নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

যে কোনো ভূমিকায় সমানে লড়ে যাই, আপনি যেমন চান আমি ঠিক তাই।

নান্দনিক নন্দিনী

লেখালেখি হচ্ছে প্রেমে পড়ার মতন একটা ব্যাপার, কোনো ধরনের কর্তৃত্ব জাহির করা নয়।

নান্দনিক নন্দিনী › বিস্তারিত পোস্টঃ

মুঠো মুঠো জীবন: দ্বিতীয় পর্ব

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:১০



১০২ডিগ্রী জ্বর নিয়ে বাইরে বের হওয়া মানে উপলক্ষ্যটা বিশেষ। অনেক অনেক দিন আমাদের দেখা হয়নি। সময়ের আগেই পৌঁছে যাই। অপেক্ষার সময়টুকু স্মার্ট ফোনে মুখ গুজে থাকার চেয়ে আশেপাশের মানুষ দেখা ভালো। পাশের টেবিলের দুজন নিশ্বাসের চেয়েও নিচু স্বরে কথা বলছে, মেয়েটার স্মিত হাসি আর অবাক চোখের চাহনি আমার মনোযোগের প্রথমাংশের বেশ কিছুটা সময় দখল করে রাখে। কিছু মানুষ তাকিয়ে থাকলেও মনে হয় কথা বলছে। সামনে বসা ছেলেটা মেয়েটার হাতের দিকে তাকিয়ে কথা বলে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে ঐ আঙুল গুলো ছুঁয়ে দিতে পারলে তার ভালো লাগতো। কিংবা হৃদয়ের হাত বাড়িয়ে সে ইতোমধ্যে ছুঁয়ে দিয়েছে কিনা কে জানে!

একটু দূরের একটা টেবিল থেকে উচ্চস্বর ভেসে আসে। কথা কাটাকাটির ব্যক্তিগত আক্রমণ চলছে। ঝগড়ার মতো একটা আন্তব্যক্তিক নান্দনিক বিষয়কে এরা কুৎসিত পর্যায়ে নামিয়ে আনতে বদ্ধ পরিকর। মনে হচ্ছে যা বলার, যা কিছু ক্ষোভের সব কিছু আজকেই- এখানেই বলে শেষ করতে হবে। আজকের পর তাদের আর কোনোদিন দেখা হবে না।
সেলফোনে এসএমএস টোন বেজে ওঠে, 'অন্যদের প্রতি তোমার মনো সংযোগে ব্যাঘাত ঘটানো ঠিক হবে কিনা গত সাত মিনিট বাইরে দাঁড়িয়ে আমি সেটাই ভাবছি! অন্যের প্রাইভেসি নষ্ট করার অপরাধে খুব তাড়াতাড়ি উকিল নোটিশ খেতে পারো'।
পূর্ণ মনোযোগ নিয়ে বাইরে তাকাই। হাত ইশারা করি। এরকম একটা বিকেল 'বিকল' হতে পারতো। বাস্তবে সেটা সাড়ে সাতচল্লিশ মিনিটে দুই পিস পেস্ট্রি আর ক্যাপাচিনো কফিতে শেষ হয়ে যায়। আবার দীর্ঘ দীর্ঘ দিন বাদে কেউ কাউকে ডাক পাঠালে দেখা হবে নয়তো হবেনা!

#@#@#@#@#@#

সাইন্স ল্যাবের মোড়টাতে প্রায়শই ৪০/৪৫ মিনিট বসে থাকতে হয়। সেটাই স্বাভাবিক। জ্যামে বসে থাকতে আমার খুব একটা খারাপ লাগেনা। আমি বসে বসে মানুষের সমুদ্রে ঢেউ গুণি। রিকশা যথারীতি জ্যামে, আমি অধীর আগ্রহে মানুষজন দেখছি। বিপরীতমুখি একটা রিকশায় চোখ আটকে গেল। একটা ছেলে এবং একটা মেয়ে বসে আছে। ঢাকার রাস্তার চিয়ায়ত দৃশ্য। চোখ আটকে যাবার কারন এটা নয় যে তারা দু’জন-ই সুন্দর! কারণ হচ্ছে, মেয়েটা হাপুস নয়নে কাঁদছে আর ছেলেটা ভাবলেশ হীন ভাবে পাশে বসে আছে।

আমি গভীর অনুসন্ধানী দৃষ্টি দিয়ে খুঁজে চলেছি, একটা মানুষ কী কারনে এমন করে কাঁদতে পারে। ছেলেটা প্রথমে একবার আমার দিকে তাকালো এবং চোখ সরিয়ে নিলো। কিছুক্ষণ পর দ্বিতীয়বার তাকালো এবং চোখ সরিয়ে নিলো। এরপর তৃ্তীয়বার তাকিয়েও দেখলো আমি গভীর মনোযোগের সাথে কান্নার দৃশ্য দেখছি। এবার বেচারা একটু অস্তত্বিতে পড়লো। আর মেয়েটা? আমার ধারনা সে অনেক ক্ষন ধরেই কাঁদছে। এখন আর সে আবেগে কাঁদছে না, কাঁদছে প্রেস্টিজ বাঁচাতে। কারণ ছেলেটা একবারও তাকে থামতে বলছে না। এদিকে তার টিস্যুর প্যাকেটও ফুরিয়ে এসেছে!!

মানুষ এক নাগারে ১০-১৫ সেকেন্ডের বেশি হাসতে পারেনা। চাইলেও পারেনা। হাসিও একটা না একটা সময় এসে ফুরিয়ে যায়। কিন্তু চাইলে মানুষ জনম জনম ধরে কাঁদতে পারে। এ কারনেই কী মানুষের জীবনে সুখের চেয়ে দুঃখের স্থায়িত্বকাল দীর্ঘ হয়?

#@#@#@#@#@#

দূর পাল্লার বাসগুলোতে খুব অপ্রচলিত কিছু গান শোনার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। যেমন সোহাগ পরিবহনের এক বাসে একবার শুনেছিলাম মনির খানের গাওয়া এক গান “তোমার মুখে ছোট্ট তিল, তার তিল পরিমান ভালোবাসা আমায় যদি দিতে আর কিছুদিন থাকতাম বেঁচে এই না পৃথিবীতে”। বেশ কাছের একজন মানুষ প্রায়শই বলে, “আমি জানি আপনি আমাকে ভালোবাসেন। আচ্ছা কয় কেজি ভালোবাসেন?”। ভালোবাসার এই বাটখারার খবর কিংবা তিল পরিমান থেকে আকাশ পরিমান এই হিসেবের চক্করে পড়েও; আমি বেহিসেবিই থেকে যায়!!

ভালোবাসতে আসলে জানে ক’জন? অনেক ক্ষেত্রেই অনেকেই প্রেমিক-প্রেমিকা হয়ে ওঠে ঠিক-ই; ‘হৃদয়জন’ আর হয়ে ওঠে না। কেবল স্বীকৃ্তি চায়। কিন্তু বন্ধনেই তাদের যত ভয়। কত মানুষের হাত ধরা-ছাড়ার দর্শক হলাম সে গল্প অন্য দিনের জন্য থাক। শুধু মনে হয় “হাত ধরা কিংবা ছেড়ে দেয়া সহজ। সারাজীবন সমানুভূতি নিয়ে পাশাপাশি থাকা সহজ নয়”।

স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আমি ভাল মানের দাবাড়ু ছিলাম। অংশ না নিলে নাই, তবে অংশ গ্রহণ করলে টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়নশীপ আবশ্যক। রোকেয়া হলে টানা ছয় বছর আমি-ই সেরা ছিলাম। এক দাদু খেলার শুরুতেই ঘোষণা দিতেন, “এই দাদুর মাথা ঠান্ডা। হের লগে পারবেন না”। তখন জেতাটা আমার জন্য যতটা জরুরি হতো, দাদুর ভবিষ্যতবাণী সত্যি করার জন্য হলেও জিততেই হতো।

তারপর এক সময় ভার্চুয়াল জগতে দাবা চলতো। প্রফেশনকে সময় দিতে গিয়ে শেষ কবে খেলেছি মনে করতে পারি না। বাস্তব জীবনের অনেক ঘটনা চক্রে আমি বার বার এই খেলাটার কাছে ঋনী। আমি যতবার পড়ে গেছি কিংবা আমাকে ফেলে দেয়া হয়েছে, প্রতিবার-ই আমি উঠে দাঁড়িয়েছি। ঐ যে, মাথা ঠান্ডা রেখে আর কি।

এবার মূল কথায় আসি, মানুষ কখন পরাজিত হয় জানেন? যখন সে হাল ছেড়ে দেয়। আমি শেষ পর্যন্ত লড়াই করার মানসিকতা নিয়ে হাল ধরে রাখি। পরিস্থিতি ভাল কিংবা খারাপ হবে, অনুকূল কিংবা প্রতিকূল হবে, শুধু মনের জোর হারাবেন না। হাল ধরে রাখতে জানলে; জয় নিশ্চিত!!
#@#@#@#@#@#

শীত পোহাতে প্রায়শ ক্যাম্পাসে যাই। অনেকটা পুরোনো প্রেমের মতো, কাছে আসে না বরং ডেকে নিয়ে যায়। কখনো-ই আমার এক দঙ্গল বন্ধু ছিলো না। বুদ্ধিমানদের বন্ধু বরাবরই কম থাকে। আমার তো সাথে আবার এলিটনেসও আছে। তবে চেনাজানা মুখের সাথেও আমার সম্পর্ক আন্তরিকতার। তো ক্যাম্পাসে গেলে ৭/৮ কাপ চা আমাকে গলধঃকরণ করতেই হয়। কর্মস্থল থেকে নিভু নিভু শীত সন্ধ্যায় প্রিয় ক্যাম্পাসে পদার্পন করলাম।

খুব কম মানুষকেই আমি 'তুই' বলি। সেটাও ইতিহাস। অনার্স প্রথম বর্ষে থাকতে এক ক্লাসমেট(ছেলে) আমাকে তুই বলাতে আমি এত আহত চোখে তার দিকে তাকিয়ে ছিলাম যে, বেচারা রীতিমতো ভয় পেয়ে গিয়েছিল। আমাকে দেখে নিশ্চয় মনে হচ্ছিল, কেউ মাঝ নদীতে আমার নৌকায় পেরেক ঠুকে দিয়েছে! যদিও তাকে আমি পরবর্তীতে তুই করে বলতাম আর সে আমাকে এখনো তুমি করেই বলে। তো আমার “তুই”দের সাথে চা, পিঠার তুমুল আড্ডা শেষে নীলক্ষেতের সিগন্যাল থেকে যখন বাসে উঠলাম ঘড়িতে রাত ৯:৩০।
রাপা প্লাজার সামনে আসতে আসতে সোয়া দশটা বাজলো। সিগন্যালে গাড়ী দাঁড়িয়ে আছে। জানালা দিয়ে দেখি রাত প্রহরী লাঠি হাতে বাঁশি বাজাচ্ছেন। পাশেই এক পঞ্চাশোর্ধ মহিলা একটা সাদা প্লাষ্টিকের বস্তা হাতে দাঁড়িয়ে আছেন। সম্ভবত তিনি বাচ্চা দুটির নানী হবেন। ছোট বাচ্চাটা বছর তিনেকের, ভদ্র মহিলার কোলে চড়ে কাঁধে মাথা রেখে ঘুমিয়ে আছে। বছর সাতেকের বড়টা পরনে গোলাপী কার্ডিগান, মহিলার পাশে দাঁড়িয়ে ঘুমের ঘোরে চোখ ডলছে। ওদের বোধহয় এখানে আজকের রাতে আর থাকা চলবে না।
আমার ভাই আমাকে প্রশ্ন করেছিলো,
= আচ্ছা তুমি কি সুখি?
= হ্যাঁ
= কেন সুখি?
= আমার কোন দুঃখ নেই তাই
= দুঃখ ছাড়া আবার মানুষ হয় নাকি!
= হ্যাঁ হয়। আমার কোন দুঃখ নেই; তবে দুঃখবোধ আছে। দুঃখবোধ তো জীবনানন্দেরও ছিলো। তোর কী মনে হয়, তিনি দুঃখী ছিলেন?
প্রশ্নের উত্তরে, এই গল্পটা আমার ভাইকে বললাম, বললাম আমি দুঃখী নই কারন যখন তখন ঘুমিয়ে পড়ার মতো একটা বিছানা আমার আছে। এইটা কয়জনের থাকে বল?
#@#@#@#@#@#


মিরপুর গামী ৩৬ নম্বর বাসে উঠেছি। বাম দিকের সিটে জানালার পাশে ষাট-উর্দ্ধ এক ভদ্রলোক। এরপর এক জোড়া ছেলে-মেয়ে উঠলো। বাসে সিট না থাকায় মেয়েটা বসলো ভদ্রলোকের পাশে, ছেলেটা তার গা ঘেষে দাঁড়ালো। বাসে আরো কয়েকজন দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন। সময় সন্ধ্যে ৭টা হবে। বাস ল্যাবএইড ক্রস করার পর মেয়েটা এক প্যাকেট ওয়েফার বের করলো। একবার মেয়েটা এক কামড় খায়, আরেকবার ছেলেটা। এভাবে খাওয়া চলছে সাথে তাদের ব্যক্তিগত নানা গল্প। পাশের ভদ্রলোক অদ্ভুত অস্বস্তিতে পড়ে গেলেন। হঠাৎ আমার বাবার মুখটা মনে পড়ে গেল। এটা ভেবে স্বস্তি পেলাম যে তিনি ঢাকাতে থাকেন না। তাতে অন্তত বাবাকে এধরনের অস্বস্তিতে পড়তে হয় না। গভীর মনোযোগ দিয়ে আমি পুরোটা রাস্তা তাদের এই আচরণ দেখলাম।

বুমার্সে একবার দেখলাম এক ছেলে এক মেয়ের পায়ে পায়েল পরিয়ে দিচ্ছে। হাটু গেড়ে বয়ে, কোলের উপর মেয়েটার পা রেখে ফিল্মি ভঙ্গীতে। ছেলেটার চেহারাতে মধ্যবিত্তের ছাপ। মেয়েটা বোরকা পরা। রাস্তাঘাটে এমন প্রেমময় দৃশ্য আজকাল অহরহো দেখতে হয়।

প্রেমিকা জাতি যে বয়ফ্রেন্ডকে দিনে ২৪ ঘন্টায় ৪৮বার “বাবু” বলে ডাকিয়াও স্বাদ মিটাইতে পারতেছ না, তার জন্য ছোট্ট একটা পরীক্ষা হয়ে যাক। একদিন ব্যাগে দুটি থ্রিপিস নিয়ে মলিন মুখি বলিবা “আমি আর বাসায় ফিরে যেতে চাই না। এভাবে দিনের পর দিন বেশি কথা শোনার অসম্মান নিয়ে একটা বাসায় থাকা যায় না। চলো বিয়ে করে ফেলি!” ছেলে প্রথমে ভাববে তুমি রসিকতা করছো, নানা ধরনের ফানি কথা বলবে। তুমি সিরিয়াস মুখো ভঙ্গী ধরে রাখতে পারলে ৩০ মিনিট পরে প্রেমিক প্রবর তার সেই বন্ধুকে কল দিবে যে দিনে তিন বার তোমার কাছে ছেলেটার প্রশংসা করে। বিপদের বন্ধু বলে যাকে ভাবা হয়েছিল সেই ছেলে আসি বলে দিবে সেল ফোন অফ করে। প্রেমিকের তো এবার হবে দেখার মতো চেহারা। ফ্যাকাশে হয়ে পারলে হার্টফেইল করবে এমন অবস্থা।

মেয়েদের মতো হৃদয়হীন সৃষ্টি আর একটিও নেই। কেবল মেয়ে জাতি-ই পারে বিয়ের মেকাপ নিতে নিতে এক্স বয়ফ্রেন্ডকে কল দিয়ে বলতে, “এই বিয়েতে আমার কোনো মত ছিলো না। তুমি আমার উপর কোনো দাবী রাইখো না”। পাত্র পক্ষের দেয়া আংটি পরে আহলাদে গদগদ হইলো, পছন্দ করে বিয়ে শাড়ী গয়না কেনার পর পার্লারে মেকাপ নেয়ার সময় এই নির্মম রসিকতা করতে কেবল প্রেমিকারাই পারে।

প্রেম ভালোবাসা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাতে অন্যায় কিছু নেই। তবে স্থান-কাল-পাত্র ভুলে নয়। সম্পর্কগুলো জীবন ব্যাপী সুন্দর রাখতে হয়, শোভন অশোভনের সীমারেখা মেনে। কাউকে পুরো পৃথিবী দিয়ে ভালোবাসতে নেই। কারন সে যখন চলে যায়, পুরো পৃথিবী নিয়ে চলে যায়। নিজেকে অপরিহার্য ভাববেন না প্লিজ। অনেক অপরিহার্য মানুষ কবরস্থানে শুয়ে আছে।
ভালো থাকতে হয়, ভালো রাখতে জানতে হয়।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৩৫

সোহানী বলেছেন: অনেকদিন পর আসলেন। আমি ও রোকেয়া হলে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছি।

ভালো লাগলো মুঠো জীবনের গল্প.....+++

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৯

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: আপনি আমার হলের আপু!!!!!!!!!!!!!! এই আনন্দে পার্টি হবে।

জ্বী আপু অনেকদিন বাদে আসলাম আরকি।

২| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:০২

রাকীব হাসান বলেছেন: সুন্দর সাবলীল ভাষার অনুগল্পই বলব!
ভালো লাগলো।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩০

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: ধন্যবাদ রাকীব হাসান !!!!

৩| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:০৮

রাতু০১ বলেছেন: 'পৃথিবীর কাছে তুমি হয়তো কিছুই নও, কিন্তু কারও কাছে তুমিই তার পৃথিবী। সবশেষে ভালো থাকতে হয়।

অনেক দিন পর, ভাললাগা ও শুভকামনা।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩১

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: ধন্যবাদ রাতু০১!!!
নিয়মিত হবার চেষ্টা করছি :)

৪| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৮:৫৮

নীল-দর্পণ বলেছেন: "কাউকে পুরো পৃথিবী দিয়ে ভালবাসতে নেই। কারন সে যখন চলে যায় পুরো পৃথিবী নিয়ে চলে যায়।"
ভাললাগা রেখে গেলাম।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২২

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: ধন্যবাদ!!!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.