| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি কিছুদন মাদ্রসার শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলাম। স্কুলেও করেছি দীর্ঘদিন। হুজুরদের কাছে যেটা বারবার শুনেছি-দশজন মাস্টার (সাধারণ শিক্ষক যারা) ভালো থাকতে পারে কিন্তু দুই জন হুজুর (যারা আরবী,কুরআন ইত্যাদি পড়ান) একসাথে দুইদিনও ভালো থাকতে পারেনা। হুজুর শিক্ষকরা এক অপরের সাথে কথা বলেনা অনেকদিন....কারণ কি? সদুত্তর দিতে পারেনি কেউ।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ মাদ্রসা পরিচালিত হয় যাকাত কিংবা ধনী লোকদের বিশেষ আর্থিক সহযোগীতা দ্বারা। অপরের টাকায় কিংবা সহযোগীতায় রক্ষণশীল পরিবেশে বড় হয়ে নিজেরা আর সমাজের অন্য দশজন মানুষের মতো হতে পারেনা হুজুররা। সমাজের কোন কাজেও তারা সহযোগীতা বা অংশ নিতে পারেনা ...
২|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৫৯
মুহাম্মদ তারেক্ব আব্দুল্লাহ বলেছেন: সমাজের কোন কাজেও তারা সহযোগীতা বা অংশ নিতে পারেনা ...
সমাজের মুখ্য কাজ গুলোতো প্রতিনিয়ত হুজুররাই আণ্জাম দিয়ে যাচ্ছে , তাহলে সহযোগীতা করলো না কোনদিক দিয়ে ?
১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:০৫
সাবরিন নিহা বলেছেন: ভাই আপনি কি খাবেন বলেন...অনেক দামি কথা বলছেন
৩|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:০১
ধমনী বলেছেন: এগুলো অপবাদ মাত্র।
একসাথে দুইদিনও ভালো থাকতে পারেনা- এমনটা হলে এতদিন মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা টিকতো কিনা সন্দেহ।
প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে কিছু শিক্ষক অনশন করে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন প্রেসক্লাবের সামনে, বাকীদের খবর নেই। আর হুজুরদের দাবি দাওয়া নিয়ে হেফাজতের বিশাল সমাবেশ আরো কত্তো কান্ড ঘটে গেল....
৪|
১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:০৪
সাবরিন নিহা বলেছেন: হেফাজতের উদ্দেশ্য কি আমি বুঝিনা....এরা বসন্তের কোকিল.....কওমী মাদ্রাসায় কোন শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়োগ আপনি দেখছেন কখনো?? দেখেন নি,কারণ এরা পাকিস্তানের দালাল............বাংলাদেশে খায় আর পাকিস্তানের..........
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:১২
ব্লগার হলুদ হিমু বলেছেন: ভবে দেখলাম হুজুররা সব থেকে মোডারেট। কারন সমকামিতা চর্চা আগে থেকেই চলে।