নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শিক্ষক, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক। ফেসবুকে যুক্ত হোনঃ www.facebook.com/dev.d.nipun

...নিপুণ কথন...

সময়ের সাথে দৌঁড়ে পারিনা, জীবনের দৌঁড়েও পিছিয়ে আমি!খুঁজে ফিরি আপন মানুষ, মাঝে মাঝে হই বেহুঁশ...হৃদয়ে অবিরাম স্বপ্ন গাঁথন, বলব আজ নিপুণ-কথন।

...নিপুণ কথন... › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঢাকেশ্বরী মন্দিরের নিরাপত্তা নিয়ে কিছু কথা

০২ রা মার্চ, ২০১৮ দুপুর ১:৩৭

ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের গেট দিয়ে ঢুকতেই দেখি বাংলাদেশ আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক Pankaz Debnath এমপি দাদা, দাঁড়িয়ে আছেন । সাথে ব্যান্ড পার্টি আর বরপক্ষ। বুঝলাম, বিয়ের আয়োজনে এসেছেন, খুব সম্ভবত তাঁর আপন কারো বিয়ে। দাদা খুব ব্যস্ত বিধায় এগিয়ে গিয়ে কথা বলা হলো না। খুবই সাধারণ পোষাকে ছিলাম, যা বিয়ের সাথে বেমানান। শরীরটাও ভালো নেই, সারাদিন পর একটু হাঁটতে বের হয়েছি, মাথা
নিচু করে মন্দিরের দিকে চলে গেলাম। কিছুক্ষণ পর বরপক্ষ টোপর পরা বরকে নিয়ে বাদ্য বাজাতে বাজাতে রাস্তার দিকে এগিয়ে গেলো। সামনেই মাইকে ওয়াজের শব্দ আর মন্দির চত্বরে বিয়ের বাদ্য মিলেমিশে একাকার হলো।
.
এর আগে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে গিয়েছিলাম শনিপূজার দিন, বন্ধুদের সাথে। সেদিনও কোনো মেটাল ডিটেক্টর বা ইলেক্ট্রিক ডিভাইস বসানো গেট পেরিয়ে গিয়েছি বলে মনে পরে না। এই গেট দেখেছি গোপীবাগের রামকৃষ্ণ মিশনে। দেখেছি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা। কিন্তু জাতীয় মন্দিরে কেন নেই, বিষয়টি আমাকে ভাবালো। মূল রাস্তা থেকে মন্দিরে ঢুকতে তিনজন পুলিশ সদস্য, আমি সাধারণ পোষাকে ঢুকে গেলাম স্যান্ডেল পায়ে দিয়ে, আমাকে চেক করলো না। এমনকি একজন সংসদ সদস্যর খুব কাছ দিয়ে হেঁটে যেতেও আমাকে কেউ বাধা দেয়নি। বাইরে মূল রাস্তায় যদিও পুলিশের একটি ভ্যান ছিলো। মন্দিরের নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা কেউ গেটে ছিলেন বলে মনে হয়নি।
.
আমি মনে করি ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকে আরেকটু ভালোভাবে নজর দেওয়া দরকার। এটা একান্তই আমার ব্যক্তিগত মতামত। সামনে নির্বাচন । অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটে যাওয়ার আগেই পর্যাপ্ত সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি বলে মনে করি।এমনিতেই লোকেশনটা অতটা সদরে নয়।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৯

রাজীব নুর বলেছেন: দেশে সমসয়ার শেষ নেই, আপনি আসছেন মন্দির নিয়ে !!!!

০৩ রা মার্চ, ২০১৮ রাত ৩:১৯

...নিপুণ কথন... বলেছেন: হামলা হলে সমস্যা আরও বাড়বে। সামনে নির্বাচন, কেউ যাতে এই সুযোগটা না নেয় এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করতে পারে, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।

২| ০৩ রা মার্চ, ২০১৮ সকাল ১০:২৬

বারিধারা ২ বলেছেন: একটা মন্দিরে কে বোমা ফাটাতে যাবে? যদি যায়ই, তবে হিন্দু কয়জন মারা যাবে, কিন্তু বিপদে তো পড়বে এদেশের হিন্দু-মুসলিম মিলিয়ে ১৬ কোটি মানুষ!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.