![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সময়ের সাথে দৌঁড়ে পারিনা, জীবনের দৌঁড়েও পিছিয়ে আমি!খুঁজে ফিরি আপন মানুষ, মাঝে মাঝে হই বেহুঁশ...হৃদয়ে অবিরাম স্বপ্ন গাঁথন, বলব আজ নিপুণ-কথন।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর অবদান অস্বীকার করা যাবে না। তিনি বিশ্বব্যাপী ভ্রমণ করে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠন করেছেন, ১ কোটির বেশি শরণার্থীকে আশ্রয়-খাদ্য দিয়েছেন, যুদ্ধক্ষেত্র প্রস্তুত করে পাকিস্তানকে যুদ্ধে আহ্বান করে মিত্রবাহিনী গঠন করে মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে বিজয়লাভে কার্যকর ভূমিকা রেখেছেন। আমেরিকার প্রেসিডেন্টের হুমকি উপেক্ষা করে তিনি সেভেন্থ ফ্লিটকে পর্যন্ত বঙ্গোপসাগর থেকে ফিরিয়ে দিয়েছেন, তাদের আসার আগেই পাকিস্তান আত্মসমর্পণ করেছে৷ এসব ইতিহাসের পাতায় লেখা আছে, থাকবে।
পত্রিকার হেডলাইন হয়েছিলো, "ইন্দিরাই ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়াই ইন্দিরা"! একজন ব্যাক্তি ইন্দুর বায়োপিক বলা যায় অতি সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত কঙ্গনা রাণৌত অভিনীতি 'ইমার্জেন্সি' ছবিটিকে। দক্ষিণের জনপ্রিয় নেত্রীর বায়োপিক 'থালাইভি'র মত এখানে ইন্দিরার চরিত্রেও তিনি অনবদ্য অভিনয় করেছেন। ইন্দিরার জীবনের ভুল থেকে শুরু করে সাফল্যগুলো উঠে এসেছে। বিশেষ করে ছোটছেলে সঞ্জয়ের বুদ্ধিতে ভারত জুড়ে পঁচাত্তরের ইমার্জেন্সি প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। উঠে এসেছে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার বিষয়টিও। এই হত্যা দেখে তিনি ইমার্জেন্সি রদের বদলে আরও বাড়িয়ে দেন। কিন্তু তবুও শেষ রক্ষা হয়নি। শিখদের বিদ্রোহ দমাতে গিয়ে স্বর্ণমন্দিরে যে অ্যাকশানে যান তিনি, তার রিয়্যাকশানে নিজের শিখ বডিগার্ডদের গুলিতেই নিহত হন তিনি। পিএসের পরামর্শ নেননি শিখ গার্ডদের বাদ দেয়ার। এইসব কাহিনী সুন্দরভাবে আবেগময় দৃশপটে ভেসে উঠেছে এই ছবিতে।
তবে কিছু ত্রুটিও আছে। বাংলা ডায়ালগে ভুল রয়ে গেছে। ইতিহাস উল্লেখেও অনেকের মতভেদ থাকতে পারে। বঙ্গবন্ধুর ভাষণগুলো পরিচিত ভাষণের চেয়ে কিছুটা আলাদা। সব মিলিয়ে ছবিটি ইতিহাসকে কতটা সফলতার সাথে তুলে আনতে পেরেছে, তা মুক্তিযোদ্ধা ও ইতিহাসবিদরা ভালো বলতে পারবেন৷ তবে মূলত একজন বিজেপি সমর্থক হয়েও কঙ্গনা যেভাবে কংগ্রেসনেত্রী ইন্দিরার বায়োপিকে অনবদ্য অভিনয় করেছেন, তাঁকে অনুকরণ করে অঙ্গভঙ্গি করেছেন, এমনকি কণ্ঠস্বরকেও পরিবর্তিত করেছেন, তা প্রশংসার দাবি রাখে। দেব দুলাল গুহ।
সম্ভব হলে ছবিটি সবাই দেখবেন। দেখা যাচ্ছে নেটফ্লিক্সে।
২| ১৯ শে মার্চ, ২০২৫ সকাল ১০:১২
রাজীব নুর বলেছেন: ইন্দিরা সাহসী মানুষ। বাংলাদেশের বন্ধু। যুদ্ধের সময় তাজউদ্দিন উনার সাথে আঠার মতো লেগে ছিলেন। তাজ উদ্দিন বুঝতে পেরেছিলাম যুদ্ধ জয়ী হতে হলে তার সাহায্য ছাড়া সম্ভব নয়। ইন্দিরা আমাদের সাহায্য না করলে যুদ্ধে জয়ী হতে কষ্ট হতো। তার অবদান আমরা কোনোদিন ভুলব না।
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই মার্চ, ২০২৫ রাত ১১:১০
কাছের-মানুষ বলেছেন: ছবিটি দেখা ইচ্ছে আছে কোন ওটিটি-তে এলে!