নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

যে কোনো ভূমিকায় সমানে লড়ে যাই, আপনি যেমন চান আমি ঠিক তাই।

নান্দনিক নন্দিনী

লেখালেখি হচ্ছে প্রেমে পড়ার মতন একটা ব্যাপার, কোনো ধরনের কর্তৃত্ব জাহির করা নয়।

নান্দনিক নন্দিনী › বিস্তারিত পোস্টঃ

\'এনার্জি ড্রিংক’স\' নিয়মিত পান করছেন তো?

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:২৪



বাংলাদেশে ২০০৯ সালের ১০ মে শার্ক এনার্জি ড্রিংক’স বাজারে আনা হয়। সম্ভবত এটাই এদেশের প্রথম এনার্জি ড্রিংক’স। এরপর একে একে নায়ক, গায়ক থেকে শুরু করে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সবাই নাকি এনার্জির জন্য পান করেন এনার্জি ড্রিংক’স। বিজ্ঞাপনে সাকিব আল হাসান তো বলছেন-ই, “রয়েল টাইগার” আমার এনার্জির পার্টনার। আসুন জেনে নেই অন্যান্য বিজ্ঞাপন বার্তা গুলো আমাদের কে কি বলছে-

ব্ল্যাক হর্স- “গায়ক জেমস বলছেন- হাতের মুঠোয় আছে জীবনের স্বাদ, তাজা ভালোবাসা- তাজা প্রতিবাদ, চলে এসো বন্ধুরা মেতে উঠি ফে্ মুছে নিই কতটা এক চুমুকের ব্ল্যাক হর্স দিয়ে। নিস্ফল হতাশা যাক ধুয়ে মুছে, অভিমানী মন জাগে সাফল্য নিয়ে। ব্ল্যাক হর্স সোর্স অফ পাওয়ার।“

পাওয়ার-“সবাই আমাকে চেনো, সবাই আমাকে জানো, আমার পাওয়ার এর খবর কি কেউ রাখো। পাওয়ার পাওয়ার শাকিবের পাওয়ার। হিংসা করিনা পাওয়ার এর কারনে। আসুক ঝড় তুফান উড়ে যাবে পাওয়ার এ”।

রয়েল টাইগার নিয়ে আইয়ুব বাচ্চু’র গান- এসো সবাই মিলে গাই গান, ভরে যাক এই প্রাণ।অন্তর জুড়ে সবার মন চায় বারে বার টাইগার-টাইগার। রিচার্জ ইয়োরসেলফ”।

২০টাকায় ঢাকা যাওয়ার এক বিজ্ঞাপনে বলা হয়, শার্ক খেলে এমন এনার্জি পাবেন যে ধরা কে সরা জ্ঞান করবেন। রাশ এনার্জি ড্রিংক’স খেলে তো আপনি পাটুরিয়া থেকে সাতরিয়ে বাহামাস যেতে পারবেন। বলা হছে রাশ-“মানুষ না মেশিন”(২০১৪)।

এভাবেই গল্পটা এগিয়ে চলে। একাধিক তারকাখচিত বিজ্ঞাপন-ই শুধু নয় আরো বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় বিজ্ঞাপনের তালিকায় রয়েছে, স্পিড এনার্জি ড্রিংক’স এর ছায়া ধরার বিজ্ঞাপন কিংবা রয়েল এনার্জি ড্রিংক’স এর মাকড়সা দেখে ভীত এক মেয়ের হেল্প চাওয়া বিজ্ঞাপন তো সবারই দেখা।

২০-৩০ টাকা দামের এইসব এনার্জি ড্রিংকসের ভোক্তা ১২ থেকে ৪০ বছরের অনেকেই। তীব্র ঝাঝালো গন্ধ প্রায় সব মুদি দোকানেই নিজের সগৌরব উপস্থিতি জানান দেয়। কিন্তু এই জনপ্রিয়তার কারন কি?

শুরুতেই এনার্জি ড্রিংক’স ফেনসিডিল সদৃশ্য বোতলে বাজারজাত করে ক্রেতা সাধারনের দৃষ্টি আকর্ষন করা হয়। বিজ্ঞাপনের নানা গুনগান আর সাথে নিষিদ্ধ “এ্যালকোহোল” গ্রহনের প্রতি তরুন সমাজের দূর্নিবার আকর্ষন। এখন পরিচিত এইসব পানীয় আবার কালারফুল ক্যান-এ এই পানীয় বাজারজাত করা হচ্ছে। অনিয়ন্ত্রিত বাজারও উল্লেখযোগ্য কারন গুলোর একটি ।

এদেশের বাজারে প্রচলিত ৩৫ থেকে ৪০ জাতের এনার্জি ড্রিংক’স এর মধ্যে রয়েছে-
স্পিড, পাওয়ার, ব্ল্যাক হর্স, স্টিং, রয়েল টাইগার, বার্বিক্যান, পিওর হেভেন, ওলিটালিয়া, টেস্কোবেরিমিক্সড, মসি, থ্রি হর্স, লোটিসেক্সাফ্রাফ, আপেল ড্রিঙ্কস, রেড বুল, হার্সিজ সিরাপ, রয়েল ডাচ, জলিন্টার ব্লুবেরি, ব্লে ট্রি, ভিগো বি, হর্স ফিলিংস, ফিলিংস, ফুওয়াং ড্রিঙ্কস, সার্ক, ক্রাউন, বিগ বস, ম্যান পাওয়ার, হর্স পাওয়ার, জিংসিং, রেড ওয়াইন।

এবার জেনে নেয়া যাক এসব পানীয়তে কি কি উপাদান ব্যবহার করা হয়-

স্পিড
সোডিয়াম বেনজোয়েট ১৮৯.৫৪ মিলি গ্রাম
ক্যাফেইন টক্সিক ৫০৬.৪৩ মিলিগ্রাম
স্যাকারিন সহনীয় মাত্রা

পাওয়ার
সোডিয়াম বেনজোয়েট ১৭৯.৮৪ মিলি গ্রাম
ক্যাফেইন ৩৮২.৭১ মিলি গ্রাম
স্যাকারিন ৮.৬৯ মিলি গ্রাম

স্টিং
সোডিয়াম বেনজোয়েট ১৪৯.০৪ মিলিগ্রাম
ক্যাফেইন ৪৬.২৬ মিলি গ্রাম

জিংসিং
সোডিয়াম বেনজোয়েট ৪৮৩১.৯৯ মিলিগ্রাম
ক্যাফেইন তেমন নেই
স্যাকারিন ৪৬৩.২৯ মিলিগ্রাম

ব্ল্যাক হর্স
সোডিয়াম বেনজোয়েট ১১৯.৭২
ক্যাফেইন ৩৫২.৬৮ মিলি গ্রাম
স্যাকারিন ৪,৩৫ মিলি গ্রাম

তাছাড়া এগুলোর কোন কোনটিতে ইথানল, সোডিয়াম সাইট্রেট, সাইট্রিক এসিড ব্যবহার করা হয়। (বিভিন্ন পানীয়তে ব্যবহৃত এসব উপাদানের পরিমান বিএসটিআই এর গবেষণায় পাওয়া গেছে।)

বাংলাদেশের আইন অনুসারে বিডিএস ১১২৩ এর ধারা বলে বিশ্বব্যাপী ক্যাফেইনকে কালো তালিকাভুক্ত করার পর বিডিএস লিটার প্রতি কোমল পানীয়ে ১৪৫ মিলি গ্রামের বেশি ক্যাফেইন মেশানো নিষিদ্ধ করে। আন্তর্জাতিক পরিসরে পার্শ্ববতী ভারতে প্রতি লিটার সফট ড্রিঙ্কসে ১৪৫ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন মেশানো হয়, ইংল্যান্ডে ১৩০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন মেশানো হয়। ঔষধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুসারে কোন কোমল পানীয়ে যৌন উত্তেজক রাসায়নিক পদার্থ অপিয়েট অ সিলড্রেনাফিল সাইট্রেট ব্যবহার নিষীদ্ধ থাকলেও উপরে বর্ণিত বেশিরভাগ কোমল পানীয়ে অতি উচ্চমাত্রায় এসব রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

খাদ্য নিরাপত্তা আইন ২০১৩ এর অধীনে ‘নিরাপদ খাদ্যের উৎপাদন পদ্ধতি সম্পর্কে বলা আছে যে, (খাদ্যদ্রব্য জব্দকরণ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ পদ্ধতি) খাদ্য দ্রব্যে বিষাক্ত উপাদান (ক্যালসিয়াম কার্বাইড, ফরমালিন, সোডিয়াম, সাইক্লামেট, ডিডিটি, পিসিবি ইত্যাদি), তেজষ্ক্রিয় ও ভারী ধাতুর ব্যবহার, ভেজাল খাদ্য বা খাদ্যোপকরণ উৎপাদন, আমদানি, বিপণন, নিন্মমানের খাদ্য উৎপাদন, অনুমোদন বিহীন, খাদ্য সংযোজন দ্রব্য বা প্রক্রিয়াকরণ সহায়ক দ্রব্যেও ব্যবহার, মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য আমদানি, মজুদ, সরবরাহ বা বিক্রয়, অনুমোদিত মাত্রার বাইরে বৃদ্ধি প্রবর্ধক, কীটনাশক, বালাইনাশক বা ঔষধের অবশিষ্টাংশ, অনুজীব ইত্যাদির ব্যবহার, অনুমোদন বিহীন বংশগতি বৈশিষ্ট্য পরিবর্তনকৃত খাদ্য, জৈব খাদ্য, অভিনব খাদ্য ইত্যাদির উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ ও বিপণন শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে।

অপরপক্ষে ক্যাফেইন ব্যবহারের মাত্রা বিএসটিআই নির্ধারিত লিটারপ্রতি ১৪৫ মিলিগ্রাম করার কথা থাকলেও এর পুরোটাই আইনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে। বেশিরভাগ কোমল পানীয়ে ক্যাফেইনের উচ্চমাত্রা যেমন ব্ল্যাক হর্সে পাওয়া গেছে ৩৫২.৬৮ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব উচ্চমাত্রার ক্যাফেইন মানব শরীরের জন্য যেমন দীর্ঘ মেয়াদী ক্ষতির কারণ অন্যদিকে এসব কোমল পানীয়ে ক্যাফেইনের উচ্চমাত্রার কারণে অনেকেই নেশা হিসেবে এগুলো খাচ্ছে।

ভোক্তা অধিকার আইনে সুস্পষ্ট উল্লেখ আছে যে একজন ক্রেতা বা ভোক্তা কি গ্রহণ করছে সে ব্যাপারে শত ভাগ জানার অধিকার তার আছে। কিন্তু এনার্জি ড্রিংক’স গ্রহণের ক্ষেত্রে এর ভিন্নতা দেখা যায়। যেমন স্পিডে মিশ্রিত উপাদানের ব্যাপারে বোতলের গায়ে যথাযথভাবে উল্লেখ থাকেনা। থাকেনা কোন সতর্কবার্তাও । যেমনটি থাকে সিগারেটের প্যাকেটের গায়ে। যদিও সেটা মানব শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। ভোক্তা অধিকারে আরো উল্লেখ আছে জেনে শুনে কেউ বিষ পান করলেও কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন দায়বদ্ধ থাকেনা। কিন্তু কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের নির্দিষ্ট দ্রব্যে ক্ষতিকর কোন কিছু ব্যবহার করার পর পণ্যের গায়ে এগুলো উল্লেখ না করাটা আইনত অপরাধ। আবার অনেক কোম্পানীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তারা ভুয়া লেবেল লাগিয়ে উৎপাদন করছে এসব কোমল পানীয়। যেগুলোতে রয়েছে অতিউচ্চমাত্রার ক্যাফেইন ও বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ। বিএসটিআইয়ের ভুয়া লেবেল লাগিয়ে বাজারে বিক্রি হওয়া ২৭টি ব্র্যান্ডের এনার্জি ড্রিংকসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বিএসটিআইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাসায়নিক পরীক্ষায় যেসব পানীয়তে উচ্চমাত্রার ক্যাফেইন, অ্যালকোহলসহ ক্ষতিকর উপাদান পাওয়া গেছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- খুলনার জেডএম এগ্রো ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ‘ডাবল হর্স’, পাবনার ইন্ট্রা ফার্মাসিউটিক্যালস (ইউএন) লিমিটেডের ‘জিনসিন প্লাস’, কুমিল্লার চান্দিনার জাহান ফুড প্রোডাক্টের ‘মাশরুম’ ও ‘জাহান মাশরুম গোল্ড’, গাজীপুরের সততা এগ্রো ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের ‘জিসনিস পাওয়ার’, সাভারের এগ্রো ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ‘জিন্টার’, ঢাকার তনু নিউট্রিশন ফুড অ্যান্ড কসমেটিকস প্রোডাক্টের ‘তনু লায়ন ফ্রুট সিরাপ’, বগুড়ার উত্তরা ল্যাবরেটরিজের ‘জিনসিন’, আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ‘ওয়াইল্ড ব্রিউ’, ঢাকার থ্রি স্টার ইউনানী ল্যাবরেটরিজের ‘জিন্টার প্লাস জিনসিন’ ও ‘জিনসিন’। গাজীপুরের পুবাইলের বিএনসি এগ্রো ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ‘হর্স ফিলিংস’, স্নেহা ফুড অ্যান্ড হার্বাল প্রোডাক্টের ‘কোরিয়ান রেড জিনসিং’, ঢাকার রানা ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ‘হাই পাওয়ার ফিলিংস’, সাভারের আসিফ এগ্রো ফুড ও বেভারেজ ইন্ডাস্ট্রিজের ‘সেভেন হর্স ফিলিংস’, ঢাকার থ্রি স্টার ইউনানী ল্যাবরেটরিজের ‘জিন্টার প্লাস জিনসিন’, দুবাইয়ের ‘ব্রাবিকান’, ‘রেডবাল’, জার্মানির ‘ওটিনজার’, ফ্রান্সের ‘হলসটিন’, থাইল্যান্ডের ‘সিঙ্গা’, অস্ট্রেলিয়ার ‘পাওয়ার হর্স’, হল্যান্ডের ‘রয়েল ডাচ’, ‘ব্রাভারিয়া’ ও ‘থ্রি-হর্সেস’।

ফলের সিরাপ, কার্বনেটেড বেভারেজসহ কম ক্ষতিকর উপাদানসমৃদ্ধ পানীয় উৎপাদনের জন্য বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স (বিডিএস ১১২৩:২০০৭) নিয়ে প্রতারণামূলক ও কর ফাঁকি দিয়ে ক্যাফেইন, ভায়াগ্রামিশ্রিত এনার্জি ড্রিংকস তৈরি হচ্ছে আরও সাতটি ব্র্যান্ডের বেলায়। এগুলো হলো ঢাকার তনু নিউট্রিশন ফুড অ্যান্ড কসমেটিকস প্রোডাক্টের ‘তনু লায়ন ফ্রুট সিরাপ, বনানীর ফু-ওয়াং ফুডস লিমিটেডের ‘ফু-ওয়াং’, গ্লোব সফট ড্রিংকস নোয়াখালীর ‘রয়েল এনার্জি ড্রিংকস’ ও ‘ব্ল্যাক হর্স’, ধামরাই ঢাকার আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ‘স্পিড’, গাজীপুরের ময়মনসিংহ এগ্রো লিমিটেডের ‘পাওয়ার’।

বিএসটিআই, ঔষধ প্রশাসনকে অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে প্রতারণামূলক ভাবে নাম লিখিয়ে দেশীয় ব্র্যান্ডের ১০টি এনার্জি ড্রিংকস উৎপাদিত হচ্ছে। এগুলো হলো থাইল্যান্ডের ‘সিঙ্গা’, অস্ট্রেলিয়ার ‘পাওয়ার হর্স’, আয়ুর্বেদীয় ফার্মেসি (ঢাকা) লিমিটেডের ‘স্ট্রং-৫০০’ (ইংরেজি ও বাংলা লেবেল), সেফ ফার্মাসিউটিক্যালসের ‘ট্রিপ-অন’, ফু-ওয়াং ফুডস লিমিটেডের ‘ফু-ওয়াং’, চাঁদপুরের এশিয়া এগ্রো ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ‘হর্স ফিলিংস’, গাজীপুরের গ্লোবাল বেভারেজ কোম্পানি লিমিটেডের ‘এপি ফিজ’ ও দুবাইয়ের ‘রেডবুল’।

বিএসটিআই এর দাবী- মানহীন এনার্জি ড্রিংকস কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে। তা চলুক। চলতে থাকুক....

কি খাবেন আর কি খাবেননা সেটা একান্ত-ই আপনার সিদ্ধান্ত। তবে আপনার সুস্থতাই, আমাদের কাম্য।

মন্তব্য ৫২ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৫২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৪৪

এরিক ফ্লেমিং বলেছেন: অনেক তথ্যের সমাবেশ ঘটেছে আপনার লেখায়। আসলে মানুষ যে পরিমান টাকা খরচ করে তথাকথিত এনার্জি ড্রিংক খায় তা দিয়ে যদি দুধ ডিম কিনে খেত এনার্জি বাড়তো বৈ কমতো না।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:৩৯

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: ভালো-ই বললেন ভাই। ধন্যবাদ :)

২| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৪০

অতৃপ্ত আত্মা ঁ বলেছেন: আমি আজ থেকে ৩/৪ বছর আগে এই এনার্জি ড্রিংকস খুব বেশি খেতাম। একদিন পত্রিকায় এর ক্ষতিকারক প্রভাব নিয়ে একটি রিপোর্ট পড়ে রাতারাতি এসব ড্রিংস খাওয়া ছেড়ে দিই।
তবে আজকে আপনার লেখা পড়ে ্সবকিছু জানলাম।

ধন্যবাদ প্রিয় ব্লগার

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:৪২

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: আর খাবেন না। শরীরের অনেক ক্ষতি হয়। নিজেকে ভালোবাসবেন বেশি বেশি :)

৩| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: এগুলার স্বাদ এত বিশ্রী, মানুষ খায় কেমনে! তবে রেডবুলটা ভালো। বিশ্বের সেরা এনার্জি ড্রিংক। খাইলে শরীরে ষাড়ের তাগদ চৈলা আসে!

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১৮

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: ষ্টেশনারী দোকানের ক্রেতাসাধারণ এর একটা উল্লেখ্যযোগ্য অংশ তো এই পানীয়'র ভোক্তা। কেমনে যে পান করে আল্লাহ মালুম। গন্ধে তে গা-গুলায়। তাইলে তো দিন মজুর দের জন্য রেডবুল বেশ কার্যকরী। আগে যদি খেয়ে থাকেন তাহলে খুব খারাপ করছেন! আর খাইয়েন না :) :)

৪| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:০৭

সুমন কর বলেছেন: এত নাম..........!! আমি কখনো খাইনি।

সচেতনামূলক পোস্টে প্লাস। তবে তথ্যের উৎস কোথায়?

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:২৪

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: তথ্য নিয়ে কোনো সংশয় থাকলে বলেন, তবে যা লিখেছি সেগুলো ঠিক-ই আছে।
বাই দ্যা ওয়ে - তথ্যের উৎস "গীতবিতান" ;)

৫| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:১২

সজিবুল ইসলাম বলেছেন: খুব মূল্যবান পোষ্ট । ধন্যবাদ

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:০৩

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: জেনে ভালো লাগলো। পড়ার জন্য এবং গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করার জন্য ধন্যবাদ :)

৬| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:০১

প্রামানিক বলেছেন: ভাল তথ্য দিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:১৮

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: :) :)

৭| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:১২

বাংলার জামিনদার বলেছেন: ধইন্যা লন। এই সব টাইগার, বুল খাইতে খাইতে পাবলিক ধীরে ধীরে গরু হয়ে যাবে নিশ্চিত।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৫৯

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: বিকল্প কোনো পানীয়'র কথা ভাবতে হবে :) :)

৮| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:২৮

রাতুল_শাহ বলেছেন: আমি এমনিতেই খুব একটা এনার্জি ড্রিংকস খাই না।
যদিও খাই, তবে স্প্রাইট অথবা মাউনটেন ডিউ।

এইগুলোতেও কি অতিরিক্ত ক্যাফেইন থাকে?

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:০৭

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: রাতুল, স্প্রাইট কিংবা মাউনটেন ডিউ তে থাকে ক্ষতিকারক চিনি। যা মানুষের স্থুলতার জন্য দায়ী। না খেয়ে থাকতে পারলে সেটাই ভালো। বেশি করে পানি পান করুন আর সম্ভব হলে লেবুর শরবত পান করতে পারেন। ভালো থাকবেন :)

৯| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:২৫

ভিটামিন সি বলেছেন: রেডবুলটা সিংগাপুরে পাওয়া যায় - ৩টা ফ্লেভারে। মেইড ইন থাইল্যান্ড। হালাল সিম্বল নেই। তবে খা্ওয়ার পরে শরীরের ক্লান্তি দুর হয়, শক্তি আসে। ওয়ার্কার লেভেলের লোকদের প্রিয় পানীয় এটি। আমিও জীবনে দুই-তিনবার পান করেছি। এটা অতটা খারাপ গন্ধ না, খাওয়া যায়।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:২৪

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: আমি অবশ্য কোনটাই খেয়ে দেখি নাই। আশে পাশে কেউ খেলে-ই তো গন্ধে টেকা যায় না। যা হোক, অর্থ খরচ করে বাজে পানীয় খাওয়ার দরকার নাই :) ভালো থাকুন। ধন্যবাদ মতামত জানানোর জন্য।

১০| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:৪৩

সাহসী সন্তান বলেছেন: খাওয়ার মধ্যে এই জিনিসটাই একটু ভক্তিভরে খেতাম। তবে আপনার পোস্ট পড়ে তো মাথায় হাত! স্পিড ছিল আমার সব থেকে প্রিয় পানীয়! এখন যে ক্যামতে হেই জিনিসটা মুখে তুলি? আগেও এ ব্যাপারে অনেক পড়েছি, তবে তা খুব বেশি আমলে নেই নি! এবার বুঝি সখের জিনিসটা ছাড়তেই হয়!

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:২৮

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: সাহসী, আপনার জন্য সমবেদনা। খুব বেশি ইচ্ছে করলে, চোখ বন্ধ করে একটু খেয়েন। কি আছে এই জীবনে। শখের কেজি তো অমূল্য তাই না? সুস্থ থাকুন, আনন্দে থাকুন :)

১১| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:২৯

মাইক-মজিদ বলেছেন: ভালো জিনিস লিখেছেন।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৫৫

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: ধন্যবাদ :) :)

১২| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৫৬

নতুন বলেছেন: এই সব এনাজি` ড্রিংস এবং কাব`নেটেট ড্রিংস থেকে দুরে থাকাই ভাল।

নিরাপদ পানি পান করুন। ডাবের পানি পান করুন। খুব বেশি হলে কফি পান করুন।

অতিরিক্ত চিনি আর কিছু ক্ষতিকর ক্যামিক্যাল ছাড়া অন্য কোন উপকার নেই এই সব এনাজি ড্রিংসে।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৫৯

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: ঠিক বলেছেন :) :) শুধু নিজে সুস্থ থাকলেই হবে না, অন্যদেরও সুস্থ থাকাতে উৎসাহী করুন। ধন্যবাদ

১৩| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:০৬

মোবাশ্বের হোসেন বলেছেন: ভাই ২০১০ সালে এক এনের্জি ড্রিংক খাইয়া বমি কইরা অফিসের ওয়াস রুম ভরায়া , সেই তাওবা করছি আজ অব্দি মুখে তুলি নাই এইসব ছাইপাশ।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:০২

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: শুরুতেই বিপত্তি!! যাক আল্লাহ রহম করেছেন :) :)

১৪| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:১১

রাতুল_শাহ বলেছেন: হুম............

যদিও আমরা অনেকেই জানি এইগুলো শরীরের জন্য ক্ষতিকর, তারপরও খেয়ে যাচ্ছি। আচ্ছা অনেকে ডায়াবেটিক থাকার কারণে ড্রাই কোক খান, সেটা কেমন?

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:০৫

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: রাতুল, ডায়েট কোক সম্পর্কে আমি তেমন কিছু জানিনা। তবে জেনে আপনাকে জানাতে পারি। যোগাযোগে থাকুন। ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ :) :)

১৫| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:৩৩

জসিম বলেছেন: এনার্জি যদি আসে তাহলে সেটা পান করা যায়. উপকরণ যা আছে তাতে, শরীরের, বা অঙ্গ প্রত্যঙ্গের ক্ষতি এসব দেখে, পরিমাণ চিন্তা করে পান করার জন্য আসলে সময়ই পাওয়া যাবে না. চিন্তাতেই এনার্জিলেস হয়ে বিছানায় জায়গা নিতে হবে.

আমি নিজে অনেক বারই স্পিড খাইছিলাম. অন্যগুলা তেমন টেস্ট করা হয়নাই, এক, দু বার টাইগার পান কইরা ভাল্লাগে নাই. বিষয়টা আসলে এনার্জির ছিল না. ঠান্ডা, স্প্রাইট আ সেভেন আপের বিকল্প মতো ছিল. এসব ৩/৪ বছর আগের কথা.

এখন কথা হলো- পানীয় যেখানে প্রস্তুত হচ্ছে তাতে যেসব উপকরণ থাকে এবং যেমাত্রায় থাকে সেটা সে মাত্রাত্ই ভোক্তা পর্যন্ত থাকলে এতে কোন সমস্যা নাই. পান করার দায়িত্ব, বাছাই এবং তৃপ্তি সবগুলার জন্য ভোক্তাই তখন সিদ্ধান্ত নেয়ার একমাত্র ব্যক্তি. কিন্তু দু:খজনক হলো পণ্য বা পানীয় যেগুলা প্রস্তুত হয়, সেগুলাতে উপকরণ যথাযথভাবে থাকে না, যা থাকার তা থাকেনা, থাকলেও পর্যাপ্ত থাকেনা.

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:১০

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: ঠিক-ই বলেছেন। কম ক্ষতিকর হলেও কথা ছিলো :p :p
মূল্যবান মতামতের জন্য ধন্যবাদ :) :) ভালো থাকবেন।

১৬| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৪১

সাহসী সন্তান বলেছেন: "লেখক বলেছেন: সাহসী, আপনার জন্য সমবেদনা। খুব বেশি ইচ্ছে করলে, চোখ বন্ধ করে একটু খেয়েন। কি আছে এই
জীবনে। শখের কেজি তো অমূল্য তাই না? সুস্থ থাকুন, আনন্দে থাকুন"

-চোখ বন্ধ করে খেলে কোন সমস্যা হবে না তো? হলে কিন্তু আপনিই দ্বায়ী! আমিতো ছাড়তেই চেয়েছিলাম কিন্তু আপনি বললেন বেশি ইচ্ছা হলে চোখ বন্ধ করে খেতে! সুতরাং কোন সমস্যা হইলে কিন্তু আপনারে ছাড়ুম না!

একটা কথা কি জানেন, প্রত্যেকটা সিগারেটের প্যাকেটের গায়ে সংবিধি বদ্ধ সতর্কীকরণ বার্তা লেখা থাকে! কিন্তু যার খাবার সে তো খাবেই! একটা সিগারেট শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর সেটা সবাই জানে, কিন্তু তার পরেও তো খায়?

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৫৩

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: সাহসী, এক শলাকা সিগারেট কী শুধুই তামাক? এর সাথে কী হতাশা নাই, না-পাওয়া নাই, একাকিত্বের কষ্ট নাই। সব থেকে বড় কথা দুঃশ্চিন্তা থেকে পরিত্রান ভালের আকাংক্ষা। ভাববেন না আমি ধূমপান কে সমর্থন করছি। বললাম আর কি।
আপনি প্রায়শই ডাবের পানি খাবেন। আর চুপি চুপি বলে রাখি, দীর্ঘদিন তারুণ্য কে ধরে রাখতে লেবুর শরবত অপ্রতিদ্বন্দ্বী :) :)
যা হোক , যাই- খাবেন চোখ খুলে খান :)

১৭| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:১৩

নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন :) :) শুধু নিজে সুস্থ থাকলেই হবে না, অন্যদেরও সুস্থ থাকাতে উৎসাহী করুন। ধন্যবাদ

আমি সব সময়ই এই সব আটি`ফিসিয়াল পানিয়ের বিরোধী এবং সবাইকে এই ব্যপারে সচেতন করার চেস্টা করি।

০১ লা অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১২:০০

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: জেনে ভালো লাগলো! অনেক অনেক ধন্যবাদ :) :)

১৮| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১২:৫৯

শহুরে আগন্তুক বলেছেন: এখনও একটাও খেতে পারি নি .... আমার এনার্জি শূন্যতার কারণ এতদিনে বুঝলাম :| :(

০১ লা অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১:১৫

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: এতোদিনেও যখন খান নাই তখন এখন আর খাওয়া চলবে না। পরে আবার গান শোনাবেন, "আমি জেনে শুনে বিষ করেছি পান" :) রূহ আফজা খান। এনার্জি পাবেন :) :) আর এনার্জি লেভেল নিয়ে কেউ কিছু বলার মওকা পাবে না :)

১৯| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৮:৩৭

শহুরে আগন্তুক বলেছেন: রুহ আফজা তো শেষ!!! কেউ তো সে খবর রাখে না :(

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১:৫৫

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: কবে শেষ হয়েছে। বলেছিলাম পানির সাথে মিশিয়ে খেতে। তুমি নিশ্চিত ভাবে রূহ আফজা'র সাথে পানি মিশায় খাইছো!! যা হোক, আরেক দিন মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করা হোক। সেদিন একটা বড় রূহ আফজা'র বোতল দেয়া হবে। সাথে পরামর্শ নোট স্কচটেপ দিয়ে সেটে দিবো, "এক টেবিল চামচ রূহ আফজা, এক গ্লাস পানিতে গুলিয়ে সেবন করুন। ধন্যবাদ"
:) :) :)

২০| ১২ ই অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫৮

বিদেশ পাগলা বলেছেন: জন স্বার্থে জনস্বাস্থ্য বিষয়ক লেখার কারণে শরীর নামক যন্ত্রের ব্যাপারে আমরা সতর্ক হতে পারলাম সে জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে । কিছু লোক হুজুগে ফুটানি (বড়ত্ব) করে সাময়িক তৃপ্তির জন্য এসব অস্বাস্থ্যকর এ্যালকোহল গ্রহন করে যা শরীরের পার্টস-পাতির বারোটা বাজিয়ে ছাড়ে । বিশেষ করে কিডনির । অবশ্য খুব হত দরিদ্ররা এসব খায় না । অন্তত ধনীরা ডাক্তারদের খুশী করতে পারবে এটুকু আশা করা যায়.............

১২ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১০:৪১

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: আমার অভিজ্ঞতা বলে, নিন্মবিত্ত’রা বিশেষ করে উঠতি বয়সের কিশোর এবং তরুনরাই এইসব পানীয় বেশি পান করে। তারা এনার্জি ড্রিংকসের মুখোশে এ্যালকোহল কেই বেশি প্রেফার করে।মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

২১| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৫:২৮

বিদেশ পাগলা বলেছেন: আপনার অভিজ্ঞতার সহিত আমি বাস্তবতার কারণে একমত হতে পারলাম না । কারণ এ সব ক্ষতিকর দ্রব্য কিনতে টাকা লাগে সেটা নিম্নবিত্তরা পাবে কোথায় ? ১) ধনীর দুলালী ঐশীর কথা অনেকেই জানেন ...............২) বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে..........কি হয়..?..............গোলাম মওলা রনি.....বাংলাদেশ প্রতিদিনে.......বড় এক কলামে....লিখেছিলেন -----“আলকাতরার ঝিলিক ’’ বের হয়.........শিরোনাম টি অনেকেই পড়েছেন ....... ! :P

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৮:২৪

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: আপনি কী এনার্জি ড্রিংক’স গুলোর মূল্য কত সেটা জানেন? বোধহয় না , জানেন না।

২২| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:২৩

গোধুলী রঙ বলেছেন: মানুষ যদি সচেতন না হয় তবে ১০টা বি এস টি আই দিয়া কচুটাও হবে না, এর উপর আবার বাংলাদেশের বি এস টি আই!!!

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৮:২৬

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: "সুদিন আসবেই" অপেক্ষা করুন :)

২৩| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২৯

শার্লক_ বলেছেন: সার্ক তখন প্রথম বের হয় ৩/৪ বার পান করেছিলাম।ঐ যে ছাড়লাম এখন পর্যন্ত এই সব ছাই পাশ আর পান করিনি। :)

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৮:২৭

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: ধন্যবাদ :)

২৪| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৩:৪৯

বিদেশ পাগলা বলেছেন: নিন্দিনী ম্যাডামঃ এনার্জি ড্রিংক’স এর মূল্য ২০/= টাকা থেকে শুরু করে হাজার টাকার ঊধ্বে ও আছে ..........। এটা নির্ভর করে ব্র্যান্ড , স্থান, কাল, পরিমান ও পাত্র ভেদে । কারণ হোটেল, ক্লাব ও বার যেমন----সোঁনার গা, শেরাটন,রেডিসন,ওয়েস্টিন,রিজেন্সি ,অরচার্ড, সিক্সসিজন ,লা মেরিডিয়ান.......হোটেল........ঢাকা ক্লাব, ঢাকা নাইট ক্লাব সহ..... বনানী,গুলশান,ধানমন্ডি ,উত্তরা এলাকা............রাজনীতিবিদ,ব্যবসায়ী,সচিব,মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানী ও সরকারী উধ্বতন......কর্মকর্তাদের সন্তান............. ! আপনার যেহেতু মনে হয়েছে আমার জানা নেই তাই দয়া করে জানাবেন মূল্য কত ? তবে এতটুকু জানি যে যারা নেশা করে তারা ৬ মাস বা ১ বছর অন্তর করে না । আর বিলাসিতা বা নেশা করতে সময়,সাধ(ইচ্ছা), পরিবেশ ও সামার্থ প্রয়োজন হয় , সেটা নিন্ম বিত্তদের আছে কি ? আপনি কেন ধনীদের আড়াল করতে চাচ্ছেন ? ধন্যবাদ

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১১:৩৭

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: লেখা পড়ে, বুঝে নিয়ে মন্তব্য করুন।আপনি অযথা শ্রেনীবিদ্বেষ টেনে আনছেন। আমি কেন আড়াল করতে চাইবো!! আশ্চর্য।

২৫| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৩:৫৪

বিদেশ পাগলা বলেছেন: আপনার নাম টি ভুল হওয়াতে আমি আন্তরিক ভাবে ক্ষমা চাচ্ছি । এটা অনিচ্ছাকৃত ভাবে হয়েছে ।সম্ভব হলে ডিলিট করতে অনুরোধ করছি । ধন্যবাদ

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১১:৪২

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: আন্তরিক ভাবে দুঃখ প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ :)

২৬| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১১:৫৭

লিযেন বলেছেন: হমমমমম বিষয়টা চিন্তার 8-| |-)

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:০১

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: ধন্যবাদ :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.