![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গণতন্ত্র মুক্তি পাক, পরিবারতন্ত্র নিপাত যাক
আমাদের রাষ্ট্রপতি মহোদয় জনাব ট্রাম্প আজ বিকেলেই সম্ভবত ৫০ টিরও বেশী দেশের আমদানীকৃত পণ্যের উপর নতুন শুল্ক বসানোর সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনিও একটি তালিকাও প্রদর্শন করেছেন। হোয়াইট হাউসের এক্স একাউন্টের টুইটেও দেশগুলোর নাম, ঐসব দেশে আমদানিকৃত আমেরিকান পণ্যের উপর আরোপিত বর্তমান শুল্কের পরিমান ও আমেরিকায় আমাদানিকৃত ঐসব দেশের পণ্যের নতুন শুল্কের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে ও তাদের ওয়েব সাইটে রাষ্ট্রপতি মহোদয় এ ব্যাপারে ব্যাখ্যাও দিয়েছেন, সময় নিয়ে পড়তে পারেন (সূত্র)।
ট্যারিফ / শুল্ক
পৃথিবীর সব দেশের সরকারই বিভিন্ন ধরনের আমদানিকৃত পণ্যের উপর কম-বেশী ট্যারিফ/শুল্ক নির্ধারণ করে থাকে। বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। কোন দেশ থেকে আমাদানি করা হচ্ছে, কি ধরনের পণ্য আমদানি করা হচ্ছে, ঐ দেশের সাথে বাণিজ্য সম্পর্ক অথবা ঐ দেশের সাথে আমদানিকৃত পণ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন চুক্তি আছে কি না ইত্যাদি বিষয়গুলো আমলে নিয়ে সাধারণে এই শুল্ক নির্ধারণ করা হয়। আমদানিকৃত পণ্যের উপর শুল্ক মূলত আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায় (সরকারি/বেসরকারি) কিংবা ব্যক্তি দিয়ে থাকেন যা মূলত সরকারের কোষাগারে জমা হয়।
একটা উদাহরণ দেয়া যেতে পারে বিষয়টি পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য। ধরুন জনাব রহিম একজন বাংলাদেশী যিনি আমেরিকার ডেল কম্পিউটার কোম্পানী থেকে একটি কম্পিউটার আমদানি করতে চাচ্ছেন বাংলাদেশে বিক্রয়ের জন্য। আমেরিকায় কম্পিউটারটির বাজারমূল্য ধরুন ১০০ ডলার (আনুমানিক ১২,০০০ টাকা @ ১২০ টাকা = ১ ডলার রেট)। পণ্যটি ক্রয়ের পর তিনি সমুদ্রপথে পণ্যটি নিয়ে এসেছেন বাংলাদেশে যার জন্য শিপিং বাবদ তার খরচ হয়েছে ৫ ডলার। বাংলাদেশের সমুদ্র বন্দরে আসার পর বাংলাদেশে শুল্ক বিভাগ জনাব রহিমকে ৭০ (আনুমানিক ৭০% শুল্ক) ডলার শুল্ক প্রদান করে পণ্যটি নিয়ে যেতে বলেছেন। জনাব রহিম ৭০ ডলার পরিশোধ করেন এবং পন্যটি খালাস করে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা নিয়ে আসার জন্য আরো ২ ডলার পরিবহণ খরচ হিসেবে পরিশোধ করলে। পণ্যটি ক্রয় থেকে তার হাতে আসা পর্যন্ত তিনি সর্বমোট খরচ করলেন ১৭৭ ডলার বা (২১,৫৯৪ টাকা)। ধরে নিলাম সর্বসাকূল্যে সেটা ২২ হাজার টাকা। তিনি পণ্যটি ৫০০০ টাকা মুনাফায় বিক্রি করেছেন জনাব এক্স এর কাছে ২৭ হাজার টাকায় (উদাহরণ হিসেবে )।
লক্ষ্য করুণ, বাংলাদেশ সরকার শুল্ক হিসেবে জনাব রহিমের কাছ থেকে মূল দামের ৭০% শুল্ক আদায় করেছে। এই শুল্ক যদি মূল দামের ১০% হতো তবে জনাব রহিমের ক্রয় খরচ আরো কম হতো (১১৭ ডলার / ১৪,২৭৪ টাকা) ও ৫০০০ টাকায় মুনাফার বিক্রি করতে চাইলেও তিনি পণ্যটি ১৯ হাজার টাকায় বিক্রয় করতে পারতেন। কিন্তু ৭০% ট্যারিফ বা শুল্ক থাকায় তার প্রকৃত ক্রয় মূল্য অনেক বেশী বেড়ে যাচ্ছে। যা হয়তো জনাব এক্স-কে অনুৎসাহিত করতো আমেরিকা থেকে আমদানিকৃত কম্পিটার ক্রয় না করতে। দেশে থেকেই একই ক্ষমতার কম্পিউটার হয়তো ক্রয় করতে চাইতেন আরো কম দামে। যদি তিনি ক্রয় করেনও তার মানে দাঁড়ালো ট্যারিফ মূলত বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই চূড়ান্ত ভোক্তা প্রদান করে থাকেন (এ ক্ষেত্রে জনাব এক্স)। পন্যের সার্বিক চাহিদা কম থাকলে অনেক সময় বিক্রেতাও (জনাব রহিম) ট্যারিফ বা খরচের কিছুটা নিজেও বহন করে বিক্রেতার কাছে ১৮৫০০ টাকায়ও বিক্রি করতে পারেন। মূলত এভাবেই ট্যারিফ বৃদ্ধি বা কমানো পণ্যের মূল্য নির্ধারণে ভূমিকা রেখে থাকে ও বৈদেশিক পণ্য আমদানিতে উৎসাহিত বা অনুৎসাহিত করে রাখার মতো ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশে ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য
বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্টের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য কখনোই আমেরিকার অনুকূলে (ফেভারেবল) ছিলো না। এই বাণিজ্যে বাংলাদেশ বরাবরই সুবিধা পেয়ে এসেছে বা একতরফাভাবে লাভ করেছে বা বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট থেকে আমদানির তুলনায় রপ্তানি অনেক বেশী করেছে। পৃথিবীর বেশীরভাগ দেশই এভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ব্যবসা করে লাভ করেছে। বাণিজ্যে আমেরিকার ঘাটতি অনেক বেশী। এটাকে আমি স্বাভাবিক হিসেবেই দেখছি কারণ দু'দেশের অর্থনীতির আকার ও তাদের ভোক্তাদের মাঝে ক্রয় ক্ষমতার ব্যবধান অনেক বেশী ব্যাপক। তদুপরি মনে রাখতে হবে যে এই বাণিজ্য ঘাটতি আমেরিকার সার্বিক অর্থনীতিতে কিছুটা হলেও প্রতিকূলতার সৃষ্টি করেছে। অতীতে চীনও এভাবেই এক তরফা ব্যবসা করে আজকের অবস্থানে এসেছে, এ কথা স্বয়ং শি জিংপিং-ও অস্বীকার করতে পারবে না।
বাংলাদেশের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি বর্তমানে প্রায় ৮.৪ বিলিয়ন ডলার। ২০২৪ সালের সরকারের হিসেব অনুযায়ী বাংলাদেশ সর্বমোট ১০.৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে (এর মধ্যে কাপড়জাত পন্য সম্ভবত প্রায় ২ বিলিয়ন)। ২০২৩ সালের তুলনায় যা ১.১% বেশী। অন্যদিকে ২০২৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে রপ্তানির পরিমাণ ছিলো ২.২ বিলিয়ন ডলার যা ২০২৩ সালের তুলনায় ১.৫% কমে এসেছে (সূত্র)। অন্যভাবে বলতে গেলে বাংলাদেশের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সার্বিক ব্যবসায় ঘাটতি/ব্যবধান আরো বেড়েছে। এটা মোটাদাগে কখনোই আমেরিকার জন্য অনুকূলে নয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বৃদ্ধি
বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাঝে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতির এই একই চিত্র বিশ্বের প্রায় সব দেশের সাথেই কম-বেশী রয়েছে। বর্তমান মার্কিন প্রশাসন চাইছে এই ব্যবধান কমিয়ে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রাখতে। বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার প্রচেষ্টার একটি পন্থা হিসেবে সরকারি আয় আরও বাড়াতেই মূলত শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। কারণ দিন শেষে বাণিজ্য ঘাটতির জন্য মূল্য চুকাতে হবে আমেরিকার জনগণকেই।
দ্বিতীয় পন্থা হিসেবে আমেরিকার রপ্তানি বাড়ানোর বিকল্প নেই। সমস্যা হলো, বাংলাদেশের মতো অনেক দেশই তাদের দেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য প্রবেশে বাধা সৃষ্টির জন্য অনেক আগে থেকেই বিশাল শুল্ক আরোপ করে রেখেছে। যেমন উপরে উল্লেখিত জনাব রহিমের উদাহরণটি ধরে নিতে পারেন। এর পেছনেও অনেক কারণ রয়েছে। যেমন পৃথিবীর সব দেশই চাইবে নিজ দেশের ব্যবসায়গুলো যেন তুলনামূলক প্রতিযোগীতায় না পড়ে কারন বড় বড় অর্থনীতির দেশগুলো উৎপাদন ক্ষমতা স্বাভাবিকভাবেই বেশী। তাদের পন্য বাংলাদেশে অবাধে প্রবেশ করতে দিলে বাংলাদেশের বাজারে স্থানীয় ব্যবসায়গুলো বাণিজ্য হারাবে। এ ধরনের রক্ষণশীল নীতি বেশ স্বাভাবিক বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো তুলনামূলক ছোট অর্থনীতির জন্য সেটা বিরাট সমস্যা হিসেবে আর্বিভাব হতে পারে।
কিছু ভাবনা
মোটাদাগে বলতে গেলে আমেরিকা থেকে অতীব প্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়া খুব বেশী পণ্য আমদানি করা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয়। বাংলাদেশের নীতি-নির্ধারকরা সেটা বেশ ভালোই জানেন বলে আমি মনে করি। যেমন আমরা স্বাভাবিক সময়ে এক ডজন ডিম ৩ ডলারের মতো দামেও ক্রয় করেছি। কিন্তু সাম্প্রতিক একটা সমস্যার কারণে ডিমের দাম আমেরিকায় বেশ বেড়ে গিয়েছে। রোজার সময় কিছুদিন আগেও আমি এক ডজন ডিম ক্রয় করেছি ৯ ডলারের বেশী দিয়ে। কারণ ডিমতো খেতে হবে। কিন্তু ভাবুন তো সেটা বাংলাদেশের সকল সাধারণ মানুষের পক্ষে কি সম্ভব হবে? ক্রয় ক্ষমতা থাকলে আপনি ১০ ডলারেও এক ডজন ডিম খাবেন আর এটাই স্বাভাবিক।
বাংলাদেশ মূলত যেসব পণ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করে, সেগুলো অনেকটাই নিত্য প্রয়োজনীয়। কাপড়-চোপড়তো বটেই। যুক্তরাষ্ট্রের একজন ক্রেতা একটা টি-শার্ট এর দাম ২/৩ ডলার বাড়লেও ক্রয় করার ক্ষমতা রাখে তাই আমার ব্যক্তিগত ধারনা ট্রাম্প-এর আরোপিত নতুন শুল্ক বাংলাদেশের রপ্তানিতে কিছুটা নেতিবাচক ভূমিকা রাখলেও মোটাদাগে খুব বেশী আহামরি কোন সমস্যা হবে বলে আমার মনে হয় না। যদিও সেটা সময়ই ভালো বলতে পারবে, আমরা শুধু অনুমান করতে পারি কিছুটা। তাই এটা নিয়ে খুব বেশী চিন্তিত হওয়ার কারণ আছে বলেও আমি মনে করি না। তবে সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করতে পারে যদি অন্য কোন প্রতিযোগী রাষ্ট্র প্রতিযোগীতামূলক দামের ক্ষেত্রে বাংলাদেশেকেও ছাড়িয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে ভিয়েতনাম বা আফ্রিকার কিছু দেশও থাকতে পারে তাই এ ব্যাপারে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের আরো কিছুটা সতর্ক হতে হবে অবশ্যই।
আপনারা লক্ষ্য করে থাকবেন, ক'দিন আগেই বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকতা এসে বাংলাদেশের আর্মি প্রধানের সাথে দেখা করে গেছেন। বাংলাদেশের আর্মির সাথে ইউ.এস. আর্মির একটি সামরিক মহড়া/এক্সারসাইজ ক'দিন পরেই দেখতে পাবেন। এটিকে আপনি সামরিক সম্পর্ক বাড়ানোর পাশাপাশি সামরিক পণ্য প্রদর্শন তথা রপ্তানির একটি পন্থা বলেই মনে করি। আমেরিকা দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশকে তাদের সামরিক সরঞ্জান ক্রয়ের ব্যাপারে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই একই পন্থা অবলম্বন করে বিগত ট্রাম্প প্রশাসনের সময়েও আমেরিকা সৌদি আরবের কাছে বেশ কয়েক বিলিয়ন ডলারের সরঞ্জাম বিক্রি করেছে। বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর এটা একটা বড় হাতিয়ার কোন সন্দেহ নেই। হাসিনার সময়ও এ প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে তবে সেটা শেষ পর্যন্ত সফলতার মুখ দেখেনি মূলত রাশিয়া, চীন ও ভারতের কারনে।
বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীয় আধুনিকায়নের বিশাল প্রজেক্ট থাকলেও সেটা বিলম্বিত হচ্ছে বহুদিন ধরেই। মাঝে টুকটাক কিছু সরঞ্জাম ক্রয় করা হলেও মোটাদাগে বড় ধরনের কোন কেনাকাটা হয় নি। পরিবর্তিত পরিস্থিতে এবং বিদ্যমান সঙ্কট মাথায় রেখে ওদিকটায় কিছুটা নজর দিলে আমেরিকায় সাথে সম্পর্কের শীতলতা কিছুটা হলেও প্রশমন সম্ভব, অন্তত ট্রাম্প প্রশাসনের ক্ষেত্রে এটা অবশ্যই জরুরী। তার প্রশাসন যাত্রা শুরু করেছে বেশীদিন হয়নি, আরো চার বছর এই প্রশাসনকে উপেক্ষা করা বাংলাদেশের জন্য কঠিন হবে।
পাশাপাশি বাংলাদেশী পণ্যের নতুন বাজার সৃষ্টি তথা এক্সপ্লোর করার বিকল্প নেই। সেদিক থেকে বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্য যেমন ওষুধ, মোবাইল ফোন, টেলিভিশন, মোটরসাইকেল ইত্যাদির জন্য আফ্রিকা ও উত্তর আমেরিকার বাজার বিশ্লেষণ জরুরী। সেই সাথে দেশে প্রযুক্তি সম্পর্কিত দক্ষ জনবল গড়ার দিকে আরো বেশী মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন। রপ্তানি শুধু পণ্য নয়, সেবা দিয়ে করা সম্ভব আর সে দিকটায় দৃষ্টিপাত করলে আমাদের বিশাল যে জনসম্পদ রয়েছে তার সঠিক ব্যবহার করতে পারলে বাংলাদেশের জন্য তেমন ভীত হওয়ার কোন কারণ আছে বলে আমার মনে হয় না।
নোট: আমি কোন অর্থনীতিবিদ নই। উপরে উল্লেখিত বিষয়বস্তু ও তথ্য নিতান্তই ব্যক্তিগত চিন্তা ও আর্ন্তজালে বিভিন্ন তথ্যের সূত্রের উপর ভিত্তি করে তৈরী করা। কোন ভুল দৃষ্টিগোচর হলে মন্তব্যের ঘরে সূত্রসহ জানাতে পারেন।
ছবি কপিরাইট: নিউজউইক
০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ৯:১০
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: কিছু নেতিবাচক প্রভাব অবশ্যই পড়বে তবে সেটা মোটাদাগে বিরাট সমস্যা হবে না। পোশাক শিল্পে বাংলাদেশের নিকটতম প্রতিদ্বন্দী হলো ভিয়েতনাম যার উপর আরোপিত ট্যারিফের পরিমান ৪৬%। চীনের উপর আগে থেকেই ২০% ট্যারিফ ছিলো, নতুন করে ৩৪% আরোপ করা হয়েছে। ভারতের উপর করা হয়েছে ২৬%। বাংলাদেশের উপর ৩৭%। সেদিক থেকে বাংলাদেশ এখনো বেশ ভালো অবস্থায় আছে। মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশ আমেরিকা থেকে আমদানীকৃত পণ্যে ৭৪% শুল্ক আরোপ করে। এটা কমানো জরুরী। ধন্যবাদ।
২| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ১০:১০
নতুন নকিব বলেছেন:
যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক বাংলাদেশসহ ৫০টিরও বেশি দেশের পণ্যে নতুন শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে এই সিদ্ধান্তের প্রভাব কতটুকু হবে, তা নির্ভর করবে বাংলাদেশের পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা, বাজার বৈচিত্র্যকরণ এবং আমেরিকার সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর।
১. বাংলাদেশ-মার্কিন বাণিজ্য ও শুল্কের প্রভাব
বাংলাদেশ প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি পণ্য রপ্তানি করে, যার সিংহভাগই তৈরি পোশাক। মার্কিন বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের মূল প্রতিযোগী ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও ভারত। নতুন শুল্কে যদি প্রতিযোগীদের ওপরও একই রকম প্রভাব পড়ে, তবে বাংলাদেশের ক্ষতি তুলনামূলক কম হতে পারে। তবে, উচ্চমূল্যের পণ্য (যেমন ফুটওয়্যার, ইলেকট্রনিক্স) রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে, যেখানে শুল্কের প্রভাব কম।
২. সম্ভাব্য সমাধান ও কৌশল
বাজার বৈচিত্র্যকরণ: ইউরোপ, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও আফ্রিকার বাজারে রপ্তানি বাড়ানো জরুরি। ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (এফটিএ) চুক্তি ত্বরান্বিত করতে হবে (যেমন, কানাডা, চীন, রাশিয়ার সাথে)।
পণ্যের মান ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি: সাসটেইনেবল ফ্যাশন, উচ্চমানের টেক্সটাইল এবং নন-গার্মেন্টস পণ্য (ওষুধ, প্লাস্টিক, আইটি সেবা) রপ্তানিতে জোর দিতে হবে। শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং অটোমেশনে বিনিয়োগ করে উৎপাদন খরচ কমানো সম্ভব।
রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা: যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তি (টিআইএফএ) পুনর্বহালের আলোচনা জোরদার করতে হবে। সামরিক ও প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা বাড়িয়ে বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়ন করা যেতে পারে।
৩. দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা
লোকালাইজেশন (স্থানীয় উৎপাদন): মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে উৎপাদন বাড়াতে উৎসাহিত করা (যেমন অ্যাপল, ডেল)।
ডিজিটাল ইকোনমি ও সেবা খাত: সফটওয়্যার, আইটিএস, এবং রেমিট্যান্স-ভিত্তিক সেক্টরে ফোকাস করা।
মূলকথা, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বৃদ্ধি বাংলাদেশের জন্য একটি ঝুঁকি, কিন্তু এটি নতুন সম্ভাবনারও দরজা খুলে দিতে পারে। বাজার বৈচিত্র্য, পণ্যের মান উন্নয়ন এবং কূটনৈতিক সচেতনতা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার মূল হাতিয়ার। সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত প্রচেষ্টাই পারে বাংলাদেশের রপ্তানিকে টেকসই পথে এগিয়ে নিতে। সবচেয়ে বড় কথা, আমেরিকার ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে বহুমুখী রপ্তানি নীতি গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে লেখার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ১:২২
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
৩| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ১১:০৫
শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনি ডেল কম্পিউটারের যে উদাহরণটি দিলেন সেটি কি ঠিক? বাংলাদেশে ল্যাপটপ বা কম্পিউটার যন্ত্রাংশের উপর কোন ট্যারিফ, কাস্টম ডিউটি বা সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি নেই।
গার্মেন্টস শ্রমিকদের মাসিক গড় বেতন ৯৫ ডলার। বাংলাদেশের পন্যে আমেরিকার ট্যারিফ দেওয়া কি রেসিপ্রকাল ট্যারিফ বলে গণ্য হতে পারে? আপনার বিবেচন কি বলে?
সর্বোপরি যতটুকু জানি আপনি একজন ট্রাম্প সাপোর্টার এবং তার ভোটার। এই কয়মাসে ট্রাম্পের কার্যকলাপ সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কি?
০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ১২:৩৭
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: আমি তিন নম্বর প্যারার প্রথম লাইনেই বলেছি "উদাহরণ" হিসেবে বিষয়টিকে ধরতে। কম্পিউটার সংক্রান্ত যন্ত্রপাতিতে ডিউটি/কাস্টমস নেই সেটা মনে হয় নি। আমি বর্তমানে আমেরিকায় ব্যবহৃত ৩২ ইঞ্চি মনিটর বাংলাদেশে নিয়ে আসার জন্য ডিউটির পরিমাণ খুঁজছিলাম। দেখলাম ৩২ ইঞ্চি মনিটরের জন্য ১০ হাজার টাকা দিতে হবে (সূত্র)। আমি দুই/তিন বছর আগে যখন মনিটরটি ক্রয় করি তখন প্রায় ৯০০ ডলার খরচ হয়েছে ট্যাক্স সহ। যার বর্তমান বাজার মূল্য ৬০০ ডলারের ওপরে। সে হিসেবে ৬০-৭০ হাজার টাকার মনিটরে ১০ হাজার টাকার ডিউটি কম বলে মনে হয় নি যদিও আমি ক্রয়ের সময়ই আমেরিকাতে প্রায় ৯% ট্যাক্স দিয়েছি।
যাইহোক, বাংলাদেশে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ (অনেকক্ষেত্রে কাস্টমস ডিউটি -ও বলা হয়) এর পরিমাণ নির্ধারণ হয়ে কি আমদানি করা হচ্ছে তার উপর। আমদানিকৃত পণ্যে মোটাদাগে স্বাভাবিক ভ্যাট এর পরিমাণ ১৫% এর আশেপাশে তবে এর সাথে আরো কিছু বিষয় যোগ হয়। সব মিলিয়ে ক্ষেত্র বিশেষে ট্যারিফের পরিমাণ ০ থেকে ৫০০% -ও হতে পারে বিশেষ করে যদি তা লাক্সারী পণ্য হয় (সূত্র)। বাংলাদেশ কাস্টমস বিভাগের এ সংক্রান্ত একটা তালিকাও আছে যার শেষ কলামে (টি.টি.আই.) আপনি আমদানিকৃত কোন পন্যের উপর টোটাল শুল্কের পরিমাণ দেখতে পাবেন (সূত্র)। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ৪০০/৫০০ এমনকি ১০০০% ও পাবেন তবে সেগুলো মূলত গাড়ি সংক্রান্ত বলে মনে হলো। আর হ্যাঁ, এ কারণেই সম্ভবত আমেরিকার গাড়ির ব্র্যান্ড (ফোর্ড, টেসলা, ক্যডিল্যাক, ডজ, জিপ, ক্রাইসলার ইত্যাদি) বাংলাদেশে দেখা যায় না বললেই চলে। যদি দেখেন তবে ধরে নিতে পারেন ওটা সরকারি গাড়ি বা কোন বড় মিয়ার গাড়ি। এখানে মনে রাখা জরুরী আমেরিকার সরকার কর্তৃক প্রদত্ত হিসেবে ট্যারিফে ৭৪% ঠিক কোন পণ্যের উপর ভিত্তি করে তারা উল্লেখ করেছেন তা সঠিক আমার জানা নেই। নাকি গড়পড়তা নাম্বার ঠিক সেটাও জানি না। তবে সকালেই দেখলাম বাংলাদেশ সরকার আমেরিকা থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ট্যারিফের বিষয়ে নতুন করে ভাবছে (সূত্র)।
ট্রাম্প- এর অনেক কথাই আমার পছন্দ নয়, রাজনৈতিকভাবে আমি তার দল রিপাবলিকান-এর সদস্যও নই। আমি মূলত ইন্ডিপেন্ডেন্ট ভোটার। যার বক্তব্য ভালো মনে হয়, যে দেশের জন্য বলে তাকেই ভোট দেই, দলীয় লেবেলে আমি বিশ্বাসী নই। তদুপরি বাইডেনের মত দুর্বল লোকজন দিয়ে আমেরিকার মতো দেশ চালানো সঠিক সিদ্ধান্ত ছিলো না বলে মনে করি। তিনি আমেরিকার বেশ কিছু ক্ষতি করে গেছেন, যার মূল্য চুকাতে হবে সবাইকে। বিগত কয়েক মাসে ট্রাম্প বেশ কিছু ভালো কাজ করেছেন, কিছু কাজ সঠিক মনে হয় নি। তার সবকাজ এককভাবে সবার মন:পুত হবে না সেটাই স্বাভাবিক। তবে তিনি সামগ্রিকভাবে দেশের জন্য ভালো করছেন বলেই আমি মনে করি। ধন্যবাদ।
৪| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ১১:৫৩
নতুন বলেছেন: বাংলাদেশের রপ্তানী ক্ষেত্রের প্রতিদন্দীদের উপরেও বড় ট্যারিফ চাপিয়েছে তাই এই ট্রারিফ হয়তো বড় প্রভাব পড়বেনা। কিন্তু বিক্রি কমে যাবে অনেক।
পাগলা ট্রাম্প তার পুরো মেয়াদেই এমন পাগলামী করতে থাকবে।
আপনার কি মনে হয় এই ট্রারিফ যুদ্ধে দেশের ভেতরে মুল্যবৃদ্ধি, ছাটাই কে জনগন কেমন ভাবে নেবে?
০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ১২:৫৪
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: বিক্রি কিছুটা কমবে অবশ্যই, এটা নিয়ে দ্বিমতের কোন অবকাশ নেই। তবে মনে রাখতে বিশ্ব-বাণিজ্য এভাবেই চলে, দরকষাকষি হবেই, সবকিছু বাংলাদেশের ফেভারে যাবে না। এই কঠিন সময়ের চ্যালেঞ্জগুলো বুদ্ধিমত্তা দিয়ে মোকাবিলা করাই শ্রেয়। বাংলাদেশের প্রশাসনকে তৎপর থাকতে হবে, তাদের সাথে বাণিজ্য কিভাবে আরো বাড়ানো যায়, পাশাপাশি অন্যান্য সেক্টরে বাংলাদেশী পণ্য ও সেবার পরিমান ও মান কিভাবে বাড়ানো যায় সেদিকটা নজর দেয়াই হবে মূল কাজ। এই ধাক্কায় অনেক দেশ বেশ খানিকটা ছিটকে পড়বে, আমাদের এটাকে সুযোগ হিসেবে দেখতে হবে যে আমরা আরো অন্য কোন সেক্টরে অন্য কোন দেশের স্থানে প্রবেশ করতে পারি কি না!
আমি তাকে ঠিক ওভাবে দেখি না। তিনি ঝানু ব্যবসায়ী, বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যে নমনীয়তা দেখিয়ে আমেরিকার জনগণের কোন লাভ নেই। দর কষাকষি সবাই করতে পারে না, তিনি পারেন। এখন যা হচ্ছে তার সবকিছুর মূল উদ্দেশ্য হলো, দর কষাকষির টেবিলে রপ্তানিকারক দেশগুলোকে নিয়ে আসা। বিভিন্ন দেশে আমেরিকার পন্যের আরো বেশী প্রবেশাধিকার বাড়ানো। এটা সব রাষ্ট্রেরই কর্তা ব্যক্তিদেরই দায়িত্ব।
আমেরিকার জনগণ বেশ ভালো কনজিউমার, তবে বেশীরভাগই সচেতন কনজিউমার নয়। যেমন এখানে অনেক মানুষকে দেখি ৫০-১০০ ডলারের ফোন প্ল্যান ব্যবহার করতে। আমার ৭-৮ ডলারের মাসিক ফোন প্ল্যানে হয়ে যায়, সবাই ওভাবে ভাবেন না। অনেকেই বাসায় ১ গিগা বিটের ইন্টারনেট প্ল্যান ব্যবহার করেন ৭০-৮০ ডলার বা তার বেশী খরচ করে, যার সর্বোচ্চ ব্যবহার হয়তো তিনি করতে পারেন না। এমন অনেক বিষয়েই আমেরিকানরা প্রচুর অপচয় করেন। আর তারা অপচয় করেন বলেই বিশ্ব-বাজার তাদেরকে ভালো ক্রেতা হিসেবে খাতির করে। আমেরিকায় যে মিসাইল ৭০-৮০ মিলিয়ন ডলার প্রায় সম ক্ষমতার মিসাইল ভারত বানাচ্ছে কয়েক লাখ ডলারে (১৯/২০ হাতে পারে)। এমন অনেক বিষয় আছে যেগুলো নিয়ে কিছুটা সংযম হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বিশেষ করে একটি দেশের জাতীয় দায়ের পরিমাণ যখন ৩০+ ট্রিলিয়ন ডলার। খরচ কমানোর বিকল্প কিছু নেই।
সব না হলেও কিছু ছাঁটাই অবশ্যই প্রয়োজন। এদেশের প্রশাসন অনেক বড়, কিছু যদি কমানো যায় তবে তো জনগণের টাকাই বাঁচবে। ধন্যবাদ।
৫| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ১২:৫৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বলা হয়েছে চীন কর্তৃক মার্কিন পণ্যের উপর ধার্য্য করা শুল্কের হার ৬৭%, ভিয়েতনাম কর্তৃক ধার্য্য করা শুল্কের হার ৯০%। এগুলো অবিশ্বাস্য! চীন কিংবা ভিয়েতনাম যদি আসলেই এই বিপুল শুল্ক ধার্য্য করতো তাহলে বহু আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এটা নিয়ে আপত্তি করতো, হৈ চৈ করত। তাহলে এই কথিত শুল্কের হিসাব কিভাবে করল ট্রাম্প সরকার?
উত্তর হলো- স্রেফ কোন দেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতিকে যুক্তরাষ্ট্রে ঐ দেশের মোট রপ্তানি দিয়ে ভাগ করে পারেসেন্টেজ করেছে।
যেমন: ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ভিয়েতনামের মোট রপ্তানি ১৩৬.৬ বিলিয়ন ডলার, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি ১৩.১ বিলিয়ন , সুতরাং বাণিজ্য ঘাটতি ১৩৬৬-১৩.১= ১২৩.৫ বিলিয়ন ডলার।
এখন কথিত শুল্ক হিসাব করতে যুক্তরাষ্ট্র যেটা করেছে তা হলো ভিয়েতনামের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি(১২৩.৫ বিলিয়ন ডলার) কে যুক্তরাষ্ট্রে ভিয়েতনামের মোট রপ্তানি(১৩৬.৬ বিলিয়ন ডলার) দিয়ে ভাগ করে ভাগফলকে শতাংশ করেছে।
(১২৩.৫/১৩৬.৬)×১০০%= ৯০.৪১% বা ৯০%
বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও একই কাজ করেছে। ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি ৮.৪ বিলিয়ন ডলার, আমদানি ২.২ বিলিয়ন ডলার সুতরাং বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি ৮.৪-২.২= ৬.২ বিলিয়ন ডলার।
(৬.২/৮.৪)×১০০% = ৭৩.৮১% বা ৭৪%
এভাবেই বিভিন্ন দেশের সাথে বাণিজ্য ঘাটতির সাথে যুক্তরাষ্ট্রের মোট আমদানির অনুপাতকে শুল্ক হিসেবে চালিয়ে দিয়ে ট্রাম্প সরকার কথিত “Tariffs Charged to the U.S.A.” হিসেব করেছে।
অনেকে এই থিওরির কথা বলছে। আগের কমেন্ট মুছে দেন আমার। ভুল লিখেছি
০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ২:৪৮
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: আপনার হিসেব ঠিক আছে এবং এটা সত্য হলেও আসলে তেমন কিছু করার নেই। আমাদের আমদানি বাড়াতে হবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে, আপাতত এর বাইরে আর কিছুতে কাজ হবে বলে মনে হয় না।
৬| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ বিকাল ৩:০২
ভুয়া মফিজ বলেছেন: বাংলাদেশে সরকারী চাকুরী করে মোদি আর ভারতের দালালী করা, তীব্র ইসলামোফোব একজন মানুষ, যে শিক্ষক নামের কলঙ্ক; যার ওয়ার্ল্ড ট্রেড, ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্স, গ্লোবাল ইকোনোমিক্স সম্পর্কে তেমন কোন ধারনা নাই.........তার দেয়া একটা ইউজলেস প্রোপাগান্ডা পোষ্টের বিপরীতে এইরকম একটা পোষ্ট লেখার জন্য যে সময় ব্যয় করলেন, তার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ!!!
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ৮:৫৫
কথামৃত বলেছেন: আমেরিকার পক্ষ থেকে ৩৭% শুল্ক আরোপ করার ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি খাত, বিশেষ করে পোশাক শিল্প এবং অন্যান্য সারগর্ভ খাতগুলোর উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এর ফলে:
1. **মূল্য বৃদ্ধি**: আমেরিকায় রপ্তানি পণ্যের দাম বাড়বে, যা বিক্রির ক্ষতি করতে পারে।
2. **নিয়োগ হ্রাস**: যদি আমেরিকার বাজারে পণ্যের চাহিদা কমে যায়, তাহলে বাংলাদেশে কাজের সুযোগও কমে যেতে পারে।
3. **অর্থনীতির সংকোচন**: সার্বিকভাবে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যা মানুষের জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
4. **বৈদেশিক বিনিয়োগ হ্রাস**: উচ্চ শুল্কের কারণে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী নাও হতে পারেন।