নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমার নিরক্ষর কিন্তু বুদ্ধিমতী মায়ের কাছ থেকে এই শিক্ষাই পেয়েছিলাম,যথাযথ কর্তব্য পালন করেই উপযুক্ত অধিকার আদায় করা সম্ভব। - মহাত্মা গান্ধী

পদাতিক চৌধুরি

হাই,আমি পদাতিক চৌধুরী।পথেঘাটে ঘুরে বেড়াই।আগডুম বাগডুম লিখি। এমনই আগডুম বাগডুমের পরিচয় পেতে হলে আমার ব্লগে আপনাদেরকে স্বাগত।

পদাতিক চৌধুরি › বিস্তারিত পোস্টঃ

তমোময়ী(পর্ব-৬)

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:১৮






মাস সাতেক পরে কোনো এক সন্ধ্যায় আসা এক মুজাহিদকে দেখে আমি চমকে উঠি। একদম একই রকম দেখতে;একই রকম উচ্চতা। এমনকি গায়ের রঙও একদম একই। শুধু তাই নয়, শুরুতে সালাম দিলে, গলার স্বরের মধ্যেও মিল পাই। লোকটাকে দেখামাত্র মনের মধ্যে উথালপাথাল হতে থাকে।তা সত্ত্বেও কেন জানি মনে হয়েছিল এখনই কিছু জিজ্ঞাসা করা ঠিক হবে ন। যে কারণে নিজের জিজ্ঞাসু মনকে অতিকষ্টে সংবরণ করি। মনে এতো প্রশ্ন নিয়েও খেদমতের কোনো ত্রুটি রাখিনি। যন্ত্রের মতো নীরবে কাজ করে গেছি একটার পর একটা।। রাতের খাওয়ার পরে দুই জন ঘরের দুই দিকে শুয়ে পড়ি। শুরুতে একটু বেশি গুরুত্ব দেওয়াই আমার লক্ষ্য ছিলো লোকটা চালচলন চাহনির দিকে। আমার প্রতি কোন কুদৃষ্টি না পাওয়ায় ভেবেছিলাম অন্তত আজ রাতটা ভালোই যাবে। তেমন কোনো অসুবিধা ঘটাবে না। ওর সম্পর্কে একটু ভালো চিন্তা করেই বোধহয় সেদিন একটু তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে ছিলাম। কিন্তু আমার অনুমান সঠিক ছিল না। বেশিক্ষণ তখনও ঘুমাই নি। হঠাৎ বুকের উপর প্রচন্ড চাপ অনুভব করি। একেবারে দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম। ঘোরের মধ্যে থাকায় বিষয়টা মাথায় আসেনি যে কেউ আমাকে এমন করে চেপে ধরতে পারে।চোখ খুলতেই বুঝি মুজাহিদ আমার বুকের উপর চেপে বসেছে। আমি ঝটকা মেরে নিজেকে কোনোক্রমে ওর হাত থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে জিজ্ঞেস করি,
- তুমি রফিক ভাই না?
কথার মাঝে হঠাৎ রমিসা বুবুকে না থামিয়ে পারলাম না। জিজ্ঞেস করি,
- আচ্ছা বুবু রফিক ভাই মানে তোমার সেই খালাতো ভাই?
- হ্যাঁ। আমার সেই খালাতো ভাই।যে আমার বিয়ের ঘটকালি করেছিল।
আমি আবার জিজ্ঞেস করি,
- সে তো হাফেজ।সে এমন একটা কাজ করতে পারলো?
- না পারার কি আছে?ওরা যে মুজাহিদ। ওদের নাকি এসব কাজে কোন পাপ নেই।
বাস্তবে আমি অবাক হই একজন হাফেজের এমন কান্ড কারখানা শুনে।তাও আবার উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর না কোথা থেকে হাফেজ পাস করা।
কিছুক্ষণ থেমে বুবু আবার বলতে লাগলো,
- আমার কথা শুনে রফিক ভাই যেন আকাশ থেকে পড়ে। এমনিতেই ওর কথা বলার সমস্যা কখনও দেখিনি।আর পাঁচ জনের মতো স্বাভাবিক ভাবেই কথা বলতো। তবে মায়ের মুখ থেকে শুনেছিলাম রফিক ভাইয়ের মা সোফিয়া খালা নাকি একবার বলেছিল, চাপে পড়লে ওর সামান্য কথা আটকে যায়। আমাদের বাড়িতে যতবার এসেছে এমন অস্বাভাবিকতা অবশ্য কখনোই চোখে পড়েনি। যে কারণে আর যাইহোক তাকে তোতলা বলা যায়না।কিন্তু আজ আমার মুখে নিজের নাম শুনে মুখ দিয়ে ওর কোনো শব্দই বের হচ্ছিল না। চোখে ভূত দেখার মত বড় বড় চোখ করে আমার দিকে তাকিয়ে ছিল। কোনোক্রমে তোতলাতে তোতলাতে জিজ্ঞেস করে,
- তু..ই এ.খা.নে এ.লি কে.ম.নে র.মি.সা?
আরো কি সব যেন বলছিল।ওসব কথায় তখন আর আমার মন ছিল না। চোখের সামনে ও নিশ্চিত হতেই মূহুর্তে রাগ সপ্তমে চড়ে যায়। হাতের কাছে এমন একটা শয়তানকে পেয়ে খালি হাতে ফেরাবো? কুড়িয়ে পাওয়া চৌদ্দ আনার মতো দম নিয়ে সেকেন্ডের মধ্যে ঘুরে গিয়ে দেওয়ালের পাশে কাপড়ের মধ্যে লুকিয়ে রাখা রাইফেলটাকে শক্ত করে ধরতেই বলা ভালো আমার এমন ভয়ানক মূর্তি দেখে ও প্রচন্ড ভয় পেয়ে যায়। অদ্ভুত একটা শব্দ করে হুমড়ি খেয়ে একদম সামনে এসে আমার পা জড়িয়ে ধরে। তোতলামো ততক্ষণে সামলে নিয়ে বলতে থাকে,
- রমিসা তোর পায়ে পড়ি।আমাকে মারিস না বোন।
আর একবার বিশ্বাস কর আমাকে। একবার সুযোগ দে ভাই আমাকে। আমি তোকে এখান থেকে বের করবোই।আমাকে মারলে তুই সে সুযোগ হারাবি। নতুবা সারা জীবন তোকে এখানে পচে পচে মরতে হবে।
ওর এই নাটুকে কথায় আমার সর্বাঙ্গে জ্বালা দিয়ে ওঠে। গায়ের শক্তি কয়েকগুণ যেন বেড়ে যায়। মনে হয়েছিল সামনে বাঘ এলে তাকেও শেষ করে দিতে পারবো। যাইহোক ওর কথা শেষ না হতেই বাঘিনীর মতো হুঙ্কার দিয়ে বলি,
- তোকে বিশ্বাস? জানোয়ার!বলে সমানে গায়ের শক্তিভোর ওর সঙ্গে লড়াইয়ে নামি। দুজনের ধস্তাধস্তিতে আচমকা সশব্দে একটা গুলি বেরিয়ে যায়।তবে গুলিটা কারো গায়ে লাগেনি। উল্টো দিকের দেওয়ালে গিয়ে লাগে।ও লাফিয়ে উঠে ছিটকে পড়ে আরেক দিকের দেওয়ালে। আমিও যেন হঠাৎ বোকা হয়ে যাই। আচমকা গুলি বেরোতেই বুঝতে পারি কাজটি করা ঠিক হয়নি। খুবই খারাপ লাগছিল সেসময়ে। কিছুটা অসহায় হয়ে হঠাৎ রাইফেলটি মেঝেতে ফেলে দিই।ও এতক্ষণে ভয়ার্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল আমার দিকে। রাইফেলটি ফেলতেই এবার এক লাফে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়।

গোলাগুলির শব্দ এখানে অবশ্য নতুন কিছু নয়। সেই প্রথম দিন আসা থেকে আশপাশ থেকে প্রায়ই এমন শব্দ শুনে আসছি। একপ্রকার সয়ে গেছি শব্দটার সঙ্গে। কাজেই স্থানীয়দের এসব নিয়ে মাথাব্যাথা ছিল না। তবে রফিকের চলে যাওয়ার পরপরই দেখি আবছা অন্ধকারের মধ্যে একজন উঁকি দিচ্ছে। আমি অবশ্য ওসবে পাত্তা না দিয়ে দরজা বন্ধ করে শুয়ে পড়ি।

ঘুম সে রাতে আর আসেনি। বলা ভালো পারিনি ঘুমাতে।ভেবেছিলাম রফিক ভয় পেয়ে বাইরে চলে গেছে;পরে আবার ফিরে আসবে।তাই দরজা বন্ধ রাখলেও কান খাঁড়া করে ছিলাম যে এলেই যাতে দরজাটা খুলে দিতে পারি।আর এই কারণেই সারারাত দুচোখের পাতা এক করতে পারিনি।ভয় হচ্ছিল আচমকা ফিরে এসে না আমাকে আক্রমন করে বসে। আবার দুশ্চিন্তাও হচ্ছিল রাতের বেলা কোথায় কাটিয়ে দিচ্ছে সে কথা ভেবে। কিন্তু নাহা সে রাতে আর ও ফেরেনি। ও না ফেরায় আমার চিন্তাটা আরও বেড়ে যায়। ঘরের মধ্যে ওর ঝোলাটা ছিল। ওগুলো নিয়ে গেলে হয়তো এতটা চিন্তায় থাকতে হতো না।

পরেরদিন সকালেও ও না ফেরায় ধরে নেই আর ফিরবে না। অচেনা তো নয় আমারই খালাতো ভাই, সারারাত বাইরে কাটিয়েছে ভেবে সকালে তবুও একটু দয়া হচ্ছিল। নিজেকে অপরাধী অপরাধী মনে হচ্ছিল। কিন্তু দুপুরের পর থেকে ওর উপর এতদিনে তৈরি হওয়া রাগগুলো আবার আমাকে উত্তেজিত করে। খাবার দিতে আসা লোকটা অনেকটা দূরে থাকতো জানতাম। লোকটি আকার ইঙ্গিতে কিছু বলতে চাইতো। ভাষা না বুঝলেও ইঙ্গিত ভালো লাগতো না।যে কারণে কোনদিন মুখ তুলে তাকায় নি। কিন্তু সেদিন ঘরের ভেতর ঢুকে কি সব বলতে থাকে। উঁকিঝুঁকি মেরে পোঁটলার আড়ালে রাইফেলটি তুলতেই আমার বুকের ভেতরে পানি যায় শুকিয়ে।চিন্তায় পড়ি রাইফেল তুলছে কি আমাকে মারার জন্য? কিন্তু প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ওর সঙ্গে আমার রাইফেলটিও সঙ্গে নিতেই বুঝতে পারি ওর ঘরে ঢোকার উদ্দেশ্য। রাইফেলটাতে যে কতটা মায়া পড়ে গেছিল বুঝতে পারিনি। সেদিন হাত ছাড়া হতেই খুবই হতাশ হয়ে পড়ি। সমস্ত রাগ গিয়ে পড়ে আবার রফিকের উপরে। ক্ষোভে অভিমানে তখন রীতিমত ফুঁসতে থাকি। হতাশায় ক্ষোভে দুঃখে খুবই অসহায় লাগতে থাকে।গতরাতের ঘটনাগুলো একেএকে চোখের সামনে ভেসে ওঠে।ওর কথাগুলোও মনে পড়ে যায়। আমাকে কিনা বলে এখান থেকে উদ্ধার করবে। মনে মনে গালি দেই,ভন্ড প্রতারক কোথাকার। এখন মনে হচ্ছে গুলিটা ফসকে না গিয়ে বরং ওর বুক তাক করে মারলেই ভালো হতো।ওরকম শয়তান লম্পটকে জীবনের মতো শেষ করে দেওয়া দরকার ছিল। কিন্তু ততক্ষণে ও যে হাতের বাইরে চলে গেছে।

সেদিন মাঝ রাতে আচমকা পরপর কয়েকটি শব্দে ঘুম ভেঙ্গে যায়। বালিশে শুয়ে থাকায় মনে হচ্ছিল শব্দটা একেবারে কর্ণকুহরে পৌঁছে যাচ্ছে। ধরফর করে উঠে বসতেই আবার শুরু হয় একনাগাড়ে গুলি। এবার নিশ্চিত হই শব্দটা দরজার বাইরে থেকেই আসছে। সঙ্গে কাদের ফিসফিসানিও কানে আসে। মূহুর্তে একটা গভীর ভাবনা আমাকে গ্রাস করে। মুজাহিদরা তো কখনোই তারা দল বেঁধে আসেনা।তার উপরে আজ পর্যন্ত কোনদিন তাদের এমন সময়ে আসার কোনো নজির নেই। কখনও এমন গোলাগুলিও করিনি। তাহলে বাইরে কারা?নাকি রফিক ভাই লোকজন নিয়ে এসেছে আমাকে মারবে বলে। মূহুর্তের ভাবনায় আমার হাত পা অবশ হয়ে আসে।


মন্তব্য ৩৪ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৩৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৫০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনের এই ম্যাও প্যাও শেষ হইবো কবে কইলেন না যে বড়!!! :P

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:৫৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ম্যাও প্যাও সবার মুখে মানায় না

২| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:১৫

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: বুবুর রফিক ভাইয়ের প্রতি তারপরও মায়া। একটু আশ্চর্য হলাম। তোতলামি না করলে রফিক ভাই ধরা খাইত না, আমার বিশ্বাস। বেচারা রফিক ভাই!!! আমও গেলো, ছালাও গেলো!!! আরও কয়জন রফিক ভাই বুবুর কাছে আসার পর এই অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটবে এইটা কি কষ্ট করে বলা যায়??? !!! আর তো সহ্য করতে পারতাসি না এইসব মানবাধিকার লঙ্ঘন। জলদি বুবুরে উদ্ধার করেন আর দেশে নিয়া আসেন। :)

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:১৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় সাচু ভাই,

খুব ভালো কমেন্ট করেছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। হ্যাঁ ভাই ঘটনাটা পিছিয়ে এসে বর্ননা করায় যার দ্বারা উপকৃত হবে তার প্রতি রাগ হলেও বর্ননায় একটু দুর্বলতা থাকাটা অমূলক নয়।
তবে তাৎক্ষণিকভাবে আপনার অবজারভেশন একেবারে সঠিক,"বেচারা রফিক ভাই!!! আমও গেলো, ছালাও গেলো!!!"- হ্যাঁ ঠিক তাই। রফিক ভাইয়ের দুই ই গেল।বাকিটা ভবিষ্যৎ বলবে।

"আরও কয়জন রফিক ভাই বুবুর কাছে আসার পর এই অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটবে এইটা কি কষ্ট করে বলা যায়??? !!- খুব ভালো একটা প্রশ্ন করেছেন। আপনার আগ্রহে একটুখানি আগাম তুলে ধরছি।রমিসা বুবুর জীবনে রফিক ভাইদের আগমন একেবারে শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। তবে সেখান থেকে শুরু হবে নুতন টানাপোড়েন।সে সব সামলিয়ে তবেই দেশে ফিরতে পারা।দেশে ফিরলেও সুদিন মেলেনি।এসব হরেক কিসিমের কাহিনী লুকিয়ে আছে রমিসা বুবুর জীবনে।
আপনার আন্তরিক জিজ্ঞাসায় আবারো ধন্যবাদ আপনাকে।
নিরন্তর শুভেচ্ছা জানবেন।


৩| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ২:৫৯

হাবিব বলেছেন: যা কওনের ফেবুতে কইছি, এইনে আর কইতাম না

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:০৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: উল্টো হলেই বেশি ভালো হতো হাবিব ভাই। আমার যে ব্লগ বেশি পছন্দের।কি আর করার দুক্কু পেলাম একবার খেয়েছি বলে আর খেতে দিবেন না শুনে।

৪| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:২৬

ইসিয়াক বলেছেন: কোন কোন মানুষের জীবন এত জটিল আকার ধারণ করে কেন? অনেকেই তো ভালো থাকে কেউ কেউ দুরবস্থা পড়ে কেন? এই প্রশ্নটা আমার প্রায় মনে আসে। আসে রোজ ভাবতাম যখন একাকী থাকতাম। তবে একটা সময় যত কষ্টের জীবন হোক না কেন তা হয়তো সয়ে যায় প্রকৃতির নিয়মে। নিষ্ঠুর এ পৃথিবীর নিষ্ঠুরতার আরেকদিক দক্ষ হাতে ফুটিয়ে তুলেছেন। এখানেই দক্ষ কথাসাহিত্যিকের সার্থকতা। অনেকের কাছে অজানা অচেনা এক ভয়াবহ দৃশ্যপট সুচারুভাবে তুলে ধরছেন আপনি গল্পটির মাধ্যমে। দু দিনের দুনিয়া।শুভ বুদ্ধির উদয় হোক মানুষের। পরের পর্বের অপেক্ষায়।
শুভকামনা রইল।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১২:১০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ইসিয়াক ভাই,

প্রপিক চেঞ্জ করে একেবারেই অন্য রকম লাগছে।♥️

"কোন কোন মানুষের জীবন এত জটিল আকার ধারণ করে কেন? অনেকেই তো ভালো থাকে কেউ কেউ দুরবস্থা পড়ে কেন? এই প্রশ্নটা আমার প্রায় মনে আসে।"-প্রতিটি সংবেদনশীল মানুষের মনে এমন প্রশ্ন আসাটাই স্বাভাবিক। তবে উত্তর আপনি নিজেই দিয়ে দিয়েছেন।"আসে রোজ ভাবতাম যখন একাকী থাকতাম। তবে একটা সময় যত কষ্টের জীবন হোক না কেন তা হয়তো সয়ে যায় প্রকৃতির নিয়মে।"- চমৎকার লাগলো আপনার নিজের অনুভূতিটি। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। তবে লেখক সম্পর্কে যা বলেছেন নেহাতই বাড়াবাড়ি।লজ্জা পাইলুম বড়ো। দিনশেষে এটাই হোক আমাদের চাওয়া,'শুভ বুদ্ধির উদয় হোক মানুষের।"‌
পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
আপনার শুভেচ্ছা গ্রহণ করলাম। আপনার জন্যেও রইলো নিরন্তর শুভকামনা।

৫| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:৪৩

শেরজা তপন বলেছেন: এক নি:শ্বাসে পড়ে ফেললাম। ভাল কোন সমাপ্তি হবে নিশ্চিত- যেহেতু তিনি বেঁচে ফিরে আপনার সাথে গল্প করছে।
পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম...

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১২:১২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় তপন ভাই,

"এক নি:শ্বাসে পড়ে ফেললাম। ভাল কোন সমাপ্তি হবে নিশ্চিত- যেহেতু তিনি বেঁচে ফিরে আপনার সাথে গল্প করছে।"-আপনার আন্তরিক মন্তব্যে খুশি হলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। পরের পর্বে সাথে আছেন জেনে আনন্দিত। আবারো ধন্যবাদ আপনাকে।
পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।

৬| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:০১

ঢাবিয়ান বলেছেন: ছবিটা কোথায় ? খুব সুন্দর জায়গা ।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১২:১৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ছবিটি ছত্রিশগড়ের হাজারীবাগ যাওয়ার পথে একটি ড্যামের।আজ ছবিটি অন্তত দেখেছেন বলে খুশি হলাম। হয়তো একদিন এমন দিন আসবে যেদিন পোস্ট পড়ে কমেন্ট করবেন। অপেক্ষায় রইলাম সে দিনের।

৭| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: পড়লাম।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১২:১৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ওকে

৮| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:২০

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: পড়লাম, চলুক

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১২:১৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ওকে। ধন্যবাদ।

৯| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১:০১

দেয়ালিকা বিপাশা বলেছেন: প্রিয় ব্লগার পদাতিক চৌধুরী,




বরাবরের মতোই সুন্দর লিখেছেন। কাহিনীর নতুন মোড়। এবার মনে হচ্ছে যেন রমিসা বুবুর জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে। তবে সে অধ্যায় আঁধার কালো থেকে কিছুটা আলোর দিশারী হবে বলে মনে হচ্ছে। তবে এই পর্বটি আরেকটু বিস্তৃত হলে খুশি হতাম।

ভীষন ব্যস্ততার কারণে দিদিমনির অনিচ্ছাকৃত বিলম্বের জন্য দুঃখিত। :( দিদিমনির আদেশ অনুযায়ী যথাসময়ে পরবর্তী পর্বটি পোষ্ট করার জন্য অত্যন্ত খুশি হলাম। একেই বলে আদর্শ ছাত্র। :) যদিও প্রথমে মন্তব্য করা উচিত ছিল কিন্তু দেরি হয়ে গেল। ব্লগে ঢুকেই প্রথমে আপনার গল্পটি পড়ে ফেললাম। :)

পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম। আশাকরি ভাল আছেন। অনেক অনেক শুভকামনা জানবেন।

- দেয়ালিকা বিপাশা

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:২৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শুভ সন্ধ্যা ম্যাডাম। আশাকরি ভালো আছেন। আজকে সারাদিন ব্লগিং করার ব্যাপক সুযোগ ছিল। সারাদিন বাইরে কেটেছে। উল্লেখ্য আমি বাইরে থাকলে ব্লগিং করতে সুবিধা হয়। কিন্তু চশমা সঙ্গে না থাকায় খালি চোখে উৎসাহ হারিয়ে ফেলি। সেকারণে সময়ে উত্তর দিতে পারিনি। আশাকরি অনিচ্ছাকৃত বিলম্ব দিদিমনি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

"বরাবরের মতোই সুন্দর লিখেছেন। কাহিনীর নতুন মোড়। এবার মনে হচ্ছে যেন রমিসা বুবুর জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে। তবে সে অধ্যায় আঁধার কালো থেকে কিছুটা আলোর দিশারী হবে বলে মনে হচ্ছে।"-সুন্দর প্রত্যক্ষণ করেছেন।মনে পড়ে আমার প্রথম উপন্যাস মরীচিকাতে পাঠকরা আগাম নির্দেশনা দিলে মিলে গেলে আমি আপ্রাণ চেষ্টা করতাম ওনাদের অনুমানের সঙ্গে কোনো রকম মিল না রাখতে। কেবল পারিনি ব্লগার মা. হাসান ভাইয়ের ক্ষেত্রে। ওনার অনুমানকে একপ্রকার মেনে নিতে হতো।আজকে যেমন আপনার অনুমান সঠিক। কাহিনীতে নুতন মাত্রা যুক্ত হয়েছে।বাকিটা পোস্টে আলোচিত হবে। আমন্ত্রণ রইলো আপনাকে।


"ভীষন ব্যস্ততার কারণে দিদিমনির অনিচ্ছাকৃত বিলম্বের জন্য দুঃখিত। :( দিদিমনির আদেশ অনুযায়ী যথাসময়ে পরবর্তী পর্বটি পোষ্ট করার জন্য অত্যন্ত খুশি হলাম। একেই বলে আদর্শ ছাত্র। :)

১০| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ ভোর ৫:৪৫

সোহানী বলেছেন: তারপর??

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:৩১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ছোট বেলায় মা একরকম পিঠা করতো হাতঝাড়া পিঠা।ময়দায় সামান্য চিনি মিশিয়ে গরম তেলের উপর হাতে করে লিকুইডটা নিয়ে হাত ঝাড়া মারলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই পিঠা হয়েছে হয়ে যেতো।সময় কম নেওয়ায় এটাই ছিল মায়ের কাছে আমাদের শান্ত রাখার শ্রেষ্ঠ পন্থা।
আজকে আপুর কমেন্টটি আমার মায়ের হাতঝাড়া পিঠার ন্যায় হাতঝাড়া কমেন্ট হয়েছে

১১| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১২:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: আবার এলাম।
কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:৩৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ও আচ্ছা ঠিক আছে।
ভাইয়ের কাছে প্রশ্ন-
১-রফিক ভাইয়ের সঙ্গে রমিসা বুবুর সম্পর্ক কি?
২-রফিক ভাইয়ের মায়ের নাম কি?

১২| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪১

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনার লেখাগুলোতে পশ্চিম বংগের মানুষের জীবনের প্রতিফলন নেই।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:৫৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: দুটি উত্তর হতে পারে-
১- পশ্চিমবঙ্গের বা বাঙালি জাতির প্রতিফলন না ঘটলে তাহলে কোনো না কোনো জাতির বা জায়গার প্রতিফলন নিশ্চয় ঘটেছে। অন্তত আপনার কমেন্ট অনুযায়ী। কিন্তু আমি তো এমন কোন কিছু তুলে ধরতে কখনই লিখিনি। আজও লিখিনি বা আগামীতেও লিখব না। তবুও তর্কের খাতিরে যদি ধরে নেই যে তেমন কিছু আছে আর সেক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ বাঙালি জাতির না হওয়ায় ইউরোপ-আমেরিকা হবে বোধহয় যেহেতু আপনার চোখ আমেরিকা দেখে। কিন্তু সেটা যে আবার আমার কাছেও গ্রহণীয় নয়। কাজেই এই যুক্তি টিকলো না।
২- কোন আদিকালে জন্ম আফ্রিকাতে হলেও আফ্রিকাকে বুঝতে হলে আফ্রিকায় যেতে হবে।। ঠিক তেমনি বাঙালি জাতি বা সত্তাকে বুঝতে হলে বাংলাদেশ বা পশ্চিমবঙ্গে থাকায় বাঞ্ছনীয়। চাঁদে বসে বাঙালি বাঙালি করে গেলে নুড়ি কাকর ভিন্ন কিছুই মিলবে না।তাই বলি কি সামান্যতম যদি দেশের প্রতি ভালোবাসা থাকে তাহলে বাকি জীবন দেশে আসুন অমৃত পাবেন। আর নতুবা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ওনার 'বাবু' গল্পে বাবুদের চরিত্র যে ভাবে উল্লেখ করেছেন,
"তাম্বুল চর্বন করিয়া, উপাধান অবলম্বন করিয়া, দৌই ভাষিকে কথা কইয়া, ভারতবর্ষের পুনরুদ্ধার করিব। তাহারাই বাবু।"
ও হ্যাঁ দেশে ফিরলে সঙ্গে চোখের জ্যোতিও বাড়বে বহুগুণ। নিজের যে পরিচয় দেন তা নিয়ে আর কেউ সন্দেহ করবে না।



১৩| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:৪১

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: পরের পর্ব কবে পাবো।

দারুন হয়েছে এ পর্বও

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম। কৃতজ্ঞতা জানবেন।

আমি স্বাধীনতা সপ্তাহে একটি করে পোস্ট দেই। কাজেই পরবর্তী পোষ্ট সপ্তাহের মধ্যে পেয়ে যাবেন। আশাকরি এমনি করে আগামীতেও পাশে পাব।
নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।

১৪| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:২৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: রমিসা বুবুর জীবনে আঁধার কেটে গিয়ে অরুণোদয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। আকস্মিক রাইফেল থেকে গুলি বের হয়ে যাবার ঘটনার সময় চমৎকার সাসপেন্স বজায় রেখেছেন।

গল্পে অষ্টম ভাললাগা। + +

আপনার লেখা সমস্ত পোস্ট পড়া সমাপ্ত হলো।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:২৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: গতকাল সারাদিন ধরে এই সিরিজের সপ্তম পর্ব লিখলাম। যেহেতু আমি ফোন থেকে ব্লগিং করি টাইপ করতে অনেক সময় লাগে। যাইহোক রাতের দিকে লেখাটি রেডি করে কপি করতে গিয়ে দেখি শুধু শেষ চার পাঁচ লাইন কপি হয়েছে। পরে হাজার চেষ্টা করেও আমার সেই ড্রাফ্ট উদ্ধার করতে পারিনি।মনটা একদম ভেঙে গেছে।নেট সমস্যার কারণে মাঝে মাঝে কমেন্ট ভ্যানিশ হলে তাই কি মন্ খারাপ লাগে। সেখানে গোটা পোস্টটি উড়ে যাওয়া মানে খুবই দুর্ভাগ্যের.

পোস্ট সম্পর্কে-
"রমিসা বুবুর জীবনে আঁধার কেটে গিয়ে অরুণোদয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। আকস্মিক রাইফেল থেকে গুলি বের হয়ে যাবার ঘটনার সময় চমৎকার সাসপেন্স বজায় রেখেছেন।" একদিক দিয়ে ঠিক ধরেছেন স্যার। তবে এখনও অপেক্ষার প্রহর গুনতে হবে।

আমার লেখা সব পোস্ট ইতিমধ্যে পড়ে ফেলেছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার মতো পাঠক পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। পোস্টটিতে like'করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।

নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।




১৫| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৮:২২

জুন বলেছেন: ৯ নং ভালো লাগা দিলাম কিন্ত পড়বো একবারে টানা। এত সাসপেন্স এই বুড়া বয়সে সহ্য হয় না পদাতিক /:)
+

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:১৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
আপাতত লাইক পেয়ে খুশি হলাম। শেষ হলে সম্ভব হলে আসবেন অপেক্ষায় রইলাম।

ভালো থাকবেন আপু সবসময়।

১৬| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ১২:৩৫

শায়মা বলেছেন: তারপর!

১৬ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ৯:৫৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
যদিও পরবর্তী পর্ব ইতিমধ্যে আপনি পড়ে ফেলেছেন।
নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।

১৭| ১৬ ই নভেম্বর, ২০২১ রাত ৮:০০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



তারপরের ঘটনা প্রবাহ দেখার জন্য পরের পর্বে চললাম।
যাওয়ার আগে ভাললাগা জানিয়ে গেলাম ।
শুভেচ্ছা রইল

১৬ ই নভেম্বর, ২০২১ রাত ৮:৪১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় ভাই আপনাকে।
আপনার ভালো লাগায় অনুপ্রেরণা পেলাম। কৃতজ্ঞতা জানাই আপনাকে।
শুভকামনা জানবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.