নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সবার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে আমি কোন ব্লগার নই মন চায় তাই লিখি তথ্য-উপাত্ত সবার সাথে শেয়ার করি ।ধন্যবাদ

তানজীর আহমেদ সিয়াম

তানজীর আহমেদ সিয়াম

তানজীর আহমেদ সিয়াম › বিস্তারিত পোস্টঃ

কুড়ানো ( পর্ব-৪২ ) স্মৃতিময় পাঠাগার

২৯ শে মে, ২০১৯ সকাল ৯:১৪





প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রসার কুমিল্লায় সেই প্রাচীন কালে। এখানে জম্মেছেন শীলভদ্র। প্রাচীন কাল থেকেই অগ্রসর এলাকা, ত্রিপুরা রাজার রয়েছে ১৫০০ বৎসরের ডাইনেষ্টি। জানামতে এত সময় কোন রাজ বাংশ এতোদিন রাজত্ব করেনি।
শহরে রয়েছে বেশ কয়েকটি পাঠাগার।
বসন্ত স্মৃতি পাঠাগার, অমূল্য স্মৃতি পাঠাগার, তথ্য মজলিস ইত্যাদি।

টাউন হল

১৮৮৫ সালে, বীরচন্দ্র মানিক্য বাহাদুর কান্দিরপাড়, শহরের কেন্দ্রস্থলে ১০ বিঘার উপর জমি দান করেন।
স্থানীয় বিশেষ ব্যক্তিবর্গের উদ্যোগে, মানিক্য বাহাদুরের দানকৃত জমির উপর স্থাপিত হয় 'বীর চন্দ্র মানিক্য বাহাদুর নগর মিলনায়তন ও গণ পাঠাগার'। ত্রিপুরা জেলার ডিষ্ট্রিক ম্যাজিস্ট্রেট এফ.এইচ. স্ক্রাইন এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলার জন্য সর্বাত্বক ভূমিকা রাখেন।

তারেক ও আমি প্রায়ই বই, পত্রিকা, সাময়িকী পড়ার জন্য টাউন হলে যাই। জহিরুল হক দুলাল ভাই, টাউন লাইব্রেরীর নিয়মিত পাঠক, আরো অনেকের সাথে সেখানে পরিচয় হয়েছে, লেখালিখির সাথে সম্পৃক্ততার কারণে।
আমাদের পুকুরের পশ্চিম পাড়ের তরুনী মামা ছিলেন, লাইব্রেরীর দায়িত্বে, অফিস ছুটির পর নাম মাত্র সম্মানীতে কাজটা করতেন, আমার ছিলো সেখানে অবাধ বিচরণ।

ধন্য যাদের জন্য

উপমহাদেশের সবাই পদার্পণ পড়েছে এই গণ পাঠাগার ও নগর মিলনায়তনে। এতই সমৃদ্ধ সংগ্রহ ছিলো।
ব্রিটিশ আমলে এখানে এসেছেন দেশবরেণ্য ব্যক্তিবর্গ।
মহত্বা গান্ধী, মওলানা আবুল কালাম আজাদ, নেতাজী সুভাস বসু, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, ওস্তাদ আালাউদ্দিন খাঁ, পি.সি. সরকার, লিয়াকত আলী খান, কবি জসিম উদ্দিন, আবদুল গাফ্ফার খান ও তাহার ছেলে ওয়ালী খান, শেরে বাংলা ফজলুল হক, উৎপল দত্ত, কাণাই দে, আশরাফ উদ্দিন চৌধুরীর মতো বহু ব্যক্তিবর্গ এই পাঠাগার ও নগর মিলনায়তনে এসেছেন, দেশভাগের আগেই।
এসেছেন গবেষণার জন্য, দেখার জন্য পড়ার জন্য, সভা সমিতির জন্য।

পূর্ব বাংলায় প্রাচীনতম গাঠাগারের অন্যতম।

ফুলচোর

কবিতা ছাপা হয় নিয়মিত, সবাই একটু অন্যচোখে দেখে। কেউ ভাবে এরা বুঝি উচ্ছন্নে গেলো, মেয়েরা আঁড় চোখে তাকায়, কেউ কেউ ইর্ষা করে। সেইসময় ছাপার অক্ষরে নাম ছাপা হওয়া, একটা ব্যাপার ছিলো।
বাসার উল্টো দিকের বাড়িটা, এডভোকেট মজিবুর রহমানের। নাম করা উকিল, ওভাল সেপের বারান্দা দেওয়া তিনতলা বাড়ি, বোগেনভেলিয়া মানে, বাগান বিলাস গাছে ঘেরা বাড়ি।
এদিকে আসো।
আমি তারেক সহ বিকেলে হাঁটছিলাম, সালাম দিয়ে বললাম
চাচা আমাদের ডাকছেন?
তোমাদেরই বলছি।
বুকটা একটু কেঁপে উঠলো, দুদিন আগে ভোর রাতে আমি আর খোকন, চাচার শখের বাগান থেকে হলুদ ডালিয়া ফুল বেশ কয়েকটা চুরি করেছি, কুমিল্লায় ডালিয়া ফুল সেই বাগানেই প্রথম দেখি। বোগেনভেলিয়া গাছটাও ছিলো দেখার মতো, ফুলচুরির কথা তারেক জানেনা।

অন্যচোখে


চেম্বারে নিয়ে গেলেন, বসতে দিলেন, কাজের ছেলেকে ডেকে নাস্তা দিতে বলে এসে বসলেন।
তোমাদের কবিতা পড়েছি ভালো লিখো। কয়েকটা লেখাই পড়েছি বলে, টেবিল থেকে বের করলেন লিটল ম্যাগাজিন গুলো দেখালো, আমি তোমাদের লেখাগুলি পড়েছি। আমার সংগ্রহ দেখবে বলে ভেতরে নিয়ে দেখালেন, বিশালাকার সংগ্রহ, এ্যনসাইক্লোপেডিয়া ব্রিটেনিকা সহ সবই আছে। তোমাদের যখন যেই বইয়ের প্রয়োজন হবে এখান থেকে নিয়ে পড়বে, তোমরা কবিতা লিখো, আমার অনেক আনন্দ, চিত্রালী পড়ো?
পড়ি।
আহম্মাদ জামান চৌধুরী আমার পরম আত্মীয়, তোমাদের চাচীর ভাই আমার শালা।

সেদিনের ফুলচুরির জন্য মনটা খারাপ হয়ে গেলো।

কলেজ লাইব্রেরী

পড়াশুনায় আগ্রহী দেখে বাবা একদিন নিয়ে গেলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ লাইব্রেরীতে। লাইব্রেরিয়ান মঞ্জুরুল আমিন মঞ্জু ভাই, বাবাকে মামা ডাকে। আমাকে আগে থেকেই চিনে প্রায়ই বাসায় আসেন, বাবার সাথে আন্তরিক সম্পর্ক, কলেজে পড়ার সময় থেকেই।
লাইব্রেরীতে ঢুকে আমি অবাক, এতো সংগ্রহ, সোঁদা গন্ধ, আর হবে না কেন?
সেই ব্রিটিশ সময়ে ৯/১০ টা বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু ছিলো, ভিক্টোরিয়া কলেজে। পাঠ্যবইয়ের বাইরে, শিল্প, সাহিত্য, কবিতা, প্রবন্ধ বইয়ে ঠাসা।
মঞ্জু, শওকত যখন যে বই চায়, আমার নামে এন্ট্রি করে দিয়ে দিও। হাতে চাঁদ পাবার মতো আনন্দ পেলাম, বিশ্ব ভারতীর' হলুদ মলাটের, পছন্দের বইগুলি কলেজ লাইব্রেরী থেকে নিয়েই পড়েছি।

রেয়ার কালেকশন

রবিবার বিকেলে ঠিক চারটায় আসবে, তোমাদের নিয়ে যাবো মহেশাঙ্গন, রামমালা' গ্রন্থাগারে। উপমহাদেশের সব প্রাচীন সংগ্রহ সেখানে আছে, এমন অনেক সংগ্রহ আছে আর কোথাও নেই।
আমি তারেক, সময় মতো চলে আসি, মজিবুর রহমান চাচা তৈরি হয়ে আছেন। গ্যারেজ থেকে ফিয়েট গাড়িটা বের করে বললেন, উঠো। সব সময় নিজেই ড্রাইভ করেন।
পৌঁছলাম লাকসাম রোডে মহেশাঙ্গনে। সেখানে অনেকবার গিয়েছি পূজা দেখতে, নাট মন্দিরে নাটক, গণসংগীতের অনুষ্ঠান দেখেছি।

পন্ডিত রাসমোহন চক্রবর্তী, ছিলেন তখন গ্রন্থাকারের দায়িত্বে। আমাদের পরিচয় করিয়ে দিলেন, এরা কবি, কবিতা লিখে। কুমিল্লার ঐতিহ্য রামমালা' লাইব্রেরী দেখাতে নিয়ে এলাম।

ফুটনোটঃ কুড়ানো ও টোকানো


শওকত
#যে_স্মৃতি_ধূসর_হয়নি

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: ভালো লাগলো।

২| ২৯ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৪:২৯

রিম সাবরিনা জাহান সরকার বলেছেন: কিছুদিন আগে এক বই পড়ুয়ার বাসায় একটা বই দেখেছিলাম। নাম "ফরিদপুরের ইতিহাস"। আপনি কুমিল্লার উপর আপনার লেখাগুলো জড়ো করে পরিমার্জনাপূর্বক তেমন একটা বই লিখে ফেলুন না? আমাদের জেলাগুলোর ইতিহাস ঐতিহ্য আর অতীত গর্ব সবারই জানা উচিত।

৩| ২৯ শে মে, ২০১৯ রাত ১০:৪৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: রামমালা গ্লন্থাগারের রয়েছে অনেক গৌরবোজ্জল ইতিহাস ।
ধন্যবাদ ঐতিহ্যবাহী কিছু কির্তী নিয়ে পোষ্ট দিয়ে সে সব বিষয়ে আমাদের জানার পরিধিকে বিস্তৃতি দেয়ার জন্য ।
পোষ্টটি পাঠের পর এর সাথে আরো কিছু প্রাসঙ্গিক ছবি সংযোজনের বাসনা ত্যাগ করতে পারিনি বলে তার কিয়দংশ তুলে দেয়া হল নীচে ।

মফস্বল শহর কুমিল্লায় অবস্থিত শতাব্দী-প্রাচীন পাঠাগারটিতে রক্ষিত সাহিত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ভূগোল, দর্শন, ধর্ম ইত্যাদি বিষয়ক দুস্প্রাপ্য সংগ্রহের মধ্যে হাতে লেখা পুঁথিরও বিশাল সংগ্রহ রয়েছে ( একথা পোষ্টেও উল্লেখ আছে)। হাতে লেখা পুঁথির মধ্যে অধিকাংশই বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক। কিন্তু অদ্যাবধি সেগুলোর মধ্যে খুব কম পুঁথিরই পাঠোদ্ধার করা গেছে। তুলোট কাগজে লেখা প্রাচীন পুঁথিগুলি শুধু বাংলাদেশের গবেষকদের জন্যই নয়, দক্ষিণ এশীয় সাহিত্য-সংস্কৃতি-ধর্ম-দর্শন বিষয়ে গবেষণার প্রয়োজনেও ব্যবহূত হয়ে আসছে। দেশের গবেষকগনসহ বিদেশের বিশেষ করে আমেরিকা, ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, জাপানের গবেষকগও এই গ্রন্থাগারটি ব্যবহার করেছেন।

রামমালা পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী মহেশ ভট্টাচার্য। মহেশ ভট্টাচার্য ছিলেন কুমিল্লা জেলার বিটঘর গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে এই গ্রামটি নবীনগর উপজেলার অন্তর্গত। মহেশ ভট্টাচার্যের পরিবার দারিদ্র্য-পীড়িত ছিলেন বলে তিনি বিদ্যাশিক্ষার পরিবর্তে ভাগ্যান্বেষে শৈশবেই কুমিল্লা চলে আসেন। , মহেশ ভট্টাচার্য ভালো রান্না করতে পারতেন বিধায় কুমিল্লায় এসে প্রথমে কয়েকটি বাড়িতে পাচকের কাজ নেন। কিছুদিন পর এই কাজ করে তার হাতে কিছু টাকা-পয়সা জমলে তিনি স্কুলে ভর্তি হন। কিন্তু সেখানেও তাকে অর্থের অভাবে কয়েক বছরের জন্য লেখাপড়া বন্ধ করে রাখতে হয়। পরে তিনি বিভিন্ন কাজের পারিশ্রমিক হিসেবে কিছু অর্থকড়ি রোজগার করেন এবং ‘ভট্টাচার্য অ্যান্ড কোং’ নামে একটি হোমিওপ্যাথি ওষুধের দোকান খোলেন। এটাই তার ভাগ্যকে সুপ্রসন্ন করে, তিনি অনেক অর্থের মালিক হন।

মহেশচন্দ্রের ৩৫ বছর বয়সে তাঁর মাতা রামমালা দেবী দেহত্যাগ করলে মহেশচন্দ্র মাতৃদেবীর পুন্যস্মৃতি সংরক্ষাকল্পে কুমিল্লায় ‘রামমালা ছাত্রাবাস’ , ‘রামমালা গ্রন্থাগার’ ও ‘রামমালা যাদুঘর’ স্থাপন করেন । ‘নিবেদিতা বালিকা বিদ্যালয়’ এবং ‘নিবেদিতা ছাত্রীনিবাস’ স্থাপন সহ জ্ঞানবিস্তারেও তিনি অনন্য কীর্তি রেখে যান । অতি দুর্লভ ও দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থ সমন্বিত জ্ঞান ভাণ্ডার ‘রামমালা’কে দানবীর মহেশচন্দ্রের সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান বলা যায় ।

মহেশ ভট্টাচার্য রামমালাকে মূলত একটি কমপ্লেক্স হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন, পরে রামমালা পাঠাগারের তত্ত্ববধান ও গ্রন্থাগারের বইপত্র কেনার জন্য শ্রী রাসমোহন চক্রবর্তীকে নিয়োগ দেন । রাসমোহন ছিলেন অকৃতদার, পড়াশোনাই ছিল তাঁর জীবনের একমাত্র ব্রত। মূলত তাঁর নীরব- নিভৃতের তপস্যা এবং মহেশ ভট্টাচার্যের অর্থায়নে রামমালা পাঠাগার একটি আদর্শ গবেষণা গ্রন্থাগারে রূপ নেয়।
মহেশ ভট্টাচার্য ও শ্রী রাসমোহন চক্রবর্তী

রামমালা গ্রন্থাগার , মহেশ ভট্টাচার্য্যের ভবন।

রামমালা গ্রন্থাগারের পুথি বিভাগ

থরে থরে সাজানো পুথি সম্ভার

রামমালার পুথি লিপি

পুঁথি সমূহের বিষয় ছিল বেদ,তন্ত্র, কোষগ্রন্থ , কাব্য, ব্যাকরণ , ন্যায়, জ্যোতিষ , ইতিহাস, পুরাণ, ধর্ম, রামায়ণ , মহাভারত, সত্যনারায়ণ পাঁচালী, সত্যপীরের পুঁথি , শনির পাঁচালী ইত্যাদি। হাতে লেখা বাংলা পুঁথি গুলোর অধিকাংশই বাংলাসাহিত্যের মধ্যযুগের সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক।

বিখ্যাত কথা সাহিত্যিক অন্নদাশঙ্কর রায় এর মতে “রামমালা গ্রন্থাগার বাংলার এক অনন্য ও অদ্বিতীয় গ্রন্থাগার” । সকলেই এখন একবাক্যে স্বিকার করেন যে বাংলা একাডেমি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভিন্ন রামমালা পাঠাগারের মতো প্রাচীন পুঁথির সংগ্রহশালা দেশের আর কোথাও নেই ।

উল্লেখ্য যে ১৯২৬ সালে রামমালা ছাত্রাবাসের ছাত্ররা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর’কে সংবর্ধনা দিয়েছিল ।

মন্তব্যে দেয়া ছবি ও তথ্যাবলী বিডি নিউজ ডট কম থেকে নেয়া ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

১১ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:৫১

তানজীর আহমেদ সিয়াম বলেছেন: আপনাকে অন্নেক অন্নেক ধন্যবাদ ,
মহামুল্যবান তথ্য শেয়ার করার জন্য :)

৪| ৩০ শে মে, ২০১৯ রাত ২:২৮

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: আপনার পোষ্ট ও ড: এম এ আলী ভাইয়ের কমেন্ট পড়ে অনেক কিছুই জানতে পারলাম। ধন্যবাদ ড: এম এ আলী ভাই কে মহেশ চন্দ্র সম্পর্কে জানানোর জন্য।

৫| ০২ রা জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬

তাসনুভা রায়া বলেছেন: আপনাকে ও ডঃ এম এ আলী ভাইয়াকে অনেক ধন্যবাদ চমৎকার সব তথ্য তুলে ধরার জন্য
+++

৬| ০৩ রা জুন, ২০১৯ সকাল ৮:১৩

তানজীর আহমেদ সিয়াম বলেছেন: সবাই কে অন্নেক ধন্যবাদ,
ঈদ মোবারক :)

৭| ০৯ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্ট টি ভালো লাগলো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.