নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

যে কোনো ভূমিকায় সমানে লড়ে যাই, আপনি যেমন চান আমি ঠিক তাই।

নান্দনিক নন্দিনী

লেখালেখি হচ্ছে প্রেমে পড়ার মতন একটা ব্যাপার, কোনো ধরনের কর্তৃত্ব জাহির করা নয়।

নান্দনিক নন্দিনী › বিস্তারিত পোস্টঃ

রোজিনা ইসলাম, দ্যা সুপার ওম্যান…

১৯ শে মে, ২০২১ রাত ১০:৩৭



রোজিনা আপার কথা ঠিক কিভাবে শুরু করবো ভাবতে ভাবতেই কেটে গেলো দুটো দিন। রোজিনা আপার সাথে আমার পরিচয় এপ্রিসিয়েশন থেকে। প্রথম আলোতে তাঁর 'বারো আনাই মিছে' বাইলাইন স্টোরিটা পড়ে আপাকে কল দিয়েছিলাম। ট্রাফকের শহরে পিঠ চাপড়ে দেয়াটা বেশ সময় সাপেক্ষ আর ব্যস্ত রিপোর্টারের দেখা পাওয়াটা আরো কঠিন বলে আমাদের যোগাযোগ মেসেঞ্জার কিংবা ফোন কলেই বেশি হতো। প্রায় আবদার করি, ইউনিভার্সিটিতে এসে আমার কোর্সে একটা ‘লেকচার’ দিয়ে যান। আপা হাসেন, কি তোমার কি খেয়ে দেয়ে কোনো কাজ নাই। আমি জানি-ই বা কি, আর বলবো-ই বা কি’। আপনি অনেক কিছু জানেন আপা, আগেও বলেছি; আবারও বলছি। জানেন বলেই তো রোজিনা আপা এখন কাশিমপুর কারাগারে…

রোজিনা আপার বিরুদ্ধ্বে তথ্য চুরির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। কিছু অপবাদ এতটাই ছেলে মানুষি যে তা আলোচনার অযোগ্য। আলোচনার যোগ্য বিষয়-ই বা কোথায়? রোজিনা ইসলাম একজন সাংবাদিক। প্রথম সারির একটি দৈনিক পত্রিকাতে তিনি কর্মরত। রোজিনা ইসলাম তথ্য সংগ্রহে সচিবালয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে একজন পি এস এর কক্ষে বসতে দিয়ে, তাকে সাড়ে পাঁচ ঘন্টা অবরুদ্ধ রেখে শাহবাগ থানায় সোপার্দ করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের ছবি তুলেছেন এবং নিজের কাছে রেখেছেন। তো সেই রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ন ফাইল কী সম্পর্কিত? টিকা ক্রয় সংক্রান্ত ফাইল। এখন কথা হচ্ছে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সামরিক পণ্যাদি সংক্রান্ত ফাইল হলে বুঝতাম তাতে দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। কিন্তু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের টিকা ক্রয় সংক্রান্ত চুক্তিনামায় এমন কী লেখা থাকতে পারে যে, একজন সংবাদিককে পুলিশে সোপার্দ করে মামলা দায়ের করতে হলো?

মানুষ যখন সাংবাদিকতা পেশা নিয়ে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে আমি মনে মনে হাসি। প্রায় একটা কথা ঘুরেফিরে বলি, এদেশের একজন চা বিক্রেতাও জানেন দেশ কিভাবে চালাতে হবে, শুধু জানেন না এক কাপ ভালো চা কিভাবে বানাতে হয়। এত লম্বা চওড়া কথা এজন্য বলছি কারণ আমি সাংবাদিকতা বিভাগের একজন আজীবন শিক্ষার্থী। এই বিভাগে ভর্তি থেকে শুরু করে শিক্ষাকতা পেশায় আসার আগ পর্যন্ত নানা অপ্রীতিকর মন্তব্য শুনতে হয়েছে। অপ্রীতিকর মন্তব্য এড়ানোর জন্য শিক্ষকতায় এসেছি তা নয়। সাংবাদিকতার স্ট্রেস নিতে পারবো না এটা আমি অনার্স শেষ বর্ষে ইন্টার্নশীপের সময়-ই বুঝে গিয়েছিলাম। একটা টেলিভিশন চ্যানেলে আমার ইন্টার্নশীপ সম্পন্ন হয়। ভেবেছিলাম মাস্টার্স শেষ করে একটু বড় হয়ে পারবো বোধহয়। মাস্টার্স শেষে প্রথম আলো থেকে অফার আসে কাজের। দুইদিন নিউজ রুমে কাজের প্রেশার দেখে শুনে সাংবাদিক হওয়ার স্বপ্ন চিরতরে ইস্তোফা দিয়ে শিক্ষকতায় এপ্ল্যাই করি। যে প্রফেশনের প্রেসার নিতে পারিনি, সেই পেশায় রোজিনা আপা যখন ক্যারিয়ারে উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর দিকে এগোচ্ছেন আমার কেন জানি খুব ভালো লাগে। রোজিনা আপার ছায়াতে আমি হয়তো নিজেকে খুঁজি!

সোর্স বলে একটা টার্ম আছে পুলিশ প্রশাসন এবং সাংবাদিকতায়। সোর্সের কাজ হচ্ছে নানা তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করা। এই সোর্স’রা হন মূলত যে কোনো ঘটনার খুব কাছের কোনো ব্যক্তি। তো রোজিনা আপা সচিবালয়ে গিয়েছিলেন একজন সোর্সের কাছ থেকে একটা খাম সংগ্রহে। করেছিলেনও। তারপর একজন উপসচিবের সাথে হ্যালো বলতে যান। সাংবাদিকদের এই হ্যালো কিন্তু মোটেও নির্দোষ হ্যালো নয়। কারণ সাংবাদিকদের গন্ধ শোকার একটা ক্ষমতা থাকে। অনেক ক্ষেত্রে ঘটনার লুপহোল গুলো তারা ধরে ফেলতে পারেন। বক্তব্যের সত্য-মিথ্যা যাচাই করতে শুধু বলা কথা নয়, না বলা কথাও বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বিশ্লেষণে বের করে আনতে পারেন। এটা সোর্সের দেয়া তথ্যগুলো ক্রসচেক করা। তো সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের সোর্সকে ট্রেস করার জন্যও এই হয়রানি করা হয়ে থাকতে পারে।

রোজিনা আপা যখন একের পর এক অসাধারণ অনুসন্ধানী রিপোর্ট করে যাচ্ছেন ঠিক তখন তাকে ট্রাপে ফেলা হলো। যখন খারাপ শক্তি সমান দক্ষতায় পেরে ওঠে না, তখনই তারা ট্রাপের মতো একটা নেতিবাচক পদক্ষেপ নেয়। তো সাড়ে পাঁচ ঘন্টা আটকে রেখে নানাবিধ মানসিক নির্যাতনেও রোজিনা আপাকে টলানো যায়নি। ঐ যে বলে না ‘আপোষ কা মামলা’ নিশ্চয় রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল রোজিনা আপার কাছ থেকে সোর্সের নাম বের করার জন্য। সাংবাদিকতার এথিকসে সোর্সের নাম বলার কোনো সুযোগ নাই। তাতে যদি এই রাষ্ট্র রোজিনা আপাকে তিন বছরে জেলও দেয় তাও না।

ডয়চে ভেলে’তে কর্মরত সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিন এর নাম গুগল করলে যে প্রোফাইল আসে সেখানে একটা কোটেশন লেখা আছে ‘কেউ প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নই’। ক্ষমতায় থাকলে-ই শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় না। অন্তত যে দেশে রোজিনা আপার মতো সাহসী সাংবাদিকরা আছেন, সে দেশে তো নয়-ই। খালেদ ভাই প্রথম আলোতে কর্মরত সময়ে এক সচিবের দুর্নীতি নিয়ে একটা রিপোর্ট করেছিলেন। তো সেই ব্যক্তি হাসতে হাসতে জিজ্ঞেস করলেন, আচ্ছা খালেদ তথ্যগুলো আপনি কিভাবে পেলেন? খালেদ ভাই সিরিয়াস মুডে জবাব দিয়েছিলেন, সচিবালয়ের নিচে দাঁড়িয়ে ঝালমুড়ি খাচ্ছিলাম। দেখলাম প্যাকেটের গায়ে কিছু লেখা আছে। পরে অফিসে গিয়ে রিপোর্টটা করলাম।

অন্তত ‘চেকবুক’ জার্নালিজমের সাথে রোজিনা আপার কখনো নাম শুনিনি। ডেইলি স্টার এবং প্রথম আলোর সাংবাদিকদের যে কোনো প্রীতি উপহার নেয়ার ব্যাপারে অফিস থেকে স্ট্রিকটলি নিষেধ করা থাকে। এদেশে দুর্নীতিবাজদের জন্য অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা রীতিমত আতংকের নাম। দশ হাজার টাকার পর্দা, সাত হাজার টাকার বালিশ, তিন হাজার টাকা দিয়ে চামচ কেনার তথ্য আমারদের কোনো দিন জানা-ই হতো না, যদি রোজিনা আপার মত সাহসী এবং পরিশ্রমি সাংবাদিক না থাকতো। না আমি প্রথম আলোর ব্র্যান্ড এম্বাসিডর নই। প্রথম আলো আজ প্রথম স্থানে আছে কারণ সম্পাদক মতি ভাই ঝুঁকি নিতে জানেন।

গত দুইদিন ভীষণ খারাপ লাগছে আলভিনা’র কথা ভেবে। আট বছরের একটা বাচ্চামেয়ে কিভাবে এই দুঃসময় পার করছে সেটা ভেবে। সব দুঃসংবাদের মধ্যে এটা ভেবে স্বস্তি পাচ্ছি রোজিনা আপা বেঁচে আছেন- থাকবেন ইনশা আল্লাহ। আলভিনাও সারাজীবন গর্ব ভরে বলতে পারবে, ‘সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম আমার মা’।

দেশে দুর্নীতিবাজদের রাজত্ব চলছে। বিরাট একটা শক্তি হয়ে মাথাচাড়া দিয়েছে এরা। দূর্নীতি কেউ একা করতে পারেন না। এটা এখন একটা চেইন সিস্টেম। সেই সিস্টেমে কার আঁতে ঘা লেগেছে? কার বেগম পাড়ায় বাড়ি কিনতে দেরি হচ্ছে সেটা ভালো ভাবে খুঁজে দেখা দরকার। দেশের এই পরিস্থিতিতে আমাদের শাসক দরকার নেই, প্রয়োজন একজন নেতার। স্বাধীনতার ৫০বছরে দাঁড়িয়ে একজন নেতার অপেক্ষার প্রহর গুনছে জাতি।

আপনাকে অনেক ভালোবাসি আপা...

মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে মে, ২০২১ রাত ১০:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: দুটা কথা বলি- প্রথম আলো ধোয়া তুলসী পাতা না। তবে অন্য পত্রিকার মতো দালালও না।
দূর্নীতিবাজদের হয়তো শেখ হাসিনা পছন্দ করেন। তাই দেশে এত এত দূরনীতিবাজ। দেখেন না তারা রাজার হালে আছেন। পাজারো গাড়িতে চলাচল করেন। দুদক তাদের কিচ্ছু বলে না। দূর্নীতিবাজদের গ্রেফতার করা হলে দেশের অর্ধেক সমস্যা কেটে যাবে।

১৯ শে মে, ২০২১ রাত ১১:১৬

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: আপনি নিজে ধোয়া তুলসী পাতা তো?

২| ১৯ শে মে, ২০২১ রাত ১১:০৪

সভ্য বলেছেন: লেখাটা খুব পছন্দ হয়েছে, রোজিনাকে বার বার রেজিনা বলা হচ্ছিলো। আমরা ফিলিস্তিন নিয়ে খুব চিন্তায় আছি, রোজিনা বিষয়ে ভাবার সময় কই। অথচ একজন রোজিনা দেখিয়ে দিয়েছে যে সাংবাদিকতা কি জিনিষ। সাবাস রোজিনা। সেলুট আমার। নিশ্চয় তোমাকে সন্মানের সাথে বের করে আনবে এই দেশের আপামর মানুষ। একটু শুধু অপে্ক্ষা।

১৯ শে মে, ২০২১ রাত ১১:১৭

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: ধন্যবাদ সভ্য

৩| ১৯ শে মে, ২০২১ রাত ১১:৩২

চাঁদগাজী বলেছেন:


প্রথম আলো উনাকে কিভাবে ব্যবহার করছে দেখার বিষয়; উনি হয়তো ভালো, প্রথম আলো ভালো নয়; সেক্রেটারিয়েট হলো ডাকাতদের ক্লাবঘর।

২৫ শে মে, ২০২১ বিকাল ৫:৫৮

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: যদিও ঢালাওভাবে দোষারোপ করেছেন, তবু পরিস্থিতি এর চেয়েও মন্দ কিনা, সেটা আমলে নেয়ার সময় এসেছে।

৪| ১৯ শে মে, ২০২১ রাত ১১:৫৯

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

প্রথম আলো সম্পর্কে অনেকের গাত্রদা থাকতে পারি
পত্রিকাটি্র অতীত যাই হোক হু কেয়ারস। আমরা সাংবাদি
রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি চাই। যারা প্রথম আলোর
বিরুদ্ধে বিষোদগার করেন তারা রোজিনা ইসলাম কেন
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তোপের মুখে তা বুঝতে হলে রোজিনা
ইসলামের এইরিপোর্টটি দেখুন !!

২০ শে মে, ২০২১ রাত ১২:৩৪

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: রোজিনা আপার বেশকিছু স্কুপ রিপোর্ট আছে উল্লেখ করার মতো।

৫| ২০ শে মে, ২০২১ রাত ১২:১৪

নতুন বলেছেন: নিয়োগ বানিজ্য নিয়ে তার এই রির্পটের কারনেই এমন নাটক করা সম্ভব আমাদের দেশে।

২০ শে মে, ২০২১ রাত ১২:৩৫

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বেহাল দশা (ক্রয় বানিজ্য) নিয়ে বদরুদ্দোজা বাবু ভাইয়ের রিপোর্টগুলো উল্লেখযোগ্য।

৬| ২০ শে মে, ২০২১ রাত ১:০৪

রাকু হাসান বলেছেন:

ভালো লিখেছেন,লাইকড। ত্রাসের রাজত্ব চলছে।হাসিনার হস্তক্ষেপটা খুব দরকার, দীর্ঘমেয়াদী ভাল চাইলে। অফিসিয়াল সিক্রেট আ্যাক্ট কিভাবে এখানে আসে!! সেটা আদালত ভাল বলতে পারবে।যুদ্ধকালীন অবস্থা থাকলেও মেনে নিতাম।গলা চেপে ধরার সংস্কৃতি খুব চর্চা হচ্ছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পর অফিসিয়াল সিক্রেট আসছে।সবগুলোর কাজ একটাই।ভাল মন্দ থাকতেই পারে,তারপরেও প্রথম আলোই রিস্কি প্রতিবেদন করে আসছে অন্যদেন তুলনার। সেটার নেতৃত্বে ছিল রেজিনা।
নিঃশর্ত মুক্তি কামনা করছি।

২০ শে মে, ২০২১ রাত ১:৪৩

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: ধন্যবাদ রাকু হাসান।

৭| ২০ শে মে, ২০২১ রাত ১:২৫

আল ইফরান বলেছেন: এতদিন যেটা পলিটিশিয়ানরা করে এসেছে, সেটা সিভিল এডমিনিস্ট্রেশন করে একটু দেখিয়ে দিলো।
আমি বরং অবাক হলাম উনি এতদিন কিভাবে নিরাপদে থেকে এতটা সাহসী রিপোর্টিং করতে পারলেন।
আর যারা এতদিন ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের কথা বলছিলেন, তারা হয়তো এই অফিসিয়াল সিক্রেসি এক্টের কথা মাথায়ই আনেন নাই। কলোনিয়াল এই আইনের ফাক-ফোকরে কিভাবে যে কোয়ার্সিভ স্টেইট তার অন্যায়ের প্রতিবাদকারীদের ফাসিয়ে দিবে সেইটা আমার নিজের চিন্তায়ও আসে নি। আমি অবাক হয়েছি যে কতটুকু কূটচিন্তা থাকলে এই ধরনের একজন সাংবাদিককে মামলা দিয়ে দিন কয়েক জেল খাটানো যায়!

২০ শে মে, ২০২১ রাত ১:৪৫

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: কলোনিয়াল আইন বাঁচিয়ে রাখা হইয়/হয়েছে, আমলাতন্ত্রকে নিরাপদ রাখতে।

৮| ২০ শে মে, ২০২১ রাত ৩:০৭

নেওয়াজ আলি বলেছেন: প্রথম আলো সরকারের অনেক অপকর্মেরও সঙ্গী । তাই একটু গলা টিপা দিলো। নিন্দা জানাই

২০ শে মে, ২০২১ রাত ৩:৩১

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: দুই একটা ঘটনা যদি বলতেন...

৯| ২০ শে মে, ২০২১ রাত ৩:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনি নিজে ধোয়া তুলসী পাতা তো?

আমার খোজ খবর কে রাখে। কেউ না। কেউ না। আমি চুনোপুঁটি।

২০ শে মে, ২০২১ রাত ৩:৩৬

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: নিজের সম্পর্কে জানেন তাহলে

১০| ২০ শে মে, ২০২১ ভোর ৬:২১

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: সাংবাদিকদের মধ্যেও অসাধু বা দুর্নীতিবাজদের সংখ্যা কম নয় - তাই অনেক তাদের সাংঘাতিক বলেও থাকেন ! কিন্তু তারপরও একটি দেশকে স্খলনের তলিয়ে যাওয়া থেকে যারা রক্ষা করতে পারেন, তাদের মধ্যে সাংবাদিকরা অন্যতম। রোজিনার রিপোর্টের অনেকগুলো দুর্নীতির উপর যা বাংলাদেশিদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা হচ্ছে এর এক বিশাল অংশের মধ্যে নৈতিকতার চরম অভাব। এদের মধ্যে অর্থ ও ক্ষমতার প্রতি লোভ-লালসা এটি বেশি যে, এর জন্য তারা যে কোনো পন্থা গ্রহণে পিছপা হয় না - সেটা যতই অনৈতিক, নিষ্ঠুর বা অমানবিকই হোক না কেন।

রাজনৈতিক নেতা ও আমলাচক্র মিলে দেশের সম্পদ হরিলুটে যেভাবে লিপ্ত হয়েছে তাদের এই অব্যাহত ক্ষুধা রোধে এক রোজিনার রিপোর্টে হয়তো কোন আসবে যাবে না। তারপরও এই ধরণের রিপোর্টগুলো কখনো কখনো ভিমরুলের চাকে ঢিল ছোড়ার মতোই কাজে দিচ্ছে এবং দিবে। এটাই আমাদের মতো সাইডলাইনে বসে থাকা পাবলিকের কিছুটা পাওয়া।

২০ শে মে, ২০২১ দুপুর ১২:৫৭

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: কোনো পেশাকে ঢালাওভাবে গালমন্দ করার একটা টার্ম আছে। যেমন আপনি জার্নালিস্ট বাশিং করলেন। সেটা আপনি করতেই পারেন। এটা আপনার বাক স্বাধীনতা। তবে বলতেই হচ্ছে 'কিসের মধ্যে কি, পান্তা ভাতে ঘি'

১১| ২০ শে মে, ২০২১ সকাল ১০:০৭

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: পুলিশের মতো সাাংবদিকদের নৈতিকতা একবারে তলানীতে গিয়ে ঠিকেছে সেজন্যই আমজনতা সাংবাদিক না বলে বলে সংঘাতিক তবে সবাই না রোজিনার মতো সাংবাদকিরা যদি গর্জে উঠত তাহলে এই আওয়ামীলীগ সরকার রাতের আধারে ভোট ডাকাতী করতে পারতনা কিন্তু চেকবুক সাংবাদকিদের ভিড়ে রোজিনারা সবসময়ই হারিয়ে যাবে তাদের যায়গা দখল করবে সেই চিরচেনা চেকবুক জার্নালিজমের ক্লাবঘর।

২০ শে মে, ২০২১ দুপুর ১:০০

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: আপনি কোন পেশায় যুক্ত আমি জানিনা। তবে যে কোনো ব্যকগ্রাউন্ড থেকেই সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হবার সুযোগ আছে। পারলে রোজিনা ইসলামের মতো একজন সাংবাদিক হয়ে দেখান। তারপর আমি নিজে যেচে আপনার সাথে পরিচিত হয়ে আলাপ করে আসবো। কেমন?

১২| ২০ শে মে, ২০২১ সকাল ১০:৪০

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনার লেখা সবসময় ভালো লাগে। চমৎকার লিখে থাকেন। আপনার লেখা আরও সুন্দর হোক, আরও পাঠকপ্রিয়তা পাক- সে কামনা করি।

শুভকামনা জানবেন। আমাদের জন্য দোআ করবেন। +

২০ শে মে, ২০২১ দুপুর ১:৪৩

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: ধন্যবাদ নতুন নকিব ভাই।

আল্লাহ তায়া’লা সবাইকে হেফাজত করুন। আমিন।

১৩| ২০ শে মে, ২০২১ দুপুর ১২:০৩

নীল আকাশ বলেছেন:
এই একটা ছবি বলে দেয় উনি কোন জায়গায় হাত দিয়েছিলেন! আর কতটা ভিতরে ঢুকেছিলেন।
পুলিশের সংখ্যা গুনে দেখেন।

২০ শে মে, ২০২১ দুপুর ১:০৩

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: বিষয়টা আমিও লক্ষ্য করেছি নীল। কিন্তু ব্যক্তিগত বিষাদের প্রকাশ এই লেখা। তাই পুলিশ প্রশাসন নিয়ে কিছু বলাটা বাহুল্য হয়ে যেত। ধন্যবাদ আপনি মন্তব্যের ঘরে তথ্যটা উপস্থাপন করেছেন বলে।

ভালো থাকবেন।

১৪| ২০ শে মে, ২০২১ বিকাল ৩:০৮

রানার ব্লগ বলেছেন: বাংলাদেশের সকল আমলা কামলাদের সম্পত্তির হিসাব নেয়া অত্যাবশ্যক !!!! তারা চাকরিতে জয়েন করার আগে তাদের সম্পত্তি ও জয়েন করার পরে তাদের সম্পত্তির হিসাব নেয়া উচিৎ এবং উৎস জানা জরুরী।

২০ শে মে, ২০২১ রাত ১১:২৩

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: দুর্নীতি কিংবা স্পিড মানি সব সেক্টরকেই কলুষিত করেছে। একা আমলাদের দোষ দিয়ে কী লাভ।

১৫| ২১ শে মে, ২০২১ বিকাল ৫:২১

রানার ব্লগ বলেছেন: আমি আমলা ও কামলা দুই শ্রেনীকেই বলেছি।

২১ শে মে, ২০২১ বিকাল ৫:৩৮

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: ওহ!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.