নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিউসনেক্সট

নিউজনক্সেট

ফেসবুক:

নিউজনক্সেট › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমেরিকার ভেতর আরেকটি বাংলাদেশ

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:০৮

এয়ারপোর্টে নেমে ক্লান্তি হোক বা অন্য কিছু, আমেরিকা আসার বিষয়টা আমাকে যতটা কৌতূহলী করেছিলো, জ্যাকসন হাইটস এ আসার পর বেশ একটা ধাক্কা খেলাম। কেননা, নতুন একটা দেশে নতুন মানুষদের সহচর্যই প্রত্যাশিত, অথচ এ যেন আরেক বাংলাদেশ!



অথচ, জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা । দোকানপাট বলতে গেলে সবই বাংলাদেশিদের। চারপাশে সাইনবোর্ড থেকে শুরু করে সব কিছুই বাংলা লেখা, বাংলাদেশের মোবাইল এ রিচার্জ করার দোকান থেকে শুরু করে রেস্টুরেন্ট সবকিছুই বাংলাতে লেখা! জ্যাকসন হাইটস এ আসলেই যেন খুব দেশ দেশ মনে হয়।



এমনকি বাংলায় লেখা হয় সাইনবোর্ড

জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা । দোকানপাট বলতে গেলে সবই বাংলাদেশিদের। চারপাশে সাইনবোর্ড থেকে শুরু করে সব কিছুই বাংলায় লেখা, বাংলাদেশের মোবাইল এ রিচার্জ করার দোকান থেকে শুরু করে রেস্টুরেন্ট এ সবকিছুই! জ্যাকসন হাইটস এ আসলেই যেন খুব দেশ দেশ মনে হয়।



তবে, এখানে লোকজন বেশিরভাগই ঢাকার বাইরে থেকে আসা, মানে মফস্বলের লোকজন। তাদের বাংলা বলা বা পোশাক আশাকে তাই সহজেই অনুমান করা যায়। একটা চমৎকার ব্যাপার হচ্ছে লোকজন সারাদিনের কাজের পর এইখানটাতে আসে সন্ধ্যা বেলায়। আড্ডা দেয়া চা গল্পগুজব জমে এখানেই। মজার ব্যাপার হচ্ছে এর মাঝেই মেয়েরা হেটে গেলে তাদের টিজ করতেও ছাড়ে না কিছু বখাটে বাঙালিরা। বাঙালি মেয়েদের দেখলে বুঝি এদের দেশি রক্ত উদ্বেলিত হয়ে ওঠে কিছু বলার জন্যে।



আমেরিকাতে আমি যেখানটাতে আছি সেখানে নিউইয়র্ক এর মতো এত বাঙালি না থাকলেও বেশ কিছু লোকজন আছেন। সবাই কমবেশি পনেরো বিশ বছর ধরেই আছেনতাদের প্রত্যেকেরই আর্থিক অবস্থা বেশ ভালো হলেও কেউ কেউ বেশ ধনী, রীতিমত লোকাল নিউজপেপারগুলোতে এলাকার ধনীদের তালিকায় তাদের নাম খুঁজে পাওয়া যায়।





আমেরিকানদের বলা হয় নো ভ্যাকেশন নেশন। যেখানে খোদ আমেরিকানরা কাজ ছাড়া থাকে না সেখানে বাঙ্গালিরা তো আসেই উন্নত জীবন এর খোঁজে। অনেকেই রাত দিন ২/৩ টা কাজ করেন। বৃদ্ধ মা বাবাদের দেশ থেকে এইখানে নিয়ে আসেন অনেকেই। অথচ, তাদের দেখভাল এর জন্য কেউই থাকেন না। এমনটাও দেখেছি বৃদ্ধ বাবা একা একা বাড়িতেই মারা গেছেন। এমনকি, তাদের কবরও দেয়া হয়েছে এখানের মাটিতেই।



জীবন এখানে বেশ কঠিন। কাজ কাজ আর কাজ। এর ভেতরেও প্রত্যেক শনিবারই পরিচিত কারো না কারো বাসায় পার্টির আয়োজন করে ছুটিটা উপভোগ্য করে তোলার চেস্টা করে সবাই। সেখানে নানারকম খাবার হই-হুল্লোর থাকেই।



জীবন এখানে বেশ কঠিন। কাজ কাজ আর কাজ। এর ভেতরেও প্রত্যেক শনিবারই পরিচিত কারো না কারো বাসায় পার্টির আয়োজন করে ছুটিটা উপভোগ্য করে তোলার চেস্টা করে সবাই। সেখানে নানারকম খাবার হই-হুল্লোর থাকেই। সেইসব পার্টিও চলতে থাকে রাত ২/৩ টা অবধি। বেশিরভাগ লোকজন ধর্মভিরু হলেও পার্টিতে গান বাজনায় আপত্তি থাকে না অবশ্য তেমন কারুরই। পূর্বে প্রকাশীত

(ধারাবাহিক)

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.