নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চলো যাই শান্তির খোজে/পথিমধ্যে সুখ বিলিয়ে

রফিক রেহমান

রফিক রেহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশের ইসলাম দুই ভাগে বিভক্ত করেছেন আলেমগন

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৮

বিগত কয়দিন থিকা দেশের যা অবস্থা তাতে বলতেই হয় আমাদের দেশে পবিত্র ইসলাম ধম দুই ভাগে বিভক্ত।

এক্ষেত্রে আমার প্রথম উপলব্ধিঃ

কোরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক পবিত্র ইসলাম, যা এদেশের সাধারন ধর্মপ্রাণ মুসলমানগন পালন করে থাকেন। যা কখনো যায় না কোথাও। এই ইসলাম এক ও অভিন্ন এবং অবিনশ্বর। এটি হলো আসল ইসলাম ধর্ম।



পক্ষান্তরে অপরটি হলো রাজনৈতিক ইসলাম। যা কিছু কিছু বিশেষ মানুষরুপীরা পালন করে থাকে। এই ইসলাম প্রায়ই এখানে সেখানে চলে যায়। বলা যায় প্রতিনিয়ত চলে যায়। একাত্তর থেকে এই ইসলাম এদেশে চূড়ান্তভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতাড়িত। এটা হলো ইসলামের আসল অবমাননাকারীদের ইসলাম ধর্ম।





দ্বিতীয় উপলব্ধিঃ

হেফাজতে ইসলামকে ইতোমধ্যে ঢাকার কুতুববাগ দরবার শরিফের খলিফা মোহাম্মদ হায়দার আলী চৌধুরী বলেছেন 'লংমার্চ কোন ধর্মীয় কর্মসূচি নয়' এবং লংমার্চকে 'শিরকী, হারাম ও বেদাত' উল্লেখ করেছেন



আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত এবং তাওহীদ ও শানে রেসালত পরিষদ বাংলাদেশ বলেছেন "হেফাজতে ইসলামের নামে আল্লামা শফিরা আল্লাহ ও তার রসুলের নামে কটূক্তিকারীদের বিচারের দাবিতে মাঠে নেমেছেন। কিন্তু ২০ বছর আগে আল্লামা শফিসহ বর্তমান হেফাজতে ইসলামের অনেক নেতা আল্লাহ ও তার নবীকে নিয়ে কটূক্তি করেছেন। তাই তাদের বিচার আগে হতে হবে।’ আরো বলেছেন,‘আল্লাহ ও রাসুলকে নিয়ে ব্লগারদের চেয়েও বেশি মারাত্মক নাস্তিক এদেশের ইসলাম নামধানী হেফাজত নেতারা।"



সম্মিলিত ইসলামী জোট বলেছেন, "আল্লাহ সূরা হিজর এ ঘোষণা দিয়েছেন, “আমিই কোরআন অবতীর্ণ করিয়াছি এবং অবশ্যই আমিই উহার সংরক্ষক।” আল্লাহ নিজেই যেখানে ইসলাম-কোরআন হেফাজতের দায়িত্ব নিয়েছেন সেখানে আল্লাহর দায়িত্ব পালনের কথা একমাত্র শয়তান ছাড়া অন্য কেউ বলতে পারে না। সুতরাং হেফাজতে ইসলাম নামের সংগঠনটি ইসলাম ও কোরআন বিরোধী।"



অপরদিকে লালবাগে এক সাংবাদিক সম্মেলনে হেফাজতে ইসলাম তাদের বিরুদ্ধে মন্তব্যকারিদের 'কুলাঙ্গার' বলে মন্তব্য করেন।



এসব বিষয় দেখে আমার মনে হচ্ছে দেশের এত বড় বড় আলেমগন নিজেরাই পবিত্র ইসলামকে দুই ভাগে বিভক্ত করে ফেলেছেন। আসলে এরা কেউই ইসলামের পবিত্র আমানতের রক্ষাকারী না। এরা ভেকধারী আলেম সমাজ। নইলে উনারা পরস্পরের বিরুদ্ধে এরকম কথা বলতে পারেন??

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১১

ক্রাইম রিপোর্টার রাসেল বলেছেন: বাংলাদেশের ইসলামকে দুভাগ করেছে ব্রিটিশরা।

মানুষের তীব্র আন্দোলনের মুখে যখন ব্রিটিশরা ধ্বংসপ্রায় মাদ্রাসা শিক্ষাকে সংস্কার কাজে হাত দেয়। তখনই একশ্রেনীর আলেমদের সরকারীকরণ করানো হয় তাদের কে বলা হয় 'আলীয়া'। আর দ্বিতীয় বেসরকারীদের বলা হয় 'কওমী'।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১২

রফিক রেহমান বলেছেন: ঠিক আছে। কিন্তু আমাদের আলেমগনের কী সেই বিভক্তির পথে পা বাড়ানো ঠিক? যদি তারা সত্যিই ঈমানি আলেম হয়ে থাকেন তাহলে যাওয়ার কথা নয়। তাদের ঈমানি জোর কম বলেই পেরেছেন।

আর ইসলাম তো কাউকে কোন বিভক্তির সুযোগ দেয় নাই। তারপরেও তারা যখন বিভক্তির পথে হাটে তখন আলেমদের প্রতি আর বিশ্বাস থাকেনা কারো। যেমন এখন নাই অনেকের।

২| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১২

আবু শরীফ মাহমুদ খান বলেছেন: যে দিক মনচায় চলি যামু কেউ ঠেকাবা না........

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১২

রফিক রেহমান বলেছেন: হুম যান আর আমাকেও নিয়ে যান

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.