নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমার নিরক্ষর কিন্তু বুদ্ধিমতী মায়ের কাছ থেকে এই শিক্ষাই পেয়েছিলাম,যথাযথ কর্তব্য পালন করেই উপযুক্ত অধিকার আদায় করা সম্ভব। - মহাত্মা গান্ধী

পদাতিক চৌধুরি

হাই,আমি পদাতিক চৌধুরী।পথেঘাটে ঘুরে বেড়াই।আগডুম বাগডুম লিখি। এমনই আগডুম বাগডুমের পরিচয় পেতে হলে আমার ব্লগে আপনাদেরকে স্বাগত।

পদাতিক চৌধুরি › বিস্তারিত পোস্টঃ

ফাটা পায়জামা

২৯ শে মে, ২০২১ রাত ১০:৩৪

ছোটগল্প:- ফাটা পায়জামা


অনেক বছর আগের কথা। হন্নে হয়ে চাকরির পিছনে ছুটে বেকার জীবনের মরীচিকা অতিক্রম করে সবে কর্মজীবনে প্রবেশ করেছি। চাকরিটা ছিল বিদ্যালয়ের শিক্ষকতার পেশা।যাকে আবার সকলে মহান পেশা হিসেবেই অভিহিত করে। শুরুতে আত্মীয়-স্বজন থেকে শুরু করে পরিচিত বন্ধুমহল সকলের কাছ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের বন্যার জোয়ারে বাস্তবে আমার তখন প্লাবনে ভেসে যাওয়ার মতো অবস্থা। কিন্তু সেই আনন্দের ফল্গুধারার মধ্যেও একটা শীতল স্রোত মৃদুমন্দ গতিতে আমার শরীরে প্রবাহিত হয় যা কিছুটা হলেও আমার স্নায়বিক শক্তির গতিবেগকে মন্দিভুত করেছিল।আসলে আনন্দের পাশাপাশি মহান পেশায় সকলের কাছে সতর্কতার অগ্রিম বাণী শুনে উপলব্ধি হয় নিজের যাবতীয় সুখশান্তি বিসর্জন দিয়ে জাতির জন্য বলিপ্রদত্ত হওয়াটাই এখন থেকে আমার একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত। সেই কঠিন কাজে কতটা নিজেকে সমর্পণ করতে পারবো জানি না। কিন্তু মাথার মধ্যে সারাক্ষণ গুরুজনদের ভারিক্কি কথাবার্তা শুনে মনে হয়েছিল বয়সটাও বোধহয় আমার এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে গেছে মনে হয়।

আপনারা যারা বিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে পরিচিত তারা জানেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির ভূমিকা বা প্রেসিডেন্ট সাহেবের কার্যপরিধি আমি শুরুতেই এমন একজন প্রেসিডেন্ট সাহেবকে পেয়েছিলাম যাকে আজোও ভুলতে পারিনি।বলা যেতে পারে শিক্ষকতার সৌজন্যে এক বিরল প্রেসিডেন্ট সাহেব'কে দর্শন করার সুযোগ হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট সাহেব অন্য নামে 'সভাপতি' নামে পরিচিত। কিন্তু গল্পে উল্লেখিত প্রেসিডেন্ট সাহেব সামনে কাউকে সভাপতি মশায় বলতে শুনলে অমনি ধমক দিতেন। প্রেসিডেন্ট স্যার ভিন্ন অন্য কোন নামে ডাকতে কঠোরভাবে নিষেধ করে দিতেন। জেলা পরিষদ অফিসের বড়বাবুর দায়িত্ব থেকে অবসর নেওয়ায় ওনার ধারনা হয়েছিল, দেশের তাবৎ আই পি এস বা আই এ এস অফিসারদের সঙ্গে উনিও একাসনে কাজ করার যোগ্য। শৈশবে ভাগ্যবিড়ম্বনায় লেখাপড়ার তেমন সুযোগ না মেলায় ওনার পক্ষে নাকি এসব ভারিক্কি পদ পাওয়া সম্ভব হয়নি- এটাই ওনার খেদ। তবে নিজের প্রতি এই বঞ্চনা থাকলেও যোগ্যতায় জ্ঞানগর্ভে উনি ওনাদের সমপর্যায়েই। জেলা পরিষদ ভবনে গিয়ে কান পাতলেই নাকি সে কথা শোনা যায়। স্বয়ং ডিএম সাহেব নাকি সমস্যায় পড়লে উনার কাছ থেকে পরামর্শ নিতেন।মুখে প্রায়ই বলতেন সমাজের জন্য ওনার অনেক দেওয়ার বাকি আছে। উনি সাধ্যমত সমাজের প্রয়োজনে নিজেকে নিংড়ে দিতে প্রস্তুত। কিন্তু তার জন্য সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। ওনাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে না পারলে জাতির বিরাট ক্ষতি। সমাজের অজ্ঞতা দূর হবেনা । অবশ্য দেশ বা সমাজের চালিকা শক্তিই যদি নিরেট মূর্খ হয় তাহলে অবশ্য আশার কোনো আলো নেই বলে ওনার খেদোক্তি বহুবার শুনেছি।

এহেন মান্যবর ব্যক্তি নিজের জীবনে তেমন সাফল্য না পেলেও শাসকদল ওনার যোগ্যতা অনুধাবন করে এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি হিসেবে স্থানীয় বিদ্যালয়ের সভাপতির পদে নিযুক্ত করেছেন। তবে এখানেও কিছুটা আশান্বিত হলেও খেদ থেকেই গেছিল। স্থানীয় কলেজের গভর্নিং বডিতে জায়গা না পাওয়ায় ঠারেঠোরে উনি নিজের ক্ষোভের কথা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। যাইহোক মাননীয় প্রেসিডেন্ট সাহেব অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী হওয়ায় প্রতিদিন নিয়ম করে সকাল সাড়ে দশটায় বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতেন। দুপুরে একটু টিফিন খেতে বাড়িতে গেলেও ফিরতেন তাড়াতাড়িই। বলাবাহুল্য প্রধান শিক্ষক সহ বাকি শিক্ষকদের উপর ওনার এহেন খবরদারিতে বিদ্যালয়ের পরিবেশ রীতিমতো বিরক্তিকর হয়ে উঠেছিল । সামান্য কারণেই একে ধমকানো ওকে ধমকানোর সঙ্গে নিজের ফাঁকা কলসির শব্দ শুনতে শুনতে আমাদের কান তখন ঝালাপালা হয়ে যাচ্ছিল সঙ্গে জীবন হয়ে ওঠে রীতিমতো ওষ্ঠাগত প্রাণ। আমি নবীন হওয়ায় সমস্যা তেমন না হলেও বাকিরা হয়ে উঠেছিলেন রণংদেহী। কিন্তু সামনে কেউ টু-শব্দ করার সাহস দেখাতেন না। বেচারা শিক্ষকদের প্রতিদিন আড়ালে ওনার সঙ্গে শাসকদলের মুন্ডুপাত করা ছাড়া কোন উপায় ছিল না। উল্লেখ্য প্রেসিডেন্ট সাহেব শিক্ষকদের এভাবে কড়া ট্রাকিংয়ে রাখায় বাইরের পরিবেশও ছিল স্থানীয়দের কাছে খুবই উপভোগ্য। তবে আমরাও ছিলাম খুব সাবধানী। এলাকার হাওয়া প্রতিকুল বুঝে কখনোও আমরা নিজেদের হতাশা স্থানীয়দের কাছে প্রকাশ করতাম না।

ভদ্রলোকের হৃদয় ছিল সমুদ্রসীমা ভালোবাসার আঁধার (আধার নয়)। তবে তা সুরক্ষিত ছিল শুধুমাত্র বিদ্যালয়ের দিদিমনিদের জন্য। খুব মায়াবী দৃষ্টি ছিল ওনাদের প্রতি ওনার।সামনে পড়লে মিষ্টি করে দিদিমনিদের 'মা' বলে সম্বোধন করতেন।আর মেল টিচাররা ছিল যেন ওনার শত্রুপক্ষ।বয়সে ওনার সন্তানতুল্য হলেও তাদের জন্য বরাদ্দ ছিল 'ভাই' ডাক।আমরা মজা করে বলতাম,সম্ভব হলে উনি সব মেল টিচারদের ট্রান্সফার করিয়ে ফিমেল টিচার নিয়ে আসবেন এবং বিদ্যালয়কে একটা হায়ব্রিড বয়েজ স্কুল তৈরি করবেন। করিৎকর্মা প্রেসিডেন্ট সাহেবের মেল টিচারদের টাইট দেওয়ার চেষ্টার অন্ত ছিল না।আসা যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি যখন তখন এর তার ক্লাসে ঢুকে যাওয়া,শিক্ষক কি পড়াচ্ছেন খোঁজ নেওয়া, সম্ভব হলে ছাত্রদের প্রশ্ন করা, না পারলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে আরও দরদ দিয়ে পড়ানোর পরামর্শ দেওয়া; বলা ভালো হ্যাটা(সকলের সামনে অবজ্ঞা করা বা একপ্রকার বুলিং) করার মধ্যে দিয়ে আমাদের সেসময় দিন কাটছিল। বিরক্তিকর হলেও ওনার বিরুদ্ধে কথা বলার উপায় ছিল কার্যত অবরুদ্ধ।

ভদ্রলোক সাদা পায়জামা পড়তেন।আর উপরে পড়তেন ছোট সাদা ফতুয়া। শৈশবে গান্ধীজিকে দেখেছিলেন বলে দাবি করেন। আমরা এক ধাপ এগিয়ে ওনাকে, গান্ধীবাদী আন্দোলনের নেতা বললে তখন অবশ্য একটু লজ্জা পেয়ে বলতেন,
- ঐ যে আর্থিক অনটনের জন্য সুযোগ থাকলেও গান্ধীবাদী আন্দোলনে যোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি।
আরো বলতেন,
-অনেকগুলো পেটের ভরণপোষণের দায়িত্ব কাঁধে থাকায় জীবনের অনেক স্বপ্ন ব্যর্থ হয়ে গেছে।

আমরা গান্ধীজিকে দেখিনি ইতিহাসে পড়েছি। কাজেই ওনার আচরণ যাই হোক প্রকাশ্যে একজন গান্ধী দর্শনধারীকে দেখতে পাওয়া এটাই ছিল সে সময় আমাদের বড় প্রাপ্তি।ফলে ওনার সব অসয়লেত( একটা আঞ্চলিক শব্দ অর্থ বিরক্তিকর আচরণ) মেনে নিতে বাধ্য ছিলাম। একদিন প্রেসিডেন্ট সাহেব ক্লাস পরিদর্শন করার বেশ কিছুক্ষণ পরও দেখি ছেলেরা একটু অমনোযোগী। একবার নোটিশ করেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় কিছুক্ষণ চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকি। বুঝতেই পারি ওদের মধ্যে একটা কৌতুহল চলছে। কিন্তু কেউ মুখে বলছে না সে কথা। এবার হাসিহাসি মুখে বকবো না বলে একটু আশ্বাস দিতেই,
-স্যার প্রেসিডেন্ট স্যারের পায়জামার নিচে ফাটা আছে।
কথা দিয়েছি বকাবকি করবো না। নিজের হাসিকে অন্তরে লুকিয়ে রেখে পড়াশোনায় ফিরতে আদেশ করি। এবার অবশ্য ওরা আমার কথা শুনে বাধ্য ছেলের মতো কাজে মনোযোগী হয়। অস্বীকার করবো না ছেলেদের কাছ থেকে এমন একটি রসালো খবর পেয়ে ভিতরে ভিতরে রীতিমতো উত্তেজিত হতে থাকে। রসিয়ে রসিয়ে স্টাফ রুমে গল্প করার জন্য ভিতরে ভিতরে উত্তেজনা অনুভব করি। পরেরদিন সকালে প্রেসিডেন্ট সাহেব বিদ্যালয় এলে পিছন থেকে লক্ষ্য করি ছেলেরা ঠিকই বলেছে।ওনার পায়জামার দুই পায়ের সংযোগস্থলে রীতিমতো অনেকটা ফাটা। হাঁটার সময় পিছন থেকে ফাটলটি স্পষ্ট চোখে পড়ছে।স্টাফরুমে একজন ছিল লোকাল সংবাদদাতা। পেটে তার কোনো কথা আটকে থাকতো না। সুযোগ বুঝে তার কানে একবার কথাটি তুলতেই আমার কাজ শেষ। গোটা বিদ্যালয়ের রটে গেল প্রেসিডেন্ট সাহেবের নতুন নাম।এই ভাবে উনি ফাটা পায়জামায় পরিনত হলেন। উল্লেখ্য এর পরে ছেলেরা ওনাকে লক্ষ্য করে পিছন থেকে ফাটা পায়জামা বলে ডাকতে থাকে।উনি মাঝে মাঝে হম্বিতম্বি করে,
- কে বললো? কে বললো? বলে খুঁজতে থাকেন।অমনি অন্যদিক থেকে আবার ভেসে আসে একি কথা। গোটা স্কুলের ছেলেরা ব্যপক মজা পেল এমন একজন উঁচু দরের মানুষকে খ্যাপানোর সুযোগ পেয়ে।

ঘটনা এখনোও শেষ হয়নি। শেষবারের মতো বিদ্যালয়ের অ্যানুয়াল স্পোর্টসের সময় পতাকা উত্তোলন ও ভাষন দিয়ে যেইনা নিজের চেয়ারে বসেছেন অমনি পাগলের মতো চুলকানিতে ছটফট করতে করতে থাকেন। ছেলেদের মধ্যে কোনো একজন আগে থেকেই প্রেসিডেন্ট সাহেবের জন্য বরাদ্দ স্পেশাল চেয়ারে বিছুটি লাগিয়ে রেখেছিল।যা সরাসরি ওনার পায়জামার সেন্টারে আঘাত করে।সেই জ্বালায় উনি পাগোলের মতো ছটফট করতে করতে সেই যে মাঠ ছেড়ে চলে গেছিলেন আর কখনও স্কুলমুখো হননি।
লোকাল পার্টিতে ওনার এই ফাটা পায়জামায় কিসসা জানাজানি হয় এবং ওনার বামাক্ষ্যাপার বিষয়টিও প্রকাশ্যে চলে আসে।মা বলে সম্বোধন করে উনি দিদিমনিদে মাথায় হাত দিতেন। এমনকি দু একজনকে অ্যাপ্রুভালের পেপার ঠিক করতে পরশের হাত মাথা থেকে পিঠে পর্যন্ত নেমেছিল। নিজেদের সম্ভ্রমের জন্য সেসময় বিষয়টি প্রকাশ্যে না এলেও ঘটনা পরে সামনে আসে।যে কারণে পার্টি থেকে ওনাকে আর স্কুলে আসতে নিষেধ করা হয়।ওনার এই পদস্খলনের সঙ্গে সঙ্গেই অবসান ঘটে খ্যাপাটে বুড়োর অসদাচরণের অধ্যায়েরও।

বিশেষ দ্রষ্টব্য:- গল্প হলেও সত্যি।



মন্তব্য ৬৪ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (৬৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে মে, ২০২১ রাত ১০:৪০

জটিল ভাই বলেছেন:
বুড়ো হলেই কি এমন হতে হয়? =p~
মতামতের জন্য ধন্যবাদ :)

২৯ শে মে, ২০২১ রাত ১০:৫২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: কথাটা অমূলক নয়। তবে কথা আছে না,স্বভাব কখনও যায়না।
প্রতিমন্তব্যের উত্তরও আপনি দিয়ে দিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।

২| ২৯ শে মে, ২০২১ রাত ১০:৪২

চাঁদগাজী বলেছেন:



এই লেখাটা একটা পোষ্টে মন্তব্য হিসেবে ছিলো, একটু আগে পড়লাম সেখানে।

২৯ শে মে, ২০২১ রাত ১০:৫২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হ্যাঁ ঠিকই পড়েছেন।

৩| ২৯ শে মে, ২০২১ রাত ১১:১৮

চাঁদগাজী বলেছেন:



মিরাকল, কমেন্ট গল্প হয়ে যায়; গল্প কমেনট হয়ে যায়! অভিনন্দন।

২৯ শে মে, ২০২১ রাত ১১:৩৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ধন্যবাদ

৪| ২৯ শে মে, ২০২১ রাত ১১:১৯

কামাল১৮ বলেছেন: শিক্ষকদের সাথে বন্ধুর মতো মিশতে পারলে ওনার তদারকিটা কিন্তু খারাপ না।ঢাকার দুটি ভাল স্কুলের প্রধান শিক্ষককে কাছ থেকে দেখার সুযোগ আমার হয়েছে সন্তানদের পড়ার সুবাদে।রাজুক স্কুল ও মতিঝিল কলোনির আইডিয়াল স্কুল।শিক্ষকরা যেমন ছাত্রদের শিক্ষক,এই দুই জন প্রধান শিক্ষক ছিলেন শিক্ষকদের শিক্ষক।

২৯ শে মে, ২০২১ রাত ১১:৪৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: তদারকি করার দায়িত্ব ওনার ঠিকই কিন্তু প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে। হেডমাস্টার মহাশয় হলেন উভয়ের সেতুবন্ধন তৈরি করেন।অফিস/পেপার্স কমিটির রেজুলেশন সহ যাবতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবেন প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে।তদারকি হেডস্য্যার করবেন। মাঝে মাঝে ডি আই/ এস আই স্কুল পরিদর্শনে আসেন। কাজেই রানিং স্কুলে যদি উনি তদারকি করেন তাহলে শুধু শিক্ষকদের কাছে নন ছাত্রদের কাছেও হেডমাস্টার গৌন হয়ে প্রেসিডেন্ট মহিরূহ স্বরুপ দেখা দেন। অথচ বিদ্যালয়ে মাথা হেডমাস্টারই যিনি প্রধান।আর দুটি মাথার সৃষ্টি হলে যে কোনো সংসারের পক্ষে ক্ষতিকারক।
আপনার যুক্তিটিও ভালো। তবে আমার মনে হয় আপনি বেসরকারি বিদ্যালয়ের কথা বলছেন। বেসরকারি বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে অবশ্য আপনার বলা নিয়মটাই দস্তুর।
কমেন্টে্য জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
শুভেচ্ছা জানবেন।

৫| ২৯ শে মে, ২০২১ রাত ১১:২২

সোনালি কাবিন বলেছেন: ব্লগের গাটা কেস্টকে ভেবে লিখেছেন নাকি :-P #:-S

২৯ শে মে, ২০২১ রাত ১১:৫১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: না না একদমই না। জীবনের নানান বাঁকে কখনোবা পরিচিত মানুষদের সাক্ষাৎ পাওয়া যায়। সেটাই স্মৃতিচারণ করা আরকি।

৬| ২৯ শে মে, ২০২১ রাত ১১:২৩

সোনালি কাবিন বলেছেন: উপস। গাটা = ফাটা ' হবে

২৯ শে মে, ২০২১ রাত ১১:৫১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ওকে।নো প্রবলেম।

৭| ৩০ শে মে, ২০২১ রাত ১:০৬

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: আপনার লিখা পড়া হয়না বেশ অনেক দিন। গল্পটি পড়ে ভাল লাগল।

৩০ শে মে, ২০২১ রাত ৮:৪৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় সুজন ভাই কেমন আছেন? অনেকদিন আমি অবশ্য ব্লগে আসার সময় পাইনি।আপনিও আমার কোনো পোস্টে অনেকদিন পরে এলেন। খুশি হলাম আপনার আগমনে। কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
গল্পটা ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো। আবারো ধন্যবাদ আপনাকে।
শুভেচ্ছা জানবেন।

৮| ৩০ শে মে, ২০২১ রাত ২:২০

রাজীব নুর বলেছেন: দীর্ঘদিন আপনার কোনো খোজ খবর নেই!!!
মনে মনে আপনার কথা ভাবলাম, আর এই মাত্র আপনার পোষ্ট চোখে পড়লো।
অবশ্য আমি আপনার খোজ নিয়েছি। বাড়ির ছাদে বড় বাগান করেছেন। জানি।

৩০ শে মে, ২০২১ রাত ৯:০২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ছোট ভাইকে দেখে খুশি হলাম। তবে আমাদের অবস্থা অত্যন্ত ভয়াবহ ছিল। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলাম। গতবারের চেয়ে বহুগুণ বেশি দুশ্চিন্তায় এবার কেটেছে।যে পাড়ায় থাকি এতবেশি মৃত্যু আগে কখনও দেখিনি। বাস্তব অভিজ্ঞতায় বুঝেছি সংখ্যাটি হিমশৈলের চূড়া মাত্র। নিজের পরিবার পরিজনদের নিয়ে প্রতিটি মূহুর্তে আতঙ্কের থাকতাম।সঙ্গত কারণেই কোনো রকম ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশ করতে ইচ্ছে করতো না। ইতিমধ্যে বাড়িতে টিভিটি অচল হয়ে যায়। আমি ইচ্ছে করেই তা মেরামত করার চেষ্টা করিনি। তবে বিভিন্ন পোর্টালে চোখ রাখতাম।করোনার উন্নতির খবরটি যেন তেন প্রকারে দেখতে মুখিয়ে ছিলাম। এই মুহূর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঠিক নির্দেশনায় আমাদের রাজ্যের অবস্থা যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। আশাকরি আগামী দু সপ্তাহের মধ্যে তা আরো উন্নত হবে।আর একি সঙ্গে আমার ব্লগিংও আবার স্বাভাবিক হবে বলে আশা রাখি।

পরিবারকে বিকল্প মনোরঞ্জন করতে ছাদ বাগানের প্রতি দৃষ্টি দেই।যা আমাদের সকলকে বেশ কিছু সময় সমস্ত সমস্যা থেকে ভুলতে সাহায্য করেছিল।

ভাইয়ের এমন আন্তরিক খোঁজখবর নেওয়ায় খুশি হলাম। আশাকরি সপরিবারে ভাইও ভালো আছেন।

নিরন্তর শুভেচ্ছা প্রিয় ছোট ভাইকে।

৯| ৩০ শে মে, ২০২১ রাত ৩:৫০

নেওয়াজ আলি বলেছেন: গল্প হলেও সত্যিই

৩০ শে মে, ২০২১ রাত ৯:০৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হ্যাঁ নেওয়াজ ভাই ঠিকই বলেছেন। কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
শুভকামনা জানবেন।

১০| ৩০ শে মে, ২০২১ ভোর ৪:৩৮

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহা..... একি অবস্থা! কারো সাথে মিলে গেলে লেখক দায়ী নহে!!!

৩০ শে মে, ২০২১ রাত ৯:৫৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হেহে হে....আপু।যারা স্টার তারা ঘুরেফিরে ঠিকই আমাদের জীবন সারনীতে বারে বারে ধরা দিবেন।আমরা অবলা ওনাদের মহৎ কৃতিকে স্মরন করে হিংসে করি। তাই আমার পরামর্শ কখনও ওনাদের মহত্ত্বকে হিংসে করে অনুসরণ না করে বরং মহামান্য রূপে তুলে ধরায় শ্রেয়।কি আপনি কি বলেন আপু?

১১| ৩০ শে মে, ২০২১ সকাল ১১:৫১

শেরজা তপন বলেছেন: অনেকদিন পরে আপনার দিদার পেলাম ভ্রাতা!!!

সব ঠিক ঠাক আছে তো? আপনার গল্পে ভিন্ন স্বাদের হয় সব সময়য়ই।

৩০ শে মে, ২০২১ রাত ১০:০৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় তপন ভাইকে। আমি মাঝে বেশ কিছু দিন ব্লগিং করার মতো অবস্থায় ছিলাম না।আজ দেখলাম আপনি ইতিমধ্যে অনেকগুলো পোস্ট দিয়েছেন।সময় নিয়ে সবগুলো শেষ করবো।
হ্যাঁ এখন আমরা অনেকটা ঠিক আছি। মাঝে খুব ভয়ানক অবস্থা গেছে।
গল্পে একটু ভিন্ন স্বাদ পেয়েছেন জেনে পুলকিত হলাম।
নিরন্তর শুভেচ্ছা প্রিয় ভাইকে।

১২| ৩০ শে মে, ২০২১ দুপুর ১২:৩৪

মা.হাসান বলেছেন: পত্রিকাতে নিয়মিত দেখিতেছি টিএমসির গুন্ডারা বজরঙ্গবলী সাধুদের মারপিট কোরিয়া ঘরবাড়ি জালাইয়া দিতেছে, গৃহবধূদের হয়রানি করিতেছে, মৃতরাও নাকি রেহাই পাইতেছে না। ব্লগে আপনাকে দীর্ঘ দিন অনুপস্থিত দেখিয়ে অনুমান করিতছিলাম হয় মার খাইয়া শোভন বাবুর নিকটে যাইয়া কান্নাকাটি করিতেছেন অথবা প্রতিপক্ষকে পিটুনি দিয়া নবান্নে যাইয়া গুলি দেখাইতেছেন। ঠিক কী করিতেছিলেন একটু ভাঙ্গিয়া বলিবার অনুরোধ থাকিলো।

পোষ্টের ব্যাপারে আর কি বলিব, পোস্ট লেখাটাই একখানা ট্রাজেডি হইয়া গিয়াছে। বহু কষ্ট করিয়া একখানা অল্প রোমান্টিক অল্প বিরহের গল্প লিখেছিলাম; একাধিক ব্লগার কমপ্লেন করিলেন প্লট চেনা এমনকি নায়ক-নায়িকাদের নামও নাকি পরিচিত |-) গল্প লেখার দফারফা শেষ।

আপনি কত কষ্ট করিয়া একখানা সত্যিকারের 'জীবন থেকে নেওয়া' ঘটনা বর্ণনা করিলেন, আর লোকে বলিতে লাগিল ইহা তো ফাটাকেষ্টর জীবনের সঙ্গে মিলিয়ে যায়

ভাবিতেছি চার্লস শোভরাজ বা ভগবান রজনীশ এর কীর্তি কলাপ লইয়া লিখি । কেহ যদি বলে- ইহাও ফাটাকেষ্টর কীর্তি- বলুক আপত্তি করিব না।

যা হোক সুখ-দুঃখ সর্বাবস্থায় আপনার সাথে আমাকে পাইবেন। মার খাইয়া গায়ে বেদনা হইলে বলিবেন- জামবাক লইয়া চলিয়া আসিব। দুইঘা দেওয়ার প্রয়োজন হইলে বলিবেন - বহুদিন ব্লগে কিবোর্ডে গালাগালি করিতে করিতে হাত পায়ে মরিচা ধরিয়া গেলো। সত্তিকারের একশনের সুযোগ পাইলে একটু হাত ছাড়াইয়া বসিতে পারিতাম।
অনেক শুভকামনা।

পিএসঃ ভারতে কি সত্যই জাঙিয়ার দাম এত বেশি যে শোভা-পতি মশায়ের উহাও যোগাড় করা সম্ভব হয় নাই? কিনিতে না পারেন, আর কারোটা তো খুলিয়া লইতে পারিতেন।

৩১ শে মে, ২০২১ রাত ১০:৩৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আপনি প্রতিদিনই ঠিকই দেখছেন। প্রত্রিকাবাবুরা হক কথাই লিখেছেন। সরল সাদাসিধে বজরং বলি, জয় শ্রীরাম সেনা, বিজেপির নেতাকর্মী প্রমূখদের অন্যায়ভাবে জোর জুলুম করছে। বাড়িঘরদোর জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিচ্ছে। আপনার সঙ্গে আমিও এটা নিয়ে সমব্যথী ছিলাম। ঠিকই ধরেছেন দিলীপ ঘোষ বাবুর কাছে গিয়ে মাদুলি চাইছিলাম কি করে এই বিপদ থেকে উদ্ধার হওয়া যায়। তবে আপনার রাডারের বাইরে আর একটা জায়গায় যে গেছিলুম সেটি অবশ্য আপনি ধরতে পারেননি। হ্যাঁ আমি রাজ্যপাল দাদুর কাছে গিয়ে দুসপ্তাহ কান্নাকাটি করেছিলুম। মাঝে আর একবার মোদিজীর কাছেও গেছিলাম। মোদিজী আবার অমিত শাহকে সশরীরে উপস্থিত হয়ে নারকীয় যন্ত্রণার কথা বলতে বললেন।আমি বললাম স্যার আপনি আরেকটি গুজ দাঙ্গা করিয়ে দিন প্লিজ। আমার কথা শেষ না হতেই,
- চৌদ্দ বছর ধরে সেই এককথা।কেন দিল্লির ঘটনা কি তোরা ভুলে গেছিস?
-আজ্ঞে না স্যার।ওটা আপনাকে প্রমোশন দিয়ে দিল্লিতে বসিয়েছে।আর দিল্লি তো একটা টোয়েন্টি টোয়েন্টি। তাই আমি পুরানো কৃতিত্বকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছিলাম।
- ঠিক আছে আমি দেখছি।তোরা একটু সাবধানে থাকবি।

উল্লেখ্য বাসায় ফেরার কয়েকদিনের মধ্যেই ভোর বেলায় সিবিআই জালে চার নেতা মন্ত্রী।
দেখলেন তো ওস্তাদের মার....।
জামিন পাচ্ছে না।এ কোট সে কোট গায়ে চাপিয়েও কোনো কাজে আসসে না
আর আমাদের রাজ্যপাল দাদুর তো একশোতে একশো।ভেবেছে টা কি? দাদু এমন লাগা লেগে গেছে যে দাদুর বাউন্সার সামলাতে পারছেনা।ভাগ্যিস রাজ্যপালের মতো পদটা ছিল। জয়বাবা রক্ষেনাথ।

আপনাকে একটা মনের কথা কই।একেতো রাজ্যে পালিয়ে দিন কাটছে। একবার দাদুর বাড়ি আরেকবার মোদিজীর সঙ্গে সাক্ষাৎ। এসবের মাঝে সময় বের করে একটা গল্প লিখলাম।আর সকলেই বলে কিনা ফাটাকেষ্ট।আমার কষ্টের কথা কেউ বললেনি।এ কেমন বিচার!যদি বলতো পদাতিকের বুকফাটাকষ্ট।তাহলে বুঝতাম লেখাটা ভালো হয়েছে। কষ্টটা মালুম হতো। কিন্তু তা নয়....উল্টে ১৮ কমেন্টে একজন আমাকে সাবধান করে হুমকি দিয়ে গেছেন।তাই ভাবছি এখন থেকে আর গল্প লিখবো না।সে হয়তো কারো না কারোর সঙ্গে মিলে যাবে।তার চেয়ে বরং কবিতা লেখাই ভালো।আপনি কি বলেন কবি হওয়া বেশি ভালো না?

বড্ডকষ্টে দুটো মনের কথা কইয়ে ফেলেছি। কিছু মনে করবেননা। অবশ্য আপনি আমাকে জামবাক লইয়া হাজির হবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। কাজেই মনে বাড়টি বল ফেলুম. .....

আচ্ছা জাঙিয়া কেন পড়বে? উনি যে সুবিধা পেয়েছেন তাতে পয়সা খরচ করে নিজেকে অবরুদ্ধ করে রাখবেন বলে মনে হয় না। ত্বকের যত্ন নিন...হেহেহে


নিচে কি একটা এসে গেছে। কিছুতেই দূর করতে পারলাম না।অন্যকিছু ভাবিয়েননা দয়া করে।
ভালো থাকবেন সবসময়।

্্ই্্য়্্ই্্্্ই্্য়্্্্ই্্য়্্ই্্্্ই্্্্ই্্য়্্ই্্্্ই্্য়্্্্ই্্য়্্ই্্্্ই


১৩| ৩০ শে মে, ২০২১ দুপুর ১:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: দাদা আমি কখনও পায়জামা পড়ি নাই। পায়জামা আমার ভালো লাগে না। পাঞ্জাবীর সাথে আমি প্যান্ট পড়ি। প্যান্টা পায়জামার কাপড় দিয়ে বানিয়ে নিই। পায়জামার দড়ি বাধতে পারি না।

৩১ শে মে, ২০২১ রাত ১০:৪১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পায়জামা সম্পর্কে প্রিয় ছোট ভাইয়ের সুন্দর অভিব্যক্তি পেয়ে খুশি হলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইকে। আমি অবশ্য সবই পড়ি। একটা হলেই হয়।যদিও আমার পরিচিত একজন ছিল যে বলতো না হলেও অসুবিধা হয়না।মনটাই নাকি সেক্ষেত্রে স্বচ্ছ হওয়া দরকার। হেহেহে

১৪| ৩০ শে মে, ২০২১ বিকাল ৪:২৫

ইসিয়াক বলেছেন:

প্রিয় পদাতিক দাদা,
আশাকরি দিদিমনিগোরে লইয়া কুশলে আছেন। সময়ও ভালো কাটিতেছে।

যাহোক,
পরসমাচার এই যে,আপনার ফাটা পায়জামা দেখিতে মানে পড়িতে ভালো লাগিল। আশা করি আপনার পায়জামা ও ঠিক ঠাক সুরক্ষিত আছে। পারলে একবার চেক করিয়া নিয়েন। দিদিমনিগোরে আমার সালাম জানাইবেন। জানি এই কমেন্ট পড়িয়া কেউ কেউ আমারে আড্ডাবাজ বা দুষ্টু ব্লগার উপাধিতে ভূষিত করিতে পারে। তাহাতে আমার কিছু যায় আসে না। ভালো থাকিবেন।
আর একখান কথা কমেন্ট কেমন করিয়া পোস্টে/ গল্পে রূপ দিতে হয় আমারে একটু শিখাইয়া দিয়েন।


ইতি
ইসিয়াক
৩০-০৫-২০২১
যশোর
বাংলাদেশ

০১ লা জুন, ২০২১ রাত ১০:০৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ইসিয়াক ভাই,

আপনার পত্রখানি পাইয়া যারপরনাই পুলকিত হলাম। হ্যাঁ আপনাদের আশীর্বাদ লইয়া মহান করুনাময়ের ইচ্ছায় কুশলে আছি। আশাকরি আপনিও সপরিবারে আনন্দে জীবন অতিবাহিত করিতেছেন।

ফাটা পায়জামা দেখিয়া আপনি পুলকিত হইলেন দেখিয়া আমিও ততোধিক উৎফুল্ল হইলাম।তবে কিঞ্চিৎ লজ্জিত হইলেও মনে বড় প্রশ্নের উদ্রেক হইতেছে ফাটা পায়জামার প্রতি আপনার আগ্রহভরা কমেন্ট দেখে। জানিনা জীবনে কখনও এমন বিরল ঘটনার অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছিল কিনা... কিম্বা নিজেই এরকম আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিলেন কিনা...
পায়জামার চেক করাটা আমার কাছে হৃদয়বিদারক ঘটনা বলে মনে হয়।প্রকৃতির মুক্ত বাতাসে ত্বকের যত্ন নেওয়াকে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি বলিয়া আমার ব্যক্তিগত অভিমত। তবে আপনি সেটা না রাখতে চাইলেও অসুবিধার দেখিনা।২০০১ সালে মেদিনীপুরের কন্টাইয়ের সাতমাইল নামক একটি স্থানে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বন্ধুর বাড়িতে ঘুরতে গিয়ে পরেরদিন সকালে প্রাতকাজ করতে বাড়ির পাশে বিল বা ফাঁকা মাঠে যেতে হয়েছিল। বন্ধুর বাবা হাইস্কুলের হেডমাস্টার। কিন্তু বাড়িতে কোনো বাথরুম নেয়। বসতবাড়িতে বাথরুম নাকি ওদের সংস্কৃতির ঘোর বিরোধী। ওর কথায় সকালে প্রকৃতির মাঝে পশ্চাদদেশে হাওয়া খাওয়ানোর মজাই নাকি আলাদা। আমি শুনে রীতিমতো থ(আঞ্চলিক শব্দ অর্থ থমকে যাওয়া)। যাইহোক আপনার অভিজ্ঞতার অপেক্ষায় রইলাম।‌

কমেন্ট থেকে পোস্ট করার রেসিপি জানতে চাইলেন। ভালো কথা।তার আগে আপনাকে নিশ্চয়তা দিতে হবে যে আপনি মোবাইল ফোন থেকে ব্লগিং করেন।আর তখনই বিরল রেসিপি আপনাকে শেয়ার করা হবে।

সবশেষে আবারো ধন্যবাদ আপনাকে।
পোস্টটিতে like'করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।

নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।



১৫| ৩০ শে মে, ২০২১ বিকাল ৫:৪৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: বুড়ো বয়সে ভীমরতি । লিখেছেন বেশ ।

সুন্দর ।+

০১ লা জুন, ২০২১ রাত ১০:১১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।
ঠিকই বলেছেন বুড়ো বয়সে ভীমরতি।পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

নিরন্তর শুভেচ্ছা জানবেন।

১৬| ৩০ শে মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪৬

বিদ্রোহী সিপাহী বলেছেন: বুড়ো দুই ধরনের। লুইচ্চা বুড়ো আর সরল বুড়ো। সভাপতি লুইচ্চা বুড়ো। সমাজে এদের দাপটই বেশি

০১ লা জুন, ২০২১ রাত ১০:১৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। একদিকে ঠিকই বলেছেন এই ধরনের ভন্ডদের সমাজে দাপট ষোল আনা।
নিরন্তর শুভেচ্ছা জানবেন

১৭| ৩০ শে মে, ২০২১ রাত ৮:৪০

আহমেদ জী এস বলেছেন: পদাতিক চৌধুরি,




পাজামার ফাঁটা দিয়ে সব বের করে দিলেন !!!!! :(

অনেকে আছেন যারা নিজেদের অপ্রাপ্তি, অসাড়তা, অযোগ্যতাকে ঢাকতে হাম বড়াই ভাব করেন । এসব ইনফিরিওরিটি কমপ্লেক্স থেকে হয়। আপনার সভাপতি মহাশয়ও সেই দলের।

০২ রা জুন, ২০২১ রাত ৯:২০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পাজামার ফাঁটা দিয়ে সব বের করে দিলেন !!!!! -হেহেহে... ভাইয়া আমার সাদা মনে কাঁদা নেই।চোখে দেখা একটা ঘটনা স্রেফ বর্ণনা করে গেছি।

অনেকে আছেন যারা নিজেদের অপ্রাপ্তি, অসাড়তা, অযোগ্যতাকে ঢাকতে হাম বড়াই ভাব করেন । এসব ইনফিরিওরিটি কমপ্লেক্স থেকে হয়। আপনার সভাপতি মহাশয়ও সেই দলের।"- একেবারে যথার্থই বলেছেন ভাইয়া। হতাশাগ্রস্থ একদল মানুষ আছেন যারা ইনফেরিয়রিটি কমপ্লেক্স ভোগে।গল্পে সভাপতি মশায় তেমন একজন। চমৎকার অভিব্যক্তি প্রকাশ করলেন।

অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।


১৮| ৩০ শে মে, ২০২১ রাত ৯:৩২

মা.হাসান বলেছেন: এক্টু মিস্টেক হয়া গেছে।

অনুমান করিতছিলাম হয় মার খাইয়া শোভন বাবুর নিকটে যাইয়া কান্নাকাটি করিতেছেন

দিলীপ লিখতে যায়া শোভন লিখে ফালাইসি।
ক্যাম্নে এই ভুল হলো?
আসলে শোভন সাহেবের কপাল লইয়া কয়দিন ধইরা হিংসা করতে আছিলাম। কয়জনের ভাগ্যে এমন কপাল হয় - বউ + বান্ধবী- দুটাই এক সঙ্গে। পুরুষদের মাঝে উনি একখান আইডল।

০৩ রা জুন, ২০২১ রাত ৯:৫৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: মারাত্মক মিস্টেক কইরা ফেলাইছেন। আপনি দীলিপ বাবু লিখতে যাইয়া শোভন বাবু লিখে ফেলাইছেন। অপরাধ গুরুতর। কিন্তু আমাদের সমস্যা যে আরো বেড়ে গেল। কিছুতেই দীলিপদাকে ফোনে পাচ্ছিনা। সঙ্গে কৈলাস বিজয়বর্গিরদেরো কোনো টিকি নেই।কি মুস্কিলে যে পড়লাম।উপায় না পেয়ে তথাগত কাকাকে ধরলাম।কাকা ডি ও কে কেদের আদ্যক্ষর উল্লেখ করে উষ্মা প্রকাশ করলেন।সেটাই আজ বিভিন্ন মিডিয়া তুলে ধরেছেন।
আর এসবের মধ্যে মাথা দেওয়ায় বৈশাখী শোভনের দিকে দৃষ্টি দিতে পারিনি। বুঝতেই পারছি এমন হাই প্রোফাইল জুটির দিকে দৃষ্টি না দেওয়ায় একটি অপরাধ করে ফেলেছি।

শুভেচ্ছা প্রিয় মা. হাসান ভাইকে

১৯| ৩০ শে মে, ২০২১ রাত ১০:১৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: মুরুব্বী......সে যেই হোক, তারে নিয়া এই ধরনের পোষ্ট সমর্থন করি না। তেব্র পরতিবাদ জানায়া গেলাম। গুপ্তচর হিসাবে আপনি বিভিন্ন বিষয়ে মাথা ঘামাইতেই পারেন; কিন্তু তাই বলে অন্যের পায়জামার ফাটা নিয়েও মাথা ঘামাবেন, এটা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। X(

০৩ রা জুন, ২০২১ রাত ১১:১১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: মুরুব্বী......সে যেই হোক, তারে নিয়া এই ধরনের পোষ্ট সমর্থন করি না।-আপনার মুরুব্বিকে যতোই টানাটানি করেন না কেন এই রকম ছোটখাটো কাজকারবার উনি করেন বলে আমার মনে হয় না।উনি নিশ্চয়ই গ্রেট হবেন। আপনার তেব্র পরিতিবাদের জন্য দুঃখিত হলাম। দু'দিন একারণে বোলোগেই আসিনি। তবে যদি অবরোধ বা লিখিত পরিতিবাদের কোনো ব্যবস্থা করেন তাহলে আপনি আমাকেও সঙ্গে পাবেন। যৌথভাবে এসব অনাচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।বড় ভাইজানের জন্য বেশি দুশ্চিন্তা করবেন না।জানি আপনার উপর অত্যধিক চাপ।আহা! এমন রোগাপটকা শরীরে গোটা বৃটেন বাসীর জন্য চব্বিশ ঘন্টা কাজ করে যাওয়া কি মুখের কথা! তবুও বলবো শরীর মনের ও ত্বকের যত্ন নিন....

২০| ৩১ শে মে, ২০২১ সকাল ১১:২৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: ফাটা পায়জামা - শিরোনামটাই তো গল্প পড়ার আগে হাসির উদ্রেক করে! আর গল্প হলেও সত্যিই - এ কথাটা জেনে মহোদয়ের প্রতি কিছুটা মায়ারও উদ্রেক হয়!

দশম লাইনের পঞ্চম শব্দ 'ফিফটিন' - এটা কি ঠিক আছে? ঠিক থাকলে বাক্যটির মানে বুঝতে পারিনি। এরকম আরও দুটো অপরিচিত ও অর্থ না জানা শব্দ পেয়েছি হ্যাটা আর অসয়লেত। একটু দেখে নেবেন।

০৫ ই জুন, ২০২১ রাত ৯:২৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শিরোনামটাই তো গল্প পড়ার আগে হাসির উদ্রেক করে"-ঠিক সেটাই স্যার। সেদিন ছেলেদের দেওয়া নামটি রীতিমতো হাসির।সুক্ষ বিষয়টির মধ্যে যে হিউমার আছে বিষয়টি প্রথম আপনার নজরে পড়ায় খুশি হলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।
পরে ভদ্রলোকের এতটা হাস্যকর অবস্থায় পড়ায় সত্যিই খুব খারাপ লাগে। ওনার উপর করুনা হওয়ারই কথা।

দশম লাইনের পঞ্চম শব্দটি টাইপো ছিল। ঠিক করে দিয়েছি। ধন্যবাদ স্যার আপনাকে।হ্যাটা কাউকে তুচ্ছ জ্ঞান করা অর্থে ও অসয়লেত বিরক্তিকরা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা আপনাকে।

২১| ০১ লা জুন, ২০২১ বিকাল ৪:২৮

নীল আকাশ বলেছেন: আমাদের ব্লগেও একজন এইরকম ফাটা পায়জামা আছে। একে আমরা সবাই চিনি।
গল্পে পোস্টে যে কবিতা ভাল হয়েছে বলে ম ন্তব্য করে!!!!!

০৫ ই জুন, ২০২১ রাত ৯:৪১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আমাদের ব্লগেও একজন এইরকম ফাটা পায়জামা আছে। একে আমরা সবাই চিনি।"-হেহেহে..... কিছু কমু না।

গল্পে পোস্টে যে কবিতা ভাল হয়েছে বলে ম ন্তব্য করে!!!!- গল্প ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম ধন্যবাদ আপনাকে।
পোস্টটিতে like'করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।

২২| ০১ লা জুন, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:১৪

করুণাধারা বলেছেন: মজার গল্প। সময় স্বল্পতার জন্য বিস্তারিত মন্তব্য করতে পারলাম না।

০৫ ই জুন, ২০২১ রাত ৯:৪৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: কমেন্টে দেখলাম আপনার ছেলের দুর্ঘটনার কথা। যদিও অনেকটাই বিপদ কমে গেছে বলে জেনেছি। তবুও এই মুহূর্তে কতটা সুস্থ আছে জানার অপেক্ষায় রইলাম আপু।

২৩| ০১ লা জুন, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১৮

জুন বলেছেন: ভুয়ার পোস্টে এই গল্প দেখে আর পড়ে অবাক সাথে খুব হেসেছি একচোট পদাতিক। এটা যে আবার আপনি আলাদা পোস্ট করেছেন তা বুঝতেই পারিনি। লুল বুড়োর উচিত শাস্তি।
ভারতের অবস্থা সত্যি শোচনীয়। মোদীর প্রশাসনের করোনা বিষয়ে কোন গাইড লাইন নাই কিচ্ছু নাই। এখন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাই যা করছে। ইয়াস কান্ড আলাপন কান্ড এইসব নানা কান্ড কীর্তি নিয়ে উনি বিজি। যাক মমতা ব্যানার্জির বাংলাদেশের প্রতি মমতা না থাকলেও নিজ রাজ্যের প্রতি অসীম মমতা। উনি শক্ত হাতে রাশ চেপে ধরায় দিন কয়েক ধরে করোনা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে দেখতে পাচ্ছি। আমার ছেলে জানালো আম্মু থাইল্যান্ডে গুজব ছড়িয়েছে ইন্ডিয়ায় কোভিড মৃতদেহ সমুদ্রে নাকি ফেলে দিচ্ছে। এটা শুনে থাইরা সি ফুড খেতে ভয় পাচ্ছে। তবে যোগী রাজ্যে গংগায় যে ফেলছে তার ছবিতো আনন্দবাজারেই দেখলাম। যাই হোক পরিবারের সবাইকে নিয়ে ছাদবাগানে ফল ফলাদি ফলিয়ে মনটা ভালো রাখুন যেমন আমরা আছি আমাদের পাখিদের নিয়ে।
ভালো থাকবেন সবসময় এই দোয়া রইলো।

০৬ ই জুন, ২০২১ রাত ১০:৩০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: : ভুয়ার পোস্টে এই গল্প দেখে আর পড়ে অবাক সাথে খুব হেসেছি একচোট পদাতিক। এটা যে আবার আপনি আলাদা পোস্ট করেছেন তা বুঝতেই পারিনি।-আপু আপনার এই কমেন্টের উত্তর এবার নিয়ে তৃতীয় চেষ্টা করছি। এর আগে দু-দুবার মন্তব্য প্রকাশ করতে গিয়েই অফলাইন হয়ে গেছি। শেদিন ভুয়া ভাইয়ের পোস্টে ঠিক তেমনই হয়েছিল। বড় একটা মন্তব্য করার পর, প্রকাশ করতে গিয়ে দেখি চাকা ঘুরছে ঘুরছেই... দুই-তিনবার ক্লিক করেও মন্তব্য প্রকাশ না হতেই মাথায় আসে কপি করে অন্য স্থানে রেখে দিই। যেমন ভাবনা তেমনি কাজ। সেই কাজের পরিপ্রেক্ষিতে আমার নিজস্ব প্রোফাইলে লেখাটি কপি করে রাখি। পরে এখান থেকে আবার কপি করে পৃথক কমেন্ট করি। এবার অবশ্য একবারেই কমেন্টে প্রকাশ পায়।
আমি জানি না আপনার তৃতীয়বারের মতো প্রতিমন্তব্যটিও এবার প্রকাশ হবে কিনা। তবে এবার আমি প্রতিমন্তব্যটিকে কপি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

মোদীর প্রশাসনের করোনা বিষয়ে কোন গাইড লাইন নাই কিচ্ছু নাই। এখন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাই যা করছে। ইয়াস কান্ড আলাপন কান্ড এইসব নানা কান্ড কীর্তি নিয়ে উনি বিজি। "_আপু গুপ্ত পরবর্তী যুগের পর সুদীর্ঘ সময়ে ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায় নিজেদের মনের মতো ধর্মীয় সম্প্রদায়ের শাসন না পেয়ে হাঁপিয়ে উঠেছিল। এইজন্য সাম্প্রদায়িক দলহিসেবে ভাজপা বিপুল জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। ভাজপা ক্ষমতায় এসে তাহার অনুযায়ী কাশ্মীরে 370 ধারা বিলোপ, অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ এবং প্রতি লোকসভায় আগে ধর্মীয় উত্তেজনাকে উস্কানি দিতেই মুসলিম প্রতীক হিসেবে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করার মধ্য দিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়ের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। সেই জন্য এই দলের কাছে বিজ্ঞান কারিগরী উন্নয়ন আশা করা অন্যায়। বরং হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় আচার আচরণে বাঁধা পেলে মোদিজীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতো। শুধুমাত্র ধর্মীয় আবেগকে কাজে লাগিয়ে মোদিজী ঘন্টা বাজিয়েছে, এক খন্টা অন্ধকার রেখেছে। নেতানেত্রীদের প্রকাশ্যে গোচোনা সেবন করা নিয়ে গোটা দেশে কোথাও বড় কোনো প্রতিবাদ নেই।উল্টে সবাই মোদিজীর ভেল্কি দেখতেই মুখিয়ে আছে। দিল্লির এতবড় একটা দাঙ্গার পরেও ছোটখাটো বিক্ষিপ্ত কয়েকটি প্রতিবাদ ছাড়া সর্বত্রই everything is okর মতো পরিবেশ। এমতাবস্থায় এই ভেল্কিবাজ ধর্মোন্মাদের কাছ থেকে বুজরুকি বাদে যুক্তি খোঁজা অন্যায় বলে আমার ধারণা।

মোদিজীর সন্ন্যাসী মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ উত্তরপ্রদেশ বাসিদের দ্বারা বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি করোণা আক্রান্ত রাজ্যবাসীকে সরাসরি গঙ্গা প্রাপ্তির জন্য একটা গোপনীয় ব্যবস্থাপনা রাখতেই পারেন। তারি কারণে গঙ্গায় এত এত ডেড বডির সমাহার বলে অনুমান করা অযৌক্তিক নয়। সর্বোপরি এটা আবার সন্ন্যাসী রাজা আদিত্যনাথের ধর্মীয় আবেগও হতে পারে।আর এই কারনেই সম্প্রদায়ের ধর্মীয় আবেগকে আঘাত করতে পারে ভেবে এ বিষয়ে কমেন্ট না করাই শ্রেয়।

আনন্দবাজার বা এবিপি আনন্দের মতো মিডিয়াগুলো সাম্প্রতিক পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভাজপাকে প্রমোট করার যে একনিষ্ঠতার পরিচয় তুলে ধরেছিল তা অবশ্য ভোলার নয়। ভেলকিবাজিতে তেনারা অবশ্য মোদীজির চেয়ে অনেক গুণ উপরে।



আপনিও ভালো থাকবেন আপু সবসময় এই দোয়াই রইল।





২৪| ০১ লা জুন, ২০২১ রাত ৮:৪৭

ইসিয়াক বলেছেন: কি ব্যপার? আপনি কি ফাটা পায়জামা সেলাই করছেন নাকি? প্রতি মন্তব্য কবে পাবো? :(


নাকি দিদিমণিদের সাথে ব্যস্ত আছেন ;)

০৬ ই জুন, ২০২১ রাত ১০:৩১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হেহে হে..... এক্কেবারে যথার্থই বলেছেন ।বুঝতেই তো পারছেন লজ্জা নিবারণ করতে হলে এটা না করার উপায় নাই।
ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন সব সময়।

২৫| ০৫ ই জুন, ২০২১ রাত ১০:৩৫

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: সত্য ঘটনা অবলম্বনে গল্প ভালো লাগলো। পায়জামার কি কারিশমা! এই লোক আর কখনও পায়জামা পরবে না।

আশা করি এখন থেকে আপনাকে নিয়মিত পাওয়া যাবে। ভালো থাকবেন।

০৬ ই জুন, ২০২১ রাত ১০:৩৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: : সত্য ঘটনা অবলম্বনে গল্প ভালো লাগলো। পায়জামার কি কারিশমা! এই লোক আর কখনও পায়জামা পরবে না।-হ্যাঁ ভাই ঘটনাটা সত্য।লোক পরবে কিনা এটা নিশ্চিত করে বলা না গেলেও ভদ্রলোক অবশ্য ফাটা ছাড়া পরতেন না।হয়তো তলদেশের মৃদুমন্দ বাতাসের প্রেমে উনি পায়জামার করিডর খোলা রাখতেন।পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
হ্যাঁ ভাই এখন থেকে আবার নিয়মিত হবার চেষ্টা করবো। খোঁজ নেওয়াতে প্রীত হলাম। আবারো ধন্যবাদ আপনাকে।
শুভেচ্ছা জানবেন।

২৬| ০৭ ই জুন, ২০২১ রাত ১২:৩৮

মুক্তা নীল বলেছেন:

দাদা ,
শিক্ষনীয় একটা লেখা পড়লাম । ছোট বেলা থেকেই একটা
বিষয় শিখেছি , সম্মান দিয়ে সম্মান আদায় করতে হয় ।
আর যার ন'য়ে হয়না তার নব্বইয়ে হয় না ।
সুন্দর একটি লেখার সাথে চমৎকার কিছু মন্তব্য প্রতি মন্তব্য পড়লাম । আমার বাবাইটা কেমন আছে ।
ভালো থাকুন দাদা পরিবারের সকলকে নিয়ে , দোয়া ও শুভকামনা রইলো ।

০৭ ই জুন, ২০২১ রাত ১০:০৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অনেক দিন পর প্রিয় ছোট বোনের কমেন্ট পেয়ে আনন্দিত হলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ বোনকে।হেহেহে.....।না না এখানে কোনো শিক্ষনীয় বিষয় তুলে ধরার ইচ্ছা নেই। তবে এক বয়স্ক মানুষের অনৈতিক পক্ষপাত দুষ্ট আচরণকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। যদিও আত্মপক্ষ সমর্থনে ওনার যুক্তি অকাট্য নয়। নিজেকে নারীবাদী ও নারী সম্মানেধীকারে বিশ্বাসী বলে দাবি করেন।

বাবাই আপনাদের দোয়ায় ভালো আছে।বাবাই এবার ইংরেজিতে একটা গল্প লিখেছে।সময় হলে একদিন পোস্ট দেবো। আশাকরি আপনারাও ভালো আছেন। বোনের এমন আন্তরিক দোয়া কামনায় প্রীত হলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ বোনকে।
পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি।
নিরন্তর শুভেচ্ছা প্রিয় ছোট বোনকে।

২৭| ২২ শে জুন, ২০২১ সকাল ৭:০১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



গল্পাকারে হলেও সত্যি বলে দাবী করা
একটি ঘটনার ইতিবৃত্ত ও পরিনতি জানা
গেল । কত কিছুই না চলে এ সমাজে
কয়টিই বা প্রকাশ্যে আসে । যাহোক
সকলের মধ্যে সচেতনতা আসুক ।

২৪ শে জুন, ২০২১ রাত ১১:০২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: " গল্পাকারে হলেও সত্যি বলে দাবী করা
একটি ঘটনার ইতিবৃত্ত ও পরিনতি জানা
গেল । কত কিছুই না চলে এ সমাজে
কয়টিই বা প্রকাশ্যে আসে । যাহোক
সকলের মধ্যে সচেতনতা আসুক ।"-‌ চমৎকার কথা বলেছেন প্রিয় আলী ভাই। ঠিকই তো কত কিছুই না চলে সমাজে। অথচ কটা আর সামনে আসে।যে কটা ঘটনা সামনে আসুক মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাক। সহমত আপনার সঙ্গে। সুন্দর কমেন্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

নিরন্তর শুভেচ্ছা জানবেন।


২৮| ১২ ই জুলাই, ২০২১ রাত ১০:৫৭

প্রামানিক বলেছেন: সত্য অবলম্বনে গল্প খুব ভালো লাগল। এরকম অনেক সত্য ঘটনা সমাজে অহরহ ঘটে থাকে যা প্রকাশ হয় না। গল্পের মাধ্যমে সত্য প্রকাশ করার জন্য ধন্যবাদ।

১২ ই জুলাই, ২০২১ রাত ১১:২৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় প্রামানিক ভাই আপনাকে। "সহমত আপনার সঙ্গে যে এরকম অনেক সত্য ঘটনা সমাজে অহরহ ঘটে থাকে যা প্রকাশ হয় না। গল্পের মাধ্যমে সত্য প্রকাশ করার জন্য ধন্যবাদ।"ধন্যবাদ আপনাকেও।
ভালো থাকবেন সবসময়।

২৯| ১৬ ই জুলাই, ২০২১ বিকাল ৪:০০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুপ্রিয় পদাতিক চৌধুরি আপনা নতুন পোস্ট পাঠের অপেক্ষায় আছি আ্মরা ।

১৬ ই জুলাই, ২০২১ বিকাল ৪:২১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ কবি ভাই আপনাকে।কেন জানি আমার একটা ধারণা হয়েছিল ব্লগে গল্প পড়ুয়া দিনকে দিন কমে যাচ্ছে। হয়তো বা আমার ধারণাটা ভুল হতেই পারে। যে কারণে লেখালেখি বন্ধ রেখে একজন পাঠক হিসেবেই পরিচিতদের পোস্টে কমেন্ট করি। এটাই এখন আমার নিয়মিত ব্লগিং আরকি। যাইহোক আপনার আন্তরিক মন্তব্যে প্রীত হলাম। চেষ্টা করবো খুব শীঘ্রই আবার পোস্ট দিতে।
ভালো থাকবেন সবসময়।

৩০| ১৬ ই জুলাই, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০৩

হাবিব বলেছেন: দুইমাস গত হচ্ছে অথচ আপনার কোন পোস্ট নেই!!!

১৮ ই জুলাই, ২০২১ রাত ৮:২৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আপনাদের না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। এখন আপনারা এসেছেন দেখে খুশি হয়েছি। এখন থেকে আবার নিয়মিত হবার চেষ্টা করবো। তবে গতকাল তার আগের রাতে বড় ভগ্নিপতির ব্রেন স্ট্রোক হয়েছে।রাতের বেলা স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলেও কোনো চিকিৎসা হয়নি। গতকাল রাতে বাধ্য হয়ে একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করানো হয়।আজ সারাদিন সেখানেই কেটেছে। আপাতত অনেকটাই বিপদ কমে গেছে। তবে শীড়পীড়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থনীতি। খুবই দুশ্চিন্তার আছি বিল কোথায় গিয়ে শেষ হয়..
ভালো থাকবেন সবসময়।

৩১| ১৬ ই জুলাই, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০৯

ইসিয়াক বলেছেন: ফাটা পায়জামা আর কতবার পড়া(পরা) যায় :-P
দাদা পায়ে ধরি রে মেলা থেকে পায়জামা কিনে দে :-B


পোস্ট চাই দিতে হবে!!! B-)) না হলে বকরী ইদের পরে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে।

১৮ ই জুলাই, ২০২১ রাত ৮:৩৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: এই মুহূর্তে হাবিব স্যারের কমেন্টে আমার সাম্প্রতিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেছি।প্লিজ কিছু মনে করবেন না। সমস্যা কেটে গেলে আবার নিয়মিত হবার চেষ্টা করবো।
এমন আন্তরিক মন্তব্যে প্রীত হলাম। কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা নেই।

নিরন্তর শুভেচ্ছা প্রিয় প্রিয় ইসিয়াক ভাইকে।

৩২| ১৮ ই জুলাই, ২০২১ রাত ৯:৫৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: বলি আমি ভাবছি আমিই বুঝি হারিয়েছিলাম!

একন দেখি দাদা সেই ২৯ মের পর আর কোন লেখা নেই????!!!!
বাগানে সব্জি চাষে নিয়ে আমরা না হয় ফেসবুকে তৃপ্ত। ব্লগারদের কি হবে দাদা ;)
হা হা হা

আমি এসেছি আপনিও আসুন :)

১৮ ই জুলাই, ২০২১ রাত ১০:১৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পড়াশোনা করে পরীক্ষায় বসলাম। কিন্তু এখন শিক্ষক মহাশয় যদি খাতাই না দেখেন তাহলে পড়ুয়ারা যে পরীক্ষা দেওয়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।হেহে হে...
গুণী মানুষের দেখা না পেয়ে আমি স্কুল ছুট হয়ে চাষাবাদে মন দিয়েছি। তবে আপনারা যদি নিয়মিত হন তাহলে ব্লগিং আমার সেরা জায়গা।

আসুন সবাই মিলে আবার নিয়মিত হবার চেষ্টা করি।
শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা প্রিয় কবিভাইকে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.