নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মুক্ত চিন্তা

সাবরিন নিহা

মুক্ত চিন্তা করতে চাই

সাবরিন নিহা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমি রাজাকারের নাতি

২০ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:৩৮

আব্বু আমার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। সাধারণত প্রাথমিক পড়াশুনা সবই আব্বুর হাতেই। ছোটবেলায় আব্বুর কাছে বিছানায় শুয়ে শুয়ে অনেক গল্প শুনতাম। প্রায় সময় আমি খেয়াল করেছি আব্বুর চিন্তাধারা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে। কিন্তু যুদ্ধে যায়নি একাত্তরে....১৯৭১ সালে আব্বু গাছবাড়ীয়া কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্র। পরিপূর্ণ যুবক,তা'হলে যুদ্ধে যাবেনা কেন? কেন যায়নি? এই প্রশ্নগুলো আব্বুকে বহুবার করেছি।
আব্বুর সাধামাটা জবাব। দাদুভাই পাকিস্তানের পক্ষে ছিলেন তাই....এখন আমরা যতোটা স্বাধীন তখন আব্বুরা ততোটা স্বাধীন ছিলনা। সব সিদ্ধান্ত ছির দাদু নির্ভর। নিজের কোন চিন্তা প্রয়োগ করার সুযোগ ছিলনা তাই যুদ্ধেও যাওয়া হয়নি আর....তবুও আমি বলি আব্বু তুমি কাপুরূষ...বডড কাপুরূষ
আমার দাদু ভাইও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। তবে আমাদের প্রতিবেশি সবাই দেওবন্দপন্হী ( বর্তমান হেফাজত) মতবাদের ছিল। এবং সবাই এই কথা বুঝাত যে,পাকিস্তান মুসলিম দেশ। শেখ মুজিব হিন্দুদের (ভারতের) মিত্র। সুতরাং এই দেশ স্বাধীন হলে এটি হিন্দুদের দেশ হয়ে যাবে।
দেশ স্বাধীন হয়েছে ৪২ হলো। এখনো আমরা মুসলমান আছি দাদু ভাই। ধর্ম যার যার দেশ সবার। গতকাল সাকা-মুজাহিদের রায় হলো শুনে আমি খুশি এবং আনন্দিত। মুজাহিদ ইসলামী আন্দোলন করে অথচ তার মাথায় আমি জীবনে টুপি দেখেনি। তিনি নাকি টুপি অপছন্দ করেন। দ্রুত বাস্তবায়ন হওয়াটা চায়....

মন্তব্য ১৭ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:৪৩

সাবরিন নিহা বলেছেন: শেয়ার করূন

২| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:৪৯

প্রামানিক বলেছেন: আপনি কি আসলেই রাজাকারের নাতি?

৩| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:৫৫

তাল পাখা বলেছেন: আপনার দাদু কি বেচে আছেন?

৪| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:১৩

আরণ্যক রাখাল বলেছেন: আপনার দাদু বেঁচে থাকলে তারও ফাঁসি হওয়া উচিৎ

৫| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:১৯

এস কাজী বলেছেন: আপনি নাতি নাকি নাতনী কোন টা??

আর মুক্তিযুদ্ধ আমার বাপ ও করছে যেখানে আমাদের পুরো এলাকাই ছিল মুসলিম লিগ পন্থী বা দেওবন্দি পন্থী। ইচ্ছে থাকলে উপায় হত!!!!

৬| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:২৭

প্রতিবিম্ব প্রতিচ্ছায়া বলেছেন: যুদ্ধ সবাই করে না, ভুক্তভোগী/সুবিধাভোগী সবাইই হয়

৭| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৫০

মুদ্‌দাকির বলেছেন: সিভিল ওয়ার হলে , যুদ্ধটা ঘরেবাইরে সব যায়গাতেই হয়।

৮| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:০৯

সাদী ফেরদৌস বলেছেন: ধন্যবাদ সাবরিন , আপনারাই বাঙ্গালি ।

বাংলা ও বাঙ্গালির জয় হোক ।

অনেক অনেক ভালো লাগা

৯| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৩৮

শাহাদাত হোসেন বলেছেন: আপনার লেখা ছেড়ে সবাই আপনার দাদার পিছনে লাগছে ।

১০| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:১৭

শতদ্রু একটি নদী... বলেছেন: আপনার দাদা কি রাজাকার বাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন? কাউকে অন্যায়ভাবে মেরেছিলেন কিংবা খুন ধর্ষন লুটপাটের সাথে জড়িত ছিলেন? যদি এমন কিছু করে না থাকেন তাহলে আপনি আপনার দাদাকে রাজাকার বলতে পারেন না।

আপনার বাবাকেও সম্মান করতে শিখুন। মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশে কোটি কোটি মানুষ ছিলো। কয় লাখ মুক্তিযোদ্ধা ছিলো দেশে এটা জানেন? তবে দেশের বেশিরভাগ মানুষের সমর্থনটা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিই ছিলো। দেশের থানায় থানায় পুলিশ ছিলো, জেলায় জেলায় সরকারী অফিসারদের বেশিরভাগই চাকুরীরত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষকই শিক্ষকতা কিংবা চাকুরী ছেড়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন নাই। কিন্তু উনারাই তো ছিলেন দেশের চেতনা। অন্যায়ের প্রতিবাদে যদি কারো যুদ্ধে তাৎক্ষনিক যোগ দেবার কথা থাকে তবে সেটা কিন্তু তাদেরই হবার কথা। আপনার কথামত তারাও কি কাপুরুষ ছিলেন? দেশের জন্য নিজ নিজ অবস্থান থেকে যতটা করা সম্ভব উনারাও কিন্তু করে গেছেন।

আপনার দাদার ব্যাপারে আমার ধারনা যদি ঠিক হয় তাহলে আমি আপনাকে এই মুহুর্তে মেয়ে হইলেও পাছায় একটা লাথি দেবার তীব্র ইচ্ছা অনুভব করছি। আপনার বাবাকে কাপুরুষ বলবার কারনেও তাই। চেতনা ভালো, অতিরিক্ত চেতনা ভালো না।

১১| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৫০

চলন বিল বলেছেন: আপনার দাদা সঠিক ছিলেন না ভুল ছিলেন সেই বিচার করবে আল্লাহ

১২| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৫৪

চলন বিল বলেছেন: ব্লগার @শতদ্রু একটি নদী.র কমেন্ট আশা করি পড়ে দেখেছেন। আপনি মুজাহিদের ফাঁসিতে খুশি হয়েছেন তারপরেও গালি খেয়েছেন, গালি খেয়েছেন কাদের কাছে?
আপনি সত্যি মেয়ে হলে ব্লগে এসব রাজনৈতিক পোস্ট দেবেন না। হাম্বালিগের জানোয়ারেরা আপনাকে মেয়ে বলে বিন্দু মাত্র সম্মান দেবে না, এরা জন্ম থেকে ওই হিংস্র মানসিকতা নিয়েই বড় হয়েছে।

১৩| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:০৭

কলাবাগান১ বলেছেন: ধর্ম যার যার দেশ সবার।

১৪| ২১ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৫৭

শতদ্রু একটি নদী... বলেছেন: ও আচ্ছা, বলন খাল এইদিকেও দেখি ভেগু ভেগু সমবেদনা জানাইতে আসছিলো। ভালো, খুব ভালো ;)

১৫| ২১ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:০৬

অপর্ণা মম্ময় বলেছেন: স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সবাই মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেয়নি। সে হিসাবে সে মানুষগুলোর মনে দেশের জন্য শুভ চিন্তা কাজ করে নাই সেটা কোথায় লেখা আছে? যারা যারা যুদ্ধে যায় নাই তারা দেশপ্রেমিক নয় তাহলে? যারা মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করেছেন, রাজাকারদের শাস্তির ব্যাপারে সোচ্চার ছিলেন যুদ্ধে না গিয়েও তাদের ব্যাপারে কি বলবেন?
শতদ্রুর কমেন্টে লাইক।

১৬| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:০৯

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: আপনার দাদা আগে কি ছিলেন তা জানা খুবি জরুরি না বলেন এখন আপনি মুক্তি যুদ্ধের চেতনাতে চৈতন হারায়ে ফেলছেন কিনা!
ভাল থাকবেন আমি এক মুক্তি যুদ্ধার সন্তান কোন গর্ববোধ করতে পারিনা কেননা অাসল নকলের মাঝে কে আসল মুক্তি যুদ্ধা আর কে নকল মিলিয়ে গেছে।

১৭| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:২৩

রাফা বলেছেন: আসলে আমি মনে করেছিলাম পোষ্টের লেখিকা একজন সত্যিকারের মুক্তিযুদ্ধের মানুষ।কিন্তু কারো প্রশ্নের উত্তর না দিতে দেখে সন্দেহ হোচ্ছে,আসলে পুরোটাই ভন্ডামি।অনেক তুখোর রাজাকারের সন্তানকেও আমি বর্তমানেই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কথা বলতে দেখি।এবং অনেক যুক্তি দিয়ে সঠিক ইতিহাসও বলতে দেখি ।কাজেই তাদেরকে আর রাজাকারের ছেলে/মেয়ে হিসেবে দেখিনা।কারন তারা তাদের মিতা/মাতা বা তাদের উত্তর পুরুষের অপরাধকে ঘৃণা করে ঠিক আমাদের মতই।অনেক নামকরা লোকও আছে কিন্তু নাম বলে তাদেরকে চিহ্নিত করতে চাইনা সবার কাছে।
প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা অনেক বড় মনেের হয়।দুর্বল চিত্তের মানুষদেরই আত্ম পরিচয় নিয়ে কোন গৌরব নেই।কারণ তারা সব সময় হিনমন্যতায় ভুগে।আশা করি আমার ধারনা ভুল ।এসে আমাকে চ্যালেন্জ করুন দেখি ।আমি যা বললাম তা সত্য নয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.