নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

যদি মন কাঁদে, তুমি চলে এস এক বরষায় ..... চল ভিজি আজ বৃষ্টিতে !!

আমার আছে জল

রুচি

চল ভিজি আজ বৃষ্টিতে!!

রুচি › বিস্তারিত পোস্টঃ

একজন হুমায়ূন আহমেদ কিছু টুকরো দুঃখগাথা এবং আমার ব্যক্তিগত অভিমত

২২ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ১২:২৫

যেসব বিষয় আমার জন্য মর্মান্তিক বা বেদনাদায়ক তা আমি যথাসম্ভব এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি যেন সহযে ভুলে যেতে পারি। যেমন হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যু। এটা নিয়ে লেখার বিন্দুমাত্র ইচ্ছাও আমার ছিলনা। কিন্তু যে লেখকের কাছে এত দায়ব্ধতা, এত ঋণ, এত প্রাপ্তি তাকে এড়িয়ে যাই কিভাবে?? তাকে নিয়ে লেখাটাকে একরকম দায়বদ্ধতা মনে হচ্ছিল বলেই লেখা।







তাকে নিয়ে অনেকেই আনন্দের সাথে সমালোচনার ঝড় তোলে এমনকি তার মৃত্যুও সেই সমালোচনাকে দমাতে পারেনি দেখে খুব অবাক হই । কতটা নিষ্ঠুর হলে মানুষ একটা মৃত মানুষকে তার মৃত্যুর জন্য তাকেই দায়ী করতে পারে। অভিশাপ বলে যদি কিছু থেকেও থাকে তা নিশ্চয়ই সবার জন্যই প্রোযোজ্য হবার কথা, যদি তাই হয় তবে তো পৃথিবীতে কোন খারাপ অভিশপ্ত মানুষের বেচেঁ থাকার কথা না। তাই আমরা না হয় এবার এই মৃত মানুষটাকে নিয়ে কোন সমালোচনায় না যাই।



ব্লগে অনেকেই তার নামের বানানটা ভুল লিখছে যা দেখতে খুবই দৃষ্টিকটু লাগছে। এটা নিশ্চয়ই ইচ্ছাকুত কোন ভুল না তাই আশা করছি সবাই সঠিক বানানটা ব্যবহার করবেন (হুমায়ূন আহমেদ, কপি পেষ্ট করতে পারেন)। যে মানুষটা নিজেই নিজের নাম শামসুর রহমান বদলে হুমায়ূন আহমেদ রেখেছেন তার নিশ্চয়ই এই নামটির প্রতি একটা আলাদা দূর্বলতা ছিল।







অনেকেই তার লেখাকে সস্তা বলে যাতে শিক্ষনীয় বলে কিছু নেই কিন্তু আমি নিজে বলতে পারি আমি অনেক সাইন্টিফিক, ঐতিহাসিক বা প্রাকুতিক অনেক রহস্যের তথ্য পেয়েছি তার বই থেকে। চীনের ঐতিহাসিক সৌন্দর্য নিয়ে তিনি যে ভ্রমন কাহিনী লিখেছেন তা গতানুগতিক কাটখোট্টা ভ্রমনকাহিনী থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। তার বই থেকেই জেনেছি বিগ ব্যাং কি, অন্ধকারেও কেন সমুদদ্রর ঢেউ এত স্পষ্ট দেখায়, কিভাবে আমেরিকার একটা গোটা বন প্রাকৃতিক রহস্যের কারিশমায় পাথর হয়ে যায়, এরকম শত শত তথ্য যা সব এখন মনে পড়ছেনা। তিনি যদি সস্তা লেখকও হন তাতেও কিছু যাবে আসবেনা কারন একমাত্র তার বই ই মানুষের এত কাছে আসতে পেরেছে।





তার পরিচালিত নাটক আর সিনেমা দেখে মানুষ যেভাবে হেসেছে বা কেঁদেছে এখানেই তার স্বার্থকতা। সবকিছুর মধ্যে অতি জ্ঞানীর মত শিক্ষামূলক কিছু না হাতরানোই ভাল।

সবশেষে একটা কথাই বলতে চাই, ব্যক্তিগত সমস্যা বা ছোট বড় ভুল আমাদের সবার মধ্যেই আছে তাই তার ব্যাক্তিগত কার্যকলাপের জ্যামিতিক ছক না একে বরং জাতীর প্রতি তার অবদানের কথাই মনে করি।



আজ না হোক পঞ্চাশ বছর পরে হলেও নতুন প্রজন্মই বলবে তিঁনি আসলে কি ছিলেন!!!



ছবির সূত্রঃ উইকিপিডিয়া



মন্তব্য ৭ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:০৯

মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: আজ না হোক পঞ্চাশ বছর পরে হলেও নতুন প্রজন্মই বলবে তিঁনি আসলে কি ছিলেন!!!

সহমত। রবীন্দ্র-নজরুলের মত এই বাংলাতেই তাকে স্মরণ করা হবে।

২| ২২ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:২৫

দুরন্ত সাহসী বলেছেন:
আজ না হোক পঞ্চাশ বছর পরে হলেও নতুন প্রজন্মই বলবে তিঁনি আসলে কি ছিলেন!!!

এই কথাটা মনে হয় ঠিকনা, ৫০ বছর পর হুমায়ূন তত্বের কোন দাম থাকবেনা,তখন কেউ শুধু মাত্র হাসাহাসির জন্য সময় ব্যয় করার মত সময় কারো থাকবেনা বলেই আমার বিশ্বাস,অবশ্য বাঙ্গালীর জীবনে অফুরন্ত সময়।

আর বাকি কথাগুলোর সমর্থন করছি।
আপনার আবেগ ভালো লাগলো

৩| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৪৩

সীমানা ছাড়িয়ে বলেছেন: ব্যক্তি জীবনের কথা বাদ দিলে বাংলা সাহিত্যকে তিনি সম্পদশালী করেছেন। গৎবাধা লেখার বাইরে তৈরি করেছেন একটা ধারা। .................. অফ টপিকঃ আপনাকে অনেক দিন পরে ব্লগে দেখে ভাল লাগল।

৪| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৫৩

রুচি বলেছেন: হুমমম ঠিকই বলেছেন।

আপনাকেও কিন্তু অনে--ক দিন পর দেখলাম ব্লগে।

৫| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:২৫

আ.হ.ম. সবুজ বলেছেন: নতুন কোন পোসট নাই কেন ?

৬| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৫৬

রুচি বলেছেন: mood nai ;)

৭| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:২৬

রানিং ফ্ল্যাশ বলেছেন:
মজার ব্যপারটা হলো_
আমি যেমন হুমায়ূন আহমেদ এর প্রেমে পড়েছি তেমনি তার কন্যা শীলার প্রেমেও পড়েছিলাম_ অনেকদিন আগের কথা কিন্তু_ আর এও জানি যে আমার মতো অনেকেরই তা হয়েছে !

প্রকৃত আবেগের প্রকাশটা খুবই কঠিন একটা ব্যপার। শুধু যার যার টা সেই অনুভব করতে পারে। আর অন্যরা তার অংশমাত্র ধরতে পারে। আমি আপনার প্রকৃত ভাবাবেগের আংশিকটায় অনুভবের চেষ্টা করছি।

শুভকামনায়_

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.