নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সত্যের অন্বেষণে আছি, কিন্তু পথ খুঁজে পাচ্ছি না! আমি সেই অজ্ঞ মানব!

রাফিন জয়

সত্যের অন্বেষণে আছি, কিন্তু পথ খুঁজে পাচ্ছি না! আমি সেই অজ্ঞ মানব!

রাফিন জয় › বিস্তারিত পোস্টঃ

লড়াই শুধু সুন্দরবন বাঁচানোর জন্য নয়, সমগ্র দেশ বাঁচানোর জন্য

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১১:৩৭


ডান-বাম, পশ্চাৎ-প্রাচ্য, আগ্রাম-বাগ্রাম ইত্যাদি কোন রাজনৈতিক বা দর্শনের এজেন্ডা হয়ে নয়, আজ স্বদেশ বাঁচানোর দাবীতে রাজপথে নামার কৃপাময় নিবেদন জানাচ্ছি। সুন্দরবনের রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র হতে দিবো না এ কথা সত্য, তবে আমরা বিদ্যুৎ কেন্দ্র চাই না বা উন্নয়ন বিরোধী এটা ভ্রান্ত। আমরা চাই বিদ্যুৎ কেন্দ্র হোক, কিন্তু তা কয়লা ভিত্তিক এবং রামপালে নয়। কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন যেখানে সারা বিশ্ব বয়কট করছে, সেখানে কেন ভারতের বাতিল প্রকল্প আমাদের নিজ ভূখণ্ডে আনয়ন করা হচ্ছে? তাছাড়া চিনের কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের ফলে, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশের অঞ্চলে লাঙস এবং কোলন ক্যান্সার এর হার তীব্র বা বিকট ভাবে বেড়ে গিয়েছে। এই নমুনা দেখার পরেও কেন আমাদের হেড অব দ্যা গভর্নমেন্ট'র এই প্রকল্প বাতিল না করার গোঁড়ামি? বিষয় টা একেবারেই নির্মল। তারা দেখাবে শুধু দৃশ্যমান উন্নয়ন। প্রকৃতি আড়ালে পচে মরুক, তাতে তাদের কিছু আসে যায় না। নিজ দেশ লুণ্ঠন করে বিদেশে পরে তারা পাড়ি জমাবে। পচে মরতে হবে আমাদেরই। তাছাড়া সুন্দরবনের রামপাল প্রকল্প নিয়ে আমরা শুনে আসছি যে ভারত বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনা, তা আদৌ যৌথ প্রযোজনা নয়, যৌথ প্রতারণা। অনুপম দেবাশীষ রায়ের একটা ভিডিও থেকে জানতে পেরেছিলাম যে এখানে যৌথ প্রযোজনা অনুযায়ী ১০০% এর ১৫% বাংলাদেশ এবং ১৫% দিচ্ছে ভারত অর্থাৎ মোট ৩০%। বাকি ৭০% আসছে ভারতের EXIM ব্যাঙ্ক থেকে লোন হিসেবে..। যা ভারত সরকার কোনো রকম স্বার্থ ছাড়াই বাংলাদেশকে দিচ্ছে। ভাবতে আজব লাগারই কথা,,, কেননা বাংলার মানুষ ফারাক্কাবাদ এবং তিস্তার পানি না পেয়ে মরে গেলেও তাদের কিছু আসে যায়.. বরং তারা নদীর মধ্যে বাঁধ দিয়ে রাখে এবং বন্যার সময়ে আবার বাংলাদেশের ওপর ঠিকি ছেরে দিচ্ছে। বিপদের ওপর বিপদ!!! তারাই নাকি এখন আবার ভগবান!!! মূল কথা হচ্ছে যে ভারত সরকার ৭০% লাভ ছাড়া দেয়ার মানেই রামপালের জন্য বিনিয়োগ করছে, কারণ EXIM সরকার অধিগত ব্যাঙ্ক। অর্থাৎ ভারতের ৭০+১৫=৮৫% বিনিয়োগ বাংলাদেশের রামপাল প্রকল্পে,,,,,, কিন্তু তা কেন? কারণ তাদের আইন বলে বনাঞ্চল থেকে ২৫ কি.মি. দুরে বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর, সেখানে বাংলাদেশ বলে ১০ কি.মি. দুরে করতে। তো রামপাল তো ১৪ কি.মি. ‍দুরে!!! অর্থাৎ আইনগত ভাবে তা বৈধ !!! ছাড়লাম না হয় এসব কথা, রামপাল প্রকল্প বাস্তবের ফলে বাংলাদেশের পাশে থাকার সুবাদে ভারতের যে কোনো ক্ষতি হবে না, তাও কিন্তু না! ভারত সরকারের উদ্দেশ্য ও আমাদের বাংলাদেশের সরকারের মতই!!! তারা দেখাবে সব দৃশ্যমান বস্তু, যে এতগুলো বিদ্যুৎকেন্দ্র আমরা নির্মান করেছি, এতগুলো **আগ্রাম*****বাগ্রাম********আমরা নির্মান করেছি। পরিবেশ তো দৃশ্যমান না। তা হলেই কি আর না হলেই জনগণ কি দেখবে! এখন বলতে কোনো বাধা নাই যে এটা হচ্ছে যৌথ প্রতারনা! তারা অবশ্যই কোন সৎ এবং মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছে না। তাই লড়াই শুধু সুন্দরবন বাঁচানোর জন্য নয়, সমগ্র দেশ বাঁচানোর জন্য।
সকল কে আগামী ২৬শে জানুয়ারি সুন্দরবন রক্ষার দাবীতে হরতাল পালিত করার জন্য আরেকবার কৃপাময় আহ্বান জানাচ্ছি!

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১১:৪৭

চাঁদগাজী বলেছেন:

বাংলাদেশে সহজে আর হরতাল হবে না।
সুন্দর বনের পাশে কোন কিছু না করার ব্যাপারে শেখ হাসিনাকে বুঝাতে হবে; উনার সাথে হরতাল করে পারবেন না, উনি হরতালের আবিস্কারক।

হরতালই যদি সমাধান হয়, ২৬ তারিখের জন্য অপেক্ষা কেন, আজই শুরু করেন।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৯

রাফিন জয় বলেছেন: অনেক প্রতিকূলতা এড়িয়ে হরতাল করতে হচ্ছে। তাই ২৬ তারিখ হরতাল রাখা হয়েছে। আর হেড অফ দ্যা গভর্নমেন্ট বুঝতে অনীহা প্রকাশ করছে। তাই হরতাল দিয়েই তার টনক নড়াতে হবে।

২| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১১:৪৯

রায়হানুল এফ রাজ বলেছেন: কিছু হবে বলে তো মনে হচ্ছে না।

৩| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৭ সকাল ৯:২৪

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আজ স্বদেশ বাঁচানোর দাবীতে রাজপথে নামার কৃপাময় নিবেদন জানাচ্ছি।

স্বদেশ আবার কারা খামচে ধরছে তা খুলে বলুন। এমনিতেই যারা রাস্তায় নামছে তাদের নিয়ে জাতির মধ্যে ধোঁয়াসা আছে। তারপরও আবার এ সমস্ত আম-খাস/মুখ্য/উহ্য প্রভূতি কথা বললে জাতি দ্বারা নিগৃহীত হওয়া সম্ভাবনা আছে।

সুন্দর বন বাঁচুক, এটা সবাই চায়।

কিন্তু সুন্দর বাঁচানোর জন্য যে সমস্ত ব্যক্তিরা রোডে জংগলি সেজে তিড়িং বিড়িং করছে তাদের কে মানুষ এক চোখ কানা হিসেবে জানে।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১:০৫

রাফিন জয় বলেছেন: স্বদেশ কারা খামচে ধরেছে তা আর চোখে আঙুল দিয়ে দেখানোর মতো কিছু নেই। নিতান্তই নির্মল ব্যাপার। ``আর সুন্দর বাঁচুক, এটা সবাই চায়'' এটা আপনার ভুল ধারণা। আর যারা নিজের মুখে কালি মেখে পথে পথে নাটক করে বেড়াচ্ছে, আমি তাদের স্যালুট করি।

৪| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১২:৪৬

অগ্নি সারথি বলেছেন: তারা দেখাবে শুধু দৃশ্যমান উন্নয়ন। প্রকৃতি আড়ালে পচে মরুক, তাতে তাদের কিছু আসে যায় না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.