নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চলছে চলবে

হাসান কালবৈশাখী

আমি দুর্বার, আমি ভেঙ্গে করি সব চুরমার। আমি কালবৈশাখীর ঝড়! আমার ফেসবুকইডি www.facebook.com/norwstorm

হাসান কালবৈশাখী › বিস্তারিত পোস্টঃ

এক ফেরাউনের মৃত্যু

১৮ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৫২

মুরসিকে মিশরের 'গোলাম আজম' বলা যায়।
কারন মুরসির দল ব্রাদারহুড ও বাংলাদেশের জামাতিরা ছিল একই আদর্শের।
ব্রাদারহুডের প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক দল ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস পার্টি ।
এর আগে এই দলটি ছিল জঙ্গি সন্ত্রাসি। টুরিষ্ট স্পষ্ট, টুরিষ্ট বাসে হামলা চালানো, শিশুপার্কে, মসজিদে বাজারে, খ্রিষ্টান পাড়ায় বোমা হামলা ছিল এদের রুটিন কাজ।




আরব বসন্ত এনেছিল মুক্তমনা ধর্মনিরোপেক্ষ তরুন বামপন্থিরা ও ছাত্ররা। মোবারকের পতন ঘটিয়েছিল এরাই।
তখন ধর্মান্ধদের মুরুসি ফুরসিদের চাল চুলো কিছুই ছিল না।

কিন্তু নির্বাচনে ব্রাদারহুডদের সমর্থক ধনাড্ড আরব শেখরা (আমিরাত, কুয়েত, কাতার বাহারাইন) ও তুর্কি, লন্ডন, টরন্টো ভিত্তিক জামাতিরাও ফাডরাইজিং করে ব্রাদারহুডদের পক্ষে বিপুল অর্থ দিয়ে ভাসিয়ে ফেলে।
মোবারকের পতন ঘটানো ধর্মনিরোপেক্ষ তরুন বামপন্থিরাদের ও ছাত্রদের তেমন কোন অর্থ ছিলনা। মিশরের দরিদ্র জনগোষ্ঠিদের ভোট কিনে ফেলে বিপুল অর্থে বলিয়ান ফ্যাসিষ্ট ব্রাদারহুড।
মার্কিন তৎকালিন সেক্রেটারি অব স্টেট এর ও সমর্থন ছিল
২৩ মে, ২০১২ এর প্রেসিন্ডেন্ট নির্বাচনে মাত্র ২৫.৫ শতাংশ ভোট পেয়েই জিতে যান মুরসি। অর্থ ও সংগবদ্ধ ফ্যাসিস্ট চক্রের কাছে পরাজিত হয় তারুন্য ।
কিন্তু কয়েকমাস পরেই মুরুসির ফ্যাসিষ্ট স্বৈরশাসক মুখোষ উম্মোচিত হয়ে যায়।
দুষ্ট গরুর চেয়ে শুন্য গোয়াল ভাল।
সেই ছাত্র তরুনরাই ভয়াবহ গণআন্দলনে মুরসির পতন ঘটায় ও সেনাবাহিনী ক্ষমতা গঠন করে।

সোমবার আদালতে একটি শুনানি চলাকালে প্রায় ২০ মিনিট বক্তব্য রাখার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হঠাৎ হৃদরোগে অচেতন হয়ে তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর।

মন্তব্য ৪৩ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৪৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:০৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: কারো মৃত্যুতে খুশি হওয়ার কোনো কারণ নেই - খুশি হতে নেই। কিন্তু কেনো জানি মুরসির মৃত্যুতে আমার ভালো লাগছে। অসংখ্য তাজা প্রাণ তার জন্য পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছে অজানায়। মুরসির মৃত্যু সত্যি আনন্দের কারণ বটে।

১৮ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:১৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
মুরসি ও মুরুসির দলের হাতে বহু নিরিহ কপ্টিক খ্রীষ্টান ভিন্নমতাম্বলবি মুসলিম, জাপানী টুরিষ্ট মারা গেছিল।
এরা এখনো সন্ত্রাসি কান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
তার মৃত্যুতে দুঃখ পাওয়ার কিছু নেই।

০৭ ই জুলাই, ২০১৯ ভোর ৫:০৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
মুরসির দল ব্রাদারহুড তথাকথিত পলিটিকাল ইসলাম নিয়ে গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার কিভাবে সম্ভব?
বাংলাদেশী জামাতইসলাম এর মত ব্রাদারহুড দলটি কখনোই গনতান্ত্রিক ছিলনা। ওদের গঠনতন্ত্রে গনতন্ত্র নেই। ছিলওনা।
জামাতি বা ব্রাদারহুড গঠনতন্ত্রে রাষ্ট্রের মালিক জনগন নয়, মালিক আল্লাহ। তথা আল্লার প্রতিনিধি জামাতের আমির।
নামকাওয়াস্তে নির্বাচন হবে কিন্তু সৌদি বাদশার মত কথিত আল্লার নামে রাষ্ট্রের মালিক হবে জামাতের আমির বা ইরানের মত আয়াতুল্লা। আমির, আয়াত্তুল্লা বা বাদশা পদটা চীরস্থায়ী ।
গনতন্ত্র তখন ঘনতন্ত্র , এর নাম জামাতি ব্রাদারহুডি গনতন্ত্র।

২০০৮ এ তত্তাবধায়ক আমলে বাংলাদেশি জামাত মুচলেকা দিয়ে নির্বাচনে এসেছিল। শর্ত ছিল ৬ মাসের ভেতর আল্লাতন্ত্র (আমিরতন্ত্র) ভিত্তিক গঠনতন্ত্র সংসোধন করবে, নতুবা নিবন্ধন বাতিল।
ফ্যাসিস্ট জামাত নিবন্ধন বাতিল পর্যন্ত মেনে নিয়েছে তবুও ফ্যাসিষ্ট আদর্শ বিসর্জন দেয় নি।
ব্রাদারহুড বা জামাত এরা কোনমতে একবার ক্ষমতায় আসতে পারলে প্রকৃত ব্রাদারহুডি গনতন্ত্র দেখাইয়া দিবে।

২| ১৮ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:১৬

রাজীব নুর বলেছেন: প্রতি বছর ইঁদুর কত টাকার ধান নষ্ট করে তা জানেন??

২১ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:০২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ধুর মিয়া!
ঘুম থেকে উঠে না দেখেই কমেন্ট করছেন!
যান , বাতরুমে যেয়ে চোখমুখ ধুয়ে ব্রাশ করে আসেন। এর পর আর্কিওপটেরিক্স ভাইয়ের পোষ্টে যান।

৩| ১৮ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:২০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী ভাই, আমি অবাক হয়েছি তার মৃত্যু এতো সাধারণ কিভাবে হলো ? তার মৃতূ কঠিন থেকে কঠিনতর হওয়ার কথা !!! কিন্তু পরক্ষনে মনে হয়েছে তার জন্য অনন্তকাল সাজা অপেক্ষা করছে কবরে, তার জন্য অনন্তকাল সাজা অপেক্ষা করছে আখেরাতে হাসরের ময়দানে ও জাহান্নামে। আপনার হেড লাইন স্বার্থক “এক ফেরাউনের মৃত্যু” হতে পারে সে ফেরাউনেরই বংশধর !!!

১৮ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:২৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ধন্যবাদ ঠাকুরমাহমুদ ভাই।

এদেশী জামাত/ সালাফি ওহাবি পন্থিরা সংগত কারনেই ওদের সমর্থক।

৪| ১৮ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:৫২

ঢাবিয়ান বলেছেন: সব কিছুর মধ্যেই জামাত শিবিরের গন্ধ দেখতে পাওয়াটা আপনাদের চেতনার অংশ । সেই চেতনার অংশ হিসেবে আপনারা সত্যকে লুকাতে মিথ্যার আশ্রয় নেন। হোসনী মুবারকের পতনের পর সেই দেশে গনতান্ত্রিক উপায়ে মুরাসী জিতেছিল।কিন্ত মুসলিম ব্রদারাহুড ক্ষমতায় আসা মানে ইরান, তুরস্কের মত আরেকটি শক্তিশালী মুসলিম রাস্ট্রের উত্থান যারা পশ্চিমাদের পদলেহন করে মুসলিম জাতির বিপক্ষে অবস্থান নেবে না। মিসরীয় সামরিক বাহিনীকে দিয়ে ক্যূ করিয়ে মুরসির ক্ষমতা ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনাকে আপনি বলছেন তরুনরা তাকে ক্ষমতাচ্যত করেছে !!!! মিথ্যাচার অবস্য আপনাদের মত চেতনাব্জদের বিড়াট একটা অস্ত্র যা দিয়ে আপনারা দিনকে রাত এবং রাতকে দিন বানান।

১৯ শে জুন, ২০১৯ রাত ১:০৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
জামাত শিবির বাংলাদেশের কোন সংগঠন নয়, ব্রাদারহুডও একই মতবাদি।
এরা সবাই ধর্মীয় নামে এক আন্তর্জাতিক মাফিয়া সংগঠন।
সালাফি-ওহাবি, কোরানের আয়াত পরিবর্তিত করে বা কিছু আয়াত বাদ দিয়ে পড়ে। ভিন্ন স্টাইলে নামাজ পড়ে। এদের কে মুসলিম বলা যায় না। ফ্যাসিষ্ট সংগঠন।
এরা মুসলিম হলে কাদিয়ানিরাও মুসলিম।
নির্বাচনে জেতাই শেষ কথা নয়। দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে টাকার বিনিময়ে কোরান ছুইয়ে শপথ করিয়ে ভোট আদায় দুর্বৃত্তপনা ছাড়া কিছু নয়।
নির্বাচন সবসময় জনমতের সঠিক প্রতিফলন হয়না।

আরব বসন্ত এনেছিল মুক্তমনা ধর্মনিরোপেক্ষ তরুন বামপন্থিরা ও ছাত্ররা। মোবারকের পতন ঘটিয়েছিল এরাই।
আবার এরাই মুরসি/ব্রাদারহুডের কুচক্রে পরাজিত হয়ে আবার বিক্ষোভে কায়রো অচল করে মুরসির পতন ঘটিয়েছিল।

৫| ১৮ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:০৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: দেখুন আজকে বিভিন্ন ইন্টারন্যশনাল মিডিয়ায় কি লেখা হয়েছে মুরসীকে নিয়ে - Egypt: Morsy’s Isolation Violates Rights

Egyptian authorities have unlawfully prevented former President Mohamed Morsy from contacting or receiving visits from his family and lawyers in the years since the military forcibly removed him from power in July 2013, Human Rights Watch said today. On June 4, 2017, Egyptian authorities allowed Morsy to receive visits from his family and lawyer for only the second time in nearly four years.

These conditions undermine Morsy’s right to mount a legal challenge to his detention and a defense against the many prosecutions filed against him and may have contributed to a decline in his health. During the first week of June, Morsy fainted twice and experienced a diabetic com.“Egyptian authorities appear to have seriously violated former President Morsy’s due process rights and may be interfering in his proper medical treatment,” said Joe Stork, deputy Middle East and North Africa director at Human Rights Watch. “Morsy’s treatment is a window into the appalling conditions suffered by thousands of political detainees in Egypt.”

৬| ১৮ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:১৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: যারা স্ব-দেশে স্বৈরাচারকে সমর্থন করতে পারে, তারা সবসময়ই স্বৈরাচারি মানসিকতা সমর্থন করে।
তারা সিসির ভক্তই হবার কথা!

মুরসীকে এক বছরও সময় না দিয়ে ঢালাও বনী ইহুদীদের আয়নায় মূল্যায়ন করলে হবে কিভাবে ভায়া?
এদেশ বামদের হাল দেখৈই অনুমান করতে পারি ওদেশের বামদের গতি প্রকৃতি!
এখানে ক্ষমতার অংশ হয়ে হালুয়া রুটিও খায়া, আবার চেয়ার উলটে গেলে বিপ্লবী সেজে যায়! ওখানেও ভিন্ন হবার কারণ আছে কি?

জামাত ইসলাম নয়। কিন্তু জামাতের বিরোধীতা যেন ইসলামের মৌলিক বিরোধীতায় পরিণত না হয়।

ইসলামের নিজস্ব বিশ্বাস, কতর্ব্য, শর্ত,আছে। তা থেকে একচুল সরার উপায় নেই।
সেই ইসলামের ভিত্তি কোরআনের নির্দেশ মতোই ইহুদীদের জন্য আলগা মায়া দেখানো কোন উপায় নেই!
আজকে মুরসিকে বলছেন সে কাদের কাদের মেরেছে তাই সে কত্ত খারাপ!
আর আল্লাহ কোরআনে বলছেন- এই সেই ইহুদী যারা বহু বহু সাধারণ মানুষই শুধু নয় নবী রাসুলদের হত্যা করেছে!
তাদের জন্য ঘৃনা হয় না? তাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে বা তাদের বাঁচিয়ে রাখা পশ্চিমাদের মূল্যানের আয়নায় যদি সত্যকে অনুবভ করতে চান তা কেবলই মরিচিকা বিভ্রম হবে।

স্বকীয়তা এই জায়গাটুকু আমি ছাড়তে চাইনা। কোন চেতনার নামেই না। আত্মমর্যাদার এই টুকু স্পেস বড় বেশী দরকার।

১৯ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৫৬

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
কিন্তু জামাত বিরোধীতা যেন ইসলামের মৌলিক বিরোধীতায় পরিণত না হয়

জামাত বিরোধীতা করলে ইসলাম বিরোধীতা হয় কিভাবে কবি?

জামাতিদের কি সঠিক মুসলিম বলা যায়?
৭১ এর ভুমিকার জন্য অনুতপ্ত নয়, এসব নাহয় বাদই দিলাম।

জামাত একটা ফ্যাসিষ্ট টোটালেটেরিয়ান মনভাবাপন্ন দল, দলটি কাজকর্ম মাফিয়া ডাকাতদের দলের মতই, কখনোই দলত্যাগ করেনা, দলিয় কোন্দল নেই। কট্টর ভাবে আমেরিকা সমর্থক, তথা ইংগমার্কিন সৌদি-ইসরাইল সমর্থক।

এই দলটির গঠনতন্ত্রে গণতন্ত্র নেই, নির্বাচন নেই। আছে একদলীয় মোল্লতন্ত্র। এরা নিজ দলের নিবন্ধন বাতিল পর্যন্ত মেনে নিয়েছে, তবুও একদলিয় গঠনতন্ত্র চেইঞ্জ করে নি।

ধর্মিয় পরিচয় বোঝা যায়, ভিন্ন স্টাইলে নামাজ পড়ে, নামাজ শেষে মোনাজাত করে না। মৌদুদির বইতে কোরানের আয়াতে কিছু আপত্তি দেখা যায় (নাউজুবিল্লাহ)। মিলাদ মাজারে বিশ্বাস করে না, হজেও বিশ্বাসি না, জামাত নেতারা বার বার সৌদি গেলেও কখনো হজে গেছে শোনা যায় নি, কোন জামাত নেতা বা মাওলানা নামের আগে 'হাজী' টাইটেল নেই। আইএস জঙ্গিদের মত ঈদের নামাজেরও বিরোধী।
নেতাদের ঈদের নামাজে দেখা যায় না, এসব সবই কট্টর ওহাবী-সালাফি ফ্যাসিষ্ট জামাতি মতাদর্শ।
এদের কি সঠিক মুসলিম বলা যায়?

ইসলামের বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা দেয়া একটি ফ্যাসিষ্ট খুনে ডাকাত দল কে 'স্ট্যান্ডার্ড ইসলাম' ধরে নিয়ে এর ভেতর স্বকীয়তার জায়গা খুজছেন?

আশ্চর্য হলাম প্রীয় কবি।

৭| ১৮ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:০৭

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: যাকে আপনি ফেরাউন বলছেন,আপনি নিজে ভালো মানুষ এর দলিল কি?

৮| ১৮ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:২২

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: মুরসি নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ছিলেন। গোলাম আযম নির্বাচিত কেউ না।

১৯ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:০৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
নির্বাচন সবসময় জনমতের সঠিক প্রতিফলন হয়না।
দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে আল্লার ভয় দেখিয়ে, টাকা দিয়ে বস করে কোরান ছুইয়ে শপথ করিয়ে ভোট আদায় দুর্বৃত্তপনা ছাড়া কিছু নয়।

৯| ১৮ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:১৮

ইনাম আহমদ বলেছেন: এইসব ফালতু জিনিসপত্র নিয়ে মাতামাতি করাটা বাঙালিদেরই শোভা পায়। মুরসি সাহেব একজন কট্টরপন্থী মিশরীয় নেতা ছিলেন, আরব বসন্তে বহু ক্ষমতাসীন ইসলামের ঝাণ্ডাবাহী নেতার সাথে সাথে তিনিও পতনের সম্মুখীন হন। ধর্মকে পুঁজি করে যে আধুনিক বিশ্বে রাষ্ট্র চালানো যায়না, অন্তত মুসলমানদের শরীয়াহ আইন প্রতিষ্ঠা করে তো নয়ই, মুসলমানদের এই মোহময় বিশ্বাসের সমূলে তার পতন আরেকটা কুঠারের আঘাত বই কিছু নয়। আপাতত স্বজাতি সৌদি রেমিট্যান্সপুষ্ট কিছু হুজুর এই লোকের মরার জন্য শোক করতেছে, সেটা বুঝতে খুব বেশী সমস্যা হওয়ার কথা নয়। এরা নিজামী, মতিউরের ফাঁসির সময়ও কষ্ট পেয়েছে, সাইদীকে চাঁদে দেখে নফল নামাজও আদায় করেছে।
আর ফেরাউনের উদাহরণ এখানে না আনলেও চলে। একে তো ফেরাউন একটা কাল্পনিক চরিত্র, তার অস্তিত্ব প্রমাণ করার কোনো শক্ত ঐতিহাসিক দলিল উপস্থাপন করা কোনো আলেমের পক্ষে সম্ভব নয়, দ্বিতীয় হচ্ছে এই অলৌকিক ক্ষমতাধারীর কোনো ক্ষমতার উল্লেখ মিসরের প্যাপিরাস পেপারে বা পিরামিডের গায়ে খোদাই করে লেখা ইতিহাসে পাওয়া যাবেনা। মিসরীয়রা বহু প্রাচীণ কাল থেকেই নীলনদের সেচকার্য আর চিকিৎসাশাস্ত্রে উন্নত ছিলো, কোনো রাজার অলৌকিক ক্ষমতার মুখাপেক্ষী তাদের হওয়ার দরকার ছিলো বলে মনে হয়না।

১৯ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৩২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
এইসব ফালতু জিনিসপত্র নিয়ে মাতামাতি করাটা দরকার ছিল না।

মুরসি-ফুরসি কে নিয়ে পোষ্ট দেয়ারও কোন ইচ্ছা ছিল না।
কিন্তু সোশাল মিডিয়াতে মুরসি বন্দনা করে হাজার হাজার পোষ্ট, নামাজের ছবিটবি দিয়ে এলাহি অবস্থা!
(নামাজ মনে হয় একমাত্র মুরুসিই পড়ে, বাকি সবাই ঘাষ খায়)। বন্দনা করতে করতে করে মুরসিকে নবীর পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছিল প্রায়।
মুরসি বন্দনাকারি বেশীরভাগই বাংলাদেশে একটি চিহ্নিত পক্ষ।

তাই বাধ্য হয়ে কিছু লিখলাম।

১০| ১৮ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:৩৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী ভাই, আপনার লেখার অপেক্ষায় রইলাম তারপর আমিও আপনার হয়ে না হয় কিছু জবাব দিবো। এখানে একটি কথা না বললেই নয় ইসলামিক ইতিহাস টেনে আনার প্রয়োজন নেই মিশরীয় ইতিহাসে ফারাউ রাজা ও পিরামিড নিয়ে লক্ষ লক্ষ পাতা লেখা হয়ে গেছে। এখানে নতুন করে প্রমান করার বা লেখার কোনো প্রয়োজন নাই জনাব @ইনাম আহমদ। “মুসলিম ব্রাদারহুড, মুরসি” তাদের সম্পর্কে অনেক কিছু জানার প্রয়োজন নেই, তবে কিছু অন্তত জানার আছে!!! আগে সামান্য কিছু জানুন তারপর ব্লগে লিখুন - আপনার-আমার লেখার জন্যই ব্লগ। আপনি জেনে লিখবেন, আপনার কাছে আমি কেনো সমগ্র ব্লগবাসী সবাই লেসন নিবে জনাব ইনাম আহমদ

আরব বসন্ত আরবকে বসন্ত এনে দেয়নি তবে হা বসন্ত রোগ যদি বলেন তাহলে বসন্ত রোগ দিয়েছে এটি উঝা দিয়েও ছাড়ার নয়।

আরব বসন্ত অর্থ আরব চিকেন পক্স

১৯ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৩৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: - একদম সঠিক কথাটি বলেছেন। ঠাকুর মাহমুদ ভাই।

১১| ১৮ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:৪৫

ইনাম আহমদ বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী ভাই, আমি অবাক হয়েছি তার মৃত্যু এতো সাধারণ কিভাবে হলো ? তার মৃতূ কঠিন থেকে কঠিনতর হওয়ার কথা !!! কিন্তু পরক্ষনে মনে হয়েছে তার জন্য অনন্তকাল সাজা অপেক্ষা করছে কবরে, তার জন্য অনন্তকাল সাজা অপেক্ষা করছে আখেরাতে হাসরের ময়দানে ও জাহান্নামে। আপনার হেড লাইন স্বার্থক “এক ফেরাউনের মৃত্যু” হতে পারে সে ফেরাউনেরই বংশধর !!!
ইসলামের ইতিহাস ঘাটলে জানা যায় অনেক সাহাবাই যুদ্ধক্ষেত্রে চরম যন্ত্রণার মৃত্যু বরণ করেছেন। রাসূল (সা.)-এর মৃত্যু অত্ন্ত কষ্টের সাথে হয়েছিলো। আর খোলাফায়ে রাশেদীনের পরপর তিন খলিফাই সরাসরি খুন হয়েছেন। অপরদিকে কা'বা শরীফ পুড়িয়ে দেয়া ইয়াজিদ মারা গেছে স্বাভাবিকভাবে। কেউ কীভাবে মরলো সেটা দিয়ে তার আমলনামা করা আর তার মরার পরে ঠাঁই কোথায় হবে সেইসব গবেষণা মাথামোটাদের কাজ।
আপনার ওপরে আমার ব্যক্তিগত আক্রমণ করার কোনো ইচ্ছা নেই। আপনার ব্লগীয় নামটাও হাস্যকর। খামোখা নিজের জ্ঞান জাহির করবেন না। খালি কলসি বাজে বেশী।

১২| ১৯ শে জুন, ২০১৯ রাত ১:৪৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: জনাব ইনাম আহমদ আমার ব্লগিয় নামটি হাস্যকার কারন জুম্মা জম্মা আট দিন হয়েছে আপনি ব্লগে, ব্যাক্তিগত আক্রমণ করে যখন বলবেন ব্যাক্তিগত আক্রমণ ইচ্ছে নেই তখন ভাবতে হবে আপনি অকালপক্ক। মাথামোটা গাড়লরা এই ধরনের কথা বলে। আপনি আদিম যুগে বসবাস করছেন। বাংলাদেশে মুসলিম ঠাকুর একটি মাত্র গোত্রের পরিচয় তার ইতিহাস ৪৫০ বছরের, আপনার পরিবারের ইতিহাস কয়দিনের ইনাম আহমদ?

আপনার কলসিটা ভেঙ্গে গেছে তাই বাজছে না। ছোট মানুষ তার পরিচয় ছোট দিয়ে শুরু করে। ইয়াজিদ সাধারণ মৃত্যূবরন করেছে তার কারণ তার বিচার হবে আখরাতে আর ইসলামের যুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন মর্মান্তিকভাবে নিহত হয়েছেন তারা সরাসরি জান্নাতে যাবেন - পড়ালেখা কিছু করেছেন নাকি আই এম জিপিএ ফাইভ ?

২১ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:০৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ব্লগে নাম ধরে ব্যাক্তি আক্রমণ করাটা অন্যায়।

১৩| ১৯ শে জুন, ২০১৯ রাত ১:৫৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: বাংলাদেশে ধর্ষক সিরাইজ্জার গোষ্টি ইসলামকে ডুবাবে এটি নিশ্চিত। ইসলাম শান্তির ধর্ম - বৃক্ষ তোমার নাম কি ফলে পরিচয় !!! আয়রনের অভাব হলে স্ক্র্যাপ বাজারে গিয়ে লোহা লক্কর ভক্ষণ করুন কাজে আসলেও আসতে পারে। এটি ব্লগ - বাংলা ভাষার সবয়েয়ে বড় ব্লগ, এটি ফেসবুক না, তাই ফেসবুকিয় পেচাল ক্যাচাল না করে দুরে গিয়ে মরেন। এমনিতে ব্লগে নানান নিষেধাজ্ঞা তার উপর প্রগৈতিহাসিক ফসিল এসে ব্লগে নেমেছে !!! হাসান কালবৈশাখী ভাই আপনি কোথায়, ভাই আপনি কোথায় ? একটা রিকসা অথবা একটা টেম্পু অথবা একটা লোকাল বাস রিজার্ভ নিয়ে এয়ারপোর্টে চলে আসেন ।।

১৪| ১৯ শে জুন, ২০১৯ ভোর ৪:০৪

রডারিক বলেছেন: গরীবের বউ সবার ভাবি।তাকে অপমান কর, মশকরা কর কেউ কিছু বলবে না পারলে একসাথে গলা মেলাবে।
ইসলাম ধর্মকে হেয় করা আর ইসলামপন্থী মানুষকে গালি দেয়া, কাউকে ফেরাউন বানিয়ে দেয়া ট্রেন্ড হয়ে গেছে।

২১ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৫৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
এখানে ইসলাম ধর্মকে হেয় করলো কে?
আমার লেখায় একটি বাক্য দেখাতে পারবেন ইসলাম ধর্মকে হেয় করা?

১৫| ১৯ শে জুন, ২০১৯ ভোর ৪:১৬

মা.হাসান বলেছেন: আজ থেকে সাড়ে তিন যুগ আগে কোন এক দেশে এক গণ মানুষের নেতার মৃত্যুর পর ওই দেশের এক নেতা বলেছিলেন ফেরাউনের মৃত্যু হয়েছে। কতিপয় তরুণ নেতা এই মৃত্যুতে উল্লাস প্রকাশ করতে ট্যাংকে চড়ে উদ্বাহু নৃত্য করেছিলেন ( যাদের কেউ কেউ ভবিষ্যতে পরবর্তীতে ওই একই দলের মন্ত্রী ও হয়েছিলেন)। মুরসির বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি ধর্মকে ব্যবহার করে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের হত্যা, নিপিড়ন ও অত্যাচার করেছিলেন। ওই গণমানুষের নেতার উপর অভিযোগ ছিল তিনি বিশেষ বাহিনী গঠন করে লক্ষ লক্ষ মানুষকে গুম করেছিলেন, বিরোধী দলের কণ্ঠ স্তব্ধ করেছিলেন, লাল ঘোড়া দাবিয়ে দিয়েছিলেন। মুরসির মৃত্যুতে লোকেরা ট্যাংকের উপরে নৃত্য করেছিল কিনা জানিনা, তবে এই দুই নেতার কারো মৃত্যুকেই আমার ফেরাউনের মৃত্যু মনে হয় নি। তবে আমি মানুষের চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে শ্রদ্ধা করি।

১৬| ১৯ শে জুন, ২০১৯ সকাল ৮:০০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: বাক স্বাধীনতায় আমি বিশ্বাসী। অবশ্য সেটা যদি শালীন ভাবে হয়। আপনি আপনার মত করে উনাকে ফেরাউন বলতেই পারেন। উনি মানুষের আদালতে সাক্ষ্য দিচ্ছিলেন। কিন্তু উপরওয়ালার আদালতে এবার বিচার শুরু হল। কাজেই ব্যক্তিগতভাবে উনাকে দেওয়া আপনার অভিধার সঙ্গে সহমত হতে পারছি না। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রনায়করা যুগে যুগে ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করতে রাষ্ট্রযন্ত্রকে নিজেদের মর্জিমাফিক ব্যবহার করেছেন। আর তার বলি হয়েছেন বহু নিরীহ মানুষ।কখনো সেটা ধর্মবিরোধিতা, কখনো বা রাষ্ট্রবিরোধীতার কখনো বা শাসক দলকে বিরোধিতার তকমা দিয়ে বিভিন্নভাবে তাদেরকে অভিযুক্ত করে ফাঁসিতে লটকানো হয়েছে বা বেয়োনেট দিয়ে তাদেরকে শেলবিদ্ধ করা হয়েছে। যেমনটি করেছিলেন মুরসি। সে দিক থেকে ওনার চলে যাওয়াটা বরং বেশ শান্তিতেই হয়েছে।

শুভেচ্ছা নিয়েন।

২০ শে জুন, ২০১৯ রাত ১২:৩২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আমরা ছোটকালে নমরুদ ফেরাউনের নানা গল্প শুনতাম।

আসলে ফেরাউন খারাপ কিছু না। ফেরাউন কারো নাম না। ব্যক্তিও না। ব্যক্তির টাইটেলও না।
পিরামিড যুগে ফারাও তথা ফেরাউন মানে রাজা অর্থাৎ শাসক।

এসব নিয়ে পোষ্ট দেয়ার ইচ্ছে ছিল না।
কিন্তু সোশাল মিডিয়াতে মুরসি বন্দনা করে হাজার হাজার পোষ্ট, সুট টাই পড়ে নামাজের ইমামতির ছবিটবি দিয়ে এলাহি অবস্থা!
(মনে হয় মুরুসিই একমাত্র নামাজি, বাকি সবাই ঘাষ খায়)। একের পর এক মুরসি বন্দনা করতে করতে ওনাকে নবীর পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছিল প্রায়।
মুরসি বন্দনাকারি বেশীরভাগই বাংলাদেশে একটি চিহ্নিত পক্ষ।
মুরসির দল মুসলিম ব্রাদারহুড ও বাংলাদেশের জামাতশিবির একই মতাদর্শি কট্টরপন্থি ওহাবি/সালাফি

তাই বাধ্য হয়ে কিছু লিখলাম।

১৭| ১৯ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৪১

রায়হান চৌঃ বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু : ভাই শুধু মাত্র সুরা ফাতিহা এর বাংলা বুজতে পারলেই তো একজন মুসলিম এর মাথা অটোমাটিকেলি নত হয়ে যায়। আর আপনি (অধকাংশ মন্তব্য কারি / লিখক) ইনাদের মত ইসলামিক ষ্কলার্স দের ইসলাম বুঝানোর জন্য চেষ্টা করছেন ?

১৮| ১৯ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩০

মা.হাসান বলেছেন: নির্বাচনে মুরসির ২৫.৫℅ ভোট পাওয়া আর একটি গোয়েবলসীয় তথ্য। ওই নির্বাচনে মুরসি ২৬ মিলিয়ন ভোটের মধ্যে মোট ১৩.২ মিলিয়ন ভোট পেয়েছিলেন। ৮ লক্ষ বাতিল ভোট বাদ দিলে ভোটের হিসেবে মুরসি প্রায় ৫১ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন। মিশরের শিক্ষিতের হার প্রায় ৭৫ শতাংশ (২০১৫ এর পরিসংখ্যান) । এদের মাতৃভাষা আরবী। কাজেই জামাতের পক্ষে বাংলাদেশে যেভাবে কোরআন ছুঁয়ে শপথ করানো সম্ভব হয়েছে মিশরে এটা অলীক কল্পনা।

১৯ শে জুন, ২০১৯ রাত ১১:১৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
২৫.৫℅ ভোট পাওয়া কথা গোয়েবলসীয় তথ্য নয় জনাব।

আমি না জেনে না বুঝে কিছু লিখি না।
মিশরের প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনে কেউ ৫০% ভাগ ভোট না পেলে দ্বিতীয় দফা আরেকটি নির্বাচন হয়। টপ ২ প্রার্থির ভেতরে।
২৩ মে, ২০১২ অনুষ্ঠিত প্রথম অর্থাৎ মুল নির্বাচনে মুসলিম ব্রাদারহুড ও ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস পার্টির প্রার্থি মুহাম্মাদ মুরসি ২৫.৫℅ ভোট পেয়েছিলেন।
(যেখানে বাংলাদেশে বিম্পি-জামাত হেরে গেলেও মোট ভোটের কমবেশী ৪০% পায়)

যেহেতু সেই ভোটে কোন দলের একক প্রার্থিই ৫০% ভোট পায় নি, তাই নিয়ম মাফিক ২য় দফা ভোট অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে থাকা ২ প্রার্থির ভেতর।

২য় দফা ভোটে মাফিয়া ব্রাদারহুড তার সকল রিসোর্স ব্যাবহার করে ছোট দলগুলোকে প্রায় কিনে ফেলে সর্বশক্তি ব্যাবহার করে ৫১.৭৩% ভোট পেয়ে জয়ী হয়।

১৯| ২০ শে জুন, ২০১৯ রাত ১২:৪৩

মা.হাসান বলেছেন: আবারো কিছু মিথ্যা তথ্যের বেসাতি। প্রথম দফার নির্বাচনে মুরসি পান ২৫% ভোট। আব্দুল মোমেন আবুল ফুতুহ নামের আর একজন মৌলবাদী নেতা পান ১৭% ভোট । ইনিও আগে মুসলিম ব্রাদারহুড করতেন, কিন্তু বিরোধের কারণে দল থেকে বের হয়ে যান বা বহিস্কৃত হন। সেকুলার ক্যান্ডিডেটদের মধ্যে হামদিন সাবাহি, আহমদ শফিক, আমর মুসা মিলে ৫৬% ভোট পান। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে আবুল ফুতুহ এর ১৭ শতাংশ ভোটের পুরোটাই মুরসির পক্ষে যাওয়ার কথা, দুজনই জামাতি। প্রথম দফায় আহমেদ শফিক পেয়েছিলেন ২৪% ভোট। আমার মুসা এবং হামদিন সাবাহি মিলে পেয়েছিলেন ৩২% ভোট । ২য় দফায় এই বত্রিশ পারসেন্ট এর বড় অংশ (২৪%) পান শফিক এবং কিছু মুরসি পান। নির্বাচনের আগে একটি টিভি বিতর্কের কারনে শফিক কিছু জনপ্রিয়তা হারায় বলে মনে করা হয় । বিষয়টি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালেও এসেছিল (Click This Link)। মিশরের নির্বাচনে কোন ভোট কেনা-বেচার কোন অভিযোগকখনোই কোন দলের কোন ক্যান্ডিডেটই করে নি। কার উর্বর মস্তিস্ক এই কল্পনা করেছে আমার ধারনায় নেই।

দীর্ঘকাল ধরেই মিশরে সেনাবাহিনীর শাসন চলছে। পাকিস্তানের মতোই এখানে সেনাবাহিনী যতটুকু মনে করে ততটুকু গণতন্ত্র মানুষকে ভোগ করতে দেয়। জামাতের চরিত্র সম্পর্কে সচেতন থাকা দরকার কিন্তু তার জন্য কুৎসা রটনার কোন প্রয়োজন দেখিনা।

২০ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:২৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আবারো কিছু মিথ্যা তথ্যের বেসাতি।
ফালতু কথা কেন বলেন? নিচের কোন লাইনটা মিথ্যা?


মিশরের প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনে কেউ ৫০% ভাগ ভোট না পেলে দ্বিতীয় দফা আরেকটি নির্বাচন হয়। টপ ২ প্রার্থির ভেতরে।
২৩ মে, ২০১২ অনুষ্ঠিত প্রথম অর্থাৎ মুল নির্বাচনে মুসলিম ব্রাদারহুড ও ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস পার্টির প্রার্থি মুহাম্মাদ মুরসি ২৫.৫℅ ভোট পেয়েছিলেন।
(যেখানে বাংলাদেশে বিম্পি-জামাত হেরে গেলেও মোট ভোটের কমবেশী ৪০% পায়)
যেহেতু সেই ভোটে কোন দলের একক প্রার্থিই ৫০% ভোট পায় নি, তাই নিয়ম মাফিক ২য় দফা ভোট অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে থাকা ২ প্রার্থির ভেতর।
২য় দফা নির্বাচনে ব্রাদারহুড তার সকল রিসোর্স ব্যাবহার করে ৫১.৭৩% ভোট পেয়ে জয়ী হয়।

২০| ২০ শে জুন, ২০১৯ রাত ৮:৩২

মা.হাসান বলেছেন:
২য় দফা ভোটে মাফিয়া ব্রাদারহুড তার সকল রিসোর্স ব্যাবহার করে ছোট দলগুলোকে প্রায় কিনে ফেলে সর্বশক্তি ব্যাবহার করে ৫১.৭৩% ভোট পেয়ে জয়ী হয়।
প্রায় কিনে ফেলার তথ্যটুকু আপনার উর্বর মস্তিষ্কের কল্পনা প্রসূত ও মিথ্যা। ১৯ নম্বর মন্তব্যর প্রথম প্যারায় পরিসংখ্যান দিয়ে আমি দেখিয়েছি ভোটের ফল স্বাভাবিক ছিল, ঐ প্যারার শেষ দুই লাইনেই আপনার মিথ্যার বেসাতির কথা তুলে ধরেছি। কমেন্টটি পড়লে পুনরায় এসে জিজ্ঞাসা করতে হতো না

২০১২র নির্বাচনের পর কোন ক্যান্ডিডেট বা কোন পশ্চিমা মিডিয়া বা লোকাল মিডিয়া কখনো ওই নির্বাচনে ভোট কেনা-বেচার অভিযোগ করেনি।

একটু কষ্ট করে ভোটের পরিসংখ্যান ঘাটলেই দেখতে পেতেন অথেন্টিসিটি পার্টি, ডেমোক্রেটিক জেনারেশন পার্টি, ডেমোক্রেটিক পিস পার্টি, ন্যাশনাল প্রগ্রেসিভ ইউনিয়নিস্ট পার্টি, সোশ্যাল পপুলার অ্যালায়েন্স পার্টি - অর্থাৎ হামদিন সাবাহির ডিগনিটি পার্টি বাদে বাকি সমস্ত ছোটখাটো রাজনৈতিক দল মিলে প্রথম পর্বের নির্বাচনে মাত্র ০.৫৫% ভোট পেয়েছিল, মুরসির সাথে আহমেদ শফিক এর ভোটের ব্যবধান দুই ক্ষেত্রেই এর তুলনায় বেশি ছিল।

২১ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৩৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
মিথ্যার বেসাতি , কল্পনা প্রসূত ও মিথ্যা

ব্লগে সরাসরি এভাবে কাউকে উক্তি করাটা অসোভন।
না জেনে না বুঝে শুধু গুগল নির্ভর কিছু তথ্য হাজির করলেই সবকিছু সাদা হয়ে যায় না।

২০১২র নির্বাচনের পর কোন ক্যান্ডিডেট বা কোন পশ্চিমা মিডিয়া বা লোকাল মিডিয়া কখনো ওই নির্বাচনে ভোট কেনা-বেচার অভিযোগ করেনি।

এটাও না জেনে করা গুগল নির্ভর একটি মনগড়া মন্তব্য।

আপনার জ্ঞ্যাতার্থে জানাচ্ছি নিকটতম ২ প্রার্থি নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ করেছিল লিখিত ভাবে।
তারা নির্বাচন ফলাফল স্থগিত রাখারও আবেদন জানিয়েছিল।
অভিযোগ আমলে নিয়ে মিশরের নির্বাচন কমিশন ঘোষনা দিয়ে বলেছিল, -

"প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দুজন প্রার্থী যাতে প্রমান সংগ্রহ ও আপিল করার জন্য বাড়তি সময় পান এবং তাদের করা অভিযোগগুলো যাতে ভাল করে খতিয়ে দেখা যায় - সে কারণেই নির্বাচনের ফল ঘোষণা অনির্দিষ্ট কাল পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে"।

বেশ কিছু দিন (সম্ভবত ৩ দিন) স্থগিত থাকার পর ফলাফল ঘোষিত হয়।

নির্বাচনে অনিয়ম কারচুপি প্রমান করা এত সহজ না। মিশরে এই প্রথম একটি বহুদলীয় নির্বাচন হল। একদিকে একটি সংগবদ্ধ আন্তর্জাতিক মাফিয়া দল + এরদোগান, আরব শেখ অফুরন্ত টাকার পাহাড়। বিপরিতে তাহরির স্কোয়ারের তরুনরা আর কিছু
খালী পকেটের অনভিজ্ঞ উদারপন্থি রাজনিতিক।
সবকিছু প্রমান হাজির করা এত সহজ না।
সবকিছু প্রমান লাগেও না। চোখ বন্ধ করে বলে দেয়া যায় ভোট কেনা-বেচা হয়েছে। ভোটারও বেচাকেনা হয়েছে। শুধু তাই না ছোট দলগুলোও বেচাকেনা হয়েছে। নিশ্চিতই।
কারন যেই মুরসি মাত্র ২৫% ভোটের মালিক, সে ২য় দফা ভোটে ৫১% ভোট পায় কিভাবে?

২১ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৪৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
বাংলাদেশে যেভাবে কোরআন ছুঁয়ে শপথ করানো সম্ভব।
মিশরের শিক্ষিতের হার প্রায় ৭৫ শতাংশ (বাংলাদেশেও ৭২%) ও তাদের মাতৃভাষা আরবী। তাই কোরআন ছুঁয়ে শপথ করানো সম্ভব নয়।

ইয়া আল্লাহ! এটা কি বললেন?
আরবি জেনে কোরান বুঝে গেলে কোরআন ছুঁয়ে মিছা বলবে? শপথ অমান্য করবে?

আসতাগফেরুল্লা .. নাউজুবিল্লাহ ..!!

২১| ২১ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:১৮

মা.হাসান বলেছেন: কারন যেই মুরসি মাত্র ২৫% ভোটের মালিক, সে ২য় দফা ভোটে ৫১% ভোট পায় কিভাবে?

আপনার চিন্তার গভীরতায় জাতি চমৎকৃত।

প্রথম দফা নির্বাচনে ২৪% শতাংশ ভোট পাওয়া আহমেদ শফিক দ্বিতীয় দফায় কিভাবে ৪৮% ভোট পেলেন?উনিও কি ভোট চুরি করেছিলেন?

২২| ২১ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৩০

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: গোয়েবলসকে হার মানানো পোস্ট। অবশ্য ল্যাংটার নাই বাটপাড়ের ভয়।

২২ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:২২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
বাংলাদেশী গোলাম আজম থুয়ে বিদেশী গোলাম আজম সমর্থন করতে লজ্জা করে না?

মুরসির দল ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল সন্ত্রাসি কার্যক্রম ও খুনখারাপির জন্য। নির্বাচনের জন্য জামাতের মত ভিন্ন নামে ( ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস পার্টি নামে) নির্বাচনে দাঁড়ায়।
এরে আগেই নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষনা করা উচিত ছিল।
এই দলের হাতে বহু নিরিহ কপ্টিক খ্রীষ্টান ভিন্নমতাম্বলবি মুসলিম, শিশুপার্কের শিশুরা, বাস ভর্তি জাপানী টুরিষ্ট মারা গেছিল। বিমান সহ যাত্রীও মারা গেছে বহু। এদের কাজই খুনখারাপি।
এরা এখনো সন্ত্রাসি কান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
এটি ধর্মীয় নামে এক আন্তর্জাতিক মাফিয়া সংগঠন।
এরা নারী শিক্ষা বিরোধী
সালাফি-ওহাবি, কোরানের আয়াত পরিবর্তিত করে বা কিছু আয়াত বাদ দিয়ে পড়ে। ভিন্ন স্টাইলে নামাজ পড়ে। এদের কে মুসলিম বলা যায় না। একটি ফ্যাসিষ্ট ডাকাত সংগঠন।

একটা নিকৃষ্ঠ লোককে অন্ধ বেহায়ার মত সমর্থন কোন কারনে?

২৩| ২২ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:২৬

মা.হাসান বলেছেন: আমার মন্তব্যর কোন জায়গায় জামাত বা সমমনা গোত্রকে সমর্থন করেছি তা দেখানোর অনুরোধ করলাম । কাউকে পছন্দ না করলে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা কুৎসা রটাতে হবে এমন চেতনা বক্ষে ধারণ করি না।

২২ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:২৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আপনি ভুল বুঝেছেন ভাই।
২২ নং কমেন্টের জবাব আপনার জন্য না, মামুন অর রশীদ সাহেবকে।
আপনাকে খারাপ জানলে আপনার কমেন্টের জবাব দিতাম না।
সত্যিকথা বলতে আপনার প্রতিটি কমেন্ট আমি ব্যাপক এঞ্জয় করি।

যেমন করি বিচার মানি, স্বামী বিস্বুদ্ধানন্দ, মফিজ, ঠাকুর, নতুন, ল, বিদ্রহীভৃগু ভাই এবং খুবই ধার্মিক নকিব ভাই। এরা সবাই ভীষন কট্টর ভাবে আমার সাথে ভিন্ন মত পোষন করে, এরপরও আমি বলতে গেলে ওনাদের ফ্যান।
ভাল থাকবেন।

২৪| ২২ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:০৭

মা.হাসান বলেছেন: আপনার পোষ্টের অন্তত দুই জায়গায় আপনি মিথ্যাচার করেছেন আগেই উল্লেখ করেছি।

১) মুরসি ২৫ পার্সেন্ট ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন নি, ২৫ পার্সেন্ট ভোট পাওয়ার পর দ্বিতীয় পর্বের নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত হন। দ্বিতীয় পর্বে ৫১ পারসেন্ট এর৷কিছু বেশি ভোট পেয়ে দেশের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
২)মিশরের নির্বাচনে ভোট কেনা-বেচার তথ্য মিথ্যা। অনিয়মের অভিযোগ সত্য । প্রথম দফার নির্বাচনের পর তৃতীয় স্থান অধিকারী প্রার্থী অভিযোগ করেছিলেন মিশরীয় সেনাবাহিনী নয় লক্ষ জাল আইডি কার্ড সৈন্যদের মধ্যে বিতরণ করেছিলেন যেন তারা আহমেদ সফিককে ভোট দেয়। এই অভিযোগ আহমেদ শফিকের বিরুদ্ধে ছিল, মুরসির বিরুদ্ধে না । লিংক এখানে দেখুন
(Click This Link)
ভোট কেনাবেচা হয়েছিল এমন একটি লিংক এখানে পাবলিশ করুন, আমি আমার বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইবো। তবে প্রমাণ পেশ করতে না পারলে আপনি দুঃখ প্রকাশ করবেন এমন আচরণ কোন চেতনাবাদীর কাছে প্রত্যাশা করি না।

গোয়েবলসীয় মিথ্যার সংজ্ঞায় বলা হয়ঃ
...one should lie big, and stick to it. They keep up their lies, even at the risk of looking ridiculous.
... people will believe a big lie sooner than a little one; and if you repeat it frequently enough people will sooner or later believe it.

২৫| ২২ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:১৭

মা.হাসান বলেছেন: ২১ এবং ২২ নম্বর মন্তব্য পরপর থাকায় এবং আপনি ২২ নম্বর মন্তব্যেরজবাব দেয়ার পর মোবাইল স্ক্রিনে পোস্ট টি দেখার সময় ভুলবশত আমার মনে হয়েছিল জবাবটি ২১নম্বর মন্তব্যর জবাব, যার কারনে আরো দুটি প্রতি মন্তব্য করি। বিষয়টি আমার ভুল, এর জন্য দুঃখিত।

আপনার পোস্ট থেকে অনুভব করি আপনি মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের লোক, দেশকে ভালবাসেন। কাজেই যত ভিন্ন মত থাকুক না কেন বা যত তীর্যক মন্তব্যই করি না কেন, আপনার প্রতি অবশ্যই শ্রদ্ধা ও পোষণ করি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.