নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
একজন মহিলার জন্য ভারতের ভ্রমনের ভিসা দরকার । তবে তার পাসপোর্ট অনুযায়ী চট্টগ্রাম বিভাগে পরলেও ঢাকাতে আবেদন জমা দিতে পারলে অনেক সুবিধা হয়। অনলাইনে ফর্ম পূরনের অনেক ফ্যাপা দেখছি । তার উপর ই টোকেন পাওয়া আরেক ঝামেলা আবার এর উপর ই টোকেন পাবার পর আবেদন পত্র নির্দিষ্ট বিভাগীয় ভারতীয় অফিসে জমা দিলে মঞ্জুর হবে কি হবে না তার নাই ঠিক ঠিকানা ।
এখন অনলাইনে ই টোকেন এর জন্য ব্যবসা করছেন ২০০০ টাকা চাচ্ছেন অনেকে ই টোকেন পাইয়ে দেবার জন্য । আবার অনেকে ইটোকেন প্লাস ভিসা বের করে দেবার জন্য দাবী করছেন ১৪-২০ হাজার টাকার মত । গ্যারান্টি মোটামোটি আছে দেখা যাচ্ছে যেহেতু কাজ হবার পর দেখিয়েই টাকা নিচ্ছে ।
তবে সহ্জ্য লভ্য এই ভিসা যেখানে নো ভিসা ফি বাংলাদেশ থেকে ... তার এই অবস্থা ..
তাই জিজ্ঞাসা অনলাইনে ফর্ম পূরনের কোন ট্রিক্স বা চালাকি আছে কিনা যাতে সহজে ই টোকেন পাওয়া যাবে । আর অনলাইনে সার্ভার প্রায়ই ডাউন থাকে , ভাল সময় কখন ফর্ম পূরনের ? আর টাইম আউট হয় অনেক ।
আর ভিসা জমা দিতে কি কি খেয়াল করলে সহজে কয়েক দিনে ভিসা দিয়ে দিবে ।
আর যদি দালাল এর মাধ্যমে টাকা দিতেই হয় ২-৩ হাজার এ (ই টোকেন প্লাস ভিসা) পাওয়া যাবে কিনা ? ১০-১৫ হাজার খরচ করতে আগ্রহী নই।
১ মাসের মধ্যে ভিসা পাওয়াটা জরুরী । যদিও ভ্রমণ ভিসা তবুও দরকারী কিছু কাজ আছে ভারতে যা দূতাবাসে করতে হবে। তাই এটা ভ্রমন ছাড়া অন্য ক্যাটাগরি ফেলা সম্ভবও না ।
২| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:২৪
রাজা পােবল বলেছেন: ভারত ভ্রমণে ইচ্ছুক বাংলাদেশি নারীরা বাস বা রেলের টিকিট দেখালেই অ্যাপয়নমেন্টের তারিখ ছাড়া ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) ভারতীয় হাইকমিশনের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে- যেসব নারী যাত্রীর নিশ্চিত ভ্রমণের টিকেট আছে তাদের জন্য অ্যাপয়নমেন্টের তারিখের প্রয়োজন নেই।
ভিসার জন্য আবেদনপত্র জমা দানের অগ্রিম অ্যাপয়েন্টমেন্ট তারিখ/ই-টোকেন ছাড়া নারী যাত্রীদের ট্যুরিস্ট ভিসা জমাদানের পাইলট স্কিম সাফল্যের সঙ্গে পরীক্ষামূলকভাবে সম্পাদিত হয়েছে। হাইকমিশন স্কিমটি শনিবার (১৫ অক্টোবর) ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (আইভিএসি) সেক্টর ৭, সড়ক ১৮, বাড়ি ৫৬, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০-এ বর্ধিত করতে যাচ্ছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নিশ্চিত বিমান/রেল/বাসের (বাংলাদেশ-ভারত বাস সার্ভিসের অনুমোদিত কর্তৃপক্ষের ইস্যুকৃত) টিকিটসহ নারী যাত্রীরা উত্তরার ভিসা আবেদন কেন্দ্র আইভিএসিতে সকাল দশটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত তাদের ভ্রমণ ভিসার আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন।
নারী যাত্রীরা বৈধ ভ্রমণ টিকিটসহ তাদের ভ্রমণসঙ্গী নিকটতম পারিবারিক সদস্যদের পক্ষেও ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন।
ভিসাপ্রার্থী নারী আবেদনকারী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের আবেদনের সময় আইভিএসির প্রবেশপথে নিশ্চিত ভ্রমণ টিকেট দেখাতে হবে। আবেদনপত্র জমা দানের সময় ভ্রমণের তারিখ ৭ দিন পরে, তবে এক মাসের মধ্যে হতে হবে।
এটি নারী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য ভারতীয় ভিসাপ্রাপ্তি সহজতর এবং ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে মানুষে-মানুষে যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্যে শুভেচ্ছার নিদর্শন।
২৮ শে অক্টোবর, ২০১৬ ভোর ৬:২২
রিফাত হোসেন বলেছেন: জানতাম আগে থেকেই তবে, ভ্রমনের টিকেট কবে ক্রয় করা হবে তা সিদ্ধান্তে আনা সম্ভব নয় আগে থেকে ।
তবে ধন্যবাদ । আবেদন করা হয়েছে, আন্ডার প্রসেস লেখা আসছে ওয়েব পেইজ এ দেখা যাক কয়েকদিন পর কি হয় । আচ্ছা কত দিন লাগতে পারে টোকেন পাবার পর্যন্ত ?
৩| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৬ রাত ৯:৪৯
কালীদাস বলেছেন: ই-টোকেন পাওয়া সমস্যা জানতাম। ভিসা পাওয়াও সমস্যা নাকি? ডকুমেন্ট লিস্ট অনুসারে ঠিকমত জমা দিলে ভিসা দেয়না এরকম শুনিনি কখনও
২৮ শে অক্টোবর, ২০১৬ ভোর ৬:২৫
রিফাত হোসেন বলেছেন: জনাব এই টুরিস্ট ভিসা পেতে ঝামেলা হবার কথা আগে থেকে না,যদি ভারতের সদিচ্ছা থাকত । এই খাতকে ই টোকেন এর বাহিরে রাখলে তাদের রাজস্ব বৃদ্ধি ই পেত অন্যান্য ব্যাপার থেকে ।
ভিসা অনেক সময় রিজেক্টও করে ।
ধন্যবাদ তবুও
৪| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৭
রাজীব নুর বলেছেন: আমি ইন্ডিয়া যাবো তাই আপনার পোষ্টে একবার চোখ বুলিয়ে নিলাম।
১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:০৮
রিফাত হোসেন বলেছেন: ভারত নিয়ে পূর্ণাঙ্গ একটি পোস্ট দিতাম। আলসামী করে আর দেওয়া হয়নি। তবে ভারতের রেলে ভ্রমণ আরামদায়ক। বাংলাদেশ থেকে ভাল। রেলে উঠলে সবার শেষে সবাই টাকা চায়, সালামী বলতে পারেন, কর্মচারীরা। একবারে দিবেন না, কারণ তারা আলাদা আলাদা করে আসে, অল্প অল্প করে দিবেন। আমি একবারে দিয়ে মনে করেছিলাম আর আসবে না।
সীমান্তে ভয় দেখানো, পাত্তা দিবেন না। যা হবে কপালে। ভারতের রূপি, টাকা থাকলে যেখানে থাকার সেখানে থাকুক। স্বামী স্ত্রী একসাথে ভ্রমণে তারা বিন্দুমাত্র ঝামেলা করে না। শুধু ছেলেরা হলে একটু আকটু তো ক্যারফা করেই। ভ্রমণে অতিরিক্ত মালামাল নিয়ে ভারত থেকে ফিরবেন না। তখন একটু ঝামেলা করতে পারে। সাথে সর্বদা ভাঙতি রাখবেন। গিয়েই নেট হয় সিম নিয়ে ফেলুন, হোটেলের অনেক দালাল ডাকাডাকি করবে। তারা আবার হোটেল চিনিয়ে বকশিষ চাইবে। আগে থেকে হোটেল ঠিক করে নিন বা গিয়ে দামাদামি করে ঠিক করুন। বিবাহিত নিশ্চয়ই আপনি, সাথে বিয়ের কাগজপত্র রাখুন। এরা চায়, শুধু শুধু ঝামেলা আর কি। বাংলাদেশী পাসপোর্ট তারা কেন জানি.. একটু কেমন জানি করে।
ভারতের ভিসার জন্য আগে দালালের অনেক ক্যাচালঁ ছিল। এখন হয়ত ভিসা পাওয়া খুবই সহজ হয়েছে। ভ্রমণ আনন্দের হোক আপনার।
©somewhere in net ltd.
১| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৬ বিকাল ৫:৪০
রিফাত হোসেন বলেছেন: যাওয়া হবে ভারতের হরিদাসপুর স্থলপথে সম্ভবত, আসারটা ট্রেন বা বাস যে কোন হতে পারে ।