নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পৃথিবীর আলো

পৃথিবীর আলো › বিস্তারিত পোস্টঃ

আপনার মোবাইল ফোনের বিল কোথা থেকে আসে? কে দেয়?

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ২:১৫

ছাত্রছাত্রীরা সারারাত মোবাইলে বাজে ফ্রেন্ডদের সাথে গল্প করে হাজার হাজার টাকা অপচয় করতে পারে। কিন্তু বাস ভাড়া দিতে গেলেই ছাত্র হয়ে যায়। সবসময় ছাত্ররা ৫-১০ টাকা বাচাঁনোর জন্য বড় বড় সংঘর্ষ র্সৃষ্টি করে। অথচ আমি কোন ছাত্রকেই বাবা-মার কাছ থেকে একটা টাকাও কম নিতে দেখি না। বরংচ বিভিন্ন সময় সেশন ফি, পরীক্ষার ফি, বই কেনা,প্রাইভেট টিউটরকে দেয়ার জন্য অতিরিক্ত টাকা নিয়ে অপচয় করতে দেখি। খুব কষ্ট লাগে যখন দেখি ছাত্র-ছাত্রীরা বাবা-মায়ের কষ্টার্জিত টাকা বিপথে খরচ করছে। তারা কোনভাবেও জানেও না বা বুঝেও না, তাদের বাবা-মা কত কষ্ট করে কখনও বসের ঝারি খেয়ে, কখনও ওভারটাইম করে টাকা উপার্জন করে। নিজের রক্ত পানি করা উপার্জন নিজে খরচ না করে তুলে দেয় সন্তানের হাতে। আর সেই সন্তান বাবা-মাকে ফাঁকি দিয়ে নিজেকে অনেক চালাক মনে করে। ভাবে বাবা-মায়েরা বোকা, পুরাতন যুগের মানুষ, আর তারা ডিজিটাল যুগের মানুষ। অনেকক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে টাকা সংক্রান্ত ব্যপারে বাবা-মায়ের সাথে খারাপ ব্যবহার করতে পর্যন্ত দেখি। তখন শুধু রক্ত টগবগ করে ওঠে, বলতে ইচ্ছা করে বেয়াদবগুলারে বাড়ি থেকে বের করে দিন, বুঝে আসুক বাইরের পৃর্থিবী কত নির্মম, বেঁচে থাকাও কত কষ্টের। কিন্তু বাব-মা বড় মায়া করে,বড় আদর করে সন্তানদের। আর এই মায়াকে সন্তানরা দেখে বাবা-মায়ের দুর্বলতা হিসেবে।



যারা বাবা-মায়ের পয়সায় দামী পোষাক পড়ে, দামী মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন, অহেতুক মোবাইলে টাকার অপচয় করেন আর বলেন "বন্ধু ছাড়া লাইফ ইম্পসিবল" তাদেরকে (স্টুডেন্ট) বলছি, নিজে উপার্জন করে আপনার জাস্ট এক মাসের মোবাইল খরচ জোগাড় করেন। পরের মাসে আপনার মোবাইল বিল কমে যাবে তিন চতুর্থাংশ। কারণ কষ্ট করে উপার্জন করা টাকা অপচয় করতে পারবেন না কিছুতেই। তাহলেই বুঝে যাবেন বাবা-মারও কষ্ট লাগে তাদের কষ্টের টাকা যখন আপনি অপচয় করেন।



তাই শুধু একটা কথাই বলব, আপনিও একদিন বাবা অথবা মা হবেন, তাদের কষ্টটা একটু বুঝেন, আর কখনও বাবা-মাকে কষ্ট দিয়েন না।



বি:দ্র: পোস্টটি মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত ছাত্র-ছাত্রীদেরকে উদ্দেশ্য কর লিখা।

মন্তব্য ২৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ২:৩৭

হতাশ নািবক বলেছেন: অসম্ভব ভাল একখানা পোষ্ট,
"ছাত্রছাত্রীরা সারারাত মোবাইলে বাজে ফ্রেন্ডদের সাথে গল্প করে হাজার হাজার টাকা অপচয় করতে পারে। কিন্তু বাস ভাড়া দিতে গেলেই ছাত্র হয়ে যায়।"
এটা অবশ্য মাইন্ডসেটের ব্যাপার, আমাদের ব্লগারদের মধ্যেই একজন কে বলতে শুনেছি, ছাত্র অবস্থায় একটু আধটু অন্যায় করলে তেমন ক্ষতি হয় না।দ্বি-মত পোষন করেই বলছি, ছাত্র অবস্থায় যারা এই ছোট অন্যায় গুলোকে অন্যায় মনে করে না, তারাই বড় হয়ে বড় বড় অপরাধ করে বেড়ায়।

ভাল থাকুন , ভাল সব কিছুর সাথেই থাকুন।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৪:৩৬

পৃথিবীর আলো বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আপনিও ভালো থাকুন।

২| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৩:০৮

পথহারা নাবিক বলেছেন: যৌবনের চাহিদা বড় নাকি লেখাপড়া বড়!!

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৪:৫০

পৃথিবীর আলো বলেছেন: সব কিছুই আপেক্ষিক। এক এক জনের জন্য একেকটা প্রযোজ্য। কেউ ১৮ বছরে বিয়ে করে, আর আমি লেখাপড়া শেষ করে ৫ বছর ধরে চাকুরী করেও বিয়ে করতে পারলাম না....... হা হা হা মজাক করলাম ।

ধন্যবাদ।

৩| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৩:১১

সাইবার অভিযত্রী বলেছেন: হতাশ নািবক বলেছেন: অসম্ভব ভাল একখানা পোষ্ট,
"ছাত্রছাত্রীরা সারারাত মোবাইলে বাজে ফ্রেন্ডদের সাথে গল্প করে হাজার হাজার টাকা অপচয় করতে পারে। কিন্তু বাস ভাড়া দিতে গেলেই ছাত্র হয়ে যায়।"

৪| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৩:১১

এ এ মাহ্‌মুদ বলেছেন: tik bolesen………

৫| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৩:১২

আসফি আজাদ বলেছেন: সমস্ত ছাত্রত্ব এসে ভীড় করে বাস ভাড়া দেবার সময়। কন্ডাকটর পুরো ভাড়া চাইলে কয়েকজন বন্ধু মিলে দু-চার ঘা বসিয়ে দেওয়া কোন ব্যাপার না; কিন্তু মোবাইল অপারেটরদেরকে তো আর দু-চার ঘা বসিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। উল্টো বিল পরিশোধ না করলে লাইন অফ!

ক্যান্টিনে/হোটলে খাবারের ক্ষেত্রেও এ রকম দেখেছি। নেশার টাকার অভাব নেই, কিন্তু ভাতের টাকায় বড় টান!

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৪:৪৩

পৃথিবীর আলো বলেছেন: আপনার পর্যবেক্ষণ তো আমার চেয়ে অনেক ভালো। আরও একটা জিনিস লক্ষ্য করেছি। ছাত্র ভাড়া দিয়ে সিট দখল করে বসে থাকে, অথচ তার বাবার সমান বয়সের একজন যাত্রী তার সামনেই দাড়িয়ে থাকে, ছাত্রটি কানে ইয়ারফোন লাগিয়ে গান শুনে আর তালে তালে মাথা নাড়ায়, বৃদ্ধকে দেখেও দেখে না।। খুব খারাপ লাগে তখন।

আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৬| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৩:১৮

মাঘের নীল আকাশ বলেছেন: ১০০% সহমত। পোস্টে ++++++++

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৪:৪৭

পৃথিবীর আলো বলেছেন: আমরা সবই বুঝি, কিন্তু কেউ কাউকে বুঝাই না। অবশ্য বুঝাতে গেলে ডিজিটাল মানুষ ভাবে, ফ্রিতে উপদেশ দেই। অনেক ক্ষেত্রে উল্টো কটু কথাও শুনতে হয়। এই হচ্ছে অবস্থা।

আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৭| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৪:০৫

নয়ন01 বলেছেন: :-& :-& :-& :-& :-&

৮| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৫:০৮

ঢাকাবাসী বলেছেন: ১০০% সহমত। পোস্টে +++++

৯| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৫:২৫

মহিদুল বেস্ট বলেছেন: মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত ছাত্র-ছাত্রীদেরকে উদ্দেশ্য করে লিখা।


কে শোনে কার কথা! আমিও ইরাম... তয় নিজের পকেট নাই

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৯:৩৫

পৃথিবীর আলো বলেছেন: শুনে না বইলাই তো লেখলাম।

আর পকেট নাই কেরে? খালি কি লুঙ্গি আর সেন্ডু গঞ্জী পড়ুইন? নাকি দিগম্বর থাহুইন? মাঝে মইধ্যে মোবাইল প্যান পড়ুইন যে, জ্যাব ১০-১১টা থাকব।

নেট যে চালান, সেইটার পয়সাও কি নিজের না? ভাবেন......

১০| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩২

হাসিব০৭ বলেছেন: সহমত............... তারা যদি বাবা মায়ের আদরটা বুঝত তাহলে অন্য মায়ের বুক খালি করতে চাপাতি, বামদা ব্যবহার করত না।

১১| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫৫

লোপা এসহক বলেছেন:
মানুষ মোবাইল ছাড়া আগে কিভাবে চলত?

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৯:২৫

পৃথিবীর আলো বলেছেন: দাঁত ওঠার আগে আপনি যেভাবে খেতেন.........


বুঝছেন??

১২| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ৮:০২

এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল স্বর্ণা বলেছেন:
ভেরি গুড পোষ্ট!

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৯:২২

পৃথিবীর আলো বলেছেন: আপনার মন্তব্য দেখে অনুপ্রাণিত হলাম। ধন্যবাদ।

১৩| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ৯:১০

এম আর ইকবাল বলেছেন:
মোবাইল এ অপব্যবহার মনে হয় শুধু আমাদের দেশেই ।
শিক্ষাথীরা কি শুধু একা ।
রাস্তাঘাটে দেখেন, কার কানে এটা নেই ।
ভিখারী, কুলি , রিক্সওয়ালা, শ্রমিক, গাড়ীর চালক,
আম জনতা কে বাকি ।
দেশের মানুষ কি এত ব্যস্ত,
৯৫% মানুষের কথা শুনবেন
একেবারে আজাইরা ।
ফলে দূঘটনা হচ্ছে যত্ততত্ত ।
দায়ী কি নয় সে সব মোবাইল কোম্পানীর ব্যবসার পলিশি ।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৯:২১

পৃথিবীর আলো বলেছেন: পলিসি দায়ী হবে কেন? ব্যবহারকারী দায়ী।

আমার কথা হচ্ছে তোমার খরচ করতে ইচ্ছা হলে কর, কিন্তু নিজে উপার্জন করে কর। অবৈধ টাকা আর পরের টাকা খরচ করতে মায়া লাগে না। কিন্তু নিজের হালাল উপার্জনের একটা টাকা অপচয় করতে অনেক কষ্ট।

ভালো থাকবেন, ধন্যবাদ।

১৪| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১২:৪২

অলওয়েজ এ্যান্টি গর্ভণমেন্ট বলেছেন: আর যদি কয়েকজন ছাত্র এক সাথে বাসে উঠে, তাদের কথা, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, কন্টাক্টরের সাথে ব্যবহার দেখে আপনি ভুলে যাবেন তারা বিদ্যাপিঠে যায় নাকি অসভ্যতা কাকে বলে তার ট্রেনিং নিতে যায়।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৯:১১

পৃথিবীর আলো বলেছেন: তাইলে তো আর কথাই নাই। ওরা বাসটারে পিকনিক এর বাস মনে করা শুরু করে। হৈ হুল্লোর, গার্লফ্রেন্ডের সাথে কি করল, কি খাইল, কবে কার ফ্ল্যাট এ নিয়া গেল, এহেন পার্সোনাল কথা জোরে জোরে বলা শুরু করে। ওরা ভাবেও না বাসে যারা যাত্রী আছে, তারা হয়তো বিরক্ত হচ্ছে। এটা ওরা স্মার্টনেস মনে করে, আমরা মনে মনে বলি, বেয়াদবের দল, আমরা কি এই বয়স পার করে আসি নাই? আমরা কি ছাত্র ছিলাম না?

ধন্যবাদ সময় করে পোস্ট পড়ার জন্য এবং আপনার মন্তব্যের জন্য

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.