নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সব হারানোর মাঝেই কিছু কিছু পাওয়া থাকে

ভালবেসে এসে,ছুয়ে দাও একবার, অবাক হয়ে দেখ এ আমায় আবার।

মহাপুরুষ এর ভৃত্য

সব কিছু তুচ্ছ হয়, পন্ড মনে হয়, সব চিন্তা - প্রার্থনার সকল সময় শূন্য মনে হয়, শূন্য মনে হয়! -জীবনানন্দ দাশ...

মহাপুরুষ এর ভৃত্য › বিস্তারিত পোস্টঃ

একটি অতি সাধারন গল্প'

২৮ শে মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৯

এই গল্প তা একটা ছেলের আর একটা মেয়ের-



গল্পে একটা ছেলে থাকবে।

ভালো ছেলেই বলা চলে।

কখনো মেয়েদের সাথে কথা বলাত ধুরে থাক চোখ তুলে তাকাত না।

চোখ তুলে তাকানোটা এখানে উদাহরণ!

হঠাৎ, যে করেই হোক ক্লাস এর একটা মেয়েকে ভালবাসতে শুরু করে।

সব গল্পের মত এই গল্পেও ক্লাস এর সবাই যেনে গেলো।

মেয়েটাও জানল।



কিন্তু ছেলেটার বলা হয় না।

বলবে কি?

মেয়েটার সামনে গেলেই তো হাতপা ঠান্ডা, হাট কাপাকাপি আর কথা গুলো হারিয়ে যাওয়া!

ঐ, বললেই তো সব শেষ, ও যদি না করে দেই!

এমন একজন কে সে হারাবার ভয় করতে থাকে যে কখনোই তার ছিল না।

আর মেয়েটার ও দোষ কি?

ছেলেটা যদি নাই বলে মেয়েটা জানবে কিভাবে?!



উটকো ঝামেলাই মেয়েটাও বিরক্ত হতে থাকে, চাপা একটা ক্ষোভ জমে হয়ত!



অথবা গল্পের মেয়েটার কখনওই জানা হয়নি ছেলেটা তাকে এত ভালোবাসে।

এই ভাবে সময় বয়ে যায়!

গল্পের মানুষ গুলো যদি স্কুলের হয় তা হলে স্কুল শেষ হয়ে যায়, কলেজের হলে কলেজের রঙ্গীন সময় গুলো উরে যায়,

কিন্তু না বলা কথা গুলো ভালবাসা হয়ে জমতে থাকে কারো বুকে,

হাজার বছরের সে ভালোবাসা।



তারপর মেয়েটার জীবনে একজন আছে।

মেয়েটা মনে করে ইহাই বুঝি ভালবাসা।

সপ্ন দেখে, ভালোবাসে!

কিন্তু ছেলেটা হয়ত বেপার টা খেলা হিসেবে ভাবে।

গল্পের খাতিরে ঐ চরিত্রে নাম দিলাম খারাপ ছেলে।

এর তো আর মেয়েটি কে হারানোর আশংকা নেই তাই ও সপ্ন দেখাই, মিথ্যে ভালোবাসা শেখায়!

তারপরও একদিন মেয়েটা বুঝতে পারে সব খেলা।

খারাপ ছেলেটা হয়ত চলে যায় না হলে ভালো মেয়েটাই দুরে চলে আছে।

মেয়েটার সব ঘৃনা, রাগ, খুব জমতে থাকে ভালোবাসা নামক বস্তুর উপর!

তাকে কে বুঝাবে তা ভালোবাসা ছিলোই না কখনোই :(



কোন এক সময় মেয়েটার জীবনে আবার ফিরে আসে সেই ছেলেটি,

হাবা গবা ভাল ছেলেটি।

ণা, এতদিনে ছেলেটার বলার শক্তি আসে।

এক সময় বলেও, সে এখনো ভালোবাসে, ভালবাসবে_



কিন্তু মেয়ে মনে করে সেই আগের ফাঁদ, ন্যাড়া তো ভাল তলায় একবার ই যায়!

মিথ্যা ভালবাসার উপর প্রচণ্ড ঘৃনায় সত্যিকারের ভালবাসা পায়ে ঢেলে দেয়!!



ভালো ছেলেটা হয়ত তখন খারাপ ছেলে হয়ে যায়, কিছু মেয়ে কে নিয়ে খেলে।

নয়তো ভালো ছেলেটা হয়ে যায় একটা মৃত মানুষ!



হয়ত ছেলেটার রাত কাটে নির্ঘুম,

কানে বাজে একরাশ দুঃখ,

চোখ দিয়ে ঝরে হটছে।



হয়ত মেয়েটাও এখনো ভালবাসা চায়,

ভালবাসতে চায়,

অঝোরে কাঁদে,

অপরাধ বোধে হেরে যায়।



স্রষ্টা হয়ত এই দুই জনের চিত্রনাট্যটা আবারো লিখতে পারবেন, কিন্তু তিনি লিখেন না/

ঐ যে মানুষ স্বাধীন।

আচ্চা এই ভাল ছেলে আর ভাল মেয়েটা মিলে কি একটা নতুন গল্প লিখতে পারে না?

যে ভালোবাসায় থাকবে শুধু অকৃত্রিমতা আর পৃথিবীর সব সুখ!



একটা নতুন গল্প লেখা কি এতোই কঠিন?







(গল্পের এই অংশটা সবার ই এক থাকে, তারপর আসে বিচিত্রত্য

তারপর কি হবে সব কিছু থাকে ভাল মেয়েটার হাতে।

তবে ভালো মেয়েদের জন্য আমার কথা-



যে আপনাকে ভালোবাসে তাকে কখনই যেতে দিবেন না, কারন পৃথিবীতে এত মানুষ থাওকতে সে শুধু আপ্নাকেই ভালবেসেছে।)



এইটা স্ট্যাটাস দেওয়ার পর রাজিন বলে ভাই আমি এর শেষ করব!

আমি বললাম ভালই, ত্যি ই লেখ নতুন এক গল্প!





2nd part - রাজিন শুভর লেখা





ভাল মেয়ে কলেজ শেষ করে ঢাকায় চলে আসে। পেছনে থাকে কিছু দুঃস্বপ্ন।



স্বপ্ন তো হাওয়ায় মিঠার মতন। ক্ষণেই মিলিয়ে যায়। একটুখানি আবেশ রেখে যায় কোন অলস দুপুরে মনে করিয়ে দেয়ার জন্য।

কিন্তু এই ছলনার স্মৃতি ভাল মেয়েটি ভুলতে পারে না। প্রতি রাতে তাকে কালো স্মৃতিরা তাড়িয়ে বেড়ায়। হাঁপিয়ে উঠে সে।

মাঝে মাঝে কফির মগের ধোঁয়া উঠা কফি খেতে খেতে ভাবে তার দিক থেকেও তো পুরো আবেগ ছিলো না। ধোয়ার উপারে যেমন সব ঝাপসা, তার মনেও তো সব ঝাপসা হয়েই ছিলো।

না হয় খারাপ ছেলেটা সেই যে একবার অনুরোধ করেছিল দুজনে কোথাও যাবে, একা একা।

সে তো সায় দেয় নি। কেন দেয় নি?

আবার একদিন খারাপ ছেলেটা খুব করে ধরল, যেন সে বলে, আমি তোমায় ভালোবাসি।

সেবারও সে বলতে চাই নি। অনেক জোরাজুরির পর অস্ফুটে হয়তো কিছু একটা বলেছিল। তাতেই খারাপ ছেলেটা ধন্য হয়ে উঠে।

ভাল মেয়ে ভাবে, তার দিক থেকে খারাপ ছেলেটা কখনও পুরোপুরি সাড়া পায় নি। তবুও সে তাকে কত ভাবেই না কাছে টেনে নিতে চেয়েছে।

ওই যে একবার সারারাত ভালো মেয়েটার বাসার সামনে দাড়িয়ে ছিল ঠায়। ভালো মেয়ে অভিভূত হয়েছিল বটে, মন থেকে অদ্ভুত ভাল লাগাও হয়তো তৈরি হয়েছে। কিন্তু খারাপ ছেলেকে কাছে টানার ডাক তো মন থেকে আসে নি!

আর খারাপ ছেলে কি তাতেই দমে যায়?

না, সে কাছে টানতে না পেরে কাছে আসার চেষ্টা করে।

একদিন হঠাৎ বলল, মেয়ে, তোমার স্বপ্ন হব।

ভালো মেয়ে খানিকটা হেসেছিলো।

খারাপ ছেলে চোখ পাকিয়ে বলেছিল, কেমন স্বপ্ন দেখ, আমায় বলে দাও। আমি তোমার স্বপ্ন হব!

ভালো মেয়ে বিরক্ত হয়েছিল। এতই আপন মনে করলে তো স্বপ্ন কেমন তা জিজ্ঞেস করতে হত না। তবে কি ছেলেটা তাকে মন থেকে চাই না?

এই ভেবে আস্তে আস্তে সে দূরে সরে আসে। ওদিকে খারাপ ছেলেও নতুন কাউকে খুজে নেয়। বাহির থেকে দেখলে মনে হয় খারাপ ছেলেই বিশ্বাসঘাতক!

কিন্তু ভালো মেয়ে জানে, বিশ্বাসই যেখানে ছিলো না সেখানে বিশ্বাস ভাঙার প্রশ্ন উঠে না।

সে যাই হোক। ভালো মেয়ে ভাবে, জীবনে একটু আবেগ এই খারাপ ছেলেটার জন্য জন্ম নিয়েছিল। সেটা ভালোবাসা ভেবে ভুল করেছিল। এখন মনে হচ্ছে ভালোবাসা জিনিসটাই ভুল।

এটা শুধুই হয়তো অলস মনের কল্পনা। অথবা অন্য কিছু।

স্বর্গীয় কিছু?

হতে পারে। তবে সেটা তার জন্য না। এতটুকু নিশ্চিত।





একদিন ভালো মেয়েটার এক বান্ধবী এল তাকে দেখতে। ধরা যাক তার নাম, প্রত্যুষা।

কথায় কথায় দুজনের অনেক কথা হয়। খারাপ ছেলের কথায় হয় বেশী।

ভালো তার কথা শুনতে চাই না। মনে মনে বিরক্ত হয়।

প্রত্যুষা হয়তো তা বুঝতে পারে। উচ্ছসিত হয়ে বলে, একটা কথা জানিস?

ভালো মেয়ে আগ্রহ নিয়ে তাকায়।

প্রত্যুষা বলে, খারাপ ছেলে না, খুব মার খেয়েছে। একদম আধমরা ছিল সপ্তা দুয়েক।

ভালো মেয়ে জিজ্ঞেস করল, কেন? কে মারল ওমনি!

আর বলিস না, ভালো ছেলেটা হঠাৎ মারল। তুই চলে আসার পর।



ভালো ছেলের কথা মনে পড়তেই তার পাগলামী গুলো মনে পড়ল।

ক্লাসে কিভাবে যেন কথা ছড়ালো, হাবাটা ওর প্রেমে পড়েছে।

ব্যাস! এরপর সে আর সামনেই আসে না।

কাছাকাছি কোথাও দেখলেই দৌড় দিয়ে পালায়। ভালো মেয়ে হাসত।

ভালো মেয়ে ভাবতে ভাবতে হঠাৎ লজ্জা পেল। কেন জানি সে একবার ভালো ছেলেটার একটা খাতা নিয়ে নিয়েছিল। অবাক করা ব্যপার হল এখনও সে সেটা খুব যত্ন করে রেখে দিয়েছে। ফেলেও দেয় নি, ফেরতও দেয় নি।

মনে মনে নিজেকে গাধা বলে গালি দিল।

অবশ্য পরে যখন ক্লাসের সবাই জেনে গেল খারাপ ছেলের সাথে তার কিছু একটা আছে, তখন থেকে ভালো ছেলে কেমন যেন হয়ে যায়।

তাকে ঘনঘন মেজাজ হারাতে দেখা যায়, মারপিটও শুরু করে। সিগ্রেটও নাকি ধরেছিল।

তাকে দেখলে আর লুকাত না। কেমন উদাস চেয়ে থাকত।

ভালো মেয়ের ইচ্ছে হত গিয়ে ওর সাথে কথা বলে। কারণ, সে ওই খাতায় কিছু কবিতার মত লিখেছিল, যা দেখে ভালো মেয়ের মনে হয়েছিল সে যা ভাবে এ ছেলেটাও অনেকটা তাই ভাবে। কিন্তু কেন যেন কখনো কথা বলা হয় নি। লজ্জা,অথবা অন্য কিছু থেকে।



প্রত্যুষা চলে যাবার পর ভালো মেয়ে সেলফ থেকে ভালো ছেলের খাতাটা বের করল।

কখনও সে এটা পুরো পড়ে দেখে নি। মাঝে মাঝে হঠাৎ মাঝখানের কোন পাতা উল্টিয়ে পৃষ্ঠার মাঝের দুএক লাইন পড়ত। আজ শুরু থেকে সে পুরোটা পড়তে লাগলো।

আর অবাক হল সেখানে প্রায় পুরোটা জুড়ে তাকে নিয়ে লেখা দেখে। ইনিয়ে বিনিয়ে শুধু তার কথা লেখা!

প্রত্যুষা বলছিলো, ভালো ছেলে যে মেয়েদের ধোকা দিত বলে সবাই জানত, ওরা নাকি ওর বন্ধু ছিল। সবাইকে দেখানোর জন্য নাকি তারা এসবের অভিনয় করত।

আর খাতায় ভালো ছেলেটা লিখেছে, শুধুই ভালো মেয়েকে দেখাতে আমি কিছু দুষ্টামি করতাম। কিন্তু দুঃখজনক হল সে আমাকে কখনও খেয়ালই করল না !

ভালো মেয়ে মনে মনে ভাবলো, আমি তো খেয়াল করতাম। এমনকি ওই মেয়েগুলোর খোঁজখবর নিতাম পর্যন্ত। কেন নিতাম কে জানে !



সকাল থেকে মন কেমন অস্থির ভালো মেয়ের।

কাল সারা রাত ভালো ছেলের ওই লেখাগুলো পড়ার পর থেকেই কেন যেন তাকে দেখতে ইচ্ছা করছে। ইচ্ছাটা নিজের কাছেই কেমন অদ্ভুত মনে হচ্ছে। কিন্তু তবুও সে ঠিক করে ফেলল আজই সে চিটাগাং যাবে।

আম্মুরা প্রথমে শুনে অবাক হল, এরপর আপত্তি জানালো।

চিটাগাং ওরা যে বাসায় থাকত, সেখানে এখন থাকে ওর চাচা চাচিরা।

ভালো মেয়ে বলল তার খুব ইচ্ছা করছে চাচিদের দেখার। শেষতক যাওয়ার অনুমতি পেয়ে ভালো মেয়ে অদ্ভুত ভালো লাগা নিয়ে আবার আগের সেই জায়গায় যাচ্ছিলো, যেখানে আর কখনও না যাওয়ার কথা ভেবেছিল মনে মনে।



পৌছাতে পৌছাতে সন্ধ্যা পেরিয়ে গেছে।

একটা রিকশা নিয়ে চাচার বাসায় আসতে আসতে ভালো মেয়ে ভাবছিলো কিভাবে ভালো ছেলেকে খুজে পাবে। তার ফোন নাম্বার তো নেই।প্রত্যুষিও এখন চিটাগাং এর বাইরে।



বাসার কাছাকাছি দেখলো কেউ একজন বাসার দিকে তাকিয়ে দাড়িয়ে আছে। রিকশা থেকে নেমে দেখলো এটা সেই ভালো ছেলেটা। যার জন্য তার এখানে আসা। খুজতে হল না, এমনিই যেন ধরা দিল।

বেশ খানিকক্ষণ চুপচাপ দুজন দুজনকে শুধু দেখেই গেল।

ভালো ছেলে হঠাৎ যেন অপ্রভিত হয়ে পড়ল।

ভালো মেয়ের কেন জানি শুধুশুধু কান্না পেল।

জিজ্ঞেস করল, এখানে কি করছো ?

ভালো ছেলে একটু যেন সাহসী হল। মুখ রুলে বলল, তোমাকে দেখার অপেক্ষায় ছিলাম।

ভালো মেয়ে অবাক হয়ে বলল, আমাকে দেখার অপেক্ষায়? মানে!

ভালো ছেলে একটু হেসে বলল, তুমি এসময়টায় বারান্দায় এসে প্রতিদিন বারান্দার ফুলগুলোর সাথে কথা বলতে। প্রতিদিন তাই দেখে থাকি।

আমি এখানে আর থাকি না, এটা জানো না? মুখ টিপে হেসে ভালো মেয়ে বলল।

জানি, তবুও এখানে দেখে থাকতে ভালো লাগে, ভালো ছেলে খানিকটা অপ্রস্তুত হয়ে পড়ল।

খারাপ মেয়ে হঠাৎ গম্ভীর হয়ে বলল, ঠিক আছে। দেখে ফেলেছো। এখন যাও।

ভালো ছেলেটা কিছু বলতে পারল না। কিছু বলতে চাইছে। কিন্তু হয়তো সাহস হচ্ছে না। কাতর নয়নে শুধু তাকিয়ে রইলো।

ভালো মেয়ে অধৈর্য্য হয়ে বলল, কি হল? কিছু বললে বল।

ভালো ছেলে একটু পর মাথা নীচু রেখে বলল, আমার রুমের বারান্দাতেও আমি অনেক ফুল গাছ লাগিয়েছি। আমারও ওদের সাথে রাতে কথা বলতে ইচ্ছা হয়। কিন্তু রাতে একা বারান্দায় যেতে ভয় লাগে।

ভালো মেয়ে একটু একটু হাসছিলো।

ভালো ছেলে নত মাথায় বলল, তুমি আমার সাথে যাবে?

ভালো মেয়ে পায়ের কাছের ব্যাগটা দেখিয়ে দিয়ে বলল, এটা নাও। আমি অনেক টেনেছি। আর ট্যাক্সি ডাকো। অনেক জার্নি হয়সে। হা করে তাকায় আছো কেন? খিদা লাগছে, তাড়াতাড়ি কর।ভালো কথা, গোলাপের টব লাগানো আছে তোমার ওখানে?

ভালো ছেলে একহাতে ব্যাগ নিয়ে আরেকহাতে ভালো মেয়ের হাত ধরে বলল, চল, নিজেই দেখে আসো।



(হ্যাপি এন্ডিং তো হয়ে গেল,

স যারা হ্যাপি এন্ডিং চান তারা বিদায় নিতে পারেন।



আর যারা একটু পড়ে কমেন্ট করলেন 'দুর! বাস্তবে এমন হয় নাকি?' তাদের জন্য বাকি অংশ :P )





না, সব মেয়েটির সপ্ন ছিল।



ভালো মেয়েটি এখনো ব্যাগ হাতে একা দাঁড়িয়ে।

কিও নেই আসে পাশে।

ভাল ছেলেরা হারিয়ে যায়- জন্ম নেয় হাজারো ভালো ছেলের,

আর কিছু ব্যার্থ প্রেমের।



ঐ যে, স্রষ্টা নতুন করে গল্পটা আবার লেখেন না- লিখলেই তো সব শেষ।



এভাবেই হয়ত অন্য কোন গল্প, অন্য কোন জায়গায় ভালো ছেলেটা একা দাঁড়িয়ে থাকে- ভালো মেয়েটির অপেক্ষায়!



হয়ত তাদের খুজে পাওয়া যাবে একলা নির্জন কোন রাস্তায় অথবা বন্ধ ঘরের একটুকরো হতাশায়। (শোয়েব)









এই কঠিন বাস্তবতায় রাজিনের আপত্তি-



বাস্তবতা অস্বীকার করলাম,

আমি কাপুরুষ!

সরে দাড়ালাম,

যুদ্ধ ময়দান থেকে।

কল্পনার বিশ্ব সাজাবো আমার চারপাশে,



একা পড়ে রবো

তবু দূরে থাকতে চাই

নিষ্ঠুর, নির্মম বাস্তবতা থেকে।



পরাজিত আমি,

তবুও খুশী, পাপের

এই বাস্তবতা অস্বীকার করে!

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.