নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমার নিরক্ষর কিন্তু বুদ্ধিমতী মায়ের কাছ থেকে এই শিক্ষাই পেয়েছিলাম,যথাযথ কর্তব্য পালন করেই উপযুক্ত অধিকার আদায় করা সম্ভব। - মহাত্মা গান্ধী

পদাতিক চৌধুরি

হাই,আমি পদাতিক চৌধুরী।পথেঘাটে ঘুরে বেড়াই।আগডুম বাগডুম লিখি। এমনই আগডুম বাগডুমের পরিচয় পেতে হলে আমার ব্লগে আপনাদেরকে স্বাগত।

পদাতিক চৌধুরি › বিস্তারিত পোস্টঃ

তমোময়ী(পর্ব-৭)

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ ভোর ৬:৪৯



কপালে যা লেখা আছে তাই হবে ভেবে আমি দরজার কাছে এগিয়ে যাই। কিন্তু শেষ মুহূর্তে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আবার থমকে গেলাম। চৌকাঠে হাত দিতেই এক অজানা আতঙ্ক আমাকে গ্রাস করে। ভয়ে রীতিমতো আড়ষ্ট হয়ে পড়ি। মনের অস্থিরতা এসময় শতগুণ যায় বেড়ে। বুঝতে পারি যে নিজের হাত যেন নিজেরই নিয়ন্ত্রণে নেই।মন দুরুদুরু করতে থাকে।তার সঙ্গে অজানা ভয় মিলেমিশে আমার হাত পা যেন অবশ হয়ে আসে। যদিও আমার মনের এই দ্বিধা দ্বন্দ্বকে সমীহ করার মতো ফুরসত দরজার ওপাশের লোকদের ছিল না। তাই কয়েক মুহূর্ত দেরি হতেই দরজায় আচমকা কয়েকটি লাথির শব্দ বালির বাঁধের মতো আমার মনের যাবতীয় দ্বিধাদ্বন্দ্বকে ফুৎকারে উড়িয়ে দেয়। এবার অবশ্য পড়ি মরি করে দরজা খুলে দেই।

দরজা খোলা মাত্রই হুড়মুড়িয়ে একদল লোক ভেতরে ঢুকে পড়ে। কিছু বুঝে উঠার আগেই একজন আমার কপালে বন্দুক ঠেকিয়ে রাখে।ঐ অবস্থায় আমি পিছোতে পিছোতে দেওয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ি। অপর দুজন শক্ত করে আমার দুই হাত ধরে ফেলে। আমি হাত ছাড়ানোর চেষ্টা করতেই বন্দুক ঠেকিয়ে রাখা লোকটি অমনি বন্দুকের নলটি আরো গভীরভাবে আমার কপালে পুঁতে দিয়ে চোখ বড় বড় করে এমন করে তাকিয়ে থাকে যেন পারলে এক্ষুনি আমার মাথাটাকে এফোড় ওফোড় করে দিলো বলে...
এতোজন লোকের মধ্যে আমি একা মেয়ে মানুষ।তার উপর বন্দুক ঠেকিয়ে এমন ভয় দেখানোয় আমার সর্বাঙ্গে কাঁটা দিয়ে উঠে। আমি ভয়ে কুঁকড়ে ধপাস করে মেঝেতে বসে পড়ি। দুই হাটুর মধ্যে মাথা গুঁজে মনে-মনে উত্তর খুঁজতে থাকি কারা এরা?

শুরুতে অবশ্য উত্তর মেলাতে পারিনি। হয়তোবা মাথায় সারাক্ষণ মুজাহিদ বা মুজাহিদের কথা ঘুরপাক খাওয়ায় অন্য কোনো চিন্তা মাথায় আসছিল না। যাইহোক যে প্রশ্ন আমাকে ভাবিয়ে তোলে,এরা যদি মুজাহিদই হবে তাহলে এতদিন যাদেরকে দেখে আসছি তাদের সঙ্গে এদের মিল নেই কেন? কেনই বা এমন মাঝরাতে আমার সন্ধানে এখানে এলো? আপন মনে এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতে একটা বিষয় খেয়াল করি সাজপোশাকেও মুজাহিদদের সঙ্গে এদের যথেষ্ট অমিল আছে। আরেকটি বিষয় নজরে আসে,আমার প্রতি ওদের অতিসক্রিয়তা মুজাহিদদের আচরণের সঙ্গে একেবারেই খাপ খায় না। স্বভাবতই এসব থেকে অনুমান করি, এরা হয়তো মুজাহিদের বিরুদ্ধে পক্ষ হবে; যাদের কথা আমার স্বামী মুজাহিদের মুখে শুরু থেকেই শুনে আসছি।

লোকগুলো একটা অচেনা ভাষায় কথা বলছিলো। কি বলছিল তার মাথামুণ্ডু কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। কেবল মুখের শব্দটাই শুধু কানে আসছিলো। মুখের ভাষা না বুঝলেও মুজাহিদ শব্দটা ওদের কথাবার্তায় বেশ কয়েকবার কানে আসে। এক পর্যায়ে শব্দটি মনে গেঁথে যায়। অনুমান করি,এরা হয়তো শব্দটা আমাকে উদ্দেশ্য করেই বলছে। কিন্তু তারই বা কি প্রমাণ আছে তাদের কাছে? তবে কারণ থাকুক বা নাই থাকুক ওটাই যে আসল কারণ তা বুঝে যাই।আর এই কারণে নিজে নিজেই উত্তর খুঁজে নেই।হ্যাঁ লোকগুলো ছিল বিদেশি সোভিয়েত সৈন্য। সঙ্গে কয়েকজন আফগান সেনা পুলিশও ছিল।পরের দিকে বুঝেছি আফগান সৈন্যরা বিদেশি সৈন্যদের পথ দেখিয়ে নিয়ে চলত। আগেই বলেছি, এদেশে আসার সময় এই বিদেশি সৈন্যদের অত্যাচারের কথা আমার স্বামী মুজাহিদের কাছে শুনেছিলাম। এক্ষণে সেই বিদেশি সৈন্যের কবলে আমি। জানিনা এরপরে আমার কপালে কি আছে। ওদের প্রস্তুতি ও তৎপরতা দেখে একটা বিষয় স্পষ্ট হয় যে আমার ধরতেই এতো আঁটঘাট বেঁধে এতো রাতে ওদের এখানে আসা। কিন্তু কাউকে ধরতে আসার জন্য তো নির্দিষ্ট কারণ থাকা চাই।তাও আবার এতোটা গভীর রাতে! এক্ষেত্রে আমার অপরাধই বা কি? তার কিছুই মাথায় আসছিল না। যাইহোক ওদের ব্যস্ততা দেখে নিশ্চিত হই সামনে আরেক অনিশ্চিত ভবিষ্যত আমার জন্য অপেক্ষা করছে। জানিনা আরও কত দুর্ভোগ কপালে আছে...

মুজাহিদদের সাজ-পোশাকের সঙ্গে অনেকদিন ধরেই পরিচিত ছিলাম। আলখাল্লা বা লম্বা জুব্বা পড়া দাঁড়িওয়ালা মুজাহিদদের সবাইকে আমার একজন ব্যক্তি বলে মনে হতো। এবার দেখলাম প্যান্ট শার্ট পরা দাঁড়িহীন আরও ফর্সা সোভিয়েত সৈন্যদের। মূলত ওদের অত্যাচারের বিরুদ্ধেই ছিল মুজাহিদদের লড়াই। এতদিন ওদের সম্পর্কে এমন সব কথা শুনে আসছি। কিন্তু নাহা! বাস্তবের সঙ্গে প্রচলিত কথাবার্তার ফারাক হয় কখনোবা। অন্তত আমার ক্ষেত্রে তো সেটাই হয়েছিল।যদিও শুরুতে সোভিয়েত সৈন্যের খপ্পরে পড়লে তাই নিজেকে সান্ত্বনা দেই কিইবা নির্যাতনের বাকি আছে আর এই জীবনে। নিজেকে মানসিকভাবে তৈরি করি আসন্ন নির্যাতনে ক্ষয়ে ক্ষয়ে নিজেকে শেষ করার আরেকটি সুযোগ এসেছে। যে করেই হোক তাকে কাজে লাগাতেই হবে।

মুজাহিদদের মতো সেনা-পুলিশ সম্পর্কেও আমার কোন উচ্চ ধারণা ছিল না। উভয়কেই সমান বলে মনে হতো; পুরুষ মাত্রই মেয়েলোকের শরীর চাই।আর আমার মতো কুড়িয়ে পাওয়া ঠিকানা হীন রাস্তার মেয়ে হলে তো কথাই নেই।সবাই ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে থাকে আমার দিকে। হিজাব পড়লেও বারে বারে সরিয়ে দিতো। রাক্ষুসে চোখ যেন পারলে গিলে ফেলে। হিজাব সরানোর অছিলায় কেউবা নানাভাবে গায়ে হাত দিত। বুঝতে যে পারি না তা নয়। আসলে এই পোড়া শরীরটার দিকে নজর সবারই। লক্ষ্য একই। তাই মনের দিক থেকে ঠিক করেছিলাম, এবার আর একে রাখবোই না।যে করেই হোক এই পোড়া শরীরটাকে শেষ করতেই হবে। কিন্তু নাহা! আমাকে আর মরতে হয়নি। তিতার গভীরে যে মিষ্টি থাকে অন্তত আমার ক্ষেত্রে এই পর্বে সে কথা বলাই যায়।

জীবনের লড়াই বোধহয় এমনই হয়। পারিপার্শ্বিক পরিবেশ কখনোবা জীবনের পক্ষে অনুকূল হয়ে ওঠে।আর তখনই জীবন হয়ে ওঠে আমাদের কাছে মধুময়।স্বপ্নের ফানুস উড়িয়ে আমরা এক মহাবিশ্বের ছবি আঁকি। কিন্তু উল্টো দিকে কখনোবা এই জীবনই আমাদের সামনে মহাসমুদ্রের অতলান্ত জলরাশির ন্যায় সাক্ষাৎ মৃত্যু গহবর হিসেবেও দেখা দেয়। তুচ্ছ ভাসমান কোন কীটের পক্ষে তীরে পৌঁছানো যেখানে নিতান্তই দুঃস্বপ্নের ব্যাপার।এহেন অতলান্ত সমুদ্রে হাবুডুবু খেতে খেতে কখনোবা আমরা কেউ কেউ নিজেদেরকে হারিয়ে ফেলি দুঃস্বপ্নের চোরাবালিতে। চোখের সামনে ভেসে ওঠা স্বপ্নরা একটু একটু করে হাতছানি দিতে থাকে। ক্রমশ যা আমাদেরকে এগিয়ে দেয় মৃত্যু পুরীর দিকে। স্বভাবতই একপর্যায়ে আশার সঞ্চারকে হারিয়ে আমরা হয়ে পড়ি সেই মুহূর্তে পৃথিবীর নিঃসঙ্গ এক মৃত্যুপথযাত্রীতে। এভাবেই এই নিঃসঙ্গতা আমাদেরকে তিলে তিলে শেষ করে ; অস্তমিত হয় আমাদের সাধের বেঁচে থাকার স্বপ্নের বুনিয়াদ। আমরা প্রমাদ গুনী জীবনের শেষ মুহূর্তের.....।আর তখনই অপ্রত্যাশিত ভাবে যদি ভেসে আসে একঝলক আশার আলোক একখণ্ড বরফের টুকরো কিম্বা সামান্য একটুকরো পোড়া কাঠ। মুহূর্তে মনে জেগে ওঠে বেঁচে থাকার প্রবল আকুতি। ব্যপ্তিতে তখন সেই বরফখণ্ড নেহাতই এক টুকরো থাকে না।হয়ে ওঠে মনের আকাশের দিগন্তবিস্তৃত জ্যোতিষ প্রভার ন্যায়।কাবুলিওয়ালার দেশে রমিসা বুবুর জীবনে সেটাই ঘটেছিলো।মৃত্যুর সঙ্গে সহবাস করতে করতে মানুষটা যেন মরেই গিয়েছিল। জীবনের লাথ খেতে খেতে তাই ভুলে গিয়েছিল যে সেও একজন মানুষ;তারও বাঁচার অধিকার আছে। হাত বদল হয়ে বিদেশি সোভিয়েত সৈন্যের খপ্পরে পড়লে আর পাঁচজন বিপদগ্রস্তের ন্যায় সেও নিজেকে দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করে। কিন্তু যখন বুঝতে পারে মনুষ্যত্ব এখনও মরেনি। সব স্বপ্নরা শেষ হয়ে যায়নি। ফিকে হলেও এখনও তারা মনের মনিকোঠায় এখনো বেঁচে আছে- যদিও এই বোধ গড়ে তুলতে ততদিনে অনেকটাই সময় চলে যায়‌। মরু-পাহাড়ের দেশে অচেনা অজানা বিজাতীয় মানুষের মুখের ভাষা না বুঝলেও তাই রমিসা বুবু বিদেশি সৈন্যের মনের ভাষা যখন কিছুটা বুঝতে পারে, বুঝতে পারে যে তারা আর যাই হোক তার শরীরকে নিয়ে যথেচ্ছাচার করবে না তখন সে আবার নিজেকে মানুষ বলে ভাবতে শুরু করে। স্বপ্ন দেখে নতুন করে বেঁচে থাকার..

কিছুক্ষণ থেমে রমিসা বুবু আবার বলতে লাগলো,
-বেশ কয়েক সপ্তাহ আমাকে সেনাকে কবলে থাকতে হয়েছিল। অনেক ঘোরাঘুরি জিজ্ঞাসাবাদের পর অবশেষে মুক্তি মেলে। তবে এই মুক্তি সহজে মেলেনি। এই মধ্যবর্তী সময়ের মধ্যে আমার জীবনের উপর যেন সুপার সাইক্লোন প্রবাহিত হয়েছিল। আসছি সে প্রসঙ্গে পরে। তবে ঘটনা যাই ঘটুক সোভিয়েত সৈন্যরা যে আচার আচরণে আমাকে নিরাপত্তা দিয়েছিল তা উল্লেখ না করলেই নয়। প্রায়ই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওরা নিয়ে যেত। প্রায় এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় থাকতে হতো। কাজেই ঘনঘন ঠিকানা পরিবর্তন এসময় দস্তুর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। নিয়ম করে ঘন্টার পর ঘন্টা আমাকে বাইরে কাটাতে হতো। বিভিন্ন অফিসে বিভিন্ন অফিসারের সামনে আমাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বসিয়ে দেওয়া হতো। ঠিকানা পরিবর্তনের মতোই জিজ্ঞাসাবাদের সময়েরও কোনো বাপ-মা ছিল না। যখন-তখন হুট হাট করে আমাকে ওরা তুলে নিয়ে যেত। ওদের কোনো কথা আমি বুঝতে পারতাম না। একইভাবে একইভাবে আমার কোনো কথা ওরাও বুঝতে পারতো বলে মনে হতো না। আর এই ভাষা বুঝতে না পারাটাই ছিলে আমার ভোগান্তির অন্যতম কারণ।বলা যেতে পারে এই ভাষা বুঝতে না পারাটাই এক্ষেত্রে আমার কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ওদের মুখের আকার-ইঙ্গিতে বুঝেছিলাম আমাকে ধরে ওরা যতটা উৎফুল্ল হয়েছিল বাস্তবে আমার মুখ থেকে আশার কোনো কথা বের না করতে পেরে ওরা ততটাই হতাশ হয়। বেশকিছুদিন সঙ্গে থাকে ওদের মুখ ভঙ্গি চালচলনের সঙ্গে পরিচিতি হই। আকার ইঙ্গিতে বুঝতে পারি প্রকাশ্যেই তারা নিজেদের হতাশা প্রকাশ করেছিলো। তাই বলে সহজে ওরা হাল ছেড়ে দিতে তখনও রাজী ছিল না। বিভিন্নভাবে ওরা আমাকে চাপ দিতে থাকে। অচেনা কত লোকের সামনে আমাকে মুখোমুখি বসায়। উদ্দেশ্য যেনতেন প্রকারে কোন আশার বাণী উদ্ধার করা। কিন্তু কোনভাবেই ওদের সে উদ্দেশ্য পূরণ হয়নি। ওদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। ফলে যে ভাষা বুঝতে না পারাকে প্রথমে নিজের ভোগান্তির কারণ বলে মনে করেছিলাম পরে সেটাই আমার আশীর্বাদ স্বরূপ হয়ে ওঠে।।

তবুও ওদের চেষ্টা থেমে থাকে নি। আমিও ওদের সঙ্গে এ অফিস ও অফিসে গেছি।বলা ভালো আমাকে হাজির করিয়েছে। এমনি একদিন জালালাবাদের এক অফিসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির হতেই চমকে উঠি। আসলে লক আপের ভিতরের ব্যক্তিটি যে আমার পরিচিত। কিন্তু সেনা পুলিশের সামনে তাকে ধরা দেব কিনা গভীর চিন্তায় পড়ি...

বিশেষ দ্রষ্টব্য:- ক্ষমা চাইছি এই সিরিজের নিয়মিত সুধী পাঠক বৃন্দের কাছে।গত সপ্তাহে এই পর্বটি লিখেছিলাম। আমার নিজস্ব ফেসবুক ব্লগে( বাতাসি-মূলত যেকোনো লেখা ড্রাফ্ট করতেই নিজস্ব পেজটিকে আমি ব্যবহার করি।)
কিন্তু অসাবধানতা বশত সেদিন লেখার পর সেভ না করে কপি করতেই কপি হয় মাত্র শেষ প্যারার মাত্র কয়েকটা লাইন। গভীর হতাশায় দু'দিন আমাকে আচ্ছন্ন করে রাখে। অবশেষে নুতন করে সামান্য মেমোরিকে সম্বল করে এই পর্বটি সম্পন্ন করা। পরবর্তী পর্ব সপ্তাহের মধ্যে দেওয়ার আপ্রান চেষ্টা করবো।

মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +১৮/-০

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৭:৫৮

শেরজা তপন বলেছেন: আপনার লেখাটা ফেসবুকে দেখেছিলাম- কোন কারনে মন্তব্য না করার অনুরোধ করেছিলেন।
এ জীবনে কত লেখা এভাবে হারিয়ে গেছে- লেখা হারানোর কষ্ট আমি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করি।

এই পর্বটা আরেকটু গুছিয়ে দিন। হুট করে শেষ হয়ে গেল :(

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:৪১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রথম মন্তব্য মানে আলাদা ভালোলাগা। অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় তপন ভাই আপনাকে। জ্বী ভাই সেদিন প্রচন্ড হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। দু'দিন ভার্চুয়াল জগতে ঢুকতে ইচ্ছে করেনি।পরের দিকে কন্সেন্ট্রেশন ঠিক করি। মনে পড়ে না শেষ কবে এমন হতাশায় ভুগেছি। আপনি ফেসবুকে যে পোস্টটি পড়েছেন তার সঙ্গে ব্লগের এই পোস্টের অনেক অমিল। আসলে গত সপ্তাহের খারাপ অভিজ্ঞতার কারণে আর ঝুঁকি না নিয়ে ফেবুতে পোস্ট দিয়ে এডিট করে তবেই ফাইনাল পোস্ট ব্লগে দেই।
পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
নিরন্তর শুভেচ্ছা প্রিয় ভাইকে।

২| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৯:০৯

ইসিয়াক বলেছেন: পেজের নাম বাতাসি রাখলে ;) লেখা তো হারাবেই । পেজ তো খুঁজে খুঁজে হয়রান .....কোথাও পাই নাই |-)

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:৫৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হেহে হে....এইযে মিয়া আমি বিপদে পড়লাম আর আপনি মশকরা করছেন? আরে বাতাসিতে লিখতাম মূলত বারংবার এডিট করে লেখাটিকে নির্ভুল করার জন্য। কিন্তু এদিন আমার সব হিসেব গড়মিল হয়ে যায়।তাই ভয় পেয়ে আর বাতাসিতে না লিখে সরাসরি ফেবুতে পোস্ট দেই। কয়েকবার এডিট করে করে অবশেষে পোস্ট উপযোগী করে গড়ে তোলার চেষ্টা করি। যাইহোক পোস্ট তো আপনাদের জন্যই দেই। তাই খামোখা বাতাসিকে আলাদা করে খোঁজার দরকার নেই।বাতাসি হল আমার ছোট্ট কুটির।একে সার্চ দিলে পাবেন না।

৩| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:০৪

জুল ভার্ন বলেছেন: ফেসবুকে পড়ে এলাম। +

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:৫৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইজান আপনাকে।
পোস্টটিতে like'করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন। শুভেচ্ছা আপনাকে।

৪| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:৩৩

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ভাল লেগেছে।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:৫৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই আপনাকে। বহুদিন পর আপনাকে দেখে খুশি হয়েছি।
মনে হয় পুরানো আইডি গুলো ফিরে পাননি।
পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
শুভেচ্ছা আপনাকে।

৫| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:৪৭

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: কাহিনীর নতুন মোড় আসছে মনে হয়। সোভিয়েত সৈন্যরা এতো ভালো, এটা বিশ্বাস হচ্ছে না। বরাবরই বুবু তার ভাইকে তার নির্যাতনের এতো পুঙ্খানুপুঙ্খও বর্ণনা দিচ্ছেন, এটা একটু অস্বাভাবিক লাগছে। একটা নির্যাতিত নারী এইসব বিষয়ে একটা পুরুষকে বিস্তারিত বলার কথা না।

তবে কাহিনী ভালো লাগছে। :)

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:৪৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় সাচু ভাই,

দুঃখিত যে লেখনীতে আমি ঠিক বিষয়টি ফুটিয়ে তুলতে পারিনি। যে কারণে আপনাকে সরাসরি এমন প্রশ্ন করতে হয়েছে। একটা অর্ধ শিক্ষিত গ্রাম্য মেয়ের শিক্ষা বলতে প্রাথমিকে গণ্ডি উত্তীর্ণ এবং সঙ্গে মূলত বাড়িতে ইসলামিক শিক্ষা তাকে সম্বল করে বাঘা বাঘা ভিনদেশী অফিসারদের মাপা কার্যত অসম্ভব। বিদেশি সেনারা তাকে টোপ হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে। শুরুতে সে তাদের সঙ্গে মুজাহিদের মিলিয়েও ফেলেছিল। কিন্তু পরের দিকে তাদের ভালো ব্যবহারে খুশি হয় কিন্তু তার আড়ালে সেনাদের আসল উদ্দেশ্যর কথা সে বুঝতে পারেনি। এক্ষেত্রে ভাষা বুঝতে না পারাটা পরে তার অনুকূলে গিয়েছিল। যদিও সেনারাও কিছুতেই হাল ছাড়তে রাজি ছিল না। বিভিন্ন স্থানে তাকে নিয়ে জেরা করেছে। বারংবার জেরায় নুতন কিছু উঠে না এলেও ওরা কোনো নুতন তথ্যের আশায় রমিসা বুবুর সঙ্গে কোনো অশালীন আচরণ করেনি।
সর্বোপরি তাদের ছাড়পত্র নিয়ে তবেই তো ও ওদেশ ছাড়তে পেরেছিল।

নারী নির্যাতনের বিষয়টি নিয়ে আপনি প্রশ্ন তুলেছেন। খুবই সঙ্গত প্রশ্ন। আপনি জানেন এ কথা জেনেও বলছি, একজন সাংবাদিক ঘটনার বিবরণ দেন তার মধ্যে ফাঁকফোকর থাকে। আবার পুলিশের জেরার মধ্যে সঠিক তথ্য কখনোবা উঠে আসে। এই দুজন থেকে একটু ভিন্ন ভাবে চলেন একজন লেখক।তিনিও ঘটনার বর্ণনা দেন তবে তিনি কাহিনী বিন্যাস করে আপ্রাণ চেষ্টা করেন স্থান, কাল, পরিবেশকে চোখের সামনে ফুটিয়ে তুলতে। উদ্দেশ্য সমাজে কোন না কোন অবক্ষয়তাকে তুলে ধরা। কাজেই কাহিনী বিনির্মাণে সহায়ক বলে লেখকের মনের কথা অনেকেরই অবাস্তব লাগতেই পারে। পাঠকের চিন্তার স্বাধীনতা থাকাটা যে খুব স্বাভাবিক।
সবশেষে কিছু প্রশ্ন থাকলেও কাহিনী ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
শুভেচ্ছা জানবেন।

৬| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:০৪

রানার ব্লগ বলেছেন: পরবর্তি পর্বের অপেক্ষায় !!!

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:১০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: বহুদিন পর আমার কোনো পোস্টে আপনার আগমন। সু স্বাগতম আপনাকে। জ্বী পরবর্তী পর্ব সপ্তাহের মধ্যে দেওয়ার চেষ্টা করব।
শুভেচ্ছা আপনাকে।

৭| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:২০

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: কী দুঃখজনক লেখা হারিয়ে যাওয়া। আমার এমন অনেক বার হয়েছে। প্রথমে যা লিখছিলাম পরে আর তা আসে না। যাই হোক পর্ব ভালো লেগেছে। আগামী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৩৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: "কী দুঃখজনক লেখা হারিয়ে যাওয়া। আমার এমন অনেক বার হয়েছে। প্রথমে যা লিখছিলাম পরে আর তা আসে না।"- ঠিক তাই আপু এতোটা খারাপ লাগছিল যে বলার নয়. ‌‌

পোস্ট ভাল লেগেছে জেনে খুশি হয়েছি। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
পরের পর্ব সপ্তাহের মধ্যে পোস্ট করার ইচ্ছা আছে। আশাকরি সঙ্গে থাকবেন।
পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।

৮| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:১৯

ইসিয়াক বলেছেন:





এই পর্বটাও ভালো লাগলো...।

এত খুঁটিনাটি বিবরণ মনে হচ্ছে আপনিই স্পটে ছিলেন ;) । আরও কিছু বলতাম, না থাক .... আজ আপনার মন ভালো নেই ,আমি জানি =p~ =p~ =p~

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৪৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: এতো ব্যস্ততার মাঝেও সময় করে এসেছেন বা কমেন্ট করেছেন এটাই আমার কাছে পরম প্রাপ্তির...... অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। আর লেখকদের সবসময় স্পটে থাকতে হবে কেন? লেখকের চিন্তার কি কোনো গভীরতা থাকতে পারে না,? স্পটে থাকার কথা তো বলেছেন। খুঁটিনাটি বিষয় উল্লেখ করতেই পোস্টটি দেওয়া। পোস্টটিতে like'করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
আশাকরি আগামীতেও এভাবে পাশে পাবো।
নিরন্তর শুভেচ্ছা জানবেন।

৯| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৩৯

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: সুন্দর হয়েছে এ পর্বটিও।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:০৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় ভাই আপনাকে।
পোস্টটিতে like'করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
শুভকামনা জানবেন।

১০| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:৩৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কইছিলেন তো তিন পর্বে সমাপ্য! তা আর কয়টা পর্ব আছে? B:-)

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:২৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অনেকেই অনেক কিছু কয়ে থাকে তো সবাই কি সবকথা রাখতে পারেন? আমরা উপমহাদেশে রাজনীতিবিদদের দেখে আসছি মন খুলে পোরোতিশুরুতি দিয়ে থাকেন।আজ পর্যন্ত কতজন নিজেদের কথা রাখতে পেরেছেন? আর তা না পারার জন্য কি কারো শাসতি হয়েছে? অবশ্য বড় বড় আশার বাণী যারা দেন তারা খুবই বড় মনের মানুষ।গোটা উপমহাদেশের রাজনীতিবিদদের মতো বড় মন বিশশের অন্য কোনো দেশে খুঁজে পাওয়া যাবে না।এ আমাগো এক গরবের ব্যাপার।আপনি বিরিটেনের রাজকার্য সামলাতে গিয়ে এদেশের রাজনীতিকদের পোরোতি সমমান ভুলে গেছেন।যাক সে কথা। পোস্ট প্রসঙ্গে, আমি তো উলটে কম দেবো বলেও বেশি বেশি দিছি।তাতে আপনি এমন করে মোকোরদোমা করার ভয় দেখান কেন?

১১| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৫:২১

জুন বলেছেন: লেখা হারিয়ে যাওয়া যে কত কষ্টের এই অভিজ্ঞতা আমার আছে। ব্লগীয় জীবনের প্রথম দিকে ইতালির ভিসুভিয়াস নিয়ে মনে করে করে লিখছিলাম, তখন তো ব্লগ কি জানতাম না তাই সেই ভ্রমণের কোন নোটও লিখি নাই। প্রায় শেষ পর্যায়ে এসে এমন সময় কই জানি হাত পরলো পুরা পোস্ট ডিলিট। আমি জানা আপাকেও জানিয়েছিলাম কিন্ত ওনারাও কিছু কর‍তে পারেনি। অটো সেভ ও দেই নাই আর সামুর পেইজেই লিখছিলাম। এরপর থেকে গুরুত্বপূর্ণ লেখা হলে আমি ওয়ার্ডে লিখি পদাতিক।
যাইহোক আমিও অপেক্ষায় আছি শেষ হলে শুরু করার জন্য :)
অনেক ভালো লাগা রইলো।
+

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:৪৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন:
"লেখা হারিয়ে যাওয়া যে কত কষ্টের এই অভিজ্ঞতা আমার আছে। ব্লগীয় জীবনের প্রথম দিকে ইতালির ভিসুভিয়াস নিয়ে মনে করে করে লিখছিলাম, তখন তো ব্লগ কি জানতাম না তাই সেই ভ্রমণের কোন নোটও লিখি নাই। প্রায় শেষ পর্যায়ে এসে এমন সময় কই জানি হাত পরলো পুরা পোস্ট ডিলিট। "- আপনি ঠিক ধরেছেন আপু। আপনার যেহেতু এমন অভিজ্ঞতা আছে কাজেই কি হতাশা আসে বিষয়টি জানেন। আমি যে কি অবস্থায় ছিলাম তা বলে বোঝাতে পারবো না।টাকা পয়সা হারানোর হতাশা এক। কিন্তু লেখা হারানোর যন্ত্রণা সম্পূর্ণ ভিন্ন।আপনি যেমন ওয়ার্ডে লেখেন আমিও তেমনি একটা জায়গা বেছে নিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানেও বিপদ আছে।
আর সামু তো সেই মান্ধাতার আমলেই পড়ে আছে। যে পর্যন্ত লিখে রাখি নতুন করে এডিট করতে গিয়ে দেখি অনেকটা গায়েব হয়ে গেছে। আর তাছাড়া স্পেস দিয়ে যে লেখার রীতি অনুসরণ করি সে সব উধাও হয়ে যায়।আর এই কারণেই সামুকে বাদ দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ড্রাফটিং এর জন্য খুঁজে বেড়ানো।

আপনি জানেন তবুও বলছি আপু, সেই ছোট থেকে শুনে আসছি মাস্টারমশাইরা বারেবারে বলতেন পড়াশোনা কখনো জমিয়ে না রাখতে কারণ বেশি জমালে পরীক্ষার সময় চোখে অন্ধকার দেখতে হবে।
আপনার একাগ্রতায় বিঘ্ন ঘটতে পারে বা সংসারের ঝক্কির কারণে বেশিক্ষণ সময় দিয়ে বড় লেখা পড়ার ধৈর্য নাও কুলাতে পারে ভেবে ছোট ছোট পর্বাকারে ব্লগে পোস্ট দেই। দেওয়ার সময় সবার আগে আপনার কথা মাথায় রাখি। উদ্দেশ্য যাতে সংসারের কোনো কাজে বিঘ্ন না ঘটে। কিন্তু আপনি সব জমিয়ে রাখছেন। বাস্তবে যেদিন এই গল্পটা শেষ হবে তখন যদি অনেকক্ষণ ধরে ব্লগে পড়াশোনা করার জন্য বাসায় বকা খান আমাকে দোষ দিতে পারবেনা না।হেহে হে.....

১২| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৩২

রাজীব নুর বলেছেন: দাদা আপনি কেন আগে সামুতে লেখা পোষ্ট না করে ফেসবুকে দেন?

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:৫০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অনেকগুলো কারণ আছে। আমি একসঙ্গে অনেক লেখা লিখতে পারি না।সময় নিয়ে নিয়ে লিখতে হয়।সামুতে কিছু লিখলে পরে আবার লিখতে গিয়ে দেখি আগের লেখার অনেকটা উধাও। পাশাপাশি সব হিজিবিজি হয়ে একাকার হয়ে যায়। একদিকে টাইপিং অপর দিকে হিজিবিজি ঠিক করে তবেই আবার সামুর ড্রাফ্টিং লিখতে হয়।এসব কিছু ঝক্কি না পোয়াতে অন্য কোনো নিরাপদ স্থানে লেখা লিখে রাখতেই বিকল্প ভাবনা।
আশাকরি ভাইকে ঠিকমতো বুঝাতে পেরেছি।
শুভেচ্ছা প্রিয় ছোট ভাইকে।

১৩| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:১৩

মনিরা সুলতানা বলেছেন: মাঝে দু এক পর্ব মিস হলেও রমিসা বুবুর জন্য মন কেমন লাগছে, আশা করছি এ অমানবিক জীবনের গল্পের সূর্যদয় খুব শিগ্রীই হবে। লেখায় ভালোলাগা।

০১ লা অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১২:৩১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
ব্যস্ততার জন্য দু একটি পর্ব মিস হতেই পারে তবুও যে মনে করে এসেছেন এটাই বড় প্রাপ্তি। গল্পের টার্ন সেদিকে যেতে পারে আপু। পরের পর্বগুলোতে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। তবে কারো জীবনে একবার পতন শুরু হলে সহজে সুস্থিতি আসেনা। দেখা যাক রমিসাবুবুর বাকি জীবনের পরিণতি কোনদিকে যায়।
পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।

১৪| ০১ লা অক্টোবর, ২০২১ রাত ১০:৫৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: লেখা একবার হারিয়ে গেলে সে লেখাকে পুনর্বার আগের মত সাজিয়ে লেখা যায় না। এ দুর্ঘটনা মনে গভীর শোকের ও ক্ষতের সৃষ্টি করে থাকে।

সোভিয়েট সৈন্যদের ভালো আচরণের কথা শুনে ভালো লাগলো।

দ্বিতীয় লাইনে 'আরষ্ট' শব্দটার শুদ্ধ বানান 'আড়ষ্ট' হবে। পঞ্চম লাইনে 'মতো' দুইবার এসেছে, একবার হলেই যথেষ্ট।

পোস্টে ত্রয়োদশ প্লাস। + +

০২ রা অক্টোবর, ২০২১ রাত ১০:৩২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: জ্বী স্যার একদম ঠিক কথা বলেছেন। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি লেখা হারিয়ে গেলে এত অসহায় লাগে যে বলে বোঝানো সম্ভব নয়। কাজেই দেহমনে অস্থিরতা বহুগুণ বেড়ে যায়।

সোভিয়েত সৈন্যেরা ওর সাথে ভালো ব্যবহার করেছিল উদ্দেশ্য ছিল ওকে কাজে লাগানোর। প্রচুর ঘুরিয়েছে, অসংখ্য বার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। কিন্তু ভাষা বুঝতে না পারায় ওদের প্রচেষ্টা নষ্ট হয়ে যায়। হ্যাঁ একথা ঠিকই সোভিয়েত সৈন্যেরা বুবুকে কোনো দৈনিক শান্তি বা অশালীন আচরণ করেনি।

পোস্টটিকে নিখুঁতভাবে পড়ার আবারো ধন্যবাদ স্যার আপনাকে। আপনি বলার পর জায়গা দুটি ঠিক করে দিয়েছি।
পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
নিরন্তর শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা স্যার আপনাকে।


১৫| ০২ রা অক্টোবর, ২০২১ সকাল ৯:১২

হাবিব বলেছেন: এযেন সত্য কাহিনী। সব কিছু যেন চোখের সামনে দেখছি!

আমার একটা লেখা একবার হারিয়ে গিয়েছিলো। খুবই কষ্ট পেয়েছিলাম

০২ রা অক্টোবর, ২০২১ রাত ১১:১৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই আপনাকে। আপনারা এমন প্রশংসনীয় বাক্যে খুশি হলাম। আবারো ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখা হারিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা তাহলে দেখছি আমার একার নয়। আপনাদের অনেকেরই দেখছি এমন অভিজ্ঞতা হয়েছে। বিষয়টা খুবই হতাশা ব্যঞ্জক। অবশ্যই কয়েকদিন যেতেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া যায়।

পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।

১৬| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ১২:৪৫

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া

সবগুলো পর্বই পড়েছি।

লকআপের লোকটা ঐ শয়তান মুজাহিদটাই হোক আর তাকে গুলি মরে মারুক রামিসা।

১৬ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ৯:৫৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপু আপনাকে। একদিনেই সবকটি পর্ব পড়ে ফেলার জন্য।

"লকআপের লোকটা ঐ শয়তান মুজাহিদটাই হোক আর তাকে গুলি মরে মারুক রামিসা।"- ভালো বলেছেন আপু। তবে বিষয়টি কি হয় তার জন্য পরবর্তী পর্ব পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে।
পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
অফুরান শুভেচ্ছা আপনাকে।

১৭| ২৪ শে অক্টোবর, ২০২১ রাত ২:৫৮

সোহানী বলেছেন: লিখা সেভ এর ঝামেলা আমি বহুবার সহ্য করেছি আর হারিয়েছি অসংখ্য লিখা। এখন কিছু ট্যাকনিক খাটাই তাই লিখা লস্ট হয় না।

এমন উৎকন্ঠার জায়গায় থামলেন। তবে রমিসার উচিত সবগুলারে একটা একটা করে ধরিয়ে দেয়া। চলুক।

২৪ শে অক্টোবর, ২০২১ রাত ১০:২৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন:
"লিখা সেভ এর ঝামেলা আমি বহুবার সহ্য করেছি আর হারিয়েছি অসংখ্য লিখা। এখন কিছু ট্যাকনিক খাটাই তাই লিখা লস্ট হয় না।"--জ্বী আপু খুবই সমস্যায় পড়েছিলাম। একটা বিষয় লক্ষ্য করলাম যারা লেখালেখি করেন প্রায় সবাই জীবনে কোনো না কোনো সময়ে এমন সমস্যায় পড়েছেন। কাজেই লেখা হারানোর ব্যাথা তাহলে কমবেশি সবাই আছে......

পোস্ট নিয়ে আপনার মতামত ভালো লেগেছে। খুব শীঘ্রই পরবর্তী পর্ব পোস্ট করবো।
পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।

১৮| ১৫ ই নভেম্বর, ২০২১ রাত ২:১৪

প্রামানিক বলেছেন: এই পর্ব পড়ে গেলাম বাকিগুলোও আস্তে আস্তে পড়বো। আপনি কেমন আছেন?

১৫ ই নভেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অনেকদিন পর আপনাকে পেয়ে আনন্দ পেলাম। উপরওয়ালার ইচ্ছায় ভালো আছি। আশাকরি আপনিও সপরিবারে ভালো আছেন। পেশাগত বদলির কারণে ও বিশেষ একটি কারণে বিগত বেশ কিছুদিন খুব সমস্যায় ছিলাম। তবে কাজের চাপ অত্যধিক বেড়ে যাওয়ায় পোস্ট দেওয়ার সময় হয়ে উঠছে না।
শুভকামনা আপনাকে।

১৯| ১৫ ই নভেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:২৩

ইসিয়াক বলেছেন:




খুব শিঘ্রি পোস্ট করবো????????!!!???!!!



আর কত দিবস ও রজনী পোহালে সেই মহেন্দ্রক্ষণ উপস্থিত হবে? X((

১৫ ই নভেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: খুব সমস্যায় ছিলাম। ব্যক্তিগত বিষয় এভাবে বলাটা শোভনীয় হচ্ছে না। তবে এই মুহূর্তে কাজের চাপ অত্যধিক বেশি। কবে আবার নতুন করে সময় বার করে পোস্ট দিতে পারবো এ বিষয়ে সংশয়ে রইলাম।
আপনি তাড়া দিচ্ছেন আমি সত্যিই লজ্জিত। আপাতত লজ্জায় মুখ দেখানোর রাস্তা নেই।

ভালো থাকবেন সবসময়। শুভকামনা আপনাকে।

২০| ১৫ ই নভেম্বর, ২০২১ রাত ৯:১০

ইসিয়াক বলেছেন:







কি আর করা! আপাতত ফুলেল শুভেচছা রইলো।

১৬ ই নভেম্বর, ২০২১ রাত ৮:০৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় ইসিয়াক ভাই আপনাকে ‌‌। সময়ে পোস্ট না দিয়েও এমন আন্তরিকতায় খুশি হয়েছি।
ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা আপনাকে।

২১| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০২১ রাত ৮:১৫

প্রামানিক বলেছেন: কষ্ট করে লেখার পর সেই লেখা হারিয়ে গেলে তার চেয়ে কষ্ট আর কিছু নাই। পুরো লেখাটিই পড়লাম ভালো লাগল। ধন্যবাদ পদাতিক দা

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:৪৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন:
"কষ্ট করে লেখার পর সেই লেখা হারিয়ে গেলে তার চেয়ে কষ্ট আর কিছু নাই। পুরো লেখাটিই পড়লাম ভালো লাগল।"- একেবারে যথার্থই বলেছেন লেখা হারিয়ে গেলে যে মানসিক যন্ত্রণার পড়তে হয় তা আর বলে বোঝানো যাবে না। বর্তমান সময়ে কর্মব্যস্ততা এতটাই বেড়ে গেছে যে আর নতুন লেখা দেয়ার সময় কিছুতেই হয়ে উঠছে না। পুরানা পোস্ট পড়ে আন্তরিক একটা কমেন্ট করার জন্য প্রীত হলাম অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় প্রামানিক ভাইকে।

শুভকামনা জানবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.