নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিতান্তই অলস।মুখে যা প্রকাশ করতে পারি না তা লিখে প্রকাশ করতে পারলেও মনটা অনেক হাল্কা হয়। এই জন্যই আমার লেখা-লেখির ইচ্ছা,, আহামরি কিছু লিখতে পারি না কিন্তু লেখা যত দুর্বল-ই হোক না কেন তা মনের ভাব প্রকাশ করে বলে আমি মনে করি।।।

ফাহিম পিকলু

নতুন করে হোক না শুরু আবার

ফাহিম পিকলু › বিস্তারিত পোস্টঃ

কল্পনার অবারিত পান্তর

১৭ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১:৪৭

আপনার শিশুটি কি পড়ার বই না পরে পড়ছে গল্পের বই? তাহলে তাকে কী করবেন? কষে একটা দমক? নাকি গল্পের বই কেরে নিয়ে ঘাড় ধরে বই পড়িয়ে তোতাপাখি বানানো? এবং বাইরের বই পড়ার দায়ে কোন শাস্তি?

বাংলাদেশের অভিভাবকদের পুরানো স্বভাব এটা।আপনি একটু মনে করে বলুনতো, স্কুলে পড়ার সময় একবার হলেও বাবা-মায়ের বকা খেয়েছেন কিনা গল্পের বই পড়ার জন্য।
কিন্তু গল্পের বই কি আপনার পড়ার বইয়ের চাইতে ক্ষতিকর? গল্পের বই না পড়ে পাঠ্যবইয়ের তোতাপাখি হওয়াটাই ভাল?

না। বরং অনেক ক্ষেত্রে এই আউট বই, গল্পের বইগুলাই শিক্ষার্থীদের মনের জানালাটা খুলে দিতে পারে।
আমরা মানুষ আমরা কল্পনা করতে পারি,স্বপ্ন দেখতে পারি। কিন্তু সেই স্বপ্ন দেখতে হলে কল্পনাও করাটাও রপ্ত করতে হবে। আর তা করার উপায় হল গল্পের বই পড়া।আমাদের পাঠ্যবই যে ভাবে লেখা হয়,তাতে আমরা গনিতের বদলে শিখে দুধে পানি মেশানো,অদ্ভুত কোন তৈলাক্ত বাঁশ,আর বাংলা কবিতার ফুলের গন্ধে ঘুম না আসা কাজলা দিদির জন্য আবেগের বদলে কবিতার কয়েক লাইন মুখস্ত করে হয় তোতা পাখি।

স্বপ্নদেখা ভবিষ্যত প্রজন্মকে গড়তে হলে তাদের কল্পনার রাজ্য হতে হবে অবারিত।তাই শিশুদের গল্পের বই পড়তে দিন,শিশুতোষ কার্টুন দেখতে দিন,আজগুবি হলেও নানা কাহিনী,রুপকথা,এসব পড়ে কল্পনার রাজ্যে দিন হারাতে।

কারণ আমরা চাই না একদল রোবট কিংবা ভেড়ার দল।আমরা চাই ভবিষ্যত প্রজন্ম হিসাবে একদল মানুষ।স্বপ্ন দেখা,কল্পনা করা,কল্পনাকে বাস্তবে রুপ দেয়া মানুষ।

-রাগিব হাসান

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.