নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

রমিত

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!

রমিত

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল! ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়। সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

রমিত › বিস্তারিত পোস্টঃ

রুবাই ২০৬ - ২১৫

২৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১৬


রুবাই ২০৬, ২০৭, ২০৮, ২০৯, ২১০
---------------------------------- রমিত আজাদ




২০৬।
এই জীবনের গল্প অনেক, অল্প কথায় চলবে না,
কথায় কথায় জমবে মেলা, স্বল্পকালে ভাঙবে না।
শেষ নেই যার এমন পুঁথি চলছে লিখে লক্ষ জন,
চোখ বুলিয়ে পাতায় পাতায়, ভরছে মনন এই ভূবন।

২০৭।
কি চায় নদী? কোথায় ছোটে? কি দেখে যায় পথে?
নদীর কথা কেই বা শোনে? কে যাবে তার সাথে?
সাক্ষী নদী সব গোপনের, বলবে সে তা কাকে?
কান্না-হাসির ফানুস ওড়ে নদীর বাঁকে বাঁকে!

২০৮।
ঝলমলে এক প্রেক্ষাপটে সুহাসিনী-র হাসির ঝলক!
পোষাক শোভা জৌলুসে তার, চমকে ওঠে সর্বভূলোক!
হাতের বালা, কণ্ঠহারে স্বর্ণ-কনক ছড়ায় জ্যোতি,
জোৎস্না যেন ম্লান হয়েছে, চন্দ্রিকাটাও মানছে নতি!

২০৯।
পাঠাগারে বই পড়ে সুহাসিনী চঞ্চল,
কিতাবেতে পড়ে লুটে অধীতীর কুন্তল।
স্বর্ণালী কেশ তার পুস্তক ছুঁয়ে যায়,
পুঁথিদের মুদ্রণে স্মৃতিটুকু রয়ে যায়!

২১০।
চন্দ্রিমাটা লজ্জা পেলো কার যেন রূপ দেখে!
ঊষার কিরণ জেল্লা পেলো কার সে দ্যুতি মেখে?
ভরাট চোখে কে তাকালো, কার নয়নে আলো?
যাদুর ছোঁয়ায় কে সরালো আঁধার নিশির কালো?

---------------------------------------------------------------
রচনাতারিখ: ২৬শে নভেম্বর, ২০১৯
সময়: রাত ১১টা ৪৭মিনিট

Rubai 206, 207, 208, 209, 210
------------------------ Ramit Azad
--------------------------------------------------------------------------------------------------------

রুবাই ২১১, ২১২, ২১৩, ২১৪, ২১৫
---------------------------------- রমিত আজাদ


২১১।
কাঁচা মনে ধরলো যখন রং,
ঐ চাকুতে পড়বে না আর জং!
এমন তো আর হয়নি কভু আগে!
পরশে তার কেমন কেমন লাগে!

২১২।
: লজ্জা কেন? চাওনা তুমি? কেন টলোমলো?
মধুর-পরশ, সোহাগ-আদর লাগে না কি ভালো?
: ভালোই লাগে, তদুপরী কেমন কেমন যেন!
কোথায় যেন কিন্তু আছে, ভুল কি হলো কোন?

২১৩।
ইচ্ছে করেই ভিক্ষে করি, নাই প্রয়োজন জানি,
তোমার কাছে এলেই তবে, ভিখারী হই আমি।
প্রথম যেদিন দেখি তোমায়, অতীত ভুলি আগে,
তখন থেকেই যা দেখি সব লজ্জা-মধুর লাগে।

২১৪।
ছেড়েই যদি যাবে তবে কেন বেঁধেছিলে?
ভুলেই যদি যাবে তবে কেন টেনেছিলে?
ব্যাথাই যদি দেবে তবে কেন চুমেছিলে?
মিছেমিছি অভিসারে কেন ডেকেছিলে?

২১৫।
প্রতিদিনই পড়ে মনে কয়েকটিবার দিনে,
সেই যে কবে কোন্ আবেগে বেঁধেছিলে ঋণে!
তোমার হাতে ধরেছিলে এই অভাগার হাত,
সেই তো হৃদয় ভগ্ন হলো, গুমরে কাঁদে রাত!

---------------------------------------------------------------
রচনাতারিখ: ২৯শে নভেম্বর, ২০১৯
সময়: রাত ১২টা ৫৫মিনিট

Rubai 211, 212, 213, 214, 215
------------------------ Ramit Azad


মন্তব্য ৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৪৭

এমদেশ বলেছেন: এর আগেরগুলো কি প্রকাশিত হয়েছে?

২৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৫১

রমিত বলেছেন: জ্বী, প্রকাশিত হয়েছে।
সামুর পেইজেই আছে।
পূর্বের পোস্টগুলোতে পাবেন।

ধন্যবাদ আপনাকে।

২| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২৮

রাজীব নুর বলেছেন: খুব সুন্দর।
প্রথম পাতায় একটা পোষ্ট থাকা অবস্থায় আরেকটা পোষ্ট দিবেন না।

২৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৩৭

রমিত বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখা চলে আসলে আর কি করবো বলেন?
তাই পরপর দুটা পোস্ট দিলাম।

৩| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৫০

নার্গিস জামান বলেছেন: খুব সুন্দর :)

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:০১

রমিত বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.