নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

www.oputanvir.com

অপু তানভীর

আমার চোখে ঠোঁটে মুখে তুমি লেগে আছো

অপু তানভীর › বিস্তারিত পোস্টঃ

সামুর ব্লগারদের লেখা কয়েকটি বইয়ের পাঠ প্রতিক্রিয়া

২৫ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:২০



এইবার বইমেলায় ব্লগারদের বেশ কয়েকটা প্রকাশিত হয়েছে । সেই বেশ কিছু বইয়র কিছু অংশ কেনা হয়েছে । তার কিছু অংশ পড়াও হয়েছে । বইয়ের রিভিউ সামুতে খুব বেশি ব্লগাররা পড়ে না, যদি না পরিচিত মানুষের বই হয়। প্রথমে ভেবেছিলাম প্রতিটি বইয়ের জন্য আলাদা আলাদা ভাবে রিভিউ পোস্ট করবো তারপর মনে হল থাকুক এতো গুলো পোস্ট করার দরকার নেই । এর থেকে বরং সব গুলো পোস্ট এক সাথে পোস্ট করা যাক । বইয়ের কথা বার্তা লেখার জন্য আমার আলাদা একটা ওয়েবসাইট আছে । যে যে বই পড়ি সেই বই গুলোর কথা সেখানে লিখে রাখার চেষ্টা করি।

বইয়ের পাঠ প্রতিক্রিয়ায় প্রথম বইয়টার নাম লোলার জগৎ । বইয়ের লেখক মোহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম । সামুতে তিনি শান্তির দেবদূত নামে ব্লগিং করেন ।

মানুষ তার জ্ঞানের প্রান্তিক সীমাতে পৌছে গেছে । এর থেকে বেশি জ্ঞান অর্জন মানুষের পক্ষে আর সম্ভব না । এমনই এক সময়ে পৃথিবীর দিকে এগিয়ে আসতে থাকে এক ভয়ানক বিপদ । যা পৃথিবীতে নিয়ে প্রায় দশ হাজার বছরের এক অন্ধকারের সময়ে । পৃথিবীকে ঘিরে বিরাজ করবে এক ঘন ধূলার ঝড় যা সূর্যের আলো আসতে দিবে না পৃথিবীতে । সব কিছু জমে ঠান্ডা হয়ে যাবে । মানুষের সব প্রযুক্তি অচল হয়ে যাবে । মারা যাবে প্রায় সব মানুষ । পৃথিবীতে নিশ্চিত হয়ে যাবে মানব সভ্যতা । এই বিপদ থেকে উদ্ধারের জন্য পৃথিবীবাসীর হাতে সময় মাত্র ২৬ বছর । ঠিক ২৬ বছর পরে এই অন্ধকার যুগ শুরু হবে । এই অল্প সময়ের ভেতরে পৃথিবী বাসী কি পারবে এই বিপদ হতে রক্ষা পাওয়ার কোন উপায় বের করতে?

পুরো পাঠ প্রতিক্রিয়া এখান থেকে পড়ুন

পরের বইটার নাম অম্যুইং । লেখক আসাদ রহমান । সামুতে অগ্নিসারথি নামে সে ব্লগিং করেন ।
ম্যুইং একটা মারমা শব্দ । যার অর্থ উত্তরাধিকার । গল্পটার কাহিনী বিস্তার করেছে কাপ্তাইয়ে অবস্থিত একটা কাল্পনিক মারমা সমাজকে কেন্দ্র করে । জমাদ্দার টিলার নিচে কিছু দিন পরপরই একটা লাশ পাওয়া যেতে শুরু করে। ঠিক লাশ বললে ভুল হবে, একটা কাঁটা মাথা পাওয়া যেতে শুরু করলো । জমাদ্দার টিলার অপর পাশের অংশের রাস্তাকে নিরাপদ রাখতে সেনাবাহিনীর তৈরি একটা দেওয়াল রয়েছে সাদা চুনকাম করা । খুনের আগে সেই সাদা দেওয়ালে আজানা ভাষায় কিছু লেখা ফুটে ওঠে । প্রতিটি লেখা ফুটে ওঠার অল্প দিনের ভেতরে একটা খুন হয় । খুন হয় খুবই ভয়ানক ভাবে । খুন হওয়া ব্যক্তির শরীর পড়ে থাকে তার বাসভবনের আশে পাশে এবং তার কাঁটা মাথা পাওয়া যায় জমাদ্দার টিলা সংলগ্ন শ্মশানে । প্রশাসন অনেক চেষ্টা করে চলেছে কিন্তু কোন ভাবেই খুন গুলোকে আটকাতে পারছে না ।

পুরো পাঠ প্রতিক্রিয়া এখান থেকে পড়ুন

নজরবন্দী আসাদ রহমানের লেখা আরেকটি বই । দুই বছর আগের বইমেলাতে বইটা প্রকাশিত হয়েছিলো ।

গল্পের কথক এক বর্ষণ মুখর রাতে এসে থামে ঘুমপুরে এসে হাজির হয় । সেখানেই তার পরিচয় হয় নৈশপ্রহরী ছোরাব আলীর সাথে । মূলত গল্পের কথক একজন গবেষক । ভুত প্রেত ওঝা নিয়ে যাদের কারবার তাদেরকে নিয়ে সে গবেষণা করেন । একটা আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার হয়ে কাজ করে সে । তার গন্তব্য মূলত রূপপুরে । সেখানে একজন কবিরাজের কাছে । নাম নারায়ন গোস্বামী । প্রতি মঙ্গলবার তার উপরে নাকি দেবী ভর করে এবং সেই দেবীই তার কাছে আসা নানান মানুষের সমস্যার সমাধান করে দেন । বোবা মানুষ কথা বলে ওঠে খোড়া মানুষ হাটা শুরু করে । এই কবিরাজের ব্যাপারে খোজ খবর নেওয়ার জন্যই তাকে যেতে হবে রূপপুরে ।
ছোরাব আলী জানায় যে আজকে রাতে আর সেখানে যাওয়ার কোন উপায় নেই । যেতে হবে কাল । রাতে ছোরাব আলী বাজারের দোকান থেকে তার জন্য কিছু খাওয়ার জিনিস নিয়ে আসে । তার সাথে বসে নানান কথা বার্তা বলে । পরিবারের কথা বলে । এক সময়ে তাদের কথা বার্তা আধ্যাতিক দিকে মোড় নেয় । ছোরাব আলী মুখে গুরুবাদী মানব ধর্মের কথা শুনে কথক বেশ অবাক হয়ে যায় । সামান্য েক নাইট গার্ডের মুখে এমন কথা সে শুনতে পাবে সেটা সে মোটেও ভাবতে পারে নি ।

পুরো পাঠ প্রতিক্রিয়া এখান থেকে পড়ুন


এরপরের বইটার নাম কঙ্কাবতীর কথা । বইয়ের লেখকের নাম শায়মা হক । তাকে তো সবাই চেনেনই । আলাদা করে তার পরিচয় দেওয়ার দরকার নেই । বইটা পড়া হবে হবে করেও হয় নি এতো দিন । এইবার পড়েই ফেলেছি ।

ভালোবাসার পরাজয়ের থেকে বড় পরাজয় আর কিছু নেই । সারা পৃথিবী জয় করে আসার পরেও যখন ভালোবাসার মানুষের কাছ থেকে একজন প্রত্যাখ্যাত হয় তখন সব কিছুই তার কাছে মূল্যহীন মনে হয় । এই একটা কারণেই মানুষ আমূল বদলে যেতে পারে । কঙ্কাবতীর কথা বইটায়ের কাহিনীও সেই কাহিনী বর্ণনা করে? হয়তো আবার হয়তো না । কঙ্কাবতীর কথা বইটা মূলত একজন মেয়ের জবানীতে বর্ণনাকৃত তার জীবনের একটা অংশবিশেষ ।
মেয়েটির মা অসম্ভব সুন্দরী একজন মেয়ে । কিন্তু তার বাবা দেখতে মোটেও সুন্দর নয় । মেয়েটির দাদু পছন্দ করে ছেলের বিয়ে দিয়েছেন এমন সুন্দরী মেয়ের সাথে কিন্তু তাদের সংসারে মোটেই সুখ ছিল না । এক সময়ে মেয়েটির বাবা তার মায়ের সাথে ঝগড়া করে বাড়ি ছেড়ে চলে যায় এবং আর ফিরে আসে না । এক সময় জানা যায় সে দেশ ছেড়েছে এবং তার মাকে তালাক দিয়েছে ।

পুরো পাঠ প্রতিক্রিয়া পড়তে এখানে ক্লিক করুন।

বইয়ের নাম আকাশ গঙ্গার তারা । লেখক খন্দকার নাইমুল ইসলাম । সামুতে তিনি মলাসইলমুইনা নামে পরিচিত । তার বইটি মূলত ছোট গল্পের সংকলন ।
ভালোবাসার গল্পের ভেতরে একটা আলাদা শক্তি রয়েছে । সেটা মুহুর্তের ভেতরে সব কিছু কেমন বদলে দিতে পারে । মনকে এই সিক্ত করে তুলতে পারে আবার এই যেন আনন্দিত করে তুলতে পারে । আকাশ গঙ্গার তারা সেই রকম একটা ভালোবাসার গল্পের বই । গল্পের বইটাতে মোট ১২টি গল্প রয়েছে যার বেশির ভাগই ভালোবাসার গল্প । আমি মূলত ছোট গল্পের পাঠক । যে কোন ধরনের ছোট গল্প পড়তে আমার ভাল লাগে । সেটা যদি ভুত কিংবা রোমান্টিক হয় তাহলে তো কথায় নেই । বইয়ের লেখক খন্দকার নাইমুল ইসলাম । আমাদের সামু ব্লগের একজন ব্লগার ।
প্রথম গল্পটার নাম আকাশ গঙ্গার তারা । কোন এক অখ্যাত স্টেশনে বসে স্বপ্নীল আর শ্বেতা গল্প শুরু । এক সাথে বসে চাও খাওয়া আর সামনের দিনের স্বপ্ন নিয়ে কথোপকথন । গল্প শেষ হয় বিশ বছর পরে সেই একই স্টেশনে । তবে তখন অনেক কিছু বদলে গেছে স্বপ্নীলের জীবনে। জ্যোতিষী গল্পটা পড়তে গিয়ে প্রথমে ভেবেছিলাম কোন সাদামাটা জীবনের গল্প হবে কিন্তু গল্পটা শেষ করে মনের ভেতরে কী অদ্ভুত এক আদ্রতা অনুভব করলাম । কী তীব্র অপেক্ষা আর ভালোবাসার গল্প এই জ্যোতিষী ।

পুরো পাঠ প্রতিক্রিয়া পড়তে এখানে ক্লিক করুক


সব শেষ বইটার নাম জীবন ও জীবিকার গল্প । লেখক ব্লগার সোহানী । যদিও বইটা মেলার আগেই বের হয়েছে এবং মেলার আগেই পড়া হয়েছে তবুও পাঠ প্রতিক্রিয়াটা এখানে এড করে দিলাম ।
আমার কাছে সাহিত্যের সব থেকে পছন্দের শাখা হচ্ছে ছোট গল্প । ছোট ছোট গল্প গুলো কিভাবে যেন মনকে নাড়া দিয়ে যায়। এমন অনেকবার হয়েছে যে একেকটা গল্প পড়ে শেষ করেছি তারপর বইটা কিছু সময়ে বন্ধ করে চোখ বন্ধ করে গল্পটার কথা ভেবেছি । সেই গল্পটার পরে চরিত্র গুলোর কী হবে সেটা ভেবেছি । সুখের গল্প হলে আনন্দিত হয়েছি কষ্টের গল্প হলে মন খারাপ করে থেকেছি । জীবন ও জীবিকার গল্প পড়তে গিয়েও কয়েকবার এমন হয়েছে যে আমি একটা গল্প পড়েছি তারপর বইটা বন্ধ করে বেশ কিছু সময়ে সেই গল্পের চরিত্র নিয়ে ভেবেছি । গল্প পড়ার ক্ষেত্রে অনেকেই গল্পের অনেক সাহিত্য মান নিয়ে কথা বলে আরও কত গুরু গম্ভীর আলোচনা করে ।আমার ভেতরে এসবের বালাই নাই । আমি গল্প পড়ি কেবল মাত্র নিজের মনের আনন্দের জন্য । একটা গল্প পড়ে যদি আমার মনে হয় মন আরাম পেয়েছে তাহলেই সেটা আমার কাছে ভাল লেখা । অন্য কোন কিছু চিন্তা করার সময় নেই ।

পুরো পাঠ প্রতিক্রিয়া পড়তে এখানে ক্লিক করুন।

এছাড়া সামুর প্রাক্তন ব্লগার নাজিম উদ দৌলার বই ব্লাডস্টোন এর পাঠ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারেন । এবং ব্লগার সান্তার রিকির অনুবাদ কৃত বই দি অ্যাপ্রেন্টিস সম্পর্কে জানতে পারেন ।


এছাড়াও আরও যত বই আমি পড়ি সেগুলোর সম্পর্কে নিজের একান্ত মতামত সেখানে লিখে রাখি । সময় করে ঢু মেরে আসতে পারেন সেখানে ।

বই পড়ুন । বই আপনার সব থেকে কাছের বন্ধু ।

মন্তব্য ১৬ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:৫৬

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় গল্পকার।

যদিও তুমি অনেক আগেই আমার রিভিউটা দিয়েছো এবং এর উত্তরও আমি দিয়েছিলাম। তবে তোমার রিভিউ আমি অনেক অনেকবার পড়েছি। নিজের স্বার্থেই পড়ি বারবার। শুধু তোমারটাই নয় সবার রিভিউই বারবার পড়ি কারন নিজেকে শুদ্ধ করতে এর বিকল্প নেই। তবে তোমার রিভিউটা অসাধারন লেগেছে আমার কাছে। প্রতিটা গল্প তুমি তোমার আঙ্গিকে ব্যাখ্যা করেছো যা আমার দরকার ছিল। আমি নিজেই জানতে চেয়েছিলাম পাঠকের মনে কি ভাবনা আসে এ নিয়ে। তার উত্তর আমি পেয়েছি। আর তোমার মতো গল্প লেখকের থেকে এ ধরনের রিভিউ বিশাল কিছু।

আমি জানি আমার লিখা খুব সাধারন মানের। এবং এ বইটি কোনভাবেই আমার পছন্দ নয় কারন খুব গভীর ভাবনা আমি দিতে পারিনি। আর পাঠকের আকর্ষন ধরে রাখার মতো আরো অনেক উপাদান দরকার ছিল। এ ঘাটতিগুলো পুরন করার দরকার ছিল। যা এখন অনুভব করছি। ভবিষ্যতে এ নিয়ে অবশ্যই সাবধানে হবো।

উপরের কোন বই ই এখনো পড়ার সুযোগ হয়নি তবে আসাদ ভাই এর নজরবন্দীটা পড়েছি। আলাদাভাবে রিভিউ দেইনি কারন সুন্দর কথামালা দিয়ে রিভিউ লিখা আমার কম্মো না। বাকি বইগুলো খুব সংগ্রহ করার ইচ্ছে। কবে পারবো জানি না।

অনেক ভালো থাকো। আর তোমার বই এর অপেক্ষায় থাকলাম।

২৭ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১:১৬

অপু তানভীর বলেছেন: উপরের বই গুলো পড়ে ফেলুন সব । আশা করি সব ভাল লাগবে ।

আমার কাছে আসলে খুব গভীর ভাবে লিখতে হবে এমন ব্যাপারটা অত্যাবশ্যকীয় নয় । বরং আমি এমন অনেক দেখেছি যে যারা খুব গভীর ভাবে লেখে, সেই লেখার গভীরতা এইতো পাঠক সেটা ধরতেই পারে না । তাহলে আর লিখে পাভ কী !
আমার কাছে লেখক যে গল্প বলতে চাচ্ছে সেটা আমি বুঝতে পারলেই হল আর সেই গল্পটা আমার ভাল লাগলেই আমি সেই লেখাকে পছন্দ করি !

২| ২৫ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:৫৭

সোহানী বলেছেন: ও ভালো কথা!! ব্যানারটা কালো কেন?? সাদা কালো ব্যানারটা মনে হয় কোন শোক সংবাদ পরিবেশন করছো ;)

২৭ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১:১৬

অপু তানভীর বলেছেন: ব্যানার বানানো কোন চিন্তা করে না । এমনই মনে হল বানাই তাই বানাইলাম ।

৩| ২৬ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১২:১১

শেহজাদী১৯ বলেছেন: রিভিউগুলি খুব ভালো হয়েছে।

২৭ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১:১৭

অপু তানভীর বলেছেন: বই গুলো সব পড়ে ফেলুন জলদি

৪| ২৬ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৪:৫১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: অপু তানভীর,
একটু দ্বন্দ্ব পরে গেলাম কি মন্তব্য করা যায় সেই বিষয়টা নিয়েই। এখানে ব্লগে যেটুকু লিখেছেন সেটুকু সম্পর্কে মন্তব্য করবো না আপনার ওয়েব সাইটে যা বলেছেন সেটার ওপর মন্তব্য করবো সে নিয়ে।যাক ইন্টিগ্রেটেড কিছু কথা দিয়েই এই মন্তব্যটা করছি। প্রথমেই একটা ধন্যবাদ জানানো থাকলো (বই প্রকাশনার দিক থেকে অবশ্যই) নবীন লেখকের বই কেনার ঝুঁকি নেবার জন্য তারপর কষ্ট করে সে নিয়ে একটা রিভিউয়ের জন্য। আসলে হঠাৎ করেই গল্পের বই প্রকাশনার ব্যাপারটা মনে হয়েছিল করোনার কিছুটা অবসরে। খুব দ্রুতই অনেক না ভেবে বিভিন্ন সময় লেখা কিছু গল্প একসাথে করেছিলাম 'আকাশ গঙ্গার তারা'র জন্য। অবশ্য সেই সময়ে আমার আরেকটা বইয়ের পাণ্ডুলিপিও আমাদের পরিচিত একটা প্রকাশনীর কাছে এবারের বই মেলায় প্রকাশের জন্য রিভিউয়ের জন্য ছিল।তাই ফ্লেক্সিবিলিটিও খুব ছিল না এই বইয়ের গল্পের ব্যাপারে।পরে আমার অন্য পান্ডুলিপিটা প্রকাশের জন্য নির্বাচিত হলেও ফাইন্যান্সিং ইস্যুতে আমি আমি ওই বইটার প্রকাশনার ব্যাপারে খানিকটা নিরুৎসাহিত হয়ে গেলাম।নিজে নিজের বই ফাইন্যান্স করবো না সেটাই ভেবেছিলাম। যাহোক,ওই বইয়ের বেশির ভাগ গল্পই ছিল আসলে দেশের আর্থ সামাজিক আর রাজনৈতিক ইস্যু কেন্দ্র করে লেখা। তাই এই বইয়ে মনে হয় ভালোবাসার গল্পই বেশি হয়ে গেছে । শুধু 'আকাশ গঙ্গার তারা' বইটা ফাইনাল করার আগে ওই বইয়ের তিনটে অল্পের সাথে এই বইয়ের অরিজিনাল পাণ্ডুলিপির তিনটে গল্পে বদলে দিয়েছি । আসলে দেখতেও চাইছিলাম পাঠকরা আমার বিভিন্ন ধরণের গল্প কেমন করে নেয়। যাহোক, সামু ব্লগের অন্যতম প্রধান গল্পকার হিসেবে আপনার মতামত পেয়ে ভালো লাগছে । গল্পগুলো আপনার ভালো লেগেছে জেনে আরোও ভালোলাগায় মনটা ভড়লো। বইয়ের নাম আর কাহিনীর বর্ণনায় পিএইচডি,নাইন ইলেভেনের যে ইস্যুগুলোর কথা আপনি বলেছেন সেগুলো খুবই যথার্থ ।অন্য অনেকেই ইস্যুগুলোর কথা আমাকে জানিয়েছে। 'আকাশ গঙ্গার তারা'য় একই নামের ব্যবহার নিয়ে কিছু বলি। আসলে লেখা নিয়ে আমার খানিকটা 'জুকারবার্গ সিনড্রোম' আছে মনে হয়(সিনড্রোমের নামটা আমার দেওয়া)। জুকারবার্গকে কিছু দিন আগে রাউন্ড নেক একই রঙের গেঞ্জি প্রতিদিন পরার কারণ নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে সে উত্তর দিয়েছিলো তার ক্লজিটে একই রঙের অনেকগুলো গেঞ্জিই শুধু থাকে। সকালে উঠে তাই কোন ড্রেস পড়তে হবে সে নিয়ে সময় নষ্ট হয় না।লেখার অনেক কিছু নিয়েই আমিও খুঁতখুঁতে ভীষণ। ক্যারেক্টারের নাম নিয়েও আমার সেই খুঁতখুঁতে ভাবটা ভীষণই আছে।তাই প্রত্যেকটা গল্পের প্রধান চরিত্রের আলাদা নাম খোঁজার পেছনে অনেক সময় দিতে চাইনি। সেজন্যেই বোধহয় সময় বাঁচাতে একই নাম (পছন্দের অবশ্যই) অনেকবার এসেছে। আমার গল্পের বইয়ের ওপর রিভিউয়ের জন্য অনেক ধন্যবাদ। এবারের বই মেলায় ব্লগারদের প্রকাশনার কোনোটাই হাতে আসেনি এখনো।অপেক্ষা করছি। পরে নিশ্চই আমার মন্তব্য ছোটো করে হলেও জানবার ইচ্ছে রইলো । ভালো থাকুন ।

২৭ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১:১৯

অপু তানভীর বলেছেন: আমার যত গল্পে আছে তার অর্ধেকের বেশিতে নায়িকা আর নায়কের নাম একই । নাম খুজে পাওয়ার ব্যাপারে আমার মাঝেও আপনার মত মনভাব কাজ করে । তবে সেটা ব্লগে বলেই হয়তো । কাগজের বই বের হলে নাম গুলো অবশ্যই আলাদা করে দেওয়ার চেষ্টা করবো ।

আরও চমৎকার সব গল্প লিখুন । এই আশা করি ।

ভাল থাকুন সব সময় !

৫| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১২:৪৬

মা.হাসান বলেছেন: প্রতি অর্ডারে নুডুলস আর চা পাতা ফ্রি বলে কিরপিন স্প্লিট আপ করে অর্ডার করেছিলো। চা আর নুডুলস পাইছি, কিন্তু সমস্যা হলো ডেলিভারি নিয়ে। আজকে লাস্ট প্যাকেট পাইলাম। এখনো কোনোটা পুরো পড়া হয় নি। তবে সবচেয়ে খারাপ লেগেছে যে অগ্নিসারথি ভাইয়ের অম্যুইং বইটা নাই। সম্ভবত ওনার লাস্ট দুটা বইও মেলাতেই শেষ হয়ে গেছিলো। করোনা না থাকলে ওনার সাথে যোগাযোগ করে ওনার কপিটা পড়ে ফেরত দিতে পারতাম।
গিয়াস উদ্দিন লিটন ভাই, ভৃগু ভাই, শায়মা আপা, শিখা আপা এনাদের বইয়ের প্রত্যশায় ছিলাম (কঙ্কাবতি তো দু বছর আগের)। এবছর কেনো আসলো না জানা হল না।
কয়েকটা অনুবাদ দেখেছি, এত মানহীন যে মনে হয়েছে গুগুল অটো ট্রান্সলেটর দিয়ে করা। এজন্য অনুবাদ কিনতে আগ্রহ কম। অনুবাদের রিভিউ পড়া হয় নি। পরে এক সময় পড়বো । পজিটিভ রিকমেন্ডেশন থাকলে জোগাড় করবো। রিভিউ করার জন্য ধন্যবাদ।

র‌্যাপিডেক্স ইংলিশ স্পোকেন বইটার কি কোনো রিভিউ বের হয়েছে? :-*

২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১:১৯

অপু তানভীর বলেছেন: অগ্নিসারথীর দুইট বই আমার কাছ থেকে ধার নিতে পারেন । এই পেইজে নক দিয়ে ঠিকানা কইয়েন। সুন্দরবনে কুরিয়ার করিয়া দিবো । আমার আবার এক বই কখনই দুইবার পড়া হয় না । এই জন্য বই রাখি না খুব একটা কাছে ।

আমি এমনিতেই খুব ভাল স্পোকেন পারি । তাই টাকা দিয়ে কিনি নাই ।

আমি দুইটা কফি অবশ্য পাইছি তবে এখনও খাই নাই । নুডুলস পাই নাই ।

৬| ০৫ ই মে, ২০২১ রাত ২:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: পড়লাম। জানলাম।

০৫ ই মে, ২০২১ দুপুর ২:২৯

অপু তানভীর বলেছেন: পড়ুন এবং জানুন !

৭| ০৬ ই জুন, ২০২১ দুপুর ১২:৫৯

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: পড়েছিলাম এই রিভিউ। লিংকে ক্লিক করেও পড়েছিলাম।

মনোযোগী পাঠক বুঝাই যায়।

এই যে আমিও একটা লিঙ্ক দিয়ে গেলাম

০৬ ই জুন, ২০২১ দুপুর ২:১৩

অপু তানভীর বলেছেন: আমি বই মন দিয়ে পড়ি সব সময় ।

এই লিংক কি বইয়ের শেষ অংশ?

৮| ০৬ ই জুন, ২০২১ দুপুর ২:১৮

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: হ্যাঁ তবে তাতে সব গুলি লিংক জুড়ে দেওয়া আছে।

আজকে একটু আগেই কঙ্কাবতী ২ দিয়েছি।

পাঁচ মিনিট হবে।

০৬ ই জুন, ২০২১ দুপুর ২:৪৫

অপু তানভীর বলেছেন: ওকে পড়ে ফেলবো নে সময় করে !

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.