেছে মুর্শেদ খান। ফলাফল মাত্র গুটিকয়েক বিত্তবান ছাড়া বাদবাকি বৃহত্তর জনসাধারণের কাছে মুঠোফোন ছুঁইয়ে দেখারও সুযোগ ছিলনা।

ল্যান্ডফোনও স্থায়ী ঠিকানা, ভাল সামাজিক স্টাটাস ছাড়া ৩০ হাজার টাকা বেশী দিলেও পাওয়া যেত না। ১৯৮৯ সাল থেকেই 'সেবা টেলিকম' টেলিফোন সার্ভিস কার্যক্রম চালাতে টেলুলার মোবাইল ফোন সার্ভিস দেবার জন্য আবেদন করেছিল ১৯৯২ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারের কাছে। কিন্তু যেহেতু আইন করে একচেটিয়া টেলিকম ইন্ডাস্ট্রি পুরোপুরি মোর্শেদ খানের দখলে ছিল, সুতরাং তারা অনুমতি পায়নি।




তারপর ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এলো আওয়ামীলীগ। মোর্শেদ খানের উপর প্রতিশোধ নেয় নি, সিটিসেলকে বন্ধ করেনি। বরং সিটিসেলের PSTN থেকে CDMA আপগ্রেড করতে উৎসাহ দিয়েছে।
১৯৯৭ সালে উচ্চ প্রযুক্তির GSM প্রযুক্তির অনুমোদন দেয়া হল ইউনুসের গ্রামীণ ফোন এবং বিএনপির এক এমপি/ব্যাবসায়ী একে খানের একটেল।
সেবা টেলিকম আগেই চাচ্ছিল টেলুলার সার্ভিস। সেটা দেয়া হল। তৈরী হলো ব্যাবসায়িক প্রতিযোগীতা। এর মধ্যে আজকে যে রবি আর গ্রামীণফোন লক্ষ কোটি টাকার বিজনেস করছে, তাদের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল একদমই ফ্রি'তে, শুধুমাত্র টেলিযোগাযোগ খাতটা যেন দ্রুত বাড়ে সেজন্য! এক সময়ে নাগালের বাইরের জিনিষ, তখন মানুষের হাতে্র কাছে ৫ ধরনের অপসন।

টি এন্ড টি ল্যান্ড ফোন
সিটিসেল
গ্রামীণ ফোন
একটেল
সেবা টেলুলার





কোন দলীয় বিবেচনা কাজ করেনি। যে যোগ্য তাকেই দেয়া হয়েছে। মালিক একে খান তো বিম্পি মন্ত্রি বা এম্পি। ইউনুস বিম্পি সমর্থক। ইউনুস নিজে এক বকৃতায় বলেছিলেন গ্রামীণ ফোন লাইসেন্স পেতে কাউকে এককাপ চাও খাওয়াতে হয় নি।
অধিক গ্রাহক টানার প্রতিযোগীতায় হু হু করে কমতে শুরু করেছে কলরেট। সরকার ও জনগণের চাহিদার অনুপাতে প্রচুর আমদানী হতে থাকা মোবাইল ফোন। দ্রুত বাড়তে থাকলো মোবাইল ইউজারের সংখ্যা। মাত্র দুই বছরের মধ্যেই মধ্যবিত্তের হাতের নাগালে চলে এলো মোবাইল ফোন ও কানেকশান।

১৯৯৬-৯৭ তে আরো বড় দুটি দুঃসাহিসি পদক্ষেপ নিয়েছিল হাসিনা।

তখনো কম্পিউটার সহজলভ্য ছিল না, উন্নত দেশে মাত্র উইন্ডোজ ৯৫ এসে কম্পিউটার অনেকটা ইউজার ফ্রেন্ডলি হয়ে গেছে। দেশে কম্পিউটার দরকার। যা খালেদা-সাইফুর লষ্ট প্রজেক্ট বলতেন, হাসিনা সেটাকে সম্পুর্ন শুল্কমুক্ত করে দিলেন।
প্রবীন অর্থনীতিবিদরা হা হা করে উঠলেন বিশাল ক্ষতি হবে!
হাসিনা, তোফায়েল জানে কয়েকশো কোটি যা ক্ষতি যা হবে অর্থনীতি বড় হলে কর্মসংস্থান বাড়বে, পরে এরাই হাজার কোটি পরক্ষ ট্যাক্স ভ্যাট দিয়ে শতগুন পুশিয়ে দিবে।
আইডিবির চারটি বিশাল ফ্লোর হয়ে গেল বিশাল বিপনন হাট। দুটি বড় ভারতীয় ট্রেনিং সেন্টার, বুয়েট সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ ও তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল (Electrical and Electronic Engineering) সাবজেক্টগুলো জনপ্রীয় হতে থাকে।

এরপর ১৯৯৬-৯৭ তে আরো কিছু সাহসি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল
সরকারি বিটিভির সাথে আরো ৩টি বেসরকারি টেলিভিশন লাইসেন্স দেয়া হয়।

১। ইটিভি (টেরিস্টেরিয়াল)
২। চ্যানেল আই (স্যাটেলাইট)
৩। এটিএন বাংলা (স্যাটেলাইট)

আর ক্রিকেট টিম মাত্র কোয়ালিফাই হয়েছে বিশ্বকাপে। টেষ্ট স্ট্যাটাস দরকার।
সবাই বললো কি পাগল নাকি! মাত্র বিশ্বকাপে চান্স কএক বছর খেলুক।
আইসিসি ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় নিয়মমাফিক ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ ক্রিকেট খেলার যোগ্যতা অর্জন করে বাংলাদেশ। ওয়ান্ডে স্ট্যাটাসও পেয়ে যায়।
তারপর ইংল্যান্ডে ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ। বাংলাদেশ এই প্রথম বিশ্বকাপে খেলছে। প্রথম খেলাতেই তৎকালিন অনেকের সাধের পাকিস্তানকে ধরাসায়ী করে বিশ্বকাপে নবাগত শক্তি বাংলাদেশ। উৎফুল্ল বাংলাদেশ। তখনো কিছু নৈরাজ্যবাদি এদেশী বাংপাকি এই বিজয় মেনে নিতে পারেনি। মেনে নেয় নি। ভারতীয় একটি ফান পত্রীকার অনুমান ভিত্তিক খবরেরসুত্র ধরে তারা এই গৌরবময় বিজয়টিকে পাতানো বলেছিল। যদিও আইসিসি পরে শক্ত তদন্ত করে ‘কথিত ম্যাচ পাতানো দাবি’ সম্পুর্ন নাকোচ করে দিয়েছিল। কেউ জেনেশুনে নিজ দেশের গৌরব সম্মান অস্বীকার করে? এই মীরজাফরের দেশে এসবও দেখতে হয়েছিল।
(এরাই এখনো মাশরাফি-সাকিবের কারনে এই সেদিন বাংলাদেশের পরাজয় কামনা করেছিল, ধিক্কার এদের কে)

বাংলাদেশ টেষ্টমর্যাদা পাওয়ায় দেশের একটা বড় উপকার হয়েছে। এদেশে পাকিপ্রেমী কুলাঙ্গারদের দৌরাত্ত্ব প্রায় সম্পুর্ন বন্ধ হয়েছে। এইসব পাকি কুলাঙ্গারদের কুৎসিত উল্লাশে খেলার সময় টিভিরুমে বসে থাকার উপায় ছিলনা।

অতচ ব্যপক রাজনিতিক লবিং ও তৎকালিন ICC প্রেসিডেন্ট ডালমিয়াকে ম্যানেজ করে Test status নেওয়া না হলে তালিকায় এক নম্বর প্রাপ্য কেনিয়া তা পেয়ে যেত। আমরা ক্রিকেটে ২০-২৫ বছর পিছিয়ে পরতাম। কেনিয়ার মত পথে পথে ঘুরতাম। এখন বাংলাদেশের ক্রিকেট ক্ষেত্র বিসিবির অবকাঠামো কত শক্ত, ক্রিকেট অর্থনীতি এখন কত বিশাল ...!! কত নতুন ক্লাব, তরুন ক্রিকেটার বেরিয়ে আসছে!

১৯৯৬-৯৭ মাত্র কয়েকটি সিদ্ধান্ত, কিন্তু ইম্প্যাক্ট কি বিশাল!

১। মোবাইল ফোন ব্যাবসা উম্মুক্ত করে লাইসেন্স।
২। কম্পিউটার ও কম্পিউটার এক্সেসরিজ সম্পুর্ন শুল্কমুক্ত করা।
৩। ৩ টি বেসরকারি টিভি চ্যানেল পারমিশন।
৪। ক্রিকেটে আগাম টেষ্ট স্ট্যাটাস।

নতুন নতুন ইন্ডাষ্ট্রি, বিদেশী ইনভেষ্ট, নতুন ক্রিকেট স্পনসর, বিজ্ঞাপনি সংস্থা, সাবকন্ট্রাকটার, শিল্পি, বিজ্ঞাপন মডেল, কম্পিউটার বিক্রেতা, এক্সেসরিজ বিক্রেতা, মেকানিক, ট্রেনিং সেন্টার, ডাটা এন্ট্রি, দেশী বিদেশী সফটওয়ার নির্মাতা, কলসেন্টার, ফ্রীল্যানসার, রিচার্জ কার্ড বিক্রেতা, ফ্লেক্সিলোড, বিকাশ ও মোবাইল ব্যাঙ্কিং .. ফুটপাতে চার্জার, মোবাইলের খাপ বিক্রেতা ... ১ কোটি বা আরো বেশী আকাইম্মাদের রুটিরুজি কর্মসংস্থান!
সাধারন চাকুরির কথা বাদই দিলাম।

সাইফুর খালেদা যেসব টাকার ভয়ে বা বিদেশী সাহায্য না পেয়ে যা করতে পারেনি। বলত এসবে লাভ নেই। সব লষ্ট প্রজেক্ট।
শুধু তাই না পরের টার্মে ২০০১ এ এসে গ্যাসসংকট দেখিয়ে পাইপলাইনে নির্মানাধীন বিদ্যুতকেন্ত্র গুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল, তুচ্ছ কারন দেখিয়ে নেদারল্যান্ডের অর্থায়নে বিশাল কম্পিউটার প্রশিক্ষন ফার্ম বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। এজন্য জরিমানাও গুনতে হয়েছিল। বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল ETV

এরাই এবার নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে (নেপত্থের শয়তানরা) খুদে বাচ্চাদের হাতে প্লাকার্ড তুলে দিয়েছিল -
"ডিজিটাল বাংলাদেশ চাইনা, গণতন্ত্র চাই"

গণতন্ত্র চাই বুঝলাম। কিন্তু দেশের সার্বজনিন মেকানাইজেশন, 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' বাতিল চাওয়া কোন ধরনের ফাজলামি?
এখন শুরু হয়েছে স্যাটেলাইট নিয়ে দলবেধে কান্নাকাটি।
যারা সাবমেরিন কেবল, অপটিক্যাল ফাইবার, বিদ্যুৎ উৎপাদন, সুলভ মুল্যে সেলফোন/ নেট কানেক্সনের মূল্য বুঝেনি, তারা এখন কিভাবে একটি কমুনিকেশন স্যাটেলাইটের মূল্য বুঝবে?

মন্তব্য ৩৬ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৩৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৩:২৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


শেখ হাসিনার কোনকিছু/ কোন অবদান বাদ পড়েনি তো?

বাংলাদেশের স্যাটেলাইটটা কি কি ধরণের কাজে ব্যবহৃত হবে? সেই কাজগুলো কি শুরু হয়েছে?

২৫ শে মে, ২০১৯ রাত ২:১০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
এই স্যাটেলাইটটি একটা সাধারন মামুলি টিভি ব্রডকাষ্টিং স্যাটেলাইট।
সাথে টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট।
এটি মোটেও নাসার ওয়েদার স্যাটেলাইট নয়।

বেশকিছু জেলা উপজেলা ফাইবার অপটিক কেবল কানেক্সান থাকলেও বাংলাদেশের ৬৪টি জেলা ও ৪৯২টি উপজেলা, পাহাড়ি জেলাগুলো + হাতিয়া সন্দিপ চরজব্বর, চরমনাই, চর কুকরিমুকরি, দুবলার চর ইত্যাদি টিএন্ডটি (বর্তমানে BTCL) টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট যোগাযোগ হতো উচু মাইক্রোওয়েভ টাওয়ারের মাধ্যমে। যা খুবই নাজুক। সামান্য বাতাসে নড়ে বার বার ডিস্কানেক্ট হতো।
এখন বাংলাদেশের কোন দুর্গম স্থান, এমনকি সুন্দরবনের মাঝেও টেলিযোগাযোগ ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারন্টের বাইরে থাকবে না। উচু মাইক্রোওয়েভ টাওয়ারও থাকবে ব্যাকআপ হিসেবে। বেসরকারি ২জি ৩ জি ৪জি যতদুর পর্যন্ত যায় তা তো আছেই।

শুরুতে ৮ টি চ্যানেল চালু হলেও বর্তমানে সরকারি বেসরকারি ৩৮ টি টিভি চ্যানেল বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ১১ মে ২০১৯ থেকে সমপ্রচার কার্যক্রম শুরু করেছে। টিভি চ্যানেলগুলো আগে যে দামে ব্যান্ডউইথ কিনত এখন সেই দামই বাংলাদেশী টাকায় দেবে। ৩ মাস ফ্রীতে দিচ্ছে। কারন অবকাঠামো খরচ (ছাদের ডিশ এন্টেনার নাটবল্টু ঘুড়িয়ে বঙ্গবন্ধু-১ মুখি করা)

এতে রাষ্ট্রের দুভাবে লাভ হবে একদিকে ট্রান্সপন্ডার ভাড়া পাচ্ছে, অপরদিকে রাষ্ট্রের দরিদ্র আদমদের রেমিট্যান্সের কষ্টার্জিত ডলার যা টিভিচ্যানেল গুলো বিদেশি স্যাটেলাইটকে ভাড়া হিসেবে দিয়ে দিত, মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার যেটা প্রতি বছর দেশের বাইরে চলে যেত। সেটা দেশেই থাকলো।

এছাড়া সরকারি বেসরকারি ও বিদেশী ব্যাংকের সবগুলো অনলাইন ব্যাঙ্কিং সার্ভার বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের 'ন্যাশানাল পেমেন্ট গেটওয়ে' কানেক্টেড। সকল ব্যাঙ্কিং যোগাযোগ, এটিএম বুথ আর অনলাইনে অর্থ লেনদেন বাধ্যতামুলক ভাবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর আওতায় আনা হয়েছে। মুলত নিরাপত্তা বাড়াতেই। ব্যাকআপ হিসেবে আগের কেবল সংযোগও থাকবে।



সবচে বড় উপকারিতা হচ্ছে অপ্রত্যাশিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সন্ত্রাসি নাসকতা বা যে কোন কারনে টেলি যোগাযোগ মহাবিপর্যয় ঘটলে আক্রান্ত এলাকা থেকে নিরবিচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সংযোগ চালু রাখতে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের সাহায্যে নিতে পারে জরুরি পরিস্থিতিতে,
ঝড় তুফানে টিএন্ডটির মাক্রোওয়েভ লিঙ্ক টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্থ ও মোবাইল বিটিএস বিকল হলে
দেশে নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবা নিশ্চিত করতে হাজার কিলোমিটার দূর থেকেও স্যাটেলাইটটি ফোন ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। টিএন্ডটি/বিটিসিএল অফিসের মাধ্যমে জেলা প্রসাসন পিকআপ/জিপে বসানো ছোট ডিস এন্ট্যানার মাধ্যমে উচু মানের ভিডিও সহ ঢাকার সাথে যোগাযোগ রাখতে পারবে। মাঠপর্যায়ের ঝড় তুফানের প্রকৃত ভয়াবহতা জানিয়ে প্রয়োজনিয় লজিষ্টিক সাপোর্ট প্রাপনীয় করতে পারে।
সাংবাদিকগনও মোবাইল ইন্টারনেট নির্ভর না হয়ে জিপে বসানো ছোট ডিস এন্ট্যানার মাধ্যমে উচু মানের ভিডিও সহ সংবাদ পাঠাতে পারবে।

২০০৭ এ সাইক্লোন সিডরের সময় দেশের দক্ষিনাঞ্চলের সাথে সকল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছিল। প্রায় ৭ দিন । মড়ার উপর ঝারার ঘা, বিদ্যুত ব্যাবস্থাো ভেঙ্গে পড়েছিল। সব কেন্দ্রিয় সার্কিট ব্রেকার ট্রিপ্ট হয়ে সমগ্র বাংলাদেশ অন্ধকার, ন্যাশানাল গ্রীড বিপর্যয়।
তখন বাংলাদেশ জরুরি ভাবে ভারতীয় স্যাটেলাইটের সহায়তা চেয়েছিল। কিন্তু ভারত দেয় নি। তখন বাংলাদেশ নিরুপায় হয়ে উচ্চমুল্যে ইন্দোনেশীয়ান পালাপা বি-টু স্যাটেলাইটের একটি ট্রান্সপন্ডার ভাড়া করে যোগাযোগ রক্ষা করেছিল টিএন্ডটি ও জেলা প্রসাসন।


২| ২৪ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৩:২৪

নতুন বলেছেন: দল কানা হলে সমস্যা....

যদি স্যেটেলাইট আয়মীলীগ করেছে বলে বিরোধিতা অথবা সমথ`ন করতে হয় তবে সেটা দলকানাত্ব প্রকাশ পায়।

আমাদের দেশে বড় বড় প্রযেক্ট হয় টাকা মারার ধান্দার কারনে... সেটা আপনিও বোধ হয় ভালোই বোঝেন...

বিএনপি পন্হিরাও ক্ষমতায় থাকলে ধান্দার কারনে এই রকমের বড় প্রজেক্ট করতো এবং তার গুনগান করতো।

আমাদের দেশে আরো বড় বড় প্রজেক্ট হউক কিন্তু সেটা যেন আমাদের দেশের কাজ লাগে সেই চিন্তা করেই করে।

বত`মানে এই সেটেলাইটে আমাদের টাকা পয়সা লাভ হবেনা... কিন্তু এটা দেশের জন্য দরকার। কিন্তু এই জিনিস থেকে যাতে দেশের নতুন প্রযন্ম শিক্ষা পায় এবং ভবিষ্যতে কাজে লাগে সেটা নিয়ে কথা বলুন।

২৫ শে মে, ২০১৯ রাত ২:৪৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আমাদের দেশে বড় বড় প্রোজেক্ট হয় টাকা মারার ধান্দার কারনে।

আপনি দুনিয়ার কোন খবর রাখেন কি না জানি না। বর্তমানে টাকা মারা এত সহজ না। দুনিয়াটা এত সহজ না।
আমেরিকা, কানাডা পশ্চিম ইওরোপ, অষ্ট্রেলিয়া, জাপান। এই কটি দেশ থেকে কেনাকাটায় ২ নম্বরি করা বা টাকা মারা অসম্ভব। ২০০০ সাল থেকেই অসম্ভব। সেটা বোইং বিমান হোক বা বা একটা তারকাটা হোক। আপনার সাথে চ্যালেঞ্জ।

মহা দুর্নিতি হয় চীন ও রাশিয়ার মাধ্যমে কেনাকাটা। তবে দিন দিন এসবও চেপে এসেছে, আসছে।
মার্কিন এফবিআই ও ফিনানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ঘাস খায় না। সবকিছু নজরদারিতে আছে। একদিন না একদিন ফাশ হবেই।

৩| ২৪ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: স্যাটেলাইটে খুব বেশি লাভবান আমরা হইনি।
এরচ্যে ভালো শিল্প কারখানা করলে দেশের বেকার সমস্যা কিছুটা কমতো।

২৫ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১:৫৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
স্যাটেলাইটে আর্থিক লাভ তেমন থাকার কথা না।
কিন্তু পরক্ষ ভাবে রাষ্ট্র ও দেশবাসির অনেক লাভ, অনেক সুবিধা ..

৪| ২৪ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৪

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: আপনার কথাগুলো যুক্তিসংগত,সমস্যা হলো আমাদের,আমরা একটি জিনিসকে সবার সামনে খারাপ ভাবে উপস্হাপন করি।

২৫ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৩:০০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আপনি ঠিকই ধরেছেন।
যে কোন উপকারি পদক্ষেপ নেয়া হলে সেটাকে সঙ্গবদ্ধ একটি মহল নেতিবাচক ভাবে উপস্থাপিত করে।
এরপর একদল কাক সমস্বরে আমিন আমিন আমিন 6.9k আমিন।

৫| ২৪ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৫:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


@মেঘ প্রিয় বালক ,

আপনি আমাদের স্যাটেলাইট নিয়ে সুন্দরভাবে পোষ্ট উপস্হাপন করেন, আমরা পড়ে টড়ে দেখি। সব জায়গায় রান্নায় আলু হওয়ার চেষ্টা করছেন?

৬| ২৪ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৫:০৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: সাহসী পোস্টে প্লাস।

২৫ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৩:১২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: - ধন্যবাদ সাজ্জাদ ভাই।

৭| ২৪ শে মে, ২০১৯ রাত ৮:১১

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: আমি আপনার পোষ্টে লাইক দিলাম, কারণ ১৯৭৫ সালের ঘটনাটা জানতাম না, ইন্টেরেসটিং ফ্যাক্ট।

বাই দা ওয়ে, অ্যালকোহল লিগ্যাল, কারন মদ পানীয় আকারের একরকম খাদ্য। আপনি একটা মন্তব্য করেছিলেন একটি লেখায়, যেখানে আমারও একটি প্রাসঙ্গিক মন্তব্য ছিলো।
The real reason why DMT is banned এই ভিডিওটা একটু দেখবেন, আমি কিছুদিন আগে এটা দেখেছিলাম

২৫ শে মে, ২০১৯ রাত ৩:০৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
মদ মানেই মাদক নয়। মদ মানুষ খাবার তালিকায় রাখে।

আমেরিকায় মিনারেল পানির দামে মদ/ বিয়ার পাওয়া যায়। তাই বলে মদ/বিয়ার খাওয়া এতটা সোজা না।

মদ/ বিয়ার বা সিগারেট একটি বিপদজনক প্রডাক্ট হিসেবে বিবেচিত।

মদ/বিয়ার পানির দরে পাওয়া গেলেও রেসট্রিক্সান অনেক।
আপনি প্রাপ্তবয়ষ্ক (১৮) হলেও কিনতে পারবেন না। বয়স ২২ না হওয়া পর্যন্ত।
কেনার সময় আইডি/ড্রাইভিং লাইসেন্স শো করে বয়স প্রমান করতে হবে।
রাত ১১টার পর বিক্রি বন্ধ।

মদ/বিয়ার সিগারেট বিক্রেতাকে একটি পরিক্ষা দিয়ে লাইসেন্স নিতে হয়। প্রতি বছর।
মদ/বিয়ার যেখানে সেখানে প্রকাশ্য স্থানে খেতে পারবেন না, খাবার রেষ্টুরেন্টে মদের বোতল খুলতে পারবেন না। হাতকড়া পড়বে। পার্কিং লটেও গেলা নিষেধ।
চলন্ত গাড়ীতে আধা খাওয়া বোতল, এমনকি খালি বোতল পাওয়া গেলে রক্ষা নেই। মদ না খেলেও পুলিশ চালককে কমপক্ষে ৫০০ ডলার জরিমানা করার অধিকার রাখে।

৮| ২৪ শে মে, ২০১৯ রাত ৯:৫৫

মা.হাসান বলেছেন: রুপম ভাই, । দেশের শেষ নির্বাচনের রেজাল্ট অনুসারে পাকি ভক্তরা দেশ হতে নির্মূল হয়েছে, এদের সংখ্যা এখন বর্তমানে দুই শতাংশের কম। তবে ব্লগে খাম্বা বাজদের পোস্ট, তাকে লাইক ও কমেন্টের বাহার দেখে মনে হয় ব্লগ এখনো নাপাকি ভক্ত মুক্ত হয় নাই। যারা ঐ সমস্ত পোস্ট লিখেন, তাতে কমেন্ট করেন বা লাইক দেন, পুলিশের উচিত তাদের বিষয়ে তদন্ত করে চেতনাবিরোধী এক্টে মামলা করা।

নেপালের স্যাটেলাইট এর সঙ্গে বাংলাদেশের স্যাটেলাইট এর তুলনা যারা করে তাদের দেশপ্রেম নিয়ে সন্দেহ রয়ে যায় । নেপালের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের খরচ হয়েছে বাংলাদেশী মুদ্রায় দেড় কোটি টাকা। বাংলাদেশের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে যা খরচ হয়েছে ওই টাকায় নেপালের স্যাটেলাইট এর মত প্রায় দুই হাজার স্যাটেলাইট উড়ানো যায়। নেপালের স্যাটেলাইট দিয়ে সামান্য কিছু ছোটখাটো গবেষণা করা যায় কিন্তু বাংলাদেশের স্যাটেলাইট দিয়ে করা যায় না এমন কোন কাজ নাই। নেপালের স্যাটেলাইটের পরিকল্পনাও ডিজাইন করে করেছেন ওই দেশের দুই জন বিজ্ঞানি । অপরপক্ষে বাংলাদেশের স্যাটেলাইটের পরিকল্পনা করেছেন যুগ শ্রেষ্ঠ তথ্য প্রযুক্তিবিদ জনাব সজীব ওয়াজেদ জয়। পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করা হয়েছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম স্যাটেলাইট তৈরিকারী কারখানায়।
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ২০ হাজার মেগাওয়াট পুরাতন কথা, বর্তমানে। উৎপাদন ২ লক্ষ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গিয়েছে । 3g লঞ্চিং অনুষ্ঠানে শুনিয়াছিলাম থ্রি জি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন। আপনি জানালেন এটি বঙ্গ বন্ধু কন্যার অবদান। কিছুটা খটকা রয়ে গেল। আরো অনেক কিছু বলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা আগে আন্দালিব ভাইয়ের একটি পোস্টে (Click This Link) নয় নম্বরেপাঠকের প্রতিক্রিয়া যে মন্তব্য করেছেন তার পরে আর কিছু বলার প্রয়োজন মনে করলাম না। অনেক অনেক শুভকামনা। জয় বাংলা, জয় স্যাটেলাইট।

২৫ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১:২৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
তুলনা যারা করে তাদের দেশপ্রেম নিয়ে সন্দেহ রয়ে যায়

একথা বলার পরের লাইনে আপনিই ত তুলনা শুরু করে দিলেন। আপনার দেশপ্রেম তো হাওয়া!

নেপালি স্যাটেলাইটের মত হাউই বাজি আমাদের দেশের ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ও পাঠিয়েছিল আকাশে গত বছর।
এসব হাউই বাজি জিও স্টেশনারি অরবিট নয়। মেয়াদ থাকে মাত্র কয়েক মাস।





২৫ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১:৪০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
থ্রি জি অবস্যই অবস্যই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল।

মুজিব ও মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী স্বাধীনতাপক্ষ দ্রুত দেশের অবকাঠামো গড়া শুরু করেছিল।
কিন্তু মাত্র ৩ বছরের মত সময় পেয়েছিল দেশকে গড়ার।
তখন পেটে ভাতই জুটে না। চাল কেনার টাকা নেই বিধ্বস্ত হার্ডিঞ্জ, ভৈরব ব্রিজ মেরামত করবে না চট্টগ্রাম বন্দর মাইনমুক্ত করে চালু করবে, নাকি খাদ্য আমদানি করবে।

এরপর সবই হল, হার্ডিঞ্জ ও ভৈরব ব্রিজ মেরামত হয়ে চালুহল ১ বছরেই,

মাত্র ২-৩ বছরেই মার্কিন ঠিকাদার নিয়োগ করে গাবতলী, নয়ার হাট ও কাঁচপুর ৪ লেনের এই ৩টি বৃহদাকার সেতু তৈরি করা হয়।
লক্ষ করুন ৪৮ বছর আগেই উনি ৪ লেন ব্রীজ করলেন, অতচ একই রোডে ২০ বছর পর মেঘনা ও গোমতিতে হলো ২ লেনের ব্রীজ! বোঝেন কতটা বেকুব! কতটা অদূরদর্শী আপনাদের ম্যাডাম ও এরশাদ।

চট্টগ্রাম বন্দর মাইনমুক্ত করে চালু করতে ২ বছর লেগেছিল রুশ নৌবাহিনীর।
২ বছরে মাইন দুর্ঘটনায় প্রান হারিয়েছিলেন ডজন খানেক অকুতভয় সোভিয়েট নাবিক, পতেঙ্গায় এখনো সেই অকুতভয় বীর সোভিয়েট নৌসেনাদের সমাধী এখনো আছে।

সেসময়কালেই ফৌজদারহাটে তৈরি হয়েছিল দেশের প্রথম মিলিটারি একাডেমী। কিন্তু তখনো বিপুল সংখক সেনা সহ ৪ লক্ষ বাংগালী তখনো পাকিস্তানে আটক। ৩বছরের বেশী সময় যুদ্ধাপরাধী ইশুতে আটকে জিম্মি করে রেখেছে।
১৯৫ বন্দি যুদ্ধাপরাধী পাকি সেনা অফিসারের সাথে বিনিময় করে অনেক চড়া মুল্য দিয়ে ৪ লাখ আটক বাংগালী ছাড়িয়ে আনা হয়েছিল।

তখন আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ছিলনা বললেই চলে, খাম্বার মাধ্যমে শর্টওয়েভ রেডিও রিলে মারফত ভাঙ্গাচোরা টরেটক্কা (মোর্সকোড) মারফত টেলিযোগাযোগ এক্সচেঞ্জে বৈদেশিক ট্রাঙ্ককল করতে হত।
গরিব দেশে ভু-উপগ্রহ কেন্দ্র বসানো গরিবের ঘোড়া রোগই। এরপরও দুই দুটি ভু-উপগ্রহ কেন্দ্র বসানোর সিদ্ধান্ত নেয় যুদ্ধবিধ্বস্ত সদ্য স্বাধীন দেশটি, বেতবুনিয়া কেন্দ্রটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মাত্র ৩ বছরেই চালুকরে অন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগের সুচনা করা হয়, ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রাথমিক সুচনা সেখানেই। থ্রি জি র মুল ভিত্তি আধুনিক টেলিযোগাযোগ।

৯| ২৪ শে মে, ২০১৯ রাত ৯:৫৮

মা.হাসান বলেছেন: উপরের ৮ নম্বর কমেন্টের ভুলবশত রূপম এবং আন্দালিব লিখে ফেলেছি। । রুপম এর জায়গায় হাসান কালবৈশাখী এবং আন্দালিব এর জায়গায় কলাবাগান১ পড়ার অনুরোধ করলাম।

২৭ শে মে, ২০১৯ রাত ১১:৪০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: - ওকে।

১০| ২৪ শে মে, ২০১৯ রাত ১০:১৩

বলেছেন: জয় বাংলা --

পুরাই অ্যানালিটিক্যাল, এক্সপেরিমেন্টাল, দুষ্কর, ও অনেক উন্নতমানের রিসার্চ।

২৫ শে মে, ২০১৯ দুপুর ২:৩৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ধন্যবাদ লতিফ ভাই।

১১| ২৫ শে মে, ২০১৯ সকাল ১১:৫৪

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আদমজী বন্ধ হয়েছিল বিশ্ব ব্যাংকের চাপে। ওখানে এখন ইপিজেড করে লসে নেই...
টু জি, থ্রি জি, ফোর জি, ফ্লাইওভার, ব্রিজ - এগুলো যুগের চাহিদা। চলমান প্রক্রিয়া। কোন একক সরকারের বাহবা কুড়ানোর কিছু নেই...
বিদ্যুৎের উন্নতি করেছে - এজন্য ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য আওয়ামী লীগ...
হরতাল/ অবরোধ কে জাদুঘরে পাঠানোর জন্য শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ...
'৭১-এ কুবুদ্ধিজীবিরা(বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধ গবেষক, চেতনা ব্যবসায়) পুরো ৯ মাস পাকিস্তানীদের অধীনে চাকুরি করেছিল...

২৫ শে মে, ২০১৯ দুপুর ২:৩৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ডিজিটাল টু জি, থ্রি জি, ফোর জি, ব্রডব্যান্ড, অনলাইন ব্যাঙ্কিং, মোবাইল ব্যাঙ্কিং - এগুলো যুগের চাহিদা।

কিন্তু মিলিটারি এলিট শাসকরা ও তাদের আরোসে লালিত ম্যাডামরা জোড়পুর্বক এসব টেকনোলজি সাধারন মধ্যবিত্ত জনগনের
নাগালের বাইরে রেখে আসছিল। তাদের মনস্তত্ত স্পষ্ট। এসব জিনিষ ফকিন্নিদের জন্য না। শুধুমাত্র ধনাড্ড অভিজাতদের হাতেই থাকবে।

কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী স্বাধীনতাপক্ষ এসবকে ধনী গরিব সবার জন্যই প্রাপনীয় করার ব্যবস্থা করেছে।
এজন্য ধন্যবাদ অবস্যই প্রাপ্য।
বেতবুনিয়া কেন্দ্রটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মাত্র ৩ বছরেই তৈরিকরে অন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগের সুচনা করার জন্য বঙ্গবন্ধুও ধন্যবাদ প্রাপ্য।

২৬ শে মে, ২০১৯ ভোর ৫:২৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
দেশবাসি সবাইকে মুক্তিযুদ্ধে যেতে হবে কেন?
দেশের সকল কবি, লেখক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, সঙ্গীত শিল্পী, চিত্রকর, ভাস্কর, চারু শিল্পী .... এরা সবাই প্রগতিশীল মনের অধিকারি, সরাসরি যুদ্ধে যায় নি, বন্দুক হাতে নেয় নি, তারা কি মুক্তিযুদ্ধ সমর্থক ছিল না?
কবিকে সাংবাদিককে শিল্পীকে হাতে লাঠি বা বন্দুক নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করতে হয় না, তাদের অগ্নিঝরা লেখা কবিতার ছন্দ আর মানবতার প্রবাদবাক্য গুলি বন্দুকের গুলির চেয়েও অনেক বেশি ক্ষমতাবান, এটা বুঝতে চায় না অনেকেই।

ঢাকায় অনেকেই বাঁচার একমাত্র মাধ্যম চাকুরি ছেড়ে বাচাকাচ্চা নিয়ে অনিশ্চিত গন্তব্যে অতিবিপদসংকুল সীমান্ত পার হতে পারেনি, গ্রামও নিরাপদ ছিলনা, আমার পিতাও পারেন নি। সে তুলনায় ঢাকাই মোটামোটি নিরাপদ ছিল। চাকুরি ছেড়ে দেয়া মুখে বলা সহজ। বাস্তবে এত সহজ না। কারন কেউ নিশ্চিত না ৯ মাসে স্বাধীন হবে না ১৯ বছরে হবে।
যুদ্ধে না গেলেও সবাই মুক্তিযুদ্ধে সমর্থন ছিল, অনেকে মুক্তিযুদ্ধাদের সাথে যোগ দিয়ে, নিজের গাড়ী দিয়ে অস্ত্র নিয়ে কম্বাটে অংশগ্রহনও করেছে।


২৬ শে মে, ২০১৯ ভোর ৫:২৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
মুক্তিযুদ্ধ গবেষক শাহরিয়ার কবির
ওনাকে অনেকেই বিশেষ করে ছাগুরা মুরগীকবির বলে।
শাহরিয়ার কবির কখনোই মুরগী ব্যবসায়ী বা সাপ্লাই ঠিকাদার ছিলেন না।

১৯৭১ এ একজন সাধারন সাংবাদিক ছিলেন দৈনিক বাংলায় (দৈনিক পাকিস্তান) পরে দৈনিক বাংলার সহযোগী সাপ্তাহিক বিচিত্রায় কাজ করেছেন। মুরগীর আড়তে উনি কখনোই ছিলেন না।

আচ্ছা ধরে নিলাম ১৯৭১এ পাকি হানাদারদের ভালবেসে সাংবাদিকতা ছেড়ে শাহরিয়ার সাহেব মুরগীর আড়তে কাজ নিলেন।
কিন্তু আমার জানামতে পাকি মিলিটারি খাদ্যতালিকায় মুরগী আইটেম কখনোই ছিলনা, পুর্ব পাকিস্তানেও ছিল না, এমনকি বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরও ৯০ সাল পর্যন্ত সেনা খাদ্যতালিকায় মুরগী আইটেম রাখা হয়নি। যে কোন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা বা সদস্যকে জিজ্ঞেস করে নিশ্চিত হতে পারেন। "পাকি ক্যান্টনমেন্টে মুরগী সাপ্লাই" - সম্পুর্ন ফালতু কথাবার্তা।

কিছু লোক অবস্য শাহরিয়ার, জাফরইকবাল বা শাহাবাগ আনন্দলনকারিদের দুচোখে দেখতে পারে না। এদের অপছন্দের কারন ষ্পষ্ট। মুল কারনটা কখনো উচ্চারন করে না
একবার বলে ফ্রী বিরানি খাইত ... আবার বলে মুরগী সাপ্লাই দিত .. গাঞ্জা খাইতো .. ইত্যাদি অষ্পষ্ট কথাবার্তা। মুল কারনটা (দাড়ীওয়ালাদের ঝুলানোর সফল আন্দোলন) কখনোই বলে না। কথাভিন্ন প্রসংগেও তাদেরকে অকারনে গালাগাল করবে।

আসলে ফ্রী বিরানী-ফিরানি ব্যাপার না।
একমাত্র তাদের কারনেই গা ঝাড়া দিয়ে যুদ্ধাপরাধ আইন নতুন ভাবে সংশোধন করে ধারা যোগ করতে বাধ্য হয়েছিল সরকার।
যার দারা ওদের বাবা ছাগুচিফদের ঝুলানো সম্ভব হয়েছিল।
নইলে নামমাত্র শাস্তি দিয়ে ছাড়া পেয়ে যেত খুনিগুলো।
তাই ছাগুদের প্রচন্ড গাজ্বালা, কোন যুক্তি না পেয়ে অকথ্য গালাগাল করে, বিরানি বিরানি মুরগী মুরগী করে গাজ্বালা মিটায়।

১২| ২৫ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১:০২

নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমাদের দেশে বড় বড় প্রোজেক্ট হয় টাকা মারার ধান্দার কারনে।

্‌াআমাদের দেশ মানে বাংলাদেশের কথা বলেছি।

বাইরের দেশের কথা বলিনাই।

২৫ শে মে, ২০১৯ দুপুর ২:০৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আমিও বাংলাদেশের কথাই বলেছি।

এই প্রযেক্টে দুর্নিতি হয় নি।
স্যাটেলাটটি তৈরি করা হয়েছে ফ্রান্সের ঠিকাদার মারফত, রকেট মারফত অরবিটে পাঠানো হয়েছে আমেরিকার মাধ্যমে।
তাই এতে টাকা মারা বা দুর্নিতীর সম্ভাবনা শুন্য।

১৩| ২৫ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৬

মা.হাসান বলেছেন: স্যাটেলাইট চলে এসেছে এটি একটি বাস্তবতা। আমাদের পছন্দ না হলেও নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান এটি ফেরত নিয়ে আমাদের ২৭00 কোটি টাকা ফেরত দেবে না। আমাদের এখন দেখা দরকার কিভাবে স্যাটেলাইট ব্যবহার করে আমরা আরো বেশি উপকার পেতে পারি। কিন্তু তার জন্য নগ্ন মিথ্যাচার করে নিজেকে হাস্যস্পদ করে তোলার কোন কারন খুজে পাইনা।

গত বছর থেকে দেশের ৯ টি টেলিভিশন চ্যানেল পরীক্ষামূলকভাবে বি এস-ওয়ান স্যাটেলাইট ব্যবহার করে আসছিল। এর মধ্যে তিনটি চ্যানেল উনিশে মে থেকে পরীক্ষামূলক সম্প্রচারের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছে। তিন মাস সরকারের পক্ষ থেকে ফ্রি সার্ভিস দেয়া হবে এর পরে দাম নেওয়া হবে যা অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত। দেশের অনেকগুলি টেলিভিশন চ্যানেল পুরাতন প্রযুক্তির সি ব্যান্ড ব্যবহার করে যা স্যাটেলাইট এর সংগে কম্পাটিবল না। ফলের নতুন যন্ত্র সংযোজন না করা পর্যন্ত এই চ্যানেল গুলির পক্ষে বিএস-১ স্যাটেলাইটের সেবা নেয়া সম্ভব না। দেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে সরকারি ব্যাংকের মধ্যে সোনালী ব্যাংক এবং বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে ডাচ বাংলা ব্যাংকের সঙ্গে বি এস সি সি এল এর চুক্তি হয়েছে ফলে এই ব্যাংক গুলো তাদের এটিএম সেবার জন্য বি এস-ওয়ান স্যাটেলাইট ব্যবহার করবে। এর বাহিরে ব্র্যাক ব্যাংক চুক্তি করার আগ্রহ দেখিয়েছে। এর বাইরে অন্য কোন ব্যাংক সরকারের সঙ্গে কোনো চুক্তি করেনি। বি এস-ওয়ান স্যাটেলাইট এর সঙ্গে কানেক্টেড হতে গেলে ব্যাংকগুলোকে বাড়তি অর্থ গুনতে হবে। সিকিউরিটি যে কথা বলা হচ্ছে তা ভুয়া, পৃথিবীতে কোথাও আই এস পি এন্ডে ডাটাবেজ ব্রিচ এর কোনো ঘটনা ঘটেনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের সুইফট নেটওয়ার্কে যা ঘটেছে তা অাইএসপির কারনে ঘটেনি বরং হ্যাকাররা ব্যাংকের ভিতরে থাকা লোকের সাহায্যে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।
ইটিভি কে টেরেস্ট্রিয়াল সম্প্রচারের অনুমতি দেওয়ায় যে দুর্নীতি হয়েছিল তার সঙ্গে শেখ হাসিনা নিজে যুক্ত ছিলেন । হাইকোর্টের রায়ে এটি প্রমাণিত হয়েছিল। ১৯৯৬ সালে গ্রামীণফোনকে লাইসেন্স দেওয়ার সময় ফ্রেকয়েন্সি বরাদ্দ বাবদ কোন টাকা পয়সা নেয়া হয়নি। সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকা চুরির ঘটনাটি পরবর্তীতে অডিট রিপোর্টে এসেছিল। । চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ পৃথিবীতে দ্বিতীয় না, ভারত চীন এদের পরে থাকে। সাধারণত চার পাঁচ বা ছয় এই পজিশনে থাকে। ভিয়েতনাম এবং ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের উৎপাদনের পার্থক্য খুব কম বলে এই পজিশন নিয়মিত চেঞ্জ হতে থাকে। মাছ উৎপাদনে পৃথিবীর প্রথম ১0 টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ নেই তবে যদি সামুদ্রিক মাছ বাদ দেন তবে ফ্রেশ ওয়াটার মাছের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ৩-৪-৫ এর মধ্যে থাকে । এখানেও কাছাকাছি দেশের সঙ্গে পার্থক্য কম বলে এই পজিশন ওঠানামা করে। । মাছ উৎপাদনে প্রথম দুটি দেশ চীন এবং ভারত ।
২000 সালের পর থেকে আমেরিকা বা বিভিন্ন উন্নত দেশে চুরির ঘটনা ঘটেনা এই কথা একটি গোয়েবলসিয় মিথ্যাচার। । বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দেশে সরকারি অর্থ ব্যয়ের স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য একটি ওয়াচ ডগ এজেন্সি থাকে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এটিকে বলা হয় কম্পট্রোলার ও অডিটর জেনারেল এর কার্যালয়। ইউএসএ তে এটিকে গভমেন্ট একাউন্টেবিলিটি অফিস বা জিএও বলা হয়। যদিও বাংলাদেশ এখনো তাদের অডিট রিপোর্ট অনলাইনে দেওয়ার কালচারে যেতে পারিনি জিএও অফিস বহুদিন ধরেই তাদের রিপোর্ট অনলাইনে সাবমিট করে থাকে। পৃথিবীর যেকোন জায়গা থেকে যে কেউ এই রিপোর্ট অন লাইনে চেক করে দেখতে পারে । ওই ওয়েবসাইটে আসা মে ২০১৯ এর একটি রিপোর্ট এর লিংক দিলাম
https://www.gao.gov/mobile/products/B-415222.5,B-415222.8
ওখানে এরকম অসংখ্য রিপোর্ট দেখতে পাবেন। বেশি সেনসিটিভ রিপোর্টগুলো সিনেটে আলোচিত হয় এবং অনেক হোমরা চোমরাকে আর্থিক কেলেঙ্কারির কারণে চাকরি হারাতে হয়েছে বা জেলে যেতেও হয়েছে। । যেহেতু ২000 সালের কথা বলেছেন আরেকটি নাম দিলাম - enron - গুগোল এ টাইপ করে দেখুন এদের কিচ্ছাও দেখতে পাবেন। । ব্লগে যারা আসে তাদের সবাইকে ছাগল ভাবা বা এই ধরনের ছেলেমানুষী মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করছি।

২৫ শে মে, ২০১৯ রাত ১১:০৬

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
সিকিউরিটি যে কথা বলা হচ্ছে তা ভুয়া, পৃথিবীতে কোথাও আই এস পি এন্ডে ডাটাবেজ ব্রিচ এর কোনো ঘটনা ঘটেনি। বাংলাদেশ

নিরাপত্তা বলতে আমি নিরবিচ্ছিন্ন কানেক্সনের কথা বলেছি। ব্যাঙ্কনেটওয়ার্কের ওভারহেড কেবল রাস্তায় ঝুলছে। যে কোন দুর্বৃত্ত গুব্লেট করতে পারে। বা কেটে বিপর্যয় ঘটাতে পারে।

২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ২:০০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
রিজার্ভ চুরির ঘটনাটি সারা বিশ্বেই ব্যাপক আলোচিত হয়েছে।
তবে একটি ব্যাপারে নিশ্চিত যে এই চুরিতে বাংলাদেশের কেউ জরিত ছিলনা, কারন গভীর রাতে ব্যাঙ্কে কেউ থাকার কথা না।
এফবিআই তদন্তে উঃ কোরিয়ার রাষ্ট্রিয় কিছু হ্যাকারের নাম এসেছে, বাংলাদেশের বা ব্যাঙ্কের কারো নাম আসেনি। বাংলাদেশের কেউ জরিত তেমন কোন ইংগিতও করা হয় নি। বাংলাদেশের কেউ লাভবানও হয় নি।

রয়টার তখন খবর করেছিল - এফবিআই তদন্ত রিপোর্টে "রিজার্ভ চুরিতে একটি রাষ্ট্র তথা উঃ কোরিয়া জরিত"
কিন্তু প্রথমআলো চতুরতার সাথে হেডলাইন করেছিল - "রিজার্ভ চুরিতে রাষ্ট্র জরিত" - এফবিআই রিপোর্ট
ভেতরের খবরে অবস্য ছোট করে লেখা এফবিআই তদন্তে উঃ কোরিয়ার রাষ্ট্র জরিত।

হাস্যকর ভাবে প্রথমআলোর এই হেডলাইন দেখেই রিজভি সাহেব সংবাদ সম্মেলন ডেকে বসেছিলেন।

'ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক' এর সেই ভুমিকা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছিল মার্কিন কংগ্রেসের একটি কমিটি।
তদন্তে জানা গেছিল ফেব্রুয়ারির যে তারিখে (৪ ফেব্রুয়ারী) টাকা চুরির ঘটনা যখন ঘটে তখন বাংলাদেশে গভীর রাত। কম্পিউটার রুমে কেউ থাকার কথা না। সে সময়টিতেই নিউ ইয়র্ক ফেড বাংলাদেশ থেকে দেড় শতাধিক সুইফট কোডে ট্রাঞ্জেকশান অনুরোধ পেয়েছিল। সব রিকওয়েষ্ট কার্যকর হলে বাংলাদেশ দেউলিয়া হয়ে যেত।
প্রাথমিকভাবে এ ধরনের প্রথম ৩৫টি অনুরোধ অটো ভাবে প্রত্যাখ্যান হয়েছিল, কারন ভেরিফিকেশন তথ্যে অমিল পাওয়ায়।
পরের ৫ টি রিকোয়েষ্ট ভেরিফাইড হওয়াতে টাকা ছাড় হয়েছিল। কেন দিল? কোন জবাব নেই

প্রথম ৩৫টি অনুরোধ অটো ভাবে প্রত্যাখ্যান হওয়ার পরইতো সকল একাউন্ট ট্রাঞ্জাকশান বন্ধ করে দেয়ার কথা। বা অটো শাটডাউন হওয়ার কথা।
এরপর বাকি আরো শতাধিক রিকোয়েষ্ট ভেরিফাইড হওয়ার পরও টাকা দেয় নি, মানে শাটডাউন করেছিল। অতচ মাঝের ৫টিতে দিল।
কেন দিল জবাব নেই সুইফটটের ও ফেডের! দায়িত্বহীন অবহেলা দেখে মার্কিন কংগ্রেসের এক সদস্যকে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।


কোথাকার কোন ক্যাসিনো না চিঙ্কুদের এ্যাকাউন্টে যাচ্ছে বা এ নির্দেশ সত্যি দেয়া হয়েছে কিনা একাউন্ট হোল্ডার ভেরিফাইড কি না তার কোন সাধারন সতর্কতা অবলম্বন করা হয়নি । সেই ধুম্রজালের ভেতর শ্রীলংকায় আরো ২টি সন্দেহভাজন ট্রাসফার রিকোয়েষ্টে শ্রীলংকার সদ্য তৈরি ভূয়া এ্যাকাউন্টেও বিশাল দুটি এমাউন্ট পাঠিয়ে দিয়েছিল।
এ কোন ধরনের দায়িত্বশীলতার পরিচয়?
শৃলঙ্কার স্টেট ব্যাঙ্ক "স্টপ পেমেন্ট" না করলে নজিরবিহীন বিপর্যয় ঘটতো।
পরে এফবিআই কিছু তদন্তে জানা যায় চুরি যাওয়া টাকার ফাইনাল ডেষ্টিনেশন ম্যানিলার জুয়ার ক্যাসিনো হয়ে উ.কোরিয়া।
এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে এই চুরিতে বাংলাদেশের কেউ লাভবান হয়নি, ইলেকট্রনিক মানি, তাই উত্তর কোরিয়ারও কেউ লাভবান হওয়া সম্ভব নয়। তবে বাংলাদেশকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে সক্ষম হয়েছে।

এটা নিশ্চিতই রাজনৈতিক ফরমায়েসেই করেছিল এই হ্যাকিং
একরাতে শতাধিক ট্রাসফার রিকোয়েষ্ট করে বাংলাদেশের রিজার্ভ শুন্য করে দেশটিকে পথের ভিকিরি বানিয়ে ফেলাই তাদের মুল উদ্দেশ্য ছিল।
আসলে তৎকালিন মার্কিন প্রশাসনের একটি শক্তিশালি মহল স্টেবল সরকারকে আনস্টেবল করে পতন ঘটাতেই সুপরিকল্পিত ভাবে ভেনিজুয়েলার মত তহবিলশুন্য দেউলিয়া করে বাংলাদেশে একটি 'শুশিল ক্যু' তৈরি করার ক্ষেত্র তৈরি কাজে ব্যবহার করেছিল কুচক্রিরা।

বাংলাদেশ মার্কিন আদালতে অলরেডি একটি অর্থ মামলা দায়ের করেছে। ক্ষতিপুরন সহ বাকি টাকা ফেরত না পাওয়ার কোন কারন নেই।

২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ২:৪৬

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ইটিভি কে অনুমতি দেওয়ায় যে দুর্নীতি হয়েছিল তার সঙ্গে শেখ হাসিনা নিজে যুক্ত ছিলেন । হাইকোর্টের রায়ে এটি প্রমাণিত হয়েছিল।
এটা কি বললেন?

হাসিনা কখনো কোন আদালতে কনভিক্টেড হয়েছিলেন বলে শুনিনি।
তবে একটি আদালত অবমাননা মামলায় হাসিনাকে তলব করা হয়েছিল আদালতে , সেটা হাসিনা ক্ষমতায় থাকা কালিনই।

২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ৩:৩৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
২০০০ সালের পর থেকে আমেরিকা বা বিভিন্ন উন্নত দেশে চুরির ঘটনা ঘটেনা

আমি সেটা বলিনি।
বরং আমেরিকা বা বিভিন্ন উন্নত দেশে চুরির ঘটনা অহরহই ঘটছে। সেটা ব্যাপার না।

আমি বলতে চেয়েছি ২০০০ সালের পর থেকে ৩য় বিশ্বের সরকারি পারচেজে ঘুষ ও ইনভয়েস নয়ছয় করে আমেরিকার কম্পানিগুলো বিদেশী সরকারি কর্তাদের পকেট ভারি করতো, নিজেরাও (কম্পানীগুলো) লাভবান হত। ৭৪ এ লকহিড কেলেঙ্কারির পর যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ নড়েচড়ে বসে।
৯০ এর পর থেকে অন্যান্ন সভ্য দেশও তৎপর হয় এরপর ইলেকট্রনিক মানি ও ভেরিফাইড একাউন্ট ব্যাবস্থাপনা ইত্যাদর কারনে এইসব অপকর্ম সম্পুর্ন দূর হয়। তখনকার যায় যায় দিন পত্রিকার এক নিবন্ধে এরকম দেখেছিলাম। পরে যাচাই করে নিশ্চিত হয়েছি।

আমার গুগল নির্ভরতা খুবই কম। গুগল প্রায়ই বিভ্রান্তিতে ফেলে। আমি নিজের চোখে আগে যা পড়েছি বা দেখেছি সেগুলোই বলি বা বলার চেষ্টা করি।

ধন্যবাদ।

১৪| ২৫ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৮

মা.হাসান বলেছেন: যে দুর্গম জায়গা গুলোয় যোগাযোগের জন্য স্যাটেলাইট প্রয়োজন বলেছেন এর প্রত্যেকটিতেই মোবাইল টাওয়ার আছে । বিদ্যুৎ না থাকলে মোবাইল টাওয়ারের ব্যাকআপ ব্যাটারিগুলো ১২ঘন্টার কাছাকাছি ব্যাক আপ দিতে পারে। এর চেয়ে বেশি সময় বিদ্যুৎ না থাকলে সরকারের সিভিল প্রশাসনের পক্ষে ও তাদের কমিউনিকেশন ডিভাইস চালু রাখা সম্ভব হবে না । এছাড়া যে কোনো দুর্বিপাকে সাধারণত সামরিক বাহিনীর সদস্যরা সবার আগে গিয়ে হাজির হয়। অন্য সব যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়লেও সামরিক বাহিনীর সিগন্যাল কোরের লোকেরা নিজস্ব কমিউনিকেশন সিস্টেম খুব দ্রুত দাড় করে ফেলতে পারে।

২৬ শে মে, ২০১৯ সকাল ১১:১৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
দুর্গম জায়গা গুলোয় যোগাযোগের জন্য মোবাইল টাওয়ার আছে ।

হাতিয়া সন্দিপে মোবাইল নেটওয়ার্ক আছে।
কিন্তু উরির চর, ঠ্যাঙ্গার চর, চর কুকরিমুকরি, দুবলার চর ও সুন্দরবনে মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই।
পার্বত্য জেলাগুলোরও শহরের বাইরে কোন নেটওয়ার্ক নেই।

বিপর্যয় আসলে মোবাইল নেটওয়ার্ক থাকলেও লাভ হতনা।
ঘুর্নিঝড়, ভুমিকম্প বা সন্ত্রাসি নাসকতা বা যে কোন কারনে সাবমেরিন কেবল বিচ্ছিন্ন হয়ে টেলি যোগাযোগ মহাবিপর্যয় ঘটলে মোবাইল ইন্টারনেটও ভেঙ্গে পড়বে। কারন মোবাইলওয়ালাদের নিজস্য কোন ইন্টারনেট নেই। ১০০% সরকারি (BTCL) নির্ভর। আর সেইরকম ঘুর্নিঝড়ে মোবাইল টাওয়ার অক্ষত থাকার কথা না।
ফনির তান্ডোবে পুরি শহরের মোবাইল নেটওয়ার্ক সম্পুর্ন বিপর্যস্ত হয়ে গেছিল।

২৬ শে মে, ২০১৯ সকাল ১১:৫৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
সামরিক বাহিনী নিয়ে একটি ভুল বার্তা এখনো বদ্ধমুল হয়ে আছে এই জাতীর জীবনে।
সবার ধারনা হয়ে গেছে দেশের বিপর্যয়ে সামরিক বাহিনী এসে তাদের উদ্ধার করবে!

বাস্তবতা হচ্ছে পুলিশ বিজিবির মত সামরিক বাহিনীও সরকারের একটি টুলস। সুশৃক্ষল চেইন অব কমান্ড।
পদাধিকার বলে প্রধানমন্ত্রী সম্মিলিত বাহিনীর চিফ এক্সিকিউটিভ। সরকারের হুকুমের বাইরে একচুল নড়ারও অধিকার নেই কোন সেনা ইউনিটের বা সদস্যের।

সে রকম প্রয়োজন দেখা দিলে যে কোন বিপর্যয়ে সেনা নৌ বা বিমান বাহিনীকে যখন ইচ্ছা তলব করতে পারে সরকার।
তবে সেখানেও সীমাবদ্ধতা আছে। সামরিক বাহিনী একটি বিশেষ কারনে জিপিএস ব্যাবহার করতে পারেনা, জিপিএস ম্যাপও ছুয়ে দেখতে পারেনা। নিজস্য পেপার ম্যাপ। এদের ইন্টারনেটও BTCL নির্ভর।
তাই নেটওয়ার্ক বিপর্যস্ত হলে সেই বঙ্গবন্ধু স্যাট ১ ব্যাবহার করতে হবেই।

১৫| ৩১ শে মে, ২০১৯ ভোর ৬:৪১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
এই জাতীয় পোস্ট আরো দিন।

৩১ শে মে, ২০১৯ দুপুর ২:১৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ধন্যবাদ সাজ্জাদ ভাই।

উৎক্ষেপনের পর স্যাটেলাইট বিরোধী শত শত পোষ্ট হয়েছিল। আমি মাত্র একটা লিখলাম অনেক পরিশ্রম করে।
এত পরিশ্রমের লেখাটিও নির্বাচিত পাতায় গেল না। কি আর বলবো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.