| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজু রণরাজ
''নিষিদ্ধের জীবনী'' নিষেধ না মানা পথিক আমি নিষিদ্ধ আচরণে অভ্যস্ত। নিষিদ্ধ কোন নদী অথবা মাঠ ধরে ছুটে চলা নির্জীব আবেগ। আমি নিষিদ্ধ কিছু দেখলেই বলি ছুঁয়ে ফেলো ছুঁয়ে ফেলো নিষিদ্ধ অনুভবে . ডাক ও শাঁখের শব্দে আমি নগ্ন নৃত্য করি নিষিদ্ধ ভঙ্গিতে। আমার উল্লাস সব নিষিদ্ধ মন্ত্রের মতো। নিষিদ্ধ সবকিছু আমার ভালো লাগে। নিষিদ্ধ জীবন, নিষিদ্ধ সুখ, নিষিদ্ধ কষ্ট, নিষিদ্ধ যৌনতা, আমি প্রিয়ার শরীর ছুঁয়ে নিষিদ্ধ সময়ে নিষিদ্ধ আনন্দ খুঁজি। আমার ভালো লাগেনা নিষেধ মানতে। আমি নিষেধ না মানা নিষিদ্ধ কেউ। আমি নিষিদ্ধ শক্তির ঠাকুর। আমি আজন্ম নিষিদ্ধ ভগবানের নিষিদ্ধ মৃত্যু দুত। আমি নিষিদ্ধ দেবতার নিষিদ্ধ আতংক . আমি শুধু নিষিদ্ধের নিষিদ্ধ কলংক। প্রবল পূর্ণিমা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় নিষিদ্ধ বাস্তবতা। আমি সেদিকেই পা বাড়াই। আমি নিষিদ্ধ গোলাপ মুঠো করে ধরে রক্তাক্ত হই নিষিদ্ধ হৃদয়ের হাতছানিতে। নিষিদ্ধ সব কিছু থেকে অমি প্রেরনা পাই। -রাজু রনরাজ
''ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা''এই নীতি বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে সংবিধানে বলা হয়েছে:-
(ক) সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িকতা,
(খ) রাষ্ট্র কর্তৃক কোনো ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দান,
(গ) রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অপব্যাবহার,
(ঘ) কোনো বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যাক্তির প্রতি বৈষম্য বা তাহার উপর নিপীড়ন,বিলোপ করা হইবে।
পবিত্র সংবিধানের ১২/(ঘ) এর প্রতি যথাযত সম্মান প্রদর্শন পূর্বক বলছি যে আমি মুসলিম এবং আমার ধর্ম ইসলাম অবশ্যই বিশেষ এবং শ্রেষ্ঠ ধর্ম হিসেবে শীর্ষে এবং স্বীকৃত!
এদিকে ধর্ম বিদ্বেষী বা নাস্তিকতা যেহেতু কোনো ধর্ম নয়(বরং মানসিক বিকৃতি হিসেবে স্বীকৃত এবং ধর্ম বিদ্বেষের উদ্দেশ্যে বহুল প্রয়োগ করা হয়) সুতরাং এটা নোংরামি হিসেবে পরিগণিত হয় এবং এটা আমার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এবং আমি মানসিকভাবে নিপীড়িত হই!
সুতরাং যারা ধর্মবিদ্দেষী যাদের দারা ধর্মীয় অনুভূতি প্রবল আক্রান্ত হয় তাদের দ্রিস্টান্তমূলক সম্ভব হলে সর্বোচ্চ শাস্তি এবং ধর্মবিদ্দেষ নিষিদ্ধের দাবী জানাই!
২|
০৩ রা এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৪:২৯
রাজু রণরাজ বলেছেন: ভালো লেকচার দিয়েছেন!নাম কামাতে পারবেন...
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৩:৩১
পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: বেজায় ধর্ম প্রেমিক।
ইসলামের কোথায় নাস্তিক ঘোষণার বিধান রয়েছে??
আস্তিকতা বা নাস্তিকতার সঙ্গে ভালো-মন্দের সম্পর্ক কি? যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবির সঙ্গে আস্তিকতা বা নাস্তিকতার সম্পর্ক কি? নাস্তিক ঘোষণা করার বিধান ধর্মে নাই। একজন নাস্তিক সারাজীবন নাস্তিক নাও থাকতে পারেন। আমাদের মোল্লারা ধর্মটাও জানে না ঠিকমতো। বেশির ভাগ মোল্লাই ধর্মটাকে বেঁচে খায়।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রশ্নকে ধামাচাপা দিতে নোংরা রাজনৈতিক চালের অংশ হিসেবে আস্তিকতা-নাস্তিকতার অবান্তর ইসু্টি টেনে এনেছেন আমার দেশ তথা আ্মার পাকিস্তানের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। লাল সালুর মজিদ যেমন স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যেগ নেওয়া তরুণের প্রতি অবান্তর প্রশ্ন ছুঁড়েছিলেন 'ওই মিয়া, তোমার দাড়ি কই??
মাহমুদুর রহমানও তেমনি প্রশ্ন ছুঁড়েছেন, 'তোমরা যে আন্দোলন করছো, তোমাদের দাড়ি কই?" মজার ব্যপার মাহমুদুর রহমানেরও কোনো দাড়ি নেই। এরা হলো মোনাফেক। আমাদের সমাজের লোকজনের কাছে এই মোনাফেকদের কথাই বড় হয়ে গেছে। মাহমুদুর রহমানের মতো মোনাফেকদের যদি বিপুল অর্থবিত্ত বা কোনো সুবিধা দেওয়া হয়, তিনি নগদে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন। এদের কোনো নীতি আছে?? আজ এরাই ইসলামের ইজারাদার ? আপনারা এদের কথায় আপনারা ফালতু কথা বলছেন কোন আক্কেলে??
ওই মিয়া তোমার দাড়ি কই?? হা..হা..হা...হা..হা. ফালতু যতসব। তা ভাইজানের কি দাড়ি আছে?? নাকি দাড়ি বেঁচে খান?