| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
rezaul827
প্রযুক্তি ভালোবাসি, টেকনোলজি আমার পেশা ও নেশা। নতুন কিছু শিখতে চাই, নতুন পৃথিবী গড়তে চাই।
কে সঠিক, কে ভুল সেই বিচার আদালত, আইন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়। তবে এই ঘটনাটি আমাদের সমাজ, পরিবার এবং নতুন প্রজন্মের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রেখে গেছে।
প্রথমত মেয়েটির এই ধরনের কঠিন সিদ্ধান্তের পেছনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ( ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক), বিভিন্ন প্রেম কেন্দ্রিক চলচ্চিত্র, নাটক, শর্ট ফিল্ম এবং সামাজিক ট্রেন্ড দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়েছে। এছাড়াও, তার পিতামাতার কিছুটা উদাসীনতাও এর জন্য দায়ী হতে পারে। সে তার বন্ধু মহল অথবা নিকটবর্তী কোনো ব্যক্তির দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত বা অনুপ্রাণিত হয়েছে বলেও মনে হয়।
একজন সন্তান জন্মের পর থেকে বছরের পর বছর বাবা-মায়ের স্নেহ, ত্যাগ, কষ্ট ও ভালোবাসার মধ্য দিয়ে বড় হয়। অসুস্থ সন্তানের পাশে নির্ঘুম রাত কাটানো, নিজের চাওয়া-পাওয়া বিসর্জন দেওয়া, সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য সংগ্রাম করা, এসবের পেছনে কোনো স্বার্থ থাকে না; থাকে শুধু নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। তাই প্রশ্ন জাগে পরিবারের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা, পারস্পরিক বিশ্বাস ও ধৈর্যের মাধ্যমে কি অনেক সংকট এড়ানো সম্ভব ছিল না
দ্বিতীয়ত- পিতা-মাতার মনে রাখা প্রয়োজন, বর্তমান প্রজন্ম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বন্ধু-বান্ধব ও বিভিন্ন সামাজিক ট্রেন্ড দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়। তাই শুধু শাসন নয়, সন্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, নিয়মিত যোগাযোগ, নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার সন্তান অনলাইনে কি করছে, কোথায় কার সঙ্গে অনলাইন/ অফলাইনে সময় দিচ্ছে সেই বিষয়ে পিতা-মাতার যথাযথ খোঁজখবর ও ইতিবাচক তদারকি থাকা উচিত।
পরিশেষে বলতে চাই, এই মেয়েটির বয়স মাত্র ১৭ বছর ৮ মাস। এই বয়সে ছেলে-মেয়েদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরিপক্বতা সাধারণত পূর্ণতা পায় না; আবেগ ও হরমোনজনিত প্রভাব অনেক বেশি কাজ করে, যেমনটা আমাদের জীবনেও একসময় হয়েছিল। এ বয়সে অনেকেই মনে করে, বাবা-মা সেকেলে, তারা কিছু বোঝেন না এবং সন্তানের ভালো-মন্দ উপলব্ধি করতে চান না। কিন্তু বয়স ও অভিজ্ঞতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই উপলব্ধি করে যে, অনেক ক্ষেত্রে পিতামাতার সিদ্ধান্তই অধিকতর বিচক্ষণ ছিল, সঠিক ছিলো।
হয়তো একদিন এই মেয়েটিও বিষয়টি বুঝতে পারবে এবং অনুতপ্ত হবে। কিন্তু ততদিনে তার এই কষ্টাহত পিতা হয়তো আর পৃথিবীতে বেঁচে থাকবেন না; বুক চাপড়ে কাঁদার মতো হয়তো আর কেউ থাকবে না। আর ততদিনে মেয়েটির পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের যে ক্ষতি হয়ে যাবে, তা হয়তো আর কখনো পুরোপুরি পূরণ করা সম্ভব হবে না।
সংবাদ সূত্র : পিতার অভিযোগ মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে আর মেয়ের অভিযোগ ( ফেসবুকে লাইভে) পিতা মিথ্যা কথা বলতেছে। এখানে উল্লেখ্য যে মেয়েটির বয়স মাত্র ১৭ বছর। ঘটনাটি জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার।
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৯
নতুন বলেছেন: সন্তানের এমন হবার পেছনে সবচেয়ে বড় দায় বাবা মায়ের। তারা ছোট থেকে সন্তানকে ঠিক মতন গড়তে পারেনাই অথবা বয়সন্ধিতে তাকে ঠিক মতন বুঝতে পারেনাই, বোঝাতে পারেনাই।
স্ক্রু বেশি টাইট দিলে প্যাচ কাইটা যায় এটা অনেক বাবা মা ই বুঝতে চায় না, তারা ছেলে মেয়েকে বেশি টাইট দিতে থাকে, এক সময় প্যােচ কাইটা যায়।
বাবা মায়ের ইগো সমস্যার কারনেও অনেক সময় পোলাপাইন এমন সিদ্ধান্ত নেয়।