নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চলছে চলবে

হাসান কালবৈশাখী

আমি দুর্বার, আমি ভেঙ্গে করি সব চুরমার। আমি কালবৈশাখীর ঝড়! আমার ফেসবুকইডি www.facebook.com/norwstorm

হাসান কালবৈশাখী › বিস্তারিত পোস্টঃ

আবরাব একজন শিক্ষিত বুয়েটিয়ান হয়েও কিউবিক ফুট/সেকেন্ড মাপ না বুঝে ফেক নিউজে গা ভাসাইছিল।

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:৫১


ফেনী নদি। বাংলাদেশ অংশ থেকে তোলা।

একজন শিক্ষিত মেধাবী বুয়েটিয়ান হয়েও কোন স্টাডি নেই, বাঁশের কেল্লা টাইপ পেইজ থেকে জ্ঞান আরোহন।
আবরাব একজন শিক্ষিত বুয়েটিয়ান হয়েও কিউবিক ফুট/সেকেন্ড মাপ না বুঝে ফেক নিউজে গা ভাসাইছিল।

আবরার হত্যাকান্ডের দায় ছাত্রলীগের হলেও প্রথম আলো, বিবিসি বাংলা দের ফেক নিউজ কম দায়ী নয়।
সব জানার পরও ইচ্ছাকৃত ভাবে পাঠক টানার জন্য ফেক নিউজ তথা গুজব তৈরি করে।

ফেক নিউজ ১
বিবিসি হাসিনার ছবি দিয়ে লিখেছে - গ্যাস রফতানির সিদ্ধান্ত, বাংলাদেশ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস যাবে ভারতে।(পরে তীব্র আপত্তির পর শিরনাম চেইঞ্জ করেছে)

ফেক নিউজ ২
টিভি মিডিয়া প্রথম আলো সহ পত্রিকাগুলো লিখেছে - ফেনি নদীর পানি প্রত্যাহার চুক্তি, ফেনি নদির পানি ভারতের সাবরুমে যাবে।

বাস্তবতা হচ্ছে বাংলাদেশ থেকে কোন প্রাকৃতিক গ্যাস ভারতে যাচ্ছে না। যাচ্ছে এলপি গ্যাস (লিকুইড প্রপেন গ্যাস)। সিলিন্ডারে।
প্রথম আলো কমেন্ট বক্সে বা ফেবুতে অনেকে প্রশ্ন করছে ভারত নিজে আমদানি করে না কেন? ভারতের গোলাম হাসিনা বেশীদামে গ্যাস কিনে কমদামে দিচ্ছে ভারতকে!

প্রকৃত পক্ষে বাংলাদেশ সরকার কোন গ্যাস পাঠাচ্ছে না।
বাংলাদেশে ইতিমধ্যে প্রাইভেট সেক্টরে এর ভেতর অনেক বড় বড় গ্যাস অবকাঠামো গড়ে উঠেছে।
গ্যাস সিলিন্ডারে পাঠাবে/বিক্রি করবে বাংলাদেশের বেসরকারি দুটি এলপি গ্যাস ইমপোর্টার, প্রসেসর, ডিষ্ট্রিবিউটার (ওমেরা বেক্সিমকো ইত্যাদি) এরা ইম্পোর্টেড এলপিজি বোতলজাত বা সিলিন্ডারে ভরে রফতানি করতে পারবে।
করতেই হবে এমন না। করবে কর্পোরেট ব্যাবসায়ীরা। ব্যাবসায়ীরা লাভ হলে বেচবে। না হলে নাই।
আফটার অল বাংলাদেশের লাভ। ডলারে লেনদেন হবে, কর্মসংস্থান হবে, সবটাই বাংলাদেশের লাভ।
ভারতেরও লাভ, ভারত এই সিলিন্ডার শিলিগুড়ি মেঘালয় আসাম হয়ে দুর্গম পাহিড়ি রাস্তায় ৬ দিন লাগে ত্রিপুরায় সিলিন্ডার পাঠাতে। বাংলাদেশের কম্পানী একদিনেই কম খরচে পারবে। মুল ব্যাপারটা এটাই।




আর ফেনি নদির পানির ব্যাপারটা কোন মিডিয়াই কেউই সঠিক ভাবে তুলে ধরতে পারেনি। হাসিনাও সঠিক ব্যাখ্যা বুঝিয়ে বলতে পারে নি। আর হাসিনার মুখপত্র হাসান মাহামুদ একটা বেয়াদব। কথা যানে না, বডি ল্যাংগুয়েজটাই বেয়াদব। খালি বলে ফেনি নদীতে ভারতের পুর্ন অধিকার আছে, বলার পর পাবলিকের গালি খেয়েছে।



বাস্তব জিনিষটা হচ্ছে ফেনী নদি উজান অংশটা সমগ্র নদীটাই বর্ডার, নাফ নদির মত নদী মাঝে সীমান্ত রেখা। নদীর এপারে বাংলাদেশ ওপারে ভারত। কাঁটা তার নেই। উভয় দেশের কৃষকরা নদীর পানি ব্যাবহার করছে।
এটা সত্য যে নদীর পানি উভয় দেশের সমান অধিকার। আকাবাকা নদী সবটাই এপাড়ে বাংলাদেশ ওপারে ভারত।
বাংলাদেশে রামগড় শহর আগে থেকেই নদীর পানি ব্যাবহার করছে। কৃষক পাইপ লাগিয়ে সেচ দিচ্ছে। ভারতীয় কৃষকও পাইপ লাগিয়ে সেচ দিচ্ছে। উভয় পাড়ে বিজিবি বিএসএফ চৌকি আছে, সবাই বেশী সতর্ক, কারন কাঁটাতার নেই।
৮ হাজার অধিবাসি নিয়ে 'সাবরুম বাজার' পোরসভা ইচ্ছা করলে বিনা অনুমতিতেই নদীতে পানির পাইপ লাগাতে পারতো। ভদ্রতার খাতিরে অনুমতি নিয়ে করেছে। যেহেতু সরু একটি যৌথ নদী, নোম্যানস ল্যান্ডের কাছে সরকারি ভাবে পাইপ লাগাতে গেলে ভিয়েনা কনভেনশন লংঘন হয়। বিজিবি গুলি করতে পারে।
সাবরুম- রামগড় এলাকার ম্যাপটা একবার দেখলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।


ম্যাপ। ফেনি নদির এপাড়ে সাবরূম ওপারে রামগড়


তিস্তা আর ফেনী নদীর বিষয়টি এক পাল্লায় মাপাটাও মিথ্যা প্রচারনার অংশ।
তিস্তার বিষয়টি জটিল, একটি জলবিদ্যুত কেন্দ্রও আছে। আছে ইরিগেশন বাধ প্রকল্প। যে কারনে এটি অনেক জটিল। তবে এরপরও ভারতের সবগুলো কেন্দ্রিয় সরকার সবসময়ই এটি স্বাক্ষর করতে রাজি ছিল এবং আছে। তিস্তা নিয়ে Water Sharing Agreement বা পানি বন্টন চুক্তির ড্রাফট প্রস্তুত হয়ে স্বাক্ষরের অপেক্ষায় আছে ২০১১ সাল থেকেই। শেখ হাসিনার নিজস্য উদ্যোগেই এটি হয়েছিল। এখন শুধু সই করার অপেক্ষায়।

কিন্তু বাগরা বাধিয়েছে মমতা ব্যানার্জি।
উনি ভারতী অংশের সহ জামাত-শিবিরের প্রধান পৃষ্টপোষক। জেএমবি, আনসারুলদের মত জঙ্গিদের প্রমানীত আশ্রয় দাতা। অবস্যই টাকার বান্ডিল ও ভোটের মাধ্যমে। উনি ক্ষমতায় থাকতে তিস্তা চুক্তি হবে না, লিখে রাখতে পারেন।
ভারতের সংবিধান অনুযায়ী কেন্দ্রিয় সরকার পানি বন্টন প্রশ্নে রাজ্য সরকারের অনুমতি/সমঝোতা ছাড়া কোন আন্তর্জাতিক চুক্তি করতে পারে না। করলেও বাস্তবায়ন হবে না সমস্যা সেখানেই।

৪৭ সালে বৃটিষ আমল শেষে পুর্ববাংলা কোলকাতা বন্দর ব্যাবহার নিয়েও ফেক নিউজ চলছে।
৪৭ থেকে ৬৫ যুদ্ধের আগ পর্যন্ত পুর্ব বাংলার মানুষ অবাধে ভারতে যেতে পারতো, বন্দর, রেলওয়ে ব্যাবহার করতে পারতো ভেতর দিয়ে পশ্চিম পাকিস্তান পর্যন্ত যেতে পারতো। ড ইউনুসের জীবনবৃতান্তে দেখা যায় উনি নারায়নগঞ্জ থেকে রেলওয়ের স্টিমারে গোয়ালন্দ, এরপর ট্রেনে উঠে করাচি গেছিলেন অবাধে, এলাহাবাদ বাদে ট্রেন বদলও করতে হয় নি।

বার বার বলা হচ্ছে নতজানু নতজানু !!! বাস্তবতা কি?

আওয়ামীলীগ স্বাধীনতা যুদ্ধ নেতৃত্বদান কারি বিজয়ী দল। আওয়ামীলীগের বাইরে সামরিক তত্বাবধায়ক, আধাসামরিক মিলে বহু বছর ক্ষমতায় ছিল, গত ৪৮ বছরের আওয়ামীলিগের বাইরের শক্তি ২৯ বছর বাংলাদেশে রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল।
ভারত বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্কের তূলনামুলক আলোচনা করলে লাভ লস, বার্গেইন, সীমান্ত হত্যা কমিয়ে আনা, পানি চুক্তি, বিদ্যুৎ আমদানি, বাণিজ্য বৃদ্ধি, বাণিজ্য ভারসাম্য কমিয়ে আনা, ছিটমহল উদ্ধার, সমুদ্রসীমা উদ্ধার, এই সকল বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ভাবে, তথ্য প্রমাণ নিয়ে আলোচনা করলে এই আওয়ামী বিরোধী বিএনপি-জামাত জোটের অবস্থান, অর্জন, যোগ্যতা কি?

সীমান্ত হত্যা .. ফালানী ?
পরিসংখ্যান বলছে বিএনপি/জামাতের সময়ে সীমান্তহত্যা শুধু ডাবল না টৃপল ছিল! বর্তমানে কমতে কমতে কমবেশী ১৬-১৭ জনে নেমে আসছে।

জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া বার বার ভারত সফর করে কি অর্জন করতে পেরেছে?
চিপা দিয়ে পাকিস্তান অপশক্তির টাকা খেয়ে উলফাকে আশ্রয়, জাহাজ বোঝাই অস্ত্রসরবরাহ, কন্টেনার বোঝাই জাল টাকা, পাকি মদদে পুরোটা মেয়াদ ভারতের সাথে গুতোগুতি করে কাটিয়েছে। জামাতকে ব্যাঙ্ক, বিমা, ডেভেলপার, হাউজিং ব্যাবসা দিয়ে দানবে পরিনত করেছে

অন্যদিকে, আওয়ামীলিগ নাকি দেশ বিক্রি করে দিচ্ছে! ৭১ এর সময়ে বাংলাদেশের প্রপাগান্ডা ছিল চরম ভারত বিরোধী! সেটি আজও বহাল আছে! বঙ্গবন্ধু মাত্র ৩ মাসের মধ্যের ভারতীয় সেনার প্রত্যাবর্তন করাতে সক্ষম হয়েছিল! এমন ঘটনা বিশ্বের অন্য কোথায় নজিরবিহীন। বঙ্গবন্ধুর ভারত মৈত্রী চুক্তিকে ছাগুরা বলত, গোলামী চুক্তি! অথচ, সেই ২৫ বছরের চুক্তিতে কোন বিপদ হয় নি। কেউ বাতিল করেনি! এর ৯৬ সালের পরে পার্বত্য শান্তি চুক্তি, গঙ্গা পানি চুক্তি, ছিটমহল উ দ্ধার, সমুদ্রসীমা নিষ্পত্তি, বিদ্যুৎ আমদানি, ৩ পয়েন্টে স্থল ফাইবার অপটিক কানেকশান, (বর্তমানে সাবমেরিন লাইন কাটা পড়লেও সমস্যা হয় না)। সরাসরি রেলওয়ে কানেকশান।

এসব কোন সরকারের আমলে হয়েছে?
ভারতের সাথে ভাল সম্পর্ক রাখলে আমাদের সমস্যাটা কি?
বিএনপি-জামাত সরকার পাকিস্তানের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে আমাদের কি লাভ হয়েছে? দেশের কোন অর্জনটা হয়েছে শুনি?

ভারতের সাথে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বোঝাপড়া শেখ হাসিনার সেরা অর্জন।
এখন সেই রাজনৈতিক অবস্থানকে অর্থনৈতিক দিক থেকে আরো লাভজনক করতে হলে বাংলাদেশের বার্গেইনিং ক্যাপাসিটি বাড়ানোর বিকল্প নেই!
ছোট দেশ হওয়াতে বাংলাদেশ এখনো কিছুটা ডাউন হিলে আছে, ভারত অনেক শক্ত অবকাঠামো এখানেই অসমতা তৈরী হচ্ছে!
শক্ত অবকাঠামো দক্ষ শিক্ষিত পেশাদারি সেটআপ যতদিন না তৈরি হচ্ছে ততদিন হয়তো অপেক্ষা লাগবে! তবে, শেখ হাসিনা থাকাকালীন অবসর প্রাপ্ত নৌবাহিনীর একজন দক্ষ ব্যক্তি ব্যাবহার করে অতি জটিল সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি সফল হয়েছে, কঠিন ছিটমহল সমস্যা নিষ্পত্তির সুফল নগদে পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশের বড় সমস্যা সমস্যা হলো কথিত শুশীল সুজন কুজন ইউনুস সিপিডির কিছু হস্তি ড. ফাজিল নজরুল মতো একদল অর্গানিক ফাজিল আছে যারা ভাতা পেয়েই খুশী। বছরের পর বছর বলে যাচ্ছে ভারতকে সব দিয়ে দিল, খেয়ে ফেললো ইত্যাদি গান গেয়ে। বাংলাদেশের বার্গেনিং ক্যাপাসিটি বাড়ানোর জন্য কি কি পদক্ষেপ নেওয়া দরকার সেসব স্টাডি না করে .. বলে শুধু ছাগু সুরে বলে ভারত সব নিয়ে গেল .. দেশ শেষ হয়ে গেল।
তবে সেই মহলের ড. জাফরুল্লা আমার দেখা অসীম মেধাবী দেশপ্রেমিক। টাকা খেলেও বিবেকটা এখনো সবটা বিক্রি করেনি মনে হয়। হাসিনার উচিত ড. জাফরুল্লাকে ব্যাবহার করা।

আবরাররের খুনিদের মত মেধাবী আমাদের দরকার নেই।
শুশীল সুজন কুজন সিপিডির হস্তি টাইপ মেধাবীও আমাদের কাজে আসবেনা আবরাররের ফিলোসফার শিবির বাঁশের কেল্লা ভিত্তিক মেধাবীও আমাদের দরকার নেই।

আরো কিছু বলার ছিল। পরে যোগ করবো।

মন্তব্য ৪৪ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৩:১০

গেছো দাদা বলেছেন: এপিক পোষ্ট। আন্তরিক ধন্যবাদ।

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:০৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: - ধন্যবাদ দাদা ।

২| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৩:১১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: একটি কাউন্টার পোষ্ট আশা করছিলাম। ধন্যবাদ। আবারো ধন্যবাদ।
আমি এখনো লাঞ্চ করিনি, লাঞ্চ করে মন্তব্য করছি।

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৩৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ধন্যবাদ ঠাকুর মাহমুদ ভাই।
কাউন্টার পোষ্ট? তেমনটা না।
যেভাবে সবাই ফেইক নিউজে সবাই গা ভাসাচ্ছে, কেউ কিছু বলছে না। অনেকে সবকিছু জানার পরও চুপ করে আছে।
আমি সহ্য করতে না পেরে কিছু পোষ্টে কমেন্ট দিচ্ছিলাম।
তখন ঢাবিয়ান বললো এসব কমেন্ট না করে পোষ্ট আকারে দেন।

৩| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৫

প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন বলেছেন: আপনি সম্পূর্ন আওয়ামীপক্ষীয় কথাবার্তা বলেছেন, এটা ঠিক যে, বিএনপির তুলনায় আওয়ামীলিগ কিছুটা বেটার, তবে সেটা কেবলই বিএনপির সাপেক্ষে। বাস্তবতার সাপেক্ষে নয়। স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্বদান কারী এবং বাংঙ্গালী জাতীর পিতার হাতে সৃষ্ট রাজনৈতিক দল হয়েও আওয়ামীলিগ যখন স্বাধীনতা যুদ্ধের পর একজন সামরিক শাসকের হাতে সৃষ্ট দলকে রেফারেন্স ধরে নিজেদের সাফল্যের হিসেব ক্যালকুলেশন করে তখন সেটা আওয়ামীলিগের জন্য সত্যিই দুঃখের বিষয়। বরং আওয়ামীলিগের উচিৎ ছিলো বাস্তবতাকে রেফারেন্সে ধরে তারা কতটা সার্থক এবং কতটা ব্যার্থ সেটার হিসেব করা।
এ্যানিওয়ে, তথ্যগত ভূল আপনারও আছে এলপিজি সম্পূর্ন অর্থ হচ্ছে লিকুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস, প্রপেন নয়। এবং এটা মূলত প্রপেন এবং বুটেন গ্যাসের একটি মিশ্রণ।

১৪ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:০৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
বিএনপির তুলনায় আওয়ামীলিগ বেটার।
এইটুকু মানছেন, এটাই যথেষ্ট।


চট্টগ্রাম ও ঢাকাবাসিরা গ্যাস বলতে বুঝে তিতাস গ্যাস আর সিএন জি। যা মুলত মিথেন গ্যাস।
বিদেশে এই গ্যাস পেট্রলের চেয়েও দামী
ঢাকার বাইরে যেখানে গ্যাস লাইন নেই তারা গ্যাস বলতে বুঝে বোতল গ্যাস, এলপিজি সিলিন্ডার।
এর নাম লিকুইড পেট্রলিয়াম গ্যাস হলেও ভেতরে শুধু প্রপেন। বিউটেন একইধরনের গ্যাস। কিন্তু ইম্পোর্টেড গ্যাস থেকে আগেই অপেক্ষাকৃত দামী বিউটেন আলাদা করে সিগারেট লাইটার, চুলা ধরানোর লাইটার ইত্যাদিতে ব্যাবহার হয়।

শুধু বাংলাদেশে ইস্টার্ন রিফাইনারি পেট্রলিয়াম বাইপ্রডাক্ট হিসেবে প্রপেন ও বিউটেন আলাদা করার ভ্যাজালে না যেয়ে ডিরেক্ট চাপ প্রয়োগে তরল করে সিলিন্ডারে ভরে বিক্রি করে।
বাংলাদেশের চাহিদার ৯৫ শতাংশেরও বেশি এলপিজি বিদেশ থেকে আমদানী করা হয়। বর্তমানে বড় ছোট মিলিয়ে ১৯টি কোম্পানি এলপিজি আমদানী ও বোতলজাত করার কাজ করছে। আমদানীর সুবিধার্থে বাংলাদেশের এলপিজি প্ল্যান্টগুলো গড়ে উঠছে চট্টগ্রাম ও মংলাবন্দরের পাশে। এদের ক্যাপাসিটি বাড়ছে। বর্তমানে ক্যাপাসিটি ৩০ লাখ টন, এখানেও সিন্ডিকেট করে দাম কমায় না। কিন্তু অভ্যন্তরীণ চাহিদা ৯ লাখ টন, দাম কমলে ২০ লাখ টন বিক্রি হওয়ার কথা। ডলারে ভালদামে এলপিজি রপ্তানি করার ব্যাপারে এসব কোম্পানির বাড়তি আগ্রহ আগেই ছিল ছিল।
আওয়ামীলীগ ঘাস খায় না। অনেক ডায়নামিক দল। বড় বড় সিদ্ধান্ত গুলো আওয়ামীলীগই করে।
এলপিজির মতো দাহ্য পদার্থের প্ল্যান্ট গড়ে তোলার ব্যাপারে আগে তেমন নীতিমালা ছিল না। আওয়ামী সরকার ১৯৯৭ তে এল্পিজি নিরাপত্তা কিছু নীতি করে । ২০১৭ সালের ২৪ ডিসেম্বর পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা গেজেটে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন (১৯৯৭) সংশোধন করে এলপিজি বোতলজাতকরণ কারখানা, সিলিন্ডার কারখানা, পেট্রোকেমিক্যাল টার্মিনাল নির্মাণসহ ছয় ধরনের শিল্পকে সবুজ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।




তিতাস বাখরাবাদ ইত্যাদি প্রাকৃতিক গ্যাস(মিথেন)কে পাইপ লাইনের মাধ্যমে গ্যাসীয় অবস্থায়, গাড়ীতে সিলিন্ডারে উচ্চ চাপে ৩৬০০ পিএসআই চাপে সিএনজি আকারে ইউজ হয়।

মিথেনকে এলএনজি তে পরিনত করা ভয়াবহ রকমের কঠিন।
২ লাখ পিএসআই চাপে যত শক্তিশালী ইস্পাতের সিলিন্ডারই হোক ফুটে যাওয়ার কথা। তাই গ্যাসকে হিমায়িত করে হিমাঙ্কের নীচে -162 °C ডিগ্রীতে তরল এলএনজি আকারে করা বিশাল সিলিন্ডার জাহাজ জাহাজে পরিবহন আমদানি হয়। প্রপার হিমায়িত করতে পারলে চাপ তেমন থাকে না।

ধন্যবাদ অনেক কথা বলে ফেললাম।

৪| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৩:৪০

ডার্ক ম্যান বলেছেন: দেশে যে তীব্র ভারতবিদ্বেষী একটা প্রজন্ম গড়ে উঠেছে সেটা কি লক্ষ্য করেছেন ??? ভারতবিদ্বেষী তার মানে এটা নয় যে এরা পাকপ্রেমী ।
আবরার ফেক নিউজে গা ভাসিয়েছে এটা মানলাম কিন্তু ফেনী নদী চুক্তি কি মিথ্যা । বাংলাদেশের কিছু মন্ত্রী যে ভারতের পা চাটতে চাটতে এখন বেওয়ারিশ কুকুরে পরিণত হয়েছে।
ইসকন কিংবা আরএসএস এর কর্মকাণ্ড কতটা ভয়ংকর হয়ে গেছে সেটা কি বুঝতে পারছেন। পাকিস্তান যেভাবে রাজাকার বাহিনী জন্ম দিয়ে আমাদের নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছে ঠিক সেভাবে ভারত ভাদাদের দিয়ে একই কাজ করছে।
বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তো অনেক আগে থেকেই ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার দখলে। এই ভারত জাসদ তৈরি করে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অনেক বছর থামিয়ে দিয়েছিল।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:৫১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ভারতবিদ্বেষী একটা প্রজন্ম গড়ে উঠেছে সত্য।
সেটা সংগবদ্ধ ফেক নিউজ প্রচারণার কারনেই।

ভারতের পা কারা চাটে?
মোদিপকে বা ভারতকে প্রসংশা করে কোথাও কোন পোষ্ট দেখেছেন?

অতচ পাকিদের ও ইমরান বন্দনা পোষ্ট শত শত, কানাডা আমেরিকা থেকে পিএইচডি ধারি পর্যন্ত ১৪ হাত লম্বা ইমরান বন্দনা পোষ্ট দিয়েছিল। একজন কমেন্ট র তো ইমরানকে মহান পাঠান আখ্যাইত করেছে। অতচ এই পাকিস্তান ইহজনমে আমাদের কোন উপকারে আসেনি কোন দিন আসবেও না ।

৫| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৫

রাজীব নুর বলেছেন: ফেনী নামে যে আমাদের দেশে একটা নদী আছে আমি জানতাম'ই না।

১৪ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:৪৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
চিটাগাং যান নি?
রেলগাড়ীতে চিটাগাং যেতে ফেনি ষ্টেষন পার হলে এরপর একটা বড় লোহার ব্রিজ আছে, ঘটাং ঘটাং শব্দ।
সেটাই ফেনী নদী।

৬| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:১৬

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আবরারকে সাইডে রেখে বক্তব্য পেশ করা যেত...

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:২০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আবরারের মৃত্যুতে ব্যাথিত ও চিন্তিত।
তবে আবরারের ব্যাকগ্রাউন্ড খুবএকটা ভাল পাই নি।
এরপরও তাকে নিয়ে মাত্র একবার নাম, এক লাইনে শেষ করেছি।

৭| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৯

রোকনুজ্জামান খান বলেছেন: ফেক নিউজ মানে কি বলতে কি বুঝাতে চান? আপনি নি:স্বন্দেহে ভারতের দালালি করতে এসেছেন। ভারত পানি পেল না পেল এটা নিয়ে আমাদের মাথা ব্যাথার কোন প্রয়োজন নেই। গ্যাস আনতে তাদের অনেক পথ পারি দিতে হয় বলে, আমাদের দেশ কে ব্যাবহার করবে , আবার লাভ ও হবে আহ্‌ কি চমৎকার উদাহারণ। লাভ না কচু হবে।

৮| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: এমন পোস্টেও লাইক দেয়ার মানুষ আছে !!!!!

যাই কোন আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল এর প্রথম আলোতে লেখা রিপোর্ট এর আংশিক কিছু অংশ কপি পেস্ট করলাম।

ফেনী নদী থেকে ভারতকে পানি দেওয়া হবে সেকেন্ডে ১ দশমিক ৮২ কিউসেক, অর্থাৎ প্রায় ৫০ লিটার। প্রতিদিনের হিসাবে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ লিটার পানি

২০০৫ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) প্রকাশিত বাংলাদেশের নদ-নদী গ্রন্থের ৪৪ নম্বর পৃষ্ঠার তথ্য অনুসারে, শুকনা মৌসুমে এই পানির পরিমাণ সর্বনিম্ন মাত্র ৪৭ কিউসেক। মুহুরী সেচ প্রকল্প বাদেও অন্যান্য কারণে ফেনী নদীর পানি তাই খুব গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশের জন্য। এই পানির একটা অংশ তবু দেওয়া হয়েছে ত্রিপুরার মাত্র হাজার আটেক অধিবাসীর একটি শহরের খাওয়ার পানির চাহিদা মেটানোর জন্য। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এটা দেওয়া হচ্ছে মানবিক কারণে।

ফেনী নদীর সামান্য অংশ সীমান্তে, বাংলাদেশের বিভিন্ন ছড়ার পানি মিলে এটি বেগবান হয়েছে সীমান্ত পার হওয়ার পর। বাংলাদেশ নিম্ন অববাহিকার দেশ বলে এই পানি ভারতকে দেওয়ার কোনো রকম আইনগত বাধ্যবাধকতা বাংলাদেশের নেই। মানবিক কারণ ছাড়া এ পানি দেওয়ার তাই কোনো কারণ নেই। প্রশ্ন হচ্ছে, মানবিকতা কি শুধু একতরফা একটি বিষয়? মানবিকতা দূরের কথা, এমনকি আইনগত অধিকারগুলো কি আমরা ভারত থেকে পেয়েছি অভিন্ন নদীর পানির ক্ষেত্রে? কিংবা অন্য অনেক ক্ষেত্রে?

আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিতে ‘ভাইটাল হিউম্যান নিডস’ বলে একটি কথা আছে। খাওয়ার পানি ও জীবন-জীবিকার জন্য প্রয়োজনীয় শস্য উৎপাদনে ব্যবহৃত পানিকে ভাইটাল হিউম্যান নিডস বলা হয়। এসব কারণে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার জন্য অভিন্ন ৫৪টি নদ-নদী থেকে পানি পাওয়া খুব জরুরি বাংলাদেশের জন্য। সেই আলোকে ১৯৮৬ সালে গঙ্গা বাদে আরও আটটি বড় অভিন্ন নদীর পানি ভাগাভাগি করা হবে—বলেছিল দুই দেশের জয়েন্ট কমিটি অব এক্সপার্ট। ১৯৯৬ সালের গঙ্গা চুক্তিতে সব অভিন্ন নদীর পানি নিয়ে চুক্তি করার কথা বলা আছে। কিন্তু গত কয়েক দশকে এই ভাগাভাগির চুক্তি আর হয়নি।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে সমঝোতা হলো শুধু ফেনীর বিষয়ে। এমনকি ২০১১ সাল থেকে ঝুলে থাকা তিস্তার বিষয়ে কোনো নতুন কথা শোনা গেল না।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে আরও বেশ কয়েকটি। প্রশ্ন উঠেছে সেসব নিয়েও। বাংলাদেশ ভারতে তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস রপ্তানি করতে রাজি হয়েছে। বিদ্যমান সড়কব্যবস্থার ওপর এর প্রভাব, পরিবহনঝুঁকি আর বাংলাদেশের জ্বালানিনিরাপত্তা স্পষ্ট করা হয়নি দুই দেশের প্রকাশিত তথ্যে।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৬:৩০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:

এত বড় একটা নদী থেকে সামান্য একটু খাওয়ার পানি নিলে আসিফনজরুলের গা জ্বলে কেন।
এই টুকুন পানি না দিলে পানি টা কি জমা থাকবে? পাহড়ি নদী, ১ ঘন্টার ভেতর বংগপসাগরে লোনা জলে হারিয়ে যাবে।

আর এমনিতেই নৈতিক ভাবে আইনগত ভাবে পানির ৫০% অধিকার ভারতের।

আর গ্যাস চুক্তি বাংলাদেশের আগ্রহেই হয়েছে।
গ্যাস চুক্তিতে বাংলাদেশ অনেক বেশি লাভবান হবে।
এটা মুলত বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের দাবি ছিল। তারা আগে থেকেই গ্যাস সিলিন্ডার কাচ সিমেন্ট ইত্যাদি চোরাই পথে রফতানি করছিল। এখন পুরোদমে চালাবে।

৯| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


ফেনী নদী সম্পর্কে আপনার ব্যাখ্যা সঠিক। ফেনী নদীর পানি সাব্রুম সব সময় ব্যবহার করে আসছে; এবার চুক্তি হলো, এতে পুরো ভারতের মানুষ জানতে পেরেছে, ও তিস্তা চুক্তিতে ভারতীয়দের সাপোর্ট পাওয়া যাবে।

মমতা 'অস্পুর্ন মহিলা', সে মানসিক রোগী, পশ্চিম বাংলা ভারতের অন্য এলাকার মতো কোন দিনও উন্নত হতে পারবে না।

১০| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০২

চাঁদগাজী বলেছেন:


ব্লগার গিয়াসুদ্দিন লিটনও ফেনী নদী সম্পর্কে জানেন।

সাব্রুমের 'হরিণায় মুক্তিযুদ্ধের ১ নং সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল'; রামগড়ে আমাদের ডিফেন্স পতনের পর, ফেনী নদী সাতরায়ে পেরিয়ে, যেডফোর্স সাব্রুমে উঠে।

ফেনী নদীর পানি আগে এমনিতে ব্যবহার করতো, এখন চুক্তির অধীনে ব্যবহার করবে। নদীর মাঝ বরাবর সীমান্ত রেখা (বর্ডার এলাকায়)।

১৪ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:২২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ধন্যাবাদ চাঁদগাজী বস!

আপনি ফেনির মানুষ, এলাকার লোক, লিটন ভাই ফেনী নদি ভাল জানেন।
আমার ধারনা আপনি আরো ভাল ভাবে জানেন। নদীর মাঝ বরাবর সীমান্ত রেখা, হিসেবে উভয় দেশের সমানাধিকার।
ফেনী নদীর পানি উভয় দেশ আগেও এমনিতে ব্যবহার করতো, এখন চুক্তিতে করবে।

১১| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:


বুয়েট থাকতে হয়, বাংলার পড়ুয়া ছেলেমেয়েরা পড়ার যায়গার দরকার, তাই বুয়েট আছে; ২য় পদ্মাসেতুও চীনারা করবে, বুয়েটের ইন্জিনিয়ারেরা ঘুষ খেয়ে চোরের মত পেছনের সারিতে থাকবে সব সময়।

১২| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৪

নতুন বলেছেন: ভারতের সাথে আমরা ক্ষমতায় পারবোনা সেটা ঠিক।

কিন্তু আমাদের পররাস্ট্রনীতি খুবই বেশি নতজানু.।

আপনি যেহেতু আয়ামীভক্ত তাই আপনার কাছে অবশ্যই ভালো মনে হবে।

এই চুক্তিগুলি এতো খারাপ কিছু ছিলো না। আমাদের চুক্তি করতে হবে যাতে আমাদের দেশের লাভ হয়।

আমরা বন্দর ব্যবহার করতে দিলে যাতে টাকা আসে, গ্যাস রপ্তানী করতে পারি টাকা আসে....

কিন্তু কিছু চুক্তি একটু বেশি নতজানু হয়েই করে আয়ামীলীগ.... সেটা চোখে লাগে।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৫:৫৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আমি পোষ্টেই বলেছি বাংলাদেশের বার্গেইনিং ক্যাপাসিটি বাড়ানোর বিকল্প নেই!
ছোট দেশ হওয়াতে বাংলাদেশ এখনো কিছুটা ডাউন হিলে আছে, ভারত অনেক শক্ত অবকাঠামো এখানেই অসমতা তৈরী হচ্ছে!
শক্ত অবকাঠামো দক্ষ শিক্ষিত পেশাদারি সেটআপ তৈরি হতে সময় লাগবে।

গ্যাস চুক্তিতে বাংলাদেশ অনেক বেশি লাভবান হবে।
এটা মুলত বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের দাবি ছিল। তারা আগে থেকেই গ্যাস সিলিন্ডার রফতানি করছিল। এখন পুরোদমে চালাবে।

১৩| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


@নতুন ,

প্রথমত: শেখ হাসিনা বেকুব নন; যারা চুক্তি নিয়ে শেখ হাসিনার সমালোচনা করছে, ওদের কারো বুদ্ধিমত্তা শেখ হাসিনার কাছাকাছিও নেই।

ভারতের সাথে কোন চুক্তিগুলো খারাপ সেটা ১০০/২০০ জন ভালো ব্যবসায়ী ও ফাইন্যান্সের লোকেরা টের পেয়ে থাকেন, বাকীরা এমনিতেই লাফায়, কারণে তারা শেখ সাহেব বিরোধী, শেখ হাসিনা বিরোধী।

১৪| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




বুয়েট ছাত্রের ফেসবুক থেকে জানা যায় বুয়েটে যা পড়ানো হয়: -

আল্লাহ আমাদের প্রভু,
রাসূল (সা.) আমাদের নেতা,
কুরআন আমাদের সংবিধান,
ইসলাম আমাদের জীবনবিধান,
জিহাদ আমাদের চালিকাশক্তি,
শাহাদাত আমাদের কাম্য।

মসজিদ আমাদের ক্যান্টনমেন্ট,
গম্বুজ আমাদের হেলমেট,
মিনার আমাদের বেয়নেট,
বিশ্বাসীরা আমাদের সৈনিক।

এই কবিতায় শান্তি ও বিজ্ঞানের কথা কোথায় আছে আমি একটি বাক্য একটি শব্দেও খোঁজে পাইনি। তাই আমি একটি শান্তির কবিতা লিখছি এখন: -

গতকাল সারাদিন অভুক্ত থেকে
সন্ধ্যায় খেয়েছিনু একাট মাত্র কলা আর বন
রাতে আমার ঘুম যে ছিলো
না বলা মনের কথায় শান্তিময় দীর্ঘক্ষণ।।


আমি কবি নই, তারপরও আমার মনে হয়েছে উক্ত কবিতার চাইতে হাজার গুণ ভালো পংতি তাৎক্ষণিক আমি লিখেছি। বুয়েট ছাত্রের বাবা জানতেন না তার ছেলে কি করছেন, ফেসবুকে কি লিখছেন - জানতে পারলে তিনি হয়তো ব্যাবস্থা নিতেন।


১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১০:০৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
এটা দেখেন - নিব্রাসও হার মানবে

১৫| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৭

চাঁদগাজী বলেছেন:



শেখ হাসিনা মরিয়া হয়ে তিস্তার সমাধান চাচ্ছেন, মোদী কৌশলে দিচ্ছে না, সে ইডিয়ট মমতাকে ব্যবহার করছে; শেখ হাসিনা ফেনী নদীর চুক্তি করে বাংলাদেশের মহাত্ম প্রকাশ করেছেন, ভারতীয় শিক্ষিতরা এই মহানুভবতা দেখছে, এটা বাংলাদেশকে সাহায্য করবে।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৯:৫৮

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: পার্ফেক্ট অব্জারভেশন

১৬| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৮

মা.হাসান বলেছেন: আপনি শীত নিদ্রা হইতে ফিরিয়াছেন দেখিয়া ভালো লাগিতেছে। কলাবাগান ভাইকে মিস করিতেছি। এই অশিক্ষিত জন গনকে হেদায়েতের জন্য অনেক ধন্যবাদ। হাসান মাহমুদের মতো অকর্মা দের বাদ দিয়া আপনাদের মতো দুই রত্নকে সরকার দায়ি্ত্ব দিলে জাতি দেশপ্রেম মূলক কিছু বক্তব্য শুনিতে পাইতো। বিটিভিতেও এত সুন্দর আলোচনা হয় না। আপনার পোস্ট প্রেস রিলিজ আকারে বিলি করিলে এক দিনেই সামুর ব্লক উঠিয়া যাইতো। বেটা আবরার আসলেই বাঁশের কেল্লার রাজাকার, উহাকে কবর হইতে বাহির করিয়া পিটানো দরকার ছিল।

তবে আমার মাথায় ঘিলু কম, কিছু জিনিস কম বুঝি।

নর্দমার দল বিএনপির সহিত আওয়ামিলীগের তুলনা করিলে আওয়ামীলীগের মান বাড়ে নাকি বিএনপির স্বীকৃতি আসে?

বেক্সেমকো গ্যাস বিক্রয় করিবে, ইহাতে সরকার কেন চুক্তি করে? ক্রয়কারি প্রতিষ্ঠানের সহিত বিক্রেতার চুক্তি হওয়া শোভন।
সাবরুমের জন সংখ্যা কেহ বলেন ৮ হাজার কেহ বলেন ৬ হাজার। ইহাদের পান করিবার জন্য কত পানি দরকার? আমার দিনে পান করিবার জন্য প্রয়োজন হয় ২-৪ লিটার। যদি প্রতি জন ৫ লিটার করিয়া পানি পান করে, তবে ৮ হাজার লোকের লাগে ৪০ হাজার লিটার। সেকেন্ডে অর্ধ লিটার পানি প্রত্যাহার করিলে দিনে ৪৩ হাজার লিটারের বেশি পানি হয়। ইহার ১০০ গুন পানি লইয়া সাবরুম কি করিবে? সব কিছু যদি স্বচ্ছ হয় তবে চুক্তি গুলি ওয়েব সাইটে প্রকাশ করিলে সব দ্বন্দ্ব অবসান হয়।
ভারতের সহিত ২৫ বছরের চুক্তি যদি ভালোই ছিল তবে ৯৬ এর ইলেকশনের পূর্বে তসবিহ হাতে হিজাব পরিহিত এক নেত্রী কেন বলিয়াছিলেন তাঁর দল ক্ষমতায় গেলে চুক্তি নবায়ন করিবে না?
ভারতের আইন অনুসারে চুক্তি করে কেন্দ্র সরকার, তিস্তা চুক্তির জন্য পশ্চিম বঙ্গের অনুমতি প্রয়োজন নাই। তবে তিস্তা চুক্তি অর্থহীন। পদ্মার পানি লইয়া এক খানি চুক্তি কাগজে কলমে আছে। শুষ্ক মৌসুমে ঐ চুক্তি অনুসারে বাংলাদেশ পানি পায় না, ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয় পানি নাই। ২০৫০ সাল নাগাদ পানির ব্যব হার বর্তমানের দ্বিগুন হইবে। ভারত উত্তরে পদ্মার পানি প্রত্যাহার করে, সিকিম হইতে তিস্তার পানি প্রত্যাহারের কথা শোনা যায় (তিস্তার পানি চুক্তিতে মমতা ব্যানার্জিকে আনা হইলেও রহস্যজনক কারণে সিকিমের মুখ্য মন্ত্রীকে কখনো আনা হয় না। )। পশ্চিম বঙ্গের দিবার মতো পানি আসলেই আছে কি না তাহাও দেখিতে হইবে। বাংলাদেশের উচিৎ ভারত নির্ভরতা কমাইয়া নিজের টা নিজের দেখার ব্যবস্থা করা। নদি-খাল খনন করিয়া বর্ষার পানি যতটুকে ধরিয়া রাখিয়া তত টুকুই ভরসার বিষয় হইবে।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৯:৪৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:

নর্দমার দল বিএনপির সহিত আওয়ামিলীগের তুলনা করিলে আওয়ামীলীগের মান বাড়ে নাকি বিএনপির স্বীকৃতি আসে?
বিম্পি-জামাত বাদে কাহার সাথে তুলনা সম্ভব?
এরশাদের দল তো বিলুপ্তির পথে।

বেক্সেমকো গ্যাস বিক্রয় করিবে, ইহাতে সরকার কেন চুক্তি করে? ক্রয়কারি প্রতিষ্ঠানের সহিত বিক্রেতার চুক্তি হওয়া শোভন।

আপনার ধারণা ভুল। চুক্তি হয়েছে বাংলাদেশের ২ টি কম্পানী ওমেরা গ্যাস ও বেক্সিমকোর সাথে ভারতীয় ডিষ্ট্রিবিউটার দের সাথে
তিস্তা নিয়ে কোন আলোচনার কথা ছিলনা এবার।
সাবরুমের পানির ব্যাপারটা মামুলি একটা সামান্য ব্যাপার। এটানিয়ে এত সিরিয়াস হওয়ার কিছু নেই।

১৭| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



শেখ হাসিনাকে ভারত ও বার্মার সাথে তাল মিলিয়ে, সম্পর্ক ঠিক রেখে, জাতির স্বার্থ ঠিক রাখতে হচ্ছে; এই ২ টি জাতি অসৎ ও শক্তিশালী প্রতিবেশী; এদের উপর চাপ সৃষ্টি করার মতো পুরো জাতীয় সাপোর্ট শেখ হাসিনার কোনদিনও ছিলো না: দেশে আছে একটা বড় শক্তি যারা বাংলাদেশের বিপক্ষে যু্দ্ধ করেছিলো, ও যারা পাকিস্তানের পক্ষে থেকে পরাজিত হয়েছিলো, এরা সুযোগ পেলে শেখ হাসিনাকে মাটির নীচে দিয়ে দেবে; সেই পরিবেশে থেকে উনি যথেষ্ট চেষ্টা করছেন।

১৮| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:১৭

সুপারডুপার বলেছেন: লীগের লোকদের এইখানে একত্রে পাওয়া যাবে। দাদারা, আপনারা একটু জব্বার কাকুকে ফোন করে বাংলাদেশে সামু 'র উপর ব্লক ওঠান। ব্লগের জন্য একটা কাজের কাজ করেন।

১৯| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:৫২

অভি চৌধুরী বলেছেন: গত সরকারের সময় থেকে ভারত ফেনী নদিতে পাম্প বসাতে শুরু করে। অপ্রিয় হলেও সত্য যে সেই সময় থেকে ভারত ফেনী নদিতে মোট ৩৬টি পাম্প বসিয়েছে, প্রতিটা পাম্প ২ কিউবিক করে পানি টানছে,কোন রকম চুক্তি ছাড়াই তারা পানি নিয়ে যাচ্ছে, বিজিবির হাতে সঠিক কোন পরিমাপ বা চুক্তি না থাকায় তারা তা নিয়ে বিএসফকে বলতে পারেনি। এই চুক্তির ফলে রামগড়ে বিজিবি বিএসএফ এর সাথে পতাকা বৈঠকের সিদ্বান্ত হয়েছে এবং তাদেরকে চুক্তি অনুযায়ী পানি নিতে পরামর্শ দিবেন। হয়তো চুক্তির বাইরে কিছুটা যাবে তবে সেটা কোন ভাবেই বর্তমানের পরিমান হবেনা। বিভিন্ন কারণে সরকার সব কথা জনগনের কাছে তুলে ধরতে পারেনা। কারণ আবরার রা শিক্ষিত হয়েও যে বিষয় গুলো বুঝতে চেষ্টা না করে হলুদ সংবাদের নিজেকে ভাসিয়ে দেয় সেখানে আম জনতা আর কতটুকুই বুঝবে বলুন?

বর্তমান সরকারের চেয়ে দেশের ভালো বেশি জানা করার মত আর কোন দল কি আছে এই দেশে? থাকলে হয়তও জনগন তাকেই ক্ষমতায় নিয়ে আসতো।সাধারণের বোঝা উচিৎ তুলনামুলক ভাবে অন্য সরকার প্রধানের চেয়ে বর্তমান সরকারে সততা এবং বুদ্ধিমত্তা বেশি বলেই সবার মতামত। এবং আমিও তা বিশ্বাস করি। যেদিন এমন কেউ আসবে যে এই সরকারের চেয়ে বিচক্ষণ এবং সৎ সেদিন আমাদের সেই ব্যাক্তি বা দলকে ভোট দিয়ে ক্ষমতা দেয়া উচিৎ বলে আমি মনে করি।

সবশেষে বলবো ভুল তথ্য বা উসকানি মুলক সংবাদ প্রচার করা হত্যার সমতুল্য বলেই আমরা ভাবছি।কারণ দাঙ্গা হত্যা গুলো এভাবেই শুরু হয়।

আপনাকে ধন্যবাদ

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:০৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ধন্যবাদ।

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১০:১৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ফেনী নদির পানি বেসরকারি ভাবে উভয় দেশ ব্যাবহার করে আসছে। আমি আমার পোষ্টেই উল্লেখ করেছি।
এসব মামুলি ব্যাপার।
এই পানি যদি ফারাক্কার মত বাঁধ দিয়ে ফিডার চ্যানেল বানিয়ে পানি ডাইভার্ট করে নেয়া হলে সেটা আপত্তিকর বেআইনি ও নিন্দনিয়।

২০| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ২:৩২

চাটগাইয়া জাবেদ বলেছেন: মানলাম আবরার শিক্ষিত হয়েও বাঁশের কেল্লা টাইপ ফেক নিউজ নিয়ে লিখছে। তাই বলে কি মেরে ফেলতে হবে? ফেক নিউজের জবাব লিখনি দিয়েই কি দেওয়া যায় না?
যেমনি করে হোক খুনিদের খুনটাকে হালাল করতে হবে! এটাই বুঝাতে চাচ্ছেন তো?

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১০:২৬

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আমি পোষ্টে কোথাও হত্যার সাফাই গাই নি।
হত্যাকারিদেরও সমর্থন করিনি।
হত্যাকারিরা বোকার হদ্দ। ফালতু একটা খুন করে নিজেরা গ্রেফতার হয়ে ধ্বংসের পথে।
ওদের দল ছাত্রলীগকেও বিলুপ্তির পথে নিয়েছে। এই ফালতু হত্যাকে সমর্থন করবো কোন দুখ্যে?

২১| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৬:১৭

গড়ল বলেছেন: আপনার তথ্যসমৃদ্ধ লেখায় অনেক উপকৃত হলাম, প্রকৃত ঘটনাটা অন্তত জানতে পারলাম। বাংলাদেশের সাংবাদিকরাও যে ঘাস কাটে তা বোঝা গেল। আপনার কথায় সহমত পোষণ করেই বলছি হাসিনার উন্নয়ণ ধুলায় মিশে যাচ্ছে কিছু ব্যাপারে উদাসীন হওয়ার জন্য, যেমন বিশ্বজিৎ হত্যার বিচার হলে এই হত্যাকান্ড ঘটত না। যে পরিমাণ গুম খুন হাসিনা করেছে তা ক্ষমার অযোগ্য, পুলিশ বাহিনীকে বানিয়েছে ফ্রাংকেস্টাইন আর ছাত্রলীগ এখন শিবিরের চেয়ে কোন অংশে কম না। এসব না করলে হয়ত নোবেল টা পেতে পারত।

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১১:৩৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ধন্যবাদ। গড়ল ভাই।

বিশ্বজিত হত্যার বিচার হয়ে রায় হয়েছে, এরপর উচ্চ আদালতে ফাইনাল রায়ও হয়ে গেছে। ২ বছর আগেই।

হাসিনা কবে কাকে গুম করলো?
চৌধুরি আলম ও ইলিয়াস বাদে আর কে গুম হয়েছে দু চারটা নাম বলুন তো শুনি?

পাওনাদারের ভয়ে পালিয়ে থাকা, দুএক মাস ঘাপটি মেরে পালিয়ে থেকে মুরগীচোরের মত ফিরে আসা কি গুম?
বিদেশী গোয়েন্দা তথ্যে দেড়-দু হাজার বাংগালী গোপনে সিরিয়া গেছিল আইএস জঙ্গি হতে, অনেক সংখক মহিলাও 'জঙ্গি সেবা যেহাদ' তথা মশারির ভেতর যেহাদে!
এরাও যখন লাপাত্তা হয়ে গেছিল তখনও বাপ মা বলেছিল গুম হয়ে গেছে, মাইক্রবাসে উঠিয়ে নিয়ে গেছে .. ইত্যাদি।
এরাও চুপে চাপে ফিরে এসেছিল দুএকটা পত্রিকার ভেতরের খবরে আসতো, বেশিরভাগই আসে নি।
কিন্তু মিডিয়া আগের খবর দেখে গুমের ফিরিস্তি দিচ্ছে।
মিডিয়াগুলো এখন আর কষ্ট করতে চায় না, সাংবাদিকদের বেতনও ঠিকমত দেয় না। সর্টকাটে ফেবু থেকে খবর সংগ্রহ করছে।

২২| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৯:৪৮

নতুন নকিব বলেছেন:



বিস্তারিত কথা উপরে অনেকে বলেছেন। আমি সে দিকে যেতে চাচ্ছি না। শুধু আপনার কাছে একটি বিষয় জানতে ইচ্ছে। সে কারণে আপনার কথামত ধরে নিচ্ছি যে, আবরাব একজন শিক্ষিত বুয়েটিয়ান হয়েও কিউবিক ফুট/সেকেন্ড মাপ না বুঝে ফেক নিউজে গা ভাসাইছিল। তাই বলে তার বিচার কি এমন পদ্ধতিতেই হওয়া উচিত ছিল? আর এটাই যদি বিচার করার সিস্টেম হয় তাহলে দেশে আইন আদালতের প্রয়োজন কি? অাপনার স্পষ্ট মতামত জানালে খুশি হব।

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:০১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: আসসালামুআলাইকুম নকিব ভাই।
উত্তর দিতে দেরি হয়ে গেল।


যে কোন মৃত্যুই নিন্দনিয়।
কাউকে পেটানোও নিন্দনিয়। শাস্তিযোগ্য।
হত্যা কঠিন শাস্তি, মৃত্যুদন্ড যোগ্য।
ছাত্রলীগ আওয়ামীলীগের কোন নির্দেশ ছিল না আবরাকে হত্যা করতে।

তবে আলোচিত হত্যাটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড নয়। শাস্তির নামে বুলিং/ র‍্যাগিং/চড়থাপ্পোর/পিটুনিতে একপর্যায়ে মারা গেছে।
পরিকল্পিত হত্যা হলে হাত-পা বেধে রগ কেটে ক্যাম্পাসের অনেক বাইরে জঙ্গলে, ম্যানহোলে বা বুড়ীগঙ্গায় গোপনে ফেলে দেয়া হত। যেমনটা শিবির করে।
ছাত্রলীগ ইভেন ছাত্রদলও হত্যার রাজনীতি করেনা। ছাত্রদল বা ছাত্রলীগে যা হত্যা হয়েছে, সেটা নিজেদের ভেতরই। নীচু স্তরে ঢুকে পরা ক্রিমিনালদের দখল আধিপত্ত চাঁদাবাজি ইত্যাদি নিজেদের কোন্দলেই সব মারা গেছে।

শিবিরের কথা আলাদা।
শিবির পরিকল্পিত ভাবে হত্যাকান্ড করে। মাফিয়া স্টাইলে রাজনীতির অংশ হিসেবে করে।
এ জুগের জেনারেশন শিবির দেখেনি। শিবিরের নৃসংসতা দেখেনি। অনেক কিছুই জানে না। শিবির এখন ছদ্মবেশে মিশে আছে।

আওয়ামীলীগ কখনোই হত্যার রাজনীতি করে না।
হত্যা করে যে কোন ফল লাভ হয়না, সেটা আওয়ামীলীগের চেয়ে ভাল কে জানে?
কতিপয় ছেচ্চোর যে অপকর্মটি করেছে সেই কারনে হত্যাকারিরা, হত্যা সহযোগিরা ক্যারিয়ার, জীবন বিলুপ্তির পথে।
এই ছেচ্চোররা ছাত্রলীগের মত মুক্তিযুদ্ধ সুচনাকারি ঐতিহাসিক দলটিকে পর্যন্ত বিলুপ্তির পথে নিয়ে গেছে।

এই ফালতু একটা নৃসংস হত্যা আমি কেন সমর্থন করবো নকিব ভাই?

২৩| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১১:১২

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: আপনি ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন চুক্তির স্বপক্ষে যেসব চমৎকার যুক্তি দিয়েছেন ঠিক একই যুক্তিগুলি যদি আবরারের খুনিরা আবরারকে দিয়ে তার ফেক নিউজের প্রতি মোহ ভাঙাতে পারতো তবেই তো ল্যাঠা চুকে যেত | কি দরকার ছিল ছেলেটাকে এতো কষ্ট দিয়ে পিটিয়ে মেরে দলের সিদ্ধান্তের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শনের | যুক্তি দিয়ে কুযুক্তির সঙ্গে যুদ্ধ করতে হয়, কাউকে পিটিয়ে মেরে ফেলে নয় |

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:০৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ধন্যবাদ গুরু - স্বামী

পিটিয়ে মেরে দলের সিদ্ধান্তের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন?
ছেচ্চরগুলো নিজারা তো মরবেই, ফালতু কামে নিজেদের দলটিকে পর্যন্ত বিলুপ্তির পথে নিয়ে গেছে ।


এই হত্যাটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড নয়।শিবির আর হিজবুতিদের আখড়া বুয়েট।
পোলাটারে শাস্তির নামে বুলিং/চড়-থাপ্পোর/পিটুনি দিয়ে ছড়ে দেয়া হত। কিন্তু দুর্ঘটনাক্রমে একপর্যায়ে মারা গেছে।
পরিকল্পিত হত্যা বা হত্যা করাই এদের কোনই উদ্দেস্য ছিলনা। হলে হাত-পা বেধে রগ কেটে ক্যাম্পাসের অনেক বাইরে ম্যানহোলে জঙ্গলে বা বুড়ীগঙ্গায় ফেলে দেয়া হত। যেমনটা শিবির করে।

২৪| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩২

রাজীব নুর বলেছেন: ফেনী চিটাগাং গিয়েছি।
কিন্তু কোনো কারনে নদীটার নাম জানা হয়নি। মনে হয় হাত ফসকে গেছে। তাছাড়া বাংলাদেশে অনেক নদী। সব সময় সব নদীর নাম মনেও থাকে না। আপনি কি সন্ধ্যা নদীর নাম শুনেছেন? অথবা বারাশিয়া??

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:০৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
সত্যই তো।
সন্ধ্যা নদীর নাম শুনেছি শুধু। নদীটি কোথায় জানি না।
আর বারাশিয়া নদীর নামই শুনিনি।

২৫| ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:১৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:





নিহত ও খুনী উভয়ে রাজনৈতিক পকেটের বিড়াল।
উদাহরণ: - আমি বলেছি আগামীকাল ক্যাম্পাসে আপনাকে দেখে ছাড়বো! - আর আপনি দলবল নিয়ে আজকেই আমাকে দেখে ছেড়েছেন!! - কি বুঝলেন?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.