নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ব্লগিং করার মতো জ্ঞান নেই। পড়তে মন চাই কিন্তু নেট অার ফোন কাছে থাকলে সে ইচ্ছে হারিয়ে যাই। আমি খুব অলস। কিন্তু অনলাইনে অক্লান্ত। এটাকে কি বলবেন জানিনা, অনেকে নেশা বলে...

সামিউল ইসলাম বাবু

আত্মনিয়ন্ত্রণ + পরিকল্পনা + পরিশ্রম + মুখ বন্ধ রাখা = সফলতা

সামিউল ইসলাম বাবু › বিস্তারিত পোস্টঃ

চলতে ফিরতে দেখা ০৩

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:২৫

চলতে ফিরতে দেখা (ছবি ব্লগ)
চলতে ফিরতে দেখা ০২
চলতে ফিরতে দেখা ০১




পকেটটা দেখেনতো ঠিক ঠাক অাছে কিনাঃ

রাস্তাদিয়ে হাটতেছেন? বাসে চড়ে কোথাও যাচ্ছেন? অথবা ট্রেনে? অাচ্ছা অাপনার পকেটে হাতদিয়ে দেখেনতো মানিব্যাগটা ঠিক অাছেকিনা? অামি লুঙ্গি পরে বিছানাই শুয়ে অাছি। তাই হয়তো মানিব্যাগটা ঠিকই অাছে। যাক বাবা। গরিব মানুষ। চোরে বেছে বেছে গরিবের টাকাটাই নেয়।

ঘটনাটা ঘুব মনে নাড়া দিয়েছিলো। বেশ কবার লিখতে যেয়েও লিখা হয়ে ওঠেনি অাজ যখন লেখছি তখনও একটা ঘটনা ঘটে গেছে, তাই লিখছি।
৩১/১০/১৭ তারিখ। রাত ৮:০০ টা। গার্মেন্টস ছুটি হয়েছে। সকল গার্মেন্টস কর্মী তার গন্তব্যে ফিরে চলেছে। তেমনই রেশমাও চলেছে(রূপক নাম)। কিন্তু একটু পরেই যা ঘোটলো তার জন্য প্রস্তুত ছিলোনা রেশমা। একদল ছিন্তায়কারী এসে রেশমার সমস্ত টাকা কেড়ে নিয়ে গেলো। এই টাকা দিয়ে চলতে হবে রেশমাকে। টাকা পাঠাতে হবে গ্রামে তার বৃদ্ধ বাবা মায়ের জন্য। কিন্তু এসবতো ছিন্তায়কারী মানুষ রূপী জানোয়ারদের দেখার সময় নেই। কারণ তাদের টাকা দরকার। এই টাকা শুধু তাদের টাকা নয়। (ভাবতে অবাক লাগে) এখানে জড়িয়ে অাছে কিছু পুলিশ নাম ধারী সরকারি সন্ত্রাসীর জীবিকা। কথাটি শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্য। প্রত্যেক ছিন্তায় এবং চুরি থেকে অামাদের পুলিশ ভায়েরা ভাগ পেয়ে থাকেন। শুধু তাই নয়, অারো উপরেও টাকাটা যেয়ে থাকে।

অাজ টাকাটা রেশমার থেকেও ওদের বেশি প্রয়োজনছিলো। তাই নিয়েগেলো। পাশেই পুলিশ ছিলো। তবে বাংলা সিনেমার মতো শেষে এসে খোজ নিলো। সার্চ করলো, কারো কাছে নেই। টাকাটা বাষ্প হয়েগেছে। রেশমার কান্না অার কষ্টোটার ভাগ কে নিবে।

এসব ছিন্তায়ের কৌশলটা হলোঃ ছিন্তায়কারীরা দলবেধে ৩-৪ জন একত্রে থাকে। রাস্তায়,বাসে বা ট্রেনে টার্গেটকৃত ব্যক্তির অাশেপাশে জটলা তৈরী করে। গল্পো করে। তারপর সুযোগ করে টাকা, মোবাইল মানিব্যাগ হাতিয়ে নেয়। ভিক্টিম যদি বলে অামার টাকা নিয়েছিস তুই। হাসতে হাসতে বলবে না, অামি নেয়নি। তাই বলে সে তার পকেট দেখিয়ে দেবে। ঐ ৩-৪ জনের মধ্য থেকে একজনের কাছে টাকাটা দিয়ে দেবে। সে ঐ স্থান থেকে দ্রুত সরে পড়বে। বাকিরা ভিক্টিমের সাথে কথা বলবে। সহযোগীতার নামে বিভিন্ন কথা বলবে। বলতে বলতে সুযোগ মতো কেটে পড়বে।


পোষ্ট যখন লেখা শুরু করি তখন মোকাদ্দেস ভাই একটা এ্যান্ড্রয়েড হারিয়ে অাসলো। ঘটনাটা ঘটে বাসের মধ্য থেকে।

সপ্তাহ দুয়েক অাগে শাওন একই কায়দায় মানিব্যাগ সহ টাকা হারিয়েছে।

এখন ছিন্তায় হায়জাক একটা কমন ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। কখন জানি ফোনটা হারায়ে যায়। অার মানিব্যাগটা...
গরিব মানুষের যত সমস্যা।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৫

শামচুল হক বলেছেন: এই জ্বালায় অনেকেই জ্বলেছি।

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১১

সামিউল ইসলাম বাবু বলেছেন: এই জালা অার প্রাণে সহেনা

২| ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৩৬

সুমন কর বলেছেন: হুম, কবি নিরব !!!

টাইপে সচেতন হতে হবে।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:০০

সামিউল ইসলাম বাবু বলেছেন: ধন্যবাদ।

ভুলগুলো ধরিয়ে দিলে ভালো হয়।

শুভেচ্ছা নিরন্তর।

৩| ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:১৪

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: পকেটমারের ভয়ে মানিব্যাগ ব্যবহার করি না। টাকা আর মোবাইল সামনের পকেটে থাকলেও কিছুক্ষণ পরপর চেক করি ঠিক মত আছে কিনা...

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:০১

সামিউল ইসলাম বাবু বলেছেন: হা হা হা

একই অবস্থা ভাই

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.