![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সময়ের সাথে দৌঁড়ে পারিনা, জীবনের দৌঁড়েও পিছিয়ে আমি!খুঁজে ফিরি আপন মানুষ, মাঝে মাঝে হই বেহুঁশ...হৃদয়ে অবিরাম স্বপ্ন গাঁথন, বলব আজ নিপুণ-কথন।
মাননীয় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা আমদানি করবো, যাতে তারা বাড়তি ট্যারিফ যোগ করতে দ্বিধায় ভোগে! কিন্তু এটা কতটা ফিজবল প্ল্যান? দেশের ভবিষ্যৎ বিবেচনায় তা আলোচনার জোর দাবি রাখে। কেননা RMG সেক্টর বাংলাদেশের আয়ের প্রধান উৎস আর এই সেক্টরের প্রায় সকল আয়ই আমাদের আসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে। আর যুক্তরাষ্ট্রও এখন দানশীল হওয়ার বা উদারতা দেখানোর মুডে নেই। আমরা সেই সম্পর্ক রাখতে পারিনি ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে।
মাফ করবেন স্যার, কিন্তু আমার বোধগম্য হচ্ছে না এই কৌশল কতটা কার্যকর হবে, কতটা উপকৃত হবো আমরা। আমেরিকা থেকে তুলা আমদানি করতে কী পরিমাণ খরচ হবে? ক্রয়মূল্য আর শিপিং কস্ট মিলিয়ে যে খরচ হবে, তাতে কি খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি হয়ে যাবে না? এত দূর থেকে এত দাম দিয়ে তুলা কিনে সাত সমুদ্র তের নদী পাড়ি দিয়ে এনে আবার এতোদূর পাঠানোর চেয়ে বরং যুক্তরাষ্ট্রের কাছাকাছি কোথাও জাহাজ ভাড়া করে সেখানেই পোশাক শ্রমিকদের স্থায়ীভাবে থাকার ব্যবস্থা করে উৎপাদন করা ও রপ্তানি করা অপেক্ষাকৃত লাভজনক প্ল্যান হতে পারে! কোনো ছোটমোট দ্বীপও ভাড়া নেয়া যায়।
আমার মনে হয়, এর চেয়ে লোকাল তুলার উৎপাদন বাড়িয়ে বা আশপাশ থেকে স্বল্পমূল্যে তুলা কিনে আগের মতোই রপ্তানি করা ভালো আর ট্রাম্প-তুলসী গ্যাবার্ডদের সমালোচনা না করে ও দেশীয় মিডিয়াতেও বেহুদা গুজব ও সমালোচনা প্রতিহত করে সম্পর্কর উন্নতির দিকেই আমাদের মূল ফোকাস হওয়া উচিত। ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের উপর নাখোশ, এটাই এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ। তবে দেশে তুলা যে উৎপাদন করবেন, সেই জমি কোথায়? কাসেমিদের দমন না করলে দেশে জনসংখ্যা আরও বাড়্তে
ই থাকবে আর কৃষিজমি কমতে থাকবে।
প্রথম মেয়াদে ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর আমাদের এক স্যার বলেছিলেন, আমেরিকার আকাশে নাকি গ্রহণ নেমে এসেছিলো! সে কথা ট্রাম্প ভোলেননি। ভুললেও তাঁকে মনে করিয়ে দেয়ার লোক আছে যে তাঁর বিরুদ্ধশিবিরে কত টাকা ঢালা হয়েছে। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও শুনলাম ব্যাপক লবিং করা হয়েছে, ট্রাম্পের নির্বাচনী ফান্ডেও অর্থায়ন করা হয়েছে। তাছাড়া ট্রাম্প প্রশাসন মূলত ভারতীয় সংশ্লিষ্ট দিয়ে ভর্তি, নিরাপত্তাপ্রধান থেকে ভাইস প্রেসিডেন্ট-- কে নেই এই তালিকায়? তাঁরাও এখন অঘোষিত বিরোধী হয়ে গেছেন আমাদের। এসব কারণ ভারত, পাকিস্তান এমনকি চীনের চেয়েও বেশী ট্যারিফ বাংলাদেশের উপর ধার্য করায় বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে হচ্ছে। এমনটা যে হবে, তা ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার আগেই আমি লিখেছিলাম।
সাম্প্রতিক চীন সফরে 'এক চীন নীতি'-র প্রতি সমর্থন প্রদান আমাদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ালো। তাইওয়ানের অস্তিত্ব এই সময়ে অস্বীকার করার কি খুব দরকার ছিলো? পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কি এমন কেউ নেই যিনি এটুকু বলতেন যে আমেরিকা নতুন ট্যারিফ ঘোষণা করবে কিছুদিনের মধ্যেই, এমনিতেই তারা ক্ষেপে আছে, তুলসী গ্যাবার্ডের বক্তব্য তাই প্রমাণ করছে; আপাতত তাদেরকে আর রাগানোর দরকার নেই? নাকি সবাই ভেবেছিলো আমেরিকাতেও আমাদের বন্ধু আছে, তাঁরাই সব সামলে নিবেন? তারা কি জানেন না যে আমেরিকায় এখন আর হিলারী ক্লিনটনের দল ক্ষমতায় নেই? কেউ কি ভাবেনি যে আমরাই কেবল বিজনেস বুঝি না, তাঁরাও বোঝেন?
যাহোক, এখানেই শেষ নয়, আরও স্যাংকশান আসবে। সমস্যা হচ্ছে, এটা শুধু ক্ষমতাসীনদের বা নীতিনির্ধারকদের ক্ষতি করবে না, ক্ষতি করবে আমজনতারও। বিশেষ করে গার্মেন্টস শ্রমিকদের অবস্থা আরও খারাপ হবে। এমনিতেই ঈদের আগে অনেকেই বেতন-ভাতা ছাড়াই বাড়ি যেতে বাধ্য হয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়বে, দ্রব্যমূল্য বাড়বে। অনেকে বেকার হয়ে পড়বে। সরকারি চাকুরেদের বেতন স্কেল আর আগামী ৫-১০ বছরেও আসার সম্ভাবনা দেখছি না। যেটুকু অতিরিক্তর আশায় ছিলেন সবাই, তাও অনিশ্চিত। কাজেই, আমার মতো যারা শুধু বেতনের টাকায় চলেন, তাঁদের জন্য একটাই ভবিতব্য: 'ভবিষ্যৎ অন্ধকার'। দেব দুলাল গুহ।
আপনাদের কী মনে হচ্ছে? RMG সেক্টরের ভবিষ্যৎ কি?
Reference :
https://lm.facebook.com/l.php?u=https://www.tbsnews.net/bangla/bangladesh/news-details-322346?fbclid=IwZXh0bgNhZW0CMTEAAR2BewxbZePiiZKygFPDDPNHIdPIWDTbkjxaxmWpEE6DYKXw5z6i1ORLHM4_aem_vLyxz_iZUR9XxlGP6WJvhw&h=AT0GtvLfsgsqW2KdXsrMnz3ZKT552RzI83PzVP3we4_C97hhyLppyzSxI2Ps3mFbavOQ8hqSQtGLf41xul_niJa0ohQo4sZVtJT0ih8yQMEtjm5rDMz0j_84vv9Fb_FXMVY67N-Rgji_ztZS
এদিকে ব্যাংককেও মোদির সাথে বৈঠক হচ্ছে না অধ্যাপক ইউনূসের।
২| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ২:৪৬
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ আগে থেকেই তুলা আমদানি করে, পরিমাণটা একটু হয়তো বাড়াবে, এটা প্রত্যাশিত ছিলো।
৩| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ বিকাল ৩:২৫
নতুন বলেছেন: স্যার বাংলাদেশের উপর শুল্ক বাড়াতে আপনার আনন্দ হচ্ছে বলে মেনে হচ্ছে।
কেননা RMG সেক্টর বাংলাদেশের আয়ের প্রধান উৎস আর এই সেক্টরের প্রায় সকল আয়ই আমাদের আসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে। আর যুক্তরাষ্ট্রও এখন দানশীল হওয়ার বা উদারতা দেখানোর মুডে নেই। আমরা সেই সম্পর্ক রাখতে পারিনি ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে।
আমেরিকাতে আমাদের রপ্তানি ৭.৫বিলিওনের মতন। ১৫% তাই আমেরিকা থেকে সকল আয় সেটা সত্য না।
বাকি যারা আমাদের প্রতিদন্ডি তাদের উপরেও এমনই শুল্ক আরপ করেছে। তাই ২-১% দাম বাড়াতে ক্রেতারা সবাই ভিয়েতনাম, থাইলেন্ড চলে যাবেনা।
একটা প্রশ্ন বলতে পারেন এই শুল্ক বাড়াতে শেখ হাসিনা আর আফসোসলীগই সবচেয়ে খুশি হবার কারন কি?
৪| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ বিকাল ৩:২৯
পুরানমানব বলেছেন: কুত্তার লেজ সোজা হয়না। আপনার ওপর কিছু দিবস আগেই একটা ডোজ গিয়াছে।
৫| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ বিকাল ৩:৩৯
রিফাত হোসেন বলেছেন: সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার লেখা পক্ষপাতমূলক। সত্য-মিথ্যা মিশ্রণ ঘটিয়ে লেখা অনুচিত। মোদি ও তুলসী গ্যাবার্ডের সাথে শুল্ক বাড়ানোর কি সম্পর্ক? এই শুল্ক বাংলাদেশ ছাড়াও আরো অনেক দেশের উপর শুল্ক আরোপ হয়েছে
৬| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:০২
নতুন বলেছেন: এদিকে ব্যাংককেও মোদির সাথে বৈঠক হচ্ছে না অধ্যাপক ইউনূসের।
ব্যাংককে ইিন্দি ট্রান্সেলেটর নিয়ে যায়নি মোদী তাই ড: ইউনুসের সাথে মিটিং করতে সাহস পাচ্ছেনা।
৭| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:৫৪
নতুন বলেছেন:
মোদি জী গোস্বা করেছেন।
৮| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ৯:২৪
রাজীব নুর বলেছেন: ইউনুস সাহেব অন্যদের মতোই।
তিনি গত সাত মাসে ভালো কিছু করে দেখাতে পারেন নাই।
জিকির উঠেছে সবজির দাম কম। কোথায় কম?
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ১:৫৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার লেখা পক্ষপাতমূলক। সত্য-মিথ্যা মিশ্রণ ঘটিয়ে লেখা অনুচিত। মোদি ও তুলসী গ্যাবার্ডের সাথে শুল্ক বাড়ানোর কি সম্পর্ক? এই শুল্ক বাংলাদেশ ছাড়াও আরো অনেক দেশের উপর শুল্ক আরোপ হয়েছে।