নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমার নিরক্ষর কিন্তু বুদ্ধিমতী মায়ের কাছ থেকে এই শিক্ষাই পেয়েছিলাম,যথাযথ কর্তব্য পালন করেই উপযুক্ত অধিকার আদায় করা সম্ভব। - মহাত্মা গান্ধী

পদাতিক চৌধুরি

হাই,আমি পদাতিক চৌধুরী।পথেঘাটে ঘুরে বেড়াই।আগডুম বাগডুম লিখি। এমনই আগডুম বাগডুমের পরিচয় পেতে হলে আমার ব্লগে আপনাদেরকে স্বাগত।

পদাতিক চৌধুরি › বিস্তারিত পোস্টঃ

তমোময়ী(পর্ব-৫)

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৮:২৭




অসম্ভব চুলকানো তো আগে থেকেই ছিল। তার সঙ্গে এক একটা দিনে নতুন নতুন উপসর্গ শরীরে দেখা দেয়। মনে হয় যেন প্রত্যেকটা দিনেই প্রতিটি মুহূর্তে আমার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। মাত্র কদিন আগেই যে আমি মরতে চেয়েছিলাম, সারাক্ষণ কেবল মরার কথা ভেবে গেছি; বাস্তবে সেই মরা যে কত কঠিন, কত যন্ত্রণার তা হাড়ে হাড়ে টের পাই। কিছুদিন আগেও যেমন সারাদিন এক প্রকার না খেয়েই কাটাতাম। খিদে পেলেও না খেয়ে খেয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দিতাম। যা পরে এক প্রকার সয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এখন সারাক্ষণ বমি বমি ভাব আমাকে দেহমনে শেষ করে দেয়। অথচ এমন কিছু যে পেটে থাকতো তা নয়।ক্ষুধা পেট একপ্রকার খালিই থাকতো বলা চলে। কিন্তু তবুও বমিভাব বন্ধ হতো না। কখনোবা এর তীব্রতায় পেটের নাড়িভুঁড়ি পর্যন্ত সব বেরিয়ে আসতে চাইতো। মনে হতো চোখ দুটি যেন কোটর থেকে বেরিয়ে এলো বলে। সঙ্গে থাকতো অদ্ভুদ একটা ঘোরলাগা। চোখের সামনে সবকিছু অন্ধকার দেখতাম।

এদিকে আমার শরীরের অবস্থা যত খারাপ হতে থাকে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে মুজাহিদদের আগমন। একদিনের জন্যও ঘর খালি থাকতো না। নিত্যনতুন মুজাহিদের আগমনে আমার গাঁ জ্বালা দিত। অথচ হাজারো অসুবিধার মধ্যেও যা মেনে নিতে আমি বাধ্য ছিলাম। পরের দিকে অবশ্য বুঝেছি ওরা আসতো ওদের দরকারে। বাড়তি পাওনা ছিল আমার এই পোড়া শরীরটি।আসা যাওয়ার পথে এই ছিবড়ানো শরীর থেকে তাই ওরা ফায়দা লুটতে কসুর করতো না। অবশ্য এর মধ্যে যে সময় আমি চূড়ান্ত অসুস্থ হই তার আগের দুজন মুজাহিদ আমাকে স্পর্শ করেনি। হয়তোবা আমার অবস্থা দেখে তাদের পাশে ঘেঁষেতে মন সায় দেয়নি।

ঘটনার দিন সকাল থেকেই মারাত্মক অস্বস্তি হতে থাকে।সেদিনের অবস্থা ছিল বর্ণনাতীত। সকালে কোনো এক সময় মাথা ঘুরে পড়ে যাই। আঁধা আঁধা ঘোরের মধ্যে থাকায় বুঝতে পারি যে আমি পড়ে গেছি। তারই মধ্যে মনে হয়েছিল আমি চেষ্টা করেছি সোজা হয়ে বসতে কিন্তু কিছুতেই সোজা হতে পারছিলামনা। সঙ্গে একটা মারাত্মক ব্যথা অনুভব করি। উল্লেখ্য ওঠার চেষ্টা করতেই বুঝতে পারি ব্যথাটা কোমরের নিচে কোনো একটা জায়গা থেকেই হচ্ছে। দুর্বল শরীরে টলতে টলতে আধা ঘোরে বিকল্প পথে মেঝেতে হাত দিয়ে উঠতে গিয়ে পড়ি আরেক ফ্যাসাদে। পরনের কাপড় চোপড় ভেজা ভেজা লাগে।হাত লাগতেই চিটচিটে ভাবের সঙ্গে একটা আঁশটে গন্ধ বিশ্রীভাবে নাকের দরজায় এসে আঘাত করতে থাকে। মুহুর্তের মধ্যে যেন ঘোর কেটে যায়। অথবা দপ করে জ্বলে ওঠা প্রদীপের আলো নিভে যাওয়ার মতই হঠাৎ রক্ত ও রক্তের গন্ধ আমার সব শক্তিকে নিঃশেষ করে দেয়। আমার চিন্তাশক্তি যায় থমকে। পরের ঘটনা আমার আর মনে নেই।

কোনো এক সময় আবার কিছু ফিসফিসানি আমার কানে আসে। চোখ মেলে দেখি তিন চারজন লোক আমাকে ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের চোখে-মুখে জিজ্ঞাসা; যেন আমাকে কিছু জানতে চায়। একেতো শরীরের শক্তি হীনতা সঙ্গে দুর্বোধ্য ভাষার কারণে আমি আবার চোখ বন্ধ করি। যেন আমি কোনো মৃত্যু পথের যাত্রী। কারা যেন আমাকে পথ দেখাতে এগিয়ে এসেছে। তাদেরই ফিসফিসানি শুনছি আর কার্যকলাপ দেখছি। তবে সে চোখের দৃষ্টি ঘোলাটে, দৃশ্যপট শূন্য। তারা আমার পা নাড়িয়ে দিচ্ছে অথচ সে পায়ের ভর মাপার সামর্থ্য আমার নেই। আমি যেন সত্যিই মরে গিয়ে শূন্যে ভাসতে থাকি।

এক সময় আমার ঘোরলাগা বলা ভালো মরে যাওয়া দশা কেটে যায়। তবে একটু জ্ঞান ফিরে পেতে সারা গায়ে অসম্ভব ব্যথা অনুভব করি। চোখ মেলি ঠিকই কিন্তু ব্যথায় কঁকিয়ে কঁকিয়ে উঠছিলাম। হাজারো যন্ত্রণা সত্ত্বেও ঘরের মধ্যে একটা তীব্র আলোর উপস্থিতি টের পাই। দরজার সামান্য ফাঁক দিয়ে বাইরের সূর্যের সেই আলো ঘরে ঢুকছে। সোনালী সে আলো কিছুটা হলেও মনের নিঃসঙ্গতা দুর করে।পাশে চোখ যেতেই দেখি লম্বা দাঁড়িওয়ালা একজন লোক হাসিহাসি মুখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। লোকটাকে খুব চেনা চেনা লাগছে। খানিক বাদে মনে পড়লো;আরে! এই লোকটাকে আগেও দেখেছি। পরনের কাপড়ের দিকে তাকাতেই লজ্জা পেলাম।এটাতো নুতন সালোয়ার!
তাহলে কে আমাকে ওই সব পাল্টে দিয়েছে? ওর দিকে তাকাতেই বুঝতে পারলো আমার মনের কথা।আকার ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিল সেই এসব করেছে। আমার ভিতরটা কেমন যেন করে উঠলো। মনের অজান্তেই মুহূর্তে চোখ ভিজে গেল। এক মুজাহিদের দ্বারা প্রতারিত হয়ে এখানে আসা পর্যন্ত অন্য মুজাহিদের দ্বারা অত্যাচারিত হচ্ছিলাম।আজ তার ব্যতিক্রম ঘটলো। যদিও শুরুতে আমি নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। মুজাহিদ! এমন মানবিক হয় নাকি? শুয়ে শুয়ে আপন মনে এসব ভাবতে থাকি।

ওদিকে আমাকে চোখ খুলতে দেখে হাসি হাসি মুখে লোকটি কি একটা বলে একটি গ্লাস এগিয়ে ধরলো। কিন্তু তা ধরার মতো অবস্থায় আমি ছিলাম না। সামান্য কাত হতেই আবার কঁকিয়ে উঠি।অ্যা..অ্যা..বলে কঁকাতেই আবার এগিয়ে এলো। অথচ মুখে কিছু বলতে হয়নি।যেন মানুষটা আমার কতকাল আগে থেকেই চেনা। অথচ কত অল্প সময়েই আমার ভিতরটা চিনে গেছে। আমার দিক থেকে ওর ভাষা বোঝার দরকার ছিল না। কিন্তু ওর আন্তরিকতা আমাকে পরম নির্ভরতায় নিশ্চিন্ত করে তুলেছিল। আমি ওর একটার পর একটা সাহায্য নিয়ে গেছি। অবশ্য এসময় এরকম কারো সাহায্য ছাড়া আমার বেঁচে থাকাও সম্ভব ছিল না। যাইহোক যে কথা বলছিলাম। প্রথমে ভেবেছিলাম গ্লাসে পানি আছে কিন্তু নাহা ওতে পানি ছিল না।ও পরম মমতায় আমাকে মিষ্টি জাতীয় একটা পানীয় খেতে সাহায্য করে।ঢোক গিলতে অসুবিধা হচ্ছিল বলে সময় নিয়ে ধীরে ধীরে একটু একটু করে এক হাতে গ্লাস ধরে অন্য হাতে আমার ঘাড় উঁচু করে খাইয়ে দেয়।

কিন্তু সুখ আমার কপালে স্থায়ী হয়নি।আর হবেই বা কেন? যার হাত ধরে ঘর ছেড়েছিলাম সে যে মাঝ দরিয়ায় ভাসিয়ে দেবে তা কি আর জানতাম। আর জানলে কি আর ঘর ছাড়তাম।তার কাছ থেকে যে সুখ পেয়েছিলাম সেটা ছিল ফাঁদ।যে ফাঁদে পা ফেলে ওকে বিশ্বাস করি; চলে আসি এই মরুপাহাড়ের দেশে।ও চলে যেতেই শুরু হয় অতল সাগরে ভেসে যাওয়ার পর্ব। ভাসতে ভাসতে যখন জীবনে স্বপ্ন দেখা ছেড়ে দিয়েছি তখনই দেখা পেলাম আরেক মানুষের।মানুষ তো নয় যেন সাক্ষাৎ ফেরেস্তা। একপ্রকার অযাচিত ভাবে যার কাছে নির্ভরতা পেয়েছিলাম। পেয়েছিলাম আশার আলো; বেঁচে থাকার ঠিকানা,অনেকক্ষণ একনাগাড়ে কথাগুলো বলে বুবু সাময়িক থেমে গেল।

মানুষের জীবন কতইনা বৈচিত্রে ভরা। এক জীবনে কত কিছু নতুন ঘটনার সঙ্গে আমরা পরিচিত হই। অন্ধকার গহ্বরে তলিয়ে যেতে যেতেও আমরা বাঁচতে চাই।পেতে চাই কারো হাতছানি।এক মন আশাহত হলেও অন্য মন তাই বারে বারে পিছু ফিরে তাকায়। সামান্য আলোকচ্ছটাতেও স্বপ্ন দেখি নুতন করে বাঁচার। প্রত্যাশী হই নুতন কোনো ভোরের। কিন্তু ভাগ্যদেবী যে কপালে লিখন আগে থেকেই নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। কাজেই সাময়িক স্বস্তিতে বিশেষ কিছু হেরফের হবার নয়। যদিও এই সহজবোধ্যটি তখন আর মাথায় প্রবেশাধিকার পায় না। ফলতো নিঃস্ব হয়ে, রিক্ত হস্তে শেষ পর্যন্ত ললাটের লিখনের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করা ছাড়া উপায় থাকে না। অন্তঃসত্ত্বা কালীন সময়ে রমিসা বুবুর করুন পরিনতি থেকে উদ্ধারের মধ্যে দিয়ে আর পাঁচজনের মতো সেও নুতন করে নতুন মুজাহিদকে ঘিরে বাঁচার স্বপ্ন দেখে। ভালোবাসার কাঙাল মানুষটি আবার সন্ধান করে কোনো এক নির্মল হৃদয়ের । কিন্তু তার কপাল যে আগে থেকেই লিখিত। তাকে খন্ডন করা কার দুঃসাধ্য? স্বভাবতই আর পাঁচ জনের বেলায় যা হয় রমিসা বুবুর ক্ষেত্রেও তাই হল। শোল মাছ পোড়া জীবনকেই মেনে নিতে হলো। ভালোবাসা, প্রেম শব্দগুলো সেই কবেই যে তার জীবনে হয়ে উঠেছিল মরীচিকা সম।

মাঝে বেশ কিছুক্ষণ নিরাবতার পর বুবু আবার বলতে লাগলো।
-আসলে ওকেই বা দোষ দেই কেমনে?ওরা তো অন্য কাজে বের হয়েছে। পথিমধ্যে আমার মতো কাউকে বিপদগ্রস্ত দেখে সাহয্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।তাই সেই হাত স্থায়ী হবার ছিল না। যা হওয়ার তাই হল। চারদিন পর আমি একটু সুস্থ হতেই ও চলে গেলো।

মানুষটি আমার সঙ্গে মাত্র কটা দিন ছিল। কিন্তু মনে হয়েছিল বহুদিন ধরে ওর সঙ্গে আমার পরিচয়; কতইনা আপন হয়ে উঠেছিল মানুষটা। ওর সেবা করার ধরন থেকে বুঝেছি মনে হয় পেশায় ও ছিলেন একজন ডাক্তার। আমাকে সুস্থ করা পর্যন্ত ওর এখানে কাজ ছিল।একটু সুস্থ হতেই ও ফিরে যায় নিজের ঠিকানায়। যেদিন সন্ধ্যায় ও চলে যাওয়ার কথা বলে সেদিন আরেকবার মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি। উল্লেখ্য একদম শুরুতে মুজাহিদ চলে যাওয়ার পর এই দ্বিতীয়বার আবার অসহায় বোধ করি। বারে বারে মনে হতে থাকে কাছের মানুষটিকে আবার হারিয়ে ফেললাম।

পরবর্তী বেশ কিছু দিন আর কোনো মুজাহিদ আমার ঘরে আসেনি। হয়তোবা আমার শারীরিক অসুস্থতার কারণে একটুকু ছাড় দিতেই ওরা না আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।ফলে ঘরের মধ্যে আমি নিজের মত থাকতে পারি। মনে মনে বেশ স্বস্তি পাই। ঘরটাকে নিজের বলে মনে হয়। যাইহোক নিজের মত থাকতে পেরে মাত্র কদিনেই আমি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠি। নিজেকে নিয়ে ভাবতে শিখি। অসুস্থতার আগে ও পরে আমার মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে। সাক্ষাৎ মৃত্যুকে প্রত্যক্ষ করে এখন আমি আর পিছন ফিরে তাকাতে রাজি নই। স্বপ্ন দেখি নতুন করে বাঁচার। আগের মতই খাবার বাইরে থেকে আসত। কে বা কারা পাঠায় এখন আর তা নিয়ে মাথা ঘামাই না। খাবার যেটাই হোক সামনে পেলে খেয়ে নিতাম।

জানতাম আমার এই আয়েশি জীবন বেশি দিনের জন্য নয়। হলোও তাই। আরো কিছুদিন যেতেই মুজাহিদের আবার আগমন শুরু হয়। তবে এতদিনে আমিও মানসিক ভাবে তৈরি তাদেরকে খেদমত করার। ক্ষণিকের অতিথি মুসাফিরদের খেদমত করতে এখন আমি আর পিছুপা নই। একজন মহিলা মুজাহিদের কাজে এসময় আমি বেশ দক্ষ হয়ে উঠি। এরই মধ্যে একজন মুজাহিদ একদিন আমাকে তার ঝোলা থেকে একটি রাইফেল বের করে আমার হাতে ধরিয়ে দেয়। প্রথমে ভেবেছিলাম হয়তো ইয়ার্কি করছে। অথবা চালানো শেখাতে বের করেছে। আমি কোন কিছু করতে বা হাতে ধরতে অস্বীকার করলে ঘরের এক কোনায় অস্ত্রটি রেখে চলে যায়। ও চলে গেলে রাইফেলটিতে হাত দেই। এতদিন ওদের পাশে থাকে সরাসরি লাইফেলে হাত না দিলেও কোথায় চাপলে কাজ হবে তা অবশ্য জানতাম। অস্বীকার করবো না যে রাইফেলটি পেয়ে খুশি হয়েছিলাম তবে অবাকও হয়েছিলাম। খুশি হই একটা জিনিস পেয়েছি ভেবে। অবাক হই এটা নিয়ে আমার কাজ কি? কাকে মারতেই আমি অস্ত্রটিকে ব্যবহার করব? এই নিয়ে আমার কাজ কি ভেবে ভেবে এ সময় দিন রাত সারা হই।



মন্তব্য ৬০ টি রেটিং +১৫/-০

মন্তব্য (৬০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৯:১০

ইসিয়াক বলেছেন: ওফ! কি ভয়ঙ্কর অবস্থা পড়েছেন উনি ভাবতেই গায়ে কাটা দিয়ে উঠছে।বিবেকবোধ সম্পন্ন একমাত্র প্রাণী মানুষ। সেই মানুষ এত নিষ্ঠুর হয় কি করে!


আপনার উপস্থাপনের গুণে কাহিনীটি প্রাণ পেয়েছে। মনে হচ্ছে সব যেন চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি।


শুভকামনা রইলো প্রিয় দাদা।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:২১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ইসিয়াক ভাই,

আশা করি ভাল আছেন।

"উফ! কি ভয়ঙ্কর অবস্থা পড়েছেন উনি ভাবতেই গায়ে কাটা দিয়ে উঠছে।বিবেকবোধ সম্পন্ন একমাত্র প্রাণী মানুষ। সেই মানুষ এত নিষ্ঠুর হয় কি করে!"-হ্যাঁ সত্যি তাই ভয়ানক অবস্থা। প্রথম মন্তব্য মানে আলাদা ভালোলাগা। সঙ্গে এমন আন্তরিক মন্তব্যে প্রীত হলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। আশাকরি আগামীতেও এভাবে পাশে পাবো।
পোস্টটিতে like' করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।

নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।

২| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৯:১২

নীল আকাশ বলেছেন: ব্লগে অনেকদিন পরে আসলাম। আপনার এই সিরিজ সম্ভবত আমার শুরু থেকেই পড়া হয়নি।
প্রথম থেকে পড়ে আসতে হবে। শুভ জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:২৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হ্যাঁ ঠিকই তাই বহুদিন পর আপনাকে ব্লগে দেখে আনন্দ পেলাম। তবে এই আগমন মূলত একজনের কল্যাণে। যাইহোক আপনাকে নিয়মিত দেখতে চাই। অবসর পেলে সিরিজটিতে চোখ রাখবেন এই আশাই করি।
জন্মদিনের শুভেচ্ছা বার্তায় প্রীত হলাম আবারো অন্যবাদ আপনাকে।

নিরন্তর শুভেচ্ছা জানবেন।

৩| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:১২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
মানুষের জীবন যে কত কঠিন ও অসহায় হতে পারে তা এই লেখা না পড়লে বুঝা যাবেনা।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:৩২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ প্রিয় মাইদুল ভাই আপনাকে। জ্বী ভাই আমাদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা সাধারণ মানুষের কারোর বা জীবন দুঃখের মহাসমুদ্র তা অনেকেই আমরা খোঁজ রাখি না। আশাকরি আগামী দিনেও এভাবে পাশে পাবো।
পোষ্টটিতে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।

নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।

৪| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:০৬

দেয়ালিকা বিপাশা বলেছেন: প্রিয় ব্লগার,





গল্পটি কেমন লেগেছে তা নতুন করে বলার কিছু নেই। শুধু এতটুকু বলতে চাই , মনে হল যেন চোখের সামনে সব জীবন্ত ফুটে উঠেছে। যতই গল্পটি পড়ছি ততই আগ্রহ বাড়ছে পরবর্তী পর্বের জন্য। মানুষের স্বপ্ন এবং নির্মম বাস্তবতার মধ্যে যে কতটুকু ফারাক তার সাক্ষ্য প্রমাণ রমিসা বুবুর জীবন!

যাইহোক যদিও প্রথম মন্তব্যটি আমার হওয়া উচিত ছিল তবুও আজ দিদিমনির অনিচ্ছাকৃত ও বিলম্বের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। :P আর অবশ্যই এটা নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই যে পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় আছি। পোস্টে ভালোলাগা।

অনেক অনেক শুভকামনা জানবেন

- দেয়ালিকা বিপাশা

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:১৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সুপ্রিয় ব্লগার,


"গল্পটি কেমন লেগেছে তা নতুন করে বলার কিছু নেই। শুধু এতটুকু বলতে চাই , মনে হল যেন চোখের সামনে সব জীবন্ত ফুটে উঠেছে। যতই গল্পটি পড়ছি ততই আগ্রহ বাড়ছে পরবর্তী পর্বের জন্য।"- এমন কমপ্লিমেন্ট মানে নিঃসন্দেহে বাড়তি মনোবল পাওয়া। লেখালেখিতে এগুলো এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। পরবর্তী পর্ব আগামী সপ্তাহে দেওয়ার চেষ্টা করবো। আমন্ত্রণ রইলো আপনাকে।

"মানুষের স্বপ্ন এবং নির্মম বাস্তবতার মধ্যে যে কতটুকু ফারাক তার সাক্ষ্য প্রমাণ রমিসা বুবুর জীবন!"-ঠিক তাই।রমিসা বুবুরা একজীবনে হাজারো ব্যথা নিয়েও মুখ থেকে হাসি বের করতে পারে।অন্তজ শ্রেণীর এই মানুষগুলোর জীবনবেধ হয়ে ওঠে হাজারো মানুষের বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা। চমৎকার একটি দিক মন্তব্যে তুলে ধরেছেন। আবারো ধন্যবাদ আপনাকে।


"যাইহোক যদিও প্রথম মন্তব্যটি আমার হওয়া উচিত ছিল তবুও আজ দিদিমনির অনিচ্ছাকৃত ও বিলম্বের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। আর অবশ্যই এটা নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই যে পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় আছি। পোস্টে ভালোলাগা।"- দিদিমনির আগমনে অনিচ্ছাকৃত বিলম্ব ছাত্রের কাছে কোনো সমস্যা নয়। কর্ম ব্যস্ততার মধ্যে আগমনটাই অনেক।
পোস্টটিতে like' করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
আপনার শুভেচ্ছা গ্রহণ করলাম। আপনার জন্যেও রইলো নিরন্তর শুভেচ্ছা।





৫| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:৫১

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: পদাতিক ভাই আপনার পোস্টে অগ্রিম লাইক দিলাম, কারণ জানি খারাপ কিছু আপনি লেখেন না। এখন সময় হাতে নাই, সময় করে রাতে পড়বো ইনশাল্লাহ।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:২৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় সাচু ভাই,

এইমাত্র আপনার পরের কমেন্ট দেখলাম। দুঃখিত যে আপনার ভালো লাগছে না। খুবই স্বাভাবিক ভালো না লাগার।এমন ভয়ঙ্কর নিপীড়ন কোনো সভ্য মানুষের ভালো লাগার কথা নয়। শুধু আপনার জন্য আমি এযাবৎ প্রথাবহির্ভূত ভাবে জানাই বুবুকে অবশ্য ওখানে পড়ে মরতে হয়নি। আবার ইন্ডিয়ায় ফিরতে পেরেছিল। কিন্তু সে পথ মসৃণ ছিল না।আর ততদিন একটু অপেক্ষা করতে হবে।
শুভেচ্ছা আপনাকে।

৬| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:৫৪

ইসিয়াক বলেছেন: লেখক বলেছেন, আশা করি আগামীতেও এভাবে পাশে পাবো।

অবশ্যই যদি বেঁচে থাকি।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:০৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ইসিয়াক ভাই,

আপনার আবার আগমনে আনন্দ পেলাম।

"অবশ্যই যদি বেঁচে থাকি।"-এমন করে নিশ্চয়তা পাওয়ায় পরম সৌভাগ্যবান মনে করছি। কৃতজ্ঞতা জানাই আপনাকে।
ভালোবাসা সহ শুভেচ্ছা জানবেন।।

৭| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:১৩

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আফগানিস্তানের এই ভয়ংকর গল্প ভালো লাগছে না। বুবুর অন্য গল্প শুনতে চাই।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:০৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় সাচু ভাই,

বুঝতে পারছি আপনার মানসিক অবস্থার কথা।বুবুর অন্য গল্প পেতে বেশ সময় লাগবে।সেটাও খুব আশাপ্রদ ঘটনা নয়। তবুও আপনাকে সিরিজে আসতে অনুরোধ করবো।
শুভেচ্ছা আপনাকে।

৮| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৩৩

দেয়ালিকা বিপাশা বলেছেন: প্রিয় ব্লগার,




এমন কমপ্লিমেন্ট মানে নিঃসন্দেহে বাড়তি মনোবল পাওয়া। লেখালেখিতে এগুলো এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। পরবর্তী পর্ব আগামী সপ্তাহে দেওয়ার চেষ্টা করব আমন্ত্রণ রইল আপনাকে।- আপাতত ধন্যবাদ এবং আমন্ত্রণ কোনটাই চাইনা। ঠিক সময়ে পরবর্তী পর্ব পোস্ট করা চাই। না হলে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। এত ভাল ছাত্র কিন্তু তার আলস্যতা দেখে দিদিমণি বিস্মিত। তাই এই কঠোর ব্যবস্থা। :)

প্রতিমন্তব্যে ভালোলাগা। সাথে আপনার শুভেচ্ছা গ্রহণ করলাম। আজ একটি ভালো খবর পেলাম তাই প্রার্থনা করবেন ভালো খবরটি যেন আগামীতেও সুফল বয়ে আনে। পরিবারের সবাইকে নিয়ে সুস্থ এবং নিরাপদ থাকুন।


- দেয়ালিকা বিপাশা

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:৩৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সুপ্রিয় ব্লগার,
আপনি বলেছেন,
"আমন্ত্রণ কোনটাই চাইনা। ঠিক সময়ে পরবর্তী পর্ব পোস্ট করা চাই। না হলে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। এত ভাল ছাত্র কিন্তু তার আলস্যতা দেখে দিদিমণি বিস্মিত। তাই এই কঠোর ব্যবস্থা। :) " - তথাস্ত তাই হইবেক।।আপ্রাণ চেষ্টা করবো সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই পোস্ট দেওয়ার। এমন কঠোর ব্যবস্থর জেরে এখন আমার ঘুমের দফারফা হয়ে যাবে বুঝতে পারছি। কিন্তু কি আর করার...
মহাশাস্তির হাত থেকে রেহাই যে পেতেই হবে।হেহে হে...

৯| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:১৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ইহা কি শেষ হইয়াছে? শেষ হইলে পড়া শুরু করিতে পারি। মহাশয়ের জানাইতে আজ্ঞা হয়!! B:-/

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:৪৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: বিরিটেনের রাজকার্য সামলাতে সামলাতে নিঃশ্বাস প্রশ্বাস নেওয়ার সময় পান না বলে একটু একটু করে লেখা দেই।আশায় বুক বাঁধি যদি বিরিটেনে একটা কাজের সুযোগ মেলে।আর এখন যদি তিনি সব লেখা জমিয়ে রাখেন একসঙ্গে পড়বেন বলে। কিন্তু সবলেখা একসঙ্গে পড়ার সময় পাওয়া যে সম্ভব নয় তা একপ্রকার নিশ্চিত। কাজেই আপাতত আর রাজসভায় চাকরি পাওয়ার আর স্বপ্ন দেখি না।

তবে মহারাজের আজ্ঞা বলে কথা।

১০| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১০:৪৯

হাবিব বলেছেন: একটা সত্যি কথা বলি, আপনার এই সিরিজের কোন লেখাই আমার পড়া হয়নি। ইচ্ছা আছে শেষ হলে শুরু থেকে পড়বো। মাঝপথে থেমে অপেক্ষা করতে ভালো লাগে না।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৪৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সত্যি কথা বলার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকুন সবসময়।

১১| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৪৩

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: ভয়ংকর অংশ টুকু মনে হয় শেষের কাছাকাছি এসেছে।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৪৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: না ভাই এখনো শেষ হতে যথেষ্ট বাকি আছে। পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

শুভেচ্ছা নিরন্তর।

১২| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৪৭

অপু তানভীর বলেছেন: গল্প আসলে কোন দিক দিয়ে শুরু হল আর কোন দিকে যাচ্ছে । সামনের পর্ব গুলো খুব দ্রুত লিখে ফেলুন । এই কারণে আমি পর্ব আকারের গল্প পড়ি না । একেবারে শেষ হলে তারপর পড়ি । জলদি জলদি লিখে ফেলুন !

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৫৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আপনি একটানা পাঁচটি পর্ব পড়ে ফেলায় এবার চাপে পড়ে গেলাম।দেখি আপনাদের আগ্রহে খুব শিগগিরই শেষ করবো।
ধৈর্য ধরে এতগুলো পর্ব পড়ার জন্য আবার ধন্যবাদ আপনাকে।

শুভকামনা জানবেন।

১৩| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১২:৪৬

রাজীব নুর বলেছেন: দাদা জন্মদিন কিভাবে কাটালেন?

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৪৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ঐদিন ছেলের আবদার সামলাতে সামলাতে সারাদিন চলে গেছে। মাঝে ঘন্টা দুয়েক ধরে ছাদ বাগানের কাজ করেছি।বাকি সময়ে এই পোস্ট দেওয়ার জন্য টাইপিং করে গেছি।
ধন্যবাদ প্রিয় ছোট ভাইকে।

শুভকামনা রইল।

১৪| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১২:৪৯

দেয়ালিকা বিপাশা বলেছেন: তাই হবে। তবে ছাত্রের ঘুমের দফারফা করতে চাই না। সে আপন মনে লিখে যাক।দিদিমণি অপেক্ষায় :)


ছাত্রের জন্য অবারিত শুভকামনা।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৫১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সুপ্রিয় ব্লগার,

" তবে ছাত্রের ঘুমের দফারফা করতে চাই না। সে আপন মনে লিখে যাক।দিদিমণি অপেক্ষায় :)"-

১৫| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৭:৫৭

শেরজা তপন বলেছেন: প্রিয় পদাতিক ভাই,
এই লেখাটার নিয়মিত পাঠক আমি। কাল পড়েছিলাম- একটা লাইক ও দিয়ে গিয়েছি- কিন্তু মন্তব্য করার সুযোগ পাইনি।
আজকের পর্ব পড়ে গা শিউড়ে উঠছে- কি সব ভয়ঙ্কর প্রহসন আর অত্যাচার!
তবে এদের মধ্যে অন্তত একজন ভাল মানুষের সাক্ষাত পেয়ে ভাল লাগল।
আপনার লেখার গুনে ছবইর মত ফুটে উঠছে সব। দারুন হচ্ছে - পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম...

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:১০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় তপন ভাই,

আপনার লাইক পেয়ে অপেক্ষায় ছিলাম কখন আবার কমেন্টে আসবেন। অবশেষে প্রত্যাশা অবসান ঘটলো। সুন্দর কমেন্টে ভালো লাগা রইলো। "এই লেখাটার নিয়মিত পাঠক আমি। কাল পড়েছিলাম- একটা লাইক ও দিয়ে গিয়েছি- কিন্তু মন্তব্য করার সুযোগ পাইনি।"- অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। পরের পর্ব খুব শীঘ্রই পোস্ট করব। আমন্ত্রণ রইলো আপনাকে।

পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম; কৃতজ্ঞতা জানবেন।
নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।


১৬| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:১৯

মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তমাল বলেছেন: দরিদ্র নারীদের যৌনদাসত্বের মর্মান্তিক কাহিনি। একইসাথে ব্রেইনওয়াশড পশুগুলোর পাশবিকতা। বাংলাদেশ থেকেও হয়তো ভবিষ্যতে এমনভাবে নারীদের পাচার করবে ব্রেইন বর্গা দেয়া পশুগুলো।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১০:৫৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় তমাল ভাই,

"দরিদ্র নারীদের যৌনদাসত্বের মর্মান্তিক কাহিনি‌।"- দরিদ্র নারীদের এমন অবস্থা আজকেও বিচ্যুতি ঘটে নি।প্লটটা বদলে গেছে কেবল। সেই সঙ্গে একধরনের অন্ধ আবেগ একটা শ্রেণীর মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে। সত্তর/আশির দশকে যখন ভারত বাংলাদেশের সীমান্ত আজকের মত এত কড়াকড়ি ছিলনা তখন অন্ধ আবেগকে সম্বল করে দুই বাংলা থেকে বহুসংখ্যক আবেগি পাড়ি জমিয়েছিল আফগানিস্থানে। মুজাহিদ আজ ইতিহাস কিন্তু নিজেদের যুক্তি বিবেচনাবোধকে বিসর্জন দিয়ে সেই অন্ধ আবেগ আজও সমানে বয়ে চলেছে। একটা সভ্য জাতি হিসেবে এটাই বড় দুর্ভাগ্যের।যাইহোক গল্পে সেদিনের সেই বিষয়টি তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। এই সিরিজের পুরানো পর্ব গুলোও আপনার একবার পাঠ করার অনুরোধ রইলো।

ভালো থাকবেন সবসময়।

১৭| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৩৬

মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তমাল বলেছেন: "এই সিরিজের পুরানো পর্ব গুলোও আপনার একবার পাঠ করার অনুরোধ রইলো।"
এই সিরিজের সবগুলো পর্বই পড়েছি। দুয়েকটা তে আমার মন্তব্যও আছে।
মানুষের অন্ধ আবেগের কোনো পরিবর্তন ঘটে নি। এখন শুধু রূদ্ধশ্বাস অপেক্ষা ছাড়া আর কিছুই করার নেই। পরবর্তী পর্বগুলোর অপেক্ষায় থাকলাম।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:৫৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় তমাল ভাই,

আপনার আবার কমেন্টে আসায় আনন্দ পেলাম। আবারো ধন্যবাদ আপনাকে।

"এই সিরিজের সবগুলো পর্বই পড়েছি। দুয়েকটা তে আমার মন্তব্যও আছে।"-
সরি ভাই আমি বুঝতে পারিনি। আসলে সবগুলোতে কমেন্ট না দেখেই আমার এরকম মনে হয়েছিল। তবে আপনার মত আমিও অনেক পোস্টে যাই কিন্তু সবসময় কমেন্ট করা হয়ে ওঠে না। পরবর্তী পর্বেও আপনাকে এভাবে পাশে পাবো জেনে আনন্দিত। অগ্রিম ধন্যবাদ আপনাকে।
নিরন্তর শুভেচ্ছা জানবেন।


১৮| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৪২

সোহানী বলেছেন: আমি মনে হয় আগের পর্ব মিস করেছি। একটু খটকা লাগছে। যাই সেগুলো পড়ে আসি।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:৫৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হতে পারে আপু আগের পর্বগুলো হয়তো মিস করেছেন। যদি কখনো সময় হয় তাহলে পর্বগুলোতে চোখ বুলানোর অনুরোধ রইলো
পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।

১৯| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:



পশ্চিম বাংলার সবাই আজকাল ভয়ংকর বোরিং লেখা লেখেন।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:৪৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: স্যার আপনি একদম লাইনচ্যুত হয়ে গেছেন? ইস! কি দুর্ভাগ্য স্যার আপনার। তবে আমি যে আমার লাইনেই আছি। আপনি তো জেনে আসছেন আমি সেই শুরু থেকেই তেলবাজ লেখা, বোরিং লেখা,গার্বেজ লেখা বা অযৌক্তিক ও অমৌলিক লেখা বা কপি পেষ্ট করে আসছি। নিতান্তই তুচ্ছ একজন ব্লগার আপনার কোনো এক সাঙ্গোপাঙ্গের কাছে আবার স্পাইও বটে। আপনি তো জানেন লেখনীতে আমি আমার এই বৈশিষ্ট্যগুলো মেনে চলি, যেখানে কোনো পরিবর্তন নেই হবেও না।।আপনি একজন উচ্চাঙ্গের রুচিশীল বিদ্বজন ব্লগার হয়েও আমার এই নিম্নমানের লেখায় আসেন দেখেই তো অবাক হয়ে যাই। তবে কি আমার লেখার মান বাড়লো?না সে সম্ভাবনা নেই। তাহলে স্যার আপনারই দৃষ্টিভঙ্গিতে পচন ধরেছে। আর তা না হলে আপনি এমন নিম্নমানের লেখায় আসবেনই বা কেন? যাক এসেছেন যখন আমার ব্লগ বাড়িতে একটু ভালো করে বিশ্রাম করুন। আরাম-আয়েসে সময় কাটান; স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।
কথাই বলে,
অতিথি দেব ভব।

২০| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:১৭

আমারে স্যার ডাকবা বলেছেন: চৌধুরী সাহেব আমার শেষ লেখায় ভালো লেগেছে বলে মন্তব্য করায় কারও কারও কাছে বোরিং লেখক হয়ে গেলেন দেখছি। B-)) =p~ =p~

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:৫১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ স্যার ভাই আপনাকেও। দেখেছেন আজ কত বড় একটা ভুল করলাম।আপনি যে পোস্টটি একজন শ্রদ্ধাভাজন, বিদ্বজনকে উৎসর্গ করলেন।অথচ আমি বিষয়টি উল্লেখ না করাতেই উনি চলে এলেন এই তেলবাজির বোরিংনেস ব্লগে। এমন একজন গুণী মানুষের পদধুলী পেয়েছি আপনার কল্যানে।সে জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। তবে যত্নআত্তির কম করিনি। আশা করি আপনি ওনার প্রতি আমার অন্তরের শ্রদ্ধা মিলিয়ে নিয়েছেন। হেহেহে

২১| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:০১

আমারে স্যার ডাকবা বলেছেন: তমোময়ীর প্রথম পর্ব পড়েছি। মাঝে অসুস্থতার কারনে ব্লগে আসি নি। তাই বাকি পর্বগুলো মিস হয়ে গেছে। আমার আবার সিরিজ লেখা-টিভি শো সব একসাথেই পড়া/দেখার স্বভাব। :#)

আপনি ভয়ংকর বোরিং লেখা লেখতে থাকেন। আমিও কদিন আগে আমার প্রিয় ব্লগার থেকে খুচরা ব্লগার উপাধি পেয়েছি। B-)) =p~

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:৫৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন:

' তমোময়ীর প্রথম পর্ব পড়েছি। মাঝে অসুস্থতার কারনে ব্লগে আসি নি।"-প্রথম পর্ব পড়েছেন শুনে ভালো লাগলো। আপনার অসুস্থতার খবরে বিষণ্ণ হলাম। তবে আশাকরি এখন সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েছেন।আর সেক্ষেত্রে যদি সময় সংকুলান হয় তাহলে বাকি পর্বগুলোও পড়ার অনুরোধ রইলো।

"আপনি ভয়ংকর বোরিং লেখা লেখতে থাকেন।"- জ্বী ওনি অসম্ভব ট্যালেন্টেড। বিশ্বসাহিত্য উনার হাতের মুঠোয়। একারণে লেখাজোকায় ওনার মাপজোক আমাদের সম্মামনা স্বরূপ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ওনার চশমার পাওয়ার একদম কমে গেছে। নুতন নুতন শব্দ না দেখতে পাওয়ায় সবস্থানে সত্তর বছর আগে শিখে আসা শব্দগুলো স্ট্যাম্প হিসেবে বসিয়ে দিচ্ছেন। পুরানো শব্দগুলো উনার কল্যাণে আমরা জানতে পারছি এটাই আমাদের বড় পাওনা।
ভালো থাকবেন ভাই সবসময়।


২২| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৮:২৮

সোহানী বলেছেন: মন খারাপ করে পড়া শেষ করেও শেষে একটা আশার আলো দেখলাম। মনে হচ্ছে এবার প্রতিশোধ নিতেই হবে, অস্র আছে হাতের মুঠোয়................

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:০৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: " মন খারাপ করে পড়া শেষ করেও শেষে একটা আশার আলো দেখলাম। মনে হচ্ছে এবার প্রতিশোধ নিতেই হবে, অস্র আছে হাতের মুঠোয়..............."- জ্বী আপু ভালো প্রত্যক্ষণ করেছেন।দেখাযাক পরের পর্বে কি ঘটে।আজকেই নুতন পোস্ট দিচ্ছি। মিলিয়ে দেখুন কতোটা আপনার মনের জিজ্ঞাসার উত্তর পান।
পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
শুভেচ্ছা জানবেন আপু।

২৩| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৫:০৫

ফয়সাল রকি বলেছেন: ৫-৬ পর্ব ফেসবুকে পড়েছি। বর্ণণা খুবই মর্মান্তিক। তবে সমাধান দিবেন জানি। সেটার অপেক্ষায় থাকলাম। ধন্যবাদ।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:০৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই আপনাকে। বসে থেকে গল্প বলার অসুবিধা এখানেই যে পাঠক আগাম ধরেই নেয় যত অসুবিধা হোক না কেন উদ্দিষ্ট ব্যক্তি ঠিক উদ্ধার হবেন।ইউ আগাম অনুমান এক্ষেত্রে গল্পের আকর্ষণ কিছূটা কমিয়ে দেয়। যাইহোক আপনার কথার সূত্র ধরে বলছি, সমাধান হবে ঠিকই। কিন্তু সে পথ মসৃণ ছিল না।আর ততদিনে আপনাদেরকে সিরিজে আসতে অনুরোধ করবো।

শুভেচ্ছা প্রিয় রকি ভাইকে।

২৪| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫১

আখেনাটেন বলেছেন: আগের পর্বগুলো পড়ি নি পদাতিক দা।

এ পর্ব থেকে বুঝা যাচ্ছে..কঠিন এক সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে এক সংগ্রামী নারীকে মরুর দেশে। বর্ণনা সাবলীল ছিল। এরকম কতশত বুবুরা যে পঙ্কিল এক সমাজে গিয়ে পড়েছে তা আমাদের এখানের মিডিয়াতেও মাঝে মাঝে দেখা যায়।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:২১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ফ্যারাও ভাই,

কতদিন পর এই গরিবের ভিটেয় পা দিলেন।এই গল্পটাতে উল্লেখ করতে গিয়েও পিছিয়ে আসি যে শ্রেয়সীই প্রথম আমাকে ঢপের চপ খাইয়েছিল। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ একটি উপন্যাসের কথা মাথায় রেখে সে ঘটনাটি চেপে গেছি।
যেহেতু আপনি আগেরগুলো পড়েননি তাই আপনার সুবিধার্থে জানাই প্রথম দুটি পর্বে একটি বিষয় আলোচিত হয়েছে।তার পর থেকে রমিসা বুবুল জীবনবৃত্তান্ত আলোচিত হচ্ছে।গরিব বাবা পয়সা ও সোনাদানা দেখে মুজাহিদের হাতে মেয়ে তুলে দেয়।আর মুজাহিদ নিজের নাম ধাম গোপন করে নিজের মুজাহিদ নাম নিয়ে বিয়ে করে আফগানিস্তানে পাড়ি দেয়। সেখানে গিয়ে মেয়েটি যে যৌন দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয়েছিল সেটা নিয়েই আপাতত কাহিনী এগিয়ে চলেছে।

আগামীতে সময় থাকলে পর্বগুলোতে চোখ বুলানোর অনুরোধ রইলো।

শুভেচ্ছা প্রিয় ফ্যারাও ভাইকে।

২৫| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:২৭

আখেনাটেন বলেছেন: :D

কিরকম কিছুই আন্দাজ করেছিলুম। ভালো উপন্যাস হবে বলাই যায়। তবে বর্ণনার সাথে স্থানেরও একটু ধারণা যোগ করা যেতে পারে যেহেতু উপন্যাস।

ভালো থাকবেন পদাতিক দা।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১২:০৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আপনার আবার কমেন্টে আসায় আনন্দ পেলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।জ্বী বর্ননার সঙ্গে প্রথম পর্বে স্থান যোগ হয়েছে।পরে কিছু কিছু জায়গার নাম প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করেছি। আগামীতেও এরকম আরও কিছু জায়গার নাম আসবে। সুন্দর একটি বিষয় তুলে ধরার জন্য আবার ধন্যবাদ আপনাকে।

শুভেচ্ছা নিয়েন।

২৬| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:৪৭

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ১২ তম ভালো লাগা। খুব মজা করে পড়ছি

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১০:০১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সরি আপু লাইক দিয়েছেন আনন্দ পেয়েছি। কৃতজ্ঞতা জানাই। কিন্তু মজার গল্প একেবারেই নয়।

২৭| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:২৭

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: গল্প মজার না কষ্টের কিন্তু আপনি এত সুন্দর লিখেছেন পড়ে আনন্দ পাওয়া যায়। গল্পের গভীরে ঢোকা যায়। এজন্য মজা করে পড়েছি বলেছি।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৫:৪১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: "গল্প মজার না কষ্টের কিন্তু আপনি এত সুন্দর লিখেছেন পড়ে আনন্দ পাওয়া যায়। গল্পের গভীরে ঢোকা যায়। এজন্য মজা করে পড়েছি বলেছি।"- আবার কমেন্টে এসে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটানোর জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু আপনাকে। সরি আপু একটা ভুল হয়ে গেছে। সত্যিই আপনি আবার না এলে আমার ধারণা পরিষ্কার হতো না। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ভালো থাকবেন আপু সবসময়।

২৮| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:০৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: কি ভয়ঙ্কর সব তথ্য জানছি! এতদিন শুধু অনুমান করতাম, এখন তো আপনার কলম থেকে তার বিশদ বিবরণ পাচ্ছি!

"আপনার উপস্থাপনের গুণে কাহিনীটি প্রাণ পেয়েছে। মনে হচ্ছে সব যেন চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি" - ইসিয়াক এর এ কথাটির সাথে সম্পূর্ণ একমত।

"তবে এদের মধ্যে অন্তত একজন ভাল মানুষের সাক্ষাত পেয়ে ভাল লাগল" - শেরজা তপন এর এ কথাটার সাথেও।

পোস্টে ত্রয়োদশ ভাললাগা। + +



২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:১৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হ্যাঁ স্যার কাহিনীটি ভয়ঙ্কর বটে। আগামীতে এই কাহিনীর আরও কিছু নুতন বিষয় সামনে আসবে।খারাপ লাগলেও আশাকরি মন্দ লাগবে না।রমিসা বুবুর জীবনটা খুবই দুঃখের। ভয়ানক আরকি। সামনের দিকে আরো অনেক দুঃখজনক ব্যাপার সামনে আসবে। আশাকরি বরাবরের মতো আপনাকে পাশে পাব।

"আপনার উপস্থাপনের গুণে কাহিনীটি প্রাণ পেয়েছে। মনে হচ্ছে সব যেন চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি" - ইসিয়াক এর এ কথাটির সাথে সম্পূর্ণ একমত।"- কবি ইসিয়াক ভাই আমাকে একটু বাড়িয়ে বলেন। আমাদের মধ্যে ব্লগের বাইরেও প্রচুর আড্ডা হয়। সেইজন্য ওনার কমেন্ট আমার কাছে একভাবে বিবেচিত। কিন্তু আপনি ওনার সঙ্গে সহমত পোষণ করায় বাড়তি অনুপ্রেরণা পেলাম।শেরজা তপন ভাই খুব ভালো কমেন্ট করেন। একজন বোদ্ধা পাঠক। ওনাদের সঙ্গে পোস্টে ত্রয়োদশ লাইক করাতে বাড়তি অনুপ্রেরণা নিয়ে কৃতজ্ঞতা জানাই আপনাকে।


শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা স্যার আপনাকে।

২৯| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ১২:২৬

শায়মা বলেছেন: এই রাইফেল দিয়ে নিশ্চয় এইবার দু একটা মুজাহিদ শেষ করা উচিৎ।

১৬ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ১০:০২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: একটানে গল্পটা শেষ করার জন্য খুবই অনুপ্রেরণা বোধ করছি। অসংখ্য ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
নাহা!আপু এই রাইফেল দিয়ে তেমন কোনো কাজ হয়নি। শুধু বন্দুক নিলেই হবেনা। তাকে চালানোও জানতে হবে।
পোস্টটিতে like'করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন। শুভকামনা আপনাকে।

৩০| ১৬ ই নভেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৩৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:


গত মাস খানেক ঢাকায় ছিলাম।
সামুতে প্রবেশে সমস্যা হচ্ছিল বলে
অনেক লেখাই দেখা হয়ে উঠেনি ।
এ পর্বটি পাঠ করলাম ।
মোজাহিদদের কার্যকলাপ দেখলাম
বুঝলাম , রইফেল দিয়ে কি কর্ম হয়
তা জানার জন্য পরের পর্ব দেখতে
চললাম ।
শুভেচ্ছা রইল

১৬ ই নভেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন:
"গত মাস খানেক ঢাকায় ছিলাম।
সামুতে প্রবেশে সমস্যা হচ্ছিল বলে
অনেক লেখাই দেখা হয়ে উঠেনি ।
এ পর্বটি পাঠ করলাম ।"--জ্বী ভাইজান আপনার আগমনে আনন্দ পেলাম।
পরের পর্বে আপনার কমেন্টের অপেক্ষায় রইলাম।
পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা আপনাকে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.