নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমার নিরক্ষর,কিন্তু বুদ্ধিমতি মায়ের কাছ থেকে এই শিক্ষাই পেয়েছিলাম,যথাযথ কর্তব্য পালন করেই উপযুক্ত অধিকার আদায় করা সম্ভব। - মহাত্মা গান্ধি

পদাতিক চৌধুরি

হাই,আমি পদাতিক চৌধুরি,পথেঘাটে ঘুরে বেড়াই।আগডুম বাগডুম লিখি।অন্যভুবনে আমার ভিন্ন অভিজ্ঞতার বর্ননা থাকবে।শিকড়ের সন্ধানে আমার উপন্যাস।ধারাবাহিকভাবে এটি বর্নিত হবে।

পদাতিক চৌধুরি › বিস্তারিত পোস্টঃ

চিল্কাপারের বৃত্তান্ত

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:৩০







ছুটি পড়লে আমরা একটু ঘুরতে বার হই। সেবার আমরা তিন বন্ধু মিলে ডিসেম্বরের ছুটিতে উড়িষ্যার চিল্কা হ্রদের বরকুল্লাতে গেছিলাম । বরকুল্লাতে আমরা ওড়িশা ট্যুরিজুম ডেভলপমেন্ট করপোরেশনের হোটেলে ( ও টি ডি সি) ছিলাম। উল্লেখ্য চিল্কাতে আমরা এবার ডিসেম্বরের ছুটিতেও গেছিলাম । তবে এটা চিল্কার আরেকটি দিক, রম্ভা । এখানেও উঠেছিলাম ওটিডিসির হোটেলে । তবে পরিচ্ছন্নতার দিক দিয়ে বরকুল্লার ওটিডিসি রম্ভার ওটিডিসির চেয়ে উৎকৃষ্ট। যাইহোক সেবারও যশবন্তপুর এক্সপ্রেস থেকে নেমে বেশ কিছুটা অটো চেপে আমাদের চিল্কার বরকুল্লাতে যেতে হয়েছিল । প্রথম দিন আমরা চিল্কার সৌন্দর্য উপভোগ করেছিলাম ।
জীবনের প্রথম এতো বড় একটা হ্রদ দেখার সুযোগ ও তার অনুপম অনুভূতিতে সেদিন আমরা একেবারে মোহিত হয়ে গেছিলাম । দিগন্ত বিস্তৃত চিল্কার শান্ত জলরাশি আমাদের তৃষ্ণার্ত অন্তরকে ভরিয়ে দিয়েছিলে পরিপূর্ণতায় । নতুন কেনা বন্ধুর এসেলার ক্যামেরাতে পাগলের মতো সেদিন প্রচুর ফটো তুলেছিলাম । তবে আমার কাজ ছিল ক্যামেরার ব্যাগ বহন করে একের পর এক ফটো তোলার কাজে বন্ধুকে সহযোগীতা করা ।

পূর্ব নির্ধারিত দ্বিতীয় দিন সকালে সূর্য ওঠার আগে আমরা গ্রাম দর্শনে বের হই । গ্রাম দর্শনে যত বেশি না গ্রাম দর্শনের আকর্ষণ ছিল তার চেয়ে অনেকগুন বেশি আকর্ষণ ছিল জলরাশির উপর দিয়ে সূর্য উদয় দেখার। ভোরবেলা আমরা একপা -দুপা করে চারিদিকে দেখতে দেখতে ক্রমশ গ্রামের মেঠো পথ ধরে এগোতে লাগলাম । ইতিমধ্যে রক্তিম দেবের দেখাও হয়ে গেছে । আমরা ফটাফট ওনার কয়েকটি ছবি ক্যামেরাবন্দিও করেছি। কিন্তু অজানা স্থানে আরও একটু দেখার জন্য আমরা আরো এগোতে লাগলাম । ইতিমধ্যে তখন এক দেড় ঘন্টা বেলা উঠে গেছে। পরিষ্কার সূর্যালোকের উপস্থিতিতে রাস্তার উপরে চারিদিকে নর-বিষ্ঠার ছড়াছড়িতে আমাদের হাঁটতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছিল । একটু পরে দেখলাম কাঁচা রাস্তার ঠিক উপরে বাচ্চারা পটি করছে। আর মনের শান্তিতে একে অপরকে ধূলো( ধূলা) ছুড়ে মারছে । এমন দৃশ্যে আমরা বেশ চমকিত হলাম । পশ্চিমবঙ্গের গ্রাম্য রাস্তাতে যেমন গরু ছাগলের গোবর দেখলে আমরা এড়িয়ে রাস্তা চলাচল করি , ওখানে তেমনি রাস্তায় পটি দেখে আমরা সতর্কতার সঙ্গে নাক টিপে এগুতে লাগলাম।

এতক্ষণ দেখে দেখে হাঁটার ফলে একটা জিনিস আমাদের নজরে পড়েনি । তিন বন্ধুর মধ্যে প্রথমে আমার চোখে পড়ল ; দেখছি হাঁটু পর্যন্ত অদ্ভুতভাবে শাড়ি পরা একদল মহিলা প্রথমে বসে ছিল অথচ আমাদেরকে দেখে সবাই উঠে দাড়াচ্ছেন । আরও একটু অগ্রসর হতেই বুঝলাম উল্টোদিকে পাড়া থেকে আগত মহিলারা সকালে প্রাতঃ কাজ করছেন এভাবে দলবেঁধে গল্প করতে করতে । কোথাও পাঁচজন আবার কোথাওবা সংখ্যাটা আরও অধিক । সে কারণে সকাল বেলা আমাদের মত আগন্তুককে দেখে কাজে বিঘ্ন হওয়ায় উঠে দাঁড়াচ্ছেন। আবার আমরা চলে যেতেই পিছন ফিরে দেখছি যথারীতি কাজে মগ্ন হচ্ছেন । বয়সে আমার চেয়ে কয়েক বছরের বড় কলিগকে বললাম,
-লালদা, জোরে পা চালাও ।
- কেন?
-আরে ! দেখছো না মহিলারা প্রাতঃ কাজ করছেন ।
-হ্যাঁরে ! সেটা তো আগে লক্ষ্য করিনি ।
-তবে আমি তোমার ক্যামেরার দিকে কিন্তু ওদের লক্ষ্য করতে দেখলাম । পাড়ার লোক ছুটে এলে আমাদের পিঠ কিন্তু ওরা আস্ত রাখবে না ।
- ঠিক বলেছিস । কিন্তু এখন উপায় !
-দ্রুত ক্যামেরা ব্যাগে ঢুকিয়ে , চলো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এখান থেকে পালাই ।
-কিন্তু মহিলারা যে এখনো সব কাজে ব্যস্ত । সেই রাস্তা ধরে এখনই ফেরা কি উচিত হবে ?
-তাহলে উলটো দিকের কোনো একটা পাড়াতে গিয়ে বরং আমরা কিছুটা সময় কাটিয়ে আসি ।
-চল , বরং সেটাই করি ।

ভয় পেয়ে পাড়ার কাঁচা রাস্তা ধরে নিচে নামতেই প্রথম যে ভদ্রলোকের সঙ্গে দেখা এক্কেবারে ঝরঝরে বাংলাতে জিজ্ঞাসা করলেন
-বাবুদের দেশ কোথায় ?
- আজ্ঞে ! কলকাতায়।
- একদম কলকাতায় ? না আশপাশে ?
-আজ্ঞে ! আপনি ঠিকই ধরেছেন । আমাদের বাড়ি কলকাতাতে নয়, আশেপাশে । কারো বারাসাতে কেউবা ব্যারাকপুরের বাসিন্দা।
-তাহলে তো সে কলকাতাই বৈকি । আসলে আমি ওখানে জাহাজ কোম্পানীতে চাকরি করতাম । খিদিরপুরে বহুবছর পরিবার নিয়ে থেকেছি । ছেলে-মেয়ে সবারই বিয়ে হয়ে গেছে ওখান থেকে । গত বছর আমি অবসর নিয়েছি । সারা জীবন বাইরে কাটিয়েছি । কিন্তু শেষ বয়সে পাকাপাকিভাবে গ্রামে থাকবো বলেই চলে আসা ।
-এখানে আপনার আপনজন কে কে আছে ?
-আপনজন বলতে ভাই ,ভাইপো ,ভাইজী আর আমার স্ত্রী।
-ছেলেমেয়েরা এই বয়সে আপনাদের দুজনকে একাকী থাকতে দিল ?
-শুরুতে আপত্তি করেছিল। কিন্তু আমরা গ্রামের মানুষ ওদের মানুষ করতে বাইরে থেকেছি। পরের দিকে আর যেন পাচ্ছিলাম না । দুই ছেলে কলকাতায় থাকলেও খড়্গপুরে মেয়ে থাকে। ওরা আসে সময় পেলে ঘুরে যায় ।
-কাকু, একটি কথা বলব ?
- হ্যাঁ বাবা ! একটি কেন ,যতগুলো খুশি বল। তোমাদের সঙ্গে বাংলাতে কথা বলতে পেরে যে কি ভালো লাগছে তা বলে বোঝাতে পারব না।
-আপনি সিনিয়র মানুষ, দীর্ঘদিন কলকাতায় থেকেছেন । জাহাজে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেরিয়েছেন। কিন্তু কোথাও কি এমন পথে পটি করা কালচার দেখেছেন ?
-বাবা ! ওই কথা আর বোলো না ।আমাদের এই জাত আর সভ্য হবে না । জানো আমি এখানে চলে আসার পরে বাথরুম করবো বলে ঠিক করেছিলাম । বাড়ির লোক বলল তাতে প্রতিবেশীরা আমাদের খারাপ চোখে দেখবে । বলবে দুদিন কলকাতায় থেকে বাবু হয়ে গেছে । উপহাস করবে । এই বয়সে আর একাকিত্বের ভয়ে আর ওপথে পা বাড়ালাম না । সর্বোপরি যেখানে থাকি সেখানকার তো একটি রীতি আছে । কি আর করব, মেনে নেওয়া ছাড়া উপায় নেই ।
-আপনার কালচার আপনি মেনে নিয়েছেন। কিন্তু আজ আমরা যে এক বড় ধরনের বিপদে পড়তে যাচ্ছিলাম আপনাদের ওপেন বাথরুমের জন্য ।
- হ্যাঁ বুঝেছি ! তোমাদের সঙ্গে ক্যামেরা থাকাতে আর তোমারা সকাল সকলে আসাতে যেটা দেখেছো, বেলা করে এলে অবশ্য সে সব কিছু টের পেতে না ।
-অনেক গল্প হল আপনার সঙ্গে। এবার আমরা আসি। ধন্যবাদ আপনাকে ।

ইতিমধ্যে আমাদের আরো একঘন্টা সময় কেটে গেছে। খিদেও পেয়েছে বেশ । কাজেই জোরে জোরে পা চালিয়ে হোটেলের দিকে এগোতে লাগলাম । ফেরার পথে অবশ্য আর কোনো অপ্রীতিকর অবস্থার মধ্যে আমাদের পড়তে হয়নি। কিন্তু বেশ কিছুটা আসার পরে দেখলাম সদ্য মরা দুটি গরু চিল্কার চড়ে পড়ে আছে । পাশের কয়েকটি বাচ্ছাকে সে দিকে আঙ্গুল দিয়ে ওদের ভাষায় কথা বলতে দেখলাম । আমি পরিষ্কার বাংলাতে জিজ্ঞেস করি,
-বাবু, ওখানে কি হয়েছে ?
-দ্বি- গরু মরসন্তি ।
আমরা তিন বন্ধু সদ্য শেখা উড়িষ্যার বাক্যটি ' দ্বি - গরু মরসন্তি ' বলতে বলতে হোটেলে ফিরলাম। 2006 সালের চিল্কাপারের বৃত্তান্ত আজও ওখানে টিকে আছে কিনা অথবা মোদীর ভারতের স্বচ্ছতার আলো সেখানে পৌঁছেছে কিনা সে প্রশ্নটা আমার কাছে অবশ্য অজ্ঞাত ।

বিশেষ দ্রষ্টব্য:১ -চলতি সিরিজ ' মরীচিকা' পাঠকের একটু একঘেয়েমি মনে হওয়াতে একটু স্বাদ বদল করতেই এই সাময়িক পোস্টটি দেওয়া ।

২- উপরের ছবিগুলি প্রথমটি চিল্কার ছবি । আর দ্বিতীয়টি গোপালপুর থেকে দারিংবাড়ি যাওয়ার পথে তিতলির সৌজন্যে ধ্বংস হয়ে যাওয়া একটি গ্রামের খণ্ডচিত্র।






মন্তব্য ৯৪ টি রেটিং +১৮/-০

মন্তব্য (৯৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:৫৬

আরোগ্য বলেছেন: আজও আগে মন্তব্য করবো। পরে আসছি।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৩৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শুভ সকাল প্রিয় ছোট ভাই,

প্রথম কমেন্টে তোমাকে পেয়ে ভীষণ আনন্দিত। প্রথম হওয়ার জন্য হৃদয়ের অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাই। অপেক্ষায় আছি পোস্টটি পড়ার পরে তোমার পরবর্তী কমেন্টের ।

পোস্টটিকে লাইক করাতে অনেক অনুপ্রেরণা পেলাম । কৃতজ্ঞতা জানাই আমার ছোটভাইকে।

শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো।

২| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১:৩৩

স্রাঞ্জি সে বলেছেন:
লেখকরা যে পাঠকদের মাথা খেয়ে পেলতে পারে। তা আপনার লিখাই টের পেলাম। এক যুগ আগের ভ্রমণ বৃত্তান্ত অকপটে লিখে গেলেন দারুণভাবে। আমি তো মনে করছিলাম কয়েকদিন আগেই গেছিলেন । =p~

কালকে খায়রুল ভাইয়ের ব্যতিক্রম ঘুষ পোস্টে একজন সফল, সৎ বাবা পেয়েছিলাম। আজ আপনার পোস্টেও এমন একজন ব্যক্তিত্বকে দেখতে পারতেছি।

কালচার যেখানে যেমন সেখানে সেটাই মানায়।

অনিঃশেষ শুভকামনা।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:৪৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শুভসকাল প্রিয় স্রাঞ্জিভাই,

কি যে বলেন ভাই, কাদের সঙ্গে কার তুলনা। আমরা হাতুরে লেখক : কথা দিলাম কারো মাথা খাবো না, আর সে ক্ষমতাও আমার নেই । হা হা হা। আসলে এরকম কিছু অভিজ্ঞতা আমাদের সবারই জীবনে কোথাও না কোথাও ঘটে। তবে বেশিরভাগই বিষয়টিকে ওভারলুক করেন আরকি। যাইহোক ভ্রমন বৃত্তান্ত দারুণ মনে হওয়াতে পুলকিত হলাম। সঙ্গে পোস্টটিকে লাইক করাতে অনুপ্রেরণা পেলাম। কৃতজ্ঞতা জানাই প্রিয়ভাইকে।


গতকাল খায়রুলস্যারের পোস্টটি সময়াভাবে আমার পড়া হয়নি। দেখি আজ সময় পেলে পড়ে আসবো। তবে ওনার পোস্ট বরাবরি আনন্দের ও শিক্ষণীয়।

হ্যাঁ কালচার যেখানে যেমন সেখানে তা মানায়। তবে এমনও কালচার আছে যা আজ একবিংশ শতকে বড্ড বেমানান। সেগুলিতে অবশ্য রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ জরুরী বলে আমার বিশ্বাস।


আপনার শুভকামনা গ্রহন করলাম। আপনার জন্যও রইল আমার হৃদয়ভরা ভালোবাসা ও শুভকামনা।


৩| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৩:২৯

বলেছেন: প্রিয় দাদা,
ছবিগুলো মারাত্মক সুন্দর"""

চিলকা পাড়ায় কথা
******************-
চিলকা পাড়ের বৃত্তান্ত আজও ওখানে টিকে আছে কিনা কে জানে ?
এভাবেই কত শত চিলকা পাড়ার খবর থেকে যায় অজানা!!
সভ্যতার ছায়া আজও পড়েনি কত শত অজপাড়াগায়ে
তবুও মানুয় সেথায় বাস করে অবলীলাক্রমে।

ধুলো বালিতে নিত্য চলে পটি আর চটি
প্রতিদিনের প্রাতঃ কর্ম মগ্ন অবলা রমনী
নিদর্শের মতে তারে অবলোকন করে বাহাদুর
তবুও সমাজ বদ্ধ লোক সেথায় বাস করে অবলীলায়।



০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৫০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শুভসকাল প্রিয় লতিফভাই

হ্যাঁ প্রথম ছবিটা চিল্কার, রম্ভা থেকে তোলা। তবে আমরা প্রথমবার বারকুল্লাতে যখন গেছিলাম তখম এসেলার ক্যামেরায় তোলা বেশিরভাগ ছবি নষ্ট হয়ে গেছিল। যে কারনে পুরানো অভিজ্ঞতার বর্ননায় নুতন ছবি দিতে বাধ্য হলাম। আর দ্বিতীয় ছবিটি বিধ্বংসী তিতলির ফলে দারিংবাড়ি- গোপালপুর রোডের সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া একটি গ্রামের খণ্ডচিত্র। ছয়জন সেদিন তিতলির ফলে নিখোঁজ হয়ে গেলে , তাদের দুটি ডেড বডি পরে মেলে। বাকি চারজন শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন।

আপনার কমেন্টের বাকি অংশের সম্পর্কে, কথা ও কাব্যে মুগ্ধতা। তবে নির্মম বাস্তবতা। আপনি এটা কি পরে সামুর পেজে পোস্ট দিতে পারেন ।

শুভকামনা ও ভালোবাসা প্রিয় কবিভাইকে।


৪| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ ভোর ৫:৩৫

রোকসানা লেইস বলেছেন: কি ভালো আমার লাগল.....চিল্কার সকালটা একদম মাটি করে দিলেন। আগ্রহ আর একটুও থাকল না। কতদূর থেকে উড়ে আসা প্রজাপতি দেখার।
হিমছড়িতে গিয়েছিলাম। বিশাল একটা নীল প্রজাপতি উড়ছিল দারুন সুন্দর। ঘুরে ফিরে চোখ রাখছিলাম ওর উড়ে চলার পথে। কাছাকাছি এসে বসল সামনে পুরীষের উপর। দেখার সাধ মিটে গেল। মনে পরে গেল।
খিদিরপুর, বেরাকপুর, বোলপুর, ঘুরে বেড়ানোর স্মৃতিও মনে করে দিলেন। আপনি কোন দিকে থাকেন।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:১৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অনেকদিন পরে আপনাকে পেয়ে খুশি হলাম। সেই যে মরীচিকা তিন পর্বে এসেছিলেন তারপরে দীর্ঘ দিন আপনার দেখা পাইনি ।
ধন্যবাদ আপনাকে পোস্টটি পড়া ও মন্তব্যের জন্য। আপু আমরা আর মাটি করলাম কি করে ? আমরা এই যে বরং বিপদে পড়তে যাচ্ছিলাম। সে যাত্রায় আর তেমন বিপদে পড়তে হয়নি তবে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে চিল্কা ভ্রমণটি আমাদের কাছে একেবারে মাটি হয়ে গেছিল। তবে ওখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য অত্যন্ত মনোরম প্রজাপতি বিভিন্ন রকমের পাখি শীতকালে পরিযায়ী পাখিদের আনাগোনা একেবারে মন ভালো করার সব উপাদানে ভরপুর । আপনিও দারুন অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনি খিদিরপুর বারাকপুর বোলপুর ঘুরে বেড়িয়েছেন শুনে মুগ্ধ হলাম । আমার বাড়ি বারাসাতে। ব্যারাকপুরে আমার কাজের জায়গা । বোলপুরে দু বার গেছি শান্তিনিকেতনে। সামনের জানুয়ারিতে খোয়াই এর হাটে যাওয়ার একটু ইচ্ছে আছে ।
আপনার সর্বশেষ পোস্ট এ গেছিলাম। বেশ বড় পোস্ট । সবটা পড়ে উঠতে পারিনি , কাজেই কমেন্ট করতে পারেনি। পরে শেষ করে মন্তব্য করে আসবো।

শুভকামনা রইল।


৫| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:১৮

রাজীব নুর বলেছেন: চিল্কা নামটা খুব সুন্দর।
প্রথম ছবিটাও ভালো। দূরে পাহাড় দেখা যাচ্ছে।
''গ্রাম দর্শনে বের হই''- এই কথাটা ভালো বলেছেন।
মরীচিকা আমার কাছে একঘেয়েমি লাগেনি।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৪০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রথমে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি বিলম্বে উত্তর দেওয়ার জন্য। চিল্কা নামটি ভায়ের ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। আমার এক বন্ধুর বোনের নাম ছিল চিলকা। আর ফটোগ্রাফির লোক যদি ছবি ভালো বলে বা ছবির প্রশংসা করে তাহলে তো আনন্দ হওয়ারই কথা । ধন্যবাদ ভাইকে। হ্যাঁ আগের দিনের রাজা মশাই যেমন ঝরোখা দর্শনের বার হতেন আমরাও তেমনি একটি একটু গ্রাম দর্শনে বার হলাম এই আরকি। হা হা হা ।
মরীচিকা একদমই একঘেয়েমি লাগিনি শুনে আনন্দ পেলাম। যাক তাহলে পরবর্তী পোস্ট খুব শীঘ্রই দেব আশা করি।

শুভকামনা রইল ।

৬| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:০৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: কি ভয়ঙ্কর ব্যপার ! টয়লেট নাই?

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:৪২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হ্যাঁ ভাই , যা বলেছেন একদম তাই । এখানে টয়লেট কালচারটাই নেই। পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।

শুভকামনা জানবেন ।

৭| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:১৫

হাবিব স্যার বলেছেন: স্বাধ বদলের সফল প্রচেষ্টা...........

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হা হা হা , স্বাদ বদলের পোস্ট আরকি। পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ প্রিয় হাবিবভাইকে।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

৮| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৪৪

ইয়াসিনুর রহমান ফাহিম বলেছেন: দ্বি গরু মরসন্তি!!

লেখাটা পড়ে মনে হলো ডাইরি পড়ছি। খুবই ভালো লাগল।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হা হা হা ,দ্বি গরু মরসন্তি!! পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

লেখাটা পড়ে আপনার ডায়েরি মনে হওয়াতে আনন্দ পেলাম ।আবারো ধন্যবাদ জানাই ।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

৯| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৪৭

নজসু বলেছেন:



প্রথমেই শেষ থেকে শুরু করালেন দেখছি।
মরিচীকা পাঠে এক ঘেয়েমি এসেছে এই কথা আপনি কোথায় পেলেন?
উপযুক্ত প্রমাণ, সাক্ষী সাবুদ চাই। :)

আমার কাছে বরং উল্টোটা। আমার মাথায় সারাদিন শেফালী ম্যাডামের কথা ঘুরপাক খাচ্ছে।
অনির্বাণের কথা ভাবছি। উড়ে এসে জুড়ে বসা এই লোকটি ম্যাডামের সাথে কি ঘট পাকিয়ে বসে আছে।

এই দেখেন, স্বাদ বদলানো পোষ্টেও মরিচীকার আলোচনা করছি। কুহেলিকার জন্য আবেদন করছি।

এই পোষ্ট আমি পড়লাম। তবে কিছু বলবো না। পোষ্টটা পড়ে মেঘের কথা মনে হলো।
এর আগে আপনার ছবি পোষ্টে মেঘের ছবি দেখেছিলাম। কেমন আছে মেঘ?

প্রথম ছবিটা দেখে মন ওখানে উড়ে গেলো যেন।
২য় ছবিটায় মনটা খারাপ হয়ে গেলো।

আরেক কথা। বলতে চাইছিলাম না, তবু বললাম। এরপর থেকে ছবি তোলার সময় আশপাশটা আগে দেখে নেবেন। :D

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:২৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় নজসুভাই ,

মরীচিকা পাঠে একঘেয়েমি এসেছে এটা পেয়েছি শেষের দিকে পর্বগুলির পরিসংখ্যান দেখে। যেমন - পাঠকের সংখ্যা , কমেন্টের সংখ্যা ও লাইক দাতার সংখ্যা দেখে। অবশ্যই এটা আমার ধারণা মাত্র। আর আপনাকেও তো আমি আর লাইক দাতা হিসেবে পাচ্ছিনা - আজ আমায় একটা দুশ্চিন্তার কারণ । এই যেমন এখানে জুনাপুর মন্তব্য করেছেন যে কিছুটা একঘেয়েমি চলে এসেছে । যাইহোক এই পর্বটি দিয়ে আশা করি সেই একঘেয়েমির অবসান ঘটবে । পরবর্তীতে আবার ফ্রেশ ভাবে পোস্ট দিতে পারব।
তবে এর মধ্যে ব্যতিক্রম হিসেবে আপনাকে পেয়ে আমি আপ্লুত । আপনি যে সারাক্ষণ শেফালী ম্যাডামের স্বপ্নে বিভোর হয়ে আছেন এটা আমার কাছে অনেক অনুপ্রেরণার বিষয়। যেটা পরবর্তী পোস্টে আমাকে অনেকটা অক্সিজেন যোগালো অক্সিজেন বৈকি ।

এই পোষ্টের কয়েকটি পোস্ট আগে মেঘের ছবি দেখে আপনি এখনো মনে রেখেছেন জেনে আমি আনন্দিত । ধন্যবাদ আপনাকে । এই মুহূর্তে মেঘ আমার পাশে বসে আছে । ওর গায়ে জ্বর এসেছে । গত দুদিন ধরে জ্বর আসছে আবার চলে যাচ্ছে প্রথমে স্থানীয় ভাবে হোমিওপ্যাথি ট্রিটমেন্ট করিয়েছিলাম । কিন্তু আজ সন্ধ্যা বেলা ওকে এক চাইল্ড স্পেশালিস্ট এর কাছে নিয়ে যাবো । মাথায় সর্দি বসে আছে,মাথাব্যথা করছে বলে ঘ্যানঘ্যান করছে সারাক্ষণ । হয়তো অ্যান্টিবায়োটিক দেবেন । সঙ্গে আরও কিছু টেস্ট দিতে পারে । সেসব নিয়ে মেঘের সঙ্গে এখন আমার আলোচনা চলছে। ইনজেকশনের প্রতি ওর প্রচন্ড ভয় । একটাই জিজ্ঞাসা , পাপা ডাক্তার ইঞ্জেকশন দেবে না তো ?

হ্যাঁ প্রথম ছবিটা ভালো হওয়ারই কথা ; কারণ এরকম দৃশ্য দেখতে সবারই ভালো লাগে। কিন্তু দ্বিতীয় ছবিটা মর্মান্তিক । আমরা যখন দারিংবাড়ি রোডের উপর দিয়ে যেতে গিয়ে ওই স্থানে নেমেছিলাম , চারিদিকে শুধু ধ্বংস আর ধ্বংস দেখে যেনো নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না । সে এক বীভৎস চিত্র। এমন দৃশ্য যে কারো ভালো লাগে না বা জীবনে কখনো দেখতেও চাইনা ।

আর সবশেষে ভাইয়ের পরামর্শটি অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলব । এখন থেকে ছবি তুলতে গেলে অবশ্যই আশপাশ দেখে তবেই এগোবো- কথা দিলাম, হা হা হা। সুন্দর ইমোটার জন্য আবার ধন্যবাদ। তবে পোস্টে লাইক না পাওয়াই কিঞ্চিত ব্যথা পেলাম ,হা হা হা।

বিমুগ্ধ ভালোবাসা ও শুভকামনা প্রিয় ছোটভাইকে ।


১০| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৪৪

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: ভ্রমন কাহিনি পড়তে আমার এমনিতেই অনেক ভাল লাগে।
আপনার লেখা পড়েও অনেক ভাল লাগল।
তবে ছবি কম হয়ে গেলে যে দাদা।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় সোহেলভাই,
আপনার ভ্রমণকাহিনী পড়তে ভালো লাগে শুনে আনন্দ পেলাম । এমন ভ্রমন কাহিনী থেকে আপনি আনন্দ পাচ্ছেন এটা আমার কাছে পরম সৌভাগ্যের বিষয়।তবে যে অর্থে আপনি ছবির কথা বলছেন; এটা ঠিক তেমন ভ্রমণকাহিনী নয়, 2006 সালের একটা ভ্রমণ অভিজ্ঞতা মাত্র । আর সে সময় তো আজকের মত ডিজিটাল ফটো ছিল না । সে জন্য ছবিও দিতে পারেনি। যে দুটি ফটো দিয়েছি সদ্য পুজোর ছুটিতে যাওয়া ওড়িশা থেকেই তোলা আরকি। এই জন্যই ছবিটা কম। আর টাটকা ছবি পুরনো অভিজ্ঞতার সঙ্গে ম্যাচ করবে না বলেই ছবি বেশি করে দেইনি ।

পোস্টে লাইক দেওয়াতে অনুপ্রেরণা পেলাম , কৃতজ্ঞতা জানাই প্রিয় সোহেলভাইকে ।

শুভকামনা ও ভালোবাসা প্রিয় সোহেলভাইকে ।



১১| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:৩৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



প্রিয় গুরুজি,
আপনার ঘোরাঘুরির পোস্টগুলো আমার খুব ভাল লাগে। দারুন প্রাণবন্ত করে তুলে ধরেছেন আজকের পর্বটাও। এজন্য গুরুকে স্যালুট। আপননার ভ্রমণ কাহিনী পড়ে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ অনেক টুরিস্ট স্পট সম্বন্ধে জানতে পারি। আজকের ঊড়িষ্যার চিল্কা হ্রদ ও রম্ভা সম্পর্কে এই প্রথম জানলাম। আগে শুধু জানতাম, ঊড়িষ্যা রথ যাত্রা ও বিচের জন্য বিখ্যাত। এখন এ দু'টিও যুক্ত হলো।
শান্ত আর মোহনীয় চমৎকার রুমান্টিক হ্রদের সুর্যী মামার জেগে উঠার চমৎকার দৃশ্যের সাথে সাথে মানব শিশুর জেগে উঠা আর রাস্তার পাশে পটি করার বিষয়টি শুনে অবাকই হলাম! এগুলো নিষ্পাপ প্রকৃতির সাথে চরম ঘৃণ্য আচরণ। একবিংশ শতাব্দীতে এসেও আমরা গরুর চেয়ে উন্নত জাতি হতে পারলাম না। অবাক লাগছে এ বিষয়গুলো পড়ে।

বাড়িতে টয়লেট বানালে পাড়ার লোকজন খারাপ বলবে!! তাহলে খোলা মাঠে বউ-শ্বাশুড়ি ন্যাংটা হয়ে গলাগলি করে পটি-মটি করাটা ঊড়িষ্যার সংস্কৃতির অংশ!! আঙ্কেল তো দেখি চমৎকার মানিয়ে নিয়েছেন! নিজেকে বিশ্বাস করতে পারছি না। বাংলার পাশেই চলছে তুঘলকি পটি কান্ড!! আমার অবাক লাগছে গুরু; হোটেলে কেমনে খাওয়া দাওয়া করলেন? বাবুর্চি, ওয়েটার তো এসব গ্রামেরই বাসিন্দা!!

২০০৬-২০১৮, গত এক যুগে নিশ্চয়ই মোদির কল্যাণে স্বচ্ছ ভারতের অংশ হিসেবে ঊড়িষ্যার জীবনে গতি এসেছে। বাড়িতে টয়লেট বানানোর সংস্কৃতি চালু হয়েছে!! বিষয়টি নিয়ে লেখার জন্য ধন্যবাদ গুরু। আশা করি, সামনের দিনগুলোতে আরো নতুন কোন ভ্রমণ কাহিনী পাব। আর ছবিগুলো চমৎকার হয়েছে।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৩১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় গুরুদেব,

একটু ব্যস্ততার কারণে দেরিতে উত্তর দেওয়ার জন্য দুঃখিত। আপনার প্রতিটি কমেন্ট মানেই সেটিও শিক্ষণীয় একেবারে পরিপূর্ণতায় ভরপুর । ঘোরাঘুরির পোস্ট আপনার ভালো লাগে বা এটিও ভালো লেগেছে জেনে আনন্দ পেলাম। ভারতবর্ষ একটা বিশাল দেশ । একজন মানুষ কখনোও গোটা ভারত বর্ষ শেষ করতে পারব বলে মনে হয় না । হাজারো তার স্পট। এবারের ডিসেম্বরে ধরুন না ; আমাদের উত্তরপ্রদেশে বারানসি মির্জাপুরে যাওয়ার প্ল্যান ছিল। কিন্তু ব্যক্তিগত অসুবিধার জন্য শেষ মুহূর্তে টিকেট ক্যান্সেল করলাম ,হোটেল বাতিল করলাম । ফলে আর যাওয়া হবে না বারানসি, মির্জাপুরে। 2019 সালে প্রচন্ড ব্যস্ত থাকবো গোটা বছর ; ফলে আর ঘোরাঘুরি করতে পারব বলে মনে হয় না।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ওড়িশাতে শুধু বিচ ও মন্দিরের জন্য বিখ্যাত তা কিন্তু নয় । প্রচুর দর্শনীয় ঐতিহাসিক স্থানের সঙ্গে বিভিন্ন পাহাড়-পর্বত নদ-নদী সহ অসংখ্য দর্শনীয় স্থান আছে। যেমন- দারিংবাড়ি ,যাকে বলা হয় দক্ষিণের কাশ্মীর । গত বছর শীতে এখানে বরফ পড়েছিল । এবারও আমরা গেছিলাম যখন তখন রীতিমত ঠান্ডা পেয়েছিলাম । রাতে কম্বল নিতে হয়েছিল অক্টোবর মাসে।

বাড়িতে টয়লেট বানালে পাড়ার লোক খারাপ বলবে- এই কালচারটা ওড়িশা সহ পশ্চিম ও পূর্ব মেদিনীপুরও প্রচলিত রয়েছে। কন্টাই থেকে বেশ কিছুটা দূরে সাতমাইল বলে একটি জায়গায় আমি আমার বন্ধুর বাড়িতে গেছিলাম, তখন এম এ পড়ি। সকাল বেলা বন্ধুকে নিয়ে মাঠে প্রাতঃ কাজ করতে গেছিলাম । ওদের কিন্তু দোতলা বাড়ি । বাবা হাই স্কুলের হেডমাস্টার । ওদের ধারণা খাওয়ার বা শোবার ঘরে বাথরুম তৈরী করাটা ওরা কল্পনা করতে পারে না। ওদের সংস্কৃতি বিরোধী । কাজেই বাথরুমটা কখনোই ঘরের মধ্যে থাকাটা ওদের কাছে কাম্য নয়। সবার জন্যই পাশে বাঁশবাগান খেজুর বাগান বা উন্মুক্ত ধানক্ষেত। সকাল বেলা আমি গোটাপাড়া কে যেমন মাঠে দেখেছিলাম। আর বিশেষ কিছু বলা বোধ হয় শোভনীয় হবে না ।

সবশেষে মোদির কল্যাণে স্বচ্ছ ভারতের প্রচার শুধু শহরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ । গ্রাম বা রিমোট এলাকাগুলিতে তার কোন প্রভাব পড়েছে বলে আজও আমার মনে হয় না । কারণ বিভিন্ন প্রান্তে ভ্রমণ করতে গিয়েও দেখেছে গ্রামগুলো সেই তিমিরেই পড়ে রয়েছে।

শুভকামনা ও বিমুগ্ধ ভালোবাসা প্রিয় গুরুদেবকে।


১২| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:১১

সুমন কর বলেছেন: আপনার অভিজ্ঞতার কথা পড়ে ভালো লাগল। +।
খোলা আকাশের নিচে..............ভাবা যায় !!

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় দাদাকে অনেকদিন পরে দেখে খুশি হলাম। ভ্রমণ অভিজ্ঞতার কথা জেনে ভালো লাগলো শুনে আনন্দ পেলাম । সঙ্গে পোস্টটিকে লাইক করাতে ও প্লাস দেওয়াতে অনুপ্রাণিত হলাম । কৃতজ্ঞতা জানাই দাদা আপনাকে । ঠিকই তো খোলা আকাশের নিচে প্রাতঃ কাজ সত্যিই একবিংশ শতকে ভাবাই যায় না। অথচ সে প্র্যাকটিস চলছে রমরমিয়ে।


শুভকামনা ও ভালোবাসা প্রিয় দাদাকে।



১৩| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:১৭

আরোগ্য বলেছেন: প্রিয় ভাইটি আপনার আদেশ রক্ষার্থে বেশি রাতে পোস্ট পড়ি নি। তাই আবার এলাম। পড়তে পড়তে একটু কেমন জানি লাগছিল কারন আমার মুখে তখন খাবার ছিলো।
একযুগ আগের স্মৃতি শুধুমাত্র একজন সফল লেখকই এভাবেই সুন্দর করে তুলে ধরতে পারে। তা তো আপনাকে মানতেই হবে।
অবশেষে যে বলেছে মরীচিকায় একঘেয়ে হয়ে গেছে, মানতে হবে তার রুচিতে মরিচা পড়েছে।
কুহেলিকার অপেক্ষায় আছি। শুভ কামনা করছি।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হা হা হা , বড় ভাই কখনো আদেশ দেয়? আজকের দিনে সবাই যে একে অপরের বন্ধু । বাবা -মাও যদি সন্তানের বন্ধু হতে না পারে তাহলে একটা বিশেষ বয়সের পরে কিন্তু সে বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের দূরত্ব তৈরি হবে বৈকি। ফলে নো নো নো ; বড় ভাই ছোট ভাই , সব একে অপরের বন্ধু।

এইরে! আমার ভাইয়ের খেতে খেতে পোস্ট পড়ে যে রীতিমত অস্বস্তি বা গা ঘিনঘিন করেছে জেনে দুঃখ পেলাম। ভাইয়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি , সুন্দর একটি মুহূর্তে পোস্টটি দিয়ে এহেন পরিস্থিতিতে ফেলার জন্য । কমেন্টের পরবর্তী অংশের জন্য লজ্জা পেলাম, শরম লাগছে মনে। তবে পোস্টটিকে লাইক করাতে অনেক অনুপ্রেরণা পেলাম । এর জন্য ভাইয়ের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই।

মরীচিকা একঘেয়েমি লাগেনি জেনে অনেক অনেক আনন্দ পেলাম। শীঘ্রই মরীচিকার পরবর্তী পর্ব ' কুহেলিকা 'দেব বলে ইচ্ছা আছে।

ভাইয়ের শুভ কামনা গ্রহণ করলাম । একইভাবে বড় ভাইয়ের পক্ষ থেকেও ছোট্ট আরোগ্যকে অনেক অনেক ভালোবাসা ও শুভকামনা ।

১৪| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৬

জুন বলেছেন: অনাবদ্য লাগলো আপনার চিলকায় ঘুরে দেখা । ঠিকই বলেছেন মরীচিকা পড়তে পড়তে বিশেষ করে আমিও কিছুটা ইয়ে হয়ে উঠেছিলাম :``>> :`>
অনেক ভালোলাগলো
+
আপনাদের দেশের এই ঘটনা উড়িশ্যার বিখ্যাত নন্দনকাননেও দেখেছিলাম। খুবই কেতাদুরস্ত উচ্চ পদস্থ অফিসারের স্ত্রীকে আমরা সবাই যে পথে হেটে যাচ্ছিলাম গাইডের পিছু পিছু সেই রাস্তার পাশেই উনি বসে পরলেন /:)
আর কালকা মেলে জীবনে প্রথম শিক্ষা সফরে ভারতের রাজধানী দিল্লীর পথে যেতে যেতে ভোর বেলা বিহারে দেখেছিলাম এই জিনিস । বেশ ফুর্তিতে গল্প করতে করতে পাশাপাশি বসে আছে । আমরা তো প্রথম বুঝিই নাই তখন স্যার আমাদের বুঝিয়ে দিল কাহিনী । সেতো সেই কবেকার কথা--------

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় আপুনি ,

আশা করি ভালো আছেন। কমেন্টে আপনারকে পেয়ে খুশি হলাম। পোস্টটি আপনার অনবদ্য লাগাতে পুলকিত হলাম। আর মরীচিকা সত্যিই যেন একটু একঘেয়েমি হয়ে উঠেছিল ; আপনার কাছ থেকে সেটা জেনে অন্তত এটুকু বলব পাঠকের আগ্রহে কিছুটা ঘাটতি ঘটেছে সে দিক দিয়ে নিশ্চিত হলাম। যে জন্য স্বাদ বদল করতে মূলত এই পোস্ট দেওয়া ।
পোস্টে লাইক ও সঙ্গে প্লাস পেয়ে অনুপ্রাণিত হলাম ; কৃতজ্ঞতা জানাই আপু আপনাকে।

আপনার নন্দনকাননের ঘটনাটি এ দেশে মূলত ওই অঞ্চলের নতুন কিছু নয় ।আমি প্রিয় কাউসার ভাইয়ের প্রতিমন্তব্যে বলেছি যে কন্টাই থেকে বেশ কিছুটা দূরে সাতমাইল নামক একটি স্থানে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালে বন্ধুর বাড়িতে ঘুরতে গিয়ে দেখেছিলাম এমন দুর্দশার চিত্র । অথচ আমার বন্ধুর বাবা যিনি পার্শ্ববর্তী একটা উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের হেডমাস্টার; তাদের বাড়িতে কোন বাথরুম নেই। সকালবেলা পুরুষ - মহিলা নির্বিশেষে প্রাতঃ কাজ করতে বার হন পাশের বাঁশবাগান, খেজুর বাগান অথবা ফাঁকা ধানক্ষেতে। আর ট্রেন লাইন সম্পর্কে তো বলা হয় ভারতীয় রেলওয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাথরুম। যার কিছুটা নমুনা আপনি আপনার এক্সকার্শন এর সময় পেয়েছেন । ভারতীয় রেলওয়ের বাথরুম অবশ্য এখনো সব জায়গায় দেখা যায় । বিশেষ করে সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে আমরা যখন ট্রেনে যাই তখন দূর-দূরান্তরে একদম নির্লজ্জের মত এমন দৃশ্য এখনো চোখে পড়ে।


বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকামনা প্রিয় আপুনিকে।


১৫| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:৪০

আহমেদ জী এস বলেছেন: পদাতিক চৌধুরি,




মনেই হয়নি এটা ১২ বছর আগের ভ্রমনপোস্ট। একদম তরতাজা।
তবে ভারতের এমন প্রাতঃকর্মের সংস্কৃতি তো বহুকাল আগে থেকেই আছে, কিছুই কি উন্নতি হয়নি ওদের? আপনারই তো ভালো জানার কথা! আবার মরা গরুর মাংশ বিক্রির কথাও তো শুনছি!

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৩১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শ্রদ্ধেয় জী এস ভাই ,

বরাবরই আপনার প্রেরণামূলক মন্তব্য আমার কাছে পরম কামনীয়। হ্যাঁ 12 বছর আগের ভ্রমণ অভিজ্ঞতাকে নিয়েই পোস্ট আরকি । কিন্তু সেটা যে আপনাদের কাছে এত তাজা লেগেছে তা জেনে ভীষণ খুশি হলাম। আর প্রাতঃকর্ম সংস্কৃতি বিষয়ক চর্চা বিহার ,উড়িষ্যা ,ঝাড়খন্ড পশ্চিমবঙ্গের দুই মেদিনীপুর, পুরুলিয়া প্রভৃতি স্থানে শিল্পীরা প্রত্যাহ প্রাতঃকালে আধ ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা সময় নিয়ে রেওয়াজ করেন উন্মুক্ত স্থানে। ভারতীয় রেল অবশ্য প্রাতঃকালীন ভৈরবীর সবচেয়ে বড় মঞ্চ । ডাউন এবং আপ ট্রেনের যাত্রীরা হলেন এই ভৈরবীর সুরেলা গন্ধের নীরব দর্শক। সুপ্রাচীনকাল থেকে আমরা অতিথিবৎসল জাতি। আজ আপনারা আমাদের থেকে আলাদা হয়ে গেলেও সনাতন ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক হিসেবে আপনারাও কিন্তু এই কৃতিত্বের দাবিদার। হা হা হা । একটা কথা আছে, হোয়াট বেঙ্গল থিংস টুডে ইন্ডিয়া থিংস tomorrow' সে দিক দিয়ে দেখতে গেলে আমরা বাঙালীরা কিন্তু এই সংস্কৃতির পুরোধা।

আর মরা গরুর মাংস প্রসঙ্গে জানাই, বিহার - উড়িষ্যা থেকে দোতলা লরিতে সারা বছর ধরে যে গরু গুলো আসে সেগুলোকে দেখলে বাস্তবে আর গরুর মাংস মুখে দিতে ইচ্ছা হবে না। উত্তর 24 পরগনার বিভিন্ন স্থানে এই সমস্ত গরু গুলোকে প্রথমে দুধ দোয়া হয়। এক শ্রেণীর গোয়ালা আছে তারা এই কসাই এর জন্য নিয়ে আসা গরু গুলো থেকে দুধ কালেক্ট করে সেগুলিকে বাজার বিক্রিও করে । তারপর আবার ওই গরু গুলোকে বিভিন্ন পথে বর্ডারের ওপারে চালান করে । বর্তমানে অবশ্য অনেক রাসায়নিক খাইয়ে গরু গুলোকে মোটাসোটা করে তোলা হয় । কাজেই ফাইনালে যখন গরু গুলো ওপারে যায় তখন কিন্তু তাদের চেহারা সম্পূর্ণ বদলে যায়। বর্ডার এলাকায় ছোট থেকে বড় হওয়াই দেখেছি প্রায়ই বিএসএফের ধরপাকড় করে এমন গরু গুলোকে ধরে নিয়ে যেত। এবার ভাবুন মরা গরু না খেলেও বাস্তবে জেগে জ্যান্ত খাচ্ছেন সেগুলি কতটা খাওয়ার যোগ্য। হা হা হা জানলে কিন্তু আর খেতেই পারবেন না।


বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকামনা প্রিয় ভাইকে।

১৬| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:২৯

পদ্ম পুকুর বলেছেন: উড়িষ্যা ট্যুরিজম বোর্ডের এটা বিজ্ঞাপন দেখেছিলাম, যেখানে রাজ্যের দ্রষ্টব্য এলাকা, সংস্কৃতি ও উন্নয়নের সুন্দর ফিরিস্তি ছিলো বলে যদ্দুর মনে পড়ছে। এমন একটা এলাকায় এ রকম সংস্কৃতি খুবই বেমানান। স্বচ্ছ ভারতে'র পর এখনও কি আগের মতই আছে?

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:২৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় পদ্ম পুকুরভাই ,

অনেকদিন পরে আপনাকে পেয়ে খুশি হলাম।হ্যাঁ ঠিকই বলেছেন বিজ্ঞাপনের ফিরিস্তি যেটা সেটা দেখে কিন্তু যে কেউ আকর্ষিত হবেই। আর তাছাড়া এই সমস্ত স্থানগুলি যথেষ্ট আকর্ষণীয়। সমস্যা হচ্ছে যখন এখান থেকে একটু গ্রামের দিকে ঢুকা হয় তখন এই সমস্যাটা প্রবল হয়ে দাঁড়ায় । সাধারণ দর্শকরা অবশ্য আমাদের মত অতটা হেঁটে গ্রাম দেখে না । তারা আসে থাকে খায় ফটো তোলে । একদিন বা দুদিন পরে আবার অন্য একটা জায়গায় চলে যায় । গ্রাম , দারিদ্রতা এসব বেশিরভাগ দর্শক দেখতে চায় না।

স্বচ্ছ ভারত শহরে আছে, বিজ্ঞাপনে আছে, কাগজে কলমে আছে। বাস্তবে সেটাকে দূরবীন দিয়ে দেখতে হবে।

শুভ কামনা ও ভালোবাসা জানবেন।



১৭| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৪৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: গতকাল রাতেই পড়েছিলাম, মন্তব্য করা হয় নি।
ভ্রমণ অভিজ্ঞতাই বটে, বাস্তবতা তুলে এনেছেন। আপনার চিল্কা নিয়ে লেখা পড়তে পড়তে আমাকে ও পেয়ে বসেছে সেখানে যাবার নেশা।

অত আগের অভিজ্ঞতা মনেই হচ্ছে না , চমৎকার বর্ণনার জন্য।


শুভ কামনা।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৩২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় আপুনি,

গতকাল রাতেই পোস্টটি পড়ে ছিলেন কিন্তু সময় অভাবে মন্তব্য করতে পারেননি ঠিকই তো হতেই পারে কিন্তু আজকে যে সময় করে এসেছেন এতেই আমি খুশি। যদি দেখতাম সর্বশেষ কুড়ি জনের লিস্টে আপনার নাম আছে অথচ আপনার কমেন্ট নেই তাহলে বড় অভিমানী হতাম। হা হা হা।

বেশতো! চিল্কার পোস্ট পড়ে যদি চিল্কার প্রতি অনুরাগ জন্মায় তাহলে তো সাধুবাদযোগ্য। চলে আসুন না সে ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। আর পুরানো পোষ্ট; নতুন মনে হওয়ায় ও ভালো লাগাতে এবং লাইক করাতে অনেক অনুপ্রেরণা পেলাম । কৃতজ্ঞতা জানাই আপনাকে।

বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকমনা আপনাকে।


১৮| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:২১

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: এত্ত আগের কথা মনে আছে !

আমার তো মনে হলো কিছুদিনের

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৩৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হা হা হা হা, কিছুদিনের আগে যদি হতো তাহলে সেটা হতো শতাব্দীর সেরা লজ্জার। 2006 সালে এটা খুব বেশি লজ্জা নয় । কিন্তু সামপ্রতিককালে যদি এই কালচার চলতে থাকে তাহলে সেটা মুখে প্রকাশের অযোগ্য আরকি।

শুভেচ্ছা নিয়েন।

১৯| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৯

জাহিদ অনিক বলেছেন:



অবস্থা তো খুবই করুণ ছিল তাহলে------------- স্বাস্থ্য সচেতনতার কোন বালাই ছিল না সেখানে। এখন কি অবস্থা ? উন্নতি হয়েছে আশা করি।


সত্যি কথা বলতে এটা যে আপনার নিজের ভ্রমণ কাহিনী সেটা আপনার লিখনশৈলী বলে না। আমি ভেবেছিলাম হয়ত নতুন কোন গল্প পড়ছি। আপনার লেখার ধাঁচ এমন। সবকিছুই যেন গল্পের মত করে লিখেন।
ভালো থাকুন ব্রাদার

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:১০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় কবি ভাই,

হ্যাঁ ঠিকই ধরেছেন, অবস্থা তখন অত্যন্ত করুণ ছিল । তবে এখন কি অবস্থায় আছে সেটা অবশ্য জানা নেই । শহরের বস্তি গুলিতে কি কখনো স্বাস্থ্য সচেতনতার প্রসঙ্গটি আসে ? তারা জন্মায় বড় হয় এবং ওর মধ্য দিয়েই জীবন অতিবাহিত করে। এটাও সেরকম আরকি ।

সত্যি কথা বলতে এটা যে আমার ভ্রমণ-কাহিনী সেটা লেখনশৈলী বলে না। হা হা হা । লজ্জা! লজ্জা পেলাম লজ্জা। কতটা শৈলী হয়েছে জানি না তবে আপনারা পড়েন তাই লিখছি। যেদিন পড়া বন্ধ করবেন, সেদিন আর লিখব না।

শুভকামনা ও ভালোবাসা প্রিয় কবিকে ।



২০| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৬

করুণাধারা বলেছেন: মনে হয় যখন চিলকা ভ্রমণে গিয়েছিলেন, তখন যা যা দেখেছিলেন সব ছবি হয়ে আপনার মাথায় থেকে গিয়েছিল। এখন একটা একটা ছবি বের করে আনছেন, আর শব্দ দিয়ে ছবিগুলো ব্লগে আঁকছেন! চমৎকার লিখেছেন!

এমন ঘটনা অনেক পড়েছি, তবে এমন ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এই প্রথম পড়লাম। খুবই অবাক লাগছে এরা অসুখ-বিসুখ না হয়ে থাকে কি করে!!!

একটা কথা বলি, আপনার সব লেখাই ভাল লাগে, সেটা মরীচিকা হোক বা ভ্রমণ কাহিনী হোক। সুতরাং লিখতে থাকুন, না থেমে।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৩৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: বিলম্বিত উত্তর দেয়ার জন্য দুঃখিত আপু । জীবনে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যেগুলি সারা জীবন মনে দাগ কেটে যায় । চিল্কা ভ্রমণ এর পরেই পুরী ভ্রমণ ছিল আমার কাছে এরকম একটি বিরল অভিজ্ঞতা । যদি আবার কখনো কোন পোষ্টে বোরিং হন তখন তার মাঝে পুরীর করচা দিয়ে দেবো বলে ভেবেছি।

আমি ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের এমন কিছু বস্তি এলাকা দেখেছি যেখানে ড্রেনের পাশে বাচ্চা কাচ্চারা খাবারের থালা নিয়ে খেতে বসে । একদিকে নর্দমা বা ড্রেনের অপরিচ্ছন্ন অবস্থা সঙ্গে মশা-মাছ প্রভৃতি সঙ্গে খাবারের সহাবস্থান; যেখানে ন্যূনতম স্বাস্থ্যপরিসেবা থাকে না বললেই চলে। অথচ ওরা তার মধ্যে দিয়েই দিব্যি বড় হচ্ছে।
আর কমেন্টের শেষ অংশের জন্য অনেক অনুপ্রেরণা পেলাম । কৃতজ্ঞতা জানাই আপু আপনাকে।

আপনারা সাহস জোগাচ্ছেন যখন তাহলে লেখা চালিয়ে যাব । ধন্যবাদ আপু এভাবে সাহস দিয়ে পাশে থাকার জন্য।


পরিশেষে বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানবেন।


২১| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:২৪

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: ভ্রমণকাহিনী ভালো লাগলো।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৩৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ধন্যবাদ দাদা, বরাবরের মতো এসে আপনার মূল্যবান কমেন্ট করে যাওয়ার জন্য । ভ্রমণ কাহিনী ভালো লাগাতে আনন্দ পেলাম । সঙ্গে পোস্টটিকে লাইক করাতে অনুপ্রেরণা পেলাম। কৃতজ্ঞতা জানাই আপনাকে।

শুভকামনা ও ভালোবাসা প্রিয় দাদাকে।

২২| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৫২

নজসু বলেছেন:



এখন আমার লাইক আছে। :)
লাইক দিলাম কিংবা দিলাম না কিভাবে বোঝা যায়?

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৪০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হা হা হা , অবশেষে লাইক আদায় করে নিয়েছি। লাইক দেখার জন্য হাত চিহ্নিত স্থানে ক্লিক করলে ঠিক নিজের নামের লিস্টটি চলে আসবে । ...

২৩| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৪১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন:



প্রিয় ভাইয়ের উদ্দেশ্যে .....

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৪৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ২২ নম্বর কমেন্টের রিপ্লাই হিসাবে তেইশ নম্বর কমেন্টটি দেওয়া।

২৪| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:৫১

মা.হাসান বলেছেন: আপনার মরীচিকার জন্য তীর্থের কাকের মতো বসে থাকি। কমেন্ট করলে আপনাকে মোবাইল থেকে পাল্টা কমেন্ট করতে হবে। বাংলায় লেখা বড়ই কষ্ট। এজন্য কমেন্ট করা এড়িয়ে গিয়েছি।
গত বছর পুরীতে এবং এর সাথে উড়িষ্যার বর্ডার এলাকায় আপনার বর্ণনার সাথে মেলে এমন কিছু দেখার সৌভাগ্য(!) হয়েছে, তবে পরিমানে কম।সচেতনতা/সতর্কতা মূলক কিছু পোস্টারের ছবিও তুলেছিলাম, খুঁজে পেলে পরে আপলোড করবো। জয়সালমিরে যাবার সময় ট্রেনের লাইনের দুধারে আবার ব্যাপক হারে দেখেছ।
বাংলাদেশেও খুব একটা মানবিক ভাবে গরু পরিবহন করা হয় না। দু:কজনক হলো মানুষ এগুলো দেখেও না দেখার ভান করে।
চিল্কায় যাবার আগ্রহ ছিল, এখন বেড়ে গেল।
কুহেলিকার অপেক্ষায় থাকলাম।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:১৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় হাসানভাই,

আমার মরীচিকার জন্য আপনি তীর্থের কাকের মত বসে থাকেন শুনে আনন্দ পেলাম। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আপনার মত একজন গুণমুগ্ধ পাঠকের কাছ থেকে এ যাবৎ কোন মন্তব্য না পেয়ে নিজেকে খুব বঞ্চিত বলে মনে করছি। যদিও কারণটি আপনি দেখিয়েছেন । তবে আমিও রাস্তাঘাটে গাড়িতে যেতে যেতে মোবাইল ফোন থেকে ব্লগিং করি। কিছু কমেন্টে হয়তো টাইপো থেকে যায় তবে সময়টাও কাতে আরকি। বাংলায় লেখার জন্য আপনি ঋদ্মিক কিবোর্ড অ্যাপস ডাউনলোড করতে পারেন, যেটা আমি নিজে ইউস করি।

হা হা হা ! গতবছর তাহলে ওড়িশা বা পুরীর বর্ডার এলাকায় এ জিনিস দেখার সৌভাগ্য আপনার হয়েছে যখন ধন্যবাদ জানাই আপনাকে। তবে বিহার বা উত্তরপ্রদেশে উপর দিয়ে যাওয়া আপ এন্ড ডাউন ট্রেনে ও কিন্তু আপনি এই জিনিস দেখার সুযোগ পাবেন
। বেশতো ! আপনার যখন এমন ফটো আছে তাহলে আপনার কালেকশনের ফটো গুলো নিয়ে একদিন একটা পোস্ট দিতে পারেন ।

চিল্কার দেখার আগ্রহ ছিল; পোস্টটি পড়ে আপনার আগ্রহ আরো বেড়ে গেল, শুনে আমি আনন্দ পেলাম। বাস্তবে সমুদ্রের জলরাশি আর শান্ত চিলকার জলরাশি দুটির প্রাকৃতিক দৃশ্য দু'রকম সৌন্দর্য্যে ভরা। চিলকাতে অবশ্যই আসবেন এবং এই নিয়ে পোস্ট দেবেন আমরা অপেক্ষায় থাকলাম।

কুহেলিকা'র অপেক্ষায় আছেন জেনে, আবারো ধন্যবাদ । খুব শীঘ্রই কুহেলিকা'র দেখা পাবেন। আমিও আপনার কমেন্টের অপেক্ষায় থাকবো।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।




২৫| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ২:৪৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:

আপনার সুন্দর দুইটি ছবিকে ডাবল ভিউ করে দিলাম - এটিই আমার কমেন্ট ।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:২১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ঠাকুরমাহমুদ ভাই ,

আপনাকে আলাদাভাবে কমেন্ট করতে হলো না । আপনার পাঞ্চ করার ছবিটিই কমেন্ট বলে দিলো। প্রথম ছবিটা সুন্দর ( অবশ্য আপনার মতে ) আর দ্বিতীয়টি ভয়ংকর। কাজেই এক্ষেত্রে ছবির ভাষা হল, ভয়ংকর সুন্দর !! পোস্টটিকে লাইক করার জন্য অনুপ্রেরণা পেলাম। কৃতজ্ঞতা জানাই আপনাকে।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

২৬| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৩:২৫

ওমেরা বলেছেন: বেশ ভাল লাগল ভ্রমন কাহিনী।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:২৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় আপুনি,

ভ্রমণ কাহিনী বেশ ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। আপনিও তো অনেকদিন পোস্ট দিচ্ছেন না। ব্যস্ত আছেন বোধহয়ম।

পোস্টটিকে লাইক করাতে অনুপ্রেরনা পেলাম। কৃতজ্ঞতা জানবেন।

বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানবেন।

২৭| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৩:২৬

মিথী_মারজান বলেছেন: ছবিটা দেখেই তো চিল্কাকে ভালোবাসতে ইচ্ছা করে।
কিন্তু অবস্থা যা পড়লাম, এটাতে তো চিল্কার সৌন্দর্য প্রবল হুমকির সম্মুখীন বলো মনে হলো।
আশাকরি কতৃপক্ষ এবং আশেপাশের অধিবাসীরা এর সৌন্দর্য রক্ষায় এতদিনে সচেষ্ট হয়েছেন।
আর আসলেই, একদমই মনেহয়নি এটা এত পুরোনো স্মৃতি থেকে নিয়ে লেখা।
পোস্টেে ভালোলাগা রইল ভাইয়া।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:২০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অনেকদিন পরে আপু আপনাকে পেয়ে আনন্দ পেলাম। হ্যাঁ ঠিকই বলেছেন, ছবিটা দেখে যে চিল্কাকে ভালোবাসতে ইচ্ছে করছে বাস্তবের চিলকাও ঠিক ততটাই মায়াবী বা ততটাই আকর্ষণীয়। আপনি মিছে ভয় পাচ্ছেন । ম্যাক্সিমাম পর্যটকরা যে হোটেলগুলোতে ওঠে বা থাকে সেখান থেকে চিলকাকে উপভোগ করেই পরবর্তী স্পটে চলে যায়। আমরা তো হেঁটে হেঁটে অনেকটা চলে গেছি । সাধারণত পর্যটকরা এদিকে যায় না বললেই চলে । কাজেই এই সমস্যাটা বাকিদের ফেস করতে হয় না। তবে হ্যাঁ, আপনি যদি ইন্ডিয়াকে দেখতে চান ; তাহলে আপনাকে একটু পায়ে হাঁটতেই হবে । আর সে ক্ষেত্রে এদেরকে আপনি খালি চোখে দেখতে পাবেন ।
পুরানো স্মৃতিকে নিয়ে লেখা ভ্রমণ অভিজ্ঞতা আপনার ভালো লেগেছে জেনে আনন্দ পেলাম। পোস্টটিকে লাইক করাতে অনেক অনুপ্রেরণা পেলাম। কৃতজ্ঞতা জানাই প্রিয় আপুনিকে।

বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানবেন।

২৮| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:২৬

নীলপরি বলেছেন: কাল এসেছিলাম ।বেশ লাগলো এই লেখাটা ।

আর ধারাবাহিকের কয়েকটা পর্ব পোষ্ট করে দিয়েছেন দেখলাম । এখন ধীরে ধীরে পড়বো ।

শুভকামনা

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৩২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় আপুনি ,

কাব্যের মতই আপনার ছোট্ট ছোট্ট মন্তব্যগুলি যেন একবার প্রাণ ছুঁয়ে যায়।। গতকাল এসেছিলেন কিন্তু কমেন্ট করলেন আজ, এতেই আমি খুশি। ধন্যবাদ আপনাকে।

ধারাবাহিকে আপনার কমেন্ট দেখলাম । সুন্দর কমেন্ট করেছেন । আমিও ইতিমধ্যে উত্তর দিয়েছি , দেরি হলেও । বিলম্বিত উত্তর দেওয়ার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী আপুনির কাছে।

পোস্টটিকে লাইক করাতে অনেক অনুপ্রেরণা পেলাম। কৃতজ্ঞতা জানাই আপনাকে ।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন ।


২৯| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:৩৮

প্রামানিক বলেছেন: এরকম বিপদে ইন্ডিয়াতে গিয়ে আমিও পড়েছিলাম। ঘুম থেকে উঠে গ্রামের মেঠো পথে কিছুদূর এগোতেই চক্ষু চড়ক গাছ। পরে যে কয়দিন ছিলাম সে কয়দিন আর সকালে রাস্তায় বের হই নাই। ধন্যবাদ বাস্তব ঘটনা তুলে ধরার জন্য।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৩৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় প্রামানিক ভাই,

আশা করি ভালো আছেন । এমন বিপদ ইন্ডিয়াতে এসে আপনার হয়েছিল জেনে দুঃখ পেলাম। আহারে !! ঘুম থেকে উঠে সেই একই চিত্র, চক্ষু চড়কগাছ!! পরের কদিন তাহলে ভুল করেও ওই পথে পা মারাননি , হা হা হা । আপনার অভিজ্ঞতার সঙ্গে গল্পটি মিলে যাওয়ায় আনন্দ পেলাম । কিন্তু বাজে অভিজ্ঞতা যে সহজে ভোলার নয় ।

শুভকামনা ও ভালোবাসা প্রিয় কবিভাইকে।

৩০| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:১৪

ফারিহা হোসেন প্রভা বলেছেন: চিল্কাপারের বৃত্তান্ত পড়ে অনেক ভাল লাগছে। মরীচিকা গল্পটি আমার কাছে খুব ভাল লেগেছে। আপনার সকল লিখাই অনেক ভাল লাগে। আশা করি আপনি ভাল দিনই কাটিয়েছেন সেথায়।
ভ্রমণকাহিনী নিয়ে আরো পোষ্ট দিন। খুব ভাল লাগে.....

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: যাক অবশেষে ছোট্ট আপুটির দেখা পেলাম। চিলকা পারের বৃত্তান্ত আপুটির ভালো লেগেছে জেনে আনন্দ পেলাম। আর মরীচিকা অনেকের সঙ্গে আপুটির ভালো লেগেছে জেনে ,আমিও খুশি হলাম । খুব শীঘ্রই মরীচিকার পরবর্তী পর্ব পোস্ট করব। আপু ওই সময়কার ঘটনাটা আজ থেকে 12 বছর আগে 2006 সালের ।। আর কেমন কেটেছিল সেটা নিয়েই তো পোস্ট । তবে চিল্কাতে এবারও গেছিলাম পরিবার নিয়ে। অন্য আরেকটি দিকে। সাধারণত ব্যাচেলর লাইফে যতটা ভেগোব্যান্ডের মত ঘোরাঘুরি করা করা যায়, পরিবার হলে সেটা বাস্তবে সম্ভব হয় না । দু'রকম জীবনের অভিজ্ঞতা এরকম হওয়াটাই স্বাভাবিক। যাইহোক ভ্রমণ কাহিনী ভালো লাগছে যখন মাঝে মাঝে দুই - একটা এরকম পোস্ট করব। তবে টাইমে পড়তে আসতে হবে কিন্তু; নইলে ভাইয়া কিন্তু রাগ করবে , হা হা হা।
শুভকামনা ও ভালবাসা প্রিয় ছোট্ট আপুটিকে ।


৩১| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৬

রাকু হাসান বলেছেন:


আমি তো দুনিয়ার লেইটু হয়ে যাচ্ছি । :( লেখাটি পড়ার সময় যেন অজানা,অজপাঁড়া এলাকায় একা একা ভ্রমণ করছি । ভালো লাগছিলো । এসব জায়গা ভীষণ ভালো লাগে । পাঠকদের এমন চিন্তা আমাকে মুগ্ধ করলো । তোমাকে দেখে শেখা উচিত । কিছু ব্লগার এক বিষয়ের পোস্ট দিতে দিতে বিরুক্তি এসে যাই । তুমি টানা একই গল্প পোস্ট করাতে আমার বিন্দু মাত্র একঘেয়েমি আসে নাই । নিশ্চয় অন্যদেরও এমন । লেখার মুগ্ধ হয়ে থেকেছি । ছবি আরও কিছু বেশি হলে আরও খুশি হতাম । ছবিগুলো ভালো লাগছিলো আামার ।ভালো থাক । ভাইপো মনে হয় ছুটিতে অনেক আনন্দ করছে । আমার কাছে থাকলে তাঁকে নিয়ে ক্রিকেট খেলতাম ,অবশ্য সন্ধ্যায় গল্প বলে মুগ্ধ করে রাখতেও চেষ্টা করতাম । :)

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:২১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: স্নেহের রাকু ,

আমি জানি তুমি এই মুহূর্তে ভীষণ ব্যস্ত আছো।আর কাজের মধ্যে থাকলে তো ব্লগে সবকিছুই তো নিয়মিত পাঠ করা সম্ভব নয়। এই যেমন আমি তোমাদের প্রতিমন্তব্য করতে অনেক দেরি করে ফেললাম। কিন্তু কি আর করা যাবে ; আমাদের দৈনন্দিন ব্যস্ততার মধ্যেই সময় করে যে ব্লগিং করতে হবে। সে ক্ষেত্রে প্রথম দিকে না থাকলেও এটলিস্ট যে কমেন্ট করতে পেরেছে এটাই অনেক । আমি অবশ্য আমার ছোটভাইকে পেলেই খুশি।

লেখাটা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে অজানা অজ পাড়াগাঁয়ের কোন একটা এলাকায় একা একা ভ্রমণ করছ - এমন অনুভূতিতে মুগ্ধ হলাম। কমেন্টের মাধ্যমে পাঠকদের চিন্তা যেমন তোমাকে মুগ্ধ করেছে তেমনি মুগ্ধ হয়েছি আমি নিজেও । সিরিজ গুলি যে তোমার বিরক্তি লাগছে না; এটা জেনে আমি খুশি হলাম। কারণ কয়েকটি সিরিজ পর পর হয়ে গেলে কেন যেন আমার মনের মধ্যে একটা আশঙ্কা কাজ করে যে পাঠকরা হয়তো একটু বিরক্ত হচ্ছে বৈকি।
আর এই পোষ্টের সঙ্গে বেশি ছবি দিতে পারেনি; কারণ পোস্টটি তো অনেকদিন আগের, ওই সময়ের কোন ফটো আর নেই । যে দুটি ফটো দিয়েছি সেগুলো কিন্তু সম্প্রতি ঘুরে এলাম সেই ফটো।
তোমার ভাইপোর পরীক্ষা 30 তারিখে হয়ে গেছে। কিন্তু পরীক্ষার আগে থেকেই জ্বর ছিল। বেশ কয়েকদিন হোমিওপ্যাথি দেখিয়ে গতকাল এলোপ্যাথি ডাক্তার দেখালাম । আজ সারা দিন অবশ্য গায়ে জ্বর আসেনি। ইতিমধ্যে স্কুল খুলে গেছে। আপাতত আট দিনের এন্টিবায়োটিক চলছে । যে কারণে স্কুলে পাঠাতে পারছিনা। তবে তুমি এলে তোমার সঙ্গে ওর জমবে ভাল , সেটি হলফ করে বলতে পারি। হা হা হা ।

পোস্টে লাইক করাতে অনেক অনুপ্রেরণা পেলাম। কৃতজ্ঞতা জানাই ছোট্ট ভাইটিকে।

সবশেষে অন্তরের বিমুগ্ধ ভালোবাসা ও শুভকামনা স্নেহের ছোট্টভাইটিকে।

৩২| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৯

মা.হাসান বলেছেন: ২৪নং মন্তব্য এবং জবাবের প্রেক্ষিতে এই ছবি, এর চেয়ে র সবার হজম হবে না।২৪নং মন্তব্য এবং জবাবের প্রেক্ষিতে এই ছবি। এর চেয়ে র সবার হজম হবে না বলে দেয়া গেল না। । নতুন দীঘা থেকে পুরাতন দীঘা যাবার মূল সড়কের পাশের বোর্ড।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:২৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: দ্বিতীয় বার আবার এসে মন্তব্য করার জন্য আপ্লুত হলাম অশেষ ধন্যবাদ জানবেন। আপনি যে সময় গিয়েছিলেন তখন হয়তো এমন মজাদার পোস্ট সামনে পড়েছিল।হা হা হা । কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় যে আমি একাধিকবার গেলেও আমার চোখে যে করেই হোক এমন পোস্টার পড়েনি। ছবি গুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন ।

৩৩| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৩৩

পবন সরকার বলেছেন: জলপাইগুড়িতে এরকম দৃশ্য আমার চোখেও পড়েছিল।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৪০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অনেক দিন পর প্রিয় দাদাকে দেখে খুশি হলাম। পাট মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। জলপাইগুড়িতে আপনি যেটা দেখেছেন সেখানে সংখ্যাটা খুবই কম । একটা গোটা জাতি কখনোই এরকম ভাবে পথে বা উন্মুক্ত স্থানে আসে না। বিচ্ছিন্নভাবে একজন বা দুজনকে আপনি পাবেন এরকম প্রাতঃ কাজ করতে । কিন্তু আমি যে স্থানের কথা বললাম এখানে গোটা জাতি উন্মুক্ত স্থানে প্রাতঃ কাজে লিপ্ত ।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

৩৪| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:২৯

নীলপরি বলেছেন: বিলম্ব কোথায় হোলো ? আমার তো কতো দেরী হয় একেক সময় ।সেটাকে কি বলা হবে ?

এভাবে ক্ষমা শব্দটা বলবেন না প্লিজ । লজ্জায় পড়ে যায় যে!

শুভকামনা জানবেন

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:২১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শুভ সকাল আপু ,

যাক শুনে আস্বস্ত হলাম যে একটু দেরিতে উত্তর দেওয়াটা তেমন কিছু নয়। আবার এসে কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ । হা হা হা , ঠিক আছে ' ক্ষমা ' শব্দটি তাহলে ব্যবহারই করব না আপু , কথা দিলাম।

শুভকামনা রইল।

৩৫| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:১৯

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:


মন্তব্য শুরু,

প্রথমেই আপনার ফেবু আইডি থাকলে আমাকে দিন । এটা অনুরোধ ।

এবার, বাইক বেচে দেয়ার পর আমি ঘুরতে পারি না । :(( :(( :(( আমার এমন ঘুরা ফিরার চাকরি দরকার ।

রম্ভার কথা বলতেই আমার কেন জানি মেনকা আর উর্বশীর কথা মাথায় আসতেছে । হাইসেন না এখনো বিয়ে করি নাই । নর বিষ্টার ব্যাপারটা প্রথমে বুঝতে পারি নাই । পরে বুঝেছি ।

আমার জানা মতে ইন্ডিয়াতে টয়েলেট ব্যবহারে লোকজন কে উতসাহ দেয়া হচ্ছে সরকার থেকে । তারা এখনো এই রীতি মানে এটা জেনে দুঃখ লাগল ।

সব শেষে, অফিশিয়াল ট্যুরে সিলেট ছিলাম তাই ব্লগ থেকে কয়েক দিন বাইরে ছিলাম ।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:৩৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শুভ সকাল অপুভাই ,

অনেকদিন পর আপনাকে টাকা পেলাম। যদিও আপনার দীর্ঘ অনুপস্থিতির কারণ আপনি বলেছেন। ব্যক্তিগত ব্যস্ততার জন্য সব সময় হবে ব্লগে সময় দেয়া সম্ভব হয়ে ওঠেনা। কিন্তু আমরা পোস্ট দিয়ে যে আপন জনদের খুঁজে বেড়াই । আশা করি এখন থেকে নিয়মিত হবেন।

ফেবু আমি একদম পছন্দ করি না । সারাক্ষণ কেটে যায় ব্লগে। ফলে ওখানে একটি আইডি থাকলেও সম্পূর্ণ ইনভ্যালিড হয়ে পড়ে আছে। আপনি চাইলে রাজীব নূর ভাই এর আইডিতে গিয়ে আমাকে খুঁজে পেতে পারেন আমার ফটোগ্রাফি পেইজ এ। দেখবেন তৈমুর চৌধুরী নামে।
হ্যাঁ আপনার জানা মত অনুসারে এখন সরকার থেকে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সরকার নির্মল মিশন প্রকল্পে প্রত্যেকটি এলাকা ভাগ করে করে ওই প্রকল্পে টয়লেটের ব্যবস্থা করছে। যদিও তার মধ্য এখনো ফাঁকফোকর প্রচুর রয়ে গেছে।
আপনার অফিশিয়াল ট্যুর খুব আনন্দের সঙ্গে কেটেছে আশা করি।

শুভকামনা ও ভালবাসা রইল।



৩৬| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:



ভাই,

অফিশিয়াল ট্যুর আনন্দে গেলে ভাল ই হতো । বাইকিং কমিউনিটির ভিতরে গেলে বুঝা যায় এর মধ্যে কত বাইকে কত রাইডার ।

আপনার জন্য শুভ কামনা রইল ।

আর দোয়া করবেন মহাপুরুষ সিরিজ টা যাতে শেষ করতে পারি ।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:৫৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: দ্বিতীয়বার আপনার কমেন্ট পেয়ে আনন্দ পেলাম। বাইকিং কমিউনিটির বিষয়টি আমার কাছে অজ্ঞাত । আমি নিজে খুবএকটা এটা পছন্দ করি না।
আপনার মহাপুরুষ সিরিজটা দেখে এলাম। ভেবেছিলাম যে নতুন কোন পোস্ট করেছেন কিনা। শুভকামনা রইল মহাপুরুষের জন্য।

ভালোবাসা জানবেন।

৩৭| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:২৭

হাবিব স্যার বলেছেন: একসাথে পথ চলার ৫ম বর্ষে আমরা

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:১৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে , এভাবে আমন্ত্রণ করার জন্য। আমি ইতিপূর্বে গেছি । গিয়ে মন্তব্য করেছি। আপনিও প্রতি মন্তব্য দিয়েছেন।

শুভকামনা ও ভালবাসা প্রিয় হাবিবভায়ের গোটা পরিবারবর্গকে।

৩৮| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:২৪

হাবিব স্যার বলেছেন: আসলে কি জানেন........... আপনাদের কয়েক জনকে না পেলে কেমন জেন অসহায় অসহায় লাগে।
তাই আমন্ত্রন জানাই একটু বিলম্ব হলে.......

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হা হা হা , একেবারে মনের কথা বললেন। আমিও পোস্ট দিয়ে আপনাদের যদি টাইমে না পাই প্রচন্ড ব্যস্ত হয়ে পড়ি । দেশ কালের গণ্ডির বাইরে এই পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ায় আমাদের সম্পদ।

বিমুগ্ধ ভালোবাসা ও শুভকামনা ও প্রিয় হাবিবভাই ও গোটা পরিবারকে ।

৩৯| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৩০

নজসু বলেছেন:



মেঘ এখন কেমন আছে।?
আশা করি সমস্যাগুলো কেটে গেছে।
ইনজেকশান দিতে হয়নি তো।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৪২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আমি মেঘ বলছি,

আমি সুস্থ আছি। আঙ্কেল তুমি আমার খোঁজ করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। ইনজেকশন নিতে হয় নি। এখন অ্যান্টিবায়োটিক চলছে এখন অ্যান্টিবায়োটিক চলছে। ইন্ডিয়াতে এলে আমাদের বাড়ি অবশ্যই আসতেই হবে।


" কথাগুলো আমার নয় মেঘের হা হা হা। "

৪০| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৫৬

নজসু বলেছেন:



আরে এতো আমার জন্য খুব বড় চমক।
(মেঘকে) তুমি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠো বাবা।
যদি কখনও ইন্ডিয়া যাই অবশ্যই তোমাদের খোঁজ করবো।
ভালো থাকো।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:০৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হা হা হা, এবার আমি মেঘের পাপা বলছি। ওর এখন টিভি দেখার সময় হয়ে গেছে। পাশের ঘরে আছে।

আঙ্কেলের দোয়াতে মেঘ যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে। আর মেঘের কথাটি আমারও, ইন্ডিয়াতে এলে অবশ্যই আসবেন। আমরা আপনার জন্য অপেক্ষা করবো......

শুভকামনা ও বিমুগ্ধ ভালোবাসা জানবেন।

৪১| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৪৪

আরোগ্য বলেছেন: প্রিয় ভাইটি ব্লগ দিবস পালনের জন্য প্রস্তুতি চলছে অনেক পোস্টে। জানিনা শেষ পর্যন্ত হবে নাকি। আমি অবশ্য একটু সংকোচ বোধ করছি মিটিং এ। তবে প্রিয় ভাইটি আসলে সাধ্যমত চেষ্টা করবো আসার।যেহেতু ইলেকশন সামনে অন্যথায় মেঘকে নিয়ে আসতে বলতাম।
নজসু ভাইর মন্তব্যে মেঘের অসুস্থতার কথা জানলাম। আশা করি এখন ভালো আছে।
জীবনে একবার হলেও চেষ্টা করবো আপনার সাথে দেখা করার ইনশাআল্লাহ। আমি পুরান ঢাকায় থাকি। কখনো ঢাকা আসলে অথবা আমি যদি ওখানে যাই আশা করি দেখা হবে।
অবশেষে বলতেই চাই শেফালী ম্যাডাম আর মুখ্যার্জির ঘটনা জানার জন্য আমি খুব উৎসুক।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:০২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: স্নেহের ছোটভাই ,

ভাইকে খোঁজ নিতে এসে আবার মন্তব্য করাতে অত্যন্ত খুশি হলাম। হ্যাঁ বিভিন্ন পোস্টে দেখছি ব্লগ দিবস পালনের জন্য একটা প্রস্তাব আকারে আলোচনা চলছে । উল্লেখ্য যেহেতু অতীতে ঘটেছে কাজেই অসম্ভব কিছুই নয় ; হতেও পারে। তবে যেহেতু সামনে ইলেকশন আছে সে বিষয়ে একটু সন্দেহ থেকেই যায়। তবে যাই হোক নির্বাচন পরবর্তী কালেও একটা সম্ভাবনা থেকে যায় । পাশাপাশি বিষয়টা মডুর সদিচ্ছার উপর নির্ভর করছে।

আমার যাওয়া প্রসঙ্গে বলি 100 ভাগ মনের দিক থেকে ইচ্ছুক যেতে ,তবে আমার এখনও পাসপোর্ট ভিসা হয়নি। ওগুলো করতে তো একটু টাইম লাগবে। তবে বাস্তবে যেতে নাই যদি পারি ,এমন দিবসের জন্য শুভ কামনা রইল ।

ভবিষ্যতে যদি কখনো ঢাকাতে যায় তাহলে অবশ্যই পুরান ঢাকাতে প্রিয় ওইয়ের সঙ্গে দেখা হবে । পাশাপাশি আমিও আশা করব ভাইটি কলকাতায় এলে ইনশাল্লাহ দেখা হবেই হবে ।

বিমুগ্ধ ভালোবাসা ও শুভকামনা প্রিয় ছোটভাইকে।


৪২| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:০৭

আরোগ্য বলেছেন: এতো অর্ধাংশের উত্তর বাকী উত্তর কই ভাইটি। মেঘ বাবা ও শেফালী ম্যাডামের প্রসঙ্গে উত্তর দেয়া হয় নি।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:২৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: স্যরি !! অসম্পূর্ণ উত্তর দেয়ার জন্য । মেঘকে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছো বলে আনন্দ পেলাম। তবে মেঘকে ছেড়ে আজ পর্যন্ত কোথাও ঘুরতে যাইনি। ভোটের ডিউটিতে কেবল যাই মেঘ বা ওর মাকে বাড়িতে রেখে। সেটা এক হিসেবে বাধ্য হয়ে।কাজেই ওদের ফেলে যাওয়াটাও আমার পক্ষে খুব কঠিন হয়ে দাঁড়ালো আরকি।

গলা ও কানে ঠান্ডা লাগার কারণে সাইনাস থেকে ইনফেকশন হয়েই ওর দৈনিক জ্বরটা আসতো। কিন্তু গত রবিবার ডাক্তার দেখিয়ে দেখেছিলাম । 8 দিনের এন্টিবায়োটিক দিয়েছেন। কাজেই এখন অ্যান্টিবায়োটিক চলছে । এখন অনেকটা সুস্থ । পাশাপাশি আজ থেকে স্কুলে যাওয়া শুরু করেছে।
কলকাতা বা ঢাকাতে ভাইয়ের সঙ্গে দেখা হবেই- বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

শেফালী ম্যাডাম বা মুখার্জির ঘটনাটা আরও একটু পরে আসবে। আপাতত কুহেলিকার এডিটিং নিয়ে একটু ব্যস্ত আছি। কয়েক দিনের মধ্যে কুহেলিকা পোস্ট হবে বলে আশাবাদী।


৪৩| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১:৫৬

অধৃষ্য বলেছেন: জন্মের পর ১৬ বছর কাটিয়েছি পাহাড়ের নিচে। এখন কোথাও পাহাড়ের ছবি দেখলেই গ্রামের কথা মনে হয়। প্রথম ছবিটা দারুণ লেগেছে।

বিষয়টা নিয়ে আগে শুনতাম। অক্ষয় কুমারের ছবিটা দেখে ভয়াবহতা কিছুটা আঁচ করতে পেরেছিলাম। আপনার অভিজ্ঞতা পড়ে বুঝতে পারলাম এই সংস্কৃতির কারণে কেবল গ্রামছাড়া নয়, চামড়াছাড়াও হওয়া যেতে পারে।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:২৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আমার কোন পোস্টে আপনার প্রথম মন্তব্য ; সু স্বাগতম আপনাকে । জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে যেটা শেয়ার করলেন তাতে প্রীত হলাম। প্রথম ছবিটা দারুন লাগাতে আনন্দ পেলাম। আনাড়ি হাতের ছবিও যে ভালো লাগে এটা আমার কাছে বিরাট প্রাপ্তি । আগামী দিনেও আমার পোস্টে আপনার সুচিন্তিত কমেন্টের অপেক্ষায় থাকবো।
অক্ষয় কুমারের ওই ছবিটা আমিও দেখেছি একেবারে বাস একেবারে বাস্তব ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি ছবিটি। গ্রাম্য ভারতের সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ আরকি। তবে সিনেমায় যেটা দ্রুত সম্ভব, বাস্তবে তো সেটা অত সহজ নয়।

শুভকামনা ও ভালবাসা জানবেন।


৪৪| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:১৩

হাবিব স্যার বলেছেন: ভাই কি ফ্রি আছেন? আমাতে ১৫ মিনিট সময় দিতে পারবেন?

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:২৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আপাতত অটোতে আছি । তবে 15 মিনিট সময় দিতে কোন সমস্যা নেই; আমি আপনার পোস্টে ঘুরে এসেছি । ওখানে যে কথা বলেছি যে আমি ঠিক বুঝতে পারছি না আপনি কিভাবে সময়টা চাইছেন । আপনার উত্তরের অপেক্ষায় থাকলাম।

৪৫| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৫০

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন বলেছেন: মরিচীকা খুব ভালো লাগতো আমার। আজকে এইটা চোখে পড়লো। আসল কথা দুই তিন দিন ধরে ব্লগে কম আসা হয়।


ভ্রমন কাহিণিটা ভালো ছিলো। জীবন্ত

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:২১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে দুদিন পরে হলেও মনে করে এসে পড়েছেন ও মন্তব্য করেছেন , এটাই আমার বড় প্রাপ্তি। আশাকরি ব্যস্ততা একটু কমেছে এবং আপনাকে নিয়মিত ব্লগে পাব। মরীচিকা ভালো লেগেছে বা ভ্রমণ পোস্টটিও জীবন্ত মনে হওয়াতে অনেক আনন্দ পেলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

৪৬| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৫৬

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: দাদা আমারও অনেক ঘুরতে ইচ্ছা করে, মাঝে মাঝে ইচ্ছা হয় কলকাতা যাই , ওখানে গিয়া পুরোনো কোনো দালানে থাকি , কলকাতা আমার মাতৃভূমি না হলেও সব সময় কোলকাতার জন্য আলাদা একটা মায়া অনুভব করি।
আর হ্যাঁ ! গল্পের সামাজিক ব্যাধি খুব সুন্দর করে তুলে ধরবার জন্য আপনকে ধন্যবাদ ।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:৫৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শুভ সকাল প্রিয় পবিত্র ভাই । বেশতো ! আপনার ঘোরার ইচ্ছা আছে, মাঝে মাঝে ইচ্ছা হয় কলকাতায় আসতে জেনে আনন্দ পেলাম অবশ্যই আসুন কলকাতায় । কলকাতাতে প্রচুর দর্শনীয় স্থান আছে। সেক্ষেত্রে আমাদের দেখাও হতে পারে । কলকাতার মায়া অন্তরে থাকুক; এটাকে লালন করুন সযতনে। প্রকৃতপক্ষে আমরা তো বাঙ্গালী । মাঝে একটা পাঁচিল আছে ঠিকই; তবে আমাদের মধ্যে তো কোনো ভেদাভেদ নাই ,এই জন্যই আমাদের মধ্যে একে অপরের এই টান আরকি।

গল্পে সামাজিক ব্যাধি যে আপনার চোখে ধরা পড়েছে এবং সেটা যে ভালোও লেগেছে, এটা জেনে আনন্দ পেলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।


৪৭| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৮

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: পরে পড়বো বলে লেখাটি রেখে দিয়েছিলাম কিন্তু এখন মনে হচ্ছে কেন আগেই পড়িনি =p~

ভ্রমন বিষয়ক লেখা দেখে ভেবেছিলাম দেখি ভেতরে কি আছে পড়ে সেই জায়গায় যাওয়ার ইচ্ছে জাগে কিনা মনে। কিন্তু যা পড়লাম তাতে তো ইচ্ছে থাকলেও সাহস নেই :|| কলকাতারই একটি সিনেমায় দেখেছিলাম গ্রামের সবাই একসাথে ওইসব করে :P এখন দেখছি এসব সত্যি =p~

বেঁচে গিয়েছেন যে কেউ আপনাকে পিক তুলতে দেখে ফেলেনি :||

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:২১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হা হা হা , ভ্রমণ বিষয়ক লেখাই তো বটে। তবে আগে না পড়ার জন্য ক্ষতি নেই; কোন এক সময় পড়লেই হলো তাতেই ভাইয়া খুশি । না না আপনি ঘুরতে যাবেন । আগডুম বাগডুম লেখা দেখে ঘুরতে যাওয়া কখনোই বন্ধ করবেন না। তবে গ্রামের দিকে না গেলেই হলো। আর ওই মুভিটি আমিও দেখেছিলাম । পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরে এই কালচারটি এখনো আছে।

আর বেঁচে গিয়েছি তা আর বলতে!! ব্যাপক বাচা বেঁচে গেছিলাম সেবার ।

শুভকামনা ও ভালোবাসা প্রিয় বোনকে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.