নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমার নিরক্ষর,কিন্তু বুদ্ধিমতি মায়ের কাছ থেকে এই শিক্ষাই পেয়েছিলাম,যথাযথ কর্তব্য পালন করেই উপযুক্ত অধিকার আদায় করা সম্ভব। - মহাত্মা গান্ধি

পদাতিক চৌধুরি

হাই,আমি পদাতিক চৌধুরী।পথেঘাটে ঘুরে বেড়াই।আগডুম বাগডুম লিখি। এমনই আগডুম বাগডুমের পরিচয় পেতে হলে আমার ব্লগে আপনাদের আমন্ত্রণ থাকলো।

পদাতিক চৌধুরি › বিস্তারিত পোস্টঃ

দিন যেখানে যায় হারিয়ে (রমজান স্পেশাল)

১৬ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৩





-বাবা এসো এখানে। দেখো মা কত ইফতারের আয়োজন করেছে। এসো আমার মানিক। এস একবার ।
-না আমি খাব না। আমাকে এগরোল এনে দিচ্ছ না। আমি ইফতার খাবো না।
-তোমার তো এখন পেটের অসুখ চলছে বাবা। গায়ে হালকা জ্বর আছে। এই অবস্থায় এসব খেতে নেই।
-না আমি এগরোল খাবো। বলো তুমি এনে দেবে।তবেই আমি ইফতার খেতে যাব।
- অবুঝ হইও না। তুমি ক্রমশ বড় হচ্ছো। একটু বোঝার চেষ্টা করো। সুস্থ হও, তখন না হয় রোল নিয়ে আসব।
-তাহলে আমাকে একটি গল্প বলতে হবে। তবেই আমি ইফতার খাবো।
-বেশ তাই হবে। তোমাকে আমি একটি গল্প বলবো। তুমি তাহলে আরেকটু অপেক্ষা কর। আমি ততক্ষণে মাগরীবের নামাজটা পড়ে নিই।
-আচ্ছা।

আমার অভিমানী ছেলে রোগা পেটে এগরোলের গোঁ ছেড়ে এবার গল্প শোনার আগ্রহ প্রকাশ করাতে আমি খুব খুশি হলাম। ওকে ফেলে ইফতার খেতে আমার মন যে সায় দিচ্ছিল না। সামান্য কিছু ফলমূল ও লেবুর শরবত খেয়ে মাগরিবের নামাযে দাঁড়িয়ে গেলাম। ছোট মানুষ, অত ফরজ, সুন্নত বোঝেনা। সংখ্যা দিয়ে বিচার করে। মাগরিবের তিনটি নামাজ, প্রথম দুটো অর্থাৎ ফরজ, সুন্নত শেষ হতেই নিজের বিছানা ছেড়ে আমার পাশে চলে এলো। কেবল একটি কথা বলতে লাগলো,
-পাপার আর একটি নামাজ বাকি আছে।
হ্যাঁ! আমি তখন নফল নামাজ পড়ছিলাম। ওর হিসেবে তিন নম্বর নামাজটি শেষ হতেই ঝাপিয়ে পড়লো আমার কোলে। এখনই শুরু করতে হবে গল্প বলা। কিন্তু আমার ঝাঁপিতে তো তেমন গল্প নেই। তখনই ঠিক করলাম একটি হাবিজাবি গল্প বলতে,
-আচ্ছা বাবা তুমি এখন কোন ক্লাসে পড়ো?
-তুমি জানো না নাকি?
-ধরো তাই যে আমি জানিনা।
-আমি ক্লাস ফোরে পড়ি।
-বেশ! তুমি এখন ক্লাস ফোরে পড়ো। আর আমি যে সময়ের গল্প বলছি তখন আমি ক্লাস সিক্সে পরতাম। অর্থাৎ তোমার চেয়ে বয়সে দু বছরের বড় হব। এখন যদি তোমার নয় বছর বয়স হয় তখন আমার এগারো বছর বয়স হওয়াটাই স্বাভাবিক।

তোমাকে তো আগেও বলেছি আমরা খুব গরীব ছিলাম। তোমার দাদুভাইয়ের আয় উপার্জন অত্যন্ত কম ছিল। সামান্য একজন স্কুল শিক্ষক । সরকার যা বেতন দিতেন সেই টাকায় সংসার চলত না। দাদুভাই সকাল-সন্ধ্যা দুবেলাতেই মাটির দাওয়ায় ভর্তি টিউশনি পড়াতেন।কিন্তু গ্রামের বাবা-মায়েদের সন্তানের টিউশনির পেছনে টাকা খরচ করার মত মানসিকতা ছিল না। ফলে মাসের-পর-মাস পড়ালেও টাকা মিলতো যৎসামান্য। বেশির ভাগ ছাত্র ছিল অত্যন্ত গরীব। পড়ানোর আগেই অভিভাবকরা নিজেদের অপারগতার কথা জানিয়ে যেতেন।যারা সামান্য দিতেন তারাও ধান-পাট বিক্রির যুক্তি দেখিয়ে মাসের পর মাস দেরি করতেন।ফলে মাস্টারমশাইয়ের সারাদিন নাওয়া খাওয়ার সময় না থাকলেও ওনার সংসারে অভাব ছিল নিত্যসঙ্গী।
একবার এক অভিভাবক বেতন দেওয়া পিছাতে পিছাতে ছয় সাত মাস টেনে নিয়ে গেছিলেন। সেদিন বাড়িতে একটা দানাপানি পর্যন্ত ছিল না। মৌসুমী বৃষ্টির আগমন ঘটেছে। সেই অভিভাবকের তখন ধানের বীজতলা তৈরি কাজ চলছিল। দাদুভাই ঝুড়ি কোদাল নিয়ে ওনার জমিতে শ্রম দেবেন বলে নামতেই, উনি রে রে করে ছুটে এলেন।কাজে তো নিলেন না, উল্টে ক্ষেতে অত লোকের সামনে নাটক করার জন্য দাদুভাইকে খুব মুখ করলেন।

এরকম টানাটানির সংসারে রমজান মাসে ইফতারের প্রস্তুতি কালীন সময়ে মসজিদের মাইকের শব্দ আমাদেরকে আরো অস্থির করে তুলতো। চারিদিকে কোলাহল ছোলা মুড়ি পেঁয়াজের গন্ধ বাতাসে ম ম করত । আর আমরা তখন বিরস বদনে বাড়ির সামনে ঘোরাঘুরি করতাম। আসপাশের সব বাড়িগুলো রমজান মাসের আনন্দে মুখরিত হলেও আমাদের বাড়ি ছিল সে আনন্দ থেকে শত যোজন দূরে। তোমার দাদুভাই ও দাদিমাকে দেখতাম গুটিকয়েক চাল মুখে দিয়ে ইফতার ভাঙতে। তারপরে দু গ্লাস জল খেয়ে যেতেন নামাজ পড়তে। এই যেমন আজ আমি আর তোমার মা নামাজ পড়া শেষ করলাম।

পাশেই পাড়াতে ছিল আমাদের নানির বাড়ি। ওনাদের চার-পাঁচটা গরু ছিল। আর্থিকভাবে নানিরা ছিলেন যথেষ্ট সচ্ছল। তখনকার দিনে এরকম গ্রামের কিছু কিছু বাড়ি থেকে চার-পাঁচটি করে গরু একত্র করে রাখাল বালক মাঠে চড়াতে নিয়ে যেত। ধান সেই কবে উঠে গেছে। চারিদিকে কেবল ধু ধু মাঠ। তারই মধ্যে রাখাল বালক কোন এক তালগাছ তলায় মুক্ত আকাশের নিচে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে যেত। কখনো বা আপন মনে ঘুড়ি ওড়াতো। আর গরুরা দলবেঁধে ঘাস খেয়ে পেট ভরাতো। অন্যান্য পশুদের মতো গরুদেরও একটি ইউনিট বোধ আছে। ওরা সাধারণত দলছুট হতো না। তবে মাঝেমধ্যে এর ব্যতিক্রমও ঘটতো। আর তখনই রাখাল বালক পাচন নিয়ে দলছুট গরুটাকে বাগে আনত। -পাপা পাচন কি?
-আমি জানতাম তুমি এই প্রশ্নটি করবে। যে লাঠি দিয়ে রাখাল বালক গরুদেরকে সামলে রাখতো সেই লাঠিটিকে পাচন বলা হয়।তবে দলছুট হওয়ার ক্ষেত্রে রাখাল বালকের যদি ওই সময় ঘুম না ভাঙ্গতো তাহলে গরুটি চলে যেতে দূরে অন্য কোথাও। পাওয়া না গেলে মালিকের দুশ্চিন্তা বাড়তো। বাড়িওয়ালার সঙ্গে রাখাল বালকও খুঁজে বেড়াতো পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোতে। এক্ষেত্রে রাখাল বালকের দায়িত্বহীনতার পরিচয় পেয়ে অনেকেই তার কাছ থেকে গরু ছাড়িয়ে নিত। পেশাটি ছিল আমার কাছে ঠিক স্বপ্নের মতো। চোখের সামনে দেখতাম প্রত্যেকদিন সকালে ছোট-বড় মিলিয়ে ত্রিশ- চল্লিশটি গরু নিয়ে দুই তিনটি ঘুড়ি ও পান্তা ভাতের বাটি গামছা দিয়ে বেঁধে মাঠে যেতে। বই নিয়ে বসলেও অবাক হয়ে দেখতাম অমন দুর্লভ রাখাল বালকের দিকে। কতইনা সুখী মনে হতে ওদেরকে। কোন পড়াশোনা নাই। সারাদিন শুধু খেলা আর খেলা। সঙ্গে ছিল ইচ্ছে মত ঘুরে বেড়ানো। উপরি ছিল গরুর দেখাশোনার জন্য কিছু পয়সা উপার্জনের সুযোগ।দু একদিন একটু একটু করে সাহস সঞ্চয় করে তোমার দাদুভাইকে মুখ ফুটে সে কথা বলার চেষ্টাও করেছি। যদিও কোন দিনই স্বপ্নের কথা প্রকাশ করতে পারেনি।
-হিহিহিহি.. পাপা তুমি গরুর রাখাল হতে চেয়েছিলে?
-হ্যাঁ! বাবা বুঝতেই তো পারছো তখন ছোট ছিলাম। মনে নানান কল্পনায় ভেসে বেড়াতাম। আর ছবিগুলি ঠিক ভেসে উঠতো পড়ার সময়ই। মুখ ফুটে তো নিজের স্বপ্নের কথা কোনদিন বলতে পারিনি। উল্টে সারাক্ষণ পড় পড় শুনতে শুনতে মনে মনে প্রচন্ড হতাশ হয়ে পড়তাম।

আসি আবার মূল বিষয়ে। সারা বছরের মত রোজার সময়েও সন্ধ্যা বেলায় যাকে বলে গোধূলিলগ্নে রাখাল বালক গরু গুলোকে আমাদের বাড়ির সামনে ছেড়ে দিত। তোমার দাদিমায়ের নির্দেশ অনুযায়ী আমাদের ছোট দুই ভাইয়ের কাজ ছিল গরু গুলোকে নানীর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া। সারাবছর কাজটি করতে বিরক্ত লাগলেও রোজার সময় খুব আকর্ষণীয় ছিল। গরু রেখে চলে আসার সময় নানি আমাদের হাতে এক মুঠো কাঁচাছোলা বা ছোলাভাজা দিতেন। ওটি ছিল আমার কাছে অমৃতের সমান।সারা রাস্তা একটি-দুটি ছোলা মুখে দিতে দিতে বেশিরভাগটা বাড়িতে নিয়ে আসতাম।উদ্দেশ্য ছিল আমার প্রধান প্রতিপক্ষ আমার ঠিক উপরে ভাইকে লোভ দেখিয়ে খাওয়া। ওকে দেখাতে পারলে এক অসম্ভব তৃপ্তি পেতাম। ও অন্য দিকে তাকিয়ে থাকতো। তবে সব সময় যে নিজেকে ধরে রাখতে পারতো তা নয়। মাঝে মাঝে পাঁচ-সাতটি চেয়েও বসতো। আর তখন যেন যুদ্ধ জয়ের স্বাদ পেতাম। ওর সঙ্গে সমঝোতা করতাম কিন্তু শর্ত ছিল পরের দিন ওকেও আমাকে পাঁচ-সাতটি ছোলা ভাজা ফেরত দিতে হবে। যদিও ও কোনদিনই ফেরত দিত না। ও গরু দিয়ে ফেরার পথে রাস্তাতেই সব ছোলাভাজা শেষ করে ফেলত। বাড়ি এসে মুখ কাচুমাচু করে বলতো নানি ওকে খুব কম ছোলা ভাজা দিয়েছে যে কারণে ও বাড়ি পর্যন্ত আনতে পারেনি। ওর মুখের করুন চাহনিতে আমি সব ভুলে যেতাম এবং সত্য বলে মেনে নিতাম। আর নানী আমাকে যে একটু বেশি ভালোবাসেন তা আবিষ্কার করাতে মনে মনে আরও পুলকিত হতাম।

তোমাকে আগেই বলেছি ঘটনাটি সময়ে আমি ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ি। যথারীতি গরু নিয়ে গেছি নানীর বাড়িতে। গিয়ে দেখলাম বাড়িতে সাত- আট জন অপরিচিত লোকজন। পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে বুঝেছিলাম ওনারা আমার একমাত্র খালার সম্বন্ধ স্থির করতে এসেছেন। কাজেই কপালে শিকে ছেঁড়ার আশায় প্রসন্ন হলাম। লোকজন চলে যেতেই নানী আমাকে ডেকে মিষ্টি খাওয়াবেন-সেই আশায়। মনের আনন্দে খেতে খেতে চোখেমুখে নানীর প্রতি কৃতজ্ঞতায় ভরিয়ে দিতাম। সেদিনও পরিতোষ প্রাপ্তির আশায় বারান্দাতে দাঁড়িয়ে লোকজনের দিকে চাওয়া চাওয়ি করছিলাম। ইফতারের পর্বও ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়ে গেছে। অতিথিদের মধ্যে দুজনকে আমার পাশ কাটিয়ে একটু দূরে গিয়ে সিগারেট ধরাতে দেখলাম। এমন সময় দুটো গরুকে কোথা থেকে তাড়িয়ে আনতে আনতে নানি হম্বিতম্বি করতে লাগলেন। নানির হম্বিতম্বি দেখে বড় মামা রে রে করে ছুটে এলেন আমার দিকে। এই মারেন তো সেই মারেন। গরুর গলায় দড়ি পড়াতে পড়াতে বলতে থাকেন,
- গরুগুলোকে আনলেই কাজ শেষ হয়ে যায় না। সব বসে বসে খেয়ে খেয়ে তেল হয়ে গেছে।
আচমকা মামার বকাবকিতে আমি হকচকিয়ে গেলাম। কাঁদতে কাঁদতে বললাম,
-মামা আমরা তো কোনদিনই গরুর গলায় দড়ি দিই না। ওগুলো তো নানি করেন।
-চোপ! মুখের উপরে কথা! বেয়াদব কোথাকার।
ভয়ে আমি গুটিয়ে গেলাম। দূরে দাঁড়িয়ে সিগারেট খাওয়া এক ভদ্রলোক এক পা দু পা করে আমাদের মধ্যে চলে এলেন। মামাকে উদ্দেশ্য করে বললেন,
-বাচ্চাটি বাড়ি রাখাল বোধহয়?
-রাখাল ঠিক নয়। পাশেই বাড়ি। খাওয়া-দাওয়া পায় না। বাড়িতে টুকটাক কাজকর্ম করে। আর একটু খাওয়া-দাওয়া দিই।
-ও আচ্ছা!

না! সেদিন আর কোনো ছোলা, মিষ্টি আমার কপালে জোটেনি। বাড়িতে পৌঁছাতেই আমার করুন মুখের প্রতিচ্ছবি বুঝতে মায়ের আর বাকি থাকল না। জিজ্ঞাসা করলেন,
-হ্যাঁরে! আজ আর তোর নানি ছোলা ভাজা দেয়নি?
-না,বলে আমি ঘটনাটি বর্ণনা করি। মায়ের প্রতিক্রিয়া,
- তা তোমারি তো দোষ। দেখছো যখন বাড়ির সকলে খুবই ব্যস্ত তখন জিজ্ঞেস করে নানীর কাজটি একটু এগিয়ে দিলেই পারতে।
আমি অধোবদনে দন্ডায়মান থাকলাম। মা এবার আমার গায়ে পিঠে হাত বোলাতে বোলাতে বললেন,
-অভাবের সংসারে হাজার অসুবিধার মধ্যেও তোমাদের মনে কোন কষ্ট দিই না। অথচ তোমার বড় মামু এরকম একটা কথা বলতে পারলেন। যাক বাবা তোমার আব্বার কানে যেন তুলনা,বলে শাড়ির আঁচল দিয়ে চোখ মুছতে মুছতে ছুটে চলে গেলেন।

-পাপা আর আমি গল্প শুনতে চাই না, বলে হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে আমার শ্রীমান ইফতারের সামনে বসল। ও ডুকরে কাঁদছে দেখে এবার আমিও পড়লাম মহাবিপদে। অনেক বুঝিয়ে সুঝিয়ে অবশেষে শান্ত করলাম। একটা দুটো করে বরাদ্দ ইফতার গুলো অনেকটাই খেয়ে নিল।
শ্রীমানকে আর গল্প বলতে সাহস পেলাম না। কিন্তু ঘটনা যে এখনো শেষ হয়নি। আমার বড় বুবুর গায়ের রংটা ছিল শ্যামলা। সামনে পড়লেও এমন রঙের কোন মেয়ে পাত্রপক্ষের সুনজরে পড়ার কথা নয়। কাজেই খালার সম্বন্ধে এলে মেজোবুবুকে ও বাড়িতে প্রবেশ কঠোরভাবে নিষেধ হলেও ফাইফরমাশ খাটতে যেতে হতো বড়বুবুকে। সেদিন সন্ধ্যেবেলা হ্যারিকেনের আলোয় পড়তে পড়তে বারে বারে খুট খুট শব্দে বাইরে তাকাচ্ছিলাম।আশা ছিল নানি হয়তো বুবুকে দিয়ে টিফিন বাটিতে করে আমার জন্য কিছু পাঠিয়ে দেবেন। বেশ কিছুক্ষণ বাদে বুবু বাড়ি ফিরলো। বুবুর মুখটিও খুব করুন ছিল। কিন্তু হাতে টিফিন বাটি দেখে উৎফুল্ল হলাম। টিফিন বাটিটি দেখে প্রশ্ন করতেই,
-হ্যাঁরে! নানি তোর জন্য অনেকগুলো মিষ্টি দিয়েছিল। কিন্তু আমি সেগুলো সব পথকুকুরকে দিয়েছি।
-কেন? সব গুলো কুকুরকে দিয়ে দিলি?
কথা বলতে বলতে মাও চলে এলেন। বুবু জানেনা সন্ধ্যাবেলা আমি কতটা বকাবকি খেয়ে ও বাড়ি ছেড়েছি। বুবুর কথানুযায়ী আত্মীয়দের ফেরত দেওয়া প্রত্যেকটা প্লেটের মিষ্টিগুলি একত্রিত করে টিফিন বক্সে ভরে নানী আমার উদ্দেশ্যে পাঠিয়েছিল। যদিও পাশে টাটকা মিষ্টি যথারীতি ছিল। আর সেদিনই আবিষ্কৃত হল যে এঁটো মিষ্টিগুলি কুকুরকে না দিয়ে নানী আমাকে খেতে দিত। বুবু সামনে নানীকে অমান্য করতে পারিনি।তাই হাত বাড়িয়ে টিফিন বাক্সটি নিতে বাধ্য হয়। আমি অবশ্য এরমধ্যে নানির কোন অপরাধ খুঁজে পাইনি। সেদিন সন্ধ্যেবেলা ইফতার ও উচ্ছিষ্ট মিষ্টিগুলো থেকে বঞ্চিত হয়ে আমি যে খুব ব্যথা পেয়েছিলাম।


মন্তব্য ১০৪ টি রেটিং +১৮/-০

মন্তব্য (১০৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:০৮

মুক্তা নীল বলেছেন:
দাদা
এইমাত্র দেখলাম আপনার পোস্ট।
আজকে প্রথম হতে পারে অনেক খুশি হয়েছি। এখন একটু ব্যাস্ত আছি সন্ধ্যার পর এসে পড়বো।

১৬ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ছোট বোন,

প্রথম মন্তব্য মনে আলাদা ভালো লাগা। পেয়ে ভীষণ আনন্দ পেলাম। বুঝতেই পারছি বোন এখন প্রচন্ড ব্যস্ত। ঠিক আছে। সন্ধ্যের পরে কাজ মিটিয়ে পড়বেন ততক্ষণে অপেক্ষায় রইলাম।
প্রথম লাইকে প্রেরণা পেলাম। কৃতজ্ঞতা জানাই আপনাকে।

অনিঃশেষ শুভেচ্ছা ও ভালবাসা রইল।

২| ১৬ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:১৭

পথিক প্রত্যয় বলেছেন: মানুষ যে কেন এমন করে বুঝি না। আমাদের শহরের একজন কাউন্সিলরের মা একবার তার এমন কষ্টের কথা জানিয়েছিলেন । তাঁর ছেলেদের ঈদের সময় এঁটো সেমাই খেতে দিত বেশিরভাগ মানুষ । অবশ্য এখন তারা অনেক সামর্থ্যবান। তাঁরাও একই পথে হাঁটছে ।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৪০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় প্রত্যয় ভাই,

সু স্বাগতম আপনাকে। যদি আপনি ব্লগিং বয়স একদিন 21 ঘণ্টা। আপনার ব্লগে গিয়ে দেখলাম এখনো কোন পোস্ট দেননি। তবে ইতিমধ্যে 21 টি কমেন্ট করে ফেলেছেন। আমি ভাগ্যবান যে আপনার সেই কমেন্টের মধ্যে আমিও একজন। আগামী দিনে আপনার ব্লগিং স্প্রিট অব্যাহত থাকুক কামনা করি।
পোস্ট প্রসঙ্গে, আপনার সুন্দর অভিব্যক্তিতে আনন্দ পেলাম। বাস্তবে আমাদের চারপাশে এমনো অনেক মানুষ আছে। যাদের ছদ্মবেশের আড়ালে লুকিয়ে থাকে এক নগ্ন হিংস্র রূপ। তাদের হিংস্রতায় কখনো কখনো আমার জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।

অনিঃশেষ শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানবেন।

৩| ১৬ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলার মানুষ চিরদিন নির্দয় ছিলো।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৪৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: না পুরোপুরি একমত হতে পারলাম না আপনার সঙ্গে। নির্দয় আছেন যেমন সত্য, পাশাপাশি বহু নির্মল হৃদয়ের মানুষও আছেন।

ধন্যবাদ আপনাকে।

শুভকামনা জানবেন।

৪| ১৬ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
কষ্টের দারিদ্র্যেের সেই দিনগুলোর কথা এ যুগের পোলাপানরা কোনদিনই অনুধাবন করতে পারবে না।

খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরলেন।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৪৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শ্রদ্ধেয় মান্যবরেষু,

অনেকদিন পর আপনাকে কমেন্টে পেয়ে আনন্দ পেলাম। সহমত আপনার সঙ্গে যে এই প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা বিষয়টি একেবারেই অনুধাবন করতে পারবে না।
পোস্টটি সুন্দর লাগাতে পুলকিত হলাম। ‌ ধন্যবাদ আপনাকে।

বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানবেন।

৫| ১৬ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: বাংলাদেশের বলতে গেলে অধিকাংশ মানুষেরই এরকম ইতিহাস। এমন একটা সময় ছিল যখন মানুষের সামান্য খাবার জোটাতে অনেক কষ্ট হতো। এখন পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। তারপরও অভাবী মানুষের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। অনেক মানুষই ভালোভাবে দুবেলা খেতে পায় না। তাদের কথা চিন্তা করা উচিত সবার

দাদা আপনার লেখা অনেক সুন্দর হয়েছে। খুবই সুন্দর। চমৎকার একটি লেখা উপহার দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকুন সব সময়।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৫৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় সাজ্জাদ ভাই,

আশা করি বিদেশে কুশলে আছেন। আমরা উপরওয়ালার কৃপায় ভালো আছি। সহমত আপনার সঙ্গে যে এমন আর্থিক দৈন্যতা অবিভক্ত ভারত- বাংলাদেশের একটি কমন মানচিত্র। তবে এখন গ্রামের আর্থসামাজিক অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে। মানুষের ক্রয় ক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। অভাবী মানুষের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।


পোস্ট ভালো লাগাতে ও সুন্দর ভাবে আপনার মনোভাব প্রকাশ করাতে আনন্দ পেলাম। ধন্যবাদ আপনাকে। ‌

অফুরান শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানবেন।

৬| ১৬ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৫:১০

মা.হাসান বলেছেন: আল্লাহ রব্বুল আলামিনের কাছে অশেষ শুকরিয়া, না চাইতেই শত নিয়ামতের মাঝে নিমজ্জিত রেখেছেন। নিজে কষ্ট না করলে মনে হয় মানুষের কষ্ট অনুভব করা খুব সহজ হয় না। আমার বাবা তুলনা মূলক কম সচ্ছল লোকদের প্রতি যে সহানুভতি দেখাতেন, আমার তা আসে না। ছোলা ভাজার মতো জিনিসও যে একটা দুটা করে গুনে খাবার মতো পরিস্থিতি মানুষের জীবনে আসতে পারে তা অভাবনীয়।
অনুভব করি ছেলেকে বলা গল্পের পুরোটা বনিয়ে বলা নয়, অনেকটাই জীবন থেকে নেয়া। শিশুরা খুব সহজেই মনে হয় পরিস্থিতির সঙ্গে অ্যাডাপ্ট করে নিতে পারে। এত কষ্ট খুব সহজ ভাবে মানিয়ে নিয়েছিলেন।
প্রার্থনা করি আপনার পুত্র খুব দ্রুত এগ রোল এবং আরো যত বাহারি মন ভোলানো স্ট্রিট ফুড খাবার মতো সুস্থ হয়ে উঠুক।
অনেক শুভেচ্ছা।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:০৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় মা. হাসানভাই,

আপনার অসম্ভব সুন্দর মন্তব্যে প্রীত হলাম। হা হা হা হা..... কি যে বলেন? না চাইতেই শত নিয়ামতের মাঝে নিমজ্জিত!!
আপনি আঙ্কেলের সঙ্গে আপনার যে মৌলিক পার্থক্যের কথা উল্লেখ করেছেন, আমার মন কিন্তু বলছে কার্যক্ষেত্রে তোমার নিতে হবে উভয়ের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। বাবা মায়ের যে মূল্যবোধ সন্তানের মধ্যে গড়ে ওঠে সেটি কক্ষনো বিনষ্ট হওয়ার নয়। কাজেই এক্ষেত্রে আপনার মতের সঙ্গে আমি দ্বিমত পোষণ করলাম।
আর মন্তব্যের পরবর্তী অংশ সম্পর্কে মুগ্ধতা। গল্প সব সময় বানিয়ে হয় না। তারমধ্যে জীবনের নানান রঙে রঙিন তো হবেই। বাচ্চাদের অ্যাডাপ্টটিং পাওয়ার অত্যন্ত বেশি। মানুষের চোখে মুখের ভাষা তারা খুব ভালো বুঝতে পারে। হয়তো সময় প্রকৃত চুপ করে যায়। কিন্তু পরিস্থিতি অনুকূল হলে তারা বিষয়গুলি তাদের মত করে চিনতে পারে। গল্পে বিষয়টি মন্তব্যে তুলে ধরাতে আবারো ধন্যবাদ আপনাকে।

পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম; কৃতজ্ঞতা জানাই।

অফুরান শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানবেন।

৭| ১৬ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৫:১৩

মা.হাসান বলেছেন: বলতে ভুলে গেছি, লেখা হৃদয়গ্রাহী হয়েছে।
হাসান কালবৈশাখি এবং সাজ্জাদ ভাইয়ের কমেন্টে প্লাস। প্রথম ছবিটা কার বা কোথা থেকে নেয়া?

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:১২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অত্যন্ত বিচক্ষণ দুটি মন্তব্যে আপনি প্লাস দেওয়াতে আমি আনন্দিত। ধন্যবাদ আপনাকে।

গত বছর গরমের ছুটিতে দার্জিলিং এ সিঙ্গালিলা পর্বতের শ্রীখোলাতে গেছিলাম। ভূপৃষ্ঠ থেকে সাড়ে চার হাজার মিটারের বেশি উঁচু। নির্জন পাহাড়ি রাস্তার ধারে উঁচু পর্বতের গায়ে বাড়ি থেকে বাচ্চাটি আমাদের দিকে উঁকি দিচ্ছিল। যে রাস্তায় দিনের বেলায় লোকসমাগম অত্যন্ত কম। মানুষের জীবনযাত্রা প্রণালী অত্যন্ত কষ্টের।

শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানবেন।

৮| ১৬ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৫:৪২

নীলপরি বলেছেন: বরাবরের মতোই ভালো লিখেছেন । তবে খুবই দুঃখের । ++

শুভকামনা

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:১৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় পরি আপু,

বরাবরের মতো আপনার ছোট্ট সুন্দর মন্তব্যে আনন্দ পেলাম।
হ্যাঁ জীবনের রং সব সময় যে সুরেলা হয় না মাঝে মাঝে যে বেসুরে হয়ে থাকে।

পোস্টটিকে লাইক দিয়ে করাতে ও প্লাসে অনুপ্রাণিত হলাম। কৃতজ্ঞতা জানবেন।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

৯| ১৬ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:


@মা.হাসান বলেছেন, " আল্লাহ রব্বুল আলামিনের কাছে অশেষ শুকরিয়া, না চাইতেই শত নিয়ামতের মাঝে নিমজ্জিত রেখেছেন। "

-আল্লাহের নিয়ামতের ফলে, ৭০ সালের দিকে শতকরা ৫০ ভাগ মানুষ উপোষ করতেন; এখন সরকারের ভর্তুকি, সার, চাষীদের যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ফলে, মানুষের সৃষ্টি নেয়ামতের ফলে, হয়তো ১০ ভাগ কষ্ট করছেন; আল্লাহের নেয়ামতটা আপনার জন্য ছিলো শুধু।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:৪৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শ্রদ্ধেয় মান্যবরেষু,

উপরের মন্তব্যে কোথাও কিন্তু @মা. হাসান আপনাকে উদ্দেশ্য করে তীর্যক মন্তব্য করেননি। ব্লগিং পরম্পরাতে এটুকু শিখে এসেছি যে পোস্ট সংক্রান্ত মন্তব্য করাটাই কাম্য। অবশ্য সদর্থক মিথস্ক্রিয়ার সুযোগ থাকলে সেই মন্তব্যগুলি যথেষ্ট হৃদয়গ্রাহী ও একে অপরের আত্মার বন্ধন রচিত হয়। অন্যথায় তীর্যক মন্তব্যগুলিতে অহেতুক কাদা ছোড়াছুড়িতে সুস্থ মনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।
প্রতিমন্তব্য দিতে গিয়ে কথাগুলো বলার জন্য আমি যারপরনাই বিব্রত এবং দুঃখিতও। আসুন না আমরা ব্লগকে আরো স্বাস্থ্যকর করে তুলি।

বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানবেন।

১০| ১৬ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৫

মা.হাসান বলেছেন: @চাদগাজি, যেমনটা ব্লগার হারাধন বলেছিলেন, আমার পিছন দিকে বুট জুতা আটকে গেলে আমিও নিয়ামতের কথা ভুলে যেতাম।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:৫১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় মা. হাসানভাই,

ব্যক্তিগতভাবে একজন ব্লগারের একাধিক মন্তব্যে আমি আনন্দিত হই। কিন্তু আজ একটি দুর্ভাগ্যজনক' পরিস্থিতি তৈরি হয়ে গেছে। এতে অহেতুক মনের উপর চাপ পড়ে। আপনার দু'জনের কাছেই আমার সনির্বন্ধ অনুরোধ প্লিজ প্রসঙ্গটি বাদ দিন।

হ্যাপি ব্লগিং।

১১| ১৬ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:


@মা.হাসান বলেছেন, " @চাদগাজি, যেমনটা ব্লগার হারাধন বলেছিলেন, আমার পিছন দিকে বুট জুতা আটকে গেলে আমিও নিয়ামতের কথা ভুলে যেতাম। "

-ওসব হারাধন মারাধন আজ আছে কাল থাকবে না ব্লগে, এগুলোর কথার কোন দাম নেই; আপনি হয়তো হারাধন ইত্যাদি পড়েন, আমি ওগুলো নিয়ে মাথা ঘামাই না। আসল, আপনার লেখা নিয়েও মা্থা ঘামাই না।

১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ১২:০৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শ্রদ্ধেয় মান্যবরেষু,

আজ সকালে দেখলাম আপনি জনপ্রিয় ব্লগার খায়রুল আহসান স্যারের দীর্ঘ অনুপস্থিতি জনিত কারণে পোস্ট দিয়েছেন। আমি বেশ কিছু দিন আগে উনার লাস্ট পোস্টে ওনার শারীরিক কুশল কামনা করে কমেন্ট করে এসেছিলাম। যদিও উনি সে প্রতিমন্তব্য আজও দেননি। ওনাকে ব্লগে প্রচন্ড মিস করছি।
অস্বীকার করবো না যে আজকে উনার পোস্টটি দেখে মনে মনে একটি প্রশ্ন জেগেছিল। ব্লগিংকে উনি একটা স্বপ্নের জগতে নিয়ে গেছেন। ছোট-বড় প্রত্যেককে যথাযোগ্য সম্মান করেন। বিনিময় উনি পেয়ে আসছেন পাহাড়প্রমাণ সম্মান। আমার সঙ্গে হয়তো কেউ দ্বিমত পোষণ করবেন না যে শ্রদ্ধেয় আহসান স্যার কাউকে কোনদিন কমেন্টে কটু কথা বলেছেন।

আপনি অত্যন্ত বিচক্ষণ মানুষ।বিভিন্ন বিষয়ে আপনার কমেন্ট তারই সাক্ষ্য বহন করে। কিন্তু মাঝে মাঝে অপ্রীতিকর কিছু কমেন্টে ব্লগাররা বিরাগভাজন হন। আপনাকে আঘাত কর আমার সামান্যতমও উদ্দেশ্য নয়। যে কারণে কথাগুলি বলার জন্য অগ্রিম ক্ষমাপ্রার্থী। বরিষ্ঠ মানুষকে সম্মান করা আমাদের ঐতিহ্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। সে কথা মাথায় নিয়েই বলব আসুন আমরা সবাই মিলে শ্রদ্ধেয় আহসান স্যারের মতো ব্লগিংকে আরো উচ্চমার্গে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি।

বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানবেন।

১২| ১৬ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪০

মা.হাসান বলেছেন: @চাদগাজি, যা নেই তাকে তো ঘামানো যায় না।
আমি ডোডো পাখি বা শিম্পাঞ্জিদের জন্য কিছু লিখছি না । যদি কখনো লিখি আপনাকে আমন্ত্রণ জানাবো।

১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ১২:০৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় মা. হাসানভাই,

প্লিজ! বাদ দিন প্রসঙ্গটি। প্লিজ।

শুভকামনা সতত।

১৩| ১৬ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪২

নজসু বলেছেন:




পাশের পাড়াতেই ছিলো আমাদের নানীর বাড়ি।
গল্প যতো এগিয়ে যাচ্ছিলো ভাবছিলাম হয়তো পাড়াতুতো নানীর বাড়ি।
নিজের নানীর বাড়ি সেটা যে ভাবছিলাম না; তা নয়।
পরিস্থিতির কারণে পাড়াতুতো ভাবতে বাধ্য হচ্ছিলাম।

কিন্তু মায়ের মুখে বড় মামু কথাটা শোনার পর
আমার অস্তিত্ যেন বিলীন হয়ে গেলো।

এ যেন মামা নন; কংস মামা।

পৃথিবীর প্রায় সব মানুষের হৃদয়টা কোন না কোন অব্যক্ত এক কষ্ট দিয়ে আবদ্ধ থাকে।

আমার এক আত্মীয়ার পরিবার স্বচ্ছল। অনায়াসে জীবনটা বিলাসিতায় কাটিয়ে দিতে পারেন।
তিনি ইচ্ছে তারে তার সন্তানদের মাঝে মাঝে শুধু আলু সিদ্ধ দিয়ে ভাত খেতে দেন।
মাঝে মাঝে হেঁটে স্কুলে যেতে বলতেন। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম কেন তিনি এমন করেন।
উনার জবাবটা আমার খুব ভালো লেগেছিলো। উনার একটাই উদ্দ্যেশ্য বাচ্চারা যেন সুখের পাশাপাশি কষ্টটাও বুঝতে পারেন।
অভাব শব্দটার সাথে পরিচিত হতে পারে। এতে নাকি জীবনে চলার পথ সুগম হয়।

আপনার লেখাটা পাঠ করে মনে হচ্ছে মেঘ সঠিকভাবেই বড় হচ্ছে।
জীবন কত কষ্টের হয় সেটা উপলব্ধি করিয়েছেন ওকে।
আপনার বেদনাটা হৃদয়ে ধারণ করে হাউমাউ করে কেঁদে উঠেছে।

অতীত আমাদের এগিয়ে চলতে সাহায্য করে। তবুও কষ্টকর অতীত মনে রাখতে নেই।
আবার কোনও কোনও অতীত হৃদয়ে সযতনে লালন করতে হয়।




১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ১২:১৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় নজসুভাই,

আপনাকে দেখে খুব আশ্বস্ত হলাম। আগের পোস্টেও পেয়েছি। কিন্তু সামুর ক্রান্তি জনিত সমস্যায় ভুগছেন দেখে চিন্তায় ছিলাম। 62 আশা করি সমস্যাটি এখন একেবারেই মিটে গেছে।
পোস্ট সংক্রান্ত-আপনি যথার্থই বলেছেন এ মামা নন, কংস মামাই বটে।
আপনার আত্মীয়ের ঘটনাটি শেয়ার করার জন্য ভীষণ আনন্দ পেলাম। এখনো মানুষ আছেন যা গড্ডালিকা প্রবাহে নিজেকে ভাসিয়ে দেননি। সন্তানকে প্রপার গাইড করছেন। সহমত ওনার সঙ্গে যে ঐশ্বর্য বিলাসিতার মধ্যেও বাচ্চাদেরকে একটু কষ্ট সহ্য করার ক্ষমতা গড়ে তোলা দরকার। আর এই কারণে অভাব শব্দটির সঙ্গে তাদেরও পরিচয় করানোটা আবশ্যিক।

মেঘের জন্য খোঁজ খবর নেওয়াতে আনন্দ পেলাম। ও ঠিক আছে। তবে আমি ওর পড়াশোনার ব্যাপারে একেবারেই চাপ দিই না। যে কারণে বিন্দাস বলা যায় আরকি।

মন্তব্যের শেষ অংশ আবারো মুগ্ধতা। ধন্যবাদ জানাই আপনাকে।

সবশেষে পোস্টটিতে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম; কৃতজ্ঞতা জানবেন।

অফুরান শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা রইলো।


১৪| ১৬ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮

রাজীব নুর বলেছেন: দাদা ভীষন সুন্দর হয়েছে লেখা।

১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ১২:১৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ভাইয়ের ছোট্ট মন্তব্যে আনন্দ পেলাম। ধন্যবাদ রইল।

শুভকামনা ও ভালোবাসা প্রিয় ছোট ভাইকে।

১৫| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:১১

চাঁদগাজী বলেছেন:


@মা.হাসান,
আপনি বলেছেন, " @চাদগাজি, যা নেই তাকে তো ঘামানো যায় না।
আমি ডোডো পাখি বা শিম্পাঞ্জিদের জন্য কিছু লিখছি না । যদি কখনো লিখি আপনাকে আমন্ত্রণ জানাবো। "

-আপনি যদি কোনদিনভালো লেখার শুরু করেন, ততদিনে ফার্মের মুরগীরা ভালো লেখার শুরু করবে, হারাধনের ছেলেরা ঘরে ফিরবে।

১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ১২:১৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শ্রদ্ধেয় মান্যবরেষু,

প্লিজ! বাদ দিন প্লিজ।

শ্রদ্ধা ও শুভকামনা সতত।

১৬| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:১৭

সাহিনুর বলেছেন: খুব সুন্দর করে ছেলে কে আসল সমাজের কথা গল্প মাধ্যমে শুনালেন ...ভালো লাগলো পড়ে দা ।

১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ১২:২০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় সাহিনুরভাই,

পাঠ ও মন্তব্যের ধন্যবাদ । সুন্দর ছোট্ট মন্তব্যে আনন্দ পেলাম। আপনাদের ভালো লাগাতেই আমাদের আনন্দ। পোস্ট দেওয়া সার্থক আরকি। আগামীতে এভাবে পাশে পাবো আশা রাখি।


শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

১৭| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:১৯

সাহিনুর বলেছেন: ওপরে ছবিতে কে ছেলেটি ?

১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ১২:২৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আবার মন্তব্য আসাতে আনন্দ পেলাম। গতবছর গ্রীষ্মের ভারত নেপাল সীমান্তে শ্রীখোলাতে গেছিলাম। ওটা সিঙ্গালিলা পর্বতের একটি অংশ। নির্জন পাহাড়ি রাস্তায় জানলা দিয়ে একটি বাচ্চা উঁকি দিচ্ছিল। আমিও হাতে থাকা মোবাইল থেকে দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দি করেছিলাম। আজ আপনাদের উদ্দেশ্যেই পোস্ট দেওয়া।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

১৮| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৩২

মা.হাসান বলেছেন: @ চাঁদগাজী, পাঁঠারা যখন ব্লগে লিখিতেছে তখন মুরগীদের লিখিত অসুবিধা কি। বিদ্যাসাগরের প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগ শেষের সাথে সাথে ইংরেজি বর্ণমালা কিছুটা আয়ত্ত করিতে পারিলে আজকে আর কাউকে কাউকে আমেরিকায় বেকার ভাতা খাইয়া জীবন নির্বাহ করিতে হইত না, ট্রাম্পের টুইটার উপদেষ্টা পদে তাহারা যোগদান করিতে পারিতেন।

১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ১২:২৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় মা. হাসান ভাই,

প্লিজ! বাদ দিন প্লিজ।

হ্যাপি ব্লগিং।

১৯| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৪১

চাঁদগাজী বলেছেন:


@মা.হাসান ,

ব্লগে ২ বছরের বেশী আছেন; আপাতত আপনার মাথা থেকে কিছু বের হয়নি; দেখা যাক, আগামী ২২ বছরে কিছু বের হয় কিনা! নাকি মুরগী কোনদিনই পাখী হবে না?

১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ১২:২৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শ্রদ্ধেয় মান্যবরেষু,

প্লিজ! বাদ দিন প্রসঙ্গটি প্লিজ।

হ্যাপি ব্লগিং।

২০| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৪১

আহমেদ জী এস বলেছেন: পদাতিক চৌধুরি,




এককালে গা-গেরামের ছবি এমনটাই ছিলো। এমন দিনযাপনের কথা এ প্রজন্ম স্বপ্নেও ভাবতে পারবেনা।

১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ১২:২৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শ্রদ্ধেয় জী এস ভাই,

পাঠ ও মন্তব্যে ধন্যবাদ আপনাকে। সহমত আপনার সঙ্গে যে একসময়ের গা গ্রামের দিনযাপনের চিত্র বর্তমান প্রজন্ম ভাবতেও পারবে না।। সুন্দর মন্তব্যের মুগ্ধতা।

বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানবেন।

২১| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৪৯

মা.হাসান বলেছেন: @ চাঁদগাজী, আমার মাথা থেকে কিছু না বের হওয়া টা অনেক ভালো। কেউ কেউ তাদের পশ্চাৎদেশ থেকে যে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছেন তাতে সুস্থ চিন্তার ব্লগারদের নাভিশ্বাস।

১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ১২:২৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় মা. হাসানভাই,

প্লিজ! ভাই প্লিজ! প্রসঙ্গটি একেবারেই বাদ দিন।


হ্যাপি ব্লগিং।।

২২| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:০৭

তারেক ফাহিম বলেছেন: পাশের পাড়ার নানুর বাড়ীতে গিয়ে একটু সুখ পাবেন, তেমনটিই আশা করছিলাম গল্পে।

১৭ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:১৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শুভ সকাল প্রিয় ফাহিমভাই,

অনেকদিন পর পোস্টে পেয়ে আনন্দ পেলাম। পাশে মামার বাড়ি হলেও সবার কপাল উপভোগ্য হয়ে ওঠে না।

কাজেই সবকিছু আশানুরূপ হয় না। পাঠ ও মন্তব্যে ধন্যবাদ আপনাকে।

অনিঃশেষ শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানবেন।

২৩| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:১৩

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: অসম্ভব ভালো লেখাটি পড়ে। চমৎকার বর্ণনার ভঙ্গিমা।

বিভূতিভূষনের "দৃষ্টি প্রদীপের" জিতুর কথা মনে পড়ছিলো। মৃত্যুর বেদনা আমাদের সবচেয়ে বেশি স্পর্শ করলেও, অপ্রাপ্তির এবং অপমানের বেদনা সারাজীবনের ক্ষত হিসেবে রয়ে যায়।
+

১৭ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:২৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ছোট ভাই,

আশা করি ভালো আছো। তোমার পড়াশোনা খুব ভালো এগোচ্ছে। এভাবে এগিয়ে যাও।
পোস্ট প্রসঙ্গে ,আজকের মন্তব্যটি আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। অসম্ভব সুন্দর মন্তব্যে মুগ্ধতা।++
ঠিকই তো ,"মৃত্যুর বেদনা আমাদের সবচেয়ে বেশি স্পর্শ করলে, অপ্রাপ্তির এবং অপমানের বেদনা সারা জীবনের ক্ষত হিসেবে রয়ে যায়।" ধন্যবাদ তোমাকে।
পোস্টে লাইক করতে প্রেরণা পেলাম। কৃতজ্ঞতা জানবে।

অফুরান শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা রইলো।

২৪| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৩৬

বলেছেন: মা.হাসান বলেছেন: @ চাঁদগাজী, আমার মাথা থেকে কিছু না বের হওয়া টা অনেক ভালো। কেউ কেউ তাদের পশ্চাৎদেশ থেকে যে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছেন তাতে সুস্থ চিন্তার ব্লগারদের নাভিশ্বাস। ---হায় হায়

১৭ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:২৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় লতিফ ভাই,

প্লিজ! বাদ দিন প্রসঙ্গটি প্লিজ।

উপরওয়ালা আপনার মঙ্গল করুন। ভালোবাসা জানবেন।

২৫| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৩৯

বলেছেন: দিন যেখানে যায় হারিয়ে -----সেই সোনালি শৈশবের দিন গুলোতে হারিয়ে গেলাম।

১৭ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:২৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় লতিফ ভাই,

হেড লাইনের মধ্যে গল্পটির অন্তর্নিহিত অর্থ খুঁজে পেয়েছেন জেনে ভীষণ আনন্দ পেলাম।
আপনি যথার্থই কবি। আমরা হা করলেই আপনি মনের কথা বুঝতে পারেন হা হা হা হা।

২৬| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৪৩

সোনালী ঈগল২৭৪ বলেছেন: লেখা পরে মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেলো

১৭ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:৩১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ব্লগার,

আপনি ইতিমধ্যে 9 মাস ব্লগে অতিক্রান্ত করলেও আমার কোন পোস্টে আপনার প্রথম মন্তব্য। সু স্বাগতম আপনাকে। পোস্টটি পড়ে মনটি খারাপ করানোর জন্য দুঃখিত। কিন্তু আমাদের জীবনে সুখানুভূতি সঙ্গে দুঃখ যে সমানে আছে তাকে অস্বীকার করি কি করে।
পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

অফুরান শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানবেন।

২৭| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৫০

মুক্তা নীল বলেছেন: দাদা
দুঃখের করুন কাহিনীর গল্প। আপনি মাগরিবের নামাজের বর্ণনা এঁকেছেন সুন্দরভাবে। ইনি কি পাড়াতো নানু , না আপন
নানু? কি নিষ্ঠুর আচরণ বাবা ! ভালোবাসা নিম্নগামী হয় সকলের ক্ষেত্রে এ তো সবারই জানা। মন খারাপের গল্প।
ভালো থাকবেন ,শুভকামনা রইল ।

১৭ ই মে, ২০১৯ দুপুর ২:২৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ছোট বোন,

প্রতিশ্রুতি মত সময় নিয়ে এসে সুন্দর কমেন্ট করাতে আনন্দ পেলাম। ধন্যবাদ আপনাকে। মাগরিবের নামাজের বর্ণনাটি ভালো লাগাতে খুশি হলাম। আবারও ধন্যবাদ জানাই।
না উনি আমার নিজের নানু বা মামা নিজের মামা। আমার শৈশব ও কৈশোরের বৃহৎ অংশই ওনারা জড়িয়ে আছেন। আগামী দিনের সেই পর্ব গুলো একটু একটু করে প্রকাশ করার ইচ্ছা আছে। আশা করি বরাবরের মতই আপনাকে পাশে পাব।
হ্যাঁ ভালোবাসা নিম্ন গামি বটে। তবে যেখানে আত্মার সম্পর্ক নেই সেখানে তো ভালোবাসা বলে কোনো জিনিসই অবশিষ্ট থাকে না, তাই না।
গল্পে পরে মন খারাপ হওয়াতে দুঃখিত।কিন্তু জীবনের রঙ গুলি সব সময় যে এক রঙের হয় না।

আপনার শুভ কামনা কখন করলাম।

আপনার জন্যও রইল প্রাণ ভরা ভালোবাসা ও অফুরান শুভেচ্ছা।

২৮| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:০২

চাঁদগাজী বলেছেন:


@ল,

মা, হাসান ইত্যাদিরা অনেক কিছু বলতে পারে, ২ বছরে উনি অনেক ভালো করেছেন ব্লগিং'এ। তা'আপনি লন্ডনে থেকেও কেন শিখতে পারলেন না যে, ২ জনের কথার মাঝে ঢুকে পড়া ঠিক নয়; এইটুকু মগজ নিয়ে, বই নাকি গার্বেজ কিছু একটা লিখেছেন শুনলাম।

১৭ ই মে, ২০১৯ দুপুর ২:৩৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: স্যরি! আপনি একজন বরিষ্ঠ নাগরিক। আপনাকে কিছু বলতে আমার বিবেকে লাগছে।তব গার্বেজ নামক শব্দ গুলো সুস্থ ব্লগিং এর পরিপন্থী। ধন্যবাদ।

২৯| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:৩৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: কী ভীষণ মন কেমন করা লেখা;
ছেলের মত হাওমাও করে না কাঁদলে ও মন ভেজা লেখা।

১৭ ই মে, ২০১৯ দুপুর ২:৪৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় আপুনি,

আপনার ছোট্ট মন্তব্যে আমার প্রান ভরে গেল। ধন্যবাদ আপনাকে। অনাবশ্যক মন ভেজানোর জন্য দুঃখিত।
বরাবরের মতো পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম; কৃতজ্ঞতা জানবেন।

বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানবেন।

৩০| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:৪৬

কাতিআশা বলেছেন: মনটা কেঁদে উঠলো আপনার লেখা পড়ে...খুবই সুন্দর লেখার হাত আপনার!!!!

১৭ ই মে, ২০১৯ দুপুর ২:৫০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সুপ্রিয় ব্লগার,

আমার কোনো পোস্টে আপনার প্রথম মন্তব্য। সু স্বাগতম আপনাকে। অনাবশ্যক মন কাঁদানোর জন্য দুঃখিত। লেখার হাতটি ভালো লাগাতে আনন্দ পেলাম । ধন্যবাদ জানাই আপনাকে।


শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

৩১| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:২৬

বলেছেন: @গাজী,
দুজনের মাঝখানে হলো কিভাবে!!! এটা তো লিলিপুটিয়ান চিন্তাভাব!! " এটা ওপেন প্লাটফর্ম সবাই দেখছে যার যার অভিমত দিতেই পারে। লাইনটি আমার ভালো লাগলো তাই কোট করলাম। এখানে দোষের কি হলো।
সবকিছুতে নেগেটিভ খুজতে যান কেন!!
থিংক পজিটিভ!!!

১৭ ই মে, ২০১৯ দুপুর ২:৫৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় লতিফ ভাই,

সহমত যে গঠনমূলক সমালোচনায় উত্তম । নেগেটিভ খুঁজতে যাওয়া খুব বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

হ্যাপি ব্লগিং।

৩২| ১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ১২:৩৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


ল বলেছেন: " @গাজী,
দুজনের মাঝখানে হলো কিভাবে!!! এটা তো লিলিপুটিয়ান চিন্তাভাব!! " এটা ওপেন প্লাটফর্ম সবাই দেখছে যার যার অভিমত দিতেই পারে। "

-প্লাটফরমটা ওপেন; তবে, গার্বেজ ছাড়ার জন্য নয়, ব্লগিং করার জন্য।

১৭ ই মে, ২০১৯ দুপুর ২:৫৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

শুভকামনা জানবেন।

৩৩| ১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ১:৪৮

আকতার আর হোসাইন বলেছেন: গুরু, পরে আসতে হবে। এই কয়দিন পাসওয়ার্ড জনিত সমস্যার কারণে আসতে পারছিলাম না ব্লগে। শুভ রাত্রি

১৭ ই মে, ২০১৯ দুপুর ২:৫৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় হুসাইন ভাই,

হাহাহা ....
গুরু বুঝতেই পারছি খুব ব্যস্ত আছেন। পাসওয়ার্ড জনিত সমস্যার দ্রুত সমাধান ঘটক। আমি কিন্তু আপনার অপেক্ষায় রইলাম হা হা হা হা।

আপনার জন্যও অনিঃশেষ শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা রইলো।

৩৪| ১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ১:৫৬

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: জীবনের কি রূপ যে দেখেছে সেই বলতে পারে জীবন কেমন। গল্পের ছলে যে জীবন কাহিনী পাঠকদের উপহার দিলেন পড়তে গিয়ে চোখ নিভৃতে ভিজে গেল। সময় টুকু চলে গেছে তাদের যারা সচ্চল হয়েছেন কিন্তু যারা এখনো এমন গল্পের প্রতিকি হয়ে দিনাতিকালপাত করছেন তাদের ছবি চোখে ভাসতেই নিজের অক্ষমতার জন্য নিজেই লজ্জিত হই।

১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:০৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় সুজন ভাই,

বরাবরের মতই আপনার এমন কাব্যিক মন্তব্যগুলো আমাকে ভীষণ পুলকিত করে। ধন্যবাদ আপনাকে। গল্প পড়তে গিয়ে চোখের ভিজে যাওয়াতে দুঃখিত। তবে আপনারা বললে চেষ্টা করব আগামীতে যাতে এমনটি না হয়। আবার বলি, সুন্দর মন্তব্য মুগ্ধতা।
আগামীতেও আপনার এমন সুন্দর মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকবো।

অফুরান শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানবেন।

৩৫| ১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ৩:০০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



এজন্যই তো বিদ্রোহী কবি লিখেছিলেন-
"হে দারিদ্র তুমি মোরে করেছ মহান
তুমি মোরে দানিয়াছ খ্রিস্ট্রের সম্মান
কন্টক-মুকুট শোভা।দিয়াছ তাপস,
অসঙ্কোচ প্রকাশের দুরন্ত সাহস;
উদ্ধত উলঙ্গ দৃষ্টি; বাণী ক্ষুরধার
বীণা মোর শাপে তব হল তরবার।"

এই উপমহাদেশের সফল মানুষগুলোর ইতিহাস এমনই। এই সীমাহীন দারিদ্রতা, সমাজের অসম্মান, মানুষের তিরস্কার ইত্যাদিকে সাঙ্গ করেই বেড়ে উঠা। এরা নিজেদের জেদ আর সম্মান ফিরে পাওয়ার অদম্য প্রেরণা থেকেই বড় হয়। লেখাটি ভীষণ নাড়া দিলো গুরুজি।

ভালো থাকুন, সব সময়।

১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:০৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় গুরুদেব,

অসম্ভব সুন্দর মন্তব্যে মুগ্ধতা। এমন মন্তব্য যে কোনো পোষ্টের কৌলিনত্ব বৃদ্ধি করতে বাধ্য। কোন ধন্যবাদ দিয়ে আপনাকে খাটো করবো না।
" এই উপমহাদেশের সফল মানুষ গুলোর ইতিহাস এমনই।
এই সীমাহীন দারিদ্রতা, সমাজের অসম্মান, মানুষের
তিরস্কার ইত্যাদিকে সাঙ্গ করেই বেড়ে ওঠা।এরা
নিজেদের জেদ আর সম্মান ফিরে পাওয়ার অদম্য প্রেরণা
থেকেই বড় হয়।" 100% সহমত আপনার সঙ্গে। সুন্দর মন্তব্যে মুগ্ধতা।
লেখক নাড়া দেওয়াতে আনন্দ পেলাম । আবারও ধন্যবাদ জানাই আপনাকে।


অফুরান শুভেচ্ছা ও ভালবাসা প্রিয় গুরুদেবকে।

৩৬| ১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ৩:১১

ওমেরা বলেছেন: আমার আব্বুর ছোট বেলাটাও অনেক সংগ্রাম করে পার করেছেন , আমার ছোট বেলায় আব্বুর মুখে সে সব গল্প শুনে আমিও কেঁদে ফেলতাম।

খুব হৃদয় ছোয়া গল্পটা পড়ে আজকেও খারাপ লাগল। গল্প খুব ভালো হয়েছে ধন্যবাদ ভাইয়া।

১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:১১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় আপুনি,

মন্তব্যে আপনার আব্বুজির কষ্টকর জীবনের কথা শুনে সমবেদনা জানাই। কিন্তু আব্বুরা যে এরকমই। হাজারো দুঃখ কষ্ট সহ্য করেও সন্তানকে নখের আঁচড় লাগতে দেয় না। এমন স্মৃতিকথা বয়ে বেড়ান আজীবন।
গল্প পড়ে মন খারাপ লাগাতে কিছুটা দুঃখিত।তবে গল্প ভালো হওয়াতে আনন্দ পেলাম। ধন্যবাদ জানবেন।

অফুরান শুভেচ্ছা রইল।

১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:১৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: স্যরি আপুনি,

একটি জিনিস উল্লেখ করতে ভুলে গেছি।
পৌষ্টিক লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম। কৃতজ্ঞতা জানবেন।

অফুরান শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা রইলো।

৩৭| ১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ৩:৪৩

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: এই পৃথিবীতে সবচেয়ে নিঃসঙ্গ মানুষটাই হচ্ছেন একজন বাবা।

১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:১৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় মাহমুদুর ভাই,

পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। ‌
বাবারা সত্যই নিঃসঙ্গ কিনা অতটা তলিয়ে ভাবতে চাই না। বাবা বাবাই। তিনি সমস্ত কিছুর উর্ধ্বে।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

৩৮| ১৭ ই মে, ২০১৯ ভোর ৪:২৮

বলেছেন: @ গাজী,
কোন কিছু নিজের পক্ষে গেলে পেয়ারী পেয়ারী
বিপক্ষে গেলে গার্বেজ আর পাকি পাকি,,,
এটা কেমন নিয়ম !!!

উইকিলিকসের জুলিয়ানার সাথে পামেলা এন্ডারসন ভালোবাসাবাসি করে এ বয়সে,,,
আপনি তেমন কিছু করেন কিটকিটে ভাবটা হয়তো একটু শেষ হবে।
প্রেম দিয়ে জয় করুন জীবন, হিংসা আর ঘৃণা কেবল হতাশাই বাড়াবে।।
। ভেবে দেখুন!!

১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:১৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় লতিফ ভাই,

আবারো মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

৩৯| ১৭ ই মে, ২০১৯ সকাল ৭:০৭

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: হৃদয়স্পর্শী লেখা.....

জীবনটা হয়তো এমনই। সময়ের পরিবর্তনে কত কথা মনে জমে থাকে !

১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:২১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় আর্কিওপ্টেরিক্স ভাই,


ছোট্ট মন্তব্যে অত্যন্ত চমৎকার একটি কথা তুলে ধরেছেন। সহমত আপনার সঙ্গে যে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে জমে থাকা কথা ভুলি সময়ে সময়ে স্মৃতি পটে ভেসে ওঠে।

পোস্টটিকে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম;কৃতজ্ঞতা জানবেন।

শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো।

৪০| ১৭ ই মে, ২০১৯ সকাল ৭:৩৪

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: এমন করে না লিখলেও পারতেন,চোখের কোণায় জল চলে আসছে।

১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:২৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সুপ্রিয় ব্লগার,

আমার কোন পোস্টে এটি আপনার প্রথম মন্তব্য। সু স্বাগতম আপনাকে। পোস্ট পড়ে আপনার চোখে জল চলে আসাতে দুঃখিত। ঠিক আছে ভাই পরের দিকে না হয় আর এমন করে লিখব না, কথা দিলাম।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

৪১| ১৭ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:৫৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: অনেক ভাল লাগা পোস্টে। জীবনের গল্প।

অটঃ চাদ্গাজীর মত ঝগড়াটে ব্লগারের উস্কানিমুলক ঝগড়ায় না জড়িয়ে তাকে পুরোপুরি উপেক্ষা করাই উত্তম। বৃদ্ধ বয়সে এক গাদা মাল্টি নিক খুলে ব্লগিং এর মাধ্যমে সময় কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ঝগড়াটা উনার কাছে বিনোদন কিন্ত অপরের কাছে যে চুড়ান্ত বিরক্তিকর সেটা বুঝার ক্ষমতা উনার নাই।

১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ঢাবিয়ান ভাই,

আপনার উপস্থিতিতে আনন্দ পেলাম।
সাজেশনটি মাথায় রাখলাম।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

৪২| ১৭ ই মে, ২০১৯ সকাল ১১:০৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: প্রান্তিক জীবনের নিমর্ম সত্য গল্প!

রমজান আসে আনুষ্ঠানিকতায়
টিভিতে, খবরে, ইফতার পার্টির শো-ডাউনে
রমজান আসে সুপার শপে, মলে
ফেসবুক ষ্ট্যাটাসে! বাহারী ইফতারির ছবিতে!

আজো বহু মানুষ চোখের জলেই ইফতার সারে নিভৃতে!
আজো চাঁন রাতে কাঁদে পিতা সন্তানের জন্য শুন্যহাতে
আজো কাঁদে মা ঈদের দিনে পান্তা ভাত দিতে পাতে!

ধর্ম শেখাল প্রেম আর দান, ভালবাসায় হতে মহিয়ান
হায়, মূখোশটাই ধরলো সবে ধরলোনা কেউ প্রাণ!

হৃদয় ছোঁয়া কাহিনীতে রয়েছে জীবনের শিক্ষা! আমরা যেন আমাদের নিজের আত্মীয়, স্বজন এবং প্রতিবেশীর হক আদায়ে পূর্ন দায়িত্ব পালনে সচেতন থাকি। আর এমন কোন গল্পের প্লট যেন কেউ না লিখতে হয় ভবিস্যতে! তবেই শিক্ষার পূর্ণতা! ধর্ম পাবে আপন স্বরুপ! মহিমাময়! প্রেমময়! মানবতায় পূর্ন!

+++

১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৪২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শ্রদ্ধেয় কবি ভাই,

অবশেষে আপনার দেখা পাওয়াতে আশ্বস্ত হলাম। বুঝতে পারছি আপনি প্রচন্ড ব্যস্ত আছেন। অথবা সময়টি ঠিক ব্লগের সঙ্গে ম্যাচ করছে না।
আপনার এই কাব্যময় মন্তব্য অসাধারণ লাগলো। আপনি এই কমেন্টটি ব্লগে বা অন্য কোথাও পোস্ট আকারেও দিতে পারেন। অসাধারণ মন্তব্যে মুগ্ধতা মুগ্ধতার মুগ্ধতা।
আপনার সঙ্গে সহমত রেখে বলি আত্মীয় স্বজনের প্রতি আমরা আরও বেশি সচেতন হয়ে উঠি বা আরো বেশি করে হক আদায়ে সচেষ্ট হই। আর তখনই হবে, " শিক্ষার পূর্ণতা। ধর্ম পাবে আপন স্বরূপ! মহিমাময়! প্রেমময়! মানবতায়
পূর্ণ! "

পোস্টটিকে লাইক করাতে ও ট্রিপল প্লাসে অনুপ্রেরনা পেলাম; কৃতজ্ঞতা জানাই আপনাকে।

বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানবেন।

৪৩| ১৭ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১২:৫২

মা.হাসান বলেছেন: পদাতিক ভাই, আপনার পাতাগুলো সব সময়ই অন্য রকম নান্দনিকতায় পূর্ণ থাকে। আমার কয়েকটি মন্তব্যের কারনে আপনার এই পেজটির সৌন্দর্য কিছুটা ক্ষুণ্ণ হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করছি। আমার মন্তব্যগুলো মুছে দিতে অনুরোধ করতাম কিন্তু সেক্ষেত্রে আরেকজনের মন্তব্যগুলো রয়ে যাবে এবং পরে যারা এই পাতায় আসবে তারা ঐ মন্তব্যগুলো কি প্রেক্ষিতে করা হয়েছে না দেখতে পেয়ে বিভ্রান্ত হতে পারে বা ওনার বিষয়ে ভুল ধারণা পোষণ করতে পারে। কাজেই আপাতত এরকমই হয়তো থাকতে পারে। বিষয়টি আপনার বিবেচনার উপর ছেড়ে দিলাম। অনেক শুভকামনা।

১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হা হা হা কি যে বলেন।
আপনাকে কিছু বলতে আমার লজ্জা করছে।
প্লিজ শান্ত হন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব ঠিক হয়ে যাবে।
হ্যাপি ব্লগিং।

১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৫০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ও সরি আবার যে কারণে আসতে হল,

আপনি কি সব নান্দনিকতা না কি সব ওয়ার্ড ইউজ করেছেন।
আমি তীব্র প্রতিবাদ করছি আপনাকে।
আমি একদিন হাতুড়ে লেখক। এখানে হাতুড়ে ঠুকঠাক জাতীয় পোস্ট পাবেন এবং তারই আশা করবেন। যদি ভবিষ্যতে নান্দনিকতা বলে অমন গালি দেন তাহলে এই পোলার প্রশান্ত মহাসাগরের জলে হাবুডুবু খাইয়া মরা ছাড়া রাস্তা থাকবে না। হা হা হা হা হা .....

৪৪| ১৭ ই মে, ২০১৯ দুপুর ২:২৮

জাহিদ অনিক বলেছেন: দুর্দান্ত লেখা, মন খারাপ হয়ে গেল।
অনেক ভালো লিখেছেন ব্রাদার।

১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৫২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় কবি ভাই,

লেখা ভালো লাগাতে পুলকিত হলাম। কিন্তু মন খারাপ করানোর জন্য দুঃখিত।

পোস্টটি লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম; কৃতজ্ঞতা জানবেন।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

৪৫| ১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পড়ে মন খারাপ হয়ে গেল।
রমজান স্পেশাল শিরোনাম দেখে ভাবলাম ইফতার বিতরণ করবেন :D
গাজী সাহেবের পোস্ট থেকে জেনেছি, মাঝে মাঝে উনি গণ্ডগোল মন্ডগোল বাঁধাতে ভাল বাসেন।
এখানের মন্তব্যগুলিও আমার কাছে গণ্ডগোল পাকানো প্রকল্পের অংশ বলেই মনে হচ্ছে।

১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় লিটন ভাই,

আপনি নির্ভেজাল রসিক মানুষ। সারাক্ষণ হাসিখুশি নিয়েই থাকেন এবং আমাদেরকে হাসিখুশিতে উপহার দেন।
আপনি এতটা সিরিয়াস হলে আমরা যে রসবোধের অভাবে শুকিয়ে সুপারি হয়ে যাবো হা হা হা হা....

পোস্ট পড়ে মন খাবার খাওয়াতে দুঃখিত। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ জানবেন।

শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো।

৪৬| ১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:০৩

সুমন কর বলেছেন: রমজান নিয়ে চমৎকার একটি গল্প পড়লাম। অনেক ভালো লেগেছে। +।

১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:১০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় সুমনদাদা,

পোস্টটি আপনার চমৎকার লাগাতে ও প্লাসে পুলকিত হলাম; ধন্যবাদ আপনাকে।
পাশাপাশি পোস্টটিতে like' করাতে প্রেরণা পেলাম; কৃতজ্ঞতা জানবেন।

অফুরান শুভেচ্ছা রইল।

৪৭| ১৯ শে মে, ২০১৯ সকাল ১০:৩৬

নীল আকাশ বলেছেন: দাদা,
আপনার এই লেখা আমি বেশ কয়েকদিন আগেই পড়ে গিয়েছিলাম। হাতে সময় ছিল না দেখে মন্তব্য করিনি।
লেখাটা ভালো হয়েছে। বাস্তবতার কঠিন সত্য দিক খুব সুন্দর করে তুলে ধরেছেন। তাহলে আপনি মরীচিকার আর পর্ব দেবেন না। একদিক থেকে ভালোই হয়েছে। আপনি এখন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লিখতে পারবেন।

আজকে আপনার পোস্টে মন্তব্য পড়তে পড়তে যা বুঝলাম, সেটা হলো কিছু ব্লগার থাকে যাদের চারিত্রিক সমস্যা আছে। বিনা উস্কানিতে এরা আপনার পোস্ট নষ্ট করে দিতে পারে। এই জন্য সবচেয়ে ভালো রাস্তা হচ্ছে দেখা মাত্র ডিলিট করে দেয়া। আপনি এই সহজ কাজটা করতে পারেন নি, তাই এই অবস্থা। সুতরাং ভবিষ্যতে এই ভুল আর করবেন না। মনে রাখবেন কুকুরের লেজ কোনদিনও সোজা হবে না, কোন দিনও না।

ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল!!

২০ শে মে, ২০১৯ সকাল ১১:৩৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শুভ সকাল প্রিয় নীল আকাশভাই,

হ্যাঁ আপনার লাইকটি দেখে ও কমেন্ট না পেয়ে তখনি বুঝেছিলাম প্রচন্ড ব্যস্ত আছেন।মরীচিকার পর্ব না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু আপনারা যখন বলছেন তখন না হয় আরো কিছু পর্ব দেব।
আর বিভিন্ন বিষয় তো লিখতে ইচ্ছা করেই। কিন্তু মরীচিকার মত কোন বড় সিরিজে হাত দিলে মাঝে যে অন্য কিছু দেওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না সে কথা বলা বাহুল্য।
অস্বীকার করবো না যে এই পোস্টে কিছু অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য এনসেছে। কিন্তু কি আর করব। তবে ডিলিট করারটা আমার কাছে প্রচন্ড রিজিড বলে মনে হয়। একেবারে অশালীন না হলে আমি ওগুলো ধর্তব্যের বিষয় বলে মনে হয় না। সুন্দর সাজেশন দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

পোস্টটিতে like' করাতে প্রেরণা পেলাম; কৃতজ্ঞতা জানবেন।

অনিঃশেষ শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানবেন।


৪৮| ১৯ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৪:০৬

আকতার আর হোসাইন বলেছেন:
পড়লাম।
প্রথমে আনন্দের সাথে পাঠ করলাম, পরেরবার দুঃখমিশ্রিত মনে।
এ কেমন পাষাণ মামা। নিজের ভাগ্নে গরিব বলে পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করে। আসলে এটা পুরো বাংলাদেশ এর চিত্র।

এই মাস দুয়েকের মধ্যে একজন ব্লগার তার বাস্তব একটি ঘটনা শেয়ার করেছিলেন। ব্লগারের নামটা মনে নেই। তাই, বলতে পারছি না।

সেটা ছিল খুবই বিষাদময় ঘটনা।ঘটনাটা এরকম...

ওই ব্লগার বাসে করে যাচ্ছিলেন। তার পাশের সিটে ভার্সিটিতে পড়ুয়া মেয়ে। এদের মধ্যে একটু কথা বার্তাও হল। মেয়ের পোশাকে আশাক দেখে মনে হয় ভালো ঘরের মেয়ে। ভালো ঘর বলতে টাকাওয়ালা ঘরের। ধারণাটি শতভাগ নিশ্চিত হওয়া যায় মেয়েটির হাতে দামি স্মার্টফোন দেখে।

বাসে একজন হকার আসলো। হকার আসা মাত্রই মেয়েটির মুখ কালোমত হয়ে গেল। ধর্মীয় বই নিয়ে। ব্লগারের বাড়িতে যথেষ্ট সংখ্যা ধর্মীয় বই থাকা সত্ত্বেও হকারের একটু উপকারের জন্য সেই ২০ বা ৩০ টাকার বই কিনেছিল। ব্লগার পোস্টে লিখেছিলেন ১০০ টাকা এমনিতেই দেয়ার। কিন্তু হকার যদি এতে দুঃখ পায়, এই ভেবে দেয়নি।

ব্লগারের কাছে বই বিক্রি করে। তারপর সে তার পকেট থেকে ১০০ টাকা না কত টাকা জানি মেয়েটিকে দেয় আর বলে কিছু খেয়ে নিতে। মেয়েটি রাগি রাগি চেহারায় তার দিকে তাকায়। লোকটি টাকাটা রেখে দ্রুত চলে যায়।

পরে ব্লগার জিজ্ঞেস করলে মেয়েটি বলে লোকটি নাকি তার পাশের বাড়ির। ব্লগার যখন জিজ্ঞেস করে সত্যি করেন বলুন, ওনি আপনার বাবা কিনা। মেয়েটি তখন চুপ করে থাকে।


তোহ ভাই, গল্প প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে আরেক বাস্তব গল্পকে আনতে হল। দুঃখিত। আসলে সেদিন ঘটনাটা করে খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। অনেক ভেবেছিলাম। অনেক।

আমাদের দেশের এ কি দারুণ শিক্ষা। আহ, খুব আফসোস। হয়। বই পড়ে পড়ে ছাত্র ছাত্রীরা পড়া মুখস্থ করে। কিন্তু বইয়ের সুন্দর সুন্দর কথা কেউ হৃদয়ে ধারণ করতে পারে না। কিভাবে পারবে? আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি,

স্কুল থেকে কলেক আজ পর্যন্ত কোন স্যার আমাদের একটা সারমর্ম বা সারাংশ, ভাবসম্প্রসারণ বা রচনা কেউ বুঝান নি। কিভাবে ধারণ করবে...?

আজ পর্যন্ত কেউ বইয়ের গল্প বা কবিতার মর্ম কথা বুঝান নি। কেউ বুঝাননি। শুধুমাত্র একজন স্যার একবার মাইকেল মধুসূদন দত্তের কপোতাক্ষ নদ কবিতার অর্থ বুঝিয়েছিলেন। কলেজ জীবনে একজন স্যার সোনার তরী কবিতার অর্থ বুঝিয়েছিলেন।


গ্রন্থগত বিদ্যা আর পরহস্থে ধন
নহে বিদ্যা নহে ধন হলে প্রয়োজন


শিক্ষার্থীরা মুখস্ত করছে। কিন্তু না পারছে এটা বুঝতে না পারছে না পারছে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে।

মাফ করবেন মন্তব্য অন্যদিকে চলে গেল বলে।

ভাল থাকবেন, চারিপাশকে ভাল রাখবেন।

২০ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১:১৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় হোসাইনভাই,

আপনার সুন্দর মন্তব্যে প্রীত হলাম। সঙ্গে পেলাম দারুন সুন্দর একটি অভিজ্ঞতা পরিচয়। পড়ে তো আমি মর্মাহত হলাম। এ কেমন সন্তান! কেমন তার শিক্ষাদীক্ষা??
আপনি শুধু এই অভিজ্ঞতাটা দিয়ে ব্লগ একটা পোস্ট দিতে পারেন।
বর্তমানে সামাজিক শিক্ষার নৈতিক অবক্ষয়তার পাশাপাশি বিদ্যালয় শিক্ষার ক্ষেত্রে নানান বিধিনিষেধ উপস্থিত। শিক্ষকদের ও একরকম হবে বলির পাঁঠা করা ঠিক হবে না। চলমান সমাজ ব্যবস্থায় রাজনৈতিক বিধি নিষেধকে সম্মান জানিয়ে শিক্ষকরা নিজেদেরকে বেঁধে রাখতে বাধ্য। সেই সঙ্গে আছে কারিকুলামে নৈতিক শিক্ষার ও ব্যবস্থাও। এক অসুস্থ প্রতিযোগিতা সর্বক্ষণ অভিভাবকদের ইঁদুর দৌড়ে নিয়োজিত করে রেখেছে। নৈতিক শিক্ষা আজ এ কারণে একেবারে তলানিতে পৌঁছে গেছে।
কাজেই একথা বলতে বাধ্য হচ্ছি বর্তমান আর্থসামাজিক পরিস্থিতি নৈতিক শিক্ষাকে তা প্রকার পঙ্গুত্ব করে ফেলেছে।

একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে শিক্ষকতা হয়ে গেছে আর পাঁচটা সাধারণ পেশার এর মতই। যেখানে ঢুকতে গিয়ে বহুজনকে নিজেদের সর্বশান্ত করতে হচ্ছে। আর তারই ছাপ পড়ছে বিদ্যালয়ে পাঠদান কালে। কাজেই একে অপরের দোষারোপের পর্ব চলতেই থাকবে।
আবারো একবার আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ জানাই।

অফুরান শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানবেন।




৪৯| ২০ শে মে, ২০১৯ সকাল ১১:০৮

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর।+

২০ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১:১৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় কবিভাই,


বহুদিন পর আপনাকে ব্লগে পেয়ে আনন্দ পেলাম।
পাঠ ও মন্তব্যে ধন্যবাদ আপনাকে।
প্লাস ও পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম; কৃতজ্ঞতা জানবেন।

অফুরান শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা রইলো।

৫০| ২১ শে মে, ২০১৯ রাত ৮:৫২

করুণাধারা বলেছেন: চমৎকার ভাবে বর্ণনা দিয়েছেন, যদিও পড়ার পর খুব মন খারাপ লাগল। রমজান মাস আসে শুধু উপোস করার জন্য নয়, বরং সব মানবীয় গুণগুলো চর্চা করার জন্য। আমরা নিজেরা ইফতারের সময় পেট পুরে খাব, আর রোজাদার প্রতিবেশী দুমুঠো চাল খেয়ে রোজা ভাঙবেন- এটা কেমন আচরণ! আবার এ কেমন নানি, যে অবস্থাপন্ন হওয়া সত্ত্বেও দরিদ্র নাতিকে গুনে গুনে কিছু ছোলা আর অন্যের প্লেটের এঁটো মিষ্টি দেয়!! আশা করি, এইসব পুরোটাই আপনার কল্পনাপ্রসূত; সত্যি সত্যি এমন যেন কোনদিনও কেউ হয় না...

ভালো থাকুন, শুভকামনা রইল।

২২ শে মে, ২০১৯ দুপুর ২:১১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শ্রদ্ধেয়া আপুনি,

আপনার অত্যন্ত সুন্দর আন্তরিক মন্তব্যে প্রীত হলাম। আমার দিক থেকে বলতে গেলে, শুষ্ক বসন জলে ভিজিয়ে নিংড়ানোর মতই পোস্ট পাঠান্তে মন্তব্যটিও তেমন নিংড়ানো পোস্টের নির্যাস বলেই মনে হলো।হ্যাঁ! আপু জ্ঞাত বা অজ্ঞাতসারে আমাদের আশেপাশে এরকম অনেকেই আছেন যাদের দরকার একটু পরশ।আর যদি আমরা আরো একটু মানবিক হই তাহলে আশপাশের চিত্র অনেকটা বদলে যাবে। বদলে যাবে মানবতার সংজ্ঞাটিও।

পোস্টে লাইক করতে প্রেরণা পেলাম; কৃতজ্ঞতা জানবেন।
আপনার শুভেচ্ছা গ্রহন করলাম।

আপনার জন্যও বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকামনা রইল।

৫১| ২৩ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৩:১১

হাবিব স্যার বলেছেন: দাদা, ভালো আছেন নিশ্চয়................?

২৩ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৫:৪১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় হাবিব ভাই,

অনেকদিন পর আপনাকে পেয়ে ভীষণ ভালো লাগছে। হ্যাঁ, উপরওয়ালার কৃপায় আমি ভালো আছি। আশা করি আপনি ও পরিবারের সকলে কুশলে আছেন।

আপনি ও আপনার পরিবারের উপর রহমত বর্ষিত হোক কামনা করি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.