নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চলছে চলবে

হাসান কালবৈশাখী

আমি দুর্বার, আমি ভেঙ্গে করি সব চুরমার। আমি কালবৈশাখীর ঝড়! আমার ফেসবুকইডি www.facebook.com/norwstorm

হাসান কালবৈশাখী › বিস্তারিত পোস্টঃ

চন্দ্রযান-২, একটি ব্যর্থতা আগামী সফলতার আলোকবর্তিকা

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৭




খুশিতে লাফানোর কিছু নেই। ভারত এর আগে চন্দ্রযান-১ মিশন পরিচালনায় সফল হয়েছিল। সফলভাবে অবতরন করেছিল।
২০০৮ সালের ১৪ নভেম্বর ২০:০৬ মিনিটে চন্দ্রযান-১ মুন ইমপ্যাক্ট প্রোবটি চাঁদের কক্ষপথে ভ্রাম্যমান চন্দ্রযান থেকে পৃথক হয়ে যায় এবং চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল ও সুনিয়ন্ত্রিত পন্থায় অবতরণ করেছিল।

এবারেরটা ছিল চন্দ্রযান মিশন-২।
চন্দ্রযান-২ এর ল্যান্ডিং এরিয়া ছিল চাঁদের অন্ধকার দুর্গম দক্ষিণ অংশে, যেখানে পৃথিবীর অন্যকোন দেশ কোনো মিশন পরিচালনা করেনি। ভারতই প্রথম দেশ, যারা চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি মিশন পরিচালনা করেছে। ল্যান্ডিং চেষ্টা করেছে।

মনে রাখতে হবে বিজ্ঞান এমন একটা জিনিস, যেখানে একটি ব্যর্থতা সফলতার আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করে।
একটি বিশাল প্রকল্পে ব্যার্থতা থাকবেই। মার্কিন চন্দ্রাভিজান বিসমিল্লাতেই ব্যার্থ হয়েছিল। এপোলো ১ রকেট উৎক্ষেপনের আগের মুহুর্তে আগুন ধরে গেছিল ককপিটেই ৩ নভোচারি নিহত হয়েছিলেন। আরো ৪ টি মিশন যান্ত্রিক কারনে ব্যার্থ হয়েছিল। এর পরও হতদ্যম হয় নি। ১১ তম এপোলো চাদে মানুষ নামায়। এরপরও আরো চার টি মিশন ব্যাটারি চালিত গাড়ী সহ নেমেছিল।

চন্দ্রযান-২-এর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (নাসা) ভারতীয় মিশনকে সহমর্মিতা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে,
বলেছে চাদে অবতরন এই সহজ ব্যাপার না। গত ৬০ বছরে চাঁদে চালানো বিভিন্ন দেশের অভিযানগুলোর মধ্যে ৪০ শতাংশই ব্যর্থ হয়েছিল। নাসার ‘মুন ফ্যাক্ট শিট’-এর তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, গত ৬০ বছরে চালানো ১০৯টি অভিযানের মধ্যে মাত্র ৬১টি সফল হয়।

ভারতীয় এই বার মিশনটি ব্যর্থ হয়েছে ঠিকই কিন্তু এই ব্যর্থতাকে কাজে লাগিয়ে ১ বছর, ২ বছর বা ৫ বছর পরই ঠিকই তারা সফল হবে। মানুষও নামবে। বিজয়ের উৎসব করবে। সুভকামনা ভারত।

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:১০

দৃষ্টিসীমানা বলেছেন: হু , থেমে গেলে চলবে না ।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১:২৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
থেমে গেলে চলবে না
হ্যা সেটাই।
আদিম যুগ থেকেই মানুষ গুহা থেকে বের হয়ে পাথরাস্ত্র দিয়ে হাতিয়ার তৈরি করে ধিরে ধিরে যান্ত্রিক হওয়ার চেষ্টা করেছে। সকলে মিলে সমাজ গঠন করে যান্ত্রিক অভিজ্ঞতা বিনিময় করেছে। কথিত ধার্মিকরা বার বার সভ্যতা ও যান্ত্রিকতাকে বাধা দিয়েছে। সক্রেটিস গ্যালিলিওদের মৃত্যুদন্ড দিয়েছে।
কিন্তু অসুভ শক্তির চেয়ে সুভ শক্তি সংখায় অনেক বেশী ছিল। তাই সভ্যতা বার বার বাধা পরলেও এগিয়ে গেছে।

২| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:১০

রাজীব নুর বলেছেন:

যা বলার আপনিই বলে দিয়েছেন।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৩০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ধন্যবাদ

৩| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:২৭

একজন খাঁটি দেশি বলেছেন:
অতি ভারতপ্রেমিক ও অতি পাকিস্থানপ্রেমিকদের পশ্চাদদেশে গদাম দিয়ে দেশ থাইক্যা বিদায় করান হোক।
আফনে কোনডা? প্রথমডা নয় তো আবার? X(

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ২:০৬

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
এখানে ভারত প্রেমী বা পাকিস্তান প্রেমীর কাহিনী বর্নিত হচ্ছে না।
আগে মানুষ হওয়ার চেষ্টা করুন।

ভারতপ্রেমিক ও পাকিস্থানপ্রেমিক

ভারতের সাথে পাকিস্তানের তুলনা হয় কিভাবে?
ভারতে অনেকে চিকিৎসা বা ভ্রমন করতে যায় বা দূরে সিংগাপুর থাইল্যান্ডেও যায়। এই কোরবানি ঈদে ৬ লাখ টুরিষ্ট বিদেশে ছুটি কাটিয়েছে।
পাকিস্তানে কে যায়?
পাকিস্তান বা পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের কবে কোন উপকারে লেগেছিল শুনি?

৪| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫২

হিমাংসু বিপ্লব বলেছেন: এখানে ভারত প্রেমী বা পাকিস্তান প্রেমীর কিছুই নেই #একজন_খাঁটি_দেশি । বিজ্ঞান বিজ্ঞানের মত এগিয়ে যাবে আর তাতে আমাদের বাহবা দেওয়া ছাড়া আর যা করার আছে তা হল তার পিছু ছুটে চলা। দাঙ্গা বিদ্বেষ মনোভাব নিয়ে তা আমরা প্রায়শই ভুলে যাই। আর দেশপ্রেমী কখনোই আরেক জনকে দেশদ্রোহী বলতে পারে না।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৩৬

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ধন্যবাদ হিমাংসু দা। ভাল বলেছেন।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আজ প্রথমআলোতে এক পাকি লেখক মহাকাশ বিজ্ঞান অভিযান কে জুয়াখেলা বলছেন।
লেখক জানে না যে ভারত চাঁদে সফল অভিযানকারী ‘চতুর্থ দেশ’
ভারত এর আগে ২০০৮ এ চন্দ্রযান-১ মিশন পরিচালনায় সফল হয়েছিল।
সফলভাবে অবতরন করেছিল।
সভ্যতার শুরু থেকে বিভিন্ন দেশ বিজ্ঞান গবেষনায় তহবিলের একটি অংশ বরাদ্দ রাখতো, ভারতের মহাকাশ অভিযান চন্দ্রাভিজান তারই অংশ। এটি জুয়া খেলা নয়।
পাকিস্তানি লেখকের বিজ্ঞান অভিযান নিয়ে গাত্রদাহ কেন বুঝলাম না।
উচ্চতর বৈজ্ঞানিক অভিযাত্রা বা গবেষণার সাথে দারিদ্রকে মিশানো উচিত নয়। আমেরিকায়ও প্রায় ১৮ শতাংশ মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে বাস করে। কিন্তু তাদের হার্ভার্ট, এমআইটি, আইআইটি, মাইত্রোসফট, গুগল, নাসা প্রভৃতি আছে। একটি জাতির উন্নতির জন্য এগুলো অত্যন্ত দরকার। ভারত যে দুটো চন্দ্রাভিযানে ১৪০০ কোটি রুপি ব্যয় করেছে, তা দিয়ে সেখানে তেমন কোনো দারিদ্র বিমোচন হতো না। বাংলাদেশেও এমন ১৪০০ কোটি হরহামেশা খরচ হচ্ছে।

একটি জাতি শুধু দারিদ্র বিমোচনে সব শক্তি ব্যায় ক্রে নাকি? মহাকাশ বিজ্ঞান চিকিৎসা বিজ্ঞান, উচ্চ প্রযুক্তি গবেষণায়ও উপযুক্ত বাজেট ও মনযোগ দিবে, এটাই প্রত্যাশিত। তাতে শুধু জাতীয়তাবাদী গর্ব হয় তা নয়, ভবিষ্যতে বিপুল প্রডাক্টিভিটি বৃদ্ধির সম্ভাবনাও থাকে। যে অর্থ দিয়ে তখন দারিদ্র বিমোচন আরও সহজ হতে পারে।

মনে রাখতে হবে বিজ্ঞান এমন একটা জিনিস, যেখানে একটি ব্যর্থতা সফলতার আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করে।
একটি বিশাল প্রকল্পে ব্যার্থতা থাকবেই। মার্কিন চন্দ্রাভিজান বিসমিল্লাতেই ব্যার্থ হয়েছিল। এপোলো ১ রকেট উৎক্ষেপনের আগের মুহুর্তে আগুন ধরে গেছিল ককপিটেই ৩ নভোচারি নিহত হয়েছিলেন। আরো ৪ টি মিশন যান্ত্রিক কারনে ব্যার্থ হয়েছিল। এর পরও হতদ্যম হয় নি। ১১ তম এপোলো চাদে মানুষ নামায়।
এর পর আরো ৫ টি এপোলো মিশনে চাঁদে ব্যাটারি চালিত গাড়ী সহ অবতরন করে। ব্যাটারি চালিত গাড়ী চালিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে মাটি পাথর নমুনা পৃথিবীতে নিয়ে আসা হয়।

৫| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০০

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: বিশ্বের সবচেয়ে বেশী সিইও উৎপাদনকারী দেশ শিক্ষায় ও প্রযুক্তিতে আজ হোক, কাল হোক এগিয়ে যাবেই...

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ২:২৬

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ধন্যবাদ।

বিশ্বের সবচেয়ে বেশী সিইও উৎপাদনকারী দেশ। শিক্ষায় ও প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে।

তবে বড় বিজ্ঞান গবেষনা ও মিশনে তহবিল একটা বড় সমস্যা
২০০৮ বিশ্বমন্দার পর অন্যান্ন সংস্থার মত নাসাও তহবিল সংকটে পরে, ধারাবাহিক শাটল প্রগ্রামও বন্ধ করে দিতে হয়।
আসলে সমগ্র পৃথিবীর ফান্ড নিয়ে মানবজাতীর জন্য সব দেশ মিলে বড় মহাকাশ সাইন্স ফান্ড তৈরি করা দরকার।

৬| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২০

নতুন বলেছেন: যারা এই ঘটনাতে খুশি হয়েছে তাদের প্রতি করুনা হয়।

বিজ্ঞানের অজ`নে সবার প্রসংসা করা উচিত।

শুধুই হতাশাবাদী লুজাররাই এই ঘটনায় আনন্দিত হবে...

আগামী বার সফল হবে...

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৩০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ধন্যাবাদ নতুন ভাই।
ছাগু উল্লাস মাত্রা ছাড়ায় গেছিল। তাই পোষ্টটা দিলাম।

৭| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০৬

ইসিয়াক বলেছেন: ভালো লেগেছে।
ধন্যবাদ

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৩৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ধন্যবাদ ইসিয়াক ভাই

৮| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৩৪

বলেছেন: পরাজয়ে ডরেন না বীর।।।।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:২৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
পরাজয়ে ডরেন না বীর!
সভ্যতা ও বিজ্ঞান বার বার অসুভ শক্তি দ্বারা বাধাগ্রস্থ হয়েছিল। কিন্তু কখনো থেমে থাকেনি।

৯| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৪২

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ


আমাদের বঙ্গবন্ধু স্ট্যাটালাইট দেশের কি কি উপকার করলো???

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৫২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আমাদের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট দিয়ে চাঁদের দেশে যাওয়া যায় না ভাই্য়া।

এই স্যাটেলাইটটি একটা সাধারন মামুলি জিওষ্টেশনারি টিভি ব্রডকাষ্টিং স্যাটেলাইট।
সাথে টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট।
এটি মোটেও নাসার ওয়েদার স্যাটেলাইটের মত নয়।

তবে টিভি ব্রডকাষ্টিং ছাড়াও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট বেশ কিছু গুরুত্বপুর্ন কাজ করবে।
বেশকিছু জেলা উপজেলা ফাইবার অপটিক কেবল কানেক্সান থাকলেও বাংলাদেশের ৬৪টি জেলা ও ৪৯২টি উপজেলা, পাহাড়ি জেলাগুলো + হাতিয়া সন্দিপ চরজব্বর, চরমনাই, চর কুকরিমুকরি, দুবলার চর ইত্যাদি মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে।
তবে টিএন্ডটি (বর্তমানে BTCL) টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট যোগাযোগ হতো উচু মাইক্রোওয়েভ টাওয়ারের মাধ্যমে। যা খুবই নাজুক। সামান্য বাতাসে নড়ে বার বার ডিস্কানেক্ট হতো।
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট আসাতে এখন বাংলাদেশের কোন দুর্গম স্থান, এমনকি সুন্দরবনের মাঝেও টেলিযোগাযোগ ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারন্টের বাইরে থাকবে না। উচু মাইক্রোওয়েভ টাওয়ারও থাকবে ব্যাকআপ হিসেবে। বেসরকারি ২জি ৩ জি ৪জি যতদুর পর্যন্ত যায় তা তো আছেই।

শুরুতে ৮ টি চ্যানেল চালু হলেও বর্তমানে সরকারি বেসরকারি ৩৮ টি টিভি চ্যানেল ধিরে ধিরে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ১১ মে ২০১৯ থেকে সমপ্রচার কার্যক্রম শুরু করেছে। অক্টোবর থেকে সবগুলো চ্যানেল চলবে। টিভি চ্যানেলগুলো আগে যে দামে ব্যান্ডউইথ কিনত এখন সেই দামই বাংলাদেশী টাকায় দেবে। ৩ মাস ফ্রীতে দিচ্ছে। কারন অবকাঠামো খরচ (ছাদের ডিশ এন্টেনার নাটবল্টু ঘুড়িয়ে বঙ্গবন্ধু-১ মুখি করা)

এতে রাষ্ট্রের দুভাবে লাভ হবে। একদিকে ট্রান্সপন্ডার ভাড়া পাচ্ছে, অপরদিকে রাষ্ট্রের দরিদ্র আদমদের রেমিট্যান্সের কষ্টার্জিত ডলার যা টিভিচ্যানেল গুলো বিদেশি স্যাটেলাইট কম্পানিকে ভাড়া হিসেবে দিয়ে দিত। মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার যেটা প্রতি বছর দেশের বাইরে চলে যেত। সেটা দেশেই থাকলো। দেশের বিশাল সাশ্রয়।

এছাড়া সরকারি বেসরকারি ও বিদেশী ব্যাংকের সবগুলো অনলাইন ব্যাঙ্কিং সার্ভার বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের 'ন্যাশানাল পেমেন্ট গেটওয়ে' কানেক্টেড। সকল ব্যাঙ্কিং যোগাযোগ, এটিএম বুথ আর অনলাইনে অর্থ লেনদেন বাধ্যতামুলক ভাবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর আওতায় আনা হয়েছে। মুলত নিরাপত্তা বাড়াতেই। ব্যাকআপ হিসেবে আগের কেবল সংযোগও থাকবে।


সবচে বড় উপকারিতা হচ্ছে অপ্রত্যাশিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সন্ত্রাসি নাসকতা বা যে কোন কারনে টেলি যোগাযোগ মহাবিপর্যয় ঘটলে আক্রান্ত এলাকা থেকে নিরবিচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সংযোগ চালু রাখতে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের সাহায্যে নিতে পারে জরুরি পরিস্থিতিতে,
ঝড় তুফানে টিএন্ডটির মাক্রোওয়েভ লিঙ্ক টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্থ ও মোবাইল বিটিএস বিকল হলে
দেশে নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবা নিশ্চিত করতে হাজার কিলোমিটার দূর থেকেও স্যাটেলাইটটি ফোন ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। টিএন্ডটি/বিটিসিএল অফিসের মাধ্যমে জেলা প্রশাসন পিকআপ/জিপে বসানো ছোট ডিস এন্ট্যানার মাধ্যমে উচু মানের ভিডিও সহ ঢাকার সাথে যোগাযোগ রাখতে পারবে। মাঠপর্যায়ের ঝড় তুফানের প্রকৃত ভয়াবহতা জানিয়ে প্রয়োজনিয় লজিষ্টিক সাপোর্ট প্রাপনীয় করতে পারে।
সাংবাদিকগনও মোবাইল ইন্টারনেট নির্ভর না হয়ে জিপে বসানো ছোট ডিস এন্ট্যানার মাধ্যমে উচু মানের ভিডিও সহ সংবাদ পাঠাতে পারবে।

২০০৭ এ সাইক্লোন সিডরের সময় দেশের দক্ষিনাঞ্চলের সাথে সকল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছিল। প্রায় ৭ দিন । মড়ার উপর ঝারার ঘা, বিদ্যুত ব্যাবস্থাো ভেঙ্গে পড়েছিল। সব কেন্দ্রিয় সার্কিট ব্রেকার ট্রিপ্ট হয়ে সমগ্র বাংলাদেশ অন্ধকার, ন্যাশানাল গ্রীড বিপর্যয়।
তখন বাংলাদেশ জরুরি ভাবে ভারতীয় স্যাটেলাইটের সহায়তা চেয়েছিল। কিন্তু ভারত দেয় নি। তখন বাংলাদেশ নিরুপায় হয়ে উচ্চমুল্যে ইন্দোনেশীয়ান পালাপা বি-টু স্যাটেলাইটের একটি ট্রান্সপন্ডার ভাড়া করে যোগাযোগ রক্ষা করেছিল টিএন্ডটি ও জেলা প্রশাসন।

ধন্যবাদ।

১০| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: ভারত নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের বিজ্ঞানী বানায়, তারপর তারা নিজেদের টাকায় চাদে নভোযান পাঠায়, তারা প্রথমবার সফল হয় না, কিন্তু এটা নিশ্চিত তারা ২য় বার কিংবা ৩য় বার কিংবা ১০০ তম বারে সফল হবে।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৫৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
নাসা জানিয়েছে যে কোন মহাকাশ অভিযান একটি ব্যায়বহুল জটিল প্রকৃয়া। সব মিশন সফল হয় না।
গত ৬০ বছরে বিভিন্ন দেশের ১০৯ টি চন্দ্র মিশনে মাত্র ৬১টি সফল হয়েছিল।

কোন বড় অর্জনই এত সহযে সফল হয়না, আকাশে উড়তে গিয়ে অনেকেই মারা গেছিলেন, এরপর রাইট ব্রাদার্সরা অনেক ব্যর্থতার পর বিমান উড়াতে পেরেছিলেন। বহু ব্যর্থতা থেকে শিখে শিখে জেমসওয়াট, টমাস আলভা এডিসন বিশ্ব জয় করতে পেরেছেন। মার্কিন নাসা বা রাশিয়ান স্পেস এজেন্সি রসকোসমোসও প্রচুর ব্যর্থতার পর সফল মিশন করতে পেরেছিল। ভারতের এই ব্যর্থতা তারই ধারাবাহিকতা। পরবর্তী সফলতা এই ব্যর্থতার হাত ধরেই আসবে।

পাকিস্তানিদের এমন কোন অর্জন নেই বলেই ভারতকে হিংসা করেই দিন পার করবে 'বাংপাকি' 'পারজরা'। হিংসাই তাদের সম্বল।

১১| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: স্ট্যালাইট নিয়ে বিশাল মন্তব্য করেছেন। একটা পোষ্ট হয়ে গেছে।
অনেক ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.